সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

ব্যারিস্টার মঈনুল আমাকে ‘চরিত্রহীন’ বলে গালি দিয়েছেন: মাসুদা ভাট্টি

অনলাইন ডেস্ক: একাত্তর টেলিভিশনের লাইভ অনুষ্ঠান একাত্তর জার্নালে নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সম্পর্কে আলোচনায় ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন যুক্ত হলে উপস্থাপকের অনুমতি নিয়ে যখন তাকে প্রশ্ন করি যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সকলেই এই প্রশ্ন তুলছেন যে, আপনি এই ঐক্যফ্রন্ট-এর অায়োজনে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করেন কি না? তখন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন আমাকে `চরিত্রহীন‘ বলে গাল দেন।

তার এই গালি শোনার পর যে প্রশ্নগুলো মাথায় আসছে:

১. আজকে তফাজ্জল হোসেন মাণিক মিয়া বেঁচে থাকলে কী করতেন?
২. ১/১১-র সময়ে এর হাতে দেওয়া হয়েছিল রাষ্ট্রের দায়িত্ব?
৩. এরাই করবে গণতন্ত্র উদ্ধার? যে গণতন্ত্রে প্রশ্নকারী সাংবাদিককে চরিত্রহীন গালি শুনতে হয়?
৪. আইন এক্ষেত্রে কী বলে?
৫. নারী বলেই চরিত্রহীন বলে গাল দেওয়া যদি এতোটাই সহজ হয় তাহলে ভবিষ্যতে তারা ক্ষমতাসীন হলে নারীর অবস্থান কী হবে এদেশে?
৬. ড. কামাল হোসেনের মতো একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির পাশে এরকম একজন ভয়ঙ্কর ব্যক্তিকে কী মানায়? এদের সঙ্গে মিলে ড. কামাল হোসেন কী গণতন্ত্র দেবেন আমাদেরকে? চরিত্রহীন বলার গণতন্ত্র?
৭. রাজনীতিকে এতোটা পঁচিয়ে কারা নিজেদের রাজনীতির বাইরের সুশীল সমাজ বলে ১/১১-র সরকার গঠন ও তাকে সমর্থন দিয়েছিল?
https://www.facebook.com/Ekattorjournal/videos/482160325526424/

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কানাডায় প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি শুরু

বিদেশের খবর: বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে প্রকাশ্যে গাঁজা ব্যবহার ও বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে কানাডা। বুধবার স্থানীয় সময় মধ্যরাতে দেশটির সব বাজারে প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি শুরু হয়। যদিও স্বাস্থ্য, আইন ও জন নিরাপত্তায় এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান’র।
খবরে বলা হয়েছে, গাঁজা সম্পর্কিত আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ পরিবারে ই-মেইল পাঠানো হবে। এজন্য প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন ক্যাম্পেইনও পরিচালনা করবে দেশটি।
গাঁজা সেবন করে গাড়ি চালানো পরিস্থিতি সামাল দিতে তৈরি আছে পুলিশ। পাশাপাশি গাঁজা বৈধ করার উদ্দেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে কানাডার প্রদেশগুলো। দেশটির কোন কোন জায়গায় প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি ও সেবন করা যাবে তা নির্ধারণ করবে প্রদেশগুলো। এজন্য নির্দিষ্ট আইন অনুসরণ করবে তারা।
কানাডায় বৈধ গাঁজা ব্যবসা ও সেবন কিভাবে চলবে তার সঠিক কোনও উত্তর নেই। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, বৈধ হওয়ার প্রথম বছরে গাঁজা সংকট দেখা দেবে। এরপর উৎপাদন ও লাইসেন্স বাড়লে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। তবে এর আগে শুধু উরুগুয়েতে এটা বৈধ ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাসোগিকে কেটে টুকরো করা হয়

বিদেশের খবর: হত্যার আগে ভয়াবহ নির্যাতন করা হয়েছিল সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর আঙুল কেটে ফেলা হয়। তুরস্ক সরকার সমর্থিত দৈনিক পত্রিকা ইয়েনি সাফাকের বরাত দিয়ে আজ বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ইয়েনি সাফাক দাবি করেছে, তাঁরা খাসোগিকে নির্যাতন ও হত্যার সময়ের একাধিক অডিও রেকর্ড শুনেছে। নির্যাতনের পর তাঁকে হত্যা করা হয়।

এদিকে ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে খাসোগিকে কেটে টুকরো করা হয়।
২ অক্টোবর খাসোগি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেট ভবনে ব্যক্তিগত নথিপত্র আনার প্রয়োজনে প্রবেশ করেন। সেখান থেকে তিনি আর বেরিয়ে আসেননি। খাসোগি ওয়াশিংটন পোস্টে কলাম লিখতেন। তাঁর কলামে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করা হতো। যুবরাজ মোহাম্মদ সালমান গত বছরের জুনে ক্ষমতা নেওয়ার পর খাসোগি গ্রেপ্তার আতঙ্কে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা নির্বাসনে যান।

তুর্কি পুলিশের দাবি, খাসোগিকে কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যা মিশনে অংশ নেয় রিয়াদ থেকে ইস্তাম্বুলে আসা ১৫ সদস্যের সৌদি স্কোয়াড। এই সদস্যের একজন সৌদি ফরেনসিক বিভাগের লেফটেন্যান্ট কর্নেল সালাহ মুহাম্মদ আল-তুবায়গি।

ওয়াশিংটন পোস্টে আগেই মার্কিন ও তুর্কি একাধিক কর্মকর্তার নাম উল্লেখ না করে জানিয়েছে, অডিও-ভিডিও রেকর্ড থেকে বোঝা যায়, খাসোগিকে কনস্যুলেট ভবনের ভেতর হত্যা করা হয়েছে। পরে তাঁকে কেটে টুকরো করা হয়।
এই প্রথম কোনো তুর্কি গণমাধ্যম দাবি করেছে যে তারা এসব টেপের কথাবার্তা ও শব্দ শুনেছে। তবে কোন উৎস থেকে কীভাবে টেপগুলো পাওয়া গেছে, এ বিষয়ে জানায়নি তারা।

এর আগে তুরস্ক সরকার সমর্থিত দৈনিক পত্রিকা সাবাহ প্রতিবেদনে বলা জয়, খাসোগির অ্যাপল ঘড়িতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা রেকর্ড হয়েছে। যদিও কয়েক জন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যেভাবে বলা হচ্ছে, ঠিক সেভাবে ওই ঘড়ি কোনো ঘটনা রেকর্ড করতে পারে না।

ইয়েনি সাফাকে প্রকাশিত খবর অনুসারে, একটি টেপে ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনসাল মোহাম্মদ আল-ওতায়বির কণ্ঠ শোনা গেছে। খাসোগিকে নির্যাতনের সময় তিনি বলছিলেন, ‘বাইরে গিয়ে এটা করো। তোমরা আমাকে বিপদে ফেলে দিচ্ছ’।
খবরে আরেকটি টেপের কথা তুলে ধরে বলা হয়েছে, অপরিচিত একজন ওতায়বিকে বলছেন, ‘সৌদি আরবে এসে বেঁচে থাকতে চাইলে চুপ থাক!’

তবে মিডল ইস্ট আই ওয়েবেসাইটে একজন তুর্কি সূত্রকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, সেখানে খাসোগিকে জিজ্ঞাসাবাদের কোনো চেষ্টা ছিল না। সৌদি দল গিয়েছিল তাঁকে হত্যা করতে। ওই সূত্র আরও জানিয়েছে, হত্যায় সাত মিনিট সময় লেগেছে। সৌদি ফরেনসিক বিভাগের সালাহ মুহাম্মদ আল-তুবায়গি যখন খাসোগির দেহ কেটে টুকরো টুকরো করছিলেন ‘তখনো বেঁচে ছিলেন’খাসোগি।
বলা হচ্ছে, হত্যার সময় তুবায়গি গান শুনছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরের পদত্যাগ

বিদেশের খবর: ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর পদত্যাগ করেছেন। ‘#মি টু’ আন্দোলনে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠায় পদত্যাগ করলেন তিনি। যদিও শুরু থেকেই তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। অভিযোগ তোলায় একজনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেছিলেন আকবর।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬৭ বছর বয়সী এম জে আকবর আজ এক বিবৃতিতে বলেন, ন্যায়বিচারের স্বার্থে তিনি পদত্যাগ করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ব্যক্তিগতভাবে মোকাবিলা করে আদালতে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য পদত্যাগের সিদ্ধান্ত সঠিক বলে মনে করেন তিনি।

যদিও অভিযোগ ওঠার শুরুর দিকে পদত্যাগের দাবি উঠলে তা নাকচ করে দিয়েছিলেন এম জে আকবর। গত সোমবার তিনি নারী সাংবাদিক প্রিয়া রামানির বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেন। মামলার এজাহারে প্রিয়া রামানির অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়, প্রিয়া তাঁর সুনাম নষ্ট করার জন্য ভেবেচিন্তে ইচ্ছাকৃতভাবে মানহানিকর সম্পূর্ণ মিথ্যা এই অপপ্রচার চালিয়েছেন। এর আগেরদিন রোববার তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এই অভিযোগের ব্যাপারে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন তিনি।

৮ অক্টোবর আকবরের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ করেন সাংবাদিক প্রিয়া রামানি। তিনি টুইট বার্তায় জানান, আকবর তাঁকে যৌন হয়রানি করেছেন বলে বছরখানেক আগে তিনি এক নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন। ওই সময় হলিউড তারকা হার্ভি ওয়াইনস্টিনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘#মি টু’ আন্দোলন চলছিল।

প্রিয়া রামানির পর আকবরের বিরুদ্ধে আরও ১১ নারী যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেন। তাঁরা হলেন, প্রেরণা সিং বিন্দ্রা, ঘজালা ওয়াহাব, সুটাপা পাল, আনজু ভারতি, সুপর্ণা শর্মা, সোমা রাহা, মালিনী ভুপ্তা, কণিকা গৌলত, কদমবারি এম ওয়েড, মাজলি দ্য পু ক্যাম্প ও রথ ডেভিড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে আরও সৌদি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: সৌদি উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পারস্পরিক স্বার্থেই আপনাদেরকে বাংলাদেশে ব্যবসা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী চিন্তা নিয়ে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, যাতে উন্নয়ন অভিযাত্রায় একে অন্যের হাতে হাত রেখে চলতে পারি। সৌদি আরবের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। এ ব্যাপারে বর্তমান সরকারের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
বুধবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বাদশাহ সৌদ রাজপ্রাসাদে সৌদি আরবের ব্যবসায়ীদের সংগঠন সৌদি চেম্বার এবং রিয়াদ চেম্বার অব কমার্সের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
সৌদি ব্যবসায়ীদের সামনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের লাভজনক খাতগুলো তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি উদ্যোক্তাদেরকে বিভিন্ন উদীয়মান খাত যেমন— পুঁজি বাজার, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, টেলিকমিউনিকেশন এবং তথ্য প্রযুক্তি, পেট্রোকেমিক্যাল, ওষুধ শিল্প, জাহাজ নির্মাণ এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে বাংলাদেশ।’

তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে হাল্কা প্রকৌশল শিল্প, ব্লু-ইকোনমি, গবেষণা, উন্নয়ন ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন, পানি ও সমুদ্রসম্পদ, অন্যান্য ভৌত অবকাঠামোগত প্রকল্পে এবং সেবামূলক খাত যেমন— ব্যাংকিং এবং অর্থনীতি, লজিস্টিক এবং মানবসম্পদ খাতেও বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানাই।’
প্রধানমন্ত্রী এসময় বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সব চেয়ে ভালো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকা এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রণোদনার সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে অধিকহারে মুনাফা নিয়ে দেশে ফেরার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। যার মধ্যে রয়েছে— আইন দিয়ে সুরক্ষিত সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), ট্যাক্স হলিডে, যন্ত্রাংশ আমদানিতে স্বল্প শুল্ক প্রদান, বিনা শুল্কে শিল্পের কাঁচামাল আমদানির সুযোগ, টেমিট্যান্স অন রয়্যালিটি, শতভাগ ফরেন ইক্যুয়িটির নিশ্চয়তা, লাভ এবং পুঁজিসহ বিনা বাধায় চলে যাবার সুবিধা।

অন্যান্য সুবিধার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের রয়েছে প্রতিযোগিতামূলক বেতন-ভাতায় সহজে প্রশিক্ষণযোগ্য নিবেদিত প্রাণ জনশক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে স্বল্প ব্যয় এবং আমাদের বৃহৎ শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত বাজারে প্রবেশের সুবিধা। এর মধ্যে রয়েছে— ইউরোপিয় ইউনিয়ন (ইউ), অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত, জাপান এবং নিউজিল্যান্ডের বাজারে প্রবেশের সুবিধা। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ এবং পানি প্রাপ্তির সুবিধাও রয়েছে। রয়েছে ভালো ক্রেডিট রেটিং, স্বল্প ঝুঁকি এবং দ্রুত প্রযুক্তির গ্রহনযোগ্যতার সুবিধা। এ সবগুলো একত্রে বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের জন্য বিনিয়োগের সর্বোচ্চ মুনাফা প্রাপ্তির সুবিধাই নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশের ভৌগোলিক অবস্থান দেশটিকে আঞ্চলিক যোগাযোগ, বিদেশি বিনিয়োগ এবং গ্লোবাল আউট সোর্সিয়ের একটি কেন্দ্রে পরিণত করেছে। সরকার দেশে ১০টি প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃজনের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং দুই অংকের টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য বিভিন্ন বৈচিত্র্যপূর্ণ এলাকায় যোগাযোগ, হাইটেক, পর্যটন, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাতে এ ধরনের আরও প্রকল্প গ্রহণ করেছে।’

বর্তমান সরকারের ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকাগুলো (ইপিজেড) শতভাগ রফতানি নির্ভর। সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগকে টেকসই করার জন্যই সরকার এই শিল্পাঞ্চলগুলো গড়ে তুলেছে।’

শেখ হাসিনা এই শিল্পাঞ্চলগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করে গড়ে তোলার জন্য দেশে প্রায় দুই ডজনেরও বেশি হাইটেক পার্ক গড়ে তোলার কথাও সৌদি ব্যবসায়ীদের জানন।
দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিমাণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারে গিয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু আমরা এখনও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগগুলোর পুরোপুরি সদ্যব্যবহার করতে পারছি না।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগের পরিমাণ এখন ২৫টি প্রকল্পে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার, যার প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে—কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য এবং প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার, বস্ত্র এবং তৈরি পোশাক, চামড়া, পেট্রো- কেমিক্যাল, প্রকৌশল এবং সেবা খাত।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সৌদি আরবের বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে দু’হাজার একর জমি বরাদ্দ করেছি, যেগুলো বিনিয়োগকারীদের নিজস্ব চাহিদা মোতাবেক তারা ব্যবহার করতে পারবেন।’

বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান, যেটি উভয়ের বিশ্বাস, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ এবং আকাঙ্ক্ষার একই ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের ব্যবসায়িক সম্পর্কের শুরু সেই সপ্তম শতকে, যখন আরবের ব্যবসায়ীরা প্রথমবারের মতো আমাদের বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আসেন।’

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি বাদশাহ এবং পবিত্র দু’টি মসজিদের খাদেম সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সেদেশে গিয়ে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের সময় সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে সই হবে। সফরে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী রিয়াদে নিজস্ব জমিতে নবনির্মিত বাংলাদেশ দূতাবাস ভবনের উদ্বোধন এবং জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেট ভবনের ভিত্তি স্থাপন করবেন।
সৌদি আরবে চলতি বছর এটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর। সফর শেষে আগামী শুক্রবার তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কুমারী’ সাজতে না পেরে দুঃখ কোয়েলের

বিনোদনের খবর: কোয়েল মল্লিক, টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নাম। রূপালী পর্দায় চরিত্রের প্রয়োজনে ‘দুর্গা’ সেজেছেন বহুবার, তবে ‘কুমারী’ হতে পারেন নি একবারও। ‘কুমারী’ হতে না পারার দুঃখ তাড়ায় তাকে, এমনই জানিয়েছেন তিনি।

ভারতের একটি গণমাধ্যম বলছে, টালিউড অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের কন্যা তার মেয়েবেলাতে খুব চেয়েছিলেন তিনি অন্তত একবার ‘কুমারী’ রূপে পূজিতা হতে। কিন্তু সেই সৌভাগ্য কোনও দিনই হয়নি তার। যেহেতু বাড়ির পূজাতে বাড়ির কোনও মেয়েকে কুমারী রূপে পূজিতা হওয়ার রীতি নেই, সে কারণেই মল্লিক বাড়িতে মহাষ্টমী-তে ‘কুমারী পূজা’ অনুষ্ঠিত হলেও তিনি কোনও দিনই ‘কুমারী’ হতে পারেননি। ‘কুমারী পূজা’-তে অংশগ্রহণ করেছেন ঠিকই, তবে সেটা শুধু পূজারি হিসেবেও। এবারও মল্লিক বাড়ির পূজাতে কুমারী পূজায় অংশ নিয়েছেন কোয়েল। নিজ হাতে সাজিয়েছেন বোনের মেয়েকে।

কোয়েল মল্লিক নিজের ‘কুমারী’ না সাজতে পারা সম্পর্কে বলেন, ‘ছোটবেলায় কুমারী সাজার সখ থাকলেও কোনও দিনই তা পূর্ণ হয়নি। বাড়ির পূজায় বাড়ির মেয়েরা কুমারী হতে পারে না। তাই আমার আর সেই সৌভাগ্য হয়নি। এবার বোনের মেয়ে কুমারী হল। বোনের যেহেতু বিয়ে হয়ে গিয়েছে, গোত্র পরিবর্তন হয়েছে, তাই বোনের মেয়ের কুমারী হওয়ায় কোন সমস্যা নেই।’

বুধবার মহাষ্টমীর সকাল থেকেই মল্লিক বাড়ির পূজাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কোয়েল। সকালের কল্যাণী পূজা থেকেই তিনি ছিলেন। পুষ্পাঞ্জলির পর কুমারী পূজাতেও ছিলেন কোয়েল। কোয়েলের সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী, প্রযোজক নিসপাল সিংও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক উঠানে মসজিদ-মন্দির

অনলাইন ডেস্ক: এক উঠানে মসজিদ ও মন্দির, ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্বল দৃষ্টান্ত। এক পাশে উলুধ্বনি অন্যপাশে চলছে জিকির। এক পাশে ধুপকাটি অন্য পাশে আতরের ঘ্রাণে মুখোর। এভাবে ধর্মীয় সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যুগ যুগ ধরে চলছে পৃথক দুইটি ধর্মের উপাসনালয়। দেশের ইতিহাসে এটিই একমাত্র। সীমান্তবর্তী লালমনিরহাট জেলা শহরের কালীবাড়ি এলাকার পুরান বাজার জামে মসজিদ ও কালীবাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দিরটি একই উঠানে রয়েছে সম্প্রীতির বন্ধনে। যে যার মত ধর্ম পালন করে চলে যাচ্ছে। চলছে শারদীয় দুর্গোৎসব।

কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দির কমিটির কোষাধ্যক্ষ সনদ চন্দ্র সাহা জানান, প্রায় দেড়শত বছর আগে কালীমন্দির হিসেবে এ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যার কারণে এলাকাটির নামকরণও করা হয় কালীবাড়ী। বাজার গড়ে উঠলে বাজারের ব্যবসায়ী ও শহরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মন্দিরের পাশেই এ পুরান বাজার জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। সেই থেকে একটা উঠানে চলছে দুই ধর্মের দুই উপাসনালয়।

তিনি আরো জানান, পূজা শুরুর আগে মসজিদ ও মন্দির কমিটি বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত মতে, আজানের সময় থেকে প্রথম জামায়াত নামাজ পর্যন্ত মন্দিরের মাইক, ঢাক ঢোলসহ যাবতীয় শব্দ বন্ধ থাকে। ওই সময় পুরোহীত নিরবে পূজা করবেন ঢাক ঢোল ছাড়াই। নামাজের প্রথম জামাত শেষ হলে মন্দিরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়। সামান্যতম বিশৃঙ্খলা হয় না এখানে। তার জন্ম থেকে এভাবে চলতে দেখেছেন বলে জানান সনদ চন্দ্র সাহা।

পুরান বাজার জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফজল মিয়া জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতির এটি এক জ্বলন্ত প্রমাণ। যুগ যুগ ধরে একই উঠানে চলছে নামাজ ও পূজা অর্চনা। নামাজের সময় মন্দিরের ঢাক ঢোল বন্ধ রাখা হয়। নামাজ শেষ হলে মন্দিরে পূজা চলে পুরোদমে। আজান ও নামাজে তো খুব বেশি সময় লাগে না। এ সময়টুকু তারা ঢাক ঢোলসহ শব্দযন্ত্র বন্ধ রাখেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই যুগ যুগ ধরে এ সম্প্রীতির বন্ধন চলে আসছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ এ জেলার মানুষ। ধর্ম যার যার উৎসব সবার- এটাই এখানকার মানুষ লালন করে ও বিশ্বাস করে। যার মূর্তপ্রতীক এক উঠানে কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দির ও পুরান বাজার জামে মসজিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ‘পিছিয়েছে’ বাংলাদেশ

দেশের খবর: বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি হলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে। বিশ্বের ১৪০ টি দেশের মধ্যে গত বছরের তুলনায় একধাপ পিছিয়ে ১০৩ নম্বরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
বুধবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। গবেষণা পত্রটি উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিনহাজ মো. রেজা. মোহাম্মদ আলী এবং সিপিডির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো, আইসিটি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও শ্রমবাজারসহ মোট বারোটি মাপকাঠিতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। উৎপাদন বাজার, বাণিজ্যিক গতিশীলতা, শ্রমবাজার, শিক্ষা ও অবকাঠামো খাতে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। খাতগুলোতে যথাক্রমে ১২৩ তম, ১২০ তম,১১৫ তম, ১১৬ তম এবং ১০৯ তম স্থানে অবস্থান করছে দেশটি।
সিপিডির গবেষণা অনুযায়ী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও জাপান। অত্যধিক বাণিজ্যিক গতিশীলতার কারণে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সিঙ্গাপুরের সাফল্যের মূলে রয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জাপানের রয়েছে শক্তিশালী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অবকাঠামোগত দৃঢ় অবস্থান। দেশকে আগাতে হলে আমাদেরও সেদিকে নজর দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করে সিপিডি।
গত বছর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এ বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৯ তম। কিন্তু বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৩ তম এ। গবেষণাগত কিছু পরিবর্তন আসার ফলে সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
৮৩ জন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর মধ্যে পরিচালিত গবেষণায় ব্যবসার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে দুর্নীতি। পাশাপাশি অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, সরকারি বাধ্যবাধকতা, উচ্চ ট্যাক্স রেট এবং অদক্ষ শ্রমবাজারের কথাও উঠে এসেছে। ব্যবসায়ীরা মনে করেন বাণিজ্যিক অগ্রগতির জন্য এসব জায়গায় ইতিবাচক পরিবর্তন দরকার।

এ বিষয়ে সিপিডির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি যদি হাঁটতে থাকি আর আমার পাশাপাশি কেউ যদি দৌড়াতে থাকে তাহলে আমার রাস্তার দূরত্ব বাড়লেও আমি তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে যাবো। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই ঘটেছে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় তথ্যপ্রযুক্তি বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে।’ তাই বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, দক্ষ শ্রমশক্তি, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং নীতিমালাগত শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest