সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

মায়ের দুধই সারাবে শিশুর জটিল রোগ

স্বাস্থ্য কণিকা: সন্তান জন্মের ছয় মাস পর্যন্ত শিশুকে মায়ের বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার খাওয়ানোর কোনো প্রয়োজন নেই। মায়ের বুকের দুধ খেলে শিশু সুস্থ থাকে আর বিভিন্ন জটিল রোগেরও সমাধান মেলে। শিশুর শ্রেষ্ঠ খাবার মায়ের বুকের দুধ। এতে রয়েছে শিশুর বেঁচে থাকা ও বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি। রয়েছে কিছু অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান, যা শিশুকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। শিশুর বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে সাহায্য করে। শিশুর জন্য মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই। আসুন জেনে নেই শিশুকে মায়ের দুধ কেন খাওয়াবেন।

কমপক্ষে ৬ মাস
বিশেষজ্ঞদের মতে শিশুকে কমপক্ষে চার থেকে ছ’মাস বুকের দুধ পান করানো উচিত৷ কারণ এতে শিশুর ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন বাড়া, অ্যালার্জি এবং ইনফেকশনের ঝুঁকি কমে।

ফুসফুসকে শক্তিশালী
মায়ের দুধ সরাসরি পান করার মধ্য দিয়ে শিশুর ফুসফুসও শক্তিশালী হয়৷

মায়ের উপকার
শিশু মায়ের দুধ পান করলে মায়ের স্তন ক্যানসার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে৷ তাছাড়া তাড়াতাড়ি মায়ের গর্ভকালীন ওজন কমাতেও সাহায্য করে এটি৷ তাছাড়া দুধ পান করানোর মধ্য দিয়ে মা এবং শিশুর মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর এবং মজবুত হয়৷

মা-বাবা
শিশু জন্মের পর তাকে মায়ের বুকের দুধ পান করানো হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবে নতুন মা-বাবাই৷ তবে শিশুর স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করলে মায়ের বুকের দুধই শিশুর জন্য সবচেয়ে উৎকৃষ্ট খাবার৷

বুকের দুধে সব পুষ্টিগুণই থাকে
মায়ের বুকের দুধে নবজাতক শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় সব পুষ্টিগুণই থাকে, যাতে একটি শিশু সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারে৷ এ কথা জানা যায় সাম্প্রতিক একটি গবেষণা থেকে৷

অ্যাজমার ঝুঁকি কমায়
মায়ের দুধ পান করলে শিশুর অ্যাজমার ঝুঁকি কমে শতকরা ৪০ ভাগ – এই তথ্যটি জানা যায় ক্যানাডিয়ান একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রতি গবেষণা থেকে৷ বলা বাহুল্য, জার্মানিতে শিশুরা যে রোগগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভোগে তা হলো অ্যাজমা বা হাঁপানি৷

প্রতি ফোঁটা দুধই শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ
একটি শিশু প্রতি মাসে যত দিন যতটুকু দুধই পান করুক না কেন, তার প্রতি ফোঁটাই অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগপ্রতিরোধ করতে সাহায্য করে৷ জানা যায়, প্যারিসের মাতৃদুগ্ধ বিষয়ক একটি গবেষণা গ্রুপের করা সমীক্ষা থেকে৷

তবে পাম্প করা দুধ নয়
যে শিশু সরাসরি মায়ের বুক থেকে দুধ পান করে তার অ্যাজমার ঝুঁকি কমে বেশি৷ পাম্প করে নিয়ে পরে দুধ খাওয়ালে নাকি উপকার কম হয়৷ কারণ ধারণা করা হয়, পাম্প করা দুধ ঠাণ্ডা হলে তার গুণ কমে যায়৷ তাই মায়ের দুধ সরাসরি পান করারই পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বযুদ্ধের বোমার কম্পন মহাকাশেও

অনলাইন ডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে বোমা হামলার ঘটনায় শুধু ভূমিই বিধ্বস্ত হয়নি, এর কম্পন বায়ুমণ্ডলেও অনুভূত হয়। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমনটাই দাবি করেছে যুক্তরাজ্যের রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। এসংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন ‘অ্যানালেস জিওফিসিকা’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ইউরোপের শহরগুলোতে বিপুল পরিমাণ বোমা নিক্ষেপের কারণে ভূমি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব ঘটনায় উৎপাদিত তরঙ্গ বায়ুমণ্ডলকে দুর্বল করার জন্য যথেষ্ট ছিল। পৃথিবীর উপরিতলের ১০০ থেকে ৩০০ মাইলের মধ্যে ওই কম্পনগুলো অনুভূত হয়। বায়ুমণ্ডলে বোমার এই প্রভাব এর আগে অজানাই ছিল।
রিডিং ইউনিভার্সিটির গবেষক অধ্যাপক ক্রিস স্কট জানান, তিনি যুক্তরাজ্যের রেডিও রিসার্চ স্টেশনের পুরনো উপাত্তগুলো নিয়ে কাজ করেছেন। জার্মানি ও ফ্রান্সের শহরগুলোতে বোমা হামলার দিনক্ষণের সঙ্গে ওই কম্পনের তথ্য মিলে যায়। অর্থাৎ ওই সময় মিত্র বাহিনীর
বোমা হামলার সঙ্গে ওই কম্পনের সম্পর্ক আছে। যেটি বায়ুমণ্ডলকে অনেকখানি দুর্বল করে দেয়। স্কট ও তাঁর সহকর্মীরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ইউরোপে ১৫২টি বড় বিমান হামলার রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফখরুলসহ বিএনপির ৭ নেতার আগাম জামিন

দেশের খবর: সরকারবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৭ নেতার আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সংশ্লিষ্ট মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন জমা না দেয়া পর্যন্ত তাদের আগাম জামিন দেওয়া হয়। জামিন সংক্রান্ত আবেদন শুনানি নিয়ে বুধবার (৩ অক্টোবর) হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ ও বিচারপতি কাশেফা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বিএনপি নেতাদের পক্ষে শুনানি করবেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
জামিন পাওয়া অন্য নেতারা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আমান উল্লাহ আমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
এর আগে গত ১ অক্টোবর হাতিরঝিল থানায় সরকারবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছ পুলিশ।
মামলায় দলটির কেন্দ্রীয় নেতা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী ও যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমানকেও আসামি করা হয়।
ইতোমধ্যেই এ মামলায় স্থায়ী কমিটিরি এক সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও আইন সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন।
মামলায় পুলিশ বলছে, বিএনপি কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে ৩০ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করে। সেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সরকারবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন।
মামলায় বলা হয়, বিএনপির এসব নেতার এমন বক্তব্যের পর ১ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে হাতিরঝিল থানার মগবাজার রেলগেট এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ৭০ থেকে ৮০ জন নেতাকর্মী জড়ো হন। তারা রাস্তায় যান চলাচলে বাধা দেন। পুলিশ জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের সড়ক অবরোধ না করতে অনুরোধ করে। কিন্তু পুলিশের অনুরোধ উপেক্ষা করে তারা পুলিশকেই হত্যার উদ্দেশ্যে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। সেখানে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং একটি বাস ভাঙচুর করা হয়। প্রতিরোধের চেষ্টা করলে তারা লাঠি দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মারধর শুরু করেন এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান।
মামলায় আরো বলা হয়, ভাঙচুর করা গাড়িগুলো আত্মরক্ষার্থে দ্রুত চলে যাওয়ায় গাড়ির নম্বর সংগ্রহ করতে পারেনি পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলকাতায় বোমা বিস্ফোরণে শিশুসহ মা নিহত, আহত ১১

বিদেশের খবর: কলকাতায় একটি বহুতল ভবনের সামনে একটি গুদামে বোমা বিস্ফোরণে শিশুসহ এক মা নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গতকাল মঙ্গলবার সকালে দমদম বিমানবন্দরের কাছে নাগেরবাজারে যশোর রোডের ওপর একটি মিষ্টির দোকানের পাশে গুদামে এ বিস্ফোরণ হয়।
কারা এ বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত তা এখনও স্পষ্ট করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, এ ঘটনার পেছনে রয়েছে বিজেপি এবং আরএসএসএর হাত। বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় ছিটকে পড়েন কয়েকজন। ভেঙে যায় ওই গুদামের শাটার। পাঁচতলা বাড়ির নিচে মিষ্টির দোকান, ফ্ল্যাটগুলোর ভেতরের কাচের জিনিসপত্রও ভেঙে যায়। নিহত শিশুর নাম বিভাস ঘোষ (৪) ও তার মায়ের নাম সীতা ঘোষ।
সিআইডি সূত্র জানায়, বিস্ফোরণের তীব্রতা থেকে অনুমান, বোমায় স্প্লিন্টারের চেয়ে বিস্ফোরক বেশি ছিল। তাই হতাহতের সংখ্যা কম। কোথা থেকে এ বোমা এল তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কবরের স্মৃতি ফলকের পরিবর্তে আইফোন

অনলাইন ডেস্ক: কবরের স্মৃতি ফলকের পরিবর্তে রাখা হয়েছে আইফোন। দেখতে ছোট সাইজের। না যন্ত্রের তৈরি আইফোন নয়। বিরল আগ্নেয়গিরিজাত ধাতব পদার্থ বাসল্ট দিয়ে তৈরি। স্বাভাবিকভাবেই চকচক করছে অনেক দূর থেকেই। কিন্তু কবরস্থানের মতো জায়গায় ৫ ফুট উঁচু আইফোন কী করে এলো? তাছাড়া এত খরচ করে চকচকে আইফোন তৈরি করার প্রয়োজনীয়তাই বা কী।

প্রথমে অনেকে মনে করেছিলেন। এটা বিজ্ঞাপনী চমক দেওয়ার বিষয়। গোরস্থানে এমন বিজ্ঞাপন দেওয়ার প্রয়াসের নিন্দাও করেছেন অনেকে। কিন্তু আসল ঘটনা অন্য।
না কোনও বিজ্ঞাপনী চমক নয়। আইফোনটি বানানো হয়েছিল বছর পঁচিশের এক তরুণীর স্মৃতিতে। রীতা শমিভা নামের বছর পঁচিশের ওই তরুণী থাকতেন রাশিয়ার উফা শহরে। তার কবরের সামনে ‘গ্রেভ-স্টোন’ হিসেবে আইফোন আকৃতির স্মৃতিসৌধটি তৈরি।
জানা গেছে, রীতা শামিভা নামের তরুণীর মৃত্যু হয়েছিল ২০১৬ সালে। তারপর থেকেই তার বাবা রাইস শামিভা মেয়ের স্মৃতিতে এমন একটি সৌধ বানানোর পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু বিরল বাসল্ট দিয়ে তৈরি করার খরচ ছিল প্রচুর। তাই প্রায় দু’বছর সময় লেগে যায় টাকা জমাতে। অবশেষে এবছর জানুয়ারিতে মেয়ের মৃত্যুর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে শুরু করেন সৌধ তৈরি করা। সম্প্রতি আইফোন তৈরির কাজ শেষ হয়েছে।
প্রশ্ন হলো, হঠাৎ মেয়ের কবরের কাছে আইফোন তৈরির সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া। হ্যাঁ, যেমনটা ভাবছেন তেমনটাই। মেয়েটি অত্যন্ত মোবাইল-আসক্ত ছিল। বলা ভালো, আইফোন-আসক্ত ছিল। নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসত তার আইফোনটিকে। বেড়াতেও ভালোবাসত রীতা।
সেলফিপ্রেমী রীতাকে শ্রদ্ধা জানাতে তাই আইফোনের সৌধই সবচেয়ে সহজ উপায় হবে বলে মনে করে তার পরিবার।
রীতা শমিভা নামের বছর পঁচিশের ওই তরুণী থাকতেন রাশিয়ার উফা শহরে। কবরের সামনে ‘গ্রেভ-স্টোন’ হিসেবে আইফোন আকৃতির স্মৃতিসৌধটি তৈরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আমার গানেই শাহরুখ রকস্টার’

বিনোদনের খবর: আগের মতো গান গাইতে ডাক পান না। ডাক পড়ে না টেলিভিশন শোতেও। কিন্তু বিতর্কিত মন্তব্য করে বরাবরই লাইম লাইটে চলে আসেন গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য।
এবার তার নিশানা বলিউড ‘বাদশা’শাহরুখ খান। অভিজিতের দাবি, তার জন্যই সুপারস্টার হতে পেরেছিলেন শাহরুখ খান। তিনি গান গাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন বলেই মুখ থুবড়ে পড়েছে বাদশা খানের ক্যারিয়ার।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে অভিজিৎ বলেন, ‘আমার গলায় অনেক সুপারস্টার তৈরি হয়েছে। যত দিন শাহরুখ খানের জন্য গান গেয়েছি, ততদিন রকস্টার ছিলেন উনি। যেই বন্ধ করে দিয়েছি তার পতন ঘটেছে। এতটাই পতন ঘটেছে যে আজ লুঙ্গি ডান্সে এসে পৌঁছেছেন।’

কেউ তাকে বাদ দেননি, বরং তিনি নিজেই শাহরুখের হয়ে গাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন বলে দাবি অভিজিতের। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে তিনি বলেন, সামান্য কারণেই শাহরুখের জন্য গাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। ‘ম্যায় হু না’ ছবির শেষ দৃশ্যে স্পট বয় থেকে শুরু করে ছবির সঙ্গে যুক্ত সবাইকেই দেখানো হয়েছিল। বাদ গিয়েছিলেন শুধু গায়করা। ‘ওম শান্তি ওম’এও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। সবাই ধুম তানা গানটা গাইছিল, যা কিনা আমার গলায়। কিন্তু কোথাও তা উল্লেখ পর্যন্ত করা হয়নি। ওই ঘটনায় আমার আত্মসম্মানে আঘাত লেগেছিল। কিন্তু যেচে আমার নাম যোগ করতে বলতে যাব কেন? আমার মধ্যে তো কোনও কমতি নেই। তা হলে আমি ওদের সামনে হাত পাতব কেন?

এ মুহূর্তে নিজেকে বলিউডের অংশ বলে মানতেও নারাজ অভিজিৎ। তার কথায়, এর চেয়ে নিজেকে সঙ্গীত জগতের অংশ বলতে ঢের ভাল লাগে। অবশ্য এই প্রথম নয়। আগেও বিতর্কিত মন্তব্য করে একাধিকবার আলোচনায় আসেন অভিজিৎ।

২০১৬ সালে পাকিস্তানি অভিনেতাদের ভারতে কাজ করা নিয়ে আপত্তি তোলে কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তার জেরে বিপাকে পড়েন পরিচালক করণ জোহর। কারণ ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবিতে দুই পাকিস্তানি অভিনেতা ফাওয়াদ খান এবং ইমরান আব্বাসকে নিয়ে কাজ করেছিলেন তিনি। সেই সময় গোটা বলিউড তার পাশে দাঁড়ালেও, বিপক্ষে কথা বলেন অভিজিৎ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় করণ জোহরকে সমকামি বলে উল্লেখ করে বিদ্রুপ করেন। শাহরুখ, সালমান এবং আমিরকে নির্লজ্জ পাকিস্তানি দালাল বলেও মন্তব্য করেন এ গায়ক ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উন্নয়ন মেলায় পাঁচ ঘণ্টায় মিলবে পাসপোর্ট

দেশের খবর: চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায় জরুরি রি-ইস্যু আবেদনের ক্ষেত্রে ৫ ঘণ্টায় পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। কেউ যদি দুপুর ১২টার মধ্যে পাসপোর্টের আবেদন করেন তাহলে তাকে বিকেল ৫টার মধ্যে নতুন পাসপোর্ট দেয়া হবে।
বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন খান বলেন, ৪-৬ অক্টোবর উন্নয়ন মেলায় আমাদের স্টলে রি-ইস্যু এক্সপ্রেস ডেলিভারির (ফি ৬,৯০০ টাকা ভ্যাটসহ) জন্য যারা আবেদন করবেন তারা ১ দিনে পাসপোর্ট পাবেন। কেউ যদি দুপুর ১২টার মধ্যে পাসপোর্টের আবেদন করেন তাহলে তাকে বিকেল ৫টার মধ্যে নতুন পাসপোর্ট দেয়া হবে। শুধু রি-ইস্যুর অর্থাৎ যাদের পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না তাদের ক্ষেত্রে একদিনে পাসপোর্ট দেয়া হবে।
পাসপোর্ট অফিস সূত্র জানায়, আগামী ৪ থেকে ৬ অক্টোবর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার মাঠে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী উন্নয়নের অভিযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ স্লোগানে ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একযোগে সারাদেশে উন্নয়ন মেলা উদ্বোধন করবেন।
মেলায় ইমিগ্রেশন ও পাসপার্ট অফিসের জন্য বরাদ্দ স্টল ১৮৭ থেকে ১৮৯ থেকে বিভিন্ন সেবা দেওয়া হবে। সেবাগুলো হলো- পাসপোর্ট আবেদনপত্র গ্রহণ, জরুরি রি-ইস্যু আবেদনের ক্ষেত্রে দিনে দিনে পাসপোর্ট ইস্যু, বেসরকারি ব্যাংকের বুথ স্থাপনের মাধ্যমে সরাসরি অনলাইনে পাসপোর্ট ফি দেওয়া এবং পাসপোর্ট ও ভিসা সম্পর্কিত সব ধরনের তথ্য সরবরাহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনায় বোমাসহ বিএনপি-জামায়াতের ৬ নেতাকর্মী আটক

অনলাইন ডেস্ক: খুলনায় হাতে তৈরি বোমা, হাতুড়ি ও রডসহ বিএনপি-জামায়াতের ৬ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (০২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, এরশাদ আলী খান (৩৩), নোয়াব আলী (৩৫), আসাদ শেখ (৩২), হাসিবুর রহমান (২২), রফিকুল ইসলাম (৪৫) ও আলমগীর হোসেন (৩৫)। এদের মধ্যে আলমগীর হোসেন জামায়াত ও বাকি পাঁচজন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস রঞ্জন দাস বলেন, রাত ৩টার দিকে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা নাশকতা সৃষ্টির জন্য দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের সামনে জড়ো হয়।
পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে উপস্থিত হলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশ ৫ রাউন্ড শটগানের গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৪টি হাত বোমা, ২টি রামদা ও হাতুড়িসহ ওই ৬ জনকে আটক করে। বাকিরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে ৬৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও অনেক ব্যক্তির নামে দিঘলিয়া থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest