সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

বাংলাবিদদের গান শোনাবেন রুনা লায়লা

বিনোদনের খবর: শুদ্ধ উচ্চারণ, বানানচর্চা ও ব্যাকরণের সঠিক ব্যবহার বাড়াতে ২০১৭ সাল থেকে শুরু হয় বাংলা ভাষা বিষয়ক প্রতিযোগিতা ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’। তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধূ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে ৬জন প্রতিযোগিকে নিয়ে ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’ এর মহোৎসব-এর দ্বিতীয় আসর। এ আসরে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন রুনা লায়লা। অতিথি বিচারকের আসনে থাকবেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
সেরা ৬জন প্রতিযোগি হলেন, কারিন আশরাফ ঈন (ঢাকা), আফিয়া ইবনাত শুচি (রংপুর), সাদিয়া অফরোজ অন্তু (রংপুর), এহসানুল কাদির শান্ত (খুলনা), ধ্রুব মন্ডল (বরিশাল) এবং দেবস্মিতা সাহা (চট্টগ্রাম)। এর সবাই সপ্তম থেকে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
এ আয়োজনে আরও থাকবে বিভিন্ন অঙ্গণের তারকাদের অংশগ্রহণে নানা পরিবেশনা। এবারের প্রতিযোগিতার বিচারক আছেন অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, কথাশিল্পী আনিসুল হক ও অভিনেত্রী ত্রপা মজুমদার।
সেরা বাংলাবিদকে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে ১০ লাখ টাকার মেধাবৃত্তি। দ্বিতীয় স্থান অধিকারী পাবে পাবে ৩ লক্ষ টাকা এবং তৃতীয়স্থান অধিকারী পানে ২ লক্ষ টাকা। সেরা বাংলাবিদ, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীসহ সেরা ১০ জনের সবাই আরো পাবে ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার সাজানোর জন্য বই, আলমারী এবং ল্যাপটপ। এবারও প্রতিযোগিতার স্লোগান থাকছে ‘বাংলায় জাগো ভরপুর’।
ইস্পাহানির অনুপ্রেরণায় অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করবে চ্যানেল আই। প্রতিযোগিতাটি উপস্থাপনা করছেন খায়রুল বাশার। পরিচালনা করছেন তাহের শিপন। অনুষ্ঠানটি সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিট থেকে সরাসরি প্রচার করবে চ্যানেল আই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কানাডার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব হারালেন সুচি

বিদেশের খবর: আনুষ্ঠানিকভাবে কানাডার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব হারালেন মিয়ানমারের বেসামরিক অংশের নেত্রী অং সান সুচি। মিয়ানমারের রাখাইন অঙ্গরাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতনে ভূমিকা রাখার দায়ে কানাডার পার্লামেন্ট গতকাল মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে তার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব বাতিল করে দিয়েছে কানাডার পার্লামেন্ট।
সুচি হচ্ছেন কানাডার ইতিহাসে প্রথম ব্যক্তি যার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কানাডার পার্লামেন্ট মঙ্গলবার সর্বসম্মতভাবে তার নাগরিকত্ব বাতিলের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ২০০৭ সালে তাকে এই নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছিল।
গত সপ্তাহে দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্স একইভাবে সর্বসম্মতিক্রমে তার নাগরিকত্ব বাতিলের পক্ষে ভোট দেয়।
গত মাসে জাতিসংঘের একটি তথ্য-অনুসন্ধানী মিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী গত বছর পদ্ধতিগতভাবে হাজার হাজার বেসামরিক রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যা করেছে। তাদের গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে, গণধর্ষণ করেছে ও জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালিয়েছে।
জাতিসংঘের মিশনটি মিয়ানমারের শীর্ষ জেনারেলদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তদন্তের আহবান জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে হাউজ অফ কমন্স বলেছে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর মানবতাবিরোধী অপরাধকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছে। মঙ্গলবার নিম্নকক্ষ সিনেটও সামরিক বাহিনীর নৃশংসতাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকার করে নিয়েছে।
সিনেটর রত্না অমিদভার বলেন, আমাদের এই নৃশংসতাকে এর সত্যিকার পরিচয়ে চিনতে হবে। এটা গণহত্যা। আর আমাদের এটাকে এই নামেই ডাকা উচিত।
প্রসঙ্গত, অমিদভারই সুচির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন পার্লামেন্টে। -আল জাজিরা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দিবালার হ্যাটট্রিকের রাতে রোনালদো দর্শক

খেলার খবর: নিষেধাজ্ঞায় থাকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অনুপস্থিতির দায়িত্বটা যেন কাল একাই কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন পাওলো দিবালা। ২৪ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ডের হ্যাটট্রিকে ১০জনের ইয়ং বয়েজকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্তাস।

ঘরের মাঠ আলিয়াঁজ এরিনাতে মঙ্গলবার রাতে দর্শক হিসেবে ম্যাচ উপভোগ করেছেন রোনালদো। প্রথম ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে লাল কার্ড পাওয়ায় এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞায় আছেন পর্তুগিজ এই তারকা। কিন্তু রোনালদোর অনুপস্থিতি কোনোভাবেই বুঝতে দেননি দিবালা। দারুণ নৈপুণ্যে তিনি সিরি-আ চ্যাম্পিয়নদের গ্রুপ ‘এইচ’ এ দ্বিতীয় জয় উপহার দিয়েছেন।

দিবালার প্রথম গোলটি ছিল অসাধারণ। ৫ মিনিটে সেন্টার-ব্যাক লিওনার্দো বনুচ্চি মোহাম্মদ আলি কামারার মাথার উপর দিয়ে দুর্দান্ত এক পাস দেন দিবালাকে। আর্জেন্টাইন এই তারকা বাম পায়ের প্লেসিং শটে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন। দ্বিতীয় গোলটিতে কৌশলগত দক্ষতার তুলনায় আক্রমনাত্মক মনোভাবই বেশী ছিল। ৩৩ মিনিটে ব্লেইস মাতৌদির শক্তিশালী শট ইয়ং বয়েস গোলরক্ষক ডেভিড ফন বালমুস ধরতে ব্যর্থ হলে ফিরতি বলে দিবালা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।

প্রথমার্ধেই নিজের হ্যাটট্রিক পূরণের সুযোগ নষ্ট করেন দিবালা। ফেডেরিকো বারনাডডেশির কাট-ব্যাক ক্রস থেকে দিবালার ডান পায়ের শট অল্পের জন্য গোলের ঠিকানা খুঁজে পায়নি। তবে ৬৯ মিনিটে আর ভুল করেননি তিনি। ডান দিক থেকে হুয়ান কুয়াড্রাডোর পাস জালে জড়িয়ে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে পরপর দুই হলুদ কার্ড পেয়ে ইয়ং বয়েস ডিফেন্ডার কামারা মাঠ ত্যাগ করলে বাকি ১৩ মিনিট সফরকারীদের ১০জন নিয়ে লড়াই করতে হয়েছে। এই নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পরপর দুই ম্যাচে তিনটি করে গোল হজম করতে হয়েছে ইয়ং বয়েজকে।

গত মৌসুমে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছানো জুভেন্তাসের হয়ে দিবালা মাত্র এক গোল করেছিলেন। রোনালদো জুভেন্তাসের আসার পরেও ২৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড এখনো মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রির দলে মূল খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। সব ধরনের প্রতিযোগিতায় শেষ তিনটি ম্যাচে দিবালা এ পর্যন্ত চার গোল করেছেন। এই নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বে টানা ১৯টি হোম ম্যাচে অপরাজিত আছে জুভেন্তাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মা-বাবাসহ মাদরাসা ছাত্রীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

অনলাইন ডেস্ক: বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারী এনে একই পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে জখমসহ ১৭ বছর বয়সী মেয়েকে গাছের সাথে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফাইতং ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্যাতিত মাদরাসা ছাত্রীসহ আহতদের উদ্ধার করে এবং পাশ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের ভর্তি করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ২ জন হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে।
মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ফাদুরছড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জানা গেছে, ফাইতং ফাদুর ছড়া গ্রামে মৃত তফুর আলীর পুত্র আবদুল করিম এর সাথে একই এলাকার নুরুল ইসলামের পুত্র মো. ফারুক পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
উক্ত বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সালিস বৈঠকে ও থানার বিচারে আবদুল করিম এর পক্ষ রায় পায়। স্থানীয় বিচার সালিস না মেনে ফারুক বান্দরবান জেলা জজ আদালতে মামলা করে অসহায় কৃষক পরিবারকে হয়রানি করে আসছিল। এতে ক্ষান্ত না হয়ে মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) দুপুরে চকরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অস্ত্রধারী ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী এনে আবদুল করিম এর জমি জোর পূর্বক জবর দখলে নেয়ার চেষ্টা করে।
এক পর্যায়ে প্রকাশ্য দিবালোকে হামলাকারী ফারুক ও তার ভাই সাইফুল, বারেকসহ ভাড়াটিয়া শতাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। হামলাকারীরা গৃহকর্তা আবদুল করিম, তার স্ত্রী ছফুরা খাতুন (৫০), মৃত আলী আহমদের পুত্র নুর মোহাম্মদ (৪০) কে হাত বেঁধে মারধর করে এবং করিমের মাদরাসা পড়ুয়া মেয়ে জোহাইরা বেগম (১৭) কে গাছের সাথে হাত-পা ও মুখ বেঁধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।

এ সময় ফারুক ও তার সঙ্গীরা করিমের বাড়িতে রক্ষিত স্থানীয় ফাইতং বায়তুল মামুর মসজিদের ১ লাখ টাকাসহ বাড়ির নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং মালামালসহ মোট ৫ লক্ষাধিক টাকার জিনিসপত্র নিয়ে যায়।

ফাদুরছড়া এলাকার ওয়ার্ড মেম্বার থোয়াই হ্লা মার্মা বলেন, এই ধরণের নির্যাতন মানুষ করতে পারে না। ফারুক ও তার সঙ্গীরা অমানুষ। এলাকার লোকজন এগিয়ে না গেলে তারা করিমের পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলত। তার মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়টি মর্মান্তিক।

লামা থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তকারী অফিসার পুলিশের উপ-পরিদর্শক জয়নাল আবেদীন বলেন, হামলাকারীরা মাদরাসা ছাত্রী জোহাইরা বেগমকে রশি দিয়ে গাছের সাথে প্রকাশ্যে বেঁধে নির্যাতনের এক পর্যায়ে মাদরাসা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানীরও চেষ্টা চালায়। নির্মম এই দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে স্থানীয় লোকজন ফাইতং পুলিশ ফাঁড়িকে খবর দিলে পুলিশ আহত ও নির্যাতিতদের উদ্ধার করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ফারুক ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাদশাকে গ্রেফতার করে এবং অন্যান্য হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা জানিয়েছেন, ফাইতংয়ে জমি জবর, হামলা ও নির্যাতনের খবর পেয়ে ফাইতং পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনাস্থল থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বামীর ফোনে তল্লাশি চালানোয় স্ত্রীর তিন মাসের জেল

অনলাইন ডেস্ক: স্বামীকে না জানিয়ে তার ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করায় এক নারীকে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি আদালত।
ইউএইর রাস আল খাইমাহ অঞ্চলের অধিবাসী এক ব্যক্তি স্ত্রীর বিরুদ্ধে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করলে বিচারকাজ শেষে মঙ্গলবার দেয়া রায়ে স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত।
অভিযোগপত্রে স্বামী লিখেছিলেন, তার স্ত্রী অজ্ঞাতসারে তার ফোনে তল্লাশি চালিয়েছেন। এমনকি পরে যেন সব ঘেঁটে দেখতে পারেন, সেজন্য অন্য আরেকটি ডিভাইসে স্বামীর ফোন থেকে সব তথ্য কপি করেও রেখেছিলেন।
ডেইলি মেইল জানায়, ওই ব্যক্তি একদিন হঠাৎই টের পান, তিনি ঘুমিয়ে আছেন মনে করে স্ত্রী তার ফোন স্ক্রল করে সেখানে কী কী আছে দেখছেন। এরপর তিনি ফোনে থাকা ছবি আর চ্যাটগুলোও নিজের ফোনে ট্রান্সফার করে নিলেন যেন নিজের ভাইবোনদের দেখাতে পারেন।
এটা টের পাওয়ার পরই স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি।
তবে অভিযুক্ত নারীর দাবি, তার স্বামীই তাকে নিজের পাসওয়ার্ড দিয়ে তার ফোন দেখার অনুমতি দিয়েছিলেন। কেননা এর আগে তিনি অন্য নারীদের সঙ্গে চ্যাট করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন।
ইউএইতে সাইবার অপরাধ বিষয়ক, বিশেষ করে অনলাইনে ব্যক্তির গোপনীয়তা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আইন খুবই কড়া।
তবে টুইটারে অনেকে স্ত্রীর পক্ষে নানারকম পোস্ট দিয়েছেন। একজন এক টুইটবার্তায় বলেন, ‘যদি স্ত্রী স্বামীর কর্মকাণ্ডে সন্দেহপ্রবণ না হতেন, তাহলে নিশ্চয়ই ফোন ঘেঁটে দেখতেন না। নিজের স্ত্রীকে জেলে পাঠানো কি তার জন্য লজ্জাজনক নয়?’
অন্যরা আবার মনে করছেন মহিলা জেল খাটাই উচিত। একজন টুইট করে বলেছেন: ‘সে (স্ত্রী) এটারই যোগ্য। কে বলেছিল না বলে ফোন ঘাঁটতে?’
স্থানীয় পত্রিকা ইমারাত আল ইয়াওম’কে আইনজীবী রায়েদ আল আওরাকি ও মোহাম্মদ জাদ আল মাওলা জানান, অনুমতি ছাড়া যেকোনো ব্যক্তির মোবাইল ফোনের তথ্য দেখা ও খোঁজা দেশটিতে বেআইনি। এমনকি বাবা-মা ও বিবাহিত যুগলের ক্ষেত্রেও বিষয়টি প্রযোজ্য।

গত আগস্ট মাসে ইউএইর প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা এই নতুন সাইবার অপরাধ আইন ইস্যু করেন। এই আইনে অপরাধ প্রমাণ হলে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলকাতায় শাকিবের বাজার তৈরি হয়নি

অনলাইন ডেস্ক: এদেশে ব্যবসা করতে পারবে না, তাই শাকিবকেও আর অভিনয়ে নেবে না। অর্থাৎ শাকিব খানকে চলচ্চিত্রে নেওয়া হয় শুধু ব্যবসার খাতিরে। এদেশের সিনেমা বাজার ধরার জন্য কলকাতার প্রযোজকেরা অর্থ লগ্নি করা শুরু করে। নামী দামি সব তারকা নিয়ে ছবি তৈরি করা হয়। বাংলাদেশ থেকে সবার আগে বেছে নেওয়া হয় শাকিব খানকে। কারণ শাকিব থাকা মানে বাংলাদেশে সেই ছবি হিট।
সম্প্রতি কলকাতার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে মুভিজ বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অশোক ধানুকা বলেন, ‘শাকিবের সঙ্গে আপাতত আর কাজ হচ্ছে না। শ্রাবন্তীর সঙ্গে একটা ছবি করার কথা থাকলেও সেটাও আর করছি না। কলকাতার লোকাল প্রোডাকশনে শাকিবকে নিয়ে ছবি বানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শাকিবকে ৬০ লাখ টাকা সম্মানী দেওয়া সম্ভব না।’ অবশ্য ক’দিন আগেও জানা গিয়েছিল শাকিব এসকে মুভিজকে শিডিউল দিতে পারছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা বলেন, শাকিবকে নিয়ে একের পর এক ছবি ওরা করে যাচ্ছিল শুধু বাংলাদেশের বাজার ধরার জন্য। ওরা জানে যে শাকিবের একচ্ছত্র জনপ্রিয়তা রয়েছে। আবার দেখেন লোকাল প্রোডাকশনে শাকিবকে নেবে না। অর্থাৎ শাকিবের বাজার কলকাতায় এখনও গড়ে ওঠেনি। অর্থাৎ তাঁদের লক্ষ্যই শাকিবকে মূল কাস্টিং রেখে বাংলাদেশের বাজার ধরা।
অর্থাৎ শাকিবকে নেওয়াই হতো বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের বাজার টার্গেট করে, কলকাতার লোকাল বাজার নয়। অশোকা ধানুকার বক্তব্য থেকে বোঝা যায় শাকিবকে দিয়ে কলকাতায় বিনিয়োগ করা অর্থ তুলে আনা সম্ভব নয়। অশোক ধানুকার বক্তব্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে শাকিবের বাজার এখনো সেভাবে তৈরি হয়নি। ইতোপূর্বে কলকাতার প্রযোজকদের দেখা গেছে এদেশে ছবি মুক্তি দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠতে। এমনকী কলকাতার পরিচালক জয়দীপ মুখার্জি বাংলাদেশের পরিচালক সমিতির সদস্যও হতে চেয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন কালের কণ্ঠকে বলেন, আসলে কলকাতার প্রযোজকদের বিনিয়োগ কোনো কাজে আসছিল না। বিনিয়োগ করলে দুই দেশের উপকার হবার কথা। কিন্তু কলকাতার জনবল দিয়ে একটি ছবি করে ওরা বাংলাদেশের ছবি হিসেবে দেখাতে চায়। প্রকৃতপক্ষে সেখানে বাংলাদেশের জনবল নেই। যেটা বিনিয়োগ বোর্ডের আইন পরিপন্থী।
তিনি বলেন, এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনে যেভাবে বিনিয়োগ করা হয় চলচ্চিত্রেও সেভাবেই বিনিয়োগ করতে হবে। তাহলে আমাদের দেশের দৃশ্যত উপকার হবে। কিন্তু ওরা বিকল্পপথে বাংলাদেশের বাজার ধরতে চায়। কলকাতার প্রযোজকেরা চলে গেলে চলচ্চিত্রের কোনো ক্ষতি হবে না। বরঞ্চ সরকার র‍্যাপিডলি কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছে যেটার কারণে এক দেড় বছরের মধ্যে চলচ্চিত্রের অবস্থার আমূল পরিবর্তন হবে।
অশোক ধানুকা বলেন, না, আমরা একের পর এক লস দিয়ে যাচ্ছি। এভাবে ব্যবসা টিকে থাকতে পারে না। ভারতে সিনেমার জন্য আমাদের বিশাল বাজার, সেই বাজার ছেড়ে এখানে এসে আমি ক্রমাগত লস করতে পারবো না। ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকছি।
সম্প্রতি শাকিব খান অভিনীত নাকাব ছবিটি কলকাতা ও বাংলাদেশে মুক্তি পেয়েছে। ছবিটি শুক্র ও শনিবার বাংলাদেশে ভালো ব্যবসা করলেও পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহগুলো সেখানের ছুটিরদিনেও ছিল একদম ফাঁকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অনুমোদন

বেতন কাঠামোর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড (আগের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরি) পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

শফিউল আলম জানান, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়ার পর আগামী দু-তিনদিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে গঠিত কোটা পর্যালোচনা কমিটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সুপারিশ জমা দেয়। কমিটি নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা উঠিয়ে দেয়ার প্রস্তাব করে। প্রস্তাবটি অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বেতন কাঠামোর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা থাকবে না। তবে আগের (১৪তম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেড) তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বহাল থাকবে।’

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে গত ২ জুলাই কোটা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে তা সংস্কার বা বাতিলের বিষয়ে সুপারিশ দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে সরকার।

কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। ৮ জুলাই প্রথম সভা করে কমিটি। পরে কমিটির মেয়াদ আরও ৯০ কার্যদিবস (৩ মাস) বাড়ানো হয়।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে সংরক্ষিত কোটা ৫৬ শতাংশ। বাকি ৪৪ শতাংশ নেয়া হয় মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে। বিসিএসে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩০, জেলা কোটায় ১০, নারী কোটায় ১০ ও উপজাতি কোটায় ৫ শতাংশ চাকরি সংরক্ষণ আছে। এই ৫৫ শতাংশ কোটায় পূরণযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সেক্ষেত্রে এক শতাংশ পদে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগের বিধান রয়েছে।

এই কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছিলেন শিক্ষার্থীরা। কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধও করছিলেন তারা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও হয় আন্দোলনকারীদের। গ্রেফতারও হন আন্দোলনকারী নেতারা।

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১১ এপ্রিল জাতীয় সংসদে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোটা নিয়ে যখন এতকিছু, তখন কোটাই থাকবে না। কোনো কোটারই দরকার নেই। যারা প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী তাদের আমরা অন্যভাবে চাকরির ব্যবস্থা করে দেব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আসাদুজ্জামান বাবু’র নির্বাচনী মটরসাইকেল শোভাযাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক : কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু’র নির্বাচনী বিশাল মটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বুধবার সকাল থেকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠে আসাদুজ্জামান বাবু’র সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীরা মটরসাইকেলের বহর নিয়ে একত্রিত হতে থাকেন। ফলে কলেজ মাঠটি কানায় কানায় পূর্ণ হতে থাকে। সকাল ১০টায় আসাদুজ্জামান বাবু’র নেতৃত্বে বিশাল মটরসাইকেল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন করে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় সাতক্ষীরা জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল, জেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ সরদার, যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম রানা, পৌর কৃষকলীগের সভাপতি শামছুজ্জামান জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক শাহ মোঃ আনারুল, কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালুসহ জেলা আওয়ামীলীগসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন। শোভাযাত্রায় প্রায় ২ হাজার মটরসাইকেলে নৌকার পক্ষে বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত ফেস্টুন ও লিফলেট শোভা বর্ধন করে।
শোভাযাত্রার পূর্বে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে আমরা নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেছি। নমিনেশন কে পাবে এটা বড় কথা নয়। নৌকার সমর্থনে জনমত সৃষ্টিই আসল কথা। নৌকার বিজয় মানে আমাদের বিজয়। নৌকা থাকলেই দেশে চলমান উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। আগামী নির্বাচনে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest