সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

‘ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মধ্যে প্রীতি ম্যাচ হয় না’

খেলার খবর: সৌদি আরবে আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল তাদের একটি করে প্রীতি ম্যাচ খেলে ফেলেছে। আগামী মঙ্গলবার প্রতিবেশি দেশ দুটি আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে মুখোমুখি হবে। ওই ম্যাচের আগে ইরাককে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা। আর শুক্রবার রাতে ব্রাজিল ২-০ গোলে জিতেছে সৌদি আরবের বিপক্ষে।

ব্রাজিলে যেভাবে খেলছে তাতে তারা অপেক্ষাকৃত তরুণ এবং মেসি-ডি মারিয়াবিহীন আর্জেন্টিনাকে আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। কারণ সৌদির বিপক্ষে সেরা ছন্দের ব্রাজিলে মানে ২-০ গোলের জয় এটা ভাবা কঠিন। ১৯৯৯ সালের কনফেডারেশন কাপেও ব্রাজিল ৮-২ গোলের জয় পেয়েছিল সৌদি আরবের বিপক্ষে। আর তাই আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জিততে হলে আরও ভালো ফুটবল খেলতে হবে ব্রাজিলের। সৌদির বিপক্ষে ব্রাজিলের ফলে দলটির কোচ তিতে মোটেও সন্তুষ্ট নন।

ম্যাচের পরেই তিনি তা বুজিয়ে দিয়েছেন। আর্জেন্টিনার বিপক্ষের ম্যাচটির তিনি দেখছেন বড় লড়াই হিসেবে। তার মতে, এটা কোন প্রীতি ম্যাচ নয়। কারণ ব্রাজিলে আর আর্জেন্টিনার মুখোমুখি লড়াই কখনো প্রীতি ম্যাচ হতে পারে না। তিতে ফুটবলের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হওয়ার আগে যুদ্ধের দামামা বাজাচ্ছেন।

আগামী বছর ব্রাজিল ঘরের মাঠে কোপা আমেরিকার আয়োজন করবে। ওই আসরের প্রস্তুতি তিতে সারছেন প্রীতি ম্যাচে। কিন্তু সৌদির বিপক্ষে ম্যাচ কোচের মন ভরাতে পারেনি, ‘আমরা এই জয়ে সন্তুষ্ট না। হতে পারে নেইমার সামনে থেকে দলের নেতৃত্ব দিয়েছে বলে আমরা ম্যাচটায় জিতেছি। এরপর আমাদের আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে হবে। ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনার মধ্যে কখনো প্রীতি ম্যাচ হয় না। আমাদের সামনের ম্যাচে এর থেকে আরও ভালো করতে হবে।’

ব্রাজিল প্রীতি ম্যাচে প্রথমার্ধের শেষ সময়ে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের গোলে এবং শেষ বাঁশি বাজার আগে অ্যালেক্স সান্দ্রোর গোলে জয় পায়। বিশ্বকাপে কোন গোল না পাওয়া ব্রাজিলে স্ট্রাইকার বিশ্বকাপের পরে নিজের খেলা প্রথম ম্যাচেই গোল পেয়েছেন। এছাড়া ব্রাজিলের হয়ে অভিষেক ম্যাচে গোল পেয়েছেন জুভেন্টাসের লেফট ব্যাক অ্যালেক্স সান্দ্রো। ব্রাজিলে দলে মার্সেলোর বদলী হিসেবে খেলেছেন তিনি। দলের জয়ে গোল না পেলেও দুই গোলই এসেছে নেইমারের পাস থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার মুখ খুললেন বিপাশা বসু

বিনোদনের খবর: বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসু বলেছেন, পরিচালক সাজিদ খানকে নিয়ে যে নারীরা মুখ খুলেছেন, তাতে তিনি খুশি। তিনি বলেন, সিনেমার সেটে বিভিন্ন নারী ও অন্য সদস্যদের সঙ্গে সাজিদের আচরণ তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।

সম্প্রতি ‘হাউসফুল-৪’ ছবির পরিচালক সাজিদ খানের বিরুদ্ধে তিন নারী যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন। অভিনেত্রী সালোনি চোপড়া, সাংবাদিক কারিশমা উপাধ্যায় ও অভিনেত্রী র‍্যাচেল হোয়াইট সাজিদের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ করেন। এর জেরে সাজিদ খান ‘হাউসফুল-৪’ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

২০১৪ সালে ‘হামসকলস’ ছবিতে সাজিদের সঙ্গে কাজ করেছিলেন বিপাশা। তাঁর দাবি, ‘নারীর প্রতি ওঁর আচরণ খুবই বিরক্তিকর। প্রকাশ্যে অশোভন মশকরা করতেন।’ যদিও তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেননি বলে জানিয়েছেন বিপাশা।

মাইক্রো-ব্লগিং সাইট টুইটারে বিপাশা বসু লেখেন, ‘আমার সত্যিই দারুণ লাগছে নারীদের এসব জঘন্য পুরুষদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে দেখে। তবে আমার সঙ্গে এইসব কিছুই হয়নি। সেটে নারীদের প্রতি তাঁর আচরণ অত্যন্ত রূঢ়, যা আমাকে বিব্রত করত। তিনি নোংরা কৌতুক বলতেন সবার সামনেই এবং সব নারীর সঙ্গেই খারাপ ব্যবহার করতেন।’
‘আমাকে সবাই বলেছিল তাঁকে কিছু না বলতে, তাই আমি নিজের কাজ একজন পেশাদারের মতোই তাড়াতাড়ি শেষ করে প্রযোজকদের জানিয়েছিলাম যে, এই ছবির সঙ্গে নিজেকে আর যুক্ত রাখতে পারব না, কারণ তাহলে যেকোনো সময় আমি হয়তো মেজাজ হারিয়ে ফেলব’, টুইটে লেখেন বিপাশা।
২০১৪ সালে ‘হামসকলস’ ছবির সময় বিপাশা ও সাজিদ খানের মধ্যে একটা তর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বিপাশা বসু সে সময় ছবির প্রচারণা না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বিপাশা বসু ছাড়াও ওই ছবিতে সাইফ আলি খান, রিতেশ দেশমুখ, রাম কাপুর, ইশা গুপ্তা ও তামান্না ভাটিয়া অভিনয় করেছিলেন।
অন্য একটা টুইটে বিপাশা তনুশ্রী দত্তের প্রশংসা করেন, যিনি অভিনেতা নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করে ভারতে হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলন শুরু করেছেন।
‘তনুশ্রী দত্তকে কুর্নিশ। তাঁর জন্যই আজ বহু নারী সেসব পুরুষদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পেয়েছে, যাঁরা নিজেদের ক্ষমতা ও খ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে নারীদের সুযোগ নিয়েছে’, আরেকটি টুইটে লেখেন বিপাশা।
হ্যাশট্যাশ মি টু আন্দোলনের জেরে ‘হাউসফুল-৪’ ছবির শুটিং বাতিল করেছেন অক্ষয় কুমার। এ ছবি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন নানা পাটেকার ও সাজিদ খানও।
তবে পরিচালক সাজিদ খান বলেছেন, “আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় এবং আমার পরিবার, ‘হাউসফুল ৪’-এর প্রযোজক, ও তারকাদের ওপর চাপ সৃষ্টি হওয়ায় আমি নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে সরে দাঁড়াচ্ছি। তবে সত্যিটা আমি প্রমাণ করব।” সূত্র : এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সমস্যা, সম্ভাবনা ও আমাদের করনীয়

শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়নের চাবিকাঠি। বাংলাদেশের রাষ্ট্র নায়ক, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৩ সালে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশের কঠিন সময়ে একটি শিক্ষিত জাতির স্বপ্নের কারিগর হিসেবে তিনি একসঙ্গে ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরন করেন। তিনি জানতেন, শিক্ষা খাতে অর্থ ব্যয় একটি দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে উপযুক্ত বিনিয়োগ। বাংলার এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে শিক্ষিত করে, জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করে জনশক্তিতে পরিণত করতে বদ্ধ পরিকর ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর পর অনেক দিন বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার উল্লেখযোগ্য পৃষ্ঠপোষকতা চোখে পড়েনি। ২১ বছর পর তার সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে দৃষ্টিপাত করেন। মূলত তখন থেকে বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হতদরিদ্র চেহারা, ভগ্নদশা কাটিয়ে উঠতে শুরু করে। ২০১৩ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা আবার একসঙ্গে ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন। ২০১৪ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা ঘোষণা করেন। গত তিন বছরে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার চিত্র পর্যবেক্ষন করলে আমরা দেখতে পাই, প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন খাতে যথেষ্ট বরাদ্দ, যথাসময়ে শিক্ষার্থীদের বই বিতরণ করে বই উৎসব পালন, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান, ঝখওচ বরাদ্দ থেকে দরিদ্র শিশুদের জন্য পোশাক, খাতা-কলমের ব্যবস্থা, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মা সমাবেশ, হোম ভিজিট করে উপস্থিতি বৃদ্ধি, মানসম্মত পাঠদানের জন্য শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা সহ বহুমখী কার্যক্রমের মাধ্যমে এ সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নের রুপকার হিসেবে প্রমান দিয়েছে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, নি¤েœাক্ত কিছু বিষয়ে যথাযথ কর্তপক্ষ সদয় সৃষ্টি দিলে মানসম্মত শিক্ষানিশ্চিতকরণ আরো ত্বরান্বিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
১. প্রাথমিক শিক্ষার মুল সমস্যা হলো আমাদের দেশের অন্যান্য সরকারি চাকরি না পাওয়া ব্যর্থ মানুষদের বেশির ভাগ প্রাথমিক শিক্ষকতায় যোগদান করে হতাশা নিয়ে কাজ শুরু করেন। উন্নত কিছু হলে শিক্ষকতা ছেড়ে দেন। সুতরাং তাদের পদমর্যাদা ওপরের দিকে হওয়া দরকার।
২. শিক্ষকরা মনোযোগ দিয়ে পাঠদান করবেন এটাই তার মূল কাজ। অথচ আমাদের দেশে শিক্ষকদের অন্তত ৩০টি রেজিস্টার হালনাগাদ রাখা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, প্রায় বছর জুড়ে প্রশিক্ষণ, সমাপনী পরীক্ষা প্রস্তুতি অথবা বিদ্যালয় প্রতি একজন অফিস সহকারী নিয়োগ দিয়ে শিক্ষকদের পাঠদানে আরো অধিক মনোযোগী করা দরকার।
৩. প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা/ কর্মচারীর যথেষ্ট লোকবল সংকট আছে। এছাড়া বিদ্যালয় পরিদর্শনের বাইরে তাদের তথ্য-উপাত্ত আদান প্রদান সহ এত বেশি দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয় যে, গড়ে দুই-তিন মাসেও সব কটি বিদ্যালয় পরিদর্শিত হয় না। এবিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
৪. আমরা সবাই জানি, বাংলাদেশ সরকারের সামার্থ সীমিত। প্রাথমিক শিক্ষা খাতে যা বরাদ্দ আসে তাতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর চাহিদা মেটে না। সুতরাং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে স্থানীয় ধনবান, প্রবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে।
৫. সর্বশেষ একটি বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই, তা হলো, কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট টিউশন বা কিছু শিক্ষকের মানসিকতা। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক শিক্ষকই আছেন যারা বিদ্যালয়ে সময় মত যাওয়া-আসা করেন না, পাঠ দানে মনোযোগী নন। গ্রামাঞ্চালে অনেক শিক্ষক রাজনীতি, ব্যবসা-বানিজ্য বা বিচার শালিসে জড়িত, যা শিক্ষকদের পেশার সাথে একেবারেই বেমানান। সুতরাং সম্মানিত শিক্ষকদের আরোবেশি আন্তরিক হওয়ার আহবান জানাই।
৫.হঠাৎ প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে একটি শ্রেনীকক্ষে ঢুকে দেখেছি, চক-ডাস্টার, বই, পাঠ পরিকল্পনা উপকরণ ছাড়াই পাঠদান করতে শ্রেনী শিক্ষক শ্রেনীকক্ষে গিয়েছেন। ধরে নেওয়া যায়, তিনি কোন প্রকার প্রস্তুতি ছাড়াই শ্রেনীকক্ষে গিয়েছেন। পাঠ পরিকল্পনা নিয়ে শ্রেণিকক্ষে গেলে তিনি পরিকল্পিত ভাবে ক্লাসটি নিতে পারতেন। শ্রেনী শিক্ষক বাংলাদেশের বিষয়ে পাঠদান কালে যদি বাংলাদেশের মানচিত্র শ্রেনীকক্ষে উপস্থাপন করেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে পাঠদান কালে যদি একজন বীরশ্রেষ্টের ছবি দেখান তাহলে পাঠটি যেমন আকর্ষনীয় হবে। ঠিক একই ভাবে শিক্ষার্থীর মনে তা অনেক দিন থাকবে।
৬.স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার যে সব কারন রয়েছে সেগুলো ছাড়াও দেখা যায়, ক) শিক্ষা নিয়ে অভিভাবকদের অসচেতনতা, খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরানন্দ শিক্ষা ব্যবস্থা, গ) শ্রেনীকক্ষে শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার বিরক্তিকর একটানা সময়সূচি, ঘ) বছরের পুরো সময় একটি নির্দিষ্ট শ্রেনীকক্ষে ক্লাস করানোর ফলে পঠন-পাঠন কার্যক্রমে বৈচিত্রময় পরিবেশের সৃষ্টি না হওয়া, ঙ) দিনব্যাপী শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা না থাকা, চ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাতায়াত সমস্যা, ছ) বেশির ভাগ শিক্ষকের গতানুগতিক পদ্ধতিতে পাঠদান, জ) পরীক্ষামুখী শিক্ষা কার্যক্রম, ঝ) উপেক্ষিত সহপাঠ ক্রমিক কার্যাবলি, ঞ) স্কুল গুলোয় বিষয় ভিত্তিক শিক্ষকের অভাব, ট) অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুরত্ব, ঠ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থী টেনে নিয়ে আসার জন্য বহু কোচিং সেন্টারের আকর্ষনীয় বিজ্ঞাপনও নানামূখী প্রচেষ্টা, ড) গবেষনাহীন শিক্ষক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা ইত্যাদি শিক্ষার্থী ঝরে পড়ায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। কাজেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ধরে রাখতে হলে এখানে যে সব দিকের উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো নিরসনে মনোযোগ দিতে হবে এখনই। এখন শুধু প্রয়োজন শিক্ষক, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির আন্তরিকতা। যদি শিক্ষকগণ যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন, পাঠ পরিকল্পনা ও উপকরন নিয়ে শ্রেনীকক্ষে যান এবং আকর্ষনীয় ভাবে পাঠদান করেন তাহলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া অনেক কমে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। পরিশেষে বলতে চাই, জাতীয় উন্নয়নে সবচেয়ে অপরিহার্য স্তম্ভ হলো প্রাথমিক শিক্ষা। একটা ভালো বীজ থেকে যেমন একটা গাছ মহীরুহ হয়ে ওঠে, তেমনি মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা জাতির ভবিষ্যৎ গঠন ও উন্নয়নের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয়। কারন প্রাথমিক শিক্ষাই চলমান মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থার বীজ। সুতরাং আসুন শিক্ষিত জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত শক্ত করতে সংশ্লিষ্ট সবাই যে যার জায়গা থেকে নি:স্বার্থ সেবাদান করে ইতিহাসের অংশ হই।

লেখক: শেখ ফারুক হোসেন রতন, চেয়ারম্যান সখিপুর ইউপি ও সাংগঠনিক সম্পাদক, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভ্রাম্যমাণ আদালতে হামলা, ২ পুলিশসহ আহত ৭

অনলাইন ডেস্ক: কুড়িগ্রাম শহরের জিয়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার সময় ব্যবসায়ী-পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে দুই পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রম পরিচালনা করতে আসা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাতেমা খাতুনকে আটকে রেখে তার গাড়ির উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সড়িয়ে নেয়ার সময় ৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ছোঁড়া হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জিয়া বাজারের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত মারিয়া স্টোরে পলিথিনের বস্তায় ডাল সংরক্ষণ করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত দোকান মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে।
একই অপরাধে নিরব স্টোরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করলে ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে। এসময় উত্তেজিত জনতা পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর ইট-পাটকেল ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলাকালে দুই পুলিশসহ অন্তত ৫জন আহত হন।
আহত দুই পুলিশ সদস্য হলেন- এসআই শরীফ ও এসআই ফজলুল হক। পরে অতিরিক্ত পুলিশ লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি মাহফুজার রহমান জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাজে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ৫ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাজের জন্য বিদেশগামীদের সতর্ক করলেন মৌসুমী

অনলাইন ডেস্ক: সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে বেশ আগে থেকেই জড়িত চিত্রনায়িকা মৌসুমী। কয়েক বছর ধরে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও কাজ করছেন।
এবার কাজের জন্য বিদেশগামী সাধারণ মানুষকে সতর্ক ও সচেতন করতে নতুন একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এ অভিনেত্রী।
অভিবাসন ও কর্মসংস্থান আইনবিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের (আইএলও) ‘জেনে মেনে বিদেশ যাই’ শীর্ষক প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন মৌসুমী। সম্প্রতি এই প্রচারণার জন্য নির্মিত বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিং শেষ করেছেন তিনি।
মূলত দেশের বাইরে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশগামীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করাই এ বিজ্ঞাপনের লক্ষ্য। সম্প্রতি নাট্য নির্মাতা রহমতুল্লাহ তুহিন জানান একটি নাটক নির্মাণ করেছেন। নাটকের নাম ‘বিদেশ বাবু’।
এ নাটকটির একেবারে শেষে মৌসুমীর প্রচারণার অংশটি দর্শক দেখতে পাবেন। এ প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, ‘এটা তো আসলে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির একটি কাজ। আমি আমার অবস্থান থেকে কাজটি অনেক আন্তরিকতা নিয়ে করেছি। যাতে সবার উপকার হয়।
আমাদের দেশের অনেকেই নিয়মকানুন সম্পর্কে অবহিত না হয়ে দেশের বাইরে কাজের জন্য যান। তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই এ কাজটি করা।
আমার এ কাজের মাধ্যমে যদি দেশের মানুষের উপকার হয়, দেশের বাইরে যেতে গিয়ে গিয়ে যদি কারও আর ভুল ত্র“টি না হয়, সেটাই হবে আমার জন্য অনেক ভালোলাগার।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বি চৌধুরী ছাড়া খালেদার মুক্তিসহ ৭ দাবিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ঘোষণা

রাজনীতির খবর: খালেদার মুক্তিসহ ৭ দফা দাবিতে বিএনপি, ঐক্য প্রক্রিয়া, নাগরিক ঐক্য ও জেএসডি নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আত্মপ্রকাশ করেছে। তবে এই জোটে নেই বি. চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিকল্প ধারা।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

বিস্তারিত আসছে…

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অধিনায়কদের মধ্যে এশিয়ার সর্বোচ্চ রানের মালিক কোহলি

খেলার খবর: এশিয়ার মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ রানের মালিক হলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। পাকিস্তানের মিসবাহ-উল-হককে টপকে এ রেকর্ড গড়েন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলমান হায়দারাবাদ টেস্টের দ্বিতীয় দিন ৪৫ রানের ইনিংস খেলে এশিয়া মধ্যে অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন কোহলি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে অধিনায়ক হিসেবে কোহলির পরিসংখ্যান ছিলো- ৪১ ম্যাচে ৪,১৮৮ রান। এ ম্যাচের আগে এই তালিকায় এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ রানের মালিক ছিলেন মিসবাহ। ৫৬ ম্যাচে ৫১ দশমিক ৩৯ গড়ে ৪২১৪ রান করেন তিনি। ৪৫ রানের ইনিংসের পর মিসবাহকে টপকে যান কোহলি। ভারত দলপতি বর্তমান রান ৪২ ম্যাচে ৪২৩৩। গড় ৬৫ দশমিক ১২।
বিশ্ব ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ রান দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রায়েম স্মিথের। ১০৯ ম্যাচে ৭৪ দশমিক ৮৩ গড়ে ৮৬৫৯ রান করেছেন তিনি।

খেলোয়াড় ম্যাচ রান গড়:
গ্রায়েম স্মিথ (দক্ষিণ আফ্রিকা) ১০৯ ৮৬৫৯ ৭৪.৮৩অ্যালান বর্ডার (অস্ট্রেলিয়া) ৯৩ ৬৬২৩ ৫০.৯৪রিকি পন্টিং (অস্ট্রেলিয়া) ৭৭ ৬৫৪২ ৫১.৫১ক্লাইভ লয়েড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ৭৪ ৫২৩৩ ৫১.৩০স্টিফেন ফ্লেমিং (নিউজিল্যান্ড) ৮০ ৫১৫৬ ৪০.৫৯অ্যালিষ্টার কুক (ইংল্যান্ড) ৫৯ ৪৮৪৪ ৪৬.৫৭ব্রায়ান লারা (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ৪৭ ৪৬৮৫ ৫৭.৮৩বিরাট কোহলি (ভারত) ৪২ ৪২৩৩ ৬৫.১২মিসবাহ-উল-হক (পাকিস্তান) ৫৬ ৪২১৪ ৫১.৩৯ক্রেইগ চ্যাপেল (অস্ট্রেলিয়া) ৪৮ ৪২০৯ ৫৫.৩৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা বিবিএমপি হাইস্কুলের শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সভা

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক সদ্য সরকারীকৃত বিবিএমপি হাইস্কুলের শতবর্ষ উদযাপন কমিটির এক সভা শনিবার সকাল ১০ টায় স্কুলের ডিজিটাল ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যাংকার ও সমাজসেবক কাজী আব্দুল মজিদ। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষক আকবর আলী, সাবেক শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন, কমিটির উপদেষ্টা ডাঃ দেবপ্রসাদ মন্ডল, কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ আব্দুল লতিফ, সহ-সভাপতি প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক লাভলু, সহকারী অধ্যাপক সাংবাদিক ইয়াছিন আলী, সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, প্রচার উপ-কমিটির আহবায়ক সাংবাদিক আর.কে.বাপ্পা, প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির আহবায়ক সহকারী অধ্যাপক রওশন আলী, ঢাকা কমিটির সহ-সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাব্বির আহমেদ, অর্থ উপ-কমিটির সদস্য সৈয়দ হাসান জাহিদ, শিক্ষক সিদ্দিক আহমেদ মিঠু, সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির আহবায়ক আব্দুল হান্নান, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম প্রমুখ। এছাড়া বেশী করে প্রচার করার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ ও আগামী ৩১ অক্টোবর ২০১৮ এর মধ্যে দ্রুত রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম পূরন করে জমা প্রদান সহ বিভিন্ন কমিটির ও উপ-কমিটির সকল সদস্যকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহবান জানানো হয়। এছাড়া বিস্তারিত তথ্যের জন্য উদযাপন কমিটির ওয়েবসাইট-    www.debhatabbmpcent.org   এবং ফেসবুক পেইজ-  Debhata Bbmp Century Celebration তে যোগাযোগ করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest