সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

এরশাদ-রওশন দ্বন্দ্বে জাপায় অস্থিরতা

দেশের খবর: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের দ্বন্দ্বে দলটিতে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। একাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন সংসদের বিরোধী দলের শীর্ষ দুই নেতা। দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দলটির নীতিনির্ধারণী নেতাদের ভাষ্য মতে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা, না করা নিয়ে দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম রওশন এরশাদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত। ওই নির্বাচনে এরশাদের কথায় রাতারাতি ২১৭ প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এরশাদের নির্দেশ অমান্যকারীদের বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করা হলেও নির্দেশ মেনে যারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছিলেন তাদের বিভিন্ন জেলার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

দলটির নেতারা জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বৈঠকে জাপা মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন বাবলু ও কাজী ফিরোজ রশিদ উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু বৈঠকের বিষয়টি জানতেন না বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাপার এক নেতা জানান, বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে না আনার কারণ জানতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অপরদিকে এরশাদ নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনজনের নাম প্রস্তাব করেন।
বৈঠকে জাতীয় পার্টির এক নেতাকে অন্য দলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে অভিযুক্ত করা হয় বলে দাবি ওই নেতার।

জাতীয় পার্টির নেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি না জানাকে কেন্দ্র করে এবারের বিরোধ। এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের কাছে জানতে চান রওশন এরশাদ। তিনি (রওশন এরশাদ) বৈঠকের বিষয়টি না জানায় জাতীয় পার্টির বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য ক্ষুব্ধ হন। পরবর্তীতে (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন।
এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, এরশাদ আমাদের নেত্রী রওশন এরশাদকে না নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বিষয়টি ছিল রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রওশন এরশাদ একান্তে বৈঠক করেন। বৈঠকে আগামী নির্বাচনে জাপার আসন সংখ্যা, নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির বেশ কয়েকজন নেতার দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে দলের চেয়ারম্যান এরশাদ নির্বাচনকালীন সরকারে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ ও জিয়াউদ্দীন আহমেদ বাবলুর নাম প্রস্তাব করেন।
চেয়ারম্যানের ওই প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।
জাপার ওই নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রওশন এরশাদ নির্বাচনকালীন সরকারে সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামসহ অন্যদের নাম প্রস্তাব করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম ওমরকে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ করারও প্রস্তাব করেন রওশন। পরবর্তীতে নুরুল ইসলাম ওমর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পান।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে তলব করে। দলটির এরশাদপন্থী নেতাদের দাবি, পার্টির মহাসচিব সরকারবিরোধী জোটের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন- এমন তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে দুদক থেকে পাওয়া চিঠি সেই ইঙ্গিত বহন করে। জাতীয় পার্টির মহাসচিব পদ হারানোর আগেও দুদক থেকে একই কায়দায় চিঠি পেয়েছিলেন হাওলাদার।

এদিকে গত ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে অনুষ্ঠিত জাপার ডিজিটাল নির্বাচনী প্রচারণা কর্মশালায় রওশন এরশাদসহ দলের অধিকাংশ সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। রওশনপন্থী হিসেবে পরিচিত জাতীয় পার্টির নেতারা মনে করেন, দলের মহাসচিব এরশাদ ও রওশনের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছেন। নিজেদের সংসদ সদস্য পদ টিকিয়ে রাখতে বিপাকে পড়েছেন দলের সংসদ সদস্যরা। আগামীতে কার নেতৃত্বে আসন নির্ধারণ হবে তা কেউ নিশ্চিত নন। তাই তারা দু-কূলই রক্ষা করে চলছেন।
জাতীয় পার্টির এক নেতা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে রওশন এরশাদের পক্ষ থেকে এক প্রতিমন্ত্রী জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যদের বিরোধী দলের নেতার সঙ্গে থাকতে বলেছেন। খুব শিগগিরই দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে ওই প্রতিমন্ত্রী বসবেন বলে জানা গেছে।
জাতীয় পার্টির নীতিনির্ধারণী এক নেতা জানান, নির্বাচনের আগে জাতীয় পার্টির এই অবস্থান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কিছুটা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়েও জাতীয় পার্টি নিয়ে আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে।

জাপার ওই নীতিনির্ধারণী নেতা দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান এরশাদ ও রওশন দু’জনে মিলে দলের হাল ধরুক। আস্থার সংকট কাটিয়ে পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ ও বিরোধী দলের নেতা রওশনকে একই প্লাটফর্মে আনা যায় কিনা- এমন চেষ্টা করতে জাপার এক শীর্ষ নেতা ও প্রতিমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব দিয়েছেন বলে ওই নেতার দাবি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় পার্টির প্রভাবশালী এক নেতা বলেন, বিগত নির্বাচনের পর থেকে দলে এক ধরনের বিভেদ চলছিল। যারা তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তারা এবার আর ক্ষতির মুখে পড়তে চাইছেন না।
‘এরশাদ-রওশনের মাঝে মতবিরোধ তো ছিলই, এখন সেটা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে’- যোগ করেন তিনি।
তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেন, ‘আমাদের পার্টিতে কোনো বিরোধ নেই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কদবেলের পুষ্টিগুণ

অনলাইন ডেস্ক: মৌসুমি ফল মানেই রোগের সমাধান। তাই সুস্থ থাকতে মৌসুমি ফল খাওয়া জরুরী। মৌসুমি ফল কদবেলে রয়েছে নানান পুষ্টি। কদবেল খুব উপকারী ফল। এটা মৌসুমি জ্বর–ঠাণ্ডা, পেটের সমস্যা ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। টক ফল কদবেল ভিটামিন সি’য়ের ভালো উৎস।
কদবেলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে তিনি জানান- প্রতি ১০০ গ্রাম কদবেলে ১.৮ গ্রাম প্রোটিন, ৩১.৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেইট, ০.৩ গ্রাম চর্বি থাকে। কদবেলে ২ গ্রাম খনিজ, ১.১ মি.গ্রাম নায়াসিন, ১.১৯ মি. গ্রাম রিবোফ্লাভিন, .০১৩ মি.গ্রাম থায়ামিন এবং ৮৫ মি.গ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।
কদবেল ভিটামিনেরও ভালো উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম কদবেলে ৫৫ মি.গ্রাম ভিটামিন এ, ৬০ মি.গ্রা. ভিটামিন সি থাকে। এছাড়াও ৫ গ্রাম আঁশ, ৫০ মি.গ্রাম ফসফরাস ও ৬শ’ মি.গ্রা. পটাশিয়াম পাওয়া যায়।

কদবেল শরীরে নানান উপকার করে। যেমন-

* কদবেল ডায়রিয়া রোগের চিকিৎসায় সহায়তা করে।
* আঁশবহুল হওয়ায় এটা কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ দূর করে।
* পেপ্টিক আলসার থেকে রক্ষা করে।
* ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে সহায়তা
* কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
* ভিটামিন সি’য়ের ভালো উৎস; তাই স্কার্ভি প্রতিরোধে সহায়ক।
* কানের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
* জ্বর কমায়।
* ক্যান্সার প্রতিরোধক।

উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কদবেল দেহকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরতে হবে- জগলুল হায়দার এমপি”
আব্দুল আলিম, শ্যামনগর  :
শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্তব্যরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও সৌজন্যসাক্ষাত করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি এস.এম জগলুল হায়দার।
মঙ্গলবার (০২ রা অক্টোবর) বিকাল ৫ ঘটিকায় শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি, দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরার শ্যামনগর প্রতিনিধি গাজী আল ইমরানের সভাপতিত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমার প্রথম বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই, আমার এম পি হওয়ার চাইতে শেখ হাসিনা কে প্রধানমন্ত্রী হওয়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য খুবই দরকার। এ সময় তিনি বলেন,আমার নির্বাচনীয় এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে, আমাদের সরকার আবারও ক্ষমতায় এলে এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে, সাংবাদিকদের তিনি বলেন,আমাকে নিয়ে অতি রন্জিত কিছুই লেখার দরকার নেই, আমি এমপি হওয়ার জন্য লালায়িত নই। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য কাজ করে যাবো।
মতবিনিময় শেষে শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে এস.এম জগলুল হায়দার এমপি কে “জনবন্ধু স্মারক” প্রদান করা হয়।
সবশেষে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক করে সকল সাংবাদিকের হাতে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক লিফলেট বিতরণ করেন।
উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি স.ম ওসমান গনী সোহাগ এর সার্বিক সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি পলাশ দেবনাথ, অনাথ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন মিঠু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম, বিজয় কৃষ্ণ মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী আঃ আলিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ রুবেল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাহেব আলী, তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশিকুর রহমান, কার্যকরী সদস্য এম.এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, রবিউল ইসলাম, জগোবন্ধু কয়াল, আজিজুর রহমান প্রমুখ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাণীরা যখন শিক্ষক

অনলাইন ডেস্ক: আমাদের চারপাশে রয়েছে নানান প্রাণী। যেগুলোর দিকে একটু লক্ষ্য করলেই আমরা নানা বিষয়ে খুব সহজ সমাধান পেতে পারি। এমনই মজার কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে আজকের প্রতিবেদনে।

শান্ত রাখে বিড়াল: বিড়ালের চোখের দিকে তাকালেই আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন স্ট্রেস’ বা চাপ বলতে কিছুই নেই প্রাণীটির। বর্তমান যান্ত্রিক জীবনে আমরা বেড়ালের কাছ থেকে নিজেকে শান্ত রাখার কৌশল শিখতে পারি৷ লক্ষ্য করলে আপনি দেখতে পাবেন বিড়ালকে শিকারে নিয়ে যান, মেঝেতে পিঁপড়ে ছড়িয়ে দিন কিংবা শুকনো পাতার ওপর হাঁটুন, কিছুতেই বেড়াল উত্তেজিত হবে না বা ওর গায়ের কোনো পেশী ফুলে উঠবে না৷

অভিযোগ নেই কুকুরের: প্রভুভক্ত কুকুরের একাকী সারাদিন কেমন কেটেছে, তা নিয়ে তার কোনো অভিযোগ নেই৷ বরং মনিব বাড়িতে এসে একটু আদর করলেই সে মহাখুশি৷ কুকুরের ক্ষেত্রে যেটা লক্ষ্যণীয় তা হচ্ছে, সে বিনা শর্তে ভালোবাসে, খুব তাড়াতাড়ি বিশ্বাস অর্জন করে এবং সহজে ক্ষমাও করতে পারে৷

মিশুক প্রাণী ডলফিন: পানিতে যাদের বসবাস, তাদের মধ্যে ডলফিন খুবই মিশুক৷ পানিতে খেলার সময় বা ট্রেনিং-এর সময় সহজেই তারা একে-অপরের বন্ধু হয়ে যায়৷ মানুষের সঙ্গেও তাদের সহজেই বন্ধুত্ব হয়৷ তার ওপর স্মরণশক্তিও ওদের খুব ভালো৷ ২০ বছর পরও ডলফিন তার বন্ধুকে চিনতে পেরে কাছে টেনে নেয়৷ যা সত্যিই মানুষের হিংসে করার মতো৷ আহা মানুষ যদি এমন হতো!

ধৈর্য: প্রাণীরা বর্তমান সময়কেই উপভোগ করে৷ মানুষদের মতো আগামীতে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা নিয়ে অযথা সময় নষ্ট করে না৷ কোনো কিছুতে তাড়াহুড়ো নেই তাদের৷ বিড়ালকে দেখুন, কী সুন্দর নিশ্চন্তে বসে থাকে বা কুকরকে নিয়ে বাইরে বের হলেই লক্ষ্য করবেন যে, তারা শীত, গ্রীষ্ম, বৃষ্টির কথা না ভেবে যতক্ষণ দরকার ততটা সময় ব্যয় করে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কপি-পেস্ট’ প্রযুক্তিতে ভবন নির্মাণ

অনলাইন ডেস্ক: সাম্প্রতিক বিশ্বে ভবন নির্মাণে চীনের ব্যবহূত ‘হাইব্রিড’ প্রযুক্তি ‘কপি-পেস্ট’ স্থাপত্য হিসেবেই দেশটিতে পরিচিতি পেয়েছে। কারণ হলো- এই প্রযুক্তি অনেকটা কম্পিউটারে কপি-পেস্টের মতোই!
চীনের এই প্রযুক্তিতে ভবন নির্মাণে কিছু অংশ হাতে করা হয় কিছু অংশ বিশাল আকারের রোবটিক হাত দিয়ে করা হয়। কম্পিউটারে ডিজাইন করার পর এটি কপি করে সফটওয়্যারের নির্দিষ্ট ফোল্ডারে পেস্ট করে দিলেই বিশাল বিশাল দুটি রোবটিক হাত ভবনটি নির্মাণের কাজ শুরু করে দেয়।
ছবিতে ইংরেজি ৮ আদলের যে বিশাল ভবনটি দেখা যাচ্ছে সেটি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাত্র ৫২ দিনে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা দাবি করছেন, অন্তত দুই বছর সময় গেগে যেত প্রচলিত পদ্ধতিতে এই ভবনটি তৈরি করতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে যা করণীয়

স্বাস্থ্য কণিকা: ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ মানবদেহে রক্ত সঞ্চালনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। মানবদেহে রক্তচাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। তার ওপর ভিত্তি করেই উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার ও নিম্ন রক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করা হয়। উচ্চ রক্তচাপের মতোই নিম্ন রক্তচাপও কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন।
প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড়, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া এবং স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা দেখা দেয়।

ফলে প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ করা জরুরি।

১. স্ট্রং কফি, হট চকোলেট এবং যে কোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেয়ে নিতে পারেন।
২. লবণে আছে সোডিয়াম যা রক্তচাপ বাড়ায়। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করতে হবে।
৩. হাইপার টেনশনের ওষুধ হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিসমিস। এক-দুই কাপ কিসমিস সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে কিসমিস ভেজানো পানি খেয়ে নিন। তাছাড়া ৫টি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন।
৪. ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনাপাতা বেটে এতে মধু মিশিয়ে পান করলে কাজে দেবে৷
৫. আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।
৬. বিটের রস হাই ও লো প্রেসার- উভয়টির জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আয়রনের উৎস যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক:
যকৃৎ ও অন্যান্য প্রত্যঙ্গ
গরু ও ছাগলের কলিজা কিংবা যকৃৎ আয়রণে ঠাসা। মগজ ও হৃদযন্ত্রেও মিলবে এ উপাদান। যাদের অতিমাত্রায় রক্তস্বল্পতা রয়েছে, তাদের এগুলো জরুরি ভিত্তিতে খেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। গরুর যকৃতের মাত্র ১০০ গ্রামে আছে ৬ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম আয়রন, যা প্রতিদিনের প্রয়োজনের ৩৬ শতাংশ। এসব খাবারে আরো আছে ‘বি’ ভিটামিন, কপার ও সেলেনিয়াম। উচ্চমাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ মেলে এতে। ‘চোলিন’-এর বড় উৎস এগুলো, যা মস্তিষ্ক ও যকৃতের জন্য উপকারী।

শিমজাতীয় উদ্ভিদের বিচি
শিম ও মটরশুঁটির বিচি, কালাই, মটর কিংবাং ছোলায় রয়েছে আয়রন। মূলত নিরামিষভোজীদের লৌহের প্রয়োজন মেটায় এগুলো। বিভিন্ন ধরনের ডালও রয়েছে এ তালিকায়। এক কাপ (১৯৮ গ্রামের মতো) সিদ্ধ মসুর ডালে মিলবে ৬ দশমিক ৬ মিলিগ্রাম আয়রন। নেহাত কম নয়।

পালং শাক
এতে ক্যালোরি অনেক কম থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম রান্না করা পালং শাকে রয়েছে ৩ দশমিক ৬ মিলিগ্রাম আয়রন। আবার এতে ভিটামিন ‘সি’ আছে। কাজেই আয়রন গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয় না। এই ভিটামিন মূলত আয়রন শুষে নিতে দেহকে সহায়তা করে। ক্যারোটেনয়েড নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে এই শাকে।

লাল মাংস
যদিও এই মাংস হৃদরোগের ঝুঁকির কারণ হয়। তবু রক্তস্বল্পতার জন্য ‘রেড মিট’ বা লাল মাংস অতি জরুরি। আয়রনে ভরপুর এক খাবার। গরুর মাংসের ১০০ গ্রামে ২ দশমিক ৭ মিলিগ্রাম লৌহ থাকে। প্রতিদিনের চাহিদার ১৫ শতাংশ মেলে এখান থেকে।

মিষ্টি কুমড়ার বীজ
এটি খুবই স্বাদের জিনিস। মাত্র ২৮ গ্রাম বীজে রয়েছে ৪ দশমিক ২ মিলিগ্রাম আয়রন। আরো আছে ভিটামিন ‘কে’, জিংক ও ম্যাঙ্গানিজ। এটি ম্যাগনেসিয়ামেরও ভালো উৎস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চকোলেটে বানানো অবসরযাপন কেন্দ্র

অনলাইন ডেস্ক: এই বাড়িটিকে আক্ষরিক অর্থেই ‘হোম সুইট হোম’ বলা যায়। ফ্রান্সের একটি কটেজ যা কিনা পুরাটাই চকোলেট দিয়ে বানানো হয়েছে। আর এই চকোলেট অবশ্যই ভক্ষণযোগ্য। প্যারিসের দক্ষিণের শহরতলীতে বানানো হয়েছে বাড়িটি। এটা কিন্তু কেবল দেখার জন্যে নয়। এখানে রীতিমতো থাকতে পারবেন।
এটি বানিয়েছেন খ্যাতিমান চকোলেট বিশেষজ্ঞ এবং কারিগর জিন-লাক ডেক্লুজিউ। এই কটেজের দেয়াল থেকে ছাদ পর্যন্ত সবই চকোলেট দিয়ে বানানো। এর ফায়ার প্লেস, দেয়ালে টাঙানো ঘড়ি, তাকে রাখা বই এবং ঝাড়বাতিটাও চকোলেটের। আঙিনায় যে ফুলের বাগান রয়েছে তাও চকোলেটের। আরো জানলে অবাক হবেন যে, হাঁসের জন্যে চকোলেট দিয়ে ছোট্ট পুকুর বানানো হয়েছে সেখানে।
সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, আপনি সেখানে গিয়ে থাকতেও পারবেন। হোটেলে রুম বুকিং সংক্রান্ত ওয়েবসাইট বুকিং ডট কম এর মাধ্যমে ইচ্ছা পূরণ ঘটতে পারে। এই চকোলেট কটেজ বুক করা যাবে অক্টোবরের ৫ এবং ৬ তারিখে।
সেখানে গেলে অবসর কাটানোর অনন্য আয়োজন বিষয়ে একটি ওয়ার্কশপে যোগ দিতে পারবেন। আর চকোলেটের ফুলবাগানে ডিনার পরিবেশন করা হবে।
সূত্র: এনডিটিভি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest