সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

ভোট চাইলেন চিত্রনায়ক সোহেল রানা

বিনোদনের খবর: নিজ দল জাতীয় পার্টির হয়ে লাঙল মার্কায় ভোট চাইলেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা যিনি বাংলা চলচ্চিত্রে সোহেল রানা হিসেবেই বেশি পরিচিত। সোমবার (১৫ অক্টোবর) যশোর-৩ (সদর) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশী জাহাঙ্গীর আলম মোল্লার পক্ষে লাঙল মার্কায় ভোট চান তিনি।
জাতীয় পার্টির নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথি চিত্রনায়ক সোহেল রানা বলেন, ‘অনেক রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গেছে। কিন্তু জাপা আমলের সুশাসন ও উন্নয়ন কোনো রাজনৈতিক দল করতে পারেনি। মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নও করতে পারেনি। তাই আবারও দেশের মানুষ সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তারা চায় জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসুক, এরশাদই হোক আগামীর রাষ্ট্রপতি।’
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সোহেল রানা আরও বলেন, ‘সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সরকার আমলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ছিল। মানুষের মুখে হাসি ছিল। সুশাসন ও উন্নয়নে এরশাদের সোনালী শাসনই ছিল সেরা ‘
যশোর সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শরিফুল ইসলাম সরু চৌধুরী, যশোর সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও যশোর-৩ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল, দপ্তর সম্পাদক মনিরুজ্জামান হিরণ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পারুল নাহার আশা।
সমাবেশ শেষে প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসুদ পারভেজ সোহেল রানাসহ নেতারা লিফলেট বিতরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজধানীতে ইরানি চলচ্চিত্র প্রদর্শনী শুরু ৩ নভেম্বর

বিনোদনের খবর: রাজধানী ঢাকায় আগামী ৩ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ৪ দিন ব্যাপী ইরানি চলচ্চিত্র উৎসব। ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে এই চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতায়ী চিত্রশালায় আগামী ৩ নভেম্বর শনিবার বিকেল ৪টায় এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই প্রদর্শনী শুরু হবে। চলবে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একটি চলচ্চিত্র দেখানো হলেও ৪ নভেম্বর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকলা ১১টা থেকে ১টা এবং বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দুটি করে চলচ্চিত্র দেখানো হবে। এই চলচ্চিত্র দেখার জন্য কোন টিকিটের প্রয়োজন হবে না।
এদিকে, ৯ নভেম্বর থেকে দেশের ৩টি বিভাগীয় শহরে শুরু হতে যাচ্ছে ইরানি চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা শহরের শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ৫ দিন ব্যাপী এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত এই প্রদর্শনী চলবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নরসিংদীতে জঙ্গি আস্তানা; ঘটনাস্থলে সোয়াত

দেশের খবর: নব্য জেএমবির আস্তানা সন্দেহে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা সোমবার (১৫ অক্টোবর) রাত থেকে নরসিংদীর মাধবদী ও শেখেরচরের যে বাড়ি দুটি ঘিরে রেখেছে, সেখানে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও সোয়াত (স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাক্টিকস) টিমের সদ্যরা পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তারা।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে সিটিটিসির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আবদুল মান্নান বলেন, অভিযানের জন্য সোয়াত টিমকে ডাকা হলে দলটি সকালে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। অপারেশনের প্রস্তুতি চলছে। অপরাশেন যে কোনো সময় শুরু হবে।
সিটিটিসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, আস্তানা দুইটির মধ্যে একটি হলো মাধবদীর গাঙপাড় এলাকার পাঁচ তলা একটি ভবন। এই ভবনের ৫ম তলায় অন্তত দুই জন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন। আর শেখেরচর এলাকার একটি সাততলা ভবনের ৭ম তলায় অন্তত দুই জন নারী রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইংল্যান্ডের কাছে ধরাশায়ী স্পেন

খেলার খবর: সেভিয়ায় সোমবার রাতে নেশন্স লিগের ম্যাচে স্পেনকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ম্যাচের ১৬তম মিনিটে দুর্দান্ত এক প্রতি-আক্রমণে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ডি-বক্সে ঢুকে বুলেট শটে গোলটি করেন ম্যানচেস্টার সিটি মিডফিল্ডার রাহিম স্টার্লিং। ২৯তম মিনিটে পিকফোর্ডের উঁচু করে বাড়ানো বল ধরে কেইন বাড়ান র‌্যাশফার্ডকে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড প্রথম ছোঁয়ায় বল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন। প্রথমার্ধেই আরো একটি গোল হজম করে স্পেন। ৩৮তম মিনিটের ডান দিক থেকে গোলমুখে বাড়ানো বল টোকা দিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন স্টার্লিং।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮তম মিনিটে ব্যবধান কমিয়ে লড়াইয়ে ফেরার আভাস দেয় স্পেন। রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার মার্কো আসেনসিওর কর্নারে দারুণ হেডে গোলটি করেন আগের মিনিটেই বদলি নামা বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ফরোয়ার্ড পাকো আলকাসের।
যোগ করা সময়ে রিয়াল মিডফিল্ডার দানি সেবাইয়োসের ক্রসে হেড করে ব্যবধান আরো কমান সের্হিও রামোস। তবে হার এড়াতে পারেনি স্পেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন আজ বিকালে

দেশের খবর: সৌদি আরবের বাদশাহ এবং দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদের আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে আজ রিয়াদের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমান আজ বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি রাজধানীর উদ্দেশে রওয়ানা হবেন।
ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আগামী দিনগুলোতে সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার দেশে ফিরবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নজরুলকে ঠেকাতে মরিয়া জামাত, অপপ্রচারে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ!

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলায় আওয়ামী লীগের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা নজরুল ইসলামকে ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে স্বাধীনতাবিরোধী জামাত-শিবির চক্র ও তাদের সহযোগীরা।
সাতক্ষীরা-২(সাতক্ষীরা সদর) আসনে আগামী সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম যাতে দলীয় মনোনয়ন না পান, সেজন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে জামাত-বিএনপি। আর এজন্য পর্দার আড়ালে থেকে নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার ও তার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া প্রতিপক্ষের কোটি পিছনে কোটি কোটি বিনিয়োগ করছে স্থানীয় জামাত-শিবির চক্র ও তাদের দোসর একটি প্রভাবশালী মহল। নজরুল ইসলামের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, সর্বমহলে তার গ্রহণযোগ্যতা এবং বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী আওয়ামী লীগ ক্রমান্বয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে জামাত-বিএনপি। নজরুল ইসলামের মত সৎ, সদালাপী, জনপ্রিয় এবং স্বচ্ছ ইমেজের নেতা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সাতক্ষীরা জেলায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি অনেক বেশি সংগঠিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এবং বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শক্ত ভূমিকার কারণে ঘাপটি মেরে থাকা জামাত ভবিষ্যতে সাতক্ষীরার রাজনীতিতে গুরুত্ব হারাবেÑ এমন আশঙ্কায় আতঙ্কিত জামাত।
উল্লেখ্য, ১৯৭৫ এর ১৫ অগাস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার পর খুনী চক্র সারাদেশে স্বাধীনতার যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে জনবিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করে। খন্দকার মোস্তাকের দোসররা সারাদেশে রাতারাতি ভোল পাল্টিয়ে ফেলে। সাতক্ষীরাতেও সেসময় আওয়ামী লীগকে কোনঠাসা করে ফেলে চক্রটি। সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়া আওয়ামীলীগের সেই দুর্দিনে অনেকেই মাঠ ছেড়ে পালান। দীর্ঘদিন তারা সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও জেলা শহরে আওয়ামী লীগের কোন মিছিল-মিটিং বা সাংগঠনিক কোন কার্যক্রমেই অংশ নেননি। আশাশুনি উপজেলা থেকে ফিংড়ী ইউনিয়ন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত হওয়ার পর তৎকালীন ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে থাকেন এবং জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ১৯৮৪ সাল থেকে দীর্ঘদিন আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা নজরুল ইসলামকে প্রথমবারের মত সাতক্ষীরা-২ আসনে নৌকা প্রতীক দিয়ে মনোনয়ন দেন। স্বল্পতম সময়ে ব্যক্তিগত সততা, গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার কারণে নজরুল ইসলাম যখন নির্বাচনে জামাত ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। পরাজিত হলেও নজরুল ইসলাম কখনও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ত্যাগ করেননি তিনি ক্রমান্বয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ের সকল স্তরে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করায় মনোনিবেশ করেন। ফলশ্রতিতে ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পান।
২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সাতক্ষীরা-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেন।
২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দলীয় কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে তিনি জেলার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭৫’র পর সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগকে পুনর্জীবিত করে নজরুল ইসলাম সকল উপজেলায় দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করেন।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ বলেন, “সবাই জানে নজরুল ইসলামের সততা, দলীয় আনুগত্য ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কারণে সাতক্ষীরায় তৃণমূলের আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা তার পিছনে ঐক্যবদ্ধ। আমরা চাই সৎ নেতা, মাঠে থাকা নেতা যেন দলীয় নৌকা পান। আর নজরুল ইসলামের চেয়ে জনপ্রিয় এবং কর্মীবান্ধব নেতা কে আছেন?”
নজরুল ইসলাম ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সাতক্ষীরা-২ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পান কিন্তু শেষ মূহুর্তে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা পালন করে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পক্ষে নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। সাতক্ষীরা জেলার সবচেয়ে জনপ্রিয় এই রাজনৈতিক নেতা ২০০৯ সালে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাতক্ষীরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নজরুল ইসলাম। প্রতিযোগিতা পূর্ণ সেই নির্বাচনে তার বিপরীতে নিজেদের জেলা সেক্রটারি নুরুল হুদাকে মনোনয়ন দেয় জামাত। সঙ্গে ছিল বিএনপির সমর্থন। নির্বাচনে জামাত সেক্রেটারির ৬৩ হাজার ভোটের বিপরীতে আওয়ামীগ প্রার্থী নজরুল ইসলাম ১ লক্ষ ১৭ হাজার ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তিনিই স্বাধীনতার পর সাতক্ষীরা সদর নির্বাচনী এলাকার প্রথম আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী যিনি সরাসরি নির্বাচনে জামাতের প্রার্থীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। এই নির্বাচনের পরই স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের দল জামাত বুঝতে পারে যে, নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরার রাজনীতিতে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ। তখন থেকেই তারা সুকৌশলে নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার শুরু করে। জামাত বুঝতে পারে নজরুল ইসলামের জনপ্রিয়তার কাছে তাদের মৌলবাদী রাজনীতি টিকতে পারবে না। জনপ্রিয় নজরুল ইসলামকে ঠেকাতে মরিয়া জামাত তার ভাই হাবিবুর রহমানকে নিজেদের দলে ভেড়ায়। এবং তাকে দিয়ে নজরুল ইসলামকে কোনঠাসা করার মিশনে নামে। জামাতের এই চেষ্টা এখনও অব্যাহত আছে। বর্তমানে মরিয়া জামাত-বিএনপি ও তাদের দোসররা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ব্যবহার করছে আওয়ামী লীগে তার মনোনয়ন ঠেকাতে।
উল্লেখ্য, মো. নজরুল ইসলাম ১৯৭০ সালে ছাত্রলীগের প্রার্থী হিসেবে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচন করে কমনরুম সম্পাদক নির্বাচিত হন। তার পিতা মরহুম আব্দুল জব্বার সরদার ফিংড়ীর নিজ বাড়িতে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বিভিন্ন সময় অপারেশনে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিত আশ্রয় ও সহায়তা দেয়ার কারণে তাকে যুদ্ধোত্তোর বাংলাদেশে ফিংড়ী রিলিফ কমিটির সদস্যের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। তার আপন ভাই মরহুম অধ্যক্ষ নজিবুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথেও আমৃত্যু যুক্ত ছিলেন।
এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি বলেন, “সততা, আদর্শ এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে সাতক্ষীরা সদর নির্বাচনী এলাকার সর্বস্তরের মানুষ নজরুল ইসলামকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান। আর এ কারণেই নজরুল ইসলামের পরিবর্তে যেন কোন জনবিচ্ছিন্ন প্রার্থী জামাতের বিপরীতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান সেজন্য বিশেষ মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে জামাত-শিবির ও তাদের সহযোগীরা।”
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের পর জামাত-বিএনপি জোটের দুঃশাসনের সময় এবং ২০১৩ সালে জামাত-শিবিরের সহিংসতার সময়ও নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগের নির্যাতিত ও নৃশংসতার শিকার নেতা-কর্মীদের পাশে সার্বক্ষণিক মাঠে ছিলেন।
সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, “সাতক্ষীরার গণমানুষের নেতা নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের প্রাণ। আমাদের নেতা-কর্মীরা গর্বিতভাবে বলতে পারেন, “নজরুল ইসলামের মত পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের নেতা।” তাদের নজরুল ইসলামের পরিচয় দিতে গিয়ে লজ্জ্বা পেতে হয় না। কিন্তু আমাদের কোন কোন নেতা আছেন যারা জননেত্রী শেখ হাসিনার দেয়া উন্নয়ন প্রকল্প বিক্রি করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন। আমরা তাদের চাই না। আমরা নজরুল ইসলামকেই চাই।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশোগির খোঁজে সৌদি কনস্যুলেটে তল্লাশি চালাবে তুরস্ক

বিদেশের খবর: সৌদি আরবের নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাশোগির খোঁজে সোমবার ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে তল্লাশি চালাবে তুরস্কের কর্মকর্তারা। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। দিনের শেষ ভাগে অথবা সন্ধ্যার পর তল্লাশি অভিযান শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে কূটনৈতিক সূত্র। খবর বিবিসির।
ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটের প্রবেশের পর খাশোগির নিখোঁজ রহস্য নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে সৌদি আরবের ওপর। এ অবস্থায় সোমবার এ ঘটনার অভ্যন্তরীণ তদন্ত করতে সৌদি আরবের পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ। তুর্কি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তদন্ত কাজ দ্রুততার সঙ্গে করারও নির্দেশ দেন তিনি।
অক্টোবরের ২ তারিখে কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার কলাম লেখক ও স্বেচ্ছা-নির্বাসিত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি। তুরস্ক বলছে একইদিন সৌদি আরব থেকে ইস্তাম্বুল আসা সৌদি গোয়েন্দাদের ১৫ সদস্যের একটি দল কনস্যুলেটের ভেতরে ঢুকে খাশোগিকে খুন করেছে।

তবে সৌদি আরব অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, কাজ শেষে কনস্যুলেট ত্যাগ করেছেন খাশোগি। যদিও দাবির পক্ষে কোন প্রমাণ হাজির করতে পারেনি দেশটি।

খাশোগি দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তার এড়াতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন। সৌদি রাজতন্ত্রের কঠোর সমালোচক ছিলেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

দেশের খবর: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সাধারণ ডায়েরিটি (জিডি) রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এই মামলা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত করছে।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশো অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে জিডি হয়। গত বৃহস্পতিবার সেনা সদরের পক্ষ থেকে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় ওই জিডি করা হয়।

এই জিডিটি রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে এটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হিসেবে গ্রহণ করে তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশকে স্থানান্তর করা হয়। সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো: আব্দুল বাতেন বাসসকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফজলুর রহমানকে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে জিডির বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) তাপস কুমার দাস বাসসকে জানান, সেনা সদর দপ্তরের আইনবিষয়ক উইংয়ের মেজর এম রকিবুল আলম বৃহস্পতিবার জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্যান্টনমেন্ট থানায় জিডি করেন।

টেলিভিশনে দেওয়া জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ ও ‘অসত্য’ বলে আখ্যায়িত করে গত শনিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়া হয়। আইএসপিআর বলেছে, ডা. জাফরুল্লাহর দায়িত্বজ্ঞানহীন অসত্য বক্তব্য কেবল সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে জেনারেল আজিজ আহমেদের সুনাম ও সামাজিক অবস্থানকে ক্ষুণ্ন করেনি, বরং তা সেনাবাহিনীর প্রধানের পদকে চরমভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছে।

পরে সংবাদ সম্মেলন করে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘জেনারেল আজিজকে অসাবধানতাবশত কোনো মনঃকষ্ট দিয়ে থাকলে সে জন্য আমি পুনরায় আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি। উল্লেখ্য, আমি ইতিমধ্যে বিগত দুদিন কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে আমার বক্তব্যে ভুল শব্দচয়ন ও শব্দবিভ্রাটের বিষয়টি প্রকাশ করে সেনাপ্রধানের নিকট দুঃখ প্রকাশ করেছি।’ তিনি বলেন, সময় টেলিভিশনের বিশেষ অনুরোধে শারীরিক দুর্বলতা নিয়েই আমি ৯ অক্টোবর রাত ১০টায় তাদের একটি টক শোতে অংশ নিই। ওই টক শোতে অপর অতিথিরা ছিলেন সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ আলম লেলিন। আলোচনাকালে আমি দেশের বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ সম্পর্কে অসাবধানতাবশত একটি ভুল তথ্য উল্লেখ করেছিলাম। জেনারেল আজিজ একজন দক্ষ আর্টিলারি সেনা কর্মকর্তা। তিনি চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ‘জিওসি’ ছিলেন না, ‘কমান্ড্যান্ট’ও ছিলেন না। তিনি তাঁর কর্মজীবনের একসময়ে চট্টগ্রাম সেনাছাউনিতে আর্টিলারি প্রশিক্ষক ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ‘কোর্ট মার্শাল’ হয়নি একবার ‘কোর্ট অব এনকোয়ারি’ হয়েছিল। ভুল বক্তব্য ও শব্দবিভ্রাটের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং মর্মাহত। সেনাবাহিনী বা জেনারেল আজিজের সম্মানহানি করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না এবং এরূপ কোনো অভিপ্রায়ও আমার নেই। আমাদের সেনাবাহিনীর গৌরবে আমি গর্বিত।’

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘জেনারেল আজিজের সম্মানহানি করার কোনো চিন্তা বা উদ্দেশ্য আমার ছিল না।’

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সম্পর্কে ডা. জাফরুল্লাহর বক্তব্য নিয়ে আইএসপিআরের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সম্পর্কে জনাব ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্য ছিল একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন অসত্য বক্তব্য। কারণ, বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ চাকরিজীবনে কখনোই চট্টগ্রামের জিওসি বা কমান্ড্যান্ট হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন না। তিনি ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত কুমিল্লায় ৩৩ আর্টিলারি ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার, ২০১১ সালের জুন থেকে ২০১২ সালের মে পর্যন্ত ঢাকার মিরপুরে ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার এবং ২০১২ সালের মে থেকে ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কুমিল্লায় ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিএসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণিত সময়ে চট্টগ্রাম বা কুমিল্লা সেনানিবাসে কোনো সমরাস্ত্র বা গোলাবারুদ চুরি বা হারানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাঁর দীর্ঘ, বর্ণাঢ্য সামরিক চাকরিজীবনে কখনোই কোর্ট মার্শালের সম্মুখীন হননি।’

আইএসপিআরের পরিচালক লেফট্যানেন্ট কর্নেল আলমগীর কবিরের স্বাক্ষরিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘চাকরিরত একজন সেনাবাহিনীপ্রধান সম্পর্কে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মতো একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির এরূপ দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা সেনাবাহিনীপ্রধানসহ সেনাবাহিনীর মতো রাষ্ট্রীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে জনসমক্ষে হেয় করার হীন অপচেষ্টা মর্মে স্পষ্টত প্রতীয়মান।’

আইএসপিআরের বক্তব্যে বলা হয়, ‘ডা. জাফরুল্লাহর দায়িত্বজ্ঞানহীন অসত্য বক্তব্য কেবল সেনাবাহিনীপ্রধান হিসেবে জেনারেল আজিজ আহমেদের সুনাম ও সামাজিক অবস্থানকে ক্ষুণ্ন করেনি, বরং তা সেনাবাহিনীপ্রধানের পদকে চরমভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছে, যা প্রকারান্তরে সেনাবাহিনীর চাকরিরত সব সদস্যকে বিভ্রান্ত করেছে এবং তাঁদের মনোবলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ ছাড়া এরূপ অপপ্রচার সেনাবাহিনীর মতো সুশৃঙ্খল বাহিনীর সংহতি ও একতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest