সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন

শ্মশানে নিতেই নড়ে উঠল লাশ

অনলাইন ডেস্ক: শ্মশানে নিতেই নড়ে উঠল এক নারীর লাশ! ভারতে ওই নারীর মৃতদেহ শ্মশানের এক জায়গায় রেখে শবযাত্রীরা সৎকারের ব্যবস্থা করছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সিরিয়াল পাওয়ার জন্য শ্মশানে ঘুরছিলেন। হঠাৎ শবযাত্রীদের মধ্যে এক জনের চোখ যায় খাটের উপরে শোয়ানো নারীর দিকে। সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে ওঠেন তিনি, ‘হাত নড়ছে রে…!’
গত বৃহস্পতিবারের এমন ঘটনায় কলকাতার নিমতাল শ্মশানে সকলে মিলে হই হই করে ওঠেন। রিঙ্কু ঘোষ নামের ৩৩ বছর বয়সী ওই নারীর পরিবারের লোকজনেরা বলতে থাকেন, ‘উনি মরেননি, বেঁচে আছেন!’ নারীর দেহ ঘিরে সবাই ঝুঁকে দেখতে শুরু করে দেন। ভিড়ের মধ্যে থেকেই কাউকে বলতে শোনা যায়, ‘উনাকে হাওয়া (পাখা দিয়ে বাতাস করা) দিন, হাওয়া দিন।’
এক আত্মীয় আবার নারীর মাথায় বাতাস করতে শুরু করেন। সরিয়ে দেওয়া হয় ভিড়। কেউ কেউ আবার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেন। পুরো পরিস্থিতিকে ঘিরে শ্মশানে হুলুস্থূল পড়ে যায়। আর দেরি না করে নারীর দেহ তুলে নিয়ে হাসপাতালে ছুটেন আত্মীয়রা। কিন্তু হাসপাতাল থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, নারী অনেকক্ষণ মারা গেছেন। হাত-পা নড়ে ওঠার কোনো প্রশ্নই ওঠে না! মৃতের আত্মীয় যা দেখেছেন, তা নিঃসন্দেহে দৃষ্টিভ্রম কিংবা উদ্দেশ্যমূলক ব্যাপার।
কলকাতার গণমাধ্যম জানিয়েছে, বাগুইআটির বাসিন্দা রিঙ্কু ঘোষ বেশ কয়েক দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। বেলেঘাটা আই ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন রিঙ্কু। হাসপাতালের যাবতীয় নিয়ম-কানুন সেরে নারীর দেহ নিয়ে ওই দিন রাতেই সৎকারের জন্য নিমতলা শ্মশানে নেওয়া হয়। রাত ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে!
রিঙ্কু ঘোষের মৃতদেহ হাসপাতালে নেওয়ার পর তার আত্মীয়দের কথা শুনে চিকিৎসকেরাও তাজ্জব হয়ে যান। ভালো করে পরীক্ষা করে দেখা হয় দেহ। কিন্তু না, প্রাণের কোনো চিহ্নই মেলেনি। চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন, নারী দীর্ঘক্ষণ আগেই মারা গেছেন। শেষ পর্যন্ত আবারও রিঙ্কুর দেহ নিয়ে নিমতলা শ্মশানে যান তার আত্মীয়রা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রণবীর কাপুরের ট্যাটু নিয়ে ঘুরছেন দীপিকা

বিনোদনের খবর: দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিংয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানের সবকিছু ঠিকঠাক চললেও সম্প্রতি মুম্বাইয়ে দীপিকাকে যেভাবে দেখা গেল তা দেখে যেকেউ অবাক হবেন।
বিয়ের আর মাত্র দু’মাস বাকি। জল্পনা চলছিল কাঁধে বানানো ‘সাবেক’ প্রেমিকা রণবীর কাপুরের ট্যাটু নাকি বদলে ফেলবেন দীপিকা। অথচ, সম্প্রতি তাকে দেখা গেল ‘সাবেক’ রণবীর কাপুরের নামাঙ্কিত সেই আর কে ট্যাটু নিয়েই ঘুরে বেড়াতে। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় এসেছিলেন দীপিকা, আর তার চুল উপরে খোঁপা করা থাকায়, কাঁধে জ্বলজ্বল করছিল সেই আর কে ট্যাটু।
অনেকেই কটাক্ষ করে বলেন দীপিকা রণবীর কাপুরকে এখনও ভুলতে পারেননি। রণবীর সিংকে ঠকাচ্ছেন। দীপিকার কাঁধে এখনও রয়ে যাওয়া আর কে ট্যাটু নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।
প্রসঙ্গত, দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর কাপুরের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল ‘বাচনা ইয়ে হাসিনো’ ছবির সেটে। দুবছর সেই সম্পর্ক টিকে থাকার পর সেটা ভেঙে যায়। দীপিকার অভিযোগ ছিল রণবীর কাপুর তাকে ঠকিয়েছেন। তবে দীপিকাকে ঠকানোর কথা স্বীকার করে নিয়ে ছিলেন রণবীর কাপুর নিজেও। দীপিকার সঙ্গে সম্পর্কে থাকতে থাকতেই ক্যাটরিনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন রণবীর। দীপিকা তা মেনে নিতে পারেননি। তবে দীপিকা যে রণবীর কাপুরকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন সেবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এমনকি রণবীর কাপুরের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর মানসিক অবসাদেও চলে যান দীপিকা। পরবর্তীকালে ‘রণবীর’ নামেই রণবীর সিংয়ের প্রেমে পড়েন দীপিকা। আর রণবীর সিংও যে দীপিকা বলতে অজ্ঞান, সেকথা আর না বললেও চলে। তাদের সেই প্রেম খুব শীঘ্রই পরিণতি পেতে চলেছে। তবে এখনও দীপিকার কাঁধ থেকে মোছে নি ‘সাবেক’-এর নাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়ান গেমসে ভারতের রেকর্ড সংখ্যক পদক জয়

খেলার খবর: এশিয়ান গেমসে রেকর্ড সংখ্যক পদক নিজেদের ঘরে তুলেছে ভারত। শুটিং থেকে কুস্তি সর্বত্র নিজেদের প্রভাব দেখিয়ে জিতেছে পদক। বিভিন্ন খেলায় সর্বমোট ৬৯টি পদক জিতেছে ভারত। এরমধ্যে ১৫টি সোনা, ২৪টি রুপা, ৩০টি ব্রোঞ্জ রয়েছে।
এর আগে ২০১০ সালে ভারতের সবচেয়ে বেশি সোনা জয়ের নজির রয়েছে। গোয়াংঝাউ গেমসে ভারত জিতেছিল ১৪টি সোনা। সবচেয়ে কম সোনা জয়ের রেকর্ড ১৯৯০ সালে। এশিয়ান গেমসে ভারত সেবার মাত্র একটা সোনা জিতেছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানসিক চাপ কমাতে ব্যায়ামের উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: মানসিক চাপ বর্তমানে একটি বিশাল সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। ক্যারিয়ারের অনিশ্চয়তা, ভবিষ্যতের ভাবনা, দৈনন্দিন উদ্বেগ-উৎকন্ঠা প্রভৃতি মিলিয়ে মানুষের মাঝে বিপুল পরিমাণ স্ট্রেস জমা হয়। ক্রমাগত এইসব চাপ একত্রিত হয়ে শরীর ও মনের অনেক ক্ষতি করে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা শরীর ও মনের সুস্থতা ধরে রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন। মানসিক চাপ কমাতে, চলুন জেনে নেয়া যাক ব্যায়ামের উপকারিতাগুলো।

১. বিষন্নতা কাটাতে: কারও যদি মন খারাপ থাকে তাহলে কিছুক্ষণ ঘাম ঝরানো ব্যায়াম করতে পারেন। কারণ ব্যায়ামের কারণে নিঃসৃত হরমোন মনের চাপ কমাতে সাহায্য করে। মন খারাপ থাকলে কিছুক্ষণ দৌড়ান বা বাইরে হাঁটতে যান। তহলে আগের চেয়ে মন কিছুটা হলেও ভাল লাগবে।

২. আত্নবিশ্বাস বৃদ্ধিতে: অনেক সময় কারো সঙ্গে কথা বলতেই ইচ্ছে হয় না। আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি হলে এমনটা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত ব্যায়াম করলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি হলে সাঁতার কাটা কিংবা দৌড়ানো খুব ভাল কাজ দেয়।

৩. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে: আমরা যতক্ষণ কাজ করি ততক্ষণ মস্তিষ্কও সক্রিয় থাকে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের কোষগুলো কার্যকর থাকে এবং সারা শরীরে একটা সংযোগ তৈরি করে। এ কারণে নিয়মিত ব্যায়ামে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

৪. উদ্বিগ্নতা হ্রাসে: গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ব্যায়াম উদ্বিগ্নতা কমায়। কোন বিষয়ে দুশ্চিন্তায় থাকলে ৩০ মিনিট ব্যয়াম করুন। তাহলে উদ্বেগ অনেকটা দূর হবে।

৫. জীবনে শৃঙ্খলা তৈরী: নিয়মিত ব্যায়ামে নিজের মধ্যে এক ধরনের শৃঙ্খলা তৈরি হয়। কাজকর্ম ও ব্যস্ততার ভিড়েও নিজেকে গুছিয়ে সামনে এগিয়ে যাবার প্রেরণা সঞ্চারিত হয়।

৬. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে: শরীরচর্চার মাধ্যমে শরীর থেকে যত ঘাম নিঃসৃত হবে মস্তিষ্ক ততই শক্তিশালী হবে ।কোন বিষয় মনে রাখার ক্ষমতাও এতে বাড়ে। নিয়মিত ব্যায়াম শুধু শিশুদের না বড়দেরও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের যত্নে দুধের সর

অনলাইন ডেস্ক: ত্বকে উজ্জ্বলভাব আনার পাশাপাশি বয়সের ছাপ দূর করতে সাহায্য করে। ত্বকের যত্নে দুধের সরের উপকারিতাগুলো এখানে দেওয়া হল:
সবচেয়ে ভালো ময়েশ্চারাইজার: উন্নত চর্বিতে ভরপুর যা ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। ত্বকে কয়েক মিনিট দুধের সর মালিশ করলে তা ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে ক্ষতিগ্রস্ত কোষের ক্ষয় পূরণ করে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়: দুধের সর কেবল ভালো ময়েশ্চারাইজার-ই না বরং এটা ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতেও সাহায্য করে। সরের সঙ্গে মধু মিশিয়ে তা মুখে লাগান। মধু উচ্চ খনিজ সম্পন্ন যা ত্বক সুস্থ রাখে এবং আগের চেয়ে অনেক বেশি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
ত্বকের রং হালকা করে: ল্যাক্টিক অ্যাসিড ত্বকের পোড়াভাব দূর করে এবং প্রাকৃতিকভাবেই রং হালকা করে সার্বিকভাবেই ত্বক উন্নত করে।
কালো দাগ দূর করে: ত্বকের কালো দাগ দূর করতে আক্রান্ত স্থানে কয়েক মিনিট দুধের সর মালিশ করুন। ভালো ফলাফলের জন্য সরের সঙ্গে এক টেবিল-চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। শুকিয়ে আসলে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সর মৃত-কোষ দূর করে এবং নতুন কোষ গঠনে সহায়তা করে।
বয়সের ছাপ দূর করে: প্রাচীনকালে নারীরা ফেইস প্যাক বা স্ক্রাবার হিসেবে নিয়মিত দুধের সর ব্যবহার করতেন। এর প্রোটিন ও ভিটামিন কোষকলার উৎপাদন বাড়ায় এবং বয়সের ছাপ পড়া দূর করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ত্রোপচারের টেবিলে মিশা সওদাগর!

বিনোদনের খবর: লতি মাসেই ‘শাহেনশাহ’ ছবির শুটিং। কিন্তু সম্প্রতি, একটি ছবির শুটিং করতে গিয়ে আঘাত পেয়ে পায়ের লিগামেন্টে আঘাত পেয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি সভাপতি জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা সওদাগর।
এর আগে ২০১৬ সালে ‘মিসড কল’ ছবির শুটিং করতে গিয়ে ডান পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে গিয়েছিল মিশা সওদাগরের। আর সেই একই যায়গায় আবার আঘাত পেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে আপাতত বিশ্রামে আছেন তিনি।
চিকিৎসক তাকে ১৫ দিনের বিশ্রাম নিতে বলেছে। তাই সব শুটিংয়ের কাজ বন্ধ রেখে এখন বাসায় বিশ্রাম নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি বলেন, ‌‘এটা তো দুই বছর আগে শুটিংয়ের সময় প্রথম আঘাত পাই। এরপর কথা ছিল পরবর্তী মাসে অপারেশন হবে। কিন্তু নানা কারণে আর করা হয়নি। এবার আবারও একই জায়গায় ব্যথা পেলাম। অবস্থা খুব বাজে ছিল। এবার দ্রুতই অপারেশন করতে হবে।’
তিনি জানান, আপাতত ১০ দিনের পুরোপুরি বিশ্রামের কথা বলেছেন চিকিৎসক। সঙ্গে চলছে ওষুধ। আগামী মাসে তার ডান পায়ে সার্জারি হবে। তাই বাধ্য হয়েই দুটি সিনেমার শুটিং তারিখ পিছিয়ে দিতে হয়েছে। এখন পরিবারকে সময় দিচ্ছি। সবার কাছে দোয়া চাই যেন শিগগিরই সুস্থ হয়ে উঠতে পারি।”
এদিকে পরিবারকে সময় দেওয়ার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মিশা একটি পোস্টে লিখেছেন, “রিপোর্ট দেখে ডা. বললেন, ‘টু উইক্স রেস্ট!’ আর উনি (মিতা) বললেন,‘আমার জন্যে এই নিউজটাই বেস্ট।’ নেচার আর নারীর কাছে আমরা পরাজিত। পৃথিবীর সব মানুষ ভালো থাকুক।”
চলতি মাসেই ‘শাহেনশাহ’ ছবির শুটিং আছে জানিয়ে মিশা বলেন,‘‘চলতি মাসেই ‘শাহেনশাহ’ ছবির শুটিং আছে। আমি চাই না, আমার জন্য ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হোক। এটির কাজ শেষ করেই অপারেশন করব। কারণ এটি আমাকে ভোগাবে, বুঝতে পারছি।’’
এবারে ঈদুল আজহায় মিশার তিনপটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। তার মধ্যে ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবির জন্য প্রশংসিত হয়েছেন। ‘জান্নাত’ এবং ‘মনে রেখো’ দু্টিও সাড়া পেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথম কাশ্মীরি নারী পাইলট ইরাম হাবিব

বিদেশের খবর: ইরাম হাবিব। সংবাদ মাধ্যমে এখন জায়গা করে নিয়েছে এই নামটা। কারণ ৩০ বছর বয়স্ক ইরাম হলেন কাশ্মীরের প্রথম মুসলিম নারী পাইলট। এ মাসেই একটি প্রাইভেট এয়ারলাইনে পাইলট হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছেন তিনি।
তবে কাশ্মীরের মুসলিম সমাজ থেকে ইরামের এগিয়ে যাওয়ার লড়াইটা সহজ ছিল না বলেই জানা যায়। দ্বাদশ শ্রেণির পড়াশোনা শেষে ইরাম পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু এক্ষেত্রে তাকে সবাই নিরুৎসাহিত করে। তিনি ফরেস্ট্রিতে দেরাদুন থেকে স্নাতক এবং শের-ই-কাশ্মীর ইউনিভার্সিটি অব অ্যাগ্রিকালচারাল সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে স্নাতকোত্তর পাস করেন। ফরেস্ট্রি নিয়ে লেখাপড়া করলেও তার পাইলট হওয়ার স্বপ্ন মরেনি।
তার পরিবার চেয়েছিল স্নাতকোত্তরের পর তিনি যেন ফরেস্ট্রিতে পিএইডি নিয়ে সরকারি চাকরি করেন। কিন্তু তিনি পাইলট হিসেবে প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। পিএইডি শেষ করার পর ইরাম পাইলট হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে যান। মিয়ামি থেকে ইরাম তাঁর প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেন। বর্তমানে দিল্লিতে কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স নেওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের গুদামে আনসারের গুলিবিদ্ধ লাশ

অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুরের টঙ্গীর মরকুনে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এর গুদামের টয়লেট থেকে এক আনসার সদস্যের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মো.জুনায়েদ (২৫) নামের ওই আনসার সদস্য রাইফেলের গুলিতে আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের ধারণা।
টঙ্গি থানা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জানান, জুনায়েদ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এর গুদামের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার উজালালপুর গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।
টঙ্গী থানার এসআই মো.আশরাফুল বলেন, “শনিবার রাত ১০টার দিকে জুনায়েদ তার কর্মস্থলে যান। ঘণ্টাখানেক পর জুনায়েদ টয়লেটে যাওয়ার পর তার সহকর্মীরা একটি গুলির শব্দ শুনতে পান । পরে তারা এগিয়ে গিয়ে জুনায়েদের গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।”
পরে খবর পেয়ে পুলিশ জুনায়েদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এসআই বলেন,“জুনায়েদ নিজের রাইফেলের গুলিতে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest