সর্বশেষ সংবাদ-
ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমের

আমদানিতেই গেলো পাঁচ লাখ কোটি টাকা!

দেশের খবর: রেকর্ড পরিমাণ আমদানি হয়েছে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ প্রায় পাঁচ লাখ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশের ব্যয় হয়েছে পাঁচ হাজার ৮৮৬ কোটি ৫৩ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় চার লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রসঙ্গত, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে সংশোধিত বাজেটের আকার নামিয়ে করা হয় তিন লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অস্বাভাবিকভাবে আমদানি ব্যয় বাড়ায় বাংলাদেশকে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে হতে পারে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক বাণিজ্যে ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে এলসি খোলা হয়েছে ছয় হাজার ৯৪২ কোটি ২১ লাখ ডলারের (বা পাঁচ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকার)।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, অস্বাভাবিকভাবে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়া ও রফতানি আয় কমে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশকে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে হবে।
তিনি বলেন, ‘এখনই এই চাপ সহ্য করতে হচ্ছে। আগামীতে এই চাপ আরও বাড়বে। এর ফলে ক্রমে বৈদেশিক বাণিজ্যে ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।’
আহসান এইচ মনসুরের মতে, আমদানি ব্যয় মেটাতে যে পরিমাণ টাকা লাগবে, সেই টাকা থাকলে সমস্যা হবে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো— কতদিন এভাবে চলবে? সেটাই দেখার বিষয়।
তিনি বলেন, ‘অনেক সময়ই আমরা শুনি, এক পণ্য আমদানির নামে অন্য পণ্য আমদানি হচ্ছে। অনেক সময় শূন্য কন্টেইনারও আসে। আবার ওভার ইনভয়েসের (আমদানি করা পণ্যের বেশি মূল্য দেখিয়ে) মাধ্যমে অর্থ পাচার করছেন অনেকে।’
এদিকে আমদানি ব্যয় বাড়ায় গেলো অর্থবছরে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর পরিমাণ ৯৭৮ কোটি ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে চলতি হিসাবে মাত্র ১৩৩ কোটি ডলারের মতো ঘাটতি ছিল। অন্যদিকে, গত অর্থবছরে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়েছে রেকর্ড পরিমাণ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে যেখানে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৯৪৭ কোটি ডলার, সেখানে গত অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে একহাজার ৮২৫ কোটি ডলারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (লেটার অব ক্রেডিট বা এলসি) খোলার ব্যয় বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। গত অর্থবছরে এলসি খোলায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ে এ প্রবৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ১১ শতাংশের মতো। এ হিসাবে এলসি খোলায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় চার গুণ। এই সময়ে খাদ্যপণ্য, মূলধনী যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল ও জ্বালানি তেলের এলসি খোলার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে খাদ্যপণ্যের এলসি খোলার হার, প্রায় ১৪৪ শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশের ব্যয় হয়েছে পাঁচ হাজার ৮৮৬ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। সেখানে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল চার হাজার ৩৪৯ কোটি ডলার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে এলসি খোলা হয়েছে ছয় হাজার ৯৪২ কোটি ২১ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরে যা ছিল চার হাজার ৮১২ কোটি ৫৯ লাখ ডলার। অর্থাৎ এলসি খোলায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। অন্যদিকে, এ সময়ে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র নিষ্পত্তি হয়েছে পাঁচ হাজার ১৫৩ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরে ছিল চার হাজার ৪২৭ কোটি ২৭ লাখ ডলার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে খাদ্যপণ্যের মধ্যে চাল ও গমের আমদানি ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৩৬০ কোটি ৯১ লাখ ডলারের, যা আগের অর্থবছরে ছিল মাত্র ১৪৭ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। সে হিসাবে খাদ্যপণ্য আমদানিতে ঋণপত্র খোলার হার বেড়েছে ১৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ।
গেল অর্থবছরে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৬৪৭ কোটি ৩৪ লাখ ডলারের। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৫৩০ কোটি ৮১ লাখ ডলার।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে শিল্পের কাঁচামাল আমদানি ঋণপত্র খোলা হয়েছে একহাজার ৯৮২ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের, যা আগের অর্থবছরে ছিল একহাজার ৭৭২ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।
অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘যদি মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি বাড়ে, তাহলে সেটা অর্থনীতির জন্য অনেক ভালো খবর।’ তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারীরা হয়তো এখন বিনিয়োগে মনোযোগ দিচ্ছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পসহ বড় বড় প্রকল্প বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা এনে দিয়েছে, যা শিল্পায়নে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন দীপিকা

বিনোদনের খবর: রনবীর-দীপিকার রসায়ন সবারই কম-বেশি জানা। তবে বিয়ে নিয়ে কখনো মুখ খোলেননি দীপিকা। হঠাৎ চারিদিকে হইচই পড়ে গেছে তার বিয়ের খবরে। কিন্তু এখনও মুখে কুলুপ এটে রয়েছেন দীপিকা। তবে ভক্তদের খোলাসা করে কিছু না বললেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। শুধু জানিয়েছেন, ‘খুব শিগগিরই তোমাদের সঙ্গে শেয়ার করব’।
প্রতিবারের মতো এবারও এড়িয়ে গেলেন তিনি। কিন্তু অস্বীকার করলেন না। আসলে মুখে না বললেও, বরাবর রণবীর সিংয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের আভাস তিনি দিয়ে গেছেন। ইঙ্গিতের সেই সিঁড়ি বেয়ে আজ ছাদনাতলার পথে বলিউডের দুই লাভবার্ডস। শোনা যাচ্ছে আগামী ২০ নভেম্বর গাঁটছড়া বাঁধবেন তাঁরা।
জানা গেছে, অভিনেতা-অভিনেত্রীর অলওয়েজ ফেভারিট হলি-ডে ডেস্টিনেশন ইতালি। তাই এই জায়গাকে বিয়ের ভেন্যু হিসাবে বেছে নিয়েছেন এই লাভ বার্ডস। আসলে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে চান না রণ ও দীপি। তাই ডেস্টিনেশন ওয়েডিং বেছে নিয়েছেন তাঁরা। এমনকি বিয়েতে নিমন্ত্রিত থাকবেন দুই পরিবারের আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা।
কিছুদিন আগে বাজিরাও মাস্তানির বিয়ের গুঞ্জনে শিলমোহর দিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা কবীর বেদী। ট্যুইট করে রাম-লীলার বিয়ের খবর দেন তিনি। স্পষ্ট লিখেছেন, ইটালিতেই ডেস্টিনেশন ওয়েডিং সারবেন বলিউডের বাজিরাও-মাস্তানি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জীবনের জন্য দুই তারকাকে প্রকাশ্যেই শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন মিস্টার বেদী।
বলিপাড়ার খবর, বিয়ের আগে দশ দিন ধরে মেয়ে জামাইয়ের মঙ্গলের জন্য পুজা রাখতে চান দীপিকার মা। মায়ের সেই ইচ্ছেকে সম্মান জানাতেই রন-দীপির বিয়ের সেলিব্রেশন শুরু হচ্ছে দশদিন আগে থেকেই।
জানা গেছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহতেই পরিবারের সঙ্গে বেঙ্গালুরুতে পৌঁছে যাবেন রনবীর সিং। সেখানেই করা হবে পুজার আয়োজন। তাছাড়া দীপিকার মা বেঙ্গালুরুর নন্দী মন্দিরের পুরোহিতদের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছেন। পাত্র-পাত্রীকে নিয়ে সেখানেও নাকি পুজার আয়োজন করা হবে। আর তারপরই ম্যারেজ ডেস্টিনেশন ইতালিতে উড়ে যাবেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাইসেন্স না থাকায় ফুটবলারদের নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে গেলেন কোচ

খেলার খবর: ড্রাইভারের লাইসেন্স ও বাসের কাগজপত্র ঠিক না থাকায় লজ্জায় পড়তে হলো বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলকে। পুলিশের চেকিংয়ে বিষয়টা ধরা পড়ার পর ফুটবলারদের নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে গেলেন জাতীয় দলের হেড কোচ জেমি ডে।
বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচ খেলে নীলফামারী থেকে বিমানে ঢাকায় ফেরার পর হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যে বাসে উঠেছিলেন কোচসহ ফুটবলাররা, সেই বাসেরই কোনো কাগজপত্র ঠিক ছিল না। শুধু বাস বাস ও ড্রাইভারের লাইসেন্স নয়, ছিল না বাসের ফিটনেস সার্টিফিকেটও।
সূত্র জানায়, বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের চেকিংয়ে বিষয়টা ধরা। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে কোচ জেমি ডে অবৈধ গাড়িতে চড়তে অস্বীকৃতি জানান। পরে ফুটবলারদের নিয়ে বাস থেকে নেমে পড়েন। এরপর ট্যাক্সিতে চড়ে ফুটবল দল ফিরে আসে হোটেলে।
বিষয়টি স্বীকার করেছেন দলের ম্যানেজার সত্যজিৎ দাস রূপুও। যদিও তার দাবি, বাসের মূল কাগজপত্রের ফটোকপি অবশ্য ছিল। কিন্তু কিছু বুঝে উঠার আগেই কোচ দল নিয়ে বাস থেকে নেমে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজধানীতে ‘নতুন ধরনের’ নেশাদ্রব্যের বড় চালান জব্দ

দেশের খবর: ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো গুদাম এবং শান্তিনগরের এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে আটশ কেজি নেশাদ্রব্য উদ্ধার করেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, যা বাংলাদেশে ‘নতুন’।
অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, কাথ শ্রেণিভুক্ত এক ধরনের উদ্ভিদ থেকে তৈরি এই নেশাদ্রব্য আফ্রিকার দেশগুলোতে বহু আগে থেকেই প্রচলিত। তবে ইদানিং বিভিন্ন দেশে হেরোইন বা ইয়াবার মত মাদকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এই ভেষজ নেশার পাতা।
এ ধরনের বিকল্প নেশাদ্রব্যগুলোকে চিহ্নিত করা হচ্ছে ‘নিউ সাইকোট্রফিক সাবটেনসেস’ বা এনপিএস নামে।
মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (উত্তর) সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম জানান, ইথিওপিয়া থেকে বাংলাদেশের নওয়াহিন এন্টারপ্রাইজ নামের এক কোম্পানির ঠিকানায় গত ২৭ অগাস্ট একটি পার্সেল পাঠানো হয়। ওই পার্সেলে মাদক আসছে বলে বাংলাদেশকে আগেই সতর্ক করে দেয় আন্তর্জাতিক একটি মাদকবিরোধী সংস্থা।
মো. নাজিম (৪৭) নামের এক ব্যক্তি শুক্রবার দুপুরে ওই পার্সেল নিতে শাহজালালের কার্গো ভিলেজে এলে তাকে আটক করেন মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা। পরে পার্সেল থেকে পাওয়া যায় চারশ কেজি ‘এনপিএস’।
খোরশেদ আলম বলেন, নাজিমকে গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়ে শান্তিনগরের নওশীন এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। সেখানে পাওয়া যায় আরও সাড়ে চারশ কেজি একই ধরনের নেশাদ্রব্যের মজুদ।
অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা বলছেন, দেখতে চায়ের পাতার মত এই নেশাদ্রব্য আনা হয়েছে গ্রিন টির মত প্যাকেটে করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাজিম দাবি করেছেন, এগুলো চা বলেই তিনি জানতেন; মাদক হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি তার জানা ছিল না। ইথিওপিয়ার এক লোকের সঙ্গে তার চুক্তি ছিল, সেখান থেকে ঢাকায় পাঠানো চালান তিনি আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন। সেজন্য প্রতি ২০০ কেজিতে তিনি ৮০০ ডলার করে পাবেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কেমিকেল এক্সামিনার আবু হাসান বলেন, “বাংলাদেশে এই ধরনের নেশাদ্রব্য নতুন। এক সময় আফ্রিকার দেশগুলোতে ব্যবহৃত হলেও ইদানিং এ নেশা ইউরোপ, আমেরিকাতেও ছড়িয়ে পড়ছে।”
শুকনো ওই নেশার পাতা মুখে নিয়ে চিবিয়ে আবার কখনও পানির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হয়। ওই পাতায় থাকা ক্যাথিনোন ও ক্যাথিন অ্যালকালয়েড থাকে বলে ইয়াবার মতই নেশা হয় বলে আবু হাসান জানান।
তিনি বলেন, “এই নেশাদ্রব্য যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে বা দীর্ঘ সময় জেগে থাকতে সাহায্য করে বলে ধারণা করা হয়। তবে এটি সেবনে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪১ বছরে পা দিলো বিএনপিতে

দেশের খবর: ক্রান্তিকাল পার করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এ অবস্থার মধ্যেই আজ শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) ৪১ বছরে পা রাখলো দলটি। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বিএনপির বর্তমান চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এখন কারাবন্দি। তার অনুপস্থিতিতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তিনিও দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে অবস্থান করছেন।
দলের শীর্ষ দুই নেতার অনুপস্থিতিতে অনেকটাই ভারাক্রান্ত বিএনপির বর্তমান নেতৃত্ব। এই দুঃসময়েও দলের ঐক্য যেমন আছে, তেমনি চলছে নির্বাচন ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনের প্রস্তুতিও।
৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় সমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। শনিবার বিকালে রাজধানীর নয়া পল্টনে সমাবেশ করবে দলটি। এতে দলের স্থায়ী কমিটিসহ সিনিয়র নেতারা অংশ নেবেন। এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন সকালে প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দেবেন দলের নেতারা। পরদিন ২ সেপ্টেম্বর ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স (রমনা) মিলনায়তনে বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা হবে।
দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অঙ্গীকার খালেদা জিয়ার মুক্তি, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে হারানো ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং বাক-ব্যক্তি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাসহ জনগণের মানবিক মর্যাদা সুরক্ষা করা।’
মির্জা ফখরুল বিএনপি’র ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান দুঃসময়ে জনগণকে সংগঠিত করার কোনও বিকল্প নেই। দেশ আজ দুঃশাসন কবলিত। বারবার অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে যিনি মুক্ত করেছেন, সেই অবিসংবাদিত নেতা খালেদা জিয়াকে বানোয়াট মামলায় সাজা দিয়ে বন্দি করে রাখা হয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। এই সব প্রতিহিংসামূলক জুলুমের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। মুক্ত করে আনতে হবে আমাদের প্রিয় নেত্রী বেগম জিয়াকে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।’
প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিকাল পাঁচটায় রাজধানীর রমনা রেস্তোরাঁয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে বিএনপির যাত্রা শুরু হয়। সংবাদ সম্মেলনে নতুন দলের আহ্বায়ক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি প্রথমে ১৮ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করেন। পরে ১৯৭৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ওই ১৮ জনসহ ৭৬ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর আগে ১৯৭৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি জিয়াউর রহমান প্রথমে ‘জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল’ (জাগদল) গঠন করেন। যদিও দলটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার। ২৮ আগস্ট ১৯৭৮ সালে নতুন দল গঠন করার লক্ষ্যে জাগদলের বর্ধিত সভায় ওই দলটি বিলুপ্ত ঘোষণা হয়।
বিএনপির ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠার আগে ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল জিয়াউর রহমান তার ‘সামরিক শাসন’-কে ‘বেসামরিক’ করার উদ্দেশ্যে শুরু করেন ১৯ দফা কর্মসূচি।
অনেক ভাঙা-গড়া আর উত্থান-পতনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুদীর্ঘ ৪০ বছর পার করেছে বিএনপি। এসময় চারবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল দলটি। দু’বার জাতীয় সংসদে বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে বিএনপি।
১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন পেয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসে বিএনপি। এরপর ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করে রাজনীতিতে আসেন তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালের ১০ মে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয় খালেদা জিয়া। এরপর থেকে তিনি দলটির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১৯৯১ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার নেতৃত্বে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। ১৯৯৬ সালের বির্তকিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্বল্প দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন খালেদা জিয়া। ১৯৯৯ সালে চারদলীয় ঐক্যজোট গঠন করে বিএনপি। এরপর ২০০১ সালের ১ অক্টোবরের নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট ভোটের লড়াইয়ে জিতে সরকার গঠন করে। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন এবং ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হলে বিএনপি জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন বয়কট করে বিএনপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বিয়ে করলে কারিনাকেই করতাম’

বিনোদনের খবর: করণ জোহরের সঙ্গে কারিনা কাপুরের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এই সম্পর্ক যে এত গভীর ছিল সেটা কজনই বা জানে। সম্প্রতি তা প্রকাশ করলেন করণ নিজেই।
একটি টিভি টক শোতে হাজির হয়ে তিনি বলেন, যদি কখনও বিয়ের পিঁড়িতে বসতেন, তাহলে কারিনাকেই বিয়ে করতেন তিনি।
মাঝে মধ্যেই তৈমুরকে নিয়ে করণ জোহরের বাড়িতে যেতে দেখা গেছে কারিনাকে। সেখানে বসে তৈমুর এবং রুহির খেলার আসর। মাঝে মধ্যেই করিনা এবং করণ জোহরকেও তৈমুরদের খেলার সঙ্গী হিসেবে দেখা যায়।
করণ জোহর এখনো বিয়ে করেননি। বিয়ে না করলেও, এই মুহূর্তে যশ এবং রুহির নামে দুই সন্তানের বাবা তিনি।
কারিনার ছেলে তৈমুর এবং রুহিকে নিয়ে করণ বলেন, তৈমুরকে রুহি ‘দাদা’ বলে ডাকুক তা কখনও চান না তিনি। তৈমুর এবং রুহি যাতে ভবিষ্যতে ‘ডেটিং’ করে সেটাই চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পূজারায় ভর করে লিড পেল ভারত

খেলার খবর: চেতেশ্বর পূজারার একক লড়াইয়ে চতুর্থ টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ২৭ রানের লিড পেয়েছে ভারত। ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ২৪৬ রান করতে সক্ষম হয়। ভারত প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২৭৩ রানে অলআউট হয়ে যায়।
দ্বিতীয় দিন বিনা উইকেটে ১৯ রান নিয়ে খেলতে নামে ভারত। ৫০ না পেরুতেই লোকেশ রাহুল আর ধাওয়ানের উইকেট হারায়। পরে ক্যাপ্টেন কোহলি আর পূজারা মিলে স্কোর টেনে নিয়ে যান ১৪২ রানে। ৪৬ রানে কোহলি আউট হলে শুরু হয় ভারতের দুঃসময়। এর পর এক প্রান্ত আগলে রাখেন পূজারা। অন্যদের আসা যাওয়ার মাঝে ১৩২ রানে অপরাজিত থাকেন এই ডান হাতি ব্যাটসম্যান।
ভারতীয় ব্যাটিংয়ের কোমর ভাঙেন মইন আলি। একাই তুলে নেন ৫টি উইকেট। ঋষভ পন্থ, হার্দিক পান্ডিয়ারা ব্যর্থ। অত্যাধিক ডিফেন্সিভ খেলতে গিয়ে ২৯ বলে শূন্য করলেন নবাগত উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।
লোয়ার মিডল অর্ডারের দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে ২৪৬ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ৮৬ রানে ৬ উইকেট খুইয়ে ধুঁকতে থাকা ইংলিশদের মান রক্ষা করেন মঈন আলী ও স্যাম কারান।
দিনশেষে দ্বিতীয় ইনিংসে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬ রান সংগ্রহ করেছে ইংলিশরা। ২১ রানে পিছিয়ে থেকে আজ তৃতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করবেন কুকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুলেটপ্রুফ রেল ব্যবহার করবেন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি

দেশের খবর: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহারের জন্য বিশেষ ধরনের বিলাসবহুল রেল কোচ (সেলুন) আমদানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংবলিত এসব কোচ হবে বুলেটপ্রুফ। একাধিক কোচের সমন্বয়ে তৈরি একটি ইউনিট ‘স্টেট সেলুন’ নামে পরিচিত হবে।
ভ্রমণকালীনও যাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী তাদের যাবতীয় দাফতরিক কাজ ও যোগাযোগ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পারেন, তার সব ব্যবস্থাই এতে থাকবে।
সূত্র জানায়, কোরিয়ান অর্থায়নে ‘২০ লোকোমোটিভ ও ১৫০ ক্যারেজ সংগ্রহ’ নামের একটি প্রকল্পের আওতায় এই ‘স্টেট সেলুন’ কেনা হচ্ছে। ৩টি কোচের সমন্বয়ে তৈরি একটি সেলুন ইউনিট আমদানির প্রাথমিক দর ধরা হয়েছে ২২ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, চূড়ান্তভাবে সেলুন সরবরাহের সময় এর দাম আরও কিছুটা বাড়তে পারে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২২ সালের শেষদিকে এটি যুক্ত হবে রেলবহরে। তখন সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান রেলযোগে দেশের যে কোনো জায়গায় নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করতে পারবেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রেলভ্রমণের সময় এ ধরনের স্টেট সেলুন কোচ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তিরা ব্যবহার করে থাকেন।
এ প্রসঙ্গে রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন বুধবার বলেন, ‘যদি কখনও প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি রেলযোগে কোথাও যেতে চান বা কোনো প্রকল্প উদ্বোধনের জন্য তাদের যাওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে রেলের সেই সক্ষমতা থাকতে হবে। সেই তাগিদ থেকেই আমরা ‘স্টেট সেলুন’ সংগ্রহ করছি।’
এ সংক্রান্ত প্রকল্প থেকে জানা যায়, ৩টি কোচের সমন্বয়ে তৈরি হওয়ায় স্টেট সেলুন নামের বিশেষ এ ইউনিট হবে সুপরিসর। এর একদিকে থাকবে অফিস কাম ডাইনিং হল, মিনি কনফারেন্স লাউঞ্জ, প্রমাণ সাইজের এলইডি পর্দা, তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট, স্বয়ংক্রিয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ও নিজস্ব বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা। এছাড়াও আবহওয়া ও ভৌগোলিক অবস্থান জানা এবং বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে দ্রুত যোগাযোগের সর্বাধুনিক ব্যবস্থা থাকবে। দূরভ্রমণের সময় প্রয়োজনে বিশ্রাম নেয়াও যাবে। এজন্য বেডরুমের আদলে একটি কাঠামো থাকবে। ভ্রমণের সময় প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যদের জন্যও পৃথক কক্ষ ও কৌশলগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও পর্যবেক্ষণের জায়গাও রাখা হবে।
এ সংক্রান্ত প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী আবদুল মতিন চৌধুরী বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় স্টেট সেলুন ছাড়াও ২০টি লোকোমোটিভ (রেল ইঞ্জিন) ও ১৫০টি কোচ (ক্যারেজ) আমদানি করা হবে। এজন্য কোরিয়ান সরকারের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৮১ কোটি ৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৪০০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। বাকি টাকা মাত্র দশমিক শূন্য এক পার্সেন্ট সুদে ঋণ দেবে কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংক। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যেই এ সংক্রান্ত দরপত্র আহ্বান করবে রেল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest