সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

ধূমপানের ক্ষতি কমিয়ে আনবে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক: হৃদরোগের অন্যতম কারণ এই ধূমপান। মানবদেহের এমন কোনো অঙ্গ নেই, যা ধূমপানে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। দুরারোগ্য ক্যান্সার, দৃষ্টিহীনতা, যক্ষ্মাসহ বহুবিধ রোগ সৃষ্টিকারী এ ধূমপান থেকে বেঁচে থাকা সুস্বাস্থ্যের জন্য একান্ত জরুরি।
ধূমপায়ীরা খাবারের পুষ্টিগুণ এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সুফল থেকে বঞ্চিত। ধূমপানের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেহাভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো (বিশেষ করে ফুসফুস) গ্রহণ করা খাবারের সুফল থেকে বঞ্চিত হয়।
যাদের ক্ষেত্রে ধূমপান ত্যাগের কোনোই বিকল্প নেই, তারা নির্দিষ্ট খাদ্যাভাসের মাধ্যমে ধূমপানের ফলে সৃষ্ট রোগের ঝুঁকি থেকে অনেকটাই রেহাই পেতে পারেন।

আসুন জেনে নেই ধূমপানের ক্ষতি কমিয়ে আনবে এমন কিছু খাবারের নাম।

সরিষা পাতা
সরিষা ধূমপায়ীদের জন্য বিশেষ উপকারী একটি খাদ্যদ্রব্য। কারণ এটি ফুসফুসের প্রদাহ রোধে সহায়তা করে। পাশাপাশি ধূমপানের ইচ্ছারোধ এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের দুর্বলতা রোধ করে।

কপি জাতীয় সবজি
প্রতিদিন অন্তত একটি কপি জাতীয় সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে ধূমপানের ফলে সৃষ্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়। কপি জাতীয় সবজির কিছু উদাহরণ হল- স্প্রাউট, ব্রকলি, ফুলকপি, কলমীদল শালুক, রঙিন আরুগুলা, মুলা এবং চীনা বাঁধাকপি।

ক্যাটচিন
ফাইটোকেমিক্যাল যৌগ ক্যাটচিন ধূমপানের ক্ষতি কমাতে বিশেষ সহায়ক হিসেবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। ব্ল্যাক টি, আঙুর, কালোজাম এবং গাঢ় রঙয়ের চকলেট ক্যাটচিন এর ভালো উৎস।

মিথিওনিন
মিথিওনিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিডটি আমাদের ফুসফুসের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। বিভিন্ন ধরনের ফলের বীজ, শস্যদানা, মাছ এবং মাংসে মিথিওনিন থাকে।

ডালিম
বেদানা বা ডালিমে রয়েছে এলাগিক অ্যাসিড, এটি শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে ধূমপায়ীর শরীরের ক্ষতিকর মৌল দূর করে এবং ফুসফুসের কোষসহ শরীরের কোষের ক্ষতি কমাতে সহায়তা করে।

পেঁয়াজ ও রসুন
সালফার যৌগে পরিপূর্ণ পেঁয়াজ এবং রসুন শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যায় উপকারী ভূমিকা পালন করে এবং ফুসফুসকে পরিষ্কার রাখে। পেঁয়াজে আপেল এবং শিমের ন্যায় ‘কোয়েরসেটিন’ থাকে, যা ফুসফুসকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ মহাত্মা গান্ধীর সার্ধশততম জন্মদিন

অনলাইন ডেস্ক: অহিংসার প্রতীক মহাত্মা গান্ধীর সার্ধশত জন্মদিন আজ ২ অক্টোবর। ভারতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কল্যান কর্মসূচির মাধ্যমে তার প্রতি নিবেদন করা হয় বিনম্র শ্রদ্ধা। বিশ্বজুড়ে এই দিনটি পালিত হয় আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস হিসেবে। ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পরবন্দরে জন্মগ্রহণ করেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। খবর এনডিটিভির।

ভারতে দিনটিকে গান্ধী জয়ন্তী হিসেবে পালন করা হয়। দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার দিনটি উপলক্ষ্যে বছরজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। বিশেষ করে স্যানিটেশন নিয়ে বিরাট সম্মেলনের কথাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি এক বার্তায় বলেছেন, আমরা কী এখন শপিং করতে যাওয়ার সময় গান্ধীকে স্মরণ করি? আমরা কী ভাবি আমরা স্বদেশের জিনিস কিনছি কী না? তিনি দেশের তৈরি জিনিসপত্র কিনে গরীবদের সহায়তা করার আহবান জানান। বিরোধী দল কংগ্রেস এই উপলক্ষ্যে মহারাষ্ট্রেমহাত্মা গান্ধীর সেবাগ্রাম আশ্রমে দলের গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্কি কমিটির বৈঠক করার ঘোষণা দিয়েছে। আজ নয়াদিল্লির স্মৃতি বেদিতে অনুষ্ঠিত হবে সব ধর্ম প্রার্থনা সভা। এই সেই জায়গা যেখানে ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি হিন্দুত্ববাদী নাথুরাম গডসের গুলিতে প্রাণ হারান তিনি। গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি শুরু করা হয়।

মহাত্মা গান্ধী অন্যতম প্রধান ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রগামী ব্যক্তিদের একজন এবং প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক নেতা। তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। এর মাধ্যমে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনসাধারণের অবাধ্যতা ঘোষিত হয়েছিল। এ আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অহিংস মতবাদ বা দর্শনের উপর এবং এটি ছিল ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম চালিকা শক্তি, সারা বিশ্বে মানুষের স্বাধীনতা এবং অধিকার পাওয়ার আন্দোলনের অন্যতম অনুপ্রেরণা।

গান্ধী ভারতে এবং বিশ্বজুড়ে মহাত্মা (মহান আত্মা) এবং বাপু (বাবা) নামে পরিচিত। ভারত সরকারিভাবে তার সম্মানার্থে তাকে ভারতের জাতির জনক হিসেবে ঘোষণা করেছে। ২০০৭ সালের ১৫ই জুন জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ২রা অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ এ দিবস পালনে সম্মতি জ্ঞাপন করে।

মহাত্মা গান্ধী সমস্ত পরিস্থিতিতেই অহিংস মতবাদ এবং সত্যের ব্যাপারে অটল থেকেছেন। তিনি সাধারণ জীবনযাপন করতেন এবং একটি আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যেটি ছিল স্বয়ংসম্পূর্ণ। তার নিজের পরিধেয় কাপড় ছিল ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় ধুতি এবং শাল যা তিনি নিজেই চরকায় বুনতেন। তিনি সাধারণ নিরামিষ খাবার খেতেন। শেষ জীবনে ফলমূ্লই বেশি খেতেন। আত্মশুদ্ধি এবং প্রতিবাদের কারণে দীর্ঘ সময়ের জন্য উপবাস থাকতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টাইগারদের বোলিং তাণ্ডবে বিধ্বস্ত হংকং

খেলার খবর: অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ যুবারা। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের দেয়া ১৮৮ রানের টার্গেট ১৬ বল আর ৩ উইকেট হাতে রেখেই জিতে যায় বাংলাদেশ। এর আগে টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকরা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরেছিল।
এদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে গত ম্যাচে ৩ উইকেটে জয়ের পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে আজ হংকংয়ের বিপক্ষে মাঠে নামে তৌহিদ হৃদয়ের দল।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার (২ অক্টেবর) সকাল ৯টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচে খেলতে নেমেই ক্ষুদে টাইগারদের তোপের মুখে পড়েছে হংকং।
টসে হেরে ব্যাটিং করতে নামে হংকং যুব দল। ব্যাটিং করতে নেমেই ১১ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা। ওপেনার হারপ্রিত সিং ২ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে উইকেটরক্ষক আকবর আলির হাতে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হন।
এরপর আরেক ওপেনার কালহান চাল্লু এবং তিন নম্বরে নামা ওয়াজিদ শাহ। ওয়াজিদ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেন। কালহান চাল্লু করেছেন ২৭ বলে ১৬ রান। ওয়াজিদ শাহ ২৩ বলে করেছেন মাত্র ৫ রান। মাত্র ২৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদের মুখে পড়তে হয়েছে কবির সোধির নেতৃত্বাধীন হংকং দলটিকে।
এরপর রাকিবুলের বলে ৩৪ বলে ১০ করে বিদায় নেন হারুন আরশাদ। ১৬ রান করে অদিত গোরাওয়ারা আউট হন রাকিবুলের বলে। এরপর রিশাদুল হাসানের বলে বিদায় নেন ড্যানিয়েল বাট। ৬ বল খেলে কোন রান করতে পারেননি তিনি।
এরপর অধিনায়ক কবির সোধি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ৩৮ বলে মাত্র ১৩ রানে তিনিও বিদায় নেন। শামিম হোসেনের বোলিংয়ে মাত্র ১ রানে বিদায় নাসরুল্লাহ রানা। ৫ রানে বিদায় নেন হাসান খান। রওনক কাপুর শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন রিশাদুল হাসানের বলে।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বোলিং তাণ্ডবে মাত্র ৪৬.৫ ওভারে মাত্র ৯১ রান করে সবকটি উইকেট হারায় হংকং। বাংলাদেশকে জিততে হলে ৫০ ওভারে ৯২ রান করতে হবে।
বাংলাদেশের হয়ে ১১ রানে ৩ উইকেট নিয়েছের রিশাদ। আর মৃত্যুঞ্জয় ও রাকিবুল নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। আর একটি করে উইকেট নিয়েছেন শরিফুল, মিনহাজুর ও শামিম হোসেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
হংকং ৯১ (৪৬.৫ ওভার)
কালহান চাল্লু ১৬/২৭ বল, অদিত গোরাওয়ারা ১৬/৫৪।
রাশিদ হাসান ৩/১১।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ একাদশ:
তানজিদ হাসান, সাজিদ হোসেন, তৌহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), শামিম হোসেন, আকবর আলি (উইকেটরক্ষক), মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, রিশাদ হোসেন, রাকিবুল হাসান, মিনহাজুর রহমান, মাহমুদুল হাসান জয়, শরিফুল ইসলাম।

হংকং অনূর্ধ্ব ১৯ একাদশ:
হারপ্রিত সিং, কালহান চাল্লু, ওয়াজিদ শাহ, হারুন আরশাদ, অদিত গোরাওয়ারা, মোহাম্মদ হাসান, ড্যানিয়েল বাট, কবির সোধি (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), রওনক কাপুর, নাসরুল্লাহ রানা, হাসান খান মোহাম্মদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪ মিনিটের দৃশ্যের শ্যুটিংয়ে খরচ ৫৪ কোটি

বিনোদনের খবর: দৃশ্যটি ধারণ করতে সময় লেগেছে মাত্র চার মিনিট। আর এতেই কিনা খরচ হয়েছে ৫৪ কোটি টাকা! টাকার অঙ্কটা শুনে চোখ ছানাবড়া হলেও এটিই সত্যি। দক্ষিণী সুপারস্টার চিরঞ্জীবীর ‘সিয়ে রা নরসিমহা রেড্ডি’ ছবির ক্লাইম্যাক্সের জন্য এই খরচ।
জানা গেছে, এটি একটি যুদ্ধের দৃশ্য। ওই দৃশ্যে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। শ্যুটিং হচ্ছে জর্জিয়াতে। ছবির কাজের জন্য হায়দরাবাদ থেকে ১৫০ জনের একটি দল জর্জিয়ায় গেছে। ছবিটির জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাজার হাজার কস্টিউম। সঙ্গে স্থানীয় শিল্পী গেছেন ৬০০ জন। এলাহি খরচের এই ফিল্মের মোট বাজেট ধরা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।
এ বছরই মুক্তি পাওয়ার কথা ‘সিয়ে রা নরসিমহা রেড্ডি’-র। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন চিরঞ্জীবীর ছেলে রামচরণ তেজা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হৃদপিণ্ড ও রক্তনালি জনিত রোগে মৃত্যুহার সর্বোচ্চ

অনলাইন ডেস্ক: হৃদপিণ্ড মানুষের শরীরের এমন এক অঙ্গ যেটা আমাদের সত্যিকার অর্থে বাঁচিয়ে রাখে, কেননা মানুষের মস্তিষ্কের মৃত্যু হলেও আমরা তাকে জীবিত বলতে পারি যতক্ষণ পর্যন্ত হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা সচল থাকে।

বর্তমানে হৃদপিণ্ড ও রক্তনালি জনিত রোগের কারণে মানুষের মৃত্যু সবচেয়ে বেশি হয়। এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ২০০০ সালের শুরু থেকে প্রতিবছর ১৭ মিলিয়ন লোক মারা যায় হৃদপিণ্ড ও রক্তনালি জনিত রোগের কারণে। হৃদপিণ্ডে রক্তনালির ব্লক ও মস্তিষ্কের স্ট্রোক জনিত কারণে মৃত্যুর হার ক্যান্সার, এইডস ও ম্যালেরিয়া থেকেও বেশি। বর্তমানে হৃদরোগ ও রক্তনালি জনিত রোগের কারণে ৩১ শতাংশ মৃত্যু হয় এবং অল্প বয়সে মৃত্যুর ৮০ শতাংশের জন্যও হৃদরোগকে দায়ী করা হয়।

শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব হার্ট দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘আমার হার্ট, তোমার হার্ট’। এই স্লোগান নিয়ে প্রতি বছরের মতো এ বছরও পালিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব হার্ট দিবস। বিশ্বব্যাপী হৃদরোগ সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলার জন্য এ দিবসটি পালন করা হয়।

১৯৯৯ সালে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন ও ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন যৌথভাবে বিশ্ব হার্ট দিবস পালনে সম্মত হয়। এই হার্ট দিবস সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন ১৯৯৭-৯৯ সেশনে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্বে থাকা অ্যান্থনি বেইস ডি লুনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃদরোগের প্রাথমিক লক্ষণ হলো এনজাইনা, শ্বাসকষ্ট হওয়া, অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন ইত্যাদি। এনজাইনা হচ্ছে, রোগীর সাধারণত বুকে ব্যথা, বুকে চাপ অনুভব করা, বুক ভার ভার হওয়া, দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হওয়া ইত্যাদি। কারো করোনারি আর্টারি বা হার্টের রক্তনালির ৭০ শতাংশ ব্লক হয়ে গেলে তখনই এনজাইনা হয়ে থাকে। কখনো কখনো এনজাইনা থেকে হার্ট অ্যাটাক হয়। আবার করোনারি ধমনি যখন ১০০ শতাংশ ব্লক হয়, তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের ফলেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। হার্ট অ্যাটাক একটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা, যেখানে জীবন ও মৃত্যু খুব কাছাকাছি চলে আসে। এটি সাধারণত বয়স্কদের রোগ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৬০ থেকে ৭০ বছর বয়সী মানুষের এটি হয়ে থাকে।

বাংলাদেশে ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের এটি হয়ে থাকে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের থেকে আমাদের দেশের লোকের ১০ বছর আগেই হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। এখন ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী, এমনকি ২৫-৩০ বছর বয়সীরাও হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছে। যার অন্যতম কারণ হলো- স্বাস্থ্যসম্মত খাবার না খাওয়া, ধূমপান ও তামাক জাতীয় দ্রব্য সেবন, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম না করা ও অ্যালকোহল পান করা।

এছাড়া এ অঞ্চলে দুর্বল হার্ট বা কার্ডিওমায়োপ্যাথি একটি পরিচিত হৃদরোগ যেখানে হার্টের কার্যক্ষমতা কমে যায়। বাতজ্বর জনিত হৃদরোগ বাংলাদেশের আরেকটি বড় সমস্যা। সাধারণত ছোট বেলায় বাতজ্বর থেকে পরবর্তীতে বাতজ্বর জনিত হৃদরোগ হয়ে থাকে। বাতজ্বর জনিত রোগে সাধারণত হার্টের ভাল্ব ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর মধ্যে কিছু রোগ চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো করা সম্ভব। আর কিছু রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। যদি সময়মতো চিকিৎসা করা না হয় তাহলে পরবর্তীতে শৈল চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে হতে পারে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ক্লিনিক্যাল কার্ডিওলজি ডিভিশনের প্রধান ও কার্ডিওলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যার্নাজি জানান, হৃদরোগের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণের মধ্যে যদি কারো পরিবারে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও শিশুর জন্মগত হৃদরোগ থাকে সেক্ষেত্রে ঝুঁকি কমানোর জন্য আমাদের কিছুই করার থাকে না। জন্মগত কারণে শিশুদের হৃদপিণ্ডের দুটি প্রধান ত্রুটি, যেমন- ভেন্ট্রিকালার সেপ্টাল ডিফেক্ট ও এট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্ট সাধারণত আমাদের দেশে বেশি দেখা যায়। সহজ কথায়, হৃদপিণ্ডের মধ্যে চারটি প্রকোষ্ঠ থাকে। দুটি অলিন্দ ও দুটি নিলয়। ডান ও বাম অলিন্দ একটি পর্দা দ্বারা পৃথক থাকে এবং ডান ও বাম নিলয়ও আরোও একটি পর্দা দ্বারা পৃথক। যদি দুই অলিন্দের মাঝখানের পর্দার কোন ছিদ্র থাকে তাকে এএসডি বলে। আর যদি দুটি নিলয়ের মাঝখানে পর্দার মাঝে কোন ছিদ্র থাকে, তখন তাকে ভিএসডি বলে। এ সমস্যায় অক্সিজেনযুক্ত রক্ত কার্বন ডাই অক্সাইডযুক্ত রক্তের সঙ্গে মিশে যায়। সাধারণত শিশুরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

সামগ্রিক বিষয়ে বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। যেমন- স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণের পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শিশুদের জাঙ্ক ফুড খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। হৃদরোগ প্রতিরোধে কায়িক পরিশ্রম করা, হাঁটাহাঁটি করা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান না করা ও খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, এ বছর বিশ্ব হার্ট দিবস পালনের উদ্দেশ্যে আমাদের হার্টের যত্ম নেওয়ার জন্য কয়েকটা বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। সেগুলো হল আপনার হার্টকে জানুন, হার্টকে শক্তিশালী করুন ও হার্টকে ভালোবাসুন। যখন আপনার হার্টের অসুখ থাকবে, তখন সবকিছুতে নিজেকে ক্লান্ত মনে হবে। আপনি ক্রমাগত বৃদ্ধ হতে থাকবেন। আপনি হয়ে যাবেন অনুভূতিহীন। তাই নিকোলাই লেনিনের ভাষায় বলতে হয়, শত অসুস্থতার মধ্যেও যাতে আমরা হৃদয় হারা না হই।

২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার লক্ষ্য হলো- অসংক্রামক ব্যাধি জনিত মৃত্যুর হার হ্রাস করা এবং অল্প বয়সে হৃদরোগ জনিত কারণে মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা। তাই বিশ্ব হার্ট দিবসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে হৃদরোগ সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করে তোলা। কেননা হার্টের প্রতিটা স্পন্দনই গুরুত্বপূর্ণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে অনুমোদন পেতে যাচ্ছে বিএফডিসি উন্নয়ন প্রকল্প

বিনোদনের খবর: চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অনেকে বহুদিন ধরে চলচ্চিত্র উন্নয়নে সরকারের উন্নয়নশীল পদক্ষেপের দাবি করে আসছেন। পুরনো বিএফডিসিকে (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন) মেরামতসহ নানাবিধ দাবি জানিয়ে আসছিলেন তারা।
অবশেষে পূরণ হতে যাচ্ছে সেই দাবি। চলচ্চিত্র উন্নয়নে ‘বিএফডিসি কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্প বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে দ্রুত সময়ে।
মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেতে যাচ্ছে বিএফডিসি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প। সভায় সভাপত্বি করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রকল্প অনুমোদনের পরেই শুরু হবে জরাজীর্ণ বিএফডিসি আধুনিকায়নের কাজ।
একনেক’র সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য টেবিলে উপস্থাপন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্র। প্রকল্পটি তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে বিএফডিসি। ‘বিএফডিসি কমপ্লেক্স নির্মাণ’ বিনিয়োগ প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২২ কোটি ৭৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২১ সালে।
প্রকল্পটির প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে চলচ্চিত্র শিল্পকে সম্প্রসারণ, সুদৃঢ় করাসহ বিএফডিসিকে আর্থিক স্বনির্ভরকরণ ও প্রবৃদ্ধি অর্জন, বিএফডিসি’র মধ্যে বহুমুখী বহুতল ভবন নির্মাণের মাধ্যমে অবকাঠামোগত উন্নয়ন। এছাড়াও ভবনের মধ্যে বিভিন্ন বাণিজ্যিক এবং কারিগরি সুবিধা সংযোজনপূর্বক বিনোদনের ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করা এবং বহুমুখী আয়ের ক্ষেত্র সৃষ্টি যার মাধ্যমে বিএফডিসি তথ্য চলচ্চিত্র শিল্পের ভিত্তি মজবুত করা।
এই প্রকল্পের প্রধান প্রধান কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে পরামর্শক নিয়োগ, ৪৫ হাজার ৮০২ বর্গমিটার মূলভবন ও চারটি সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। ৪টি সিনেমা প্রদর্শন ও আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনাসহ নির্মিত হবে বিশাল ৭৩ হাজার বর্গমিটারের শুটিং ফ্লোর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিয়োগ বাণিজ্যের প্রমাণ মেলায় ইবির দুই শিক্ষককে শোকজ

অনলাইন ডেস্ক: নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজী বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসাইন আজাদ ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বাকি বিল্লাহ বিকুলকে শোকজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। একই সাথে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ওই দুই শিক্ষককে কর্তৃপক্ষ বরাবর কারণ দর্শানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪২তম সিন্ডিকেট শেষে রাত নয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বিকাল ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪২তম সিন্ডিকেট সভায় বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরমধ্যে নিয়োগ বাণিজ্যের দায়ে দুই শিক্ষককে শোকজ, বঙ্গবন্ধু চেয়ারে নিয়োগ, সান্ধ্যকালীন কোর্স বাতিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের তিনজন কর্মচারী নিয়োগের অনুমোদন উল্লেখযোগ্য।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসাইন আজাদ ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বাকি বিল্লাহ বিকুলের নিয়োগ বাণিজ্য সংক্রান্ত চারটি অডিও ক্লিপ ফাঁস হয়। বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এই অভিযোগে গত ১৬ জুলাই অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসাইন আজাদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট এবং ড. বাকি বিল্লাহ বিকুলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির পরিচালকের পদ থেকে সাময়িক অব্যহতি দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির সদস্যরা অভিযোগের সত্যতা যাচাই বাছাই করে প্রশাসনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। তদন্ত প্রতিবেদনে নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে ওই দুই শিক্ষকের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলায় সিন্ডিকেট সভায় তাদের শোকজ করা হয়।
এদিকে ২৪২তম সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধীনস্থ বঙ্গবন্ধু চেয়ারে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামানকে আগামী দুই বছরের জন্য নিয়োগ দিয়েছে সিন্ডিকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুতিনকে ভারতের তৈরি যুদ্ধবিমান উপহার দেবেন মোদি

বিদেশের খবর: শিগগিরই ভারতে যাচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এস-৪০০সহ একাধিক ডিফেন্স ডিল হবে বলেই আশা করছে দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। সেই ডিফেন্স ডিলে এবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ভারতের তৈরি যুদ্ধবিমান উপহার দেবেন মোদি! এমনটাই খবর দিয়েছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম কলকাতা টোয়েন্টিফোর সেভেন।
খবরে বলা হয়, পুতিনের সফরকালে ভারতের পক্ষ থেকে দেশে তৈরি ফাইটার জেট উপহার দেওয়া হবে রাশিয়াকে। হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডে তৈরি তিনটি MiG-21 ফাইটার জেট উপহার দেওয়া হবে রাশিয়াকে। ভারতীয় জাতীয় পতাকায় মুড়ে দেওয়া হবে ওই ফাইটার জেটগুলি। একটি টাই ৭৫ এয়ারক্রাফট ও দুটি টাইপ ৭৭ এয়ারক্রাফট দেওয়া হবে। এরপর সেগুলি উড়ে যাবে রাশিয়ার দিকে।
১৯৮৫ পর্যন্ত রাশিয়াতেই তৈরি হত MiG-21 ফাইটার জেট। বর্তমানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এই মিগ বিমান। বিমান বাহিনীতে এখন ১২০টি MiG-21 রয়েছে।
এবারের সম্মেলনে রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত বেশ কিছু অত্যাধুনিক অস্ত্র কিনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে রুশ এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ। ১১৩৫৬ ফ্রিজেট, ৪৮টি এমআই-১৭ভি-৫ হেলিকপ্টার এবং ২০০টি কেএ-২২৬টি (T) হেলিকপ্টার নিতে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের চুক্তি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

একনজরে যা থাকছে চুক্তির তালিকায়:
১. ৪০,০০০ কোটি টাকার S-400 এয়ার ডিফেন্স মিসাইল ডিল
২. AK-103 অ্যাসল্ট রাইফেল তৈরি করা হবে যৌথভাবে
৩. ভারতীয় সংস্থা HAL ও রুশ সংস্থা Rostec-এর মধ্যে হবে চুক্তি। দুই সংস্থা মিলে ২০০টি Kamov-226T হেলিকপ্টার তৈরি করবে।
৪. চারটি তলোয়ার ক্লাস ফ্রিজেট
৫. দুটি IL-78 ট্রান্সপোর্ট প্লেন তৈরি হবে, যাতে থাকবে ইজরায়েলের ওয়ার্নিং সিস্টেম।
৬. রাশিয়ার ইউরি গ্যাগারিয়ান কসমোনট ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেনিং নেবেন ভারতের ইসরোর মহাকাশবিদরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest