সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ ঝাড়লেন পিয়া

বিনোদনের খবর: হালের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুল সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি প্রকাশ করেছিলেন। যা দেখে কেউ কেউ তার সমালোচনা করছেন। আর এতে ক্ষেপে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষোভ ঝাড়লেন তিনি।
ফেসবুক লাইভে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বাংলাদেশি এই মডেল বলেন, ‘পাবলিক ফিগার এজন্য এত কথা সহ্য করি। অনেকে শুনিয়ে শুনিয়ে অনেক কথা বলে। এত লম্বা, এত মোটা, এত শুকনা! অনেক কথা বলতে থাকে। আমরা তো কাউকে দেখে এসব বলি না। কারণ আমরা ম্যানার জানি। বাসায় শিখেছি, বড় হয়ে শিখেছি। আপনি একটা অশিক্ষিত পরিবার থেকে আসছেন এ সবাইকে আপনার বোঝাতে হবে? এটা খুব দুঃখজনক।’
পিয়া আরও বলেন, ‘জাতি হিসেবে আমরা খুবই শিক্ষিত, ভদ্র এটা আমরা বারবার দেখাতে চাই মানুষকে। আমি একটা কথা জানতে চাই… আমি মডেল। এর পাশাপাশি আমার পড়াশুনা শেষ, আইনজীবী হয়ে গিয়েছি কিংবা ব্যবসা করছি। কিন্তু মানুষ তো আমাকে মডেল হিসেবেই চেনে। তাহলে আপনারা আমার কাছে কী আশা করেন? আমি বোরখা পরে ঘুরব? বোরখা করে ছবি আপলোড দেব? হিজাব পরে, নেকাব পরে.. এরকম কোনো কিছু? আমি যদি মডেল নাও হতাম, আমি যা পরি নিজের পছন্দেই পরি।’
এই মডেল আরও বলেন, ‘বুঝতে পারি যে আমরা মানসিকভাবে অনেক কিছু গ্রহণ করতে প্রস্তুত না। ঠিক আছে প্রস্তুত হওয়ার দরকার নাই। তাই করেন যা আপনার করতে ইচ্ছে হয়। বাসায় বসে থাকেন। ফেসবুক চালাবেন না, ইনস্টাগ্রাম চালাবেন না। কিছু দেখা লাগবে না। কিন্তু মানুষকে কেন বিরক্ত করবেন? আমি এটাই বুঝি না। আপনার কথা শোনার জন্য কেউ বসে নাই। আপনার কী মনে হয় আপনার কথা শুনে আমি হিজাব পরতে নেমে যাব? না। আমি তাই করবো যা করতে আমি পছন্দ করি।’
যদিও এই লাইভেও দেখা গেছে কেউ কেউ তাকে আক্রমনাত্মক কথা বলে আক্রমণ করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসিকে ‘বাজারি ফুটবলার’ বললেন আর্জেন্টাইন কোচ

খেলার খবর: কয়েকদিন আগেই আর্জেন্টিনার ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির কঠোর সমালোচনা করেছেন তারই দেশের ফুটবল কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনা। মেসি মাঠে নামার আগে ২০ বার বাথরুমে যান- এমন কথাও বলেছেন ছিয়াশির বিশ্বকাপজয়ী মহানায়ক। এবার তার কণ্ঠে সুর মেলালেন আর্জন্টিনার কোচ অ্যাঙ্গেল কাপ্পা। ফুটবল হিসেবে সুনাম অর্জন করতে না পারা কাপ্পা কোচ হিসেবে বিখ্যাত। তার কাছে মেসি শুধুই একজন ‘বাজারি ফুটবলার’!

সম্প্রতি এক টিভি সাক্ষাৎকারে মেসিকে ধুয়ে দিয়েছেন ম্যারাডোনা। আর্জেন্টাইন মহাতারকা রাখঢাক না করেই বলেছেন, মেসি নেতা হওয়ার যোগ্য নয়। ম্যাচের আগে ২০ বার বাথরুমে যায় তাকে নেতা বানানোটা অর্থহীন! ম্যারাডোনা আরও বলেছেন, তিনি যদি আর্জেন্টিনা দলের কোচ হতেন, তাহলে কখনই আর মেসিকে দলে সুযোগ দিতেন না। মেসির পূজা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বার্সেলোনার মেসি একরকম আর আর্জেন্টিনার হয়ে অন্যরকম।

ম্যারাডোনার এই মন্তব্যে যখন সারাবিশ্বে সমালোচনার ঝড় উঠেছে, তখনই তার সঙ্গে সহমত পোষণ করলেন কাপ্পা। রেডিও মিতারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমি ম্যারাডোনার সঙ্গে একমত। আপনি মেসিকে দেবতূল্য মনে করতে পারেন না। সে অসাধারণ একজন খেলোয়াড় বটে; তবে সেটা কেবল বাজারমূল্যের দিক দিয়েই।’

৭২ বছর বয়সী কাপ্পা মেসির সমালোচনার পাশাপাশি তার প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনারও সমালোচনা করেন। তার মতে মেসি ছাড়া বার্সা মাঝারি ক্লাব, ‘বার্সার এই শীর্ষে থাকাটা একমাত্র মেসির জাদুর কারণে, ‘সে না থাকলে বার্সেলোনা হয়তো ১০ নম্বরে থাকত। মৌসুমে এখন পর্যন্ত অনেক ম্যাচেই বার্সেলোনাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে সে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতা ও গাজীরহাট পূজা ম‌ন্দি‌র প‌রিদর্শন কর‌লেন ডা: রুহুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে দুর্গাপূজা। এ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা ০৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমস্ত্রী অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে সকাল ৯.৩০ টায় কালিগঞ্জের নলতা কালিমাতা মন্দির ও ১০.৩০ টায় দেবহাটা উপজেলার গাজীরহাট সার্বজনীন দূর্গাপূজা মন্দির পরিদর্শন করলেন।
পরিদর্শনকালে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে তিনি বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়েই এই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। বাংলাদেশ সেই আদর্শ নিয়েই জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে।” “বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যার যার অধিকার নিয়ে বসবাস করবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”
সুষ্ঠুভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে উৎসব সম্পন্ন হোক। “আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এখানকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় জনগণ তারাও সহায়তা করে যাচ্ছে।”
তিনি উৎসবের সাফল্য কামনা করে বলেন, “এখানে আমরা সবাই যার যার ধর্ম পালন করব। ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সকলের। “প্রত্যেকটা উৎসবে সবাই ভাইবোনের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই উৎসবটা উদযাপন করে যাব।” সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে যাতে আরও সুষ্ঠুভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে উৎসব পালন করতে পারেন সেজন্য নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আবারও শক্তিশালী করতে হবে। সেদিকে আপনারা খেয়াল রাখবেন।

পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে ডা: রুহুল হক এমপির সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন দেবহাটা থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল মান্নান, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান শ্রী মনোরঞ্জন মুখার্জী, জেলা পরিষদ সদস্য এস এম আসাদুর রহমান সেলিম, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, তারালী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাইফুল ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন সহ আওয়ামীলীগের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ ইউনিটে ফেল, রেকর্ড নম্বর পেয়ে ঘ ইউনিটে প্রথম!

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হওয়া ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে ফেল করেছিলেন। এই শিক্ষার্থীর নাম জিহাদ হাসান আকাশ। তিনি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন।
এর আগে গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়া ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। যে অভিযোগ গতকাল স্বীকারও করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ইউনিটটিতে নিকট অতীতে সর্বোচ্চ ফলাফল হয়েছে। যা ক্ষেত্র বিশেষে দুই থেকে তিনগুণ। ২৬.২১ শতাংশ শিক্ষার্থী এতে পাস করেছেন।
জানা গেছে, ঘ ইউনিটে প্রথম হওয়া জিহাদ নিজের ব্যবসায় শাখায় ফেল করেছেন। গ ইউনিটে তিনি পেয়েছেন ৩৪ দশমিক ৩২। বাংলায় পেয়েছিলেন ১০.৮ ইংরেজিতে পেয়েছিলেন ২.৪০, হিসাব বিজ্ঞানে ৫ দশমিক ২৮, ব্যবসায় নীতিতে ৬ দশমিক ৭২ এবং ফিন্যান্স এ ৯ দশমিক ৮৪।
অথচ এই শিক্ষার্থী ঘ ইউনিটে পেয়েছেন ১১৪ দশমিক ৩০। যেখানে বাংলায় ৩০ এর মধ্যে ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এর মধ্যে ২৭.৩০, সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়বলিতে ২৮ দশমিক ৩০ এবং আন্তর্জাতিকে ২৫ দশমিক ৫০।

এ বিষয়ে ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ঘ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, ‘আমরা তাকে ভর্তি করাইনি। তার ফল প্রকাশ হয়েছে। সে আসলে তার বিষয়ে তদন্ত ও যাচাই শেষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে এবং প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এর মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ জোরালো হলো কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না এটা প্রশ্নফাঁস না, ডিজিটাল জালিয়াতি। যারাই অভিযুক্ত হবে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান হবে। ব্যাবস্থা নেয়া হবে।’

এদিকে গতকাল ফল প্রকাশের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে কোনো ভর্তিচ্ছুর ১২০ এ ১১৪ দশমিক ৩০ পাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, কারো মেধা নিয়ে আমরা প্রশ্ন করতে পারি না। তবে কাউকে সন্দেহ হলে ডিন তাদের ব্যাপারে পুনরায় যাচাই করতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নরসিংদীতে ‘দ্বিতীয় জঙ্গি আস্তানা’য় অভিযানের অপেক্ষা

অনলাইন ডেস্ক: নরসিংদীর মাধবদীর শেখেরচরে মঙ্গলবার জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের পর পৌর এলাকার গদাইর চরে সন্দেহজনক দ্বিতীয় বাড়িতে আজ আবারও অভিযান শুরুর কথা রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।
মঙ্গলবার রাত থেকেই বাড়িটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। ওই বাড়িতে নারীসহ দু’জন অবস্থান করছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অবস্থানরতদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।
মঙ্গলবার বিকেলে ভগীরথপুরের অভিযান শেষেই গদাইর চরে এই দ্বিতীয় আস্তানায় অভিযানের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিট-সিটিটিসি।
এর আগে শেখের চরে নব্য জেএমবি’র আস্তানায় অভিযান শেষে দুইজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের শুরুতে নিয়মানুযায়ী জঙ্গিদের আত্মসমর্পনের আহ্বান জানানো হলেও তাতে সাড়া দেয়নি তারা। উল্টো গুলি ছোঁড়ার পাশাপাশি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা।
বিকেল ৪টার দিকে অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় দুজনের মৃতদেহ। পুলিশ জানায়, দম্পতি পরিচয়ে কিছুদিন আগে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল নিহত দু’জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অটোচালকের অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটি, গোয়েন্দা সংস্থার তলব

অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানে এক অটোচালকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এই ঘটনার পর সেই অটোচালককে ডেকে পাঠিয়েছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সি (এফআইএ)।
তবে তার অ্যাকাউন্টে এমন মোটা অঙ্কের লেনদেনের খবর জানতেন না বলে দাবি করেছেন রশিদ নামের সেই অটোচালক। রশিদ জানিয়েছেন, এফআইয়ের নোটিস দেখে হতবাক তিনি। সেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিযোগ করেছে তার অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তবে তিনি কিছুই টের পাননি বলে দাবি তার।
এফআইএ’র অফিসে গেলে তাকে সেই লেনদেনের তথ্য দেখানো হয়। তা দেখে অবাক হয়ে যান রশিদ। তিনি বলেন, কীভাবে আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এত টাকার লেনদেন হল জানি না। রীতিমতো ভয়ে রয়েছেন বলে স্বীকারও করেন তিনি।
রশিদ জানিয়েছেন, ২০০৫ সালে স্যালারি অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছিল তার কোম্পানি। সেখানে তিনি ড্রাইভারের কাজ করতেন বলে জানান রশিদ। তবে এক মাস আগেই সেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে নিজেই ব্যবসা করছেন রশিদ। তার কথায়, “সারা জীবনে এক লাখ টাকা দেখেনি। ৩০০ কোটি টাকার লেনদেন শুনে রীতিমতো ভয়ে রয়েছি।”
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির খোঁজে তদন্তে নেমেছে এফআইএ গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা। পাকিস্তানের রাঘব বোয়ালদের ঘরে হানা দিচ্ছেন তারা। সে দেশের শিল্পপতি থেকে রাজনীতিক বাদ পড়ছেন না কেউ। এর মাঝে কীভাবে অটো চালক চলে এলেন, তা নিয়ে চিন্তিত খোদ তদন্তকারীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের সামরিক শক্তি অর্জনের পথে জার্মানি

বিদেশের খবর: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে জার্মানি প্রতিরক্ষার জন্য প্রধানত যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটো সামরিক জোটের ওপর নির্ভর করেছে। অনেকটা ইচ্ছায়, অনেকটা অনিচ্ছায়।
কিন্তু সম্প্রতি নেটো জোট নিয়ে আমেরিকার ক্রমবর্ধমান অনীহার কারণে জার্মানি বহুদিন পর সামরিক খাতকে গুরুত্ব দিচ্ছে। ন্যাটো বাহিনীতে আরো প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিচ্ছে।
লিথুয়ানিয়া বেলারুশ সীমান্তে মোতায়েন নেটো ইউনিটের নেতৃত্ব দিচ্ছে জার্মানি। রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী চেহারা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছোটো এই সদস্য দেশকে আশ্বস্ত করতেই লিথুয়ানিয়াতে নেটো এখানে সৈন্য মোতায়েন করেছে।
জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী উরসুলা ফন দের লেইন বিবিসিকে বলেন, প্রতিরক্ষা নিয়ে জার্মানির নীতিতে বদল হচ্ছে এবং লিথুয়ানিয়ায় ন্যাটো বাহিনীর নেতৃত্ব তারই একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।
‘আগে আমরা ভাবতাম, আমাদের ইতিহাসের কারণে আমরা প্রতিরক্ষা নিয়ে, সামরিক বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাব না। কিন্তু এখন রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলে গেছে। অর্থনৈতিকভাবে শক্তিধর একটি দেশ হিসাবে আমরা আর বসে থাকতে পারি না। আমরা এখন মনে করছি আমাদের ইতিহাসের কারণেই আমাদেরকে ভূমিকা নিতে হবে।’
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, দশকের পর দশক ধরে জার্মানি সামরিক খাতকে অবজ্ঞা করেছে। সৈন্য সংখ্যা, প্রশিক্ষণ, আধুনিক অস্ত্র, সামরিক বাজেট – এসব বিষয় তাদের অগ্রাধিকারের অনেক নিচুতে ছিল। সুতরাং নেটোতে নেতৃত্ব পর্যায়ে আসতে চাইলে তাদেরকে ক্ষমতা এবং যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। কুঠান্সে কথাই বলছিলেন ওয়াশিংটনে গবেষণা সংস্থা ব্রুকিংস ইন্সটিটিউশনের গবেষক কনস্টানয স্টেনজেমুলার।
“নব্বই দশকের শেষ দিকে থেকে জার্মান সেনাবাহিনী শক্তি বৃদ্ধির চেষ্টা শুরু করছে। তবে নেটো জোটের অন্য অনেক সদস্য দেশের সমান্তরালে পৌছুতে তুলনায় আরো অনেক দূর যেতে হবে। তার জন্য প্রতিরক্ষা বাজেট অনেক বাড়াতে হবে, চেষ্টা আরো অনেক জোরদার করতে হবে।”
স্টেনজমুলার বলেন, বর্তমান জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী গত দু বছর ধরে সেটাই করার চেষ্টা করছেন।
রাশিয়ার ক্রাইমিয়া দখলের ঘটনা জার্মানির মনোভাব পরিবর্তনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। তার দু বছর পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ায় জার্মানির সেই মনোভাব আরও শক্ত হয়েছে।
বিবিসির কাছে তা স্বীকার করেন জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী উরসুলা ফন দের লেইন।
‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার ঘটনার একটা প্রভাব তো রয়েছেই। সেটা ছিল একটা সতর্ক সঙ্কেত। কারণ ২০১৬ সালে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই তিনি বলেছিলেন, নেটো অকেজো একটি জোট। এ কথা শুনে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো শঙ্কিত হয়ে পড়ে। সে কারণেই আমরা তাড়াতাড়ি করে ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা ইউনিয়ন গঠন করি। সিদ্ধান্ত নিই, আমাদেরকে ইউরোপের প্রতিরক্ষায় আরও শক্ত ভূমিকা নিতে হবে।’
তবে জার্মান মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে জার্মানদের মধ্যে এখন বিতর্ক চলছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিযোগ করেন, নেটো জোটে ইউরোপীয়রা যথেষ্ট দায় নিচ্ছেনা। বিশেষ করে জার্মানির ব্যাপারে তিনি খুবই নাখোশ ।
বার্লিনে গবেষণা সংস্থা ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অব ফরেন রিলেশন্সের গবেষক রিকা ফ্রাঙ্কা বলেন, ন্যাটো জোটের অন্য সদস্যদের জন্য জার্মানি খারাপ একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করেছিল।
‘এসব দেশ বলছিলো জার্মানির মতো ধনী দেশ যদি প্রতিরক্ষায় খরচ না করে, গুরুত্ব না দেয়, তাহলে আমাদের অপরাধ কোথায়।’
লিথুয়ানিয়াতে মোতায়েন ন্যাটো বাহিনীতে জার্মান সৈন্যদের সাথে রয়েছে চেক, ডাচ ও বেলজিয়াম সৈন্য।
এদেরকে তারা সফলভাবে নেতৃত্ব দিতে পারছে – এটা প্রমাণ করা জার্মানির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০১৯ সালে জার্মানি ন্যাটোর দ্রুত মোতায়েন-যোগ্য টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্ব নিতে চলেছে।
সন্দেহ নেই যে প্রতিরক্ষা এবং সামরিক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের খোলস থেকে বেরিয়ে জার্মানি আর দশটি বড় দেশের মত স্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেছে। যদিও তাদেরকে অনেকটা পথ যেতে হবে।-বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেসবুকে রোহিঙ্গা নিধনে উসকানি দিয়েছিল মিয়ানমার সেনাবাহিনী

বিদেশের খবর: রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধনে ফেসবুকে প্রতিনিয়ত উসকানিমূলক প্রচারণা চালিয়েছিল মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রোহিঙ্গাবিরোধী প্রচারণা চালাতে ৭০০ কর্মীকে নিয়োগ দিয়েছিল তারা।
মার্কিন সংবাদ মাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত ১৩টি পেজ ও ১০টি অ্যাকাউন্ট শনাক্ত এবং তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।
গত বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্বপরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ৭ লাখেরও বেশি মানুষ।
বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এ ঘটনায় খুঁজে পেয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধের আলামত।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ‘পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’ আখ্যা দিয়েছে। রোহিঙ্গা নিধনকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছে জাতিসংঘ। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
মিয়ানমারের সাবেক সেনা কর্মকর্তা, গবেষক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুক ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চালানো রোহিঙ্গাবিরোধী বিভিন্ন ভুয়া প্রচারণা তাদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনে উসকানি দিয়েছে। আর এ ভুয়া প্রচারণাগুলো চালিয়েছে খোদ মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
ফেসবুকে বিনোদনমূলক ও তথ্যমূলক পেজের ছদ্মবেশে বিদ্বেষ ছড়ায় তারা। সূত্রকে উদ্ধৃত করে ফেসবুক জানায়, কয়েক বছর আগে থেকে ফেসবুকে এ ধরনের প্রচারণা শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
আর এর জন্য ৭০০ মানুষকে নিয়োগও দেয়া হয়েছিল। এসব পেজে দেয়া একটি পোস্টে লেখা হয়েছে- ‘ইসলাম বৌদ্ধ ধর্মের জন্য বৈশ্বিক হুমকি’। তাছাড়া এক মুসলিম পুরুষ কর্তৃক এক বৌদ্ধ নারী ধর্ষণের শিকার হওয়ার বানোয়াট গল্পও সেখানে শেয়ার করতে দেখা গেছে।
এমন অনেক বিদ্বেষমূলক পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে এসব পেজে। এসব বিদ্বেষমূলক পোস্ট ও উসকানিদাতা পেজের সঙ্গে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সংযোগ থাকার প্রমাণ পেয়েছে ফেসবুকও।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানায়, ভুয়া প্রচারণায় জড়িত ১৩টি পেজ ও ১০টি অ্যাকাউন্ট সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ওই পেজগুলোর ১৩ লাখ ৫০ হাজার অনুসারী ছিল বলে জানিয়েছে ফেসবুক।
ফেসবুকের একটি ব্লগ পোস্টে বলা হয়, তারকা কিংবা বিনোদনমূলক অ্যাকাউন্টের আড়ালে সেনাবাহিনীর প্রোপাগান্ডা ছড়াতে ব্যবহৃত হয় এমন পেজগুলো সম্পর্কে তথ্য জানানোর কারণে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা।
এর সহায়তায় আমরা তদন্ত চালাতে পেরেছি এবং তা সরানো সম্ভব হয়েছে।’ এর আগে আগস্টে মিয়ানমার সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাংকে নিষিদ্ধ করে ফেসবুক।
জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে রাখাইনে রোহিঙ্গা সংকটের জন্য তাকে দায়ী করার পর এমন ব্যবস্থা নেয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি। সেনাপ্রধান ছাড়া আরও ২০ জন বার্মিজ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করে তারা। উল্লেখ্য, ১৯৮২ সালে তৎকালীন সামরিক জান্তা সরকার নৃগোষ্ঠীভিত্তিক নতুন নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করে।

বিতর্কিত ওই বর্ণবাদী নাগরিকত্ব আইনে মিয়ানমারের প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার নাগরিকত্ব অস্বীকার করা হয়। আইনের ৪ নম্বর ধারায় শর্ত দেয়া হয়, কোনো জাতিগোষ্ঠী রাষ্ট্রের নাগরিক কি না তা নির্ধারণ করবে সরকারের নীতিনির্ধারণী সংস্থা ‘কাউন্সিল অব স্টেট’।
বস্তুত এ আইনটির কারণেই রাখাইনে মিয়ানমার সরকারের বিদ্বেষের শিকার রোহিঙ্গারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest