সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন শিল্পা শেঠি

বিনোদনের খবর: বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল শিল্পা শেঠির! একটা সময় বলিউড পাড়ায় এ নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে।
কিন্তু, এ বিষয়টি কোনো দিনই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি সালমান খান ও শিল্পা শেঠি।
এই জুটি ‘ফির মিলেঙ্গে’, ‘শাদি করকে ফাঁস গয়া’র মতো জনপ্রিয় ছবি করেছেন।
শোনা যায়, ৯০’র দশকের শেষ দিকে বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির সঙ্গেও ডেট করতেন বলিউড মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলার সালমান খান। তবে এতদিন পর সে গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন শিল্পা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শিল্পা শেঠি বলেন, ‘সালমানের সঙ্গে সেই অর্থে ডেট করিনি। আসলে তখন সহকর্মীদের মধ্যে আস্থা এবং অন্তরঙ্গতা ছিল। ও খুব ভাল মানুষ। এমনও হয়েছে, মাঝরাতে সালমান এসেছে আমার বাড়িতে। আমি ঘুমিয়ে পড়েছি। ও আমার বাবার সঙ্গে বসে মদ্যপান করেছে। আমার মনে আছে, বাবা মারা যাওয়ার পর আমাদের বাড়িতে এসে ও সোজা বার টেবিলে গিয়ে মাথা নিচু করে কেঁদে ফেলেছিল।’
শিল্পা শেঠি আরও বলেন, ‘সালমানের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন দু’জনেই। ফলে সেই বন্ধুত্বের সুতো হয়তো কিছুটা আলগা হয়েছে।’
তবে তাদের মধ্যে তথাকথিত কোনো সম্পর্ক ছিল না বলে দাবি করেছেন শিল্পা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন কিনতে এসে অভিভাবকসহ আটক ৯

অনলাইন ডেস্ক: চার অভিভাবকসহ মোট ৯ জন এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন কিনতে এসে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন ।
বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর মহাখালী এলাকা ডিবির অভিযানে দুই ভুয়া প্রশ্ন বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ডিবি। পরে তাদের কাছে প্রশ্ন কিনতে আসা তিন শিক্ষার্থী ও চার অভিভাবককে আটক করা হয়।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীসহ সারা দেশে ১৯টি কেন্দ্রে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ভুয়া প্রশ্ন ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে ডিবির অভিযান চলছিল। তখন পর্যন্ত চার অভিভাবক, তিন শিক্ষার্থী ও ভুয়া প্রশ্নফাঁস চক্রের দুইজনসহ মোট ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্র অভিযান ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
অভিযানে অংশ নেয়া এক কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার কিছু পর মহাখালী এলাকায় দুই তরুণকে দীর্ঘসময় অনুসরণ করে ডিবি। তাদের চালচলন ও ফোনে কথোপকথন সন্দেহজনক মনে হলে ডিবি তাদের আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
আটক দুইজনের মধ্যে একজনের নাম আশিক অপরজন এহসান। আশিক পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার মোবাইলে কমপক্ষে ৫০ বার ফোন আসে। তারা আশিকের সঙ্গে আগেই প্রশ্ন নেয়ার বিষয়ে আলোচনা করে রেখেছিল, এখন প্রশ্ন হাতে নেয়ার জন্য দেখা করতে আসতে চাচ্ছে।
পরে পুলিশ বিক্রেতা সেজে আশিকসহ দুইজনকে নিয়ে মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় যায়। সেখান থেকে প্রশ্ন নিতে আসা তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এই তিন শিক্ষার্থীর প্রথমজন তার বাবা-মা, দ্বিতীয়জন তার বাবা এবং তৃতীয়জন তার গৃহশিক্ষককে নিয়ে প্রশ্ন নিতে এসেছিল। তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে ডিবি।
জিজ্ঞাসাবাদে আটক অভিভাবকরা জানায়, ১০ থেকে ১৪ লাখ টাকার বিনিময়ে মেডিকেল ভর্তির প্রশ্ন নিতে তারা এখানে এসেছিল।
ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে দুই প্রশ্ন বিক্রেতা আশিক ও এহসান জানায়, ফেসবুকে একটি গ্রুপ থেকে তারা প্রশ্ন ফাঁস করার পোস্ট দেয়। তবে তারা কাউকে প্রশ্নের হার্ডকপি দেবে না বলে জানায়। প্রশ্ন নিতে আগ্রহীদের মহাখালী আসতে বলে তাদের প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্ত করিয়ে দেয়ার কথা বলে।
ডিবি জানায়, ভুয়া প্রশ্নফাঁসের কথা বলে প্রতারকরা টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছিল।
শুক্রবার অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষায় সরকারি ৩৬টি কলেজে চার হাজার ৬৮টি ও বেসরকারি ৬৯টি কলেজে ছয় হাজার ২৩২টি আসনসহ মোট ১০ হাজার ৩০০ আসনের বিপরীতে ৬৫ হাজার ৯১৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।
রাজধানী ঢাকায় চারটি সরকারি মেডিকেল ও একটি ডেন্টালসহ মোট পাঁচটি কলেজের ৯টি ভেন্যুতে মোট ৩৪ হাজার ৭৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশ্রগহণ করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকা পেঁপের পুষ্টিগুণ

স্বাস্থ্য কণিকা: গরমে পেট ঠাণ্ডা রাখতে পাকা পেঁপের জুড়ি নেই। হালকা ক্ষুধা মেটাতে পাকা পেঁপে হতে পারে মজাদার নাস্তা।
প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা পেঁপেতে ৭.২ গ্রাম শর্করা, ৩২ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ০.৮ গ্রাম আঁশ, ০.৬ গ্রাম আমিষ, ০.৫ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ৬.০ মি.গ্রা. সোডিয়াম, ৬৯ মি.গ্রা. পটাসিয়াম ও ০.৫ মি.গ্রাম আয়রন থাকে।
এছাড়াও এতে কিছু পরিমাণে ভিটামিন ই, বিটাক্যারটিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীর ও ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। পেঁপে পেট ঠাণ্ডা রাখে।

পেঁপের উপকারী দিকগুলোর মধ্যে আছে-

* পেঁপে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে হৃদরোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
* পেঁপে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
* ওজন কমাতে পাকা পেঁপে বেশ কার্যকর।
* চোখ ও ত্বক ভালো রাখতে এর গুরুত্ব অনেক।
* এটা বয়সের ছাপ কমায় পেঁপে।
* পাকা পেঁপে হজমের উন্নতি করে।
* ক্যান্সার প্রতিরোধক এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

এছাড়াও নিয়মিত পেঁপে খাওয়া মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
দেশি ফল পেঁপে। এটা খেতে সুস্বাদু এবং খুব সহজেই হাতের কাছে পাওয়া যায়। সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খাবার তালিকায় পাকা পেঁপে রাখার পরামর্শ দেন এই অধ্যাপক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দর ত্বকের জন্য বরফ

অনলাইন ডেস্ক: পানি নানাভাবে ত্বকের জন্য উপকারী। তবে বরফ ত্বকে আনে চমক। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে সৌন্দর্যচর্চায় কাজে আসে।
ভারতের শাহনাজ হুসেইন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহনাজ হুসেইন ত্বকের যত্নে বরফের নানান উপকারিতার কথা জানান।

* এটা লোমকূপ সংকুচিত করতে ও ঘাম বন্ধ করতে সাহায্য করে। ত্বকে বরফ ঘষার নানান উপকারিতা রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে সরাসরি বরফ ঘষা ঠিক নয়। এতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে তা ত্বকে ব্যবহার করুন। ত্বক পরিষ্কার করার পর ব্যবহার করলে উজ্জ্বলতা বাড়বে।
* উষ্ণ বা আর্দ্র আবহাওয়ায় মুখে ফাউন্ডেশন স্থায়ী করতে চাইলে প্রথমে ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে তুলার বলের সাহায্যে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট টোনার ব্যবহার করুন। কয়েক মিনিট পরে পরিষ্কার কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে কয়েক সেকেন্ড ধরে ত্বকে লাগান। এটা লোমকূপ সংকুচিত করতে সাহায্য করে।
* ব্রণ কমাতেও বরফ সাহায্য করে। ব্রণ লালচে ও সংক্রমিত হলে তাতে বরফ লাগান ভালো ফলফল পাবেন।
* আঘাতের কারণে ফোলাভাব দেখা দিলে তা কমাতে বরফ লাগান। একইভাবে চোখের নিচের ফোলাভাব কমানো যায়। পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে চোখের নিচে কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখুন, ভালো ফলাফল পাবেন।
* চোখের নিচের ত্বক পাতলা। দীর্ঘক্ষণ বরফ লাগানো হলে এর ক্ষতি হতে পারে। থ্রেডিং বা ওয়াক্সিংয়ের পর বরফ লাগানো বেশ উপকারী।

ভারতের স্টার স্যালন অ্যান্ড একাডেমি’র অসীম মুঞ্জাল এ সম্পর্কে আরও জানান।

* মুখে ঠিক ভাবে বরফ লাগিয়ে ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুবার ব্যবহার করা হলে এটা খুব ভালো পরিষ্কারক ও টোনার হিসেবে কাজ করে। শুষ্ক ত্বকের অধিকারী হলে দুটি কাঠ বাদাম বেটে পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগাতে পারেন।

* তৈলাক্ত ত্বক হলে লেবুর রস বরফ করে ব্যবহার করতে পারেন। এটা ত্বকের দুর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি মসৃণ করে। চাইলে এটা ‘আন্ডারআর্মে’ও ব্যবহার করতে পারেন। ফলে বাড়তি ঘাম ও দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

* ত্বকে ছোপ ও রোদে পোড়াভাব থাকলে অ্যালোভেরার জেল বরফ করে ব্যবহার করতে পারেন। এটা ত্বক মসৃণ রাখবে। ত্বক ভালো রাখার জন্য এতে জেসমিন বা নিম তেল মেশাতে পারেন। এক টুকরা বরফ নিয়ে তা গলা, আঙ্গুলের গ্রন্থি ও কনুইয়ে ঘষে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। এতে কালো দাগ ও রোদে পোড়াভাব দূর হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪০তম বিসিএসে ‘কোটা থাকবে না’

অনলাইন ডেস্ক: মন্ত্রিসভার সিদ্ধন্তে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে পরিপত্র জারি হওয়ায় ৪০তম বিসিএসে কোটা রাখছে না সরকারি কর্ম কমিশন-পিএসসি।
কমিশনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কোটা নিয়ে সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত আমরা অনুসরণ করব। ফলে ৪০তম বিসিএসে কোটা পদ্ধতি থাকবে না। তবে ৩৯তম বিসিএসে কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।”
প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরিতে এক হাজার ৯০৩টি পদে নিয়োগ দিতে গত ১১ সেপ্টেম্বর ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি, যাতে সব ধরনের কোটা পদ্ধতি অনুসরণের কথা বলা হয়েছিল।
এই বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশে ৭২ জনসহ সাধারণ ক্যাডারে ৪৬৫ জন এবং অন্যান্য ক্যাডার মিলিয়ে মোট এক হাজার ৯০৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
৪০তম বিসিএসে অংশ নিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে তা জমা দিতে পারছেন চাকরিপ্রার্থীরা। আগামী ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে।
মন্ত্রিসভায় কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত হওয়ার পর বুধবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন,প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ইতোমধ্যে যেসব বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে যদি বলা থাকে যে ‘কোটার বিষয়ে সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে সে অনুযায়ী হবে’, তবে ওইসব নিয়োগেও কোটার বিষয়টি থাকবে না।
এদিকে ৪০তম বিসিএস পরীক্ষার অনলাইন আবেদনপত্র পূরণে কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিতে হেল্পলাইন চালু করেছে পিএসসি।

০১৫৫৫-৫৫৫১৪৯, ০১৫৫৫-৫৫৫১৫০, ০১৫৫৫-৫৫৫১৫১ এবং ০১৫৫৫-৫৫৫১৫২ নম্বরে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা এবং দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ফোন করে আবেদন সংক্রান্ত বিষয়ে সহায়তা নেওয়া যাবে।
আগামী ১৫ নভেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই হেল্পলাইন চালু থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ ৩৬তম জন্মদিন মাশরাফির

অনলাইন ডেস্ক: অসামান্য এক প্রতিভাধর ক্রিকেটার তিনি। যেমনই প্রতিভা, তেমনই ব্যক্তিত্ব। সহজে মানুষকে আপন করে নেয়ার সবগুলো গুণ তার মধ্যে বিদ্যমান। নড়াইলের চিত্রা নদীতে সাঁতরে বেড়ানো সেই দুরন্ত কিশোর কৌশিক কখন যে হয়ে উঠলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের আইকন, পোস্টারবয়- সেটা বোধকরি তার নিজেরও জানা নেই। সেই মাশরাফি বিন মর্তুজা কৌশিক পার করে ফেলেছেন ৩৫টি বসন্ত। আজ (শুক্রবার) ৩৬তম জন্মদিন তার।

১৯৮৩ সালের আজকের এই দিনে নড়াইলের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা। তবে শুধু মাশরাফিরই নয়, মজার বিষয় হলো ছেলে সাহেলের জন্মও একই দিনে। মাশরাফি নিজেই বেশ কয়েকবার বলেছিলেন, ভাগ্যবান বাবা তিনি। ২০১৪ সালের এই দিনে ঢাকায় জন্ম তার ছেলে সাহেলের।

ছোটবেলা থেকেই ছিলেন দুরন্ত। সারাক্ষণ মেতে থাকতেন বন্ধুদের নিয়ে। স্কুল ফাঁকি দিয়ে চলে যেতেন ক্রিকেট খেলতে। বাকি সময়টা চলতো ব্যাডমিন্টন আর চিত্রা নদীতে সাঁতার কেটে। এভাবেই একদিন সুযোগ পেয়ে গেলেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলে। সেখান থেকেই তিনি চোখে পড়েন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং কোচ অ্যান্ডি রবার্টসের। তার হাতে পড়েই ক্যারিয়ার বদলে যায় মাশরাফির। যে কারণে, তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি প্রথম শ্রেণির কোনো ম্যাচ না খেলেই টেস্টে অভিষিক্ত হন।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ২০০১ সালের ৮ নভেম্বর শুরু হওয়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেকেই নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। একই বছর ২৩ নভেম্বর ওয়ানডে ক্রিকেটে মাশরাফির অভিষেক হয় ফাহিম মুনতাসির ও তুষার ইমরানের সঙ্গে। অভিষেক ম্যাচে মোহাম্মদ শরীফের সঙ্গে বোলিং ওপেন করে তিনি ৮.২ ওভারে ২৬ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেটে দুই ফরম্যাটেই গ্রান্ট ফ্লাওয়ার ছিলেন মাশরাফির প্রথম শিকার! সেই যে শুরু পথচলা, এরপর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ১৭টি বছর পার করে ফেলেছেন ক্যারিয়ারের।

ইনজুরি যেন তার আজন্ম সঙ্গী। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে যেভাবে ইনজুরিতে কাটিয়েছেন- তাতে করে বাংলাদেশ হারিয়েছে তার গুরুত্বপূর্ণ ক্যারিয়ারের দিনগুলো। এই সময়গুলো তিনি যদি খেলদে পারতেন, তাহলে নিশ্চিত বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতো। নিজের তৃতীয় টেস্ট খেলার সময়ই আঘাত পান হাঁটুতে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে ছিলেন মাঠের বাইরে- প্রায় দুই বছর। এরপর মাঠে ফিরেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬০ রানে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট; কিন্তু আবারও আঘাত পেলেন হাঁটুতে। এ যাত্রায় তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হয় প্রায় বছরখানেক।

২০০৬ সালে এক পঞ্জিকাবর্ষে মাশরাফি ছিলেন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ্বের সর্বাধিক উইকেট শিকারি বোলার। তিনি ওই বছর নিয়েছিলেন ৪৯ উইকেট। কিন্তু বারবার ইনজুরির থাবা তাকে মাঠের বাইরে ঠেলে দেয়। সব জয় করে তিনি মাঠে ফেরেন। সব দুঃখ, কষ্ট পেছনে ঠেলে তিনি ঠিকই এগিয়ে চলছিলেন; কিন্তু মাশরাফি চূড়ান্ত আঘাতটা পেলেন ২০১১ বিশ্বকাপের সময়। নিজ দেশের মাটিতে বিশ্বকাপের দলে ঠাঁই না পেয়ে। সেদিন নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। মিরপুরের অ্যাকাডেমি মাঠে অঝোর ধারায় কেঁদেছিলেন।

মাশরাফি সম্ভবত তখনই আরও পোক্ত হয়েছিলেন। নিজেকে মানসিকভাবে আরও শক্ত করে নিয়েছিলেন। দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হয়েছিলেন, এই উপেক্ষার জবাব দিতে হবে একদিন। তিনি পেরেছেন। চার বছর পর তারই নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশ খেলেছিল কোয়ার্টার ফাইনাল।

এরপর মাশরাফি হয়ে গেলেন যেন পরশপাথর। তার ছোঁয়ায় একের পর এক হাতের মুঠোয় ধরা দিতে থাকলো সাফল্য। পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো পরাশক্তিকে টেনে নামিয়েছেন মাটিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা অটোরিকসা, টেম্পু ও ফোর হুইলার হিউম্যান হলার মালিক সমবায় সমিতি লিঃ এর কমিটি গঠন

 

সাতক্ষীরা জেলা অটোরিকসা, টেম্পু ও ফোর হুইলার হিউম্যান হলার মালিক সমবায় সমিতি লিঃ এর কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদের উপস্থিতিতে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক জরুরি সভার মাধ্যমে এ কমিটি গঠন করা হয়। এসময় জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ,জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য অহিদ পারভেজ সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন, প্রধান উপদেষ্টা শেখ হারুন উর রশিদ, সভাপতি কাজী মারুফ, সহ-সভাপতি আঃ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক জোহর আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভির কবির (রবিন), সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শফিকুল ইসলাম(মিঠু), কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ নাজমুল হক (বকুল), সদস্য ফজর আলী, শ্যামপ্রসাদ ও লাবলু রহমান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিনহার অ্যাকাউন্টে ৪ কোটি টাকা লেনদেনে অনিয়ম : দুদক

অনলাইন ডেস্ক: ফারমার্স ব্যাংক থেকে সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার ব্যাংক হিসাবে ৪ কোটি টাকা লেনদেনের ঘটনায় জালিয়াতির প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার বিকেলে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ একথা বলেন।
একইসঙ্গে জালিয়াতির সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি জড়িত হওয়ার তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে দুদক চেয়ারম্যান কারও নাম উল্লেখ করেননি।
দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ফারমার্স ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে ৪ কোটি টাকা ঋণের ব্যাপারে আমরা তদন্ত করেছি। তদন্ত শেষ হয়ে গেছে। অনেকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বা চিহ্নিত করা হয়েছে। ঋণ প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির আশ্রয় নেয়া হয়েছে। আমরা সেগুলো বিচার বিশ্লেষণ করছি।
সাবেক প্রধান বিচারপতির জড়িত কি-না এমন প্রশ্নে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি থাকুক আর যেই থাকুক। যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বা যাবে তাদের বিরুদ্ধেই আমরা ব্যবস্থা নিবো।
তিনি বলেন, দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে ঋণ প্রক্রিয়া এবং এই টাকা মানিলন্ডারিং বা বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া, নগদ উত্তোলন এসব বিষয়ে অনেক কিছু এসেছে।
দুদকের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যা হয়, তাই হবে। যদি অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী মামলা হবে।
এস কে সিনহার ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকা জমা হওয়ার বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান করছে। অভিযোগ অনুসন্ধানে গত ৬ মে ও ২৬ সেপ্টেম্বর মোট আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ সেপ্টেম্বর ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি কে এম শামীমসহ ছয় কর্মকর্তাকে সাড়ে ৬ ঘণ্টাব্যাপী জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। আর গত ৬ মে দুই ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যারা এস কে সিনহার ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকা স্থানান্তরের বিষয়টি স্বীকার করেন।
ওই দিন তাদের সঙ্গে আসা আফাজ মাহমুদ রুবেল এবং নাজমুল আলম নামের দুই আইনজীবী সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন এস কে সিনহাকে তার বাড়ি বিক্রির চার কোটি টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে।

আইনজীবীরা বলেন, এস কে সিনহার উত্তরার ছয় তলা বাড়িটি পাঁচ কাঠা জমির ওপর ছিল। এ বাড়িটি ২০১৬ সালের শুরু দিকে টাঙ্গাইলের বাসিন্দা শান্তি রায় ছয় কোটি টাকায় ক্রয় করেন। এ সময় বায়না দলিলকালে তিনি দুই কোটি টাকা পরিশোধ করেছিলেন। বাকি টাকা পরিশোধের জন্য নিরঞ্জন ও শাহজাহানের সহযোগিতা নেন। নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা শান্তি রায়ের স্বামী রনজিতের চাচা শ্বশুর। আর শাহজাহান রনজিতের বন্ধু। বাড়ি কিনতে বাকি চার কোটি টাকা ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে নিরঞ্জন ও শাহজাহান (দুই কোটি টাকা করে) ঋণ নেন।

তাদের তথ্যানুযায়ী, ২০১৬ সালের মে মাসে জমির বায়না দলিল হয় এবং ওই বছরের ৮ নভেম্বর দুটি পে-অর্ডারের মাধ্যমে এস কে সিনহা সোনালি ব্যাংক সুপ্রিম কোর্ট শাখার মাধ্যমে চার কোটি টাকা গ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest