সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

বাংলাদেশ-ভারত তারকা লড়াই

বিনোদনের খবর: প্রথমবার বাংলাদেশ ও ভারতের তারকাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে একটি প্রতিযোগিতামূলক নৃত্যানুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে যারাই পারফর্ম করেছেন তারা সবাই অভিনয়ে পারদর্শী।
কারও কারও নাচ জানা থাকলেও চর্চা ছিল না। আবার কেউ ছিলেন একেবারেই আনাড়ি। তবুও চেষ্টা করেছেন নিজেদের সেরাটা দিয়ে নিজের দেশকে সামনে এগিয়ে রাখতে। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে তারকাদের স্মৃতিবিজড়িত নানা ঘটনা নিয়ে এ প্রতিবেদন।
‘আমি আসলে যা করতে চেয়েছিলাম, তা করতে পারিনি। প্লিজ আমাকে আর একবার তোমরা নাচটা দেখাতে সুযোগ দাও। না হয় আমাকে তোমরা নম্বর নাই বা দিলে। কিন্তু নাচটা আর একবার করার সুযোগ দাও!’- এই অনুরোধটি স্টার জলসার মা সিরিয়ালের ঝিলিক চরিত্রের রূপদানকারী অভিনেত্রী তিথির।
নাচতে গিয়ে তার পায়ের আঙুল কেটে যায়। ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছিল তখন। কিন্তু সেদিকে তার খেয়াল নেই। তার একটাই আবেদন, নাচটি ঠিকমতো বিচারকদের কাছে দেখাতে পারেননি। তাই আর একবার সুযোগ চাইছেন তিনি। বিচারকরা খুবই কঠোর। সিদ্ধান্ত থেকে সরবেন না তারা। তিথির কান্না কি পারবে দুই বিচারকের মন গলাতে?
অনুষ্ঠানের থিম ছিল মা। মাকে নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করতে গিয়ে ভারতীয় টিভি সিরিয়াল ‘অগ্নীজল’-এর কলাবতি চরিত্রের নায়িকা সোহিনী স্যানাল আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না। অঝোরে কাঁদলেন এবং কাঁদালেন।
বললেন, ‘আমার মা খুবই অসুস্থ। তাকে বাড়ি রেখে এসেছি। জানি না, বাড়ি ফেরার পর কলিংবেলটা বাজালে মা দরজাটা খুলবে কিনা? মা ছাড়া আমার কেউ নেই।’ সোহিনী কেঁদেই চলেছেন। সান্ত্বনা দেবে কে? সোহিনীর মা কি বেঁচেছিলেন?
নাচ শুরু হয়েছে। হঠাৎ করেই ঢাকার টিভি নাটকের জনপ্রিয় মুখ সাফা কবির নাচ বন্ধ করে দিলেন। বললেন, প্রপোসটা আজই পেয়েছি, তাই বিট মিস হয়ে গেছে। আবার শুরু করতে চাই। বিচারকরা অনুমতি দিলেন না। সাফা এক সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। দু’চোখ বেয়ে পানি ঝরছে তার।
লড়াইয়ে এমন করেই তিনি অংশ নিয়েছেন। বিচারকরা কি তাকে আবার সুযোগ দিয়েছিলেন?
ভাবনা নাচের মেয়ে। ওর জন্য নাচ খুব কঠিন কিছু নয়। কিন্তু নাচ করতে গিয়ে মঞ্চেই অসুস্থ হয়ে পড়ে গেলেন তিনি। তার আগেই নাচ শেষ করেছেন। সবাই দৌড়ে গেল। তাকে পানি পান করানো হল। নিঃশ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে তার। তারপর…?
টেনশনে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে অমৃতা খান। সবাই তাকে বোঝালেন, খেয়ে নাও। না, আগে নাচ শেষ করব তারপর খাব। নাচ করলেন। একদম শেষ দিকে গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন। শরীরে প্রচণ্ড জ্বর। তবুও তিনি নাচ ছাড়ছেন না।
স্পর্শিয়া সবেমাত্র নাচ শুরু করেছেন। কে জানে, তখনই তার শ্বাসকষ্ট দেখা দেবে! কেউ বুঝতে পারেনি। দেখা গেল মেয়েটি পড়ে যাচ্ছে। ইনহেলার নিয়ে আসা হল। তাকে সেবাযত্নে সবাই ব্যস্ত।
ওপরের ঘটনাগুলো কোনো গল্প নয়। নাচের লড়াইয়ের রিয়েলিটি শো ‘বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর’-এর শুটিং স্পটে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনার কয়েকটি।
আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে নাগরিক টিভিতে শুরু হচ্ছে ‘বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর’। বাংলাদেশ এবং কলকাতার টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র শিল্পীদের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করতে ও দুই বাংলার সংস্কৃতির ঐতিহ্যের ধারা টেলিভিশন দর্শকদের মাঝে তুলে ধরার জন্যই এ অনুষ্ঠান তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
দুই দেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে নাচের এমন ধরনের অনুষ্ঠান এর আগে হয়নি। মূল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ও ভারত থেকে অংশগ্রহণ করেছেন ৬ জন করে মোট ১২ তারকা। বাংলাদেশ থেকে যোগ দিয়েছেন টিভি অভিনেত্রী ইশানা, ভাবনা, জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, স্পর্শিয়া, অমৃতা খান ও সাফা কবির। কলকাতা থেকে রিমঝিম, সোহিনী, এনা সাহা, লাভলী, তিথি ও প্রীতি।
এ রিয়েলিটি শোতে আরও প্রতিযোগিতা করেছেন বাংলাদেশ থেকে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি, টিভি অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা ও জাকিয়া বারী মম। কলকাতা থেকে অংশ নিয়েছেন জি বাংলার রাশি সিরিয়ালের রাশি চরিত্রের অভিনেত্রী গীতশ্রী, চিত্রনায়কা পায়েল এবং ছোট ঋতুপর্ণা। প্রতিটি পর্বে প্রধান বিচারক হিসেবে আছেন বাংলাদেশের ইলিয়াস কাঞ্চন এবং কলকাতার শতাব্দী রায়।
বিভিন্ন পর্বে বাংলাদেশ থেকে অতিথি বিচারক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী, চিত্রনায়ক ফেরদৗস, কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীর, অভিনেতা তৌকীর আহমেদ ও সজল। অপরদিকে কলকাতা থেকে ছিলেন কণ্ঠশিল্পী জোজো, অনিন্ধ, শ্রীলেখা মিত্র এবং নৃত্যবিশারদ তনুশ্রী শংকর।
অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্ব যৌথভাবে উপস্থাপনা করেছেন কলকাতার সৌরভ এবং বাংলাদেশের মাসুমা রহমান নাবিলা। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত নাবিলা। নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন অনুষ্ঠানটির কনসেপ্ট শুনলাম তখন একটু অবাক হয়েছিলাম। কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে, তারকারা হয়তো এমনিতে কোনো অনুষ্ঠানে নাচের পারফর্ম করতে পারে।

কিন্তু নাচের প্রতিযোগিতায় কীভাবে অংশ নেবে? তার মধ্যে আবার সেই প্রতিযোগিতা দুই দেশের মধ্যে। কিন্তু কাজটি যখন শুরু করলাম, তখন আমার ধারণা বদলে গেল। অনুষ্ঠানটি করতে গিয়ে সবাই যে পরিশ্রম করেছে সেটা আমাকে বেশ মুগ্ধ করেছে। আমি নিজেও অনেক পরিশ্রম করেছি। আমার ক্যারিয়ারে এটা এখন পর্যন্ত সেরা অভিজ্ঞতা।’ মোট ৭২টি পর্বে এ অনুষ্ঠান ধারণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে যেমন রয়েছে, হাসি, তেমনি রয়েছে কান্না। এ অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে নাগরিক টিভির অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান কামরুজ্জামান বাবু বলেন, ‘প্রায় তিন বছর ধরে অনুষ্ঠানটি নিয়ে নানারকম গবেষণা ও যোগাযোগের কাজ করা হয়েছে।

তারকা শিল্পীদের প্রতিযোগী হিসেবে পাওয়াটা ছিল খুবই চ্যালেঞ্জের একটি কাজ। আর দুই বাংলার তারকাদের লড়াইতে অংশ নেয়ার মাধ্যম ছিল নাচ। যা অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ ছিল। কেননা, প্রত্যেক শিল্পীকেই এই নাচের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে নাচের মহড়ায় অংশ নিতে হয়েছে।

কোনো কোনো দিন শিল্পীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা কাজ করেছেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সাফল্যের সঙ্গে করা সম্ভব হয়েছে একমাত্র শিল্পীদের সহযোগিতার কারণে। আমরা মনে করি দর্শক নতুন ধরনের একটি অনুষ্ঠান পেতে যাচ্ছে।’

জানা গেছে, এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রকমের নাচের প্রদর্শন রয়েছে। ভরত নাট্যম, মনিপুর, ছৌ, কত্থক থেকে শুরু করে হিপহপ, মডার্ন সব ধরনের নাচ প্রদর্শন করা হবে। নাচের এ অনুষ্ঠানটি সপ্তাহের প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ, এবং বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় নাগরিক টিভিতে প্রচার হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পপির সঙ্গে যুক্ত হলেন ফেরদৌস ও মিলন

বিনোদনের খবর: বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের সহায়তার নির্মিত হচ্ছে পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি ‘সেভ লাইফ’। এতে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা পপি।
সম্প্রতি ছবিটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়। এতে পপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও আনিসুর রহমান মিলন। ছবিটি পরিচালনা করছেন কাজী আমিরুল ইসলাম শোভা। রাজধানীর গুলিস্তানের ফায়ার ব্রিগেডের অফিসে চলচ্চিত্রটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহাম্মেদ খান পিএসসি (অব.)। তিনিই ছবিটির মূল পরিকল্পনাকারী। এর কাহিনী ও সংলাপ রচনা করেছেন কুমার প্রীতিশ বল।
ফায়ার সার্ভিস কল্যাণ ট্রাস্ট ও আরজিবি মিডিয়ার যৌথ উদ্যোগে ছবিটি নির্মিত হবে বলে জানানো হয়। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে পপি বলেন, ‘গল্প শুনেই মুগ্ধ হয়ে কাজটি করার জন্য আমার ভেতর আগ্রহ জন্মে। পরে ছবিতে অভিনয়ের জন্য অন্যান্য আনুষাঙ্গিক কাজ শেষ হয়। এ ছবির গল্প সত্যিকার অর্থে আমাদের জীবনের গল্প। ফায়ার ব্রিগেডে যারা কর্মরত তারা যে কতটা ঝুঁকি নিয়ে নিজের জীবন বাজি রেখে কাজ করেন তা ছবিটি মুক্তির পর দর্শক দেখতে পাবেন।’
ছবিতে একজন দমকল কর্মী হিসেবে অভিনয় করবেন ফেরদৌস। তিনি বলেন, ‘এ ছবির মূল গল্প এগিয়ে যাবে আমাকে ঘিরেই। গল্প ভাবনা আমার কাছে ভালো লেগেছে। এভাবে প্রতিটি সেক্টরের সত্যিকারের হিরোদের নিয়ে যদি আমাদের দেশে চলচ্চিত্র নির্মাণ হয় তাহলে শুধু দেশের মানুষই নয় বিশ্বের মানুষ জানতে পারবে আমরা কতটা দেশপ্রেমী।’
আনিসুর রহমান মিলন বলেন, ‘ছবিতে কাজ করার ব্যাপারে আমি সবসময়ই গল্পের প্রতি ভীষণ গুরুত্ব দিই। পাশাপাশি আমার চরিত্রটি ছবির জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ সে বিষয়টিও খেয়াল রাখি।
এসব বিষয় মিলিয়েই সেভ লাইফ ছবিতে আমার কাজ করা। তাছাড়া এটা সার্বজনীন একটি কাজ। দেশের জন্য একটি কাজ। তাই দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা ভেবে কাজ করছি।’ নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে এ ছবির শুটিং শুরু হবে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাঁটি দুধ চেনার ৬ উপায়

অনলাইন ডেস্ক: রোগীর পথ্য থেকে শুরু করে প্রতিদিনের সুষম খাদ্যের তালিকায় দুধের কোনও বিকল্প নেই। তবে দুধ কিন্তু অবশ্যই খাঁটি হতে হবে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ খাঁটি দুধ চিনতে পারেন না।
তবে এমন কিছু উপায় আছে মাধ্যমে ঘরোয়া ভাবেই আপনি দুধে ভেজাল আছে কীনা সেটা চিহ্নিত করতে পারবেন। দেখে নিন সে সব ঘরোয়া উপায়।

মাটিতে সাদা দাগ
একটু দুধ মাটিতে ঢালুন। যদি দেখেন গড়িয়ে গিয়ে মাটিতে সাদা দাগ রেখে যাচ্ছে, তা হলে এ দুধ খাঁটি। ভেজাল হলে মাটিতে সাদা দাগ পড়বে না।

হলদেটে
দুধ গরম করতে গেলেই কি হলদেটে হয়ে যাচ্ছে? তা হলে এ দুধ খাঁটি নয়। এতে মেশানো হয়েছে কার্বোহাইড্রেট।

লবণ
বাড়িতেই করে ফেলুন স্টার্চ টেস্ট। একটু দুধ পাত্রে নিয়ে তাতে ২ চা চামচ লবণ মেশান। যদি লবণের সংস্পর্শে এসে দুধ নীলচে হয়, তা হলে বুঝবেন, এ দুধে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে।

ফরমালিন
দুধে ফরমালিন রয়েছে কীনা তা বুঝতে এর মধ্যে একটু সালফিউরিক এসিড মেশান। যদি নীল রং হয়, তবে ফরমালিন আছে।

ইউরিয়া
এক চামচ দুধে সয়াবিন পাউডার মেশান। কিছুক্ষণ রেখে এতে লিটমাস পেপার রাখুন। যদি লিটমাস ডোবাতেই লাল লিটমাস নীল হয় তবে বুঝবেন ইউরিয়া রয়েছে সেই দুধে।

ফেনা
দুধের সমান পানি মেশান একটি শিশিতে। এবার শিশির মুখ বন্ধ করে জোরে ঝাঁকান। অস্বাভাবিক ফেনা হলেই বুঝবেন, দুধে মেশানো আছে ডিটারজেন্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পেঁপে পাতা

অনলাইন ডেস্ক: হঠাৎ বেড়েছে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। তবে জ্বর হলেই যে ডেঙ্গু হবে তা কিন্তু নয়। তবে জ্বরের প্রকোপ আপনার কাছে বেশি মনে হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
তবে আপনি চাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘরোয়া নিরাময়ের মাধ্যম করতে পারেন। আপনি জেনে খুশি হবেন যে, পেঁপের পাতা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাহায্য করে।
আসলে পেঁপে যেমন সুস্বাদু তেমনি গুণের একটি ফল। আমাদের শরীর-ত্বক সুস্থ সুন্দর রাখতে পেঁপের তুলনা হয় না। পেঁপে পাতারও রয়েছে অনেক গুণ। পেঁপের পাতা কীভাবে ডেঙ্গু সারাবে, তাইতো ভাবছেন?
পেঁপে পাতার রসে কাইমোপ্যাপিন ও প্যাপাইন রয়েছে৷ যা রক্তের প্লেটলেটের সংখ্যা ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে৷ ফলে ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বেড়ে যায়৷
পেঁপের পাতার রস পান করলে হজমশক্তি বাড়ে, শরীর দ্রুত প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে নেয়। এছাড়া সব ধরনের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে৷

ডেঙ্গু প্রতিরোধে যেভাবে খাবেন পেঁপে পাতা
পেঁপের পাতার রস করতে প্রথমে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে, পরিষ্কার পাটা বা হাম্বলদিস্তায় থেঁতো করে নিন। এবার রস ছেঁকে নিয়ে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন।
তৈরি হয়ে গেল পেঁপে পাতার জুস, ডেঙ্গু রোগীকে প্রতিদিন তিন বেলা তিন কাপ পরিমাণ পান করতে দিন।
জ্বর যদি কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে না আসে তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন চুল গজাতে আদার প্যাক!

অনলাইন ডেস্ক: তরকারি রান্নার ক্ষেত্রে আদা ব্যবহার করা হয়। তবে আপনি জানেন কী? আদার প্যাক নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। আদার রস মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। এর ফলে দ্রুত নতুন চুল গজায়।
আদার রসে আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। মাথার ত্বকের খুশকি দূর করতে আদার রসের জুড়ি নেই।
নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে এমন একটি আদার প্যাকের কথা জানিয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে।

আসুন জেনে নেই নতুন চুল গজাতে কীভাবে ব্যবহার করবেন আদার প্যাক!

প্রথম ধাপ
প্রথমে বড় এক টুকরো আদা খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার একটি সুতির কাপড়ে আদার মিশ্রণ দিয়ে ভালো করে চিপে এর রস বের করে নিন।

দ্বিতীয় ধাপ
এর মধ্যে এক টেবিল চামচ অ্যাভোকাডোর তেল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। অ্যাভোকাডোর তেলে ভিটামিন বি, অ্যামিনো এসিড ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড রয়েছে, যা চুল নরম ও মৃণ করতে সাহায্য করে।

তৃতীয় ধাপ
এবার এর মধ্যে আধকাপ নারকেলের দুধ মিশিয়ে নিন। নারকেলের লাউরিক এসিড চুলের রুক্ষতা দূর করে, মাথার তালু পরিষ্কার রাখে এবং চুলের আগা ফাটা দূর করে।

চতুর্থ ধাপ
এখন এর মধ্যে ১০ ফোঁটা লেবুর রস দিন। লেবুর রসের সাইট্রিক এসিড ও ভিটামিন সি মাথার খুশকি দূর করে এবং সংক্রমণের জীবাণু ধ্বংস করে।

পঞ্চম ধাপ
বড় দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল ভালো করে আঁচড়ে জট ছাড়িয়ে নিন। এবার এই প্যাক চুল ও মাথার তালুতে লাগিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন।

ষষ্ঠ ধাপ
৪৫ মিনিট প্যাক লাগিয়ে অপেক্ষা করুন। এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এবার চুল ভালো করে মুছে বাতাসে শুকিয়ে নিন। টানা কয়েকবার এই প্যাক লাগালে অনেক দ্রুত নতুন চুল গজাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেনে নিন পেঁয়াজের যত গুণ

অনলাইন ডেস্ক: সভ্যতা মানেই পেঁয়াজের ব্যবহার। আদিম যুগ থেকেই মানুষ রান্নায় পেঁয়াজের ব্যবহার শিখে এসেছে। প্রতিদিনের রান্নায় পেঁয়াজ না থাকলে যেন স্বাদই পাওয়া যায় না।
পেঁয়াজ গৃহিণীকে চোখে পানি এনে দিলেও বিভিন্ন ঔষধি গুণের কারণে রান্নায় এর ব্যবহার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আসুন জেনে নিই পেঁয়াজের নানা গুণের কথা-

১. পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ পেঁয়াজ পুস্টিবিদদের মতে, একটি বড় পেঁয়াজে ৮৬.৮ শতাংশ পানি, ১.২ শতাংশ প্রোটিন, ১১.৬ শতাংশ শর্করাজাতীয় পদার্থ, শূন্য.১৮ শতাংশ ক্যালসিয়াম, শূন্য.০৪ শতাংশ ফসফরাস ও শূন্য.৭ শতাংশ লোহা থাকে।

২. প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, সালফার, ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’তে সমৃদ্ধ পেঁয়াজ।
তাই খাবারে পেয়াজের ব্যবহার অনন্য। তাই কাঁচা পেঁয়াজ রোজ একটু হলেও খেতে বলেন পুষ্টিবিদরা।

৩. দেহের বিষ মুক্তকরণে পুষ্টি বিজ্ঞান বলে পেঁয়াজে রয়েছে কার্মিনেটিভ, অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল, অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিবায়োটিকজাতীয় পদার্থ। এসব উপাদান শরীর থেকে বিষ দূর করে দেয়। এ কারণে শরীরে কোথাও সংক্রমণ ঘটে থাকলে কাঁচা পেঁয়াজ চিবিয়ে খেলেই চটজলদি উপকার পাওয়া যাবে।

৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দেহে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে পেঁয়াজ অত্যন্ত ভালো। যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রোজ পেঁয়াজ খেতে পারেন।

৪. জ্বর-সর্দিতে ঠাণ্ডা লেগে গলাব্যথা, সর্দি-কাশি-জ্বর, অ্যালার্জি বা সামান্য ব্যথায় দারুণ কাজ করে পেঁয়াজ। সামান্য পেঁয়াজের রসের সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে খেলে রোগীর মুখে হাশি ফুটবেই।

৫. দেহের তাপমাত্রা কমাতে এখানেও পেঁয়াজ তার কারিশমা দেখায়। জ্বরে দেহের তাপমাত্রা বেশি থাকলে পাতলা করে কাটা পেঁয়াজ কপালে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়। বিষয়টি হয়তো অনেকেরই অজানা।

৬. হজমশক্তি বাড়াতে হজমে সমস্যা রয়েছে? প্রতিদিনের খাবার তালিকায় একটু কাঁচা পেঁয়াজ রাখুন। কেননা পেঁয়াজ খাবার হজমের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন এনজাইম বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে দ্রুত খাবার হজম হয়।

৭. ত্বকের নানা সমস্যায় ত্বকের সমস্যায় পেঁয়াজের ব্যবহার জনপ্রিয়। পোকামাকড় কামড়ালে তাৎক্ষণিক পেয়াজ ডলে দিন কামড়ের স্থানে। মূহুর্তেই প্রশান্তি মিলবে।

৮. এছাড়াও রোদে পোড়া ট্যান, কিংবা ব্রণ সমস্যায় সেই সমস্ত জায়গায় একটু পেঁয়াজের রস লাগালে একটু কুটকুট করে ব্যথা অনুভূত হবে এরপর দ্রুত কাজ করবে তা।

৯. ক্যান্সার প্রতিরোধে মেডিকেল সাইন্স বলে কোলন ক্যান্সারের মতো রোগের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে পেঁয়াজ। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে পেঁয়াজের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট কোষের ডিএনএ কে ক্ষতির থেকে বাঁচিয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
এমনকি গবেষণায় দেখা গেছে যে পেঁয়াজের রস টেস্ট টিউবের টিউমার সেল কে ধ্বংস করে এবং ইদুরের শরীরের টিউমারের বৃদ্ধি রোধ করে।

১০. হার্ট সুস্থ রাখতে পেঁয়াজ রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না এবং রক্তের কোলেস্টেরল কমায়। তাই পেঁয়াজ হৃৎপিণ্ডের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অনেক কার্ডিওলোজিস্টই নিয়মিত পেঁয়াজ খেতে বলে দেন রোগীদেরকে। বিশেষ করে হার্ভাডের ডাক্তার ভিক্টর গুড়েউইচ তার রোগীদেরকে প্রতিদিন অন্তত একটি করে পেঁয়াজ খাওয়ার উপদেশ দেন।

১১. হাড় ভালো রাখতে হাড়ের কঠিন অসুখ অ্যাথেরসক্লেরোসিস এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের সঙ্গে লড়াই করতে পেঁয়াজ অত্যন্ত উপকারী ভূমিকা রাখে।

১২. যৌন ক্ষমতা বাড়াতে পেঁয়াজ যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। প্রতিদিন অন্তত এক গ্লাস করে পেঁয়াজের রস খেলে যৌন ক্ষমতা বাড়ে। এমনটাই জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফল খাওয়ার আগে কেন পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন?

অনলাইন ডেস্ক: ফল খাওয়ার আগে আমরা সাধারণত পানি দিয়ে ধুয়ে নেন। অনেক আবার তা কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখেন। পানিতে ফল ভিজিয়ে রাখার এই অভ্যাসটি বেশ উপকারী।
তাই ফল খাওয়ার আগে শুধু পানি দিয়ে ধুয়ে খেলেই হবে না কিছুক্ষণ ভিঝিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

আসুন জেনে নেই ফল খাওয়ার আগে কেন পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন?

ময়লা দূর হয়
আপেল, আম, পেঁপেসহ যে কোনো ফল কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে এদের গায়ে লেগে থাকা ময়লা দূর হয়। তাই ফল খাওয়ার আগে অবশ্যই পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

ডায়ারিয়া ও ব্রণ
আয়ুর্বেদ মতে, ফল ভিজিয়ে রাখলে এর তাপ দূর হয়। তা খাওয়ার পর ডায়ারিয়া এবং ব্রণের মতো সমস্যাগুলো হয় না।

রাসায়নিক ব্যবহার
ফল চাষে অনেক ধরণের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। পোকামাকড় দূর করার জন্য কীটনাশক যত কমই ব্যবহার করা হোক না কেন, তা মানুষের জন্য ক্ষতিকর। কীটনাশকের কারণে মানুষের বিভিন্ন রোগ হতে পারে।

অ্যালার্জি, মাথাব্যথা, চোখ ও ত্বকে জ্বালাপোড়া
ফল ধুয়ে না খেলে ফুসফুসের সমস্যা, অ্যালার্জি, মাথাব্যথা, চোখ ও ত্বকে জ্বালাপোড়া, বমি ভাব হতে পারে। তাই এসব ফল শুধু পানিতে ধুয়ে ফেলাই যথেষ্ট নয়। সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারলে ভালো।

তরমুজ, আম, পেঁপে ও নাশপাতি
কিছু কিছু ফল খেলে সহজে পেটখারাপ হতে পারে, যেমন তরমুজ, আম, পেঁপে এবং নাশপাতি। এসব ফল কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে তা আর ক্ষতিকর থাকে না। শুধু তাই নয়, পাকা ফল পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তা সহজে পচে না। তাই বাজার থেকে কিনে আনার পর পরই ফল কয়েক ঘণ্টা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ব্যায়াম

অনলাইন ডেস্ক: শরীরে ডায়াবেটিস বা কোলেস্টেরল খুব নিঃশব্দে জায়গা করে নেয়। কখন যে এটি আপনার শরীরে স্থান করে নেবে, তা টেরই পাওয়া যাবে না। প্রধানত বিপাকের সমস্যা থেকে এটির উদ্ভব। শরীরচর্চার মাধ্যমে এটিকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
মনে রাখতে হবে, ডায়াবেটিস হওয়ার কোনো বয়স নেই। যেকোনো বয়সে এটি হতে পারে। সাধারণত অল্প বয়সে টাইপ-১ ডায়াবেটিস হয়। আর বেশি বয়সে টাইপ-২। খুব স্বাভাবিকভাবে টাইপ-১-এর তুলনায় টাইপ-২ ডায়াবেটিস কঠিন। ব্যায়ামটাও টাইপ-২-এর জন্য বেশিই করতে হবে।

ডায়াবেটিস আর কোলেস্টেরল দমিয়ে রাখতে করতে হবে যেসব ব্যায়াম—

টাইপ-১ ডায়াবেটিস হলে যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য সহজ ব্যায়াম হলো প্রথম সপ্তাহে এক মিনিট হাঁটা আর ৩০ সেকেন্ড জগিং। এ পদ্ধতিকে বলে বিরতিমূলক কার্ডিও। তৃতীয় সপ্তাহে অনুশীলনের পরিমাণ বাড়িয়ে এক মিনিট হাঁটা আর সমান সময় জগিং করতে হবে। ষষ্ঠ সপ্তাহে প্রথম সপ্তাহের ঠিক উল্টো করতে হবে। ৩০ সেকেন্ড হাঁটা আর এক মিনিট জগিং। পর্যায়ক্রমে এটি বাড়িয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। এভাবে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন অনুশীলন করতে হবে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসে যারা ভুগছে, তারা কিছুদিন বিরতিমূলক কার্ডিও করে নিজেকে ব্যায়ামের জন্য শরীরকে তৈরি করে নিতে হবে। এভাবে দুই থেকে তিন সপ্তাহ করার পর আসল ব্যায়ামের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। কোনো কিছু দিয়ে ২০ মিটার দূরত্ব চিহ্নিত করতে হবে। এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত দৌড়ে যেতে হবে। আসার সময় হালকা জগিং করে ফিরতে পারলে ভালো, না হলে হেঁটে আগের জায়গায় চলে আসতে হবে। এভাবে টানা দুই মিনিট অনুশীলন করার পর তিন মিনিট বিশ্রামে থাকতে হবে। এভাবে দিনে ছয় থেকে আটবার করতে হবে। এক মাস এটি করার পর অনুশীলনটি আগের থেকে অনেক সহজ হয়ে যাবে। আর তখনই দুই প্রান্তে দ্রুত দৌড়ে আসা-যাওয়া করতে হবে।

গবলেট স্কোয়াট
একটি ডাম্বেল দুই হাত আঁকড়ে বুকের কাছে ধরতে হবে। এবার ধীরে ধীরে স্কোয়াট করতে হবে। ধীরে ধীরে বসতে যেন হাঁটুতে ৯০ ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়। খেয়াল রাখতে হবে, বসা এবং ওঠার সময় যেন পিট টান টান থাকে। এভাবে ১২ থেকে ১৪ বার অনুশীলন করতে হবে।

হরাইজন্টাল পুল-আপ
এ জন্য একটি লোহার রড প্রয়োজন হবে। কাঁধের প্রস্থের তুলনায় দুই হাতের মধ্যে বেশি ফাঁকা রেখে দুই হাতে রডটি ধরতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest