সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsable

সোশ্যাল মিডিয়ায় আফ্রিদির ছবি ভাইরাল; বিতর্ক তুঙ্গে

খেলার খবর: তবে কী নিজের দেশকেই অসম্মান করলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার শহিদ খান আফ্রিদি? আপাতত এই প্রশ্নেই সরগরম পাকিস্তান। ওয়াঘার ওপারের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করলেন এই তারকা ক্রিকেটার। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়ে পড়েছে। যা নিয়েই বিতর্ক তুঙ্গে।
সেই ভিডিওতে আফ্রিদিকে দেখা যাচ্ছে নস্যি নিতে। প্রথমবার নস্যি নিয়ে আশেপাশে তাকিয়ে ফের একবার নস্যি নীচের ঠোঁটে ঠুসে দিতে দেখা গেছে। প্রতিরক্ষা ও শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান ছিল সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টারে। সেখানেই আমন্ত্রিত ছিলেন তিনি। দর্শকাসনে বসেই তিনি নাকি এমন কাণ্ড ঘটান।
পাকিস্তানের জাতীয় স্তরের গুরুত্বপূর্ণ এমন অনুষ্ঠানে নস্যি নিয়ে কী পরোক্ষে কার্যত দেশকেই অসম্মান করলেন কী না সেই প্রশ্ন উঠে গেছে। নেটিজেনদের একের পর এক প্রশ্নে বিদ্ধ শাহিদ আফ্রিদি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমেও তুলোধনা করা হতে থাকে তাঁকে। প্রশ্ন তোলা হয়, আফ্রিদির মতো তারকারা দেশের ভাবী প্রজন্মের কাছেই আইডল। তাদের কাছে কী বার্তা রাখলেন তিনি?
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শেষমেষ নিজেকে বাঁচাতে সাফাই দিতে বাধ্য হন আফ্রিদি। তিনি এক পাকিস্তান সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, নস্যি নয়, মৌরি ও লবঙ্গ খাচ্ছিলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোটের আগে জঙ্গিরা তৎপর, রাসায়নিক হামলার আশঙ্কায় গোয়েন্দারা

দেশের খবর: ভোটের আগে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের জঙ্গি হামলা ও সহিংসতার অাশঙ্কা করেছে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। এরই মধ্যে দেশের জঙ্গি নেটওয়ার্কগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। নিজেদের মধ্যে তারা প্রাথমিক যোগাযোগ গড়ে তুলেছে। গোয়েন্দারা জানিয়েছে, জঙ্গিরা ভিন্ন কৌশলে এবার হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। হামলায় তারা ব্যবহার এসিডের চেয়েও দাহ্য রাসয়নিক পদার্থ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গোয়েন্দাদের পাঠানো একাধিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্ভাব্য রাসায়নিক জঙ্গি হামলা মোকাবেলার প্রস্তুতি হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বিশেষ ইউনিট গঠনের জন্য বিশেষ ইউনিট গঠনের নির্দেশ দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, রাসায়নিক হামলায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য প্রতিটি হাসপাতালে একটি বিশেষজ্ঞ টিম গঠনের জন্য। পাশাপাশি এছাড়া প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সরঞ্জাম-ওষুধ মজুদ, অ্যাম্বুলেন্স সচল রাখা, অপারেশন থিয়েটারে বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থার জন্য জেনারেটর সচল রাখা ও বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা টিমের সকল সদস্যের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে।
গোয়েন্দাদের জালে চট্টগ্রামে জঙ্গিগোষ্ঠীর তৎপরতা ধরা পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৃহত্তর চট্টগ্রামের কোনো অঞ্চল থেকেই এ হামলার সূত্রপাত হতে পারে। গোয়েন্দাদের এই সতর্কবার্তার পর পরই সম্ভাব্য জঙ্গি হামলা ও সহিংসতা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন। রোববার জেলার আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে তিনি গোয়েন্দা প্রতিবেদনগুলো তুলে ধরে যে কোনো ধরনের সহিংসতা মোকাবেলায় ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিন।
এদিকে রাসায়নিক হামলায় আহতদের চিকিৎসায় পৃথক ইউনিট প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা সম্বলিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপ-পরিচালক ডা, আখতারুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ ধরনের একটি ইউনিট আমাদের এখানে আছে। এটাকে আরো আধুনিকায়ন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে আাটক- ৭

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথের নেতৃত্বে এসআই সঞ্জীব সমদ্দার, এসআই মোঃ হাসানুজ্জামান, এসআই মোঃ মনজুরুল হাসান, এসআই নয়ন কুমার চৌধুরী, পিএসআই মোঃ আঃ রাজ্জাক, এএসআই আনিসুর রহমান, এএসআই মাহাবুব হাসান, এএসআই আলমগীর হোসেন সহ সঙ্গীয় ফোর্স এর সহায়তায় শনিবার রাত ৩ ঘটিকার দিকে আশাশুনি থানাধীন আশাশুনি গ্রামস্থ আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নাশকতার পরিকল্পনা কালে ০২(দুই) টি হাতবোমা ও দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র সহ একাধিক নাশকতা মামলার আসামী মোঃ আঃ ওয়াদুদ (৫৮), পিতা-মৃত আঃ করিম মোড়ল, গ্রাম-আশাশুনি, আজিজুল ইসলাম বিশ্বাস (৩২), পিতা-মোঃ ওজিয়ার বিশ্বাস, গ্রাম-চেউটিয়া, মোঃ আতিয়ার রহমান সরদার (৫২), পিতা-মৃত গহর আলী সরদার, গ্রাম-শ্রীধরপুর, রফিকুল ইসলাম বিশ্বাস(৪৮), পিতা-মৃত মোসলেম বিশ্বাস, গ্রাম-চেউটিয়াকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন। এসময় অন্যান্য আসামীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ০২ টি হাতবোমার বিষ্ফোরণ করে ঘটনা স্থান থেকে পালিয়ে যায়। আশাশুনি থানা সূত্রে জানাগেছে আসামীরা বিএনপি, জামায়াত-শিবির এর উগ্রপন্থী নেতাকর্মী ছিলেন। আসামীদের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানার নাশকতা মামলা নং-১২(০৯)১৮ রুজু করা হয়েছে। এছাড়া একই দিন বিকাল  ৬ ঘটিকার দিকে এসআই মোঃ মনজুরুল হাসান, এএসআই মাহাবুব হাসান ফোর্স এর সহায়তায় ২০ (বিশ) পিচ ইয়াবা সহ বুধহাটা এলাকাকার মাদক সম্রাট মোঃ সালাউদ্দিন সরদার (৩০), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন সরদার, গ্রাম-বুধহাটাকে নিজ বাড়ীর পিছন থেকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন।আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে আশাশুনি থানার মামলা নং-১১(০৯)১৮ রুজু করা হয়েছে। পৃথক অভযানে এএসআই মোঃ কবির হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স জিআর-২৫১/১০(আশাঃ) (ওয়ারেন্ট) এর আসামী মোঃ আছাদুল ইসলাম, পিতা-মৃত আঃ রহমান সানাকে গ্রেফতার করেন। এসআই মোঃ হাসানুজ্জামান, এসআই নয়ন কুমার চৌধুরী  সঙ্গীয় ফোর্সের অভিযানে আশাশুনি থানার নাশকতা মামলা নং-১৬(০৮)১৮ এর আসামী আলমগীর হোসেন পিন্টু (৫২), পিতা-মৃত আঃ খালেক সরদারকে রাত ১২টার দিকে তার নিজ বাড়ী হইতে গ্রেফতার করেন।  রবিবার পূর্বাহ্নে সকল আসামীকে চালান মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ১৬০ তম শাখা উদ্বোধন

তরিকুল ইসলাম লাভলু : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফ সুপার মার্কেটের ২য় তলায় রবিবার সকাল ১১ টায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিঃ এর ১৬০ তম নলতা শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি নলতা পাক রওজা শরীফের শ্রদ্ধেয় খাদেম আলহাজ্জ মৌঃ আনছার উদ্দীন আহমদ অসুস্থ্যতার কারণে উপস্থিত না থাকায় তাঁর পাঠানো লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, মিশন কর্মকর্তা মালেকুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও ফিতা কেটে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিঃ এর ১৬০ তম নলতা শাখার উদ্বোধন করেন, ব্যাংকের পরিচালক আলহাজ্জ মোঃ হারুন-অর-রশিদ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন, নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের যুগ্ম-সম্পাদক আলহাজ্জ শিক্ষক মোঃ সাইদুর রহমান, নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নলতা মোবারকনগর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ আনিছুজ্জামান খোকন, নলতা আহ্ছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমেদ, নলতা মোবারকনগর বাজার কামিটির সভাপতি মোঃ আব্দুস সোবহান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ব্যাংকের খুলনা জোনের প্রধান ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মঞ্জুর হাসান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন, নলতা শাখা ব্যবস্থাপক সাব্বির আহম্মেদ। ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাবীব উল্লাহ ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জালাল আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন, নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্জ হাফেজ মোঃ শামসুল হুদা। অনুষ্ঠানের শেষপ্রান্তে দোয়া পরিচালনা করেন, নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্জ মাওঃ আবু সাইদ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ প্রধান শিক্ষক আলহাজ্জ মোঃ ইউনুস, নলতার ইডার নির্বাহী পরিচালক মোঃ আকতার হোসেন, আলোর দিশার নির্বাহী পরিচালক মোঃ আব্দুল লতিফ, নলতা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আনছার আলী,বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, ব্যবসায়ীবৃন্দ ও সুধীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মোশারাফ হোসেন ছোট ভাই আশরাফের পাশেই শায়িত হলেন

হাফিজুর রহমান শিমুল: কালিগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পাটির সাবেক সেক্রেটারী ও জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান কে এম মোশারাফ হোসেনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিজের গড়া প্রতিষ্ঠান সহিলউদ্দীন এন্ড করিমুন্নেছে একাডেমীর চত্তরে ছোট ভাই কে এম আশারাফ হোসেনের কবরের পাশেই শায়িত হলেন তিনি। রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৬ টায় কৃষান মজদুর ইউনাইটেড স্কুলের মাঠে দশ সহস্রাধীক জনতার অংশগ্রহনে জানাজা নামাজ শেষে সন্ধ্যায় সমাহিত করা হয়। জানাজার নামাজের পূর্বে স্মৃতিচারণ মুলক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহাদৎ হোসেন, আলহাজ্ব এইচ এম গোলাম রেজা, কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান, থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও মৌতলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ মোজাহার হোসেন কান্টু, বিষ্ণপুর চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দীন, তারালী চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, ধলবাড়িয়া চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গাজী শওকাত হোসেন, রতনপুর চেয়ারম্যান আশরাফুল হোসেন খোকন, কাশিমাড়ি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুর রউপ, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ একে এম জাফরুল আলম বাবু, জাতীয় যুব সংহতির জেলা সভাপতি আকরাম হোসেন বাপ্পী ও সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন ও হত্যার স্বীকার ককে এম মোশারাফ হোসেনের বড় ভাই কে এম সোহারাব হোসেন প্রমুখ। জানাজায় অংশগ্রহন করেন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতুবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক সহ সর্বস্তরের জনতা। উল্লেখ্য যে, কালিগঞ্জ উপজেলার অতি জনপ্রিয় চেয়ারম্যান কে এম মোশারাফ হোসেন (৪৮) কে অঞ্জাতনামা সন্ত্রাসীরা শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০ টায় কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। প্রত্যাক্ষদর্শী গ্রাম পুলিশ রমজান আলী জানান, বালিয়াডাঙ্গা বাজারস্থ কৃষি ব্যাংকের সামনে আওয়ামী যুবলীগ কার্যালয়ে তিনি বসা ছিলেন। এমন সময় পৃথক দুটি মটর সাইকেল যোগে ৬জন অঞ্জাতনামা ব্যাক্তি অতর্কিতভাবে কুপিয়ে ও পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দ্রুত চলে যায়। তাৎক্ষনিক ভাবে স্থানীয়রা রক্তাক্ত চেয়ারম্যানকে নিজস্ব মাইক্রোযোগে কালিগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাঃ মহাসিন আলী মৃত্যু ঘোষনা করে। এদিকে চেয়ারম্যান মোশারাফ হত্যায় জড়িতদের ধরতে থানা পুলিশ অভিযান অব্যাহত রাখলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যান্ত কাওকে আটক করতে পারেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনেক দক্ষ দু’জন সংসদ সদস্যকে হারিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: সংসদে বিরোধী দলের চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী ও সরকারি দলের সদস্য এস, এম, মোস্তফা রশিদী সুজার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা অনেক দক্ষ দু’জন সংসদ সদস্যকে হারিয়েছি।

তাজুল ইসলাম চৌধুরী ও মোস্তফা রশিদী সুজার উপর আনীত শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এস, এম, মোস্তফা রশিদী সুজা একজন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক ছিলেন। তিনি একজন প্রাণবন্ত মানুষ ছিলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় অনেক নেতাকর্মীকে অত্যাচার নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সময় অপারেশন ক্লিন হার্ট এর নামে আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ওই সময় দেড়শ’জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী ছিলেন। এখানে অনেক সংসদ সদস্য রয়েছেন যাদের অনেকে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, এস, এম, মোস্তফা রশিদী সুজাকে হারিয়ে দলের অনেক ক্ষতি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাজুল ইসলাম চৌধুরীর বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল। তিনি মনে প্রাণে চেয়েছিলেন নির্বাচনটা যাতে হয়। এই নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে তার আন্তরিকতা ছিল। ওই নির্বাচনটা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল।

বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ বলেন, তাজুল ইসলাম ও মোস্তফা রশিদী সুজা এতো তাড়াতাড়ি আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন এটা আমরা ভাবতেও পারিনি। তার পরও প্রকৃতির নিয়ম আমাদের মেনে নিতেই হবে।

তিনি বলেন, তাজুল ইসলাম একজন ভাল পার্লামেন্টেরিয়ান ছিলেন। তিনি সংসদে থাকলে আমাকে আর চিন্তা করতে হতো না।

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, মোস্তফা রশিদী সুজা একজন সাহসী মানুষ ছিলেন। তার সাহসী ভূমিকার ফলে খুলনা আওয়ামী লীগ অনেক দুর এগিয়ে গিয়েছিল। ক্লীন হার্ট অপারেশনে তার উপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছে এজন্য তার অকাল মৃত্যু হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, তাজুল ইসলাম চৌধুরী ও মোস্তফা রশিদী সুজা দু’জনই সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ ছিলেন। তারা দু’জনই বিনয়ী ও ভাল মানুষ ছিলেন।

তিনি বলেন, তাজুল ইসলাম একজন চমৎকার সম্ভ্রান্ত পরিবারের মানুষ ছিলেন। দুজনই বিনয়ী, সদালাপী মানুষ ছিলেন।
সরকারি দলের সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, সুজা জীবনে অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে দলের প্রতি আনুগত্য ছিলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শিক কর্মী ছিলেন। শুধু রাজনীতিই নয়, তিনি একজন ভাল ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। সত্য ও ন্যায়ের জন্য তিনি কখনো মাথানত করতেন না।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ও জামায়াত বিএনপি তার মতো জনপ্রিয় নেতাকে নির্যাতন করে হত্যা করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চেয়েছিল।

ফজলুল করিম সেলিম বলেন, তাজুল ইসলাম ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনিও ন্যায়ের জন্য সারাজীবন লড়াই করেছেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এস, এম মোস্তফা রশিদী সুজার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, তার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। ক্লীন হার্ট অপারেশনের নামে তার উপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছে এর ফলে তার কিডনী, লিভারসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ অকেজো হয়ে অকাল মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, এই ক্লীন হার্ট অপারেশনকে বিএনপি জামায়াতের সময় ইনডেমনিটি দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাজুল ইসলাম চৌধুরী ও এস, এম মোস্তফা রশিদী সুজার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

জাতীয় পার্টির সদস্য এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, তাজুল ইসলাম একজন সংগ্রামী নেতা ছিলেন। ছাত্র জীবনে তিনি ছাত্র ইউনিয়ন করতেন। অনেক দুঃসময়ে তিনি দলের প্রতি আনুগত্য ছিলেন। তিনি তাজুল ইসলাম ও সুজা’র আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

তাজুল ইসলাম একজন সদালাপী মানুষ ছিলেন। তিনি এমন একজন নেতা ছিলেন যার কাছে না বলতে কিছু ছিলো না। তার কাছে যে কোন কাজে গেলে হাসি মুখে তা করে দিতেন।

এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙা. সরকারি দলের সদস্য মীর শওকত আলী বাদশা, আব্দুস সালাম মুর্শেদী, মনিরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, নুরুল ইসলাম ওমর ও ফখরুল ইমাম আলোচনায় অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ক্ষোভ থেকে দেশ ছাড়িনি’

বিনোদনের খবর: ‘কারও ওপর ক্ষোভ থেকে দেশ ছাড়িনি। দুই দিনের জন্য গিয়েছিলাম। ওখানে গিয়ে এমন ফেঁসে গেলাম, আর আসতে পারিনি।’ বললেন চিত্রনায়িকা অঞ্জু ঘোষ। তিনি এখন স্থায়ীভাবে আছেন ভারতের কলকাতায়। মাঝে মাঝে বাংলাদেশে আসেন, তবে এবার অনেক বছর পর এসেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি)। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি গত শতকের আশি ও নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকাকে সংবর্ধনা দিয়েছে। আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর এফডিসিতে সংগঠনটির কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এ ব্যাপারে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন হাসতে হাসতে বলেন, ‘আজ আমি নিজেই একটু দেরি করে এসেছি। কারণ আজ আর সেই বেদের মেয়ে জোসনার জন্য অপেক্ষা করতে চাইনি। আমি চেয়েছি, আজ অন্তত জোসনা আমার আগে চলে আসুক।’
তোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জু ঘোষ। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৯ সালে। এরপর ছবিটি যে ব্যবসা করেছে, বলা হয় বাংলাদেশে আর কোনো চলচ্চিত্র এখন পর্যন্ত সেই রেকর্ড ভাঙতে পারেনি। আজকের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাই বারবার সেই চলচ্চিত্রের প্রসঙ্গ সামনে চলে আসে।
কোন অভিমান থেকে ভারতে চলে গিয়েছিলেন অঞ্জু ঘোষ? সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আবারও বলছি, কোনো ক্ষোভ থেকে আমি সেখানে যাইনি। গিয়েছিলাম বেড়াতে। তারপর ওখানে ছবিতে কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি, আর ফেরা হয়নি।’ সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বললেন, ‘আপনারা যে আমাকে এখনো মনে রেখেছেন, আমি সত্যিই দারুণ খুশি হয়েছি। সবার ভালোবাসা দেখে বারবার আমার চোখ ভিজে যাচ্ছে।’
অঞ্জু ঘোষ যখন বাংলাদেশ থেকে চলে গিয়েছিলেন, সেই সময়ের চলচ্চিত্র নিয়ে বললেন, ‘আমি যখন এই ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলাম, তখন ক্লাস নাইনে পড়তাম। সেই থেকে অনেক বছর এখানেই কাজ করেছি। এই এফডিসি তখন কী জমজমাট ছিল! একসঙ্গে চার-পাঁচটি ছবির শুটিং হতো এখানে। শিল্পীদের ভিড় লেগে থাকত। তখন পুরো এফডিসি জুড়ে কী ব্যস্ততা ছিল! এটাই ছিল আমাদের‍ ঘরবাড়ি। এটাই ছিল সংসার। কিন্তু এবার এসে হতাশ হয়েছি। সব পাল্টে গেছে। দর্শক যাতে আবার প্রেক্ষাগৃহে ফিরে আসেন, তার জন্য সবাইকে চেষ্টা করতে হবে।’
‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ছবির দারুণ সাফল্য নিয়ে অঞ্জু ঘোষ বলেন, ‘ছবিটিতে মাটির টান ছিল। আমরা সবাই মাটিকে ভালোবাসি। এ কারণেই ছবিটি সুপার-ডুপার হিট হয়েছিল।’
অঞ্জু ঘোষকে স্বাগত জানিয়ে আজকের অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আহমেদ শরীফ, অঞ্জনা, সুব্রত, নাদের খান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অঞ্জু ঘোষের হাতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আজীবন সদস্যপদের চিঠি তুলে দেন সংগঠনটির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিবি কার্যালয়ে ১২ শিক্ষার্থীকে তিন দিন ধরে আটকে রাখার অভিযোগ

দেশের খবর: রাজধানীর মহাখালী ও তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২ শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে তিন দিন আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের বিরুদ্ধে। তাঁদের কী কারণে আটকে রাখা হয়েছে, সে সম্পর্কে পরিবারকে কিছু জানানো হয়নি বলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি।
রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) ক্রাইম রিপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ক্র্যাব) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আটক শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তারা বলেন, অভিযান চালিয়ে তিন দিন আগে শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। আটক শিক্ষাথীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
পরিবারের সদস্যদের দাবি অনুযায়ী, আটককৃতরা হলেন আল আমিন, জহিরুল ইসলাম হাসিব, মুজাহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, সাইফুল্লাহ বিন মনসুর, গাজী এম বোরহান উদ্দিন, তারেক আজিজ, মাহফুজ, রায়হানুল আবেদীন, ইফতেখার আলম, তারেক আজিজ ও মেহেদী হাসান রাজীব। তাদের মধ্যে ছয়জন ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র, অন্যররা হলেন তিতুমীর কলেজ, করটিয়ার সরকারি সা’দত কলেজ ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সির ছাত্র।
এসব শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ মহাখালী, তেজকুনিপাড়া ও বিজি প্রেস এলাকা থেকে ৩১ জনকে তুলে নিয়ে যায়। এক দিন পর ১২ জনকে আটকে রেখে বাকিদের মুচলেকা নিয়ে মিন্টো রোডের ডিবি অফিস থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গত ৭ সেপ্টেম্বর এই শিক্ষার্থীদের আদালতে তোলার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তাদের বেআইনিভাবে আটকে রেখেছে পুলিশ।
আটক শিক্ষার্থীদের মুক্তি দাবি করে অভিভাবকরা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest