সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

ঘরে রাখা মৃত্যুফাঁদ গাছ

অনলাইন ডেস্ক: সৌন্দর্য বাড়াতে অনেকেই ঘরের কোনে, বেলকনিতে, বারান্দায় এমনকি ড্রয়িং রুমে পাতাবাহার গাছ রাখেন। কিন্তু এসব পাতাবাহারের মধ্যে এমন অনেক গাছ আছে যা মানুষের মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হতে পারে। আর এমনই একটি গাছ বাংলাদেশেও সৌখিন বৃক্ষপ্রেমিকদের ঘরে ঘরে ঠাঁই পেয়েছে।
যে গাছটির ছবি দেখছেন, তার পোশাকি নাম হলো Dieffenbachia এবং অফিস আদালতে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বারান্দা বা করিডোরে, এমনকি বাসাবাড়ির বারান্দাতেও একে দেখা যায়। সুন্দর এই গাছটি যে আমাদের কতটা ক্ষতি করতে সক্ষম তা আমরা কেউই জানি না। এই গাছটির একটি পাতা আপনাকে অসুস্থ করে দিতে পারে। এমনকি মৃত্যুও ঘটাতে পারে। শিশুদের বেলায় তো এটি ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বাসায় ছোট শিশু থাকলে অবশ্যই সাবধান হওয়া প্রয়োজন।
একজন অভিভাবক জানান, যে বাড়িতে ছোট বাচ্চা আছে সেখানে এ গাছ না রাখা উচিত। কারণ তার ৩ বছর বয়সী কন্যাশিশু ভুল করে এই গাছের একটি পাতা গিলে ফেলে। এতে তার জিহ্বা ফুলে যায় এবং তার মৃত্যু ঘটে।
Dieffenbachia খুব সুন্দর একটি পাতাবাহার। তাই অনেকেই এটাকে বাসায় রেখে সার-পানি দিয়ে লালন করে। হয়ত ওই বৃক্ষপ্রেমিক সৌখিন লোকটি জানেনই না যে, তিনি দুধ-কলা দিয়ে কালসাপ পুষছেন। তাই এই গাছকে বাড়িতে রাখা তো উচিতই না, আর রাখলেও শিশুরা যাতে এর কাছে যেতে না পারে সে ব্যবস্থা করা উচিত। এর প্রভাব এতই খারাপ যে, এর যে কোনো অংশ খাওয়ার এক মিনিটের মাথায় একটি শিশুর মৃত্যু হতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের মৃত্যু হতে পারে ১৫ মিনিটের মাঝে। এমনকি এই গাছ হাত দিয়ে ধরলে এবং সেই হাত চোখে গেলে অন্ধত্বের সম্ভাবনা থাকে।

এই গাছ যদি আপনার ঘর বা প্রতিষ্ঠান থেকে সরাতে না চান বা সরানো সম্ভব নাও হয়, তাহলে এর চারপাশে বেড়া অথবা গ্রিল দিয়ে রাখুন যাতে বাচ্চারা এর পাতার নাগাল না পায়। এতে দুর্ঘটনা ঠেকানো সম্ভব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে পারছেন না গুনাথিলাকাও

খেলার খবর: সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) শনিবার শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ। ছয় দল নিয়ে ওয়ানডে ফরম্যাটের ১৪তম এ আসরের সূচি ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। ফলে দলগুলো নিজেদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। কিন্তু উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের মুখোমুখি হতে যাওয়া শ্রীলঙ্কার দুঃশ্চিন্তা বেড়ে চলছে।
তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে চোটে পড়েছেন দানুশকা গুনাথিলাকা। ইনজুরির কারণে আগেই ছিটকে গেছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান দীনেশ চান্দিমাল। এছাড়া কমপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারবেন না আকিলা ধনঞ্জয়া।
পিঠের নিচু অংশে চোট পেয়ে এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে গেছেন গুনাথিলাকা। ২৭ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারের বদলি হিসেবে লঙ্কান দলে যোগ দিচ্ছেন শেহান জয়সুরিয়া।
শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু করবে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু সে ম্যাচে থাকতে পারবেন না ধনঞ্জয়া। নিজের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় থাকা এই স্পিনার চলে যাবেন সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর কাছে। তাই পরের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষেও পাওয়া যাবে না তাকে।
ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলতে গিয়ে আঙুলের ইনজুরিতে পড়া চান্দিমালের এশিয়া কাপ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। গ্রুপ পর্বে অনিশ্চিত এই ক্রিকেটার। চান্দিমালের শূন্যস্থান পূরণে ডাক পান উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নিরোশান ডিকভেলা।
চান্দিমাল-ধনঞ্জয়া-গুনাথিলাকা না থাকায় লঙ্কান দলে দুশ্চিন্তার কালো ছায়া ঘন হচ্ছে। তবে কিছুটা হলেও নির্ভার থাকতে পারছে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘জিয়া ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে জেল থেকে মুক্ত করেছিলেন’

দেশের খবর: নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর আটক করা ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে জেল থেকে মুক্ত করে জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠন করেছিলেন। তারপর খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে নানা ষড়যন্ত্র করছেন।
শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের বরফকল মাঠ এলাকায় ড্রেজার বেইজ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আগুন ও বোমায় অসংখ্য মানুষ হত্যা করে দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিলেন। এছাড়া পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে পারেনি বলেই পাকিস্তান খালেদা জিয়ার ঘাড়ে চেপে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রাজনীতির স্থিতিশীলতা এবং বাংলাদেশের সম্পদ ধ্বংসের জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভূগর্ভ উদ্ধারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নদী খনন কাজ চলছে। তাই উন্নয়নের অগ্রগতি ধরে রাখতে শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান, বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত সচিব ভোলানাথ দে, বিআইডব্লিউটিএ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আউয়াল, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএ’র সিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চোখের সামনে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ, শোকে প্রেমিকের আত্মহত্যা

বিদেশের খবর: প্রেমিকাকে গণধর্ষণের শিকার হতে দেখে আত্মহত্যা করল ২১ বছরের এক তরুণ৷ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ছত্তিশগড়ের কোরবা এলাকায় ঘটেছে এই ঘটনা৷ মৃত সেই তরুণের নাম সাওয়ন সাই৷
১৭ বছর বয়সী নির্যাতিতা জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুজনের নাম ঈশ্বর দাস (২২) এবং খেম কানওয়ার (২১)৷ গত বুধবার গণধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে৷
সেই নাবালিকা পুলিশকে জানায়, গত ১ সেপ্টেম্বর সাওয়ানের সঙ্গে সে যখন স্কুলের কাছেই দাঁড়িয়েছিল তখনই সেই দুজন এসে প্রেমিকের সামনেই তাকে ধর্ষণ করে৷ পরের দিন সাওয়ন জানতে পারে অভিযুক্তেরা এই ঘটনার কথা নিজেরাই গ্রামের অনেককে বলেছে৷ এসব সহ্য করতে না পেরেই আত্মহত্যা করে সাওয়ন৷ নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে ঈশ্বর দাস এবং খেম কানওয়ারকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদ্মায় ৫১ বছরে ৬৬ হাজার হেক্টর ভূমি বিলীন

দেশের খবর: শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার অনেক বসতি ও বাজার সম্প্রতি পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। সর্বস্বান্ত মানুষের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে আশপাশ। পদ্মার এই আগ্রাসী থাবা কখন কাকে পথে বসিয়ে দেয় তার কোনো আভাস না মিললেও হিসাব বলছে, বিগত প্রায় ৫১ বছরে অন্তত ৬৬ হাজার হেক্টর জমি গিলে খেয়েছে উত্তাল এই নদী।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা দিয়েছে এই হিসাব। পদ্মার আয়তন, আকৃতি বদল আর স্থান পরিবর্তন নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সংস্থাটির অনলাইন প্রচারমাধ্যম ‘আর্থ অবজারভেটরি’-তে প্রকাশিত প্রতিবেদনে পদ্মা ও তার তীরবর্তী অঞ্চল নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
৬৬ হাজার হেক্টর জমি হিসাবে ৬৬৩ বর্গ কিলোমিটারের বেশি। ধরতে গেলে যা প্রায় মেহেরপুর জেলার সমান (মেহেরপুরের আয়তন প্রায় ৭১৬ বর্গ কি.মি.)। আন্তর্জাতিক কোনো শহর ধরতে গেলে শিকাগোর আয়তনের চেয়ে বেশি (যুক্তরাষ্ট্রের শহরটির আয়তন ৬০৬ বর্গ কি.মি.)।
১৯৮৮ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত স্যাটেলাইটে ধারণকৃত ১৪টি ছবি বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তত গত ৩০ বছর ধরে আয়তন বাড়ছে পদ্মার। নদীটির আকৃতির রূপান্তর হচ্ছে আবার স্থানও বদলাচ্ছে। ফলে হচ্ছে ভূমিক্ষয়।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ১৪টি ছবিই নেওয়া হয়েছে প্রত্যেক বছরের শুষ্ক মৌসুম জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে। স্যাটেলাটের ল্যান্ডস্যাট ৫ ছিল থিমেটিক ম্যাপারের জন্য। ল্যান্ডস্যাট ৭ ছিল বৃদ্ধি পাওয়া থিমেটিক ম্যাপারের জন্য। ল্যান্ডস্যাট ৮ ছিল প্রয়োগগত ভূমির ছবির জন্য।
নাসার প্রতিবেদনে বলা হয়, লাখো মানুষ যাতায়াত, সেচ ও চাষাবাদের জন্য পদ্মার ওপর নির্ভরশীল। এ বিপুলসংখ্যক মানুষকে স্বভাবতই নদীটির ১৩০ কিলোমিটার উপকূলের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে হয়।
কিন্তু নদীর তীর ভাঙনের কারণে বছরে বছরে অসংখ্য বসত-বাড়ি ও দোকান-পাট-স্থাপনা হারিয়ে গেছে। আবাসস্থল থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন মানুষ। প্রত্যেক বছর হাজারও ভূমিক্ষয় হয়ে পদ্মায় বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ১৯৬৭ সাল থেকে ৬৬ হাজার হেক্টরের বেশি ভূমি পদ্মা তলিয়ে নিয়েছে। আয়তন বিচারে যা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় শহর শিকাগোর সমান।
নাসার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভয়াবহ মাত্রার এ ভূমিক্ষয়ের অন্যতম দু’টি কারণ হলো- প্রথমত, এমন উত্তাল নদী প্রবাহের মধ্যে উপকূল সুরক্ষা কর্মসূচিতে খুব কম এলাকা থাকা; দ্বিতীয়ত, নদীর তীরে বিশাল বালুচরে থাকা।
দীর্ঘদিন থেকেই পদ্মা নদীর প্রশস্ততা, গভীরতা, আকৃতি এবং এর সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। নাসার স্যাটেলাইটে ধারণকৃত ছবিতে দেখা যায়, ১৯৮৮ সাল থেকে পদ্মার আকৃতি ও প্রশস্ততার পরিবর্তন হচ্ছে। এছাড়া নদীটির আঁকা-বাঁকা গতিপথ এর ভিন্নরকম ভূ-তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ হাজির করছে বিজ্ঞানীদের সামনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিবি পরিচয়ে তুলে নেয়া হয় সেই ৩ যুবককে

দেশের খবর: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে উদ্ধার হওয়া সেই তিন যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। স্বজনরা বলছেন, গত বুধবার পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবির সদস্য পরিচয়ে ওই তিনজনকে যাত্রীবাহী বাস থেকে তুলে নেয়। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তারা।
তিনজনই রাজধানী ঢাকায় থাকতেন।
শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার চল উপশহরের আলমপুরের ১১ নম্বর ব্রিজ এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
যুবকেরা হলেন- রাজধানীর মহাখালী এলাকার বাসিন্দা শহীদুল্লাহর ছেলে মো. সোহাগ (৩২), মুগদা এলাকার মো. আবদুল মান্নানের ছেলে শিমুল (৩০) ও একই এলাকার আবদুল ওয়াহাব মিয়ার ছেলে নূর হোসেন ওরফে বাবু (৩০)। এদের মধ্যে শিমুল ও বাবু সম্পর্কে ভায়রা ভাই।
সকালে লাশ উদ্ধারের পর তাৎক্ষণিকভাবে নিহত যুবকদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বিডি২৪লাইভকে জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের দেয়া খবরে শুক্রবার সকাল সোয়া ৮টায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন যুবকের লাশ উদ্ধার করে।
নিহতদের বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। একজনের গায়ে সাদা-লাল টিশার্ট, আরেকজন ধূসর শার্ট এবং অপরজনের গায়ে নীল রংয়ের শার্ট ছিল। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন ও মাথায় জখম রয়েছে। রাতে হত্যার পর এখানে ফেলে যাওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
খবর পেয়ে নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা রূপগঞ্জ থানায় ছুটে আসেন। তারা লাশ শনাক্ত করেন।
নিহত সোহাগের ভাই মো. শাওন বলেন, গত বুধবার বেড়াতে গিয়ে তার বড় ভাই নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলো না। ফেসবুকে ছবি দেখে রূপগঞ্জ থানায় এসে লাশ শনাক্ত করেন। তার ভাই ফাস্ট ফুড বার্গার ও স্যাটেলাইট ক্যাবল নেটওয়ার্কের ব্যবসা করতেন বলে তিনি জানান। নিহত সোহাগের ১০ বছর বয়সী সন্তান রয়েছে।
নিহত শিমুলের স্ত্রী আয়েশা আক্তার আন্নি জানান, গত বুধবার বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস থেকে তার স্বামীসহ অন্যদের সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়। দুটি মাইক্রোবাস ও একটি গাড়িতে করে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে শিমুল নিখোঁজ ছিলেন। তার মুঠোফোন বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে থানায় এসে তিনি স্বামীর লাশ শনাক্ত করেন। তার স্বামী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানান তিনি। তাদের এক মেয়ে রয়েছে।
পরে ওসি জানান, নিহত একজনের পকেট থেকে ৬৫টি ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। নিহত যুবকদের স্বজনেরা লাশ শনাক্ত করেছেন। তবে ওই যুবকদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা রয়েছে কি না, তা জানাতে পারেননি তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জম্মু-কাশ্মীরে বাস খাদে পড়ে নিহত ১৩

বিদেশের খবর: ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতয়ার জেলায় একটি মিনিবাস খাদে পড়ে ১৩ যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৩ জন। শুক্রবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানায় এনডিটিভি।
কিশতয়ার পুলিশের সিনিয়র এসপি রাজেন্দ্র গুপ্ত জানান, ৩০ জনেরও বেশি যাত্রী নিয়ে বাসটি কেশওয়ান থেকে কিশতয়ার যাচ্ছিল। পথে থাকরাইয়ের কাছে দানদারানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। চালক বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটি সড়ক থেকে প্রায় ৩০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলেই ১৩ জন নিহত হন। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে জম্মু নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
কিশতয়ারের উপকমিশনার আংগ্রে সিং রানা নিহতদের পরিবারকে ৫ লাখ রুপি ও আহতদের ৫০ হাজার রুপি দেয়ার ঘোষণা দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দিনে দর্জি, রাতে ডাকাত; ধরা পড়ল ৩৩ খুনের সিরিয়াল কিলার

বিদেশের খবর: ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপালে লাগোয়া শিল্পাঞ্চল মান্ডিদ্বীপ এলাকায় বসবাস করেন তিনি। নাম আদেশ খামরা। বয়স ৪৮ বছর। পেশায় দর্জি।
শিল্পাঞ্চল এলাকার বাজারে তার পোশাক তৈরির দোকান রয়েছে। মানুষ তাকে একজন ভালো দর্জি হিসেবে জানলেও অন্য একটা চেহারা সামনে এসেছে কয়েক দিন আগে।
পুলিশের তথ্যমতে, দিনে দর্জির কাজ করেন আদেশ খামরা। আর রাত হলেই দর্জির পোশাক খুলে হয়ে যান ভয়ঙ্কর চেহারার মানুষ।
রাতে তার কয়েকজন সাগরেদ নিয়ে বেরিয়ে পড়ত হাইওয়েতে। দূরদূরান্তের মালবাহী ট্রাকচালকরা সেখানে বিশ্রাম নিত। আদেশ খামরা ওইসব চালক ও হেলপারদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দিত। চলত মদের আসর।
ড্রাইভার আর হেলপারদের মদের সঙ্গে কৌশলে বিষ মিশিয়ে দিত আদেশ খামরার সহচররা। বিষাক্ত মদ খেয়ে ড্রাইভার-চালক মারা গেলে বা অজ্ঞান হলে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হতো। লাশ ফেলে দেয়া হতো দুর্গম কোনো এলাকায়।
ভোপালের পুলিশ ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল ধর্মেন্দ্র চৌধুরী বলেন, আজকেও নতুন করে তিনটি খুনের কথা সে স্বীকার করেছে। এখনো পর্যন্ত এ নিয়ে ৩৩টি খুনের কথা জানা গেছে। প্রায় সব হত্যাকাণ্ডগুলোই কনফার্ম করা গেছে। তবে শুধু মধ্যপ্রদেশ নয়- আশপাশের ৫-৬টি রাজ্যেও আদেশ আর তার সঙ্গীরা খুন করেছে। সবগুলোই খতিয়ে দেখছি আমরা।
২০১০ প্রথমে এগারো মাইল নামক একটি এলাকা থেকে দুটি ট্রাক ছিনতাই করেছিল আদেশ খামরা ও তার সঙ্গীরা। সেখান থেকে তাদের অপরাধের শুরু।
ওইদন মাদক খাইয়ে অচৈতন্য করে দিয়ে দুই চালককেই তারা হত্যা করে লাশ ফেলে দিয়েছিল দুটি আলাদা জায়গায়। এই সিরিয়াল কিলার পুলিশের হাতে বেশ অদ্ভুতভাবেই ধরা পড়ে।
গত ১৫ আগস্ট পুলিশ একটি লাশ উদ্ধার করে। আবদুল্লাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মাখন সিংয়ের মরদেহ ছিল সেটি। পুলিশ জানতে পারে যে, ওই ট্রাকচালক মান্ডিদ্বীপ থেকে লোহা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন। দেহ উদ্ধারের পরে ট্রাকটিকেও খুঁজে পাওয়া যায় হাইওয়ের ধারে।
পুলিশ সন্দেহবশত এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর কয়েকজনের সন্ধান পায় পুলিশ। এরপরই নয়জনকে গ্রেফতার করা হয়।
তবে তাদের গ্রেফতারের পরও পুলিশ জানত না যে, এক এক করে ৩৩টি খুনের কিনারা করতে পারবে তারা। আর খোঁজ পাবে এক সিরিয়াল কিলারের।
ধর্মেন্দ্র চৌধুরী বলেন, জেরা করতে গিয়ে কখনোই মনে হয়নি অন্য সিরিয়াল কিলারদের মতো মানসিকভাবে অসুস্থ এরা। নিজেরাই এক এক করে তাদের হত্যাকাণ্ডগুলোর কথা স্বীকার করছে। এটাও জানিয়েছে যে, সম্প্রতি আদেশ নিজের একটা আলাদা গ্যাং বানিয়েছিল। আর অন্য রাজ্যে গিয়ে হত্যা আর ট্রাক চুরির ঘটনায় সেখানকার দুষ্কৃতীদেরও সাহায্য নিত।
হত্যার পরে কোনো সূত্রই রাখত না এরা। যে কারণে এত দিন পুলিশের জালে ধরা পড়েনি। একেকটি ঘটনার পরেই মোবাইল ফোন আর সিমকার্ড বদলে ফেলত আদেশ খামরা।
তাকে জেরা করে পুলিশ এখনো পর্যন্ত প্রায় ৪৫ পৃথক আইএমইআই নম্বরের মোবাইল খুঁজে পেয়েছে, যেগুলোতে ৫০টিরও বেশি সিমকার্ড ব্যবহার করেছে আদেশ খামরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest