সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

পদোন্নতি পাচ্ছেন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫০০০ শিক্ষক

দেশের খবর: সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বড় পদোন্নতি পেতে যাচ্ছেন। সহকারী শিক্ষকদের চাকরির বয়স আট বছর পূর্ণ হওয়ার পর জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পাবেন। এতে পদোন্নতি পাবেন মোট শিক্ষকদের অর্ধেক। আর শিগগিরই পদোন্নতি পাবেন প্রায় পাঁচ হাজার সহকারী শিক্ষক। পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকদের বেতন স্কেলও দশম গ্রেড থেকে নবম গ্রেডে উন্নীত হবে। সরকার এর পাশাপাশি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী লাইব্রেরিয়ান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) শিক্ষক ও ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টের পদ সৃষ্টিরও উদ্যোগ নিয়েছে।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ৯টি আঞ্চলিক শিক্ষা কার্যালয়ের উপপরিচালকদের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে আগামী ৩১ অক্টোবর ২০১৮ সালের মধ্যে যেসব শিক্ষকের চাকরির বয়স আট বছর পূর্ণ হবে, তাঁদের বিভিন্ন কাগজপত্র মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।
যেসব কাগজপত্র দিতে বলা হয়েছে সেগুলো হলো, হিসাবরক্ষণ অফিস প্রদত্ত চাকরির বিবরণী, নিয়োগপত্র, আত্তীকরণ আদেশ, স্থায়ীকরণ আদেশ, নিয়মিতকরণ আদেশ, যোগদানপত্রের সত্যায়িত কপি, প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দেওয়া মামলাসংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র, চাকরির ধারাবাহিকতা ও চাকরিকালের সন্তোষজনক প্রত্যয়নপত্র, বিএড পাস সনদের সত্যায়িত কপি এবং গত পাঁচ বছরের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন।
মাউশি অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সারা দেশে এখন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ শর কাছাকাছি। তবে এর মধ্যে প্রায় দুই শতাধিক সদ্য জাতীয় করা। এসব স্কুলে এখনো শিক্ষকদের পদ সৃজন করা হয়নি। তাই আগের ৩৪৮ স্কুলের শিক্ষকরা প্রথমবারের মতো এই পদোন্নতি পাবেন। এসব স্কুলে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষক রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার শিক্ষক সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পাবেন।

মাউশি অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘এই পদোন্নতি শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল, যা এখন শুরু হয়েছে। তবে একবারে এত শিক্ষকের পদোন্নতির তালিকা তৈরি করতে কিছুটা সময় লাগবে। মূলত জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে একটি গ্রেডেশন তালিকা তৈরি করা হবে। সেই তালিকা ধরেই পদোন্নতি দেওয়া হবে। মোট সহকারী শিক্ষকের অর্ধেক সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পাবে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নতুন করে পদায়ন দেওয়া হবে না।’

জানা যায়, এত দিন সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে মাত্র অল্প কয়েকজনের সহকারী প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষক হওয়ার সুযোগ ঘটত। কিন্তু একটি স্কুলে ২০ জন সহকারী শিক্ষক থাকলেও সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ মাত্র দুটি। ফলে বেশির ভাগ শিক্ষককে চাকরিজীবনের পুরোটাই একই পদে চাকরি করতে হতো। এমনকি ৩০ বছর চাকরি করেও পদোন্নতি পাওয়ার সুযোগ ছিল না। এখন সিনিয়র শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষকদের সেই বঞ্চনার অবসান হবে।

সূত্র জানায়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরি বিধিমালার গেজেট জারি করা হয়। সেখানেই সিনিয়র শিক্ষকের নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়। সহকারী শিক্ষকের মোট পদের ৫০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে এই পদে যেতে পারবে বলে বলা হয়েছে। সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে আট বছর চাকরির পাশাপাশি ব্যাচেলর অব এডুকেশন (বিএড) বা ডিপ্লোমা ইন এডুকেশন বা ব্যাচেলর অব অ্যাগ্রিকালচার এডুকেশন ডিগ্রি থাকতে হবে। আর সহকারী শিক্ষক পদকে চাকরিতে প্রবেশ পদ ধরা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগে শিক্ষাজীবনে কোনো তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য হবে না।

এ ছাড়া সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন পদ সৃষ্টিরও উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

জানা যায়, বেসরকারি বিদ্যালয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) শিক্ষক ও সহকারী লাইব্রেরিয়ানের পদ থাকলেও সরকারি স্কুলে তা নেই। ফলে বাধ্যতামূলক এই আইসিটি বিষয়টি অন্য কোনো শিক্ষককে অতিরিক্ত হিসেবে পড়াতে হচ্ছে। এ জন্য সরকারি ৩৪৮টি স্কুলে ৫০২ জন আইসিটি বিষয়ের শিক্ষক, ৩৪৮ জন আইসিটি শিক্ষক এবং ৫০২ জন ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টের পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে এক হাজার ৩৫২টি পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথমবারের মতো রাখাইনে ঢুকল জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক: প্রথমবারের মতো রাখাইনে প্রবেশে সক্ষম হয়েছে জাতিসংঘ। রোহিঙ্গা গণহত্যার প্রায় ১ বছর পর সেপ্টেম্বরে মিয়ানমার সরকারের অনুমতি মেলে।
সীমিত পরিসরে প্রবেশাধিকার পায় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক অঙ্গ সংস্থা ইউএনসিআর ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা ইউএনডিপি। বিরল এ সুযোগে রাখাইনের উত্তরাঞ্চলের ২৩টি গ্রাম সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রাথমিক মূল্যায়ন জরিপ করে প্রতিনিধি দল।
প্রাথমিক মূল্যায়ন শেষে শুক্রবার জাতিসংঘ জানিয়েছে, রাখাইনের গণহত্যাপীড়িত মংডু জেলা এখনও রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। এদিকে রাখাইনে গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে পরিস্থিতি মূল্যায়নে প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে ইইউ। সংস্থাটির বাণিজ্য বিষয়ক প্রধান সিসিলিয়া মালমস্ট্রোম এ কথা জানিয়েছেন।
গত মাসের কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রাথমিক মূল্যায়ন চালায় জাতিসংঘ। এতে উঠে এসেছে, গ্রামগুলোর অবশিষ্ট রোহিঙ্গারা বিভিন্ন বিরূপ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছেন। সেখানে রোহিঙ্গাদের চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ চাপানো হয়েছে।
অনেকেই ভয় ও নিরাপত্তার অভাবে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন। বৌদ্ধ অধিবাসীদের ব্যাপারে বেড়েছে অবিশ্বাস। শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার মুখপত্র আন্দ্রেজ মাহেসিক এক বিবৃতিতে এসব বিষয় তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ বলে জানিয়েছে মিয়ানমার প্রতিনিধি। তবে সরেজমিন পরিদর্শনের প্রাথমিক মূল্যায়নে এসেছে ভিন্ন চিত্র।
তিনি বলেন, ‘রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য এখনও পরিবেশ তৈরি করা হয়নি।’ মিয়ানমারের এ পরিবেশের মধ্যেই মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সুচির সঙ্গে বৈঠক করবেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রস্তুত প্রেসিডেন্সিয়াল কেবিন, স্থানান্তর আজ যে কোনো সময়

দেশের খবর: উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসা নিতে সম্মতি দিয়েছেন কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কারা চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শিগগিরই তাকে বিএসএমএমইউতে স্থানান্তর করা হবে। এরই মধ্যে হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ খালেদা জিয়ার ভর্তি ও চিকিৎসার সব ধরনের প্রস্ততি সম্পন্ন করেছে। সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর জন্য কেবিন ব্লকের ৬তলায় ৬১১ নম্বর প্রেসিডেন্সিয়াল ভিভিআইপি কেবিন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র জানিয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশনা বৃহস্পতিবারই কারাগারে এসে পৌঁছায়। শুক্রবারই খালেদা জিয়াক হাসপাতালে নেওয়ার সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে বিএসএমএমইউ চিকিৎসা নিতে সম্মতি জানাতে বেগম জিয়া সময় নেন। উনার সম্মতি পাওয়া গেছে। শনিবার যে কোনো সময় তাকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে।

খালেদা জিয়ার ভতি ও চিকিৎসার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন গণমাধ্যমকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আমরা উচ্চ আদালতে নির্দেশনা পাই। এরই মধ্যে সব প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য আমাদের হাসপাতাল এখন প্রস্তুত আছে।

এর আগে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গত ১৫ সেপ্টেম্বর কারাগারে গিয়ে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। বিএসএমএমইউ পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুনের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড, সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বর্তমান স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি বিবেচনায় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়ার মত দেয়।

গত বৃহস্পতিবার বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার করা রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ তাকে দ্রুত বিএসএমএমইউ ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে সরকারের গঠিত মেডিকেল বোর্ড পুনর্গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। যাতে খালেদা জিয়ার পছন্দ অনুযায়ী তিনজন ডাক্তার রাখতে বলা হয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়া চাইলে বাইরে থেকেও ডাক্তার আনতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আদালত। তবে তা বোর্ডের অনুমোদন সাপেক্ষে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের দণ্ড দেন আদালত। সেই থেকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে বন্দি রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সালমানের ‘অঘোষিত স্ত্রী’ ভারতী সিং

বিনোদনের খবর: ভারতীয় টিভি চ্যানেলেগুলোর দর্শকদের কাছে চেনা মুখ ভারতী সিং । কেবল চেনামুখ বললে ভুল হবে, ‘কমেডি কুইন’ হিসেবে তিনি বেশ জনপ্রিয়। লোক হাসানোর মন্ত্র জানা এই কমেডিয়ান হলেন বলিউড সুপারস্টার সালমানের ‘হিডেন ওয়াইফ’ অর্থাৎ ‘অঘোষিত স্ত্রী!
বাস্তবে নয়, সালমানের শো বিগ বস-১২‘। ভাইজানের সঙ্গেই তাকে স্টেজ শেয়ার করতে দেখা যাবে। বিগ বস ১২-এর দর্শকদের জন্য এবার এটাই বড় চমক। এতে সালমানের ‘হিডেন ওয়াইফ’ বা ‘গোপন স্ত্রী’ হিসেবে দেখা মিলবে ভারতী সিংয়েরসালমান খানের সঙ্গেই যাকে স্টেজ শেয়ার করতে দেখা যাবে। শুধু তাই নয়, এবারের বিগ বসের মঞ্চে আরও ৯ জনের দেখা মিলবে। যার মধ্যে থাকবেন সঞ্জয় দত্ত-ও। যাকে এক সময় বিগ বসের মঞ্চে সালমান খানের সহ-সঞ্চালক হিসেবে দেখা গেছে।
বিগ বসের ঘরে আরও আগেই আসার কথা ছিল ভারতী সিং-এর। কিন্তু, আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেই কারণেই বেশ কিছুদিন পিছিয়ে যায় বসের ঘরে ভারতীর আগমন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদা খাওয়া উচিত নয় যাদের

অনলাইন ডেস্ক: শুধু রান্নাঘরেই নয়, আদার ঔষধি গুণের জন্য চিকিৎসাতেও আদা ব্যবহার করা হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে আদা যেমন শরীরের পরম বন্ধু, আবার কিছু ক্ষেত্রে তা শরীরের চরম শত্রুও বটে। তাই আদার গুণাগুণ জানার পাশাপাশি, এটা জানাটাও অত্যন্ত জরুরি যে, কারা আদার ধার-পাশ দিয়েও যাবেন না।

ওজন কম:
আদা ওজন কমাতে সাহায্য করে। পেটের ক্ষুধা কমায়। পাশাপাশি দেহের অত্যধিক ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। কম ওজনের ব্যক্তিদের তাই আদা খাওয়া উচিত নয়। এতে তাদের স্বাস্থ্য আরও ভেঙে পড়তে পারে।

ডায়াবেটিস রোগী:
বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিসের রোগী, তাদের বেশি আদা খাওয়া উচিত নয়। কারণ আদা সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

অন্তঃসত্ত্বা:
আদা জরায়ুর সংকোচন ঘটাতে সাহায্য করে। অপরিণত অবস্থায় জরায়ুর সংকোচন মা এবং বাচ্চা দু’জনের পক্ষেই ক্ষতিকর। তাই অন্তঃসত্ত্বা নারীদের আদা এড়িয়ে চলাই ভাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত যাচ্ছে বাংলাদেশের সাংবাদিক প্রতিনিধি দল

অনলাইন ডেস্ক: সাত দিনের সফরে ভারতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের সিনিয়র সাংবাদিক প্রতিনিধি দল।
শনিবার (৬ অক্টোবর) সকালে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছে দলটি।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে সফরকালে প্রতিনিধি দলটি ভারত সরকারের নীতি নির্ধারক পর্যায়ের কয়েকটি সাক্ষাতসহ দিল্লি ও হায়দ্রাবাদের বেশ কয়েকটি শিক্ষা, প্রযুক্তি, চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন। থাকছে দর্শনীয় ঐতিহাসিক কয়েকটি স্থানে ভ্রমণ।
প্রতিনিধি দলে আছেন জাতীয় প্রেসক্লাসের সেক্রেটারি ফরিদা ইয়াসমীন, দ্যা এশিয়ান এজের রোভিং এডিটর নাদিম কাদির, দেশইনফো.বিডির এডিটর রাশেদ চৌধুরী, একাত্তর টিভির স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ফারজানা রূপা, ডেইলি স্টারের চিফ রিপোর্টার পিনাকী রায়, মাছরাঙা টেলিভিশনের চিফ রিপোর্টার মোহাম্মদ আশরাফুল হক, ডিবিসি নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার ইসরাত জাহান ঊর্মি, দৈনিক যুগান্তরের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট মাসুদ করিম, দৈনিক প্রবাহ সম্পাদক আশরাফুল হক, যমুনা টেলিভিশনের রাজশাহী ব্যুরো চিফ শিবলী নোমান, দৈনিক কালের কণ্ঠের ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট মেহেদী হাসান তালুকদার, বাংলাদেশ প্রতিদিনের ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট জুলকার নাইন, ডেইলি সানের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট শওকত আলী খান, বাংলানিউজের অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর আসিফ আজিজ ও একাত্তর টিভির ক্যামেরা পারসন খন্দকার কায়েস।
ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের অ্যাটাশে (প্রেস অ্যান্ড ইনফরমেশন) রঞ্জন মণ্ডল দলে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
সাত দিনের সফর শেষে ১২ অক্টোবর ঢাকা ফিরবে এ প্রতিনিধি দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জামিন পেল ‘ধর্ষক বাবা’ সেই রাম রহিম

বিদেশের খবর: জামিন পেল স্বঘোষিত ‘ধর্মগুরু’ রাম রহিম। গত বছর ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে জেলে যেতে হয়েছিল তাকে। এক বছর পার হবার আগেই তাকে জামিন দিল পাঁচকুলার বিশেষ সিবিআই আদালত।

তবে জামিন পেলেও হাজতের পিছনেই থাকতে হবে ধর্ষক বাবাকে। কেননা, সে জামিন পেয়েছে অনুগামীদের যৌনাঙ্গচ্ছেদনের মামলায়। কিন্তু তার বিরুদ্ধে যে ধর্ষণের অভিযোগ, তার দায়ে তাকে ২০ বছরের জন্য জেল খাটতে হচ্ছে।

জানা যাচ্ছে, ধর্ষণের মামলার পাশাপাশি রাম রহিমের বিরুদ্ধে তার ৪০০ অনুগামীর যৌনাঙ্গচ্ছেদনের অভিযোগ উঠেছিল। রাম রহিম বলত, এভাবেই নাকি সকলে ঈশ্বরকে পাবে।

গত ২৩ অগস্ট ওই মামলায় জামিনের আবেদন করেছিল রাম রহিম। খারিজ হয়ে গিয়েছিল সেই আবেদন। পরে পাঁচকুলার বিশেষ সিবিআই আদালতে মঞ্জুর হল সেই আবেদন। কিন্তু জামিন পেয়েও লাভ হল না। ধর্ষণের দায়ে আপাতত জেলেই কাটাতে হবে জীবনের একটা বড় অংশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধানের শীষ এখন সাপের বিষ: ওবায়দুল কাদের

রাজনীতির খবর: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের সময় দেশের ব্যাপক উন্নয়নে মানুষ সন্তুষ্ট। আওয়ামী লীগ সরকার দেশে যে পরিমাণ উন্নয়ন করছে তা গত একশ’ বছরেও কেউ দেখেনি। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে দেশে উন্নয়ন হবে না। এ কারণে দেশের মানুষ বিএনপিকে চায় না। ধানের শীষ এখন সাপের বিষ। এটা আমার কথা না। কালকেও (বৃহস্পতিবার) গাড়ি দিয়ে যাচ্ছিলাম, একজন তো বলেই ফেলল পেটের বিষ নয়, ধানের শীষ সাপের বিষ। এই বিষ কী কেউ খাবে? এই বিষ বাংলার মানুষ আর পান করবে না।’

আওয়ামী লীগের সপ্তাহব্যাপী নির্বাচনী গণসংযোগের পঞ্চম দিন শুক্রবার সকালে রাজধানীর গাবতলীতে দলের প্রচারে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা ২০১৪ সাল না, ২০১৮ সাল। বিএনপি নির্বাচন বানচাল করার লক্ষ্যে কোনো নাশকতা করলে তার সমুচিত জবাব দেবে বাংলাদেশের জনগণ। তিনি বলেন, বিএনপি সোজা পথ দিয়ে ক্ষমতা যেতে চায়, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। বিএনপি বুঝে ফেলেছে সোজা পথে তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জনগণ তাদের চায় না।

বিএনপির কারাবন্দী চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপিই রাজনীতি করেছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ উপযুক্ত জায়গা, আদালতও সেটি বলেছে। তাহলে সরকারের ভুল কোথায়? খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে সরকার রাজনীতি করেনি। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাজনীতি করছে বিএনপি।

বাম দলের সঙ্গে ঐক্যের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি কোনো জোটকে নির্বাচনে আমাদের সঙ্গে ঐক্য করতে বলিনি। আমি বলেছি, বামপন্থীরা মুক্তিযুদ্ধেও চেতনায় বিশ্বাস করে। জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা করে। বামপন্থীদের ভেতওে কেন এত ভাঙনের সুর? আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন। তাদের আমাদের সঙ্গে ঐক্য করতে আমি বলিনি। আমরা ঐক্য চেয়েছি সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে, আমরা ঐক্য চেয়েছি নষ্ট রাজনীতির বিরুদ্ধে, আমরা জাতীয় ঐক্য চেয়েছি স্বাধীনতার শত্রুদের বিরুদ্ধে।’

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং সিস্টেম (ইভিএম) ব্যবহার প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, ইভিএম সীমিত পরিসরে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার হোক এটা আওয়ামী লীগ চায়। নির্বাচন কমিশনের কাছে সে দাবি জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে যেন জালিয়াতি না হয়, কারচুপি না হয়, কেউ যেন বাক্সভর্তি না করতে পারে, জাল ভোট যেন কেউ না দিতে পারে, সে জন্যই ইভিএম। আধুনিক বিশ্বের একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার অনুষঙ্গ ইভিএম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest