সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsable

ধর্ষণে জন্ম নেওয়া সন্তানের দায়িত্ব রাষ্ট্রকে বহনের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক: বরিশাল নগরীর মতাসার এলাকায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে মজিবর রহমান ওরফে জমির ফকিরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছর দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। গত রবিবার বিকেলে আসামির উপস্থিতিতে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এই রায় ঘোষণা করেন।
একই সাথে ধর্ষণের ফলে ওই গৃহবধূর গর্ভে জন্ম নেওয়া কন্যা সন্তানের বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তার ব্যয়ভার রাষ্ট্রকে বহন করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। দণ্ডপ্রাপ্ত জমির ফকির নগরীর মতাসার এলাকার আব্দুল মান্নান ফকিরের ছেলে।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান জানান, ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূর স্বামী চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকেন। তবে ওই গৃহবধূ নগরীর মতাসার এলাকার বাসায় একা থাকেন। এই সুযোগে ২০০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে ওই বাসায় প্রবেশ করে গৃহবধূকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন প্রতিবেশী মজিবর রহমান। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যার হুমকি দেয় মজিবর।
এদিকে, ধর্ষণের ফলে ওই গৃহবধূ অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ ঘটনা জানাজানি হলে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ওই গৃহবধূ মজিবর রহমান ওরফে জমির ফকিরকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দিলে তিনি ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া সন্তানের প্রমাণ পাওয়া যাবে না উল্লেখ করে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন জমা দেন। একই বছর ১৮ নভেম্বর ওই গৃহবধূ একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। পরে কন্যা সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষা শেষে মজিবরকেই জন্ম নেয়া সন্তানের বায়োলজিক্যাল ফাদার উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেন ফরেনসিক চিকিৎসক তানিয়া হোসেন।
এতে ২০০৮ সালের ১৬ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল মামলাটি আমলে নিয়ে মজিবর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে। ট্রাইব্যুনাল ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ওই রায় দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশান্ত মহাসাগরে আবর্জনার স্তুপ, ৯ টন প্ল্যাস্টিক উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরে আবর্জনার স্তুপ, যা বিশ্বে সবচেয়ে দীর্ঘ৷ আর সেই আবর্জনা পরিষ্কারের প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হল৷ ‘ভাসমান ঝাড়ু’ দিয়ে গভীরে থাকা আবর্জনা উঠে আসছে খুব সহজে৷ কয়েকমাস পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়া-হাওয়াই পর্যন্ত চলবে আবর্জনা সাফাইয়ের কাজ৷ প্রশান্ত সাগরের বিরাট এই আবর্জনার এলাকা ‘গ্রেট পেসিফিক গারবেজ প্যাচ’ নামে পরিচিত৷
অভিনব উপায়ে চলছে আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ৷ সমুদ্রে জাল পেতে আছে ভাসমান ঝাড়ু৷ যা দীর্ঘে ২০০০ ফুট৷ এই বিশাল আবর্জনা পরিষ্কারের জাল সানফ্রান্সিসকো থেকে শুরু৷ ‘দ্য ওসান ক্লিন–আপ’ সংস্থার উদ্যোগে চলছে জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজ৷ সমুদ্রে প্ল্যাস্টিকের আধিক্য সবচেয়ে বেশি৷ এই আবর্জনা পরিষ্কারের উদ্যোক্তা বোয়াল স্লট। যিনি মাত্র ২৪ বছর বয়সে প্রশান্ত মহাসাগর আবর্জনামুক্ত করার কাজে নেমেছেন৷
তিনি জানিয়েছেন, ৬০ থেকে ৭০ দশকের প্ল্যাস্টিক এখনও সমুদ্রে ভাসমান৷ কারণ প্ল্যাস্টিক সহজে সমু্দ্রে থেকে যায় না৷ তাই পরিষ্কারের জন্য ভাসমান জাল ‘ইউ’ আকৃতির৷ যেখানে প্রথমেই ধরা পড়ছে প্ল্যাস্টিক৷ অভিনব প্রযুক্তির ধাতব জালটি সৌর বিদ্যুত দ্বারা পরিচালিত৷ জাল জুড়ে রয়েছে সোলার ল্যাম্প৷ জালটি জলস্তরের যতটা জায়গা জুড়ে আবর্জনা ঠিক সেই পর্যন্ত যায়৷ এর ফলে জলের মাছও বিপদে পড়ে না৷
ধাতব জালটি স্তরে স্তরে ভাগ করা৷ যেখানে মাছ ফাঁদে পড়লেও, বেরিয়ে যাওয়ার পথ আছে৷ এছাড়া প্ল্যাস্টিক জমা হওয়ারও আলাদা জায়গা রয়েছে৷ আবর্জনা সাফাই করে জমা করা হচ্ছে বড় জাহাজে৷ ইতিমধ্যেই প্রায় ৯ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক সমুদ্রল থেকে তোলা হয়েছে৷ অনুদানের মাধ্যমে চলছে এতবড় আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ৷ ২০২০ সালের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগর আবর্জনামুক্ত করাই উদ্দেশ্য৷ অনুদানের ঝুলিতে ইতিমধ্যেই ৩৫ মিলিয়ন ডলার জমা পড়েছে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জীবনের শেষ টেস্টে অ্যালিস্টার কুকের সেঞ্চুরি

খেলার খবর: এই ভারতের বিপক্ষেই টেস্ট ক্রিকেটের মধ্য দিয়ে নাগপুরে আন্তর্জাতিকে অভিষেক হয় অ্যালিস্টার কুকের। অভিষেক ম্যাচেই সেঞ্চুরি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন কুক। জীবনের শুরুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৬০ রান করা ইংলিশ এ ওপেনার। দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।
যে ভারতীয় দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেট দিয়ে কুকের অভিষেক হয়, সেই ভারতের বিপক্ষেই ঘরের মাঠে ওভালে জীবনের শেষ টেস্ট খেলছেন ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা এ ক্রিকেটার।
শুক্রবার শুরু হওয়া ওভাল টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৭১ রান সংগ্রহ করা কুক, দ্বিতীয় ইনিংসে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৩২ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।
ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে আগে ব্যাট করে ৩৩২ রান সংগ্রহ করেছিল স্বাগতিক ইংল্যান্ড। জবাবে ২৯২ রানে অলআউট হয়ে যায় সফরকারী ভারত।
৪০ রানের লিড পাওয়া ইংল্যান্ড দল দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৬২ রানে দুই উইকেট হারায়। তৃতীয় উইকেট জুটিতে অধিনায়ক জো রুটকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ওপেনার অ্যালিস্টার কুক।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২৮৯ রান। ইতিমধ্যেই তৃতীয় উইকেটে ২২৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে ফেলেছেন কুক-রুট। ক্যারিয়ারের ৩৩তম সেঞ্চুরি (১৩২) করে অপরাজিত আছেন কুক। আর ১৪তম সেঞ্চুরি (১০৮) গড়েছেন রুট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্র্যান্ডমা’স কিচেন রেস্টুরেন্টটি কেবল প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য

অনলাইন ডেস্ক: জার্মানির বিঞ্জ শহরের একটি রেস্টুরেন্ট। নাম-গ্র্যান্ডমা’স কিচেন। রেস্টেুরেন্টের খাবারের মান, পরিবেশন ও আভিজাত্য সবই উন্নত মানের। আপ্যায়নের জন্য বিশেষ খ্যাতিও আছে তাদের। তবে সম্প্রতি তারা আলোচনায় এসেছে এক বিচিত্র কারণে। রেস্টুরেন্টের মালিক রুডলফ মার্কল নির্দেশ জারি করেছেন বিকেল পাঁচটার পর, সেখানে ১৪ বছরের নিচে কোনো ক্লায়েন্ট আসতে পারবে না। অর্থাৎ বিকেল পাঁচটার পর থেকে রাত পর্যন্ত রেস্টুরেন্টটি খোলা থাকবে কেবল প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য। এই রকম অদ্ভুত নিয়মের পর বিশেষ কৌতুহল তৈরী হয়েছে গ্র্যান্ডমা’স কিচেন নিয়ে।
এদিকে জার্মানির বৈষম্য বিরোধি অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বার্নাড ফ্র্যাংক জানিয়েছেন, ‘রেস্টুরেন্ট এর এই রকমের নিয়ম প্রবর্তন করাটি আইনগতভাবে বৈধ নয়। কারণ এর ফলে এক ধরনের বৈষম্য তৈরী হচ্ছে। আর রেস্টুরেন্টটি বিকেলের পর কেন প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য খোলা থাকবে, সেটার ভিত্তিও যথেষ্ট শক্ত নয়।’
তবে রেস্টুরেন্টের মালিক রুডলফ এখনও তার নিয়মের উপর অবিচল রয়েছেন। তার কথা একটাই, ‘১৪ বছরের কম বাচ্চারা তাদের অভিভাবকদের নিয়ে প্রচুর কোলাহল করে। এতে নিরবতা বিঘ্নিত হয়। অনেকসময় তারা টেবিল ক্লথ সরিয়ে ফেলে এবং খাবার ডিশগুলোও ফেলে দেয়। পাশাপাশি তাদের হই-হুল্লোড়ে অন্যান্য ক্লায়েন্টরা প্রচন্ড বিরক্ত হয়। তাই প্রাপ্ত বয়স্ক ক্লায়েন্টদের পর্যাপ্ত আনন্দ ও নিরবতা দেয়ার জন্যই আমাদের এই ব্যবস্থা।’
প্রসঙ্গত, ইউরোপে কেবল প্রাপ্ত বয়স্কদের রেস্টেুরেন্ট বেশ বিরল। এর আগে ইতালিতে একবার এধরনের একটি ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল। তবে জার্মানির এই রেস্টুরেন্টটির মত নিয়মের বিষয়ে এতো কড়াকড়ি ভাব অন্য কোথাও পাওয়া যায়নি। চাইলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন, সেই গ্র্যান্ডমা’স কিচেন রেস্টুরেন্ট থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘরেই তৈরি করুন নানরুটি

ঘরেই তৈরি করুন নানরুটি

কর্তৃক daily satkhira

অনলাইন ডেস্ক: নাস্তায় অনেকেরই প্রিয় নানরুটি। যারা ডায়েট কন্ট্রোল করেন, তারাও দুপুরে কিংবা রাতে ভারী খাবারের বদলে নানরুটি খেতে পছন্দ করেন। এর জন্য শুধু রেস্তোরাঁর মুখাপেক্ষী হতে হবে না। আপনি চাইলে ঘরেই তৈরি করতে পারেন নানরুটি।

রান্নায় যা যা লাগছে
ময়দা এক কাপ, বেকিং পাউডার সামান্য , ইস্ট আধা চা চামচ, চিনি এক চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, গরম পানি পরিমাণমতো, তেল পরিমাণমতো

যেভাবে প্রস্তুত করবেন
প্রথমে খামি তৈরি করুন। খামি তৈরির জন্য ময়দার সঙ্গে বেকিং পাউডার, ইস্ট ও চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার সামান্য কুসুম-গরম পানি দিয়ে মাখিয়ে নিন। মাখানো শেষে খামির মধ্যে এক চা চামচ তেল দিন।
এর পর আবারও হাত দিয়ে ভালো করে মেখে ঢাকনা দিন। কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। তারপর পাতলা করে বেলে নানরুটির আকার করুন। অন্যদিকে, চুলায় ফ্রাইপ্যান গরম হয়ে এলে ভাজুন। চুলার আঁচ অবশ্যই অল্প রাখবেন। এর পর নানরুটি সরাসরি গরম আগুনে এপাশ-ওপাশ হালকা আঁচে সেঁকে নিন। এতে স্মোকি ভাব আসবে। আর গারলিক (রসুন) নানরুটি চাইলে, নানরুটির ওপরে সামান্য রসুন দিন। এ ছাড়া চাইলে বাটার (মাখন) দিয়েও বাটার নানরুটি তৈরি করতে পারেন।
নানরুটি তৈরি হয়ে গেলে কেটে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ জনকে জরিমানা আদায়

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় ইউএনওর ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ জনকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ২ টার দিকে সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের এসআই বিজয় কুমারের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সদস্য আব্দুল হালিম মহ অপর ৪জন স্টাফবৃন্দ দিনব্যাপী ঝটিকা অভিযান চালিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা গ্রামের মৃত শামছুর রহমানের ছেলে হাফিজুল ইসলাম (২৮) ও দেবহাটা উপজেলা উপজেলা কোড়া গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে জাকির হোসেন (২৬) কে অবৈধভাবে স্পীড রাখার অপরাধে আটক করেন। এসময় তাদের নিকট থেকে ২০ লিটার স্পীড উদ্ধার করা হয়। পরে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিহ-আল আসাদ ভ্রাম্যমান আদালতে তাদের মধ্যে জাকিরকে ৫ হাজার টাকা এবং হাফিজুলকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে দেবহাটা বিজয়ী

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্ট-১৮ (অনুর্দ্ধ ১৭) এর ফাইনাল খেলা সোমবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় দেবহাটা ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। ফাইনাল খেলায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মান্নান আলী। উপজেলা স্কাউটসের সাধারন সম্পাদক শিক্ষক সঞ্জয় সরকারের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জসিমউদ্দীন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই রকেট, উপজেলা ক্রীড়া সমিতির সাধারন সম্পাদক সাবেক শিক্ষক আফছার আলী, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী, সিনিয়র রেফারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম সহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ। সমাপনী খেলায় ফাইনালে একদিকে অংশগ্রহন করে দেবহাটা ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ ও অন্যদিকে অংশগ্রহন করে সখিপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ। খেলায় রেফারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দিলীপ কুমার। তাকে সহযোগীতা করেন মিজানুর রহমান ও আব্দুস সাত্তার। খেলায় দেবহাটা ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ টাইব্রেকারে সখিপুর ইউনিয়নকে হারিয়ে জয়লাভ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাথমিক পর্যায়ের নীতি শিক্ষায় অভিভাবক সমাবেশ…… ইউএনও দেবহাটা

 

কেএম রেজাউল করিম, দেবহাটা: শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারে না এমন বাক্য ছোট বেলা থেকেই আমরা বুঝে বা না বুঝে মুখস্থ করে এসেছি এবং এগুলো অতিশয় সত্য বাণীও বটে। আর এ মেরুদন্ড যে কারখানায় তৈরি হয় তার নাম প্রাথমিক বিদ্যালয়। একটি শিশু ভবিষ্যতে কতটুকু ন্যায় নীতিবান, আদর্শবান, চরিত্রবান হবে কিংবা দেশ, জাতি, সমাজের প্রতি কতটুকু দায়িত্বশীল হবে এটি অনেকাংশেই নির্ভর করে তাঁর প্রাথমিক জীবনের শিক্ষার উপর। প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব তাই অপরিসীম। সবার জন্য গুনগত মানের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে প্রয়োজন বিদ্যালয়ের সাথে সমাজের সম্পর্ক স্থাপন। সমাজে বসবাসকারী বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত, বিভিন্ন ধর্মে বিশ্বাসী, বিভিন্ন বর্ণ, স্বভাব ও রুচির অধিকারী ব্যক্তিবর্গের বিভিন্ন আশা ও আকাঙ্খা পূরনের উদ্দেশে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি তাদের সকলের চাহিদা অনুযায়ী গড়ে তোলার জন্য শিক্ষক ও অভিভাবকগণের মধ্যে সুন্দর বোঝাপড়া জরুরী। শিক্ষকগণ একটি নির্দিষ্ট সময় শেষে (প্রতি ৩ মাস পরপর) শিখন-শেখানো কার্যাবলীর পাশাপাশি বিদ্যালয়ের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম অভিভাবকদের সামনে উপস্থাপন করে থাকেন। এতে অভিভাবকগণ সম্মানিতবোধ করেন এবং বিদ্যালয়ের সকল প্রকার কর্মকান্ডে তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। সাধারনত প্রতি সাময়িক ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়ে থাকে। এর ফলে অভিভাবকগন তাদের আদরের সন্তানদের পড়ালেখার অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হন এবং তাদের জন্য করনীয় নির্ধারণ করেন। এছাড়া সরকার ঘোষিত যেকোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিক বাস্তবায়ন করতে বিদ্যালয় অনেক সময় অভিভাবকদের দারস্থ হন এবং অভিভাবক সমাবেশ আহবান করেন। উদাহরণ স্বরুপ- শতভাগ মিড-ডে মিলের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা যেতে পারে। সরকার সিদ্ধান্ত নিলেন ৩০জুনের মধ্যে বাংলাদেশের সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ মিড-ডে মিল বাস্তবায়ন করতে হবে। শত ভাগ মিড-ডে মিল বাস্তবায়ন অভিভাবকগণের সম্পূর্ণ সহযোগিতা ছাড়া কোন ভাবেই সম্ভাব নয়। সন্তানদের দুপুরের খাবার প্রস্তুত করে টিফিন পটে করে গুছিয়ে দেওয়া বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অভিভাবকদের জন্য অত্যন্ত দূরুহ একটি কাজ। তারপর ও বিদ্যালয় যখন অভিভাবক সমাবেশের ডাক দিলেন, অভিভাবকগণ সমাবেশে হাজির হলেন। শিক্ষকগণ তাদের সন্তানদের উপকারার্থে সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত তখন জানালেন। মিড-ডে মিলের উপকারিতা শিক্ষকগণ অভিভাবকদের সামনে উপস্থাপন করলেন। অভিভবকগণ এই দূরুহ কাজটিকে সহজ করে নিলেন। তাদের আর পাঁচটি কাজের সাথে এই কাজটি ও করে চলেছেন সানন্দে। এটি সম্ভাব হয়েছে কার্যকর অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে। তাছাড়া বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শত ভাগ উপস্থিতি, শতভাগ স্কুল ড্রেস পরে বিদ্যালয়ে আসা প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়নে অভিভাবক সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। তাই বলা যায়, নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশ গুণগত মানের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের অন্যতম হাতিয়ার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest