সর্বশেষ সংবাদ-
প্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোকলেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতমWie Slots-Boni Ihnen helfen können, Ihre Spielziele zu erreichenWeiss Bet élő játék kalandok és a legjobb online élményekWie Sie im Casino Pistolo das Beste aus Ihrem Budget machen

সিনহার অ্যাকাউন্টে টাকা; ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৬ কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

দেশের খবর: ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী একেএম শামীমসহ ৬ ব্যাংক কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকা স্থানান্তরের সঙ্গে ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির সম্পৃক্ততা থাকতে পারে- এমন অভিযোগে তাদের তলব করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টায় এ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মঙ্গলবার সংস্থাটির পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের সই করা নোটিশে তাদের আজ বুধবার হাজির হতে বলা হয়েছে। এ তদন্তকাজে সহায়তা করছেন দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।
সাবেক এমডি ছাড়া অন্য যে পাঁচজনকে তলব করা হয়েছে, তারা হলেন- ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, এক্সিকিউটিভ অফিসার উম্মে সালমা সুলতানা, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিউদ্দিন আসকারী আহমেদ, ম্যানেজার (অপারেশন) ও ভাইস প্রেসিডেন্ট লুতফুল হক এবং সাবেক হেড অব বিজনেস ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট গাজী সালাউদ্দিন।
এ বিষয়ে সোমবার দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছিলেন, আমরা অনুসন্ধান করছি কিনা এ বিষয়ে সরাসরি উত্তর দেয়া সম্ভব নয়। দুদক দুজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঋণ নিয়ে ওই টাকা অবৈধভাবে অন্যত্র স্থানান্তরের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে। অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বক্তব্য দেয়া যাবে না। দালিলিক প্রমাণ দিয়ে টাকা কোথায় ও কীভাবে গেল সে বিষয়টি খুঁজে বের করতে হবে। দালিলিক প্রমাণ ছাড়া দুদক কারও বিরুদ্ধে মামলা করবে না।
এর আগে গত ৬ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুই ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহাকে এসকে সিনহার ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকা স্থানান্তরের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
ওই দিন তাদের দুই আইনজীবী আফাজ মাহমুদ রুবেল ও নাজমুল আলম সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, এসকে সিনহাকে তার বাড়ি বিক্রির চার কোটি টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে।
তারা জানান, এসকে সিনহার উত্তরার ৬তলা বাড়িটি পাঁচ কাঠা জমির ওপর। বাড়িটি ২০১৬ সালের শুরুর দিকে টাঙ্গাইলের বাসিন্দা ও সাবেক প্রধান বিচারপতির ‘কথিত পিএস’ রণজিতের স্ত্রী শান্তি রায় ছয় কোটি টাকায় ক্রয় করেন।
বায়না দলিলকালে তিনি দুই কোটি টাকা পরিশোধ করেন। বাকি টাকা পরিশোধের জন্য নিরঞ্জন ও শাহজাহানের সহযোগিতা নেন। নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা শান্তি রায়ের স্বামী রণজিতের চাচা। আর শাহজাহান রণজিতের বন্ধু।
দুই আইনজীবী আরও বলেন, বাড়ি কেনার বিষয়ে নিরঞ্জন ও শাহজাহান ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে দুই কোটি টাকা করে মোট চার কোটি টাকা ঋণ নেন। ঋণ পরিশোধে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে শান্তি রায় জামিনদার হন।
জামিনদার হিসেবে শান্তি রায় টাঙ্গাইল ও ঢাকার আশপাশের বেশ কিছু জমি বন্ধক রাখেন। তাদের তথ্যানুযায়ী, ২০১৬ সালের মে মাসে বায়না দলিল হয় এবং ৮ নভেম্বর দুটি পে-অর্ডারে এসকে সিনহা সোনালী ব্যাংক সুপ্রিমকোর্ট শাখার মাধ্যমে চার কোটি টাকা গ্রহণ করেন। পরে ২৪ নভেম্বর হস্তান্তর দলিলের মাধ্যমে বাড়িটি শান্তি রায়কে বুঝিয়ে দেন।
দুদক সূত্র জানায়, এ বিষয়ে গত বছরের শেষ দিকে আসা এক ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক তা যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।
অনুসন্ধানে যদি জানা যায়, ওই চার কোটি টাকা বাড়ি বিক্রির নয়, বরং ঘুষ বা জালিয়াতি করে অন্য কোনো জায়গা থেকে এসকে সিনহার হিসাবে স্থানান্তরিত হয়েছে, তা হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার বিশ্ব নিরাপত্তায় হুমকি

অনলাইন ডেস্ক: ‘তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। সন্ত্রাসী ও সহিংস উগ্রবাদীরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের বিষাক্ত বক্তব্য প্রচার করছে।’
মঙ্গলবার দুপুরে নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের আয়োজনে ‘সাইবার নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে তথ্য নিরাপত্তার জন্য নীতিমালা তৈরিতে জাতিসংঘের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাইবার জগতে সেই অর্থে কোনো সীমারেখা নেই। তথ্য-প্রযুক্তি নিরাপদ করার সামর্থ্য সব দেশের সমান নয়। তাই ডিজিটাল বিশ্ব নিরাপদ রাখতে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে জাতিসংঘকে। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো নিয়মিতভাবে সাইবার হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সত্যিকার উৎস শনাক্ত করা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাইবার বিশ্বে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর দায়িত্বশীল আচরণের নীতিমালা ও মূলনীতি শর্তহীন সমর্থন পাওয়া উচিত বলেও মত দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাইবার নিরাপত্তার সামর্থ্য বিনির্মাণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। উন্নয়ন সহযোগীদের এটিকে তাদের আন্তর্জাতিকভাবে নেওয়া অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বাংলাদেশ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সাইবার নিরাপত্তা ইকো সিস্টেম তৈরিতে কাজ করছে উল্লেখ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস হওয়ার কথাও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।
একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে জাতিসংঘের একটি উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বাংলাদেশের মতো ছোট দেশগুলোকে সাইবার অপরাধের হাত থেকে বাঁচাতে জাতিসংঘকে এগিয়ে আসতে হবে। প্লেনারি সেশনে তিনি বলেন, ‘আমরা সমস্যা চিহ্নিত করতে পারলেও, পুরোপুরি সমাধান করতে পারি না। আমরা অনেক সময় হ্যাকিং আটকাতে পেরেছি, কিন্তু হ্যাকারকে ধরতে পারিনি। এ সময় তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে হ্যাকিংয়ের কথা তুলে ধরে, এমন সমস্যার সমাধানে জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান, এস্তোনিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল তিসালু, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও নিরস্ত্রীকরণবিষয়ক প্রতিনিধি ইজুমি নাকামিতসু, জাপানের সাইবার নীতিবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওতাকাও, ইউএনওআইসিটির পরিচালক সালেম আভান এবং মাইক্রোসফটের সাইবার নিরাপত্তা কৌশল ও নীতি বিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক অ্যাঙ্গেলা ম্যাকে।
প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী সমাপনী বক্তব্য দেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতারেসের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিশ্ব নেতারা অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা বুক হাউজ থেকে ৪৮০ পিচ সরকারি বই জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা বুক হাউজ থেকে ৪৮০ পিচ ৬ষ্ঠ শ্রেণির সরকারি বিজ্ঞান বই জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে শহরের মুনজিতপুর এলাকা সাতক্ষীরা বুক হাউজ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সজল মোল্যা ও আমিনুর ইসলামের নেতৃত্বে এ বই জব্দ করা হয়। এসময় জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাতক্ষীরা বুক হাউজের মালিক জানান, শাহ আলম আমাদের আতœীয় হন। তিনি বলেন কিছু বই বেছে গেছে। ২ দিন একটু রাখো। ২দিন পর আমি কুমিল্লা পাঠিয়ে দেবো। বই বিক্রির উদ্দেশ্যে এখানে রাখা হয়নি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জানান, জেলা শিক্ষা অফিসে একজন ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন সাতক্ষীরা বুক হাউজে সরকারি বই বিক্রয় হচ্ছে। জেলা অফিস আমাদের কে জানালে আমরা ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে খোজখবর নিয়ে জানতে পারি কুমিল্লা এলাকার শাহ আলম সরকারি বই টেলিভারির টেন্ডার পেয়েছেন। জেলা বই বিতরণের পর কিছু বই বেচে ছিলো। সেগুলো তিনি লাইব্রেরিতে রেখেছেন। আমাদের কাছে তাকে অপরাধী মনে হয়নি। যে কারণে আমরা ওই বই গুলো জব্দ করে জেলা শিক্ষা অফিসারে জিম্মায় রেখেছি। এছাড়া শাহ আল বই গুলো কুরিয়ারে পাঠানোর রিসিভটি শিক্ষা অফিসারের কাছে জমা দিয়ে যাবেন।
শাহ আলম জানান, আমি খুলনাসহ বিভিন্ন স্থানে বইগুলো ডেলিভারি করছি। সাতক্ষীরা ডেলিভারির পর কিছু বই বেশি থাকায় আমি এখানে রেখেছি। বইগুলো আগামীকাল কুরিয়ারে পাঠিয়ে দেবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র জয়নগর ইউনিয়ন কমিটি গঠন

কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়া প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র ১ নং জয়নগর ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা ডাঃ আমানুল্লাহ আমান। মঙ্গলবার বসন্তপুর সরকারি প্রাইমারি স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি নিয়াজ মোরশেদ লাল্টু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বাপ্পী,সহ-সম্পাদক মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আমানুল্লাহ আমান, দপ্তর সম্পাদক সুজন আহম্মেদ, সদস্য মামুন প্রমুখ। নবগঠিত কমিটির সভাপতি বিএম রিয়াজ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমন হাসান, সিনিয়র সহ সভাপতি আসাদ সানা, সেলিম হাসান, মারিফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অনিক হাসান রনি, গোলাম রসূল, তামিম হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহান হাসান, ওলিউর হাসান সোহান, খাইরুল ইসলাম,দপ্তর সম্পাদক সাগর হাসান, অর্থ সম্পাদক দিদারুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক নয়ন হাসান, জাকির সানা, ইসলাম, উজ্জল কুমার রায় প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কলারোয়া প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বাপ্পী। উল্লেখ্য-বিএম রিয়াজ হোসেনকে সভাপতি ও ইমন হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র ১৭ সদস্য বিশিষ্ট ১ নং জয়নগর ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সকালে খালি পেটে পানি পানের উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে আর তার সুফল কেমন করে পাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। অল্প কিছু বিষয় মেনে চললেই সকালে খালি পেটে পানি পান করে সুস্থ-সবল থাকার পথে একধাপ এগিয়ে থাকা সম্ভব।

সকালে পানি পানে শুধু পাকস্থলীই পরিষ্কার হয় না, এটা অনেকগুলো রোগের ঝুঁকি থেকে আমাদের বাঁচতে সহায়তা করে। প্রথমত, এই অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সহায়তা করে এবং পরিপাকক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে উপকারে আসে।

দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি পানে শরীরের ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর থাকে। রক্ত থেকে ‘টক্সিন’ বা বিষাক্ত নানা উপাদান দূর করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই পানি। কেননা, পানি নতুন রক্ত কোষ এবং পেশি কোষ জন্মানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। আর ওজন কমিয়ে রাখতেও পানি পান করা পর্যাপ্ত উপকারী।

সকালে পানি পানের পর অল্প কিছুক্ষণ অন্য কিছু না খাওয়াই ভালো। এই পানি-চিকিত্সার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটা পরিপাক ক্রিয়ার জন্য দারুণ উপকারী। প্রতিদিন সকালে গড়ে চার গ্লাস পানি (প্রায় এক লিটার) পান করা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছুদিন এভাবে পানি পান করলে বিষয়টা সহজেই আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং এর উপকারিতাও টের পাওয়া যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজনৈতিক ডামাডোলে অর্থনৈতিক স্থবিরতার আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক: আগামী অক্টোবরেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। কোন প্রক্রিয়ায় হবে নির্বাচন? বর্তমান সরকারের অধীনে না কি অন্য কোনো সরকারব্যবস্থায়? এ নিয়ে ক্রমেই উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে, রাজনৈতিক অঙ্গনে। পাল্টাপাল্টি বক্তব্য আর মাঠ দখলের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে রাজনৈতিক জোটগুলো। নির্বাচন ঘিরে দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী হচ্ছে, কী হবে? এ নিয়েই আতঙ্কে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচন এলে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এটি স্বাভাবিক। তবে এ পরিস্থিতি যদি দীর্ঘায়িত হয় তবে অর্থনীতির জন্য তথা দেশের জন্য ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা আতঙ্কে রয়েছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পরিবহন ব্যবসায়ী ও হকার ও শ্রমিক শ্রেণি সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হন। যা থেকে বাদ পড়ে না সাধারণ ভোক্তারাও। তাই সহিংস কর্মসূচি পরিহার করে সব পক্ষের সঙ্গে সমঝোতায় শন্তিপূর্ণ নির্বাচন চান তারা।
এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আবু নাসের বলেন, রাজনীতি ও অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক। একটির অবস্থা খারাপ হলে অন্যটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই রাজনৈতিক পরিস্থিতি খারাপ হলে অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব পড়বে।
তিনি বলেন, নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে তা সহিংস রূপ নেবে না। কারণ জ্বালাও-পোড়াও, সংঘাতপূর্ণ আন্দোলন মানুষ পছন্দ করে না। আমাদের তরুণ সমাজ সহিংসতা পছন্দ করে না। তাই আমরা আশাবাদী রাজনৈতিক অঙ্গনে আগামীতে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না।
ব্যবসায়ী এ নেতা আরও বলেন, তারপরও যদি সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তাহলে ব্যবসায়ী সমাজ ঐক্যবন্ধভাবে তা প্রতিহত করবে। কারণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন ব্যবসায়ীরা। গাড়ি ভাঙচুর, সড়ক অবরোধে ক্ষতির সম্মুখীন হয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। তাই সবার স্বার্থে দেশে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেয়া হবে না।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও অর্থনীতিবিদ সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যবসা বাণিজ্য। শিল্প কারখানার উৎপাদনও কমে যায়। মানুষের মধ্যে এক ধরনের ভয়ভীতি কাজ করে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
তিনি আরও বলেন, যখনই দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয় তখন উদ্যোক্তারা নতুন করে বিনিয়োগ করতে চান না। বিদেশিরাও সংঘাটপূর্ণ দেশে বিনিয়োগ করতে চান না। আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে এক ধরনের স্থবিরতা সৃষ্টি হয়। তাই রাজনৈতিক অস্থিরতা হলে দেশের অর্থনীতি সামগ্রিকভাবে পিছিয়ে পড়ে।
‘নির্বাচন এলে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। তবে এ পরিস্থিতি যদি দীর্ঘায়িত হয় তবে অর্থনীতির জন্য তথা দেশের জন্য ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে’ যোগ করেন প্রবীণ এ অর্থনীতিবিদ।
তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে চাই। এজন্য প্রয়োজন ব্যবসার সুষ্ঠু পরিবেশ। এটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। যারাই ক্ষমতায় থাকবে তারা এটি নিশ্চিত করবে।
তিনি বলেন, গামের্ন্টস খাত হরতাল অবরোধের আওতামুক্ত থাকলেও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির হলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই আমরা সংঘাতময় পরিস্থিতি চাই না। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন হবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউপি চেয়ারম্যান চঞ্চল চৌধুরী

বিনোদনের খবর: নানামাত্রিক চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত চঞ্চল চৌধুরী। অভিনয়ের প্রয়োজনে বিভিন্ন চরিত্রে দর্শকের সামনে এসেছেন তিনি। এবার তাকে নাটকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ভূমিকায় দেখা যাবে। ‘সোনার খাঁচা’ শিরোনামের এই ধারাবাহিক নাটকটি রচনা করেছেন বৃন্দাবন দাস এবং পরিচালনা করবেন সাগর জাহান।
২৯ সেপ্টেম্বর থেকে নাটকটির শুটিং শুরু হবে গাজীপুরের পূবাইলে। নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র এই ইউপি চেয়ারম্যান। তার বাবা চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় মারা যান। পরে এলাকার মানুষজন ও শুভাকাক্সক্ষীরা মিলে তাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে। কখনও ভুল সিদ্ধান্ত আবার কখনও ব্যতিক্রমী কিছু কাজের জন্য এলাকার লোকের মুখে মুখে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে।

এতে অভিনয় প্রসঙ্গে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘এই নাটকে আমার চরিত্রটির মাধ্যমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরা হবে। নাট্যকার সুন্দরভাবে গল্প বিন্যাস করেছেন। এ ছাড়া পরিচালক এবং অন্যান্য অভিনয়শিল্পী মিলিয়ে সুন্দর একটি লাইনআপ তৈরি করা হয়েছে। আশা করছি নাটকটি দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করবে।’

এ ছাড়াও চঞ্চল চৌধুরী বেশ কিছু ধারাবাহিক ও খণ্ড নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন। শিগগিরই তার অভিনীত অনম বিশ্বাস পরিচালিত ‘দেবী’ ছবিটি মুক্তি পাবে। এতে তিনি হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত মিসির আলী চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ মা‌ঠে নাম‌ছে ফাইনালের জন্য মরিয়া বাংলাদেশ

খেলার খবর: শরীর ভেঙে পড়তে চাইছে; কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাতের শরীরক্ষয়ী গরমেও তবু মনের জোর দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা বাংলাদেশ দলের। সেই চেষ্টার সাফল্যেই ফাইনালের পথ খোলা গেছে। আজ আবুধাবিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে অঘোষিত সেমিফাইনাল জিতলেই ২৮ সেপ্টেম্বরের ফাইনালে মুখোমুখি ভারতের। তার আগে মনের জোর অটুট রেখে শরীরটাও ধরে রাখার চিন্তা মাশরাফি বিন মর্তুজার, ‘শরীরের ওপর চাপ পড়ে গেলে কিছু করার থাকে না। শরীর ভেঙে পড়লে মন দিয়ে চালানো কঠিন।’

আফগানিস্তান ম্যাচের পর পাওয়া দুই দিনের বিশ্রামে চার দিনে তিনটি ম্যাচ খেলার ক্লান্তি কিছুটা কাটিয়ে ওঠা বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মনের জোরটাও রাখতে চান। কারণ সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় ভারতের কাছে টানা দুই ম্যাচ হারার পরও কোনোভাবেই পাকিস্তানকে পিছিয়ে রাখতে চান না তিনি। ২০১৫-তে দেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করা পাকিস্তানের সঙ্গেও বিস্তর ফারাক দেখছেন এখনকার দলের, ‘ওই পাকিস্তানের চেয়ে এখনকার দল ভালো। তখন হাসান আলী বা শাদাবরা ছিল না। বোলিং আক্রমণ ভালো। ভালো ব্যাটিংও। ভারতের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ দিয়েই বিচার করলে তো হবে না। দল হিসেবে সম্প্রতি ওরা অনেক ভালো খেলছে। ভালো দল ওরা। তবে ওরা ভালো মানেই যে আমরা ভালো খেলতে পারব না, তা তো নয়।’
নয় বলেই আজকের ম্যাচে পাকিস্তানকে ফেভারিটের তকমা দিয়েও জয়ের আকাঙ্ক্ষায় বিন্দুমাত্র ঘাটতি নেই বাংলাদেশ দলের হেড কোচ স্টিভ রোডসেরও। যদিও ভারতের কাছে টানা দুই হারে মনোবলের দিক থেকে পিছিয়ে থাকা পাকিস্তানের শোয়েব মালিক সেটি মেনে নিয়ে চাপ বাড়াতে চাইলেন না, ‘আমি কাউকে আন্ডারডগ বা ফেভারিট বলায় বিশ্বাসী নই। নির্দিষ্ট দিনে ভালো খেলেই শুধু জেতা সম্ভব।’

সেই ভালো খেলার চেষ্টায় কমতি রাখছে না বাংলাদেশও। কিন্তু নিজেদের সামর্থ্যের পুরোটাও দেওয়া যাচ্ছে না এখানকার গরমের সঙ্গে বাড়তি লড়াইটা করতে গিয়ে। তবে এই পর্যায়ে এসে সেটিকে সামনে আনার সুযোগও দেখছেন না মাশরাফি, ‘কাজটি কঠিন। কিন্তু ম্যাচ হেরে গেলে এসব বলে লাভ নেই। এবার দুটি ম্যাচ হেরেছি। হারের ধরন নিয়ে কথা হয়েছে। কিন্তু আবহাওয়া কতটা কঠিন, লোকে এসব বুঝবে না। বোঝানোর চেষ্টা করেও লাভ নেই। মূল কথা হলো, লোকে চায় খেলতে হবে এবং জিততেও হবে। আমাদের কাছেও সে রকমই প্রত্যাশা করে। কাজেই জেতার জন্যই খেলতে হবে। কিভাবে জেতা যায়, মাঠে করতে হবে সেই চেষ্টাই।’

বাংলাদেশ যখন জেতার ছক সাজাচ্ছে, তখন এখানকার কন্ডিশনে দারুণ অভ্যস্ত পাকিস্তান শিবির চেষ্টা করছে ভারতের কাছে দুটো হারের কথা ভুলে যেতে। অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক জানালেন তেমনই, ‘এটি এখন নক আউট ম্যাচ হয়ে গেছে। আর আপনি যখন নির্দিষ্ট কোনো দলের কাছে ভালো না খেলে হারবেন, তখন ড্রেসিংরুমে অনেক নেতিবাচক কথাও উড়ে বেড়ায়। ভারতের কাছে দুটো হারকে পেছনে ফেলতে তাই আমরা একাধিক সভাও করেছি। চেষ্টা করছি সব ভুলে মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার।’

সেরাটা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো কমতি রাখতে চায় না বাংলাদেশও। সে জন্য একাদশে আজ দেখা যেতে পারে বেশ কিছু পরিবর্তনও। তামিম ইকবালের জায়গায় ওপেনিংয়ে লিটন কুমার দাশের সঙ্গী হয়ে তিন ম্যাচ খেলেও উল্লেখযোগ্য কিছু করতে না পারা নাজমুল হোসেনের আজ একাদশ থেকে ছিটকেই পড়ার কথা। স্টিভ রোডসও কাল দুবাই স্পোর্টস সিটির আইসিসি একাডেমি মাঠে দলের ঐচ্ছিক অনুশীলনের পর সেই ইঙ্গিত দিলেন, ‘দল নির্বাচনী সভায় ওর (নাজমুল) ব্যাপারেও কথা বলব আমরা।’

নাজমুলের জায়গায় যাঁকে ওপেনিংয়ে ফিরিয়ে আনা প্রায় নিশ্চিত, সেই তিনিও অনেক দিন থেকে রানে নেই। টানা ব্যর্থতায় বাদ পড়া সেই সৌম্য সরকারের আবার আছে ব্যাট হাতে পাকিস্তানকে চুরমার করার দুর্দান্ত স্মৃতিও। ২০১৫-র সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে তাঁর হার না মানা ১২৭ রানের ইনিংসেই পাকিস্তানের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ-কাণ্ড সম্পন্ন করেছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সব শেষ ম্যাচ হয়ে আছে সেটিই। এর পরও দুই দলের দেখা হয়েছে এবং তাতে পাকিস্তানও জিতেছে। কিন্তু সেটি ছিল গত বছর আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ওয়ার্ম আপ ম্যাচ। ওই আসরেও বাজেভাবে হেরে শুরু করা পাকিস্তান কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে উড়িয়ে দিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কাজেই তাদের খেলার ধরনের অনিশ্চিত চরিত্রের কথাও মাথায় রাখছে বাংলাদেশ শিবির।

নিজের সংবাদ সম্মেলনে রোডস সে কথা বারবার মনেও করিয়ে দিলেন। তাই বলে নিজেরাও বসে নেই। পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের সুখস্মৃতি যদি সৌম্যকে ফর্মে ফেরাতে পারে, তাহলে টপ অর্ডারের সমস্যাও মিটে যায় অনেকটা। আফগানিস্তান ম্যাচে ৫ নম্বরে নামলেও এই ম্যাচে আবার তিনে ফিরছেন সাকিব আল হাসানও। মোহাম্মদ মিঠুনও ৫ নম্বরেই ফিরছেন। ইমরুল কায়েস থাকছেন ছয়েই। আর একাদশে আরেকটি পরিবর্তন আসাও প্রায় নিশ্চিত। বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলামের জায়গায় তৃতীয় পেসার হিসেবে ফিরছেন রুবেল হোসেনও।

আফগানিস্তান ম্যাচে যিনি থাকলে মুস্তাফিজুর রহমানকে দিয়ে জোর করে আর বোলিং করাতে হতো না। ওই ম্যাচও এই বার্তাই দিচ্ছে যে শরীর ভেঙে পড়তে চাইলেও মনের জোর দিয়ে ঠিক চালিয়ে নিতে পারছে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest