সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন

সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির জন্মাষ্টমী পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা আাইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ভগবান শ্রী শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি উপলক্ষে জন্মাষ্টমী পালিত হয়েছে।
রোববার রাত ৮টায় সাতক্ষীরা পুরাতন আইনজীবী ভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সহসভাপতি অ্যাড. গোলাম মোস্তফা-২। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোখলেছুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা সহকারি জজ আনারুল ইসলাম, কলারোয়া সহকারি জজ মেহেদী হাসান মোবারক মুনিম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশিষ্ঠ আইনজীবী অ্যাড. সোমনাথ ব্যানার্জী, জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. ওসমান গনি, অ্যাড. প্রসাদ সরকার, অ্যাড. জামিনী কান্ত সরকার, অ্যাড. গোবিন্দ বল্লভ, অ্যাড. অরুন কুমার ব্যানার্জী, অ্যাড. নর নারায়ন ঘোষ, অ্যাড. মোঃ আনিছুল ইসলাম, অ্যাড. দুর্গাপদ সরকার, অ্যাড. সোম নাথ ব্যানার্জী, অ্যাড.প্রবীর মুখার্জী, অ্যাড অগ্রদূত, অ্যাড. শহীদ হাসান, অ্যাড. শামীমা পারভীন।
বক্তারা বলেন, মর্তে যখন নৈরাজ্য সৃষ্টি হয় তখন ভগবান যুগে যুগে দুষ্টের দমন ও সৃষ্টের পালনের জন্য ধরাধামে অবতীর্ণ হন। দ্বাপর যুগে কংস বধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভগবান শ্রী শ্রী কৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি শুধুমাত্র সনাতন ধর্মালম্বীদের অবতার নন। তিনি সকল জীবের মঙ্গল কামনায় কাজ করে গেছেন।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতারক চেনার সহজ ৭টি উপায়

অনলাইন ডেস্ক: আপানার মনে হচ্ছে আপনি যাকে ভালোবাসেন বা যার সাথে আপনি আপনার জীবন পাড় করছেন সেই জীবন সঙ্গী বা সঙ্গীনি হয়তো পুরোপুরি সৎ নন। আপনার ধারণা সঠিক হওয়ার মতো যথেষ্ট কারণ রয়েছে। মিথ্যা কথা বলা একটি সহজাত ও স্বাভাবিক ব্যাপার। সবাই মিথ্যা বলে। আপনি আমি জীবনে চলতে যেয়ে কম বেশি মিথ্যা বলেছি আর বলছিও। কিন্তু যদি ব্যপারটা এমন মনে হয় যে আপনার সঙ্গীর অসততা আপনার সুখ ও বিশ্বস্ততার উপর হানা দিচ্ছে, তাহলে আপনার জন্য উচিৎ হবে তার অসততার প্রমাণ তার সামনে হাতেনাতে তুলে ধরা।
আপনার জীবন সঙ্গী বা সঙ্গীনি যদি একাধিক মানুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক রাখেন তাহলে আপনার পক্ষে তা জানা সম্ভব নয় আর বিজ্ঞান তা আপনাকে বলে দিতে অক্ষম। এ ক্ষেত্রে একমাত্র উপায় হল প্রতারক জীবন সঙ্গী বা সঙ্গীনিকে হাতে-নাতে ধরা। এছাড়া বিকল্প কোনো উপায় আপনার কাছে থাকতে পারে না।
আপনার জীবন সঙ্গী বা সঙ্গীনি আপনার সঙ্গে প্রতারণা করছে কিনা তা বুঝতে পারার জন্য খুবই সাধারণ ৭টি উপায় আপনাদের সামনে তুলে ধরবো যেগুলোর মাধ্যমে বুঝতে পারবেন আপনার প্রিয় মানুষটি প্রতারক কিনা-

১. কোনো বন্ধুকে জিজ্ঞেস করুন
অন্য লোকদের এমনকি অচেনা পথচারিরও কোনো নারী-পুরুষের সম্পর্কে গোলমাল আছে কিনা তা বুঝার এক অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে।
বিওয়াইইউ মনোবিজ্ঞানীরা কয়েকটি দম্পতিকে একসঙ্গে করতে হয় এমন কাজ করতে দিয়ে এই ধারণাটির সত্যতা নির্ণয়ে একটি পরীক্ষা চালান। প্রতিটি যুগলের একজনকে কাজটি কীভাবে করতে হবে সে সম্পর্কে আগে থেকেই দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। আর অপরজনকে সে ব্যাপারে অন্ধকারে রাখা হয়। এরপর পুরো বিষয়টি ভিডিওতে ধারণ করা হয়। কাজটি শুরু করার আগে প্রতিটি যুগলের সদস্যদেরকে আলাদা আলাদা ভাবে তাদের সম্পর্ক নিয়ে গোপনে কিছু প্রশ্ন করা হয়। তারা তাদের সঙ্গী বা সঙ্গীনির সাথে কখনো যৌন বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন কিনা তাও জিজ্ঞেস করা হয়।
এরপর গবেষকরা কয়েকজন অচেনা পথচারিকে ওই ভিডিও দেখিয়ে অনুমান করতে বলেন, কোন যুগলের সদস্যরা তাদের সঙ্গী বা সঙ্গীনির সাথে প্রতারণা করেছেন। অচেনা স্বেচ্ছাসেবিরা বিস্ময়করভাবে সঠিক অনুমানটিই করেছেন।
গবেষণায় প্রমাণিত হয়, একত্রে করতে হয় এমন কোনো কাজ কোনো দম্পতিকে করতে দিয়ে তাদের আচার আচরণ পর্যবেক্ষণ করেই বলে দেওয়া সম্ভব তারা অসুখি কিনা বা পরস্পরের সঙ্গে যৌন বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন কিনা।

২. অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকার সময় বিষয়টি নিয়ে ভাবুন
কারো চরিত্র সম্পর্কে সচেতনভাবে বিচার বিশ্লেষণ করতে দিলে লোকে সাধারণত বেশিরভাগ সময়ই ভুল করেন। কিন্তু যখন আমরা অবচেতনে হুটহাট কারো তৎপরতার বিচার করি তখনই আমার সত্যটা অনুধাবন করতে পারি।
২০১৩ সালের একটি গবেষণায়ও তেমনটিই প্রমাণিত হয়েছে। ওই গবেষণায় মনোবিজ্ঞানীরা একদল শিক্ষার্থী বিচারককে লোকের সাক্ষ্য দেওয়া প্রত্যক্ষ করে কে সত্য বলেছেন আর কে মিথ্যা বলেছেন তা নির্ণয় করতে বলেন। যেসব শিক্ষার্থী খুবই অল্প সময়ের মধ্যে তাদের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তারা মিথ্যবাদিদেরকে সহজেই শনাক্ত করতে পেরেছেন।
এই গবেষণা থেকে প্রমাণিত হয়, মানুষের মন সত্য এবং প্রতারণার মধ্যে পার্থ্যক্য করায় অক্ষম নয়। তবে অচেতনভাবেই শুধু মানুষের মন এই পার্থ্যক্য নির্ণয়ে সবচেয়ে বেশি সক্ষম থাকে।

৩. যেসব শব্দ ব্যবহার করে সেগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনুন
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় যুক্তরাজ্যের সাউদার্ন মেথোডিস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জেমস ডব্লিউ পেনিবেকার একটি টেক্সট অ্যানালাইসিস প্রোগ্রাম থেকে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি এবং তার সহকর্মী ডিয়ানে বেরি ওই তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন।
গবেষণায় তারা দেখতে পান, ভাষার বিশেষ কিছু কাঠামো পর্যবেক্ষণ করে কেউ সত্য এড়িয়ে গেছেন কিনা তা অনুমান করা সম্ভব।
গবেষণায় দেখা গেছে, মিথ্যাবাদিরা এই তিন ধরনের শব্দ খুব কমই ব্যবহার করেন:
প্রথম ব্যক্তি শব্দ: “আমি”, “আমাকে”, বা “আমার”। জ্ঞানীয় শব্দ: “উপলব্ধি” বা “চিন্তা”। বর্জনকর শব্দ: “কিন্তু” বা “ব্যাতীত”। তবে তারা এই ধরনের শব্দগুলো বেশি ব্যবহার করেন। নেতিবাচক আবেগ প্রকাশক শব্দ: “ঘৃণা”, “রাগ”, বা শত্রু
গতি ক্রিয়া: “হাঁটা”, বা “চলা”

৪. গলার স্বরের আকর্ষণীয়তা পর্যবেক্ষণ করুন
কানাডার গবেষকরা সম্প্রতি একটি গবেষণায় একদল স্বেচ্ছাসেবি লোককে একজোড়া গলার স্বর শুনতে দিয়ে কে কতটা আকর্ষণীয় আওয়াজ করছেন তার মূল্যায়ন করতে বলেন। এরপর গবেষকরা তাদেরকে ওই দুজনের প্রত্যেকে কোনো রোমান্টিক সম্পর্কে কতটা প্রতারণা প্রবণ হবেন তারও মূল্যায়ন করতে বলেন।
নারী সেচ্ছাসেবকদের বেশিরভাগই বলেছেন, নিচু আওয়াজের গলার স্বর সম্পন্ন পুরুষরা তাদের সঙ্গীনিদের সাথে যৌন বিশ্বাসঘাতকতা করবেন। আর পুরুষদের বেশিরভাগই অনুমান করেছেন যে, উঁচু আওয়াজের গলার স্বর সম্পন্ন নারীরা তাদের সঙ্গীর সাথে যৌন প্রতারণা করবেন।
গবেষণায় আরো দেখা গেছে যেসব পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরনের হার বেশি তাদের গলার স্বর অনেক বেশি গভীর এবং ভরাট হয়। আর যেসব পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরন হরমোনের পরিমাণ বেশি তারা যৌন বিশ্বাসঘাতকতাও করেন বেশি।

৫. সামাজিক গণমাধ্যম ব্যবহারের অভ্যাস পর্যবেক্ষণ
আপনার সঙ্গী বা সঙ্গীনি কি আপনার সাথে কথা বলার চেয়ে বরং স্নাপচ্যাট করেই বেশি সময় ব্যয় করেন? সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ফেসবুক এবং টুইটার এই দুটি সামাজিক গণমাধ্যমে বেশি সক্রিয় তারা সামাজিক গণমাধ্যম ব্যবহার সংশ্লিষ্ট সংঘাতে বেশি জড়ান। যার ফলে তাদের মধ্যে “যৌন অবিশ্বস্ততা”, “সম্পর্ক ভাঙ্গা” এবং বিয়ে বিচ্ছেদের মতো ঘটনা ঘটার হারও বেশি দেখা যায়।

৬. আচার-আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন লক্ষ্য করুন
মুখের অভিব্যক্তি থেকে শুরু করে কথা বলার ধরণসহ দেহভঙ্গিগুলোতে হঠাৎ পরিবর্তন প্রতারণাপূর্ণ চারিত্রিক বৈশিষ্টেরই লক্ষণ প্রকাশ করে। এমনটাই বলেছেন একসময় এফবিআইয়ে আচরণ বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করা গবেষক লিলিয়ান গ্লাস।
মিথ্যা বলার সময় স্নায়বিক দুর্বলতা ও টেনশনে ভোগার কারণে দেহভঙ্গিগুলোতে এই পরিবর্তন দেখা দেয়। লিলিয়ান গ্লাস তার লিখিত বই “দ্য বডি ল্যাঙ্গুয়েজ অফ লায়ারস”-এ এ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।

৭. নীরবতা, ব্যক্তিগত আক্রমণ, বা প্রশ্ন পুনরাবৃত্তি
লিলিয়ান গ্লাস বলেন, মিথ্যা বলার একটি স্পষ্ট লক্ষণ হলো হঠাৎ করেই কথা বলায় অক্ষমতা। এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ঘটে। কারণ মিথ্যা বলার সময় যে মানসিক চাপের সৃষ্টি হয় তার প্রতি আমাদের স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র প্রায়ই মুখের ভেতর লালা নিঃসরণের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
প্রতারক চরিত্রের আরেকটি বৈশিষ্ট হলো, জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বরং ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বসবে। সিআইএ সদস্য ফিলিপ হাউস্টন, মাইকেল ফ্লয়েড এবং সুসান কার্নিসেরো তাদের সাম্প্রতিক বই “স্পাই দ্য লাই”-তে এমনটাই বলেছেন।
২০১১ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আর এডওয়ার্ড গিজেলম্যান দেখতে পান যারা মিথ্যা বলেন তারা কোনো প্রশ্নের জবাব দেওয়ার আগে সে প্রশ্নটি পুনরাবৃত্তি করার প্রবণতা প্রদর্শন করেন। সম্ভবত মিথ্যা কোনো উত্তর তৈরি করতে নিজেদেরকে সময়-সুযোগ করে দেওয়ার জন্যই তারা এমনটা করে থাকেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতে: শিক্ষার্থীদের  বি. চৌধুরী

দেশের খবর: সাবেক রাষ্ট্রপতি, যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী তুরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, তোমরা বলেছো উই ওয়ান্ট জান্টিস, সারা বাংলাদেশ বলেছে ‘উই ওয়ান্ট জান্টিস’। আমরা বলেছি ‘উই ওয়ান্ট জান্টিস’। তোমাদের মতো করে দেশকে ভালোবাসার বোঝার হয়তো আমাদের ঘাটতি ছিল, সে ঘাটতি তোমারা পুষিয়ে দিয়েছো। আমারা তোমাদের কাছে কৃতজ্ঞ। যে ভাষায় দেশকে ভালোবাসতে হবে, আম জনতার সাথে থাকতে হবে- সেটা তোমরা ভবিষ্যতেও থেকো। দেশ তোমাদের হাতে তুলে দিয়ে আজকে নিজেকে কৃতজ্ঞ মনে করছি। দেশের ভবিষ্য তোমাদের হাতে। ফিউচার লাইজ ইউরস।
প্রজন্ম বাংলাদেশ-এর ‘যুব প্রচার অভিযান’ প্ন্যান-বি কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তুরুণ প্রজন্মের হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার এ অঙ্গীকার করেন তিনি। রবিবার বিকালে রাজধানীর কৃষিবিদ কনভেনশন হলে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।
প্ন্যান-বি কর্মসূচি তুলে ধরেন প্রজন্ম বাংলাদেশ-এর প্রধান মাহী. বি. চৌধুরী। অনুষ্ঠান শুরু হয় একটি প্রতিবাদী ব্যান্ড সঙ্গীত দিয়ে, যেখানে স্যালুলয়েডের পর্দায় দেশের নানা অসঙ্গতি ও সাম্প্রতিক নিরাপদ সড়ক ও কোটা শিক্ষার্থী আন্দোলন এবং নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ডা. এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী আরও বলেন, বয়স এখানে কোনো বিষয় নয়। কোন বয়সে আমরা মা’কে মা বলবো, বাবাকে বাবাকে বাবা বলবো, দেশকে দেশ বলবো, অধিকারকে অধিকার বলবো? আর সেই অধিকারে দেশ চালাতে পারবো কোন বয়সে? এসময় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলক আ স ম আবদুর রবকে দেখিয়ে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মান সম্মান যারা এনেছে তাদের অন্যতম ওনার তখন মাত্র ২৩ বছর বয়স ছিল। তার যৌবন এখন নেই। ইতিহাস তার সাক্ষী আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধর্মের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না : রাষ্ট্রপতি

দেশের খবর: ধর্মকে ব্যবহার করে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
আজ রোববার সকালে বঙ্গভবনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ‘কোনো ধর্মই জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ বা সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে না, তাই ধর্মকে ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে সামাজিক শৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটাতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করলে তা সামাজিকভাবেই প্রতিহত করতে হবে।’
সমাজের বিদ্যমান সম্প্রীতি ও মৈত্রীর বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে।’
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা বিনিময় করতে এসেছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিশিষ্টজন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়া কাপের আফগানিস্তান দল ঘোষণা; ৩ নতুন মুখ

খেলার খবর: ক্রিকেট বিশ্বের এক চমকের নাম আফগানিস্তান। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই এই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি শিরোনামে আসতে শুরু করে ক্রিকেটে অবিশ্বাস্য কিছু ম্যাচ জয়ের মাধ্যমে। সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে তারা। এই মাসের ১৫ তারিখ থেকে আরব আমিরাতে শুরু হতে যাওয়া এশিয়া কাপেও নিজেদের স্থান করে নিয়েছে আফগানিস্তান। এশিয়া কাপের জন্য ১৭ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে তারা।
দলে তিনটি নতুন মুখ এসেছে। সায়েদ আহমাদ শেরজাদ, মুনির আহমাদ কাকার এবং ওয়াফাদার- এই তিনজন খেলোয়াড়ের অভিষেক হবে এশিয়া কাপে। এঁদের মধ্যে ওয়াফাদার ও শেরজাদ ইতিমধ্যে আফগানিস্তানের হয়ে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি খেলে ফেললেও মুনীর আহমাদ কাকার এখনো আফগানিস্তানের জার্সিতে মাঠে নামেননি। ১৮ বছর বয়সী ওয়াফাদার আফগানিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম টেস্ট ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে নজরকাড়া পেস বোলিং করেছিলেন। ২৩ বছর বয়সী বাঁহাতি বোলার শেরজাদ টি-টোয়েন্টিতে দেখিয়েছিলেন তাঁর বোলিংয়ের প্রতিভা। এদের নিয়ে বোলিং বিভাগে শক্তি বাড়াতে চাইবেন তিন স্পিনার- রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী এবং মুজিব-উর-রহমান। মুনীর আহমাদের রয়েছে খুব ভালো প্রথম শ্রেণি ক্রিকেট অভিজ্ঞতা। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে গড় ৪৯.৮৬ এবং আফগানিস্তান এ দলের হয়ে গড়ে করেছেন ৪৮.৪২ রান। এই ২২ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান প্রয়োজনে মোহাম্মদ শাহজাদের বদলে উইকেটরক্ষকের ভূমিকায়ও থাকতে পারেন। তবে আয়ারল্যান্ড সিরিজ জয়ের পর সেই দল থেকে বাদ পড়েছেন পেসার দৌলত জাদরান। আয়ারল্যান্ড সফরে টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে দলে থাকলেও সিরিজের কোনো ম্যাচ খেলেননি জাদরান।
আফগানদের এশিয়া কাপ শুরু হবে ১৭ সেপ্টেম্বর, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষের ম্যাচ দিয়ে।
আফগানিস্তান দল : আসগার আফগান (অধিনায়ক), মোহাম্মদ শাহজাদ (উইকেটরক্ষক), ইহসানুল্লাহ জানাত, জাভেদ আহমাদি, রহমত শাহ, হাশমত শাহহিদি, মোহাম্মদ নবী, গুলবাদিন নাইব, রশিদ খান, নাজিবুল্লাহ জাদরান, মুজিব-উর-রহমান, আফতাব আলম, সামিউল্লাহ শেনওয়ারি, মুনীর আহমাদ কাকার (উইকেটরক্ষক), সায়েদ আহমাদ শেরজাদ, সাইফুদ্দিন আশরাফ ও ওয়াফাদার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রিজভী‌কে ছাত্রদল নেতা‌দের শাসা‌নি!

দেশের খবর: পদপ্রত্যাশী ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন নেতা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে দেখা করেছেন। রোববার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জড়ো হয়ে পরে তারা এই সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় ছাত্রদলের নেতারা আগামী ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ছাত্রদলের নতুন কমিটি না দিলে বর্তমান নেতাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত হুমকির সম্মুখীন হবে বলে রিজভীকে বোঝানোর চেষ্টা করেন।
ছাত্রদল নেতাদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রিজভী তাদের বলেন, ‘এখন দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তির আন্দোলনের সময়। এ মুহূর্তে কমিটি দিলে বিদ্রোহ দেখা দিতে পারে।’
জবাবে উপস্থিত ছাত্রদল নেতারা বলেন, ‘আমরা লিখিত দেবো, এই মুহূর্তে কোনো বিদ্রোহ করবো না। আমরা শতভাগ দায়িত্ব নিয়েই বলছি, বিদ্রোহ করবো না।’
এরপরও বিভিন্নভাবে ছাত্রদল নেতাদের বোঝানোর চেষ্টা করতে থাকেন রিজভী। এক পর্যায়ে কয়েকজন ক্ষুব্ধ নেতা রিজভীকে উদ্দেশ্য করে বলে ওঠেন, ‘কী… (প্রকাশের অযোগ্য) ভূগোল বোঝান আমাদের? কিছুদিন আগেই তো সারাদেশে জেলা ও ইউনিট কমিটি হলো। তখন তো কোনো ঝামেলা হলো না। এখন ছাত্রদলের সেন্ট্রাল কমিটি করলে কি সমস্যা হবে আপনাদের? আপনি ভাইয়ের (তারেক রহমান) সঙ্গে কথা বলেন।’
এ সময় বেশ রূঢ়ভাবেই ছাত্রদল নেতারা বলেন, ‘আপনি ভাইকে বলেন— পদপ্রত্যাশীরা কমিটির দাবিতে আমার (রিজভী) সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। যা হয় হোক, আমরা দ্রুত কমিটির একটা সমাধান চাই।’
ছাত্রদল নেতারা দলীয় কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় ছাত্রদলের অফিসে গিয়ে অবস্থান করেন। সেখানে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর কমিটি ঘোষণার দাবিতে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখানো হবে বলে জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান, আব্দুল ওহাব, যুগ্ম-সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, নুরুল হুদা বাবু, আবুল হাসান, শামছুল আলম রানা, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিম, আজিজুল হক পাটোয়ারী, ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ, সহ-অর্থবিষয়ক সম্পাদক মো. শামীম ইকবাল খান, সদস্য মোমিনুর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ সম্পাদায়িক সম্প্রীতির দেশ —- নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদর সার্বজনীন পূজা মন্দিরের(কাটিয়া কর্মকারপাড়া) আয়োজনে শ্রী শ্রী ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনাসভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১১টায় সদর সার্বজনীন পূজা মন্দির(কাটিয়া কর্মকারপাড়া) চত্বরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, মন্দিরের উপদেষ্টা কিশোরীমোহন সরকার। প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার, দৈনিক কালের চিত্রের সম্পাদক ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, এড. অনিত মুখার্জী । স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপদেষ্টা উপাধ্যক্ষ ভূধর চন্দ্র সরকার, দিলিপ কুমার চ্যাটার্জী, দ্বীনবন্ধু মিত্র, মন্দিরের সভাপতি গৌরচন্দ্র দত্ত, সহ-সভাপতি সমরেশ কুমার দাশ, মনোরঞ্জন কর্মকার, বলাই দে, অরুপ সাহা, জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির আহবায়ক শঙ্কর কুমার রায়, নির্মল কুমার মন্ডল, তপন হালদার, অধ্যক্ষ প্রনব মঠ, বাংলাদেশ প্রমুখ। দিগ বিজয়ানন্দ মহারাজ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক কিরন্ময় সরকার। অনুষ্ঠানের শুরুতে গীতা পাঠ করেন নিশিকান্ত ব্যানার্জী। আলোচনাসভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এদেশে সকল ধর্মের মানুষ মিলে মিশে বহু বছর ধরে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছে। বাংলাদেশ একটি সাম্পাদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আগামীতে মুসলিম ও হিন্দুসহ সকল ধর্মের মানুষ ঐক্যবদ্ধ ভাবে দেশ গঠনে কাজ করবে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রেন ভাড়া করে হানিমুনে ব্রিটিশ দম্পতি

অনলাইন ডেস্ক: হানিমুনের জন্য বাদশাহী আয়োজন। এমন অভিজ্ঞতা ভারতীয় রেলের এই প্রথম। মধুচন্দ্রিমার জন্য দক্ষিণ ভারতে এসেছিলেন ব্রিটিশ দম্পতি গ্রাহাম উইলিয়াম লিন্ড (৩০) ও সিলভিয়া প্লাসিক (২৭)। সিদ্ধান্ত নেন ‌যাবেন নীলগিরি পর্বতে। ‌যেমন ভাবা তেমনি কাজ।
মেট্টুপালায়ম থেকে উধাগামান্ডলম (উটি) প‌র্যন্ত ‌যাওয়ার জন্য ‌যোগা‌যোগ করেন দক্ষিণ রেলের সঙ্গে। ওই পথ ‌যাওয়ার জন্য অবশ্য দক্ষিণ রেলের সঙ্গে ‌যোগা‌যোগের কোনও প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য ছিল অন্য।
রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ‌যোগা‌যোগ করে গ্রাহাম ও সিলভিয়া ভাড়া করে ফেলেন একটি আস্ত ট্রেন। মেট্টুপালায়ম থেকে উধাগামান্ডলম প‌র্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার রাস্তা ‌যাওয়ার জন্য রেলকে তাদের দিতে হয়েছে ৩ লাখ টাকা। দক্ষিণ রেলে এরকম ঘটনা এই প্রথম।
শুক্রবার রেল কর্তৃপক্ষ তাদের স্বাগত জানান মেট্টুপালায়ম স্টেশনে। এদিনই কুন্নুর স্টেশনে তারা ‌যখন নামেন তখনও তাদের অভ্যর্থনা জানান স্টেশন ম্যানেজার।
সংবাদ মাধ্যমকে লিন্ড জানিয়েছেন, হানিমুনের পরিকল্পনা করার সময় ঠিক করলাম ‌যাব নীলিগিরি। এর জন্য একটা স্টিম ইঞ্জিন ভাড়া করব। গোটা ট্রেনটাই হবে আমাদের। খুবই রোমান্টিক ব্যাপার বলে মনে হচ্ছিল।রেল সূত্রে জানা যায়, ওই দম্পতি রেলের বিশেষ অনুমতির জন্য আবেদন করেন। প‌র্যটনে উৎসাহ দেওয়ার জন্য তাতে রাজিও হয়ে ‌যায় রেল। এরপরই রেলের সালেম ডিভিশনকে ওই বিশেষ ট্রেন চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়। নীলগিরি মাউন্টেন সেকশনে ‌যাতায়াতকারী তিন বগির ওই ট্রেনটিতে আসন সংখা মাত্র ১২০টি।
ইউনেস্কো এই ট্রেনকে হেরিটেজ বলে ঘোষণা করেছে। ট্রেনটি চলে স্টিম ইঞ্জিনে। ‌যাত্রাপথে পড়ে ১৩টি টানেল, ঘন জঙল ও একাধিক ঝর্ণা। শুক্রবার ট্রেনটি মেট্টুপালায়ম থেকে ছেড়ে উধাগামান্ডলম বা উটি পৌঁছায় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest