সর্বশেষ সংবাদ-
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাআদালতে মামলা করার ৭ মাস পর সাতক্ষীরার ফিংড়িতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগদেবহাটায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিতবাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরিত্রহনন ও ইয়েলো জার্নালিজম নিয়ন্ত্রণও জরুরি: সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রীআইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ভোটের দিন ওয়াকিটকি ব্যবহার করতে চায় ইসি

অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন ওয়াকিটকি ব্যবহারের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মোবাইল ফোনের পাশাপাশি ভোটগ্রহণের কাজে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দ্রুততম সময়ে যোগাযোগ এবং ফলাফল ঘোষণার কাজে এ ডিভাইস ব্যবহার করা হবে। এ লক্ষ্যে সরকারের কাছে অতিরিক্ত ২ হাজার ৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে কমিশন। ইসি সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন, ওয়াকিটকির প্রজেক্ট সম্পূর্ণ চায়না সরকারের অনুদান হবে। শুধু ভ্যাট বাবদ বাংলাদেশ সরকারকে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। যারা রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসাদের যোগাযোগের জন্য অনেক সময় মোবাইল নেটওয়ার্ক পেতে দেরি হয়। পুলিশের যেমন ওয়্যারলেস রয়েছে সেরকম নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে যেসব কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবে তারা ব্যবহার করবে।
ইসি সূত্র জানায়, ওয়াকিটকি প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ চেয়ে গত সপ্তাহে ভারপ্রাপ্ত অর্থ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদারের কাছে চিঠি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনে ওয়াকিটকি ব্যবহার প্রকল্পের জন্য চীন সরকারের ৫৩ কোটি টাকা অনুদান পেতে ঢাকায় চীনা দূতাবাসে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসন্ন। নির্বাচনে ‘ইউজ অফ ডিজিটাল মোবাইল রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম (ওয়াকিটকি) ইন ইলেকশন’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মধ্যমেয়াদী বাজেট কাঠামোর (এমটিবিএফ) আওতায় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মোট এক হাজার ১৪৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সিলিং নির্ধারিত রয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে সীমিতসংখ্যক আসনে ভোট গ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার কাজে ইভিএম এবং ওয়াকিটকি ব্যবহারের জন্য মধ্যমেয়াদী বাজেট কাঠামোর আওতায় ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মোট ২ হাজার ৫২ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রয়োজন।
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকবে কিনা-এমন প্রশ্নে ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন, ভোটের দিন মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসছে দিন ভয়ংকর, পৃথিবী পুড়বে

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশ দূষণ, খাদ্যাভাবসহ নানা সংকটের আবর্তে পৃথিবী যায় যায়! গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের মাত্রা অব্যাহত থাকলে আসছে দিন হবে আরও ভয়ংকর। খরা, বন্যা ও ভয়াবহ তাপপ্রবাহের মতো মহাবিপর্যয় নেমে আসবে। বাড়বে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা।
দাবানলে পুড়বে পৃথিবী। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার নিয়ে জাতিসংঘ জলবায়ুবিষয়ক প্যানেল আইপিসিসির ভীতিকার এসব তথ্যে পুরো পৃথিবী এখন তোলপাড়। প্রায় ৬ হাজার নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এমন তথ্য তুলে এনেছে প্যানেলটি। এতে বলা হয়েছে, ২০৩০ থেকে ২০৫২ সালের মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করবে। জলবায়ু বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমাদের অজান্তেই জলবায়ু পরিবর্তনের ঘূর্ণিপাকে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবী।
আর সেই দিন বেশি দূরে নয়। উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ১.৫ ডিগ্রির নিচে রাখতে না পারলে ১২ বছরের মধ্যে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। পৃথিবী বাঁচানোর সর্বশেষ এ সতর্কতার পর থেকেই নড়ে উঠেছে বিশ্বপরিবেশবাদীরা। কী কী কারণে জলবায়ুর আজ এই হাল এবং কী এর প্রতিকার, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর প্রচারণা। উদ্দেশ্য একটাই- এতেও যদি হুঁশ ফেরে মানুষের।

গ্রিনহাউস এফেক্ট: পৃথিবীর ওপর একটি চাদর তৈরি করে রেখেছে গ্রিনহাউস গ্যাস। গ্যাসগুলো হল কার্বন ডাইঅক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, জলীয়বাষ্প ও মিথেন। গ্যাসের চাদর পৃথিবী থেকে বিচ্ছুরিত শক্তিকে শুষে নেয় এবং তাপমাত্রা সঠিক স্তরে রাখতে সাহায্য করে। কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ালে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত হয়। বন নিধন করলে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়।

মনুষ্যসৃষ্ট: গ্রিনহাউস গ্যাস প্রাকৃতিকভাবে তৈরি মনে হলেও এটি আসলে মানুষের তৈরি। বিশ্বে সৃষ্ট এ গ্যাসের ৬৪ শতাংশের জন্য মানুষই দায়ী। মানুষের প্রকৃতিবিরুদ্ধ নানাবিধ অপকর্মের ফলস্বরূপ বায়ুমণ্ডলের ক্ষতিকারক গ্যাস, বিশেষ করে কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাত্রার সংকটজনক বৃদ্ধি উষ্ণায়নের প্রধান কারণ।
এগুলো হল- কয়লা, পেট্রলের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার, জমির চাহিদা মেটাতে যথেচ্ছ গাছ কেটে ফেলা, মাটিতে মিশে না এমন পদার্থ যেমন প্লাস্টিকের উৎপাদন, কৃষিতে যত্রতত্র সার ও কীটনাশকের প্রয়োগ।

হাল ফ্যাশন: আধুনিক যুগের তরুণ-তরুণীদের ফ্যাশনও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী। বিবিসি জানায়, বৈশ্বিক ফ্যাশন শিল্প প্রতিবছর ১২০ কোটি টন কার্বন নিঃসরণ হতে সহায়তা করে। শুধু যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর সাড়ে ২৩ কোটি পদের কাপড়ের টুকরা মাটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। কারখানার টন টন সুতা সমুদ্রে পতিত হচ্ছে।

আগ্নেয়গিরি: আগ্নেয়গিরির উদ্গিরণ হলে প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধুলো, ছাই বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়। যদিও আগ্নেয়গিরির উদ্গিরণ মাত্র কয়েক দিন স্থায়ী হয়, তা হলেও প্রচুর পরিমাণে গ্যাস-ছাই বের হওয়ায় তা দীর্ঘদিন ধরে প্রকৃতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটায়। গ্যাস ও ধুলো ভূপৃষ্ঠে আসা স্বাভাবিক সূর্যরশ্মির পথে বাধা সৃষ্টি করে।

পৃথিবীর হেলে থাকা: পৃথিবী তার কক্ষপথের উলম্ব তলের সঙ্গে ২৩.৫০ ডিগ্রি কোণে হেলে রয়েছে। এ ধারার পরিবর্তন হলে তা জলবায়ুর ওপর বড় প্রভাব ফেলে। বেশি হেলে যাওয়া মানে গ্রীষ্মঋতু আরও বেশি গরম হওয়া ও শীতঋতু আরও ঠাণ্ডা হওয়া। কম হেলে থাকা মানে গ্রীষ্মে গরম কম ও শীতে ঠাণ্ডা কম।
এসব কারণে জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটে পৃথিবী আরও উষ্ণ হয়ে উঠছে। ফলে ২১০০-২৩০০ সালের মধ্যে যে ধরনের হুমকির মুখে পড়বে বিশ্ব, তার একটি চিত্র তুলে ধরেছেন বিজ্ঞানীরা।

পৃথিবীর আইস ক্যাপে গলন: ইন্সটিটিউট ফর গভর্নেন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা ডুরউড জায়েলকে বলেন, ‘জলবায়ু চক্রের সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় হল পৃথিবীর আইস ক্যাপ (যেসব বরফ-খণ্ড ৫০ হাজার কিলোমিটার থেকে কম জায়গাজুড়ে বিস্তৃত)।

আইস ক্যাপ সূর্যরশ্মির একাংশকে প্রতিফলনের মধ্য দিয়ে মহাকাশে ফেরত পাঠায় এবং পৃথিবীকে ঠাণ্ডা করে। বরফ-খণ্ডগুলো গলে সাগরের অস্বচ্ছ পানিতে রূপান্তরিত হলে তা তাপ শোষণ করে এবং স্বতন্ত্রভাবে উষ্ণতা বাড়ায়।

সমুদ্রস্তর বৃদ্ধি: ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা ৮ ফুট বেড়ে যাবে। আর ২৩০০ সালের মধ্যে এর পরিমাণ বাড়বে ৫০ ফুট। ফলে নিম্নাঞ্চলের দেশগুলো সাগরের নিচে তলিয়ে যাবে। সিঙ্গাপুরের নানইয়াং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এমন পূর্বাভাস দিয়েছেন।

বিরূপ আবহাওয়া: উষ্ণ জলবায়ু বৃষ্টিপাতের ধারা পরিবর্তন করে বন্যা ও খরার প্রকোপ বাড়াবে। গ্লেসিয়ার ও মেরুর বরফ-চাদর আরও বেশি পরিমাণে গলবে। ফলে সমুদ্রের জলস্তর বাড়বে। বলা হচ্ছে, গত কয়েক বছরে ঘূর্ণিঝড় ও হারিকেন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ তাপমাত্রা বৃদ্ধি।

কৃষিতে প্রভাব: জলবায়ুর পরিবর্তন বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটাবে এবং তা সরাসরি কৃষি উৎপাদনের ওপর প্রভাব ফেলবে। এছাড়া মাটির গুণাগুণ, কীট এবং রোগের চরিত্রের ওপরও জলবায়ু পরিবর্তনের পরোক্ষ প্রভাব পড়বে। চরম জলবায়ু যেমন- প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত, উচ্চতাপমাত্রা, বন্যা, খরা প্রভৃতি শস্য? উৎপাদনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালদ্বীপ ছেড়ে পালালেন ৪ নির্বাচনী কর্মকর্তা

বিদেশের খবর: দ্বীপদেশ মালদ্বীপের রাজনীতি ফের সরগরম হয়ে উঠেছে। দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী আব্দুল্লাহ ইয়ামিন ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গেছেন।
এরই মধ্যে জানা গেছে, মালদ্বীপের নির্বাচন কমিশনের চার কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজন শ্রীলংকায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, হুমকির কারণে আমি দেশ ছেড়েছি।
এসব কর্মকর্তার আশঙ্কা, মালদ্বীপে থাকলে যে কোনো মুহূর্তে খুন হয়ে যেতে পারেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকেই টালমাটাল এই দ্বীপরাষ্ট্রের রাজনীতি। -খবর আনন্দবাজারপত্রিকা অনলাইনের।
তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়ামিন হঠাৎ করেই দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন। বিরোধীদের কারাগারে ঢোকান। সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিরাও বাদ পড়েননি সেই সময়।
কিন্তু গত সেপ্টেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যায় ইয়ামিনের দল প্রোগ্রেসিভ পার্টি অব মালডিভস। ইয়ামিন পুনর্নির্বাচনের দাবি তুললেও আগামী নভেম্বরেই নতুন জোটের সরকার গঠন করার কথা।
জোট সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন মালডিভিয়ান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা ইব্রাহিম মহম্মদ সোলিহ। এ পরিস্থিতিতে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হন ইয়ামিন।
নির্বাচন কমিশনের যে চার কর্মী শ্রীলংকায় চলে গেছেন, তাদের মধ্যে তিনজন এখন কলম্বোয়। বাকি একজন কোথায়, তা জানা যায়নি। দেশে এখনও রয়েছেন দুই নির্বাচনী কর্মকর্তা।
তবে ওই চারজন যে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, সে সম্পর্কে ওয়াকিফহাল ইয়ামিনের দল। তাদের দাবি, সরকারের তরফে প্রাণ সংশয়ের অভিযোগ একেবারে ভিত্তিহীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানিতে রেকর্ড গড়ল চীন

বিদেশের খবর: চীনা পণ্যে ব্যাপকহারে শুল্কারোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে শুরু হয়েছে বাণিজ্য যুদ্ধ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই শুরু শুল্ক অস্ত্রের মুখেও যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানিতে রেকর্ড গড়েছে চীন।
তবে চীনা পণ্যে শুল্কারোপের পর বাণিজ্যযুদ্ধে মার্কিন অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঠিকই। ইতোমধ্যেই মার্কিন কর্মসংস্থান বাজার কমে গেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে চীনের রপ্তানি উদ্বৃত্ত ৩৪.১ বিলিয়ন ডলার, যা নতুন রেকর্ড বলে শুক্রবার জানিয়েছে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাড়তি শুল্কের পর গত মাসে চীনের রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ১৪.৫ শতাংশ। তবে সামনের মাসগুলোতে এ অবস্থার আরও অবনতি হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, চীনা পণ্যে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার। চাকরি হারাচ্ছেন মার্কিন শ্রমিকরা। দেখা দিচ্ছে বাণিজ্য ঘাটতি। এসব অজুহাতেই চীনের বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এ বছর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন তিনি। এভাবে কয়েক দফায় শুল্কারোপ করেন। পাল্টা শুল্কারোপ করায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য ঠিকই বাধার সম্মুখিন হয়েছে। ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া শুরু হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদিকে মারাত্মক শাস্তি পেতে হবে : ট্রাম্প

বিদেশের খবর: ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে সৌদি আরব হত্যা করেছে বলে যদি প্রমাণিত হয়, তবে দেশটিকে মারাত্মক শাস্তি পেতে হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা বলেছেন। আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যম সিবিএস-কে দেওয়া এক ইন্টারভিউতে তিনি এ কথা বলেন।
সিবিএস-কে ট্রাম্প বলেন, যদি এমনটাই ঘটে (খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদির সংশ্লিষ্টতা) তবে আমি খুব হতাশ ও ক্ষুদ্ধ।
উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কন্স্যুলেটে নিখোঁজ হন সাংবাদিক জামাল খাশোগি।
সৌদি আরব অস্বীকার করলেও তুরস্কের দাবি, খাশোগিকে কন্স্যুলেট ভবনের ভেতরে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের কাছে রেকর্ড আছে।
বলা হচ্ছে, এই হত্যাকাণ্ডে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানের নির্দেশে সংঘটিত হয়েছে।
সূত্র: দ্য সান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সকালে রসুন খাওয়ার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: অনেকের কাছেই সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়াটা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু খালি পেটে রসুন খাওয়া দেহের জন্য ভীষণ স্বাস্থ্যকর একটি ব্যাপার।
খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সাথে রান্না করা অবস্থায় খেলে হয় না। এটি শুধু বিভিন্ন ধরণের রোগ দূরই করে না, পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপের শিকার তারা দেখেছেন, রসুন খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ উপশম হয়। রসুন খাওয়ার ফলে তারা শরীরে ভাল পরিবর্তন দেখতে পায়।

শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে: অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন প্যারাসাইট, কৃমি পরিত্রাণ, জিদ, সাঙ্ঘাতিক জ্বর, ডায়াবেটিস, বিষণ্ণতা এবং ক্যান্সার এর মত বড় বড় রোগ প্রতিরোধ করে।

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক: গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খাওয়া হলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর মতো কাজ করে। সকালে নাস্তার পূর্বে রসুন খেলে এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে। তখন রসুন খাওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে। তখন শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াসমূহ আর রক্ষা পায় না।

যক্ষ্মা প্রতিরোধক: আপনার যদি যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় কোন সমস্যা ধরা পড়ে, তাহলে সারাদিনে একটি সম্পূর্ণ রসুন কয়েক অংশে বিভক্ত করে বার বার খেতে পারেন। এতে আপনার যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে সহায়তা পাবেন।

অন্ত্রের জন্য ভাল: খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে। এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় যেমন- ডায়রিয়া। এটা হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এটি স্ট্রেস দূর করতেও সক্ষম। স্ট্রেস বা চাপের কারনে আমাদের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যায় পরতে হয়। তাই, খালি পেটে রসুন খেলে এটি আমাদের স্নায়বিক চাপ কমিয়ে এ সকল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

শ্বসন: রসুন যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করে। রসুন এ সকল রোগ আরোগ্যের মাধ্যমে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।

সতর্কবার্তা
যাদের রসুন খাওয়ার ফলে এলার্জি হবার আশঙ্কা রয়েছে বা হয় তারা অবশ্যই কাঁচা রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এছাড়া যাদের রসুন খাওয়ার ফলে মাথা ব্যথার সমস্যা হয়, বমির প্রাদুর্ভাব হয় বা অন্য কোন সমস্যা দেখা যায় তাদের জন্য কাঁচা রসুন না খাওয়াই ভাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্মার্টফোনে যে কাজে মহাবিপদ হতে পারে!

ভিন্ন স্বাদের খবর: আজকাল অনেকে ফেসবুক বা অন্য কোন সোশ্যাল সাইট থেকে পর্ন সাইটে চলে যান। কেউ আবার কৌতূহল চেপে রাখতে না পেরে সরাসরি এ কাজ করে বসেন। কিন্তু এই কাজটা স্মার্টফোনে করলে বড় বিপদ হতে পারে। এনিয়ে সম্ভাব্য ৫টি বিপদ তুলে ধরা হল:

১। বিভিন্ন ধরণের ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার রয়েছে যা স্মার্টফোন লক করে দেয়। অনেক সময়েই টাকার বিনিময়ে লক খুলতে হয়। পর্ন-সাইটে ভেসে ওঠে কিছু পপ-আপ। আর তাতে ছোঁয়া লাগলেই মোবাইল লক হয়ে যেতে পারে। অনলাইনে টাকা দিলে তবেই খোলা যায়। অনেক সময়ে খোলাও যায় না।

২। এটা সকলেরই জানা যে, চাইল্ড-পর্ন দেখা আইনত অপরাধ। অনেক সময়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে চাইল্ড-পর্ন সাইট খুলে যেতে পারে। হ্যাকাররা যদি জানতে পারে কেউ স্মার্টফোনে চাইল্ড পর্ন দেখেছে তবে তাকে আইনি বিপদে ফেলতে পারে কিংবা সেই ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে পারে।

৩। মনে রাখবেন, হ্যাকাররা সব সময়ে ওৎ পেতে বসে রয়েছে। তাদের অন্যতম বড় ফাঁদ হল পর্ন-সাইট। যারা নিয়মিত পর্ন দেখতে অভ্যস্ত তাদের বিভিন্ন সাইটের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে সেখানে ঢুকতে প্রলুব্ধ করে হ্যাকাররা। একবার সেই সাইটে ঢুকলেই হ্যাকাররা সহজেই চুরি করে নিতে পারে কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য।

৪। পর্ন-সাইটের মাধ্যমে আপনি জড়িয়ে পড়তে পারেন নানা রকম পেইড সার্ভিসে। অনিচ্ছাকৃতভাবে মোবাইলে অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় এমন কিছু সার্ভিস, যা আপনি জানতেও পারেন না। কিন্তু ওই সার্ভিসের জন্য কেটে নেওয়া হয় টাকা।

৫। পর্ন-সাইটে ঢুকলে শুধু যে বিজ্ঞাপনই আপনাকে বোকা বানাবে তা নয়, দেখানো হয় নানা রকম অ্যাপ ডাউনলোড বা আপডেটের লোভ। হ্যাকারদের এই ফাঁদে পা দিলেই হাতছড়া হয়ে যাবে আপনার যাবতীয় তথ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালি পেটে বাদাম ধরে রাখবে যৌবন

অনলাইন ডেস্ক: বাদামের গুণাগুণ অনেকেই জানেন না। যারা জানেন না তারা একবার চটজলদি চোখ বুলিয়ে নিন। আপনি জানেন কি যৌবন ধরে রাখতে বাদামের অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে সারারাত যদি সেই বাদাম জলে ভিজিয়ে রেখে খান তবে তো তার সুফল পাবেনই আপনি।

বাদাম যেভাবে যৌবন ধরে রাখতে সহযোগিতা করে-

১) এই বাদাম মেদ ঝরিয়ে, শরীরে ফোলাভাব কমায়।
২) হজম শক্তি বাড়িয়ে তোলে ভেজানো বাদাম।
৩) ভেজানো বাদামে ভিটামিন B-17 থাকে যা ক্যান্সার প্রতিরোধেও কাজ করে।
৪) শরীরের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে ভেজানো বাদাম। তবে রোজ সকালে খালি পেটে খেলেই ভালো।
৫) গর্ভবতী মহিলাদের পক্ষেও নাকি ভালো এই বাদাম।
৬) বাদামে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest