সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

বিক্রি হচ্ছে রোহিঙ্গা মেয়েরা

অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা বলছে, বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে শরণার্থী মেয়েদের বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। পরিবারের জন্য অর্থ যোগাড় করতে ক্যাম্পের বাইরে বিভিন্ন গোষ্ঠির হাতে এসব মেয়েদের তুলে দেয়া হয়। পরে বাধ্যতামূলক কাজে নিয়োজিত করা হয় তাদের। রয়টার্স।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) জানিয়েছে, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর পরবর্তী এক বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ৯৯টি মানব পাচারের ঘটনা চিহ্নিত করতে পেরেছে তারা। কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, বাস্তব সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি হবে।
পাচার হওয়াদের মধ্যে ৩৫ জন মেয়ে আর ৩১ জন নারী। মেয়েদের ৩১ জন এবং নারীদের ২৬ জনকে বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করা হয়। এদের মধ্যে ৪ মেয়ে ও ৫ নারী যৌন নির্যাতনের শিকার হন।

আইওমের মুখপাত্র দিনা পারমার বলেন, ‘অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, গরীব পরিবারগুলোকে ভাল কাজ দেয়ার লোভ দেখানো হয়। অনেকেই এই ফাঁদ সম্পর্কে কিছু না জেনে রাজি হয়ে যান।’
পারমার জানান, অনেক পরিবার ঝুঁকি বুঝেও রাজি হন। একজনের বিনিময়ে যদি পুরো পরিবারকে ভাল রাখতে চান তারা।
মানবপাচার বিষয়ে রোহিঙ্গাদের সচেতন করছে বাংলাদেশি দাতব্য সংগঠন ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন। সংস্থাটির সদস্য জিশু বড়ুয়া বলেন, ‘পাচারের শিকার হয়েছেন এমন এক হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গাকে চিহ্নিত করেছি আমরা।’

আইওমের বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের বাইরে যাওয়া বা কাজ করার অনুমতি দেয় না। কিন্তু অভাবের তাড়নায় ক্যাম্পের বাইরে গিয়ে আয় করতে চায় অনেক রোহিঙ্গা। আর এ অবস্থারই সুযোগ নেয় পাচারকারীরা।
চলতি বছরের আগস্টে প্রকাশিত জাতিসংঘের রিপোর্টে বলা হয়, মিয়ানমারে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’র মুখে শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৭ লাখ ছাড়িয়েছে। আর আগে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীরা মিলিয়ে বর্তমানে ৯ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে বসবাস করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিস রোগীরা কেন টমেটো খাবেন?

অনলাইন ডেস্ক: সম্প্রতি সময়ে ডায়াবেটিস রোগটি কথা এখন অনেকের মুখে শোনা যায়। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খাবার খাওয়া, ঘুমসহ বিভিন্ন অভ্যাস ডায়াবেটিস রোগের কারণ হতে পারে।
তবে নিয়ন্ত্রিতও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে ডায়াবেটিস নিয়েও সুস্থ মানুষের মতোই বাঁচা যায়।
নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ডায়াবেটিসের রোগীরা বিভিন্ন জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন। সঠিক খাদ্যভ্যাস ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে। টমেটো আমাদের জন্য খুবই পরিচিত একটি খাবার। সালাদে, ডালে বা তরকারিতে অনেকেই তা পছন্দ করেন। এর পাশাপাশি তা ডায়াবেটিস রোগীর ব্লাড সুগার কমাতেও কাজ করে।
ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়। ২০০ গ্রাম কাঁচা টমেটো প্রতিদিন খাওয়া হলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগের যে ঝুঁকি থাকে তা কমাতেও টমেটো কাজে আসে।
ডায়াবেটিস রোগীর উপকারে আসে হোল গ্রেইন, ডাল, ফল ও সবজি। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আদর্শ একটি সবজি হলো টমেটো।

টমেটোর পুষ্টিগুণ
টমেটোর পুষ্টিগুণ হিসেব করলে তা অনেক রোগের জন্যই উপকারি। এতে রয়েছে প্রচুর পটাসিয়াম, ভিটামিন সি ও লাইকোপিন। লাইকোপিন একটি রঞ্জক পদার্থ যার কারণে টমেটো লাল দেখায়। এই লাইকোপিন হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তা চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও কাজ করে।

কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা
টমেটো রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা। ডায়াবেটিসের রোগীদের শর্করার বিষয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। শর্করা তাদের ব্লাড সুগার বাড়িয়ে দেয় দ্রুত। টমেটোতে শর্করা কম এবং এ কারণেই ডায়াবেটিস রোগীরা তা খেতে পারেন নির্দ্বিধায়।

ওজন কমাতে
শুধু কার্বোহাইড্রেট নয়, টমেটোতে ক্যালোরিও অনেক কম। ডায়াবেটিস রোগীদের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরী। আর তাই ওজন কম রাখতে টমেটো তাদের জন্য উপকারি একটি খাবার।

ডায়াবেটিস রোগীরা যে কোনোভাবেই টমেটো খেতে পারেন। তা সালাদ হিসেবে কাঁচা খাওয়া যায়, আবার ডাল, তরকারি, স্যুপ বা স্যান্ডউইচে দিয়েও খেতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একমুঠো চালেই পাবেন সুন্দর ত্বক

অনলাইন ডেস্ক: রূপচর্চায় বেসন, হলুদ, দুধ, মধু কত কী ব্যবহার করেছেন। কখনো কি ভেবেছেন প্রতিদিন ভাত রান্নার জন্য যে চাল ব্যবহার করেন, সেখান থেকে একমুঠো চালই ফিরিয়ে আনতে পারে আপনার ত্বকের সৌন্দর্য! সত্যিই তাই। একমুঠো চালের ব্যবহারেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন অনন্য সুন্দর ত্বকের অধিকারী। জেনে নিন-

দাগছোপ দূর করতে: এক চা চামচ অলিভ অয়েল, দু চা চামচ লেবুর রস, দু-তিন ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল আর দুই টেবিল চামচ চালের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি পেস্ট তৈরি করুন। পরিষ্কার মুখে পেস্টটা লাগিয়ে মিনিট পনেরো রাখুন। তারপর হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার করলেই দেখবেন ত্বক কেমন তুলতুলে কোমল হয়ে গেছে, দাগছোপও উধাও।

অ্যান্টি-এজিং ট্রিটমেন্ট: এককাপ চাল পানিতে আধঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এবার পানিসহ চাল ভালো করে পেস্ট করে নিন। তারপর ছেঁকে নিয়ে পানিটুকু একটি বড় পাত্রে আলাদা করে একটু গরম জায়গায় দিন দুয়েক রেখে দিন। দুইদিনপর পানিটুকু নষ্ট হয়ে একটা টক গন্ধ বেরোবে। এই পানিতে তুলো ডুবিয়ে মুখে মাখুন আর তারপর একটা ভালো রিপেয়ারিং ক্রিম লাগিয়ে নিন। প্রতি রাতে শুতে যাওয়ার আগে এই রুটিন অনুসরণ করুন। সকালে উঠে ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিলেই দেখবেন কতটা তরতাজা লাগছে।

রোদে পোড়া ত্বকের যত্নে: দুই টেবিল চামচ চালের গুঁড়া আর চার টেবিল চামচ নারিকেলের দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ত্বকের রোদে পোড়া অংশগুলোয় লাগিয়ে আধঘণ্টা রাখুন। তারপর হারকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন। প্রথমবার করলেই দেখবেন পোড়াভাব কতটা কমে গেছে!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাশোগিকে হত্যায় তুরস্কে ‘কিলিং স্কোয়াড’ পাঠায় যুবরাজ

বিদেশের খবর: সাংবাদিক জামাল খাশোগি নিখোঁজ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক সন্দেহভাজন খুনীর সঙ্গে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদির প্রতাপশালী যুবরাজ এমবিএসের ঘনিষ্ঠ এক সহচরকে সাংবাদিক জামাল খাশোগির খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বলে দাবি করেছে তুরস্ক।

নিউইয়র্ক টাইমস তুর্কি সূত্রের বরাত দিয়ে বলছে, যুবরাজ সালমানের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিশেষবাহিনীর আরো তিন সদস্য ও সৌদির উচু স্তরের এক ফরেনসিক চিকিৎসকও এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।

খাশোগি নিখোঁজ এবং খুনের ঘটনার সঙ্গে ‘দুর্বৃত্ত খুনীরা’ জড়িত থাকতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন। কিন্তু এখন ট্রাম্পের সেই দাবি নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

jamal-killer

গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তান্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন সৌদি রাজপরিবারের কট্টর সমালোচক ও সাংবাদিক জামাল খাশোগি। সৌদি আরব ও তুরস্কের তদন্তকারীরা ইতোমধ্যে কনস্যুলেটে তদন্ত চালিয়েছেন।

তুরস্কের সরকারি সূত্রগুলো বলছে, দেশটির পুলিশের ধারণা সৌদি ওই সাংবাদিককে কনস্যুলেট ভবনেই হত্যা করা হয়েছে। আর এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়ার জন্য সৌদি থেকে তুরস্কে উড়ে এসেছিল ১৫ সদস্যের বিশেষ কিলিং স্কোয়াড। এদিকে, সৌদি আরব বলছে, কনস্যুলেটে কাজ শেষে নিরাপদে বেরিয়ে গেছেন সাংবাদিক জামালা খাশোগি।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, তুর্কি ওই সূত্র নিশ্চিত করে বলেছে, ১৫ জনের কিলিং স্কোয়াডের মধ্যে অন্তত ৯ জন সৌদি নিরাপত্তাবাহিনী, সেনাবাহিনী অথবা দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সদস্য।

মার্কিন এই সংবাদমাধ্যম বলছে, ফেস শনাক্তকারী সফটওয়্যার, সৌদি আরবের মোবাইল ফোন নম্বরের তথ্য-উপাত্ত ও ফাঁস হওয়া সৌদি বিভিন্ন নথি-পত্র, প্রত্যক্ষদর্শী ও গণমাধ্যমের সহায়তায় ঘাতকদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তুরস্ক।

সন্দেহভাজন ঘাতকদের একজন মাহের আব্দুল আজিজ মুতরেব। ২০০৭ সালে লন্ডনে নিযুক্ত সৌদি দূতাবাসে কূটনৈতিক হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, সম্প্রতি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মাদ্রিদ থেকে প্যারিস সফরের সময় তার বডিগার্ড হিসেবে দেখা গেছে মুতরেবকে। যুবরাজের সঙ্গে বিমানে উঠতে এবং নামতে দেখা যায় মুতরেব। এ ঘটনার ছবি আছে তাদের কাছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হাস্টন, বোস্টন ও জাতিসংঘের সদর দফতরে সফরের সময়ও যুবরাজের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে দেখা যায় মুতরেবকে।

jamal-killer

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, অন্য তিনি সন্দেহভাজন হলেন আব্দুল আজিজ মোহাম্মদ আল-হাসায়ি, থার গালিব আল-হার্বি ও মোহাম্মদ সাদ আলজাহরানি। এই তিনজনই সৌদি যুবরাজের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিশেষবাহিনীর সদস্য।

মার্কিন এই দৈনিক বলছে, সৌদি রয়্যাল গার্ডের সদস্য তালিকায় আল-হার্বি ও আলজাহরানির নাম পাওয়া গেছে। পঞ্চম সন্দেহভাজন হলেন, সৌদি আরবের ময়নাতদন্তকারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সালাহ আল-তুবাইজি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে তার অ্যাকাউন্টে সৌদি সায়েন্টিফিক কাউন্সিল অব ফরেনসিকের প্রধান হিসেবে পরিচয় দেয়া আছে।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দেশটির শীর্ষস্থানীয় মেডিক্যাল স্কুলগুলোর শীর্ষ পদেও আছেন এই চিকিৎসক।

মঙ্গলবার পৃথক এক প্রতিবেদনে মার্কিন আরেক প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, তুরস্ক সন্দেহভাজন হিসেবে যে ১৫ সৌদি নাগরিককে খাশোগির হত্যাকারী হিসেবে দাবি করেছে; তাদের মধ্যে অন্তত ১১ জন সৌদি গোয়েন্দা বাহিনীর ও বাকিরা সৌদি রয়্যাল গার্ডের সদস্য।

এর আগে দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় খাশোগি মারা গেছেন; এমন স্বীকারোক্তি দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে সৌদি আরব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়ার সেরা সুন্দরী ফিলিপাইনের মুসলিম তরুণী

বিনোদনের খবর: আন্তর্জাতিক সুন্দরী প্রতিযোগিতায় ‘মিস এশিয়া-প্যাসিফিক’ শিরোপা জিতেছেন ফিলিপাইনের মুসলিম তরুণী শরিফা আকিল। ৪ অক্টোবর ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হয়েছেন ব্রাজিলের সুন্দরী গ্যাব্রিয়েলা পালমা । দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ রানার-আপ হয়েছেন যথাক্রমে কোস্টারিকার সুন্দরী মেলানিয়া গঞ্জালেজ, মঙ্গোলিয়ার মিশেল্ট নরম্যান্ডাক ও ভেনেজুয়েলা সুন্দরী মারিয়ানি এঙ্গারিতা।
৫০ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো ফিলিপাইনের মুসলিম তরুণী ‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক’ মুকুট জয় করলেন। তবে পঞ্চমবারের মতো ফিলিপাইনে গেল এই মুকুট। ‘মিস এশিয়া’ শিরোপা জয়ের পর শরিফা বলেন,‘নিজ মূল্যবোধ দিয়ে সারবারক্রাইম প্রতিহত করতে হবে। আর তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে মানবতার কল্যাণে।’
ম্যানিলার পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে বিভিন্ন দেশের ৫০ জন সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে নিউইয়র্কের মারজানা চৌধুরী ২০তম স্থান দখল করেছেন। ‘মিস বাংলাদেশ’ হিসেবে শিকাগোভিত্তিক একটি সংস্থার মাধ্যমে সিলেটের সন্তান মারজানা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, এশিয়া মহাদেশে সবচেয়ে পুরনো এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে ১৯৬৮ সালে এবং তা এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফিলিপাইনের ম্যানিলায় এর সদর দফতর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জঙ্গি আস্তানার দুই নারী জঙ্গির আত্মসমর্পণ

দেশের খবর: নরসিংদীর মাধবদীতে জঙ্গি আস্তানার দুই নারী জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। বুধবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে তারা আত্মসমর্পণ করে বলে সাংবাদিকদের জানান মনিরুল। এর আগে ওই আস্তানায় অবস্থানরত জঙ্গিদের আত্মসমর্পণে মাইকিং করা হয়।

মনিরুল ইসলাম বলেন, আত্মসমর্পণ করা দুই নারী জঙ্গির নাম ইশরাত জাহান ওরফে মৌসুমী ওরফে মৌ (২৪) ও খাদিজা পারভীন ওরফে মেঘলা (২৫)।

পুলিশ জানায়, ২০১৬ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট গাজীপুর ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে র‌্যাব সন্দেহভাজন চার নারী জঙ্গিকে গ্রেফতার করে। সেই চার নারী জঙ্গির মধ্যে মৌ ও মেঘলা ছিল। জামিন পেয়ে তারা আবার জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ আরও জানায়, দুই নারী জঙ্গি এক সময়ে মিরপুরের জনতা হাউজিং এলাকায় থাকতো। মৌসুমী ওরফে মৌ মিরপুরের ইসলামীয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে এসএসসি পাশ করে। এরপর ২০১২ সালে মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডের বিসিআইসি কলেজ হতে জিপিএ ৪.৬০ পেয়ে এইচএসসি পাশ করে। মেডিক্যাল ও ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার জন্য ফার্মগেটের ইউসিসি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়। ২০১৩ সালে সে মানারাত ইউনিভার্সিটিতে ফার্মাসি বিভাগে অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়।

এছাড়া জনতা হাউজিংয়েরই একটি বাড়ির পঞ্চমতলায় এক পরিবারের সঙ্গে সাবলেট হিসেবে থাকে খাদিজা পারভীন ওরফে মেঘলা। সে ২০১৩ সালে জিপিএ ৪.৭০ পেয়ে এইচএসসি পাশ করে। ওই বছরই রোকনুজ্জামান নামে এক যুবকের সঙ্গে তার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সেও বর্তমানে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মাসি বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে মাধবদী পৌর এলাকার ছোট গদাইরচর (গাংপার) মহল্লার আফজাল হোসেনের মালিকানাধীন সাততলা বাড়িটি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টা থেকে ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এইচ টি ইমাম অসুস্থ, হেলিকপ্টারে আনা হলো ঢাকায়

রাজনীতির খবর: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বুধবার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ফলক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি আছেন।

জানা গেছে, উল্লাপাড়া এইচ টি ইমাম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও এইচ টি ইমাম ডিগ্রি কলেজের নাম ফলক উন্মোচন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল তার। এ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠান দু’টি উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উল্লাপাড়া এইচ টি ইমাম কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আলম জানান, সকাল সাড়ে ১০ দিকে উপদেষ্টা কলেজের নাম ফলক উন্মোচন ও দোয়া অনুষ্ঠান শেষে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এইচ টি ইমামের ছেলে ও উল্লাপাড়ার সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য তার বাবাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এ নিয়ে যাওয়া হয়েছে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের ঐক্যে ফাটল!

দেশের খবর: নিজেদের মধ্যে ঐক্যের কারণে আদালত অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে দাপট দেখিয়ে আসছেন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। তবে দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার দণ্ডপ্রাপ্তির বিষয়ে হাইকোর্টে আপিল দায়েরের পর থেকেই তার আইনজীবীদের মাঝে ঐক্যে ফাটল ধরেছে। মামলার ফাইল প্রস্তুত করা থেকে শুনানি পর্যন্ত এবং আরও বেশ কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের মাঝে এই ফাটল সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন খালেদা জিয়ার একাধিক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
বিভক্তির অন্যতম কারণগুলোর হলো— দীর্ঘ ১০ বছর ধরে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকা। কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয়তা এবং খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনা নিয়ে জ্যেষ্ঠতা ভঙ্গ হওয়া।

বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্যে বর্তমানে দু’টি গ্রুপ দৃশ্যমান। সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে তারা ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে। এর একটি ভাগে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অধীনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবদীন ও সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুবউদ্দিন খোকন। খালেদা জিয়ার মামলাসহ বিভিন্ন জাতীয় বিষয় নিয়ে তারা নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সরব ভূমিকা পালন করছেন।

তবে ঘরে বসে শুধু সংবাদ সম্মেলনে সন্তুষ্ট নন বিএনপির আরেক অংশের আইনজীবীরা। পাশাপাশি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়া এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এই অংশটি ‘গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন’ নামের ব্যানারে সভা-সমাবেশ করছে। এই অংশের অন্যতম নেতা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘‘আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের আগে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা করা হয়নি। তাছাড়া ফোরামের ব্যানারে টিভি ক্যামেরার সামনে ঘরে বসে শুধু সংবাদ সম্মেলন করলেই হবে না, খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রশ্নে রাজপথে নামতে হবে। তাই রাজপথে থেকে লড়াই-সংগ্রাম করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আমরা ‘গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়া মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন’ এর নামে কর্মসূচি পালন করে চলেছি।’’

এদিকে, ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের বিষয়ে আইনজীবীদের ‘ক্ষোভ’ মেনে নিয়ে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘অনেকদিন ধরে কমিটি হয় না। এজন্য অনেকের ক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক। কমিটি করতে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার। আমরা এই কমিটির বিষয়ে সাত জনকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তারা কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, জানিনা।’

এর বাইরেও খালেদা জিয়ার মামলাগুলোকে কেন্দ্র করে তার আইনজীবীরা অঘোষিত কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করছেন। এরমধ্যে একটি অংশে আছেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, খালেদা জিয়ার মামলার অন্যতম আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও বিএনপির আইন সম্পাদক কায়সার কামালসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। খালেদা জিয়ার কোনও মামলা ফাইল করা হলে এই অংশ থেকে কায়সার কামালকেই বেশি উদ্যোগী হতে দেখা যায়।

অবশিষ্ট অংশে আছেন— ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ প্রমুখ আইনজীবী। আইনজীবীদের এই অংশটি শুধুমাত্র উপস্থিতির খাতিরে খালেদা জিয়ার মামলার শুনানিতে হাজির থাকেন। কিন্তু মামলার প্রস্তুতিতে তাদেরকে উল্লেখযোগ্য কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয় না। এদেরকে নিষ্ক্রীয় রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়ার কোনও মামলার ফাইল তৈরিতে এই অংশের আইনজীবীদের সঙ্গে কোনও আলাপও করা হয় না। বিশেষ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তার নিজের চেম্বার থেকেই মামলা প্রস্তুত করেন এবং বিভিন্ন আদালতে মামলাগুলোর বিষয়ে তিনিই দেখভাল করেন, যা জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের অনেকেই পছন্দ করেন না। এখানেই শেষ নয়, মামলার বিষয়বস্তু নিয়েও কায়সার কামালকে বেশ কিছু ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

ঘটনা-১
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে দায়ের হওয়া নাশকতার মামলায় বিএনপি সমর্থিত স্থানীয় আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ আগস্ট দলের যুগ্ম-মহাসচিব ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন শুনানি করতে যান। শুনানি নিয়ে মামলার পরবর্তী দিন ৩০ আগস্ট ধার্য রাখেন আদালত। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, দলের আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেন যে— মাহবুব উদ্দিন খোকন কুমিল্লার আদালতে যাওয়ায় সেখানে পুলিশের উপস্থিতি বেড়ে যায়, এতে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং মামলা পরিচালনায় ব্যাঘাত ঘটে। এরপর তারেক রহমান ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ব্যারিস্টার খোকনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং মামলার বিষয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তোলেন।

ঘটনা-২
এরপর গত ৩০ আগস্ট একই মামলায় কুমিল্লার আইনজীবীদের সহযোগিতা করতে সেখানে যান খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী ও দলটির আরেক আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ্ মিয়া। শুনানি শেষে আদালত মামলার পরবর্তী তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ধার্য করেন। জানা যায়, এক্ষেত্রেও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল লন্ডনে তারেক রহমানকে ফোন করে অভিযোগ করেন। এরপর তারেক রহমান সানাউল্লাহ মিয়াকেও ফোন করেন এবং তার কাছে জানতে চান, ‘আপনারা শুনানিতে কী করলেন?’ তখন সানাউল্লাহ্ মিয়া ৩০ আগস্টের বিচারিক আদালতের আদেশ তাকে পড়ে শোনান। এই ফোনালাপের পর সানাউল্লাহ্ মিয়া মনক্ষুণ্ন হন। নাম ও পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। পরে বিষয়টি নিয়ে কায়সার কামালকে সতর্ক করেন সানাউল্লাহ্ মিয়া।

ঘটনা-৩
গত ৫ সেপ্টেম্বর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। ব্যারিস্টার খোকন এসময় ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তুমি খালেদা জিয়ার মালিক হতে চাচ্ছো। আর আমরা খালেদা জিয়াকে জেল থেকে বের করার চেষ্টা করছি।’ এমনকি রিট পিটিশন প্রস্তুতের বিষয়ে কায়সার কামালের যোগ্যতা নিয়েও তখন প্রশ্ন তোলেন ব্যারিস্টার খোকন। ওই বৈঠকে খালেদা জিয়ার মামলার প্রশ্নে আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ছাড়া অন্যান্য সিনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে কায়সার কামাল বেয়াদবি করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়। পরে অবশ্য মির্জা ফখরুল পরিস্থিতি সামাল দেন।

তবে ঘটনাগুলোকে ‘মনগড়া’ বলে দাবি করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব আইনজীবী ও খালেদা জিয়ার নিযুক্ত যেসব আইনজীবী আছেন, তারা সবাই সম্মিলিতভাবে সব আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত। সবাই সম্মিলিতভাবে মামলাগুলো পরিচালনা করছি।’
একই বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া তিনি বলেন, ‘যার যা প্রয়োজন সেই ঐক্যের মাধ্যমেই কাজ হচ্ছে। ঐক্য আছে এবং থাকবে।’
খালেদা জিয়ার মামলাগুলোকে কেন্দ্র করে তার আইনজীবীদের মধ্যে ঐক্যে ফাটল সৃষ্টির প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest