সর্বশেষ সংবাদ-
মানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাআদালতে মামলা করার ৭ মাস পর সাতক্ষীরার ফিংড়িতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগদেবহাটায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিতবাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরিত্রহনন ও ইয়েলো জার্নালিজম নিয়ন্ত্রণও জরুরি: সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রীআইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎতালায় বিএনপি নেতার বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট: সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১০ বোতল কেরেক্সসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

বৃষ্টি রোববার পর্যন্ত থাকতে পারে

অনলাইন ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ বর্তমানে গভীর নিম্নচাপ আকারে ভারতের উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গত সোমবার থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি ও উপকূলীয় এলাকায় ভারি বর্ষণ হয়ে চলেছে।

আগামী রোববার পর্যন্ত এ আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তারপর তা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজ সকাল ৬টা থেকে পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় টেকনাফে দেশের সর্বোচ্চ ১০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
আবহাওয়া কার্যালয় জানায়, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বর্তমানে বায়ুচাপের তারতম্য রয়েছে। সাগরের ওই অংশসহ বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্টি হচ্ছে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার। এর প্রভাবে ওই সব এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া কার্যালয়।
আগামী দু-একদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
চলমান আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. আয়েশা খাতুন বলেন, ‘উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। তার পরে এখানে প্রেসার গ্রেডিয়েন্ট যেটা, সেটা খুব স্টিফ আছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার যে পূর্বাভাস সেখানে আমরা বলেছি যে অনেক স্থানে বৃষ্টিপাত হবে, মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতও হতে পারে। এবং সেইসঙ্গে কিছু জায়গায় হয়তো অতি ভারি বর্ষণও হতে পারে, বিশেষত উপকূলীয় অঞ্চলে।’
এদিকে নিম্নচাপের ফলে রাজধানী ঢাকার আবহাওয়াও মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। থেমে থেমে দমকা হাওয়া ও হালকা বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির কারণে কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হলেও রোববারের পরে তা আর থাকবে না।
এ প্রসঙ্গে আয়েশা খাতুন বলেন, ‘এই যে বৃষ্টিপাত হচ্ছে, এই বৃষ্টিপাতের যে অব্যাহত ধারা, সেটা আগামী রোববার, অর্থাৎ ১৪ তারিখ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তারপর এটা আস্তে আস্তে… আবহাওয়া ভালো হয়ে যাবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিলেটের একটি গ্রামে ২০০ প্রতিবন্ধী

দেশের খবর: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় রামপাশা ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে দুই শতাধিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে। এর মধ্যে শিশু প্রতিবন্ধীর সংখ্যা বেশি। গর্ভকালীন মায়েদের অসচেতনতা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পুষ্টিহীনতার কারণে এ গ্রামে প্রতিবন্ধী লোকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
জানা যায়, ঘনবসতিপূর্ণ গ্রাম আমতৈল। এখানে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এখানকার বেশির ভাগ মানুষ মৎস্যজীবী। উপজেলা সদর থেকে আমতৈল গ্রামের দূরত্ব প্রায় ছয় কিলোমিটার। এ গ্রামে ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে সাত হাজার। লোকসংখ্যা ২৫ হাজারেরও বেশি। চারপাশের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে এ গ্রামের মানুষের রোগব্যাধি নিত্যসঙ্গী।

তামিম আহমদ, মাসুদ আহমদ, রেদওয়ান, তাহমিদ, সাহেল আহমদ, ছাবেরা, সাফিয়া, সুমানা প্রতিবন্ধী হয়েই জন্মগ্রহণ করে। তিনটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এক বা একাধিক প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে। এদের কেউ শারীরিক, কেউ মানসিক, কেউ বা বাক্প্রতিবন্ধী।

জানা গেছে, এ গ্রামে নেই কোনো স্যানিটেশন সুবিধা। দারিদ্র্যকবলিত ও ঘনবসতিপূর্ণ এ এলাকার বেশির ভাগ মানুষ কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তারা ঝাড়-ফুঁকে বিশ্বাসী। অসচেতনতা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অগোছালো বাড়িঘর নির্মাণের কারণে প্রকৃত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা। এখানে-সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করায় বাতাসে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে প্রতিনিয়ত ডায়রিয়া, আমাশয়সহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ। বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের বেলায় ঘটছে আরো মর্মান্তিক ঘটনা। গর্ভকালীন অসচেতনতা, অপুষ্টি, ঝাড়-ফুঁক করাসহ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাসের কারণে প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম দিচ্ছেন মায়েরা।

এ এলাকায় খুব একটা গভীর নলকূপ নেই। তাই বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট রয়েছে। তা ছাড়া রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে বাজারঘাটসহ প্রতিটি স্থান দুর্গন্ধ ও ময়লা-আবর্জনায় ভরা। এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেড়ে ওঠায় শিশুদের ভবিষ্যৎ থাকে অনিশ্চয়তার মধ্যে। এভাবে প্রতিটি পরিবারে প্রতিবন্ধী লোকের সংখ্যা বাড়তে থাকলে আগামী ১০ বছরে এ এলাকায় প্রতিবন্ধী লোকের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছে সচেতন মহল।

রামপাশা ইউপি সদস্য আবুল খয়ের বলেন, ‘তিনটি ওয়ার্ড নিয়ে আমতৈল গ্রাম। ইউনিয়ন পরিষদের জরিপ অনুযায়ী, এ গ্রামের দেড় শতাধিক শিশু প্রতিবন্ধী ও প্রায় ৫০ জন বয়স্ক প্রতিবন্ধী রয়েছে। এদের মধ্যে মাত্র ৫০-৬০ জন শিশু-বয়স্ক প্রতিবন্ধী ভাতা পান।’

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, এটি একটি ঘনবসতি গ্রাম। দরিদ্রতা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পুষ্টিহীনতার কারণে এ গ্রামের লোকজন নানা রোগে ভুগছে। এ গ্রামের বেশির ভাগ পরিবারেই প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে। তাদের ভাতার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রহমান বলেন, ‘গর্ভকালীন মায়েদের অসচেতনতা ও অপুষ্টিজনিত কারণেই মূলত শিশুরা প্রতিবন্ধী হয়ে জন্মাচ্ছে। তবে সময়মতো ডাক্তারের পরামর্শ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করলে এ সমস্যা নিরসন হবে।’

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুল আল জুবায়ের বলেন, ‘আমি এ উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। তবে ওই গ্রামটি শিগগিরই পরিদর্শন করে বঞ্চিত প্রতিবন্ধী লোকজনের জন্য সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোহলিকে ‘চুমু’ দিতে মাঠে ঢুকে গেলেন ভক্ত

খেলার খবর: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হায়দরাবাদ টেস্টের প্রথমদিন, প্রথম সেশন। ম্যাচের ১৫তম ওভারের সময় মিডউইকেটে ফিল্ডিং করছিলেন বিরাট কোহলি। এসময় নিরাপত্তা বলয় ভেঙে মাঠে ঢুকে যান অতিউৎসাহী এক সমর্থক। ভারত অধিনায়ককে জড়িয়ে ধরার পর অনেকটা চুমুদেয়ার প্রস্তুতিও যেন নিচ্ছিলেন তিনি! কোহলি অবশ্য বাড়াবাড়ি হওয়াটা ঠেকিয়েছেন!
শুক্রবার রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে দেখা মিলেছে ভক্তের পাগলামির এমন দৃশ্যেরই। মাঠে ঢুকে সেই ভক্ত প্রথমে সেলফি তুলতে চাইলে অনেকটা অনাগ্রহের সঙ্গেই মেনে নিয়েছেন কোহলি। কিন্তু সেলফি তুলেই থামতে চাননি সেই সমর্থক। কোহলিকে জড়িয়ে ধরেন, আবার চিবুক বরাবর চুমু খেতে চেষ্টা করেন জোরের সাথেই! পরিস্থিতি সামলে ভক্তকে সরিয়ে দেন ভারত কাপ্তান। ততক্ষণে নিরাপত্তা কর্মীরাও হাজির। তারা এসে আবেগী ভক্তকে সরিয়ে নিলে হাফ ছেড়ে বাঁচেন কোহলি।
এভাবে ম্যাচ বিলম্বিত হওয়ায় পানি পানের বিরতি ডাকেন আম্পায়াররা। সেসময় কোহলির সঙ্গে কথাও বলেন আম্পায়ার ইয়ান গৌল্ড। টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে মানসিকভাবে বেশ অস্বস্তিতে ছিলেন ২৯ বছর বয়সী তারকা।
অস্বস্তিতে অবশ্য থাকারই কথা কোহলির। মাঠে প্রায়ই নিরাপত্তা বলয় ভেঙে তার দিকে ছুটে আসেন ভক্তরা। এই সিরিজেই রাজকোট টেস্টে প্রায় একই ঝামেলায় পড়তে হয়েছিল কোহলিকে। বারবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এভাবে ঝুঁকিতে পড়লে চিন্তা তো হওয়াই স্বাভাবিক ভারত অধিনায়কের!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় শ্রমিকলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র‌্যালি ও সভা

আরাফাত হোসেন লিটন : দেবহাটার বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিন ব্যাপি পালিত হলো জাতীয় শ্রমিকলীগের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। শুক্রবার সকাল ১০টায় পারুলিয়া শহীদ আবু রায়হান চত্ত্বরে উপজেলা শ্রমিক লীগের আয়োজনে জাতীয় শ্রমিক লীগের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র‌্যালি, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আবু তাহেরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, পারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পারুলিয়া ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোনতাজ উদ্দীন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষ, উপজেলা তাঁতীলীগের সদস্য সচিব ও ইউপি সদস্য আকবর আলী, উপজেলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, এশারাত আলী, আয়ুব হোসেন, কবির হোসেন, মনিরুল ইসলাম, আব্দুল হাকিম বাবু, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আরমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মাছুরা সাথী, কোষাধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন, কুলিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি পরান চন্দ্র সরকার, সাধারন সম্পাদক রবিউল ইসলাম, পারুলিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব অজিয়ার রহমান, সখিপুর ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল গাজী, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, কুলিয়া ৯নং ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন, ৮নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সভাপতি সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন উপজেলা শ্রমিকলীগের দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আরিফ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাম্পের নারীবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বিশাল পদযাত্রা

বিদেশের খবর: সুপ্রিম কোর্টে একজন বিচারপতি নিয়োগে তিক্ত বিতর্কের প্রেক্ষাপটে হাজার হাজার নারী শনিবার শিকাগোতে পদযাত্রা করবে। তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্পের নারী বিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ হিসেবে মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দেবে।
যৌন নির্যাতনের অভিযোগ সত্ত্বেও দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে ট্রাম্পের মনোনীত ব্রেট কাভানার নিয়োগের বিরুদ্ধে ‘ওম্যান্ড মার্চ শিকাগো’ এই প্রতিবাদে আয়োজন করছে। যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন ৬ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মুখে এই প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের কাছ থেকে কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নিতে পারে।
আয়োজকরা জানাচ্ছেন, কাভানার নিয়োগের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রতিবাদ অক্টোবরের শেষ দিকে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাটি ট্রেক্সাস, জর্জিয়া ও সাউথ কেরোলিনাসহ অন্যান্য রাজ্যেও অনুষ্ঠিত হবে।
ওম্যান মার্চ শিকাগোর মুখপাত্র বলেন, কাভানার নিয়োগে নারীরা খুবই মর্মাহত। তারা ভোটে এর জবাব দেবে। রিপাবলিকান পর্টির একজন ছাড়া অন্য সকল সিনেটর কাভানার নিয়োগের পক্ষে ভোট দেয়। অপরদিকে ডেমোক্র্যাটদেরও একজন এই মনোনয়নের পক্ষে ভোট দেয়।
ওম্যান মার্চ শিকাগোর এক বিবৃতিতে বলা হয়, রিপাবলিকান পার্টি ও হোয়াইট হাউজের নারী বিদ্বেষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল শেষে তারা ভোট দিতে শিকাগোর আগাম ভোট কেন্দ্রে যাবেন।বাসস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বজুড়ে ৪৮ ঘণ্টা বিপর্যয় ঘটতে পারে ইন্টারনেট সেবায়

অনলাইন ডেস্ক: আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সেবায় বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে জানিয়েছে রুশ গণমাধ্যম রাশিয়া টুডে। কি ডোমেন সার্ভারের রুটিন মেরামতের কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর ফলে ওই সময়ের মধ্যে ওয়েব পেজ খোলায় সমস্যা হবে, ব্যাহত হতে পারে ইন্টারনেটের সঙ্গে জড়িত সমস্ত রকম লেনদেনও। এমনকি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধও হয়ে যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে রাশিয়া টুডের বরাত দিয়ে ভারতের কলকাতাভিত্তিক আনন্দবাজার বলছে, দ্য ইন্টারনেট কর্পোরেশন অব অ্যাসাইনড নেমস অ্যান্ড নাম্বারস (আইসিএএনএন) এই মেরামতির কাজ করবে। ইন্টারনেটের অ্যাড্রেস বুক বা ডোমেন নেম সিস্টেম (ডিএনএস)-কে সুরক্ষিত রাখার জন্য যে ‘ক্রিপটোগ্রাফিক কি’ রয়েছে তা বদলানোর কাজ চলবে এই সময়ে।
এদিকে আইসিএএনএন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে যেভাবে সাইবার হানা বাড়ছে, হ্যাকরদের আক্রমণ থেকে ইন্টারনেটকে সুরক্ষিত রাখতেই এই ‘ক্রিপটোগ্রাফিক কি’ বদলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কমিউনিকেশনস রেগুলেটরি অথরিটি (সিআরএ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ডিএনএস-কে আরও সুরক্ষিত করতে এই সময়ের জন্য বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া জরুরি। সিআরএ আরও জানিয়েছে, নেটওয়ার্ক অপারেটরস বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডাররা (আইএসপি) যদি এই অবস্থার জন্য প্রস্তুতি না নেয় তা হলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সমস্যার মুখে পড়তে পারেন। তবে সিস্টেম সিকিউরিটি এক্সটেনশনকে যদি যথাযথভাবে সক্রিয় রাখা যায়, তা হলে কিছুটা হলেও এর প্রভাব আটকানো সম্ভব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জানুয়া‌রি থে‌কে একই রে‌জি‌স্ট্রেশ‌নে সকল পাব‌লিক পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক: সব ধরনের পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য একজন শিক্ষার্থীর একটিমাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকবে। প্রাথমিক সমাপনী (পিইসি) থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পর্যন্ত সব বোর্ড পরীক্ষায় থাকবে এই একই নম্বর। আগামী ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ সফটওয়্যার। এতে প্রতিটি রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বিপরীতে সংশ্নিষ্ট শিক্ষার্থীর বিস্তারিত একাডেমিক তথ্য সংরক্ষণ করা হবে।
শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, অভিন্ন রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করা গেলে স্কুল-কলেজে অনিয়ম কমবে। সরকারি বৃত্তি পেতে অথবা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা কমে যাবে। আবার দুর্নীতি-অনিয়ম করে আসনের বেশি ভর্তি করিয়ে সরকারি কাগজপত্রে শিক্ষার্থী কম দেখানোর সুযোগও কমে যাবে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর রেজিস্ট্রেশন রিপ্লেস জালিয়াতিও চিরতরে বন্ধ হবে। পাশাপাশি জানা যাবে, বিভিন্ন স্তরে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর প্রকৃত সংখ্যা।
২০১৯ শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই এ পদ্ধতি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জানুয়ারিতে ভর্তি শেষ হওয়ার পর পঞ্চম, অষ্টম, নবম ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের এই অভিন্ন রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে। সরকারি হিসেবে ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে মোট শিক্ষার্থী হবে চার কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার। নতুন এ পদ্ধতি কার্যকর করতে এরই মধ্যে একটি সফটওয়্যার তৈরির কাজে হাত দিয়েছে এ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো’কে (ব্যানবেইস) এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষার জন্য একজন শিক্ষার্থীকে ভিন্ন ভিন্ন রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এতে একজন শিক্ষার্থীর প্রতিটি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন এবং রোল নম্বরও ভিন্ন হয়। এতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত তথ্য বের করা জটিল হয়ে পড়ে। নতুন পদ্ধতিতে একজন শিক্ষার্থীর প্রাথমিক সমাপনীর রেজিস্ট্রশন নম্বর তার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। একই রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিয়ে সব পরীক্ষায় অংশ নেবে ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উপযুক্ত একটি সফটওয়্যার তৈরির কাজে হাত দিয়েছে ব্যানবেইস।

এ বিষয়ে ব্যানবেইসের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘আগামী ২০১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব পরীক্ষা একটিমাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত বৃত্তির টাকা, তাদের জন্য সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্যসেবা, জাতীয় পর্যায়ের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ- এর সবই হবে এই একটি মাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে।’ তিনি বলেন, ‘একজন ছাত্র ও ছাত্রীকে ‘ডিজিটালি’ চেনা হবে তার রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে। এ জন্য ব্যানবেইসে একটি ডাটাবেস গড়ে তোলার কাজ চলছে। এর ফলে কোন শিক্ষার্থী স্কুল থেকে চলে গেল, কে ঝরে গেল, কে মাদ্রাসায় ভর্তি হলো, কে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তি হলো, কে পরীক্ষা ড্রপ করল, সবই রেজিস্ট্রেশন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে জানা যাবে। শিক্ষার্থীর একাডেমিক পারফরম্যান্সের সব তথ্য এ রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বিপরীতেই পাওয়া যাবে।’
ব্যানবেইস সূত্র জানায়, কেবল ছাত্রছাত্রীদের জন্য নয়, শিক্ষকদের জন্যও একটি পৃথক তথ্যভাণ্ডার (ডাটাবেস) গড়ে তোলা হচ্ছে। এ জন্য পৃথক আরেকটি সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিটি দপ্তরের সঙ্গে এই তথ্যভাণ্ডারের ‘ইন্টিগ্রিটি কানেকটিভিটি’ থাকবে। এসব প্রতিষ্ঠান তাদের দাপ্তরিক প্রয়োজনে এই তথ্যভাণ্ডারের তথ্য ব্যবহার করতে পারবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার বলেন, অটোমেশন পদ্ধতিতে সব শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে একটি ‘ইন্টিগ্রিটি কানেটিভিটি’ গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে কোনো শিক্ষকের সনদ জাল কি-না, ডিআইএ তা সহজেই যাচাই করতে পারবেন। এ ছাড়া সংশ্নিষ্ট শিক্ষকের নিয়োগ সংশ্নিষ্ট তথ্যাদি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ, এমপিওভুক্তিজনিত বিভিন্ন তথ্য ইত্যাদি সব একসঙ্গে এক জায়গায় পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, আগে এসব যাচাই করতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে চিঠি চালাচালি করতে হতো। নতুন এ প্রক্রিয়ায় যে কোনো তদন্ত ও যাচাইয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমবে।

সরকারের নতুন এ উদ্যোগ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন- কিশোর, তরুণ-তরুণী সবার সব একাডেমিক তথ্য একটিমাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রেস করে এক জায়গায় পাওয়া যাবে- এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে পরামর্শ হলো, এ প্রক্রিয়ার কারিগরি ত্রুটির দিকে যেন গুরুত্বের সঙ্গে লক্ষ্য রাখা হয় এবং ডাটাবেইসে সঠিক তথ্য সন্নিবেশ করতে যেন আন্তরিকতা দেখানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্ক করেছিল হৃত্বিক’

বিনোদনের খবর: ‘মি টু’ ঝড় বইছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। একের পর এক অভিনেত্রী-নায়িকা শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্তার অভিযোগ করছেন। অভিযোগের তালিকায় উঠে এসেছে একাধিক পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতার নাম।
এবার সেই তালিকায় যোগ হলো হৃত্বিক রোশনের নাম। পরিচালক বিকাশ বহেলের পর এবার হৃত্বিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন ‘কুইন’ কঙ্গনা।
কঙ্গনা বলেন, ‘বিকাশ বহেলের মতো অনেকেই ইন্ড্রাস্ট্রির আশপাশে রয়েছেন। তাদের খুঁজে বের করে মুখোশ খুলে দিতে হবে। নারীদের জন্য রূপালি জগতকে আরও নিরাপদ তৈরি করতে হবে। কোনও নারীর সঙ্গে যাতে কেউ অশালীন ব্যবহার না করেন সেদিকে নজর দিতে হবে আমাদের।’
তিনি আরও জানান, বলিউডে এমন অনেক মানুষ রয়েছেন, যারা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিংবা কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে অভিনেত্রীদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন। তাদের ব্যবহার করেন। এবার সেই সমস্ত মানুষদেরও টেনে বের করতে হবে বলে খোঁচা দেন কঙ্গনা।
আর এরপরই হৃত্বিক রোশনের নাম নেন ‘মণিকর্ণিকা’-এর লক্ষ্মীবাই। হৃত্বিক তার সঙ্গে যা করেছেন, তাতে তার শাস্তি পাওয়া উচিত বলেও দাবি করেন কঙ্গনা।
বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে হৃত্বিক তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে, আগেও এ অভিযোগে সরব হয়েছিলেন কঙ্গনা রনৌত। তার নগ্ন ছবি ঋত্বিক প্রকাশ্যে আনেন বলেও অভিযোগ অভিনেত্রীর।
এ অভিযোগ সামনে আসার পরই বলিউডে নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে কঙ্গনার অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন রাকেশ রোশন পুত্র। কঙ্গনা মিথ্যা অভিযোগ করেছেন বলে তোপও দাগেন তিনি। ‘কুইন’কে আইনি নোটিশও পাঠিয়েছেন হৃত্বিক। ‘মি টু’ঝড়ের মাঝে কঙ্গনার এ অভিযোগে নতুন করে আবারও বলিউডে কানাঘুষো শুরু হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest