সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

ভূমিকম্প-সুনামির পর ইন্দোনেশিয়ায় গণদাফন শুরু

বিদেশের খবর: ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির পর নিহতদের গণদাফন শুরু হয়েছে। দেশটির সুলাওয়েসি দ্বীপে গত শুক্রবারের ওই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা ৮৪৪। তবে এ সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দুর্যোগে বাড়িঘর হারিয়েছে অন্তত ৫৯ হাজার মানুষ। জাতিসংঘের হিসাবে ঠিক এই মুহূর্তে জরুরি ভিত্তিতে অন্তত এক লাখ ৯১ হাজার মানুষের ত্রাণ প্রয়োজন। তবে ভূমিকম্প আঘাত হানার চার দিন পার হয়ে গেলেও গতকাল পর্যন্ত বহু এলাকাতেই পৌঁছাতে পারেনি উদ্ধারকর্মীরা।
প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটিতে ১৪ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে এই দুর্যোগ থেকে যারা বেঁচে গেছে, তারাই যে ভালো আছে, এমন নয়। খাদ্য ও ত্রাণের অভাবে এদের অনেকে লুটপাট শুরু করেছে। পুলিশের সামনে দিয়ে তারা খাবার, পানি ও জ্বালানি লুট করছে।
পালুর পেটোবো এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের ধ্বংসযজ্ঞ এখানে স্পষ্ট। শুক্রবারের পর থেকে এখানে অন্তত ১৭০ বার ভূমিকম্প-পরবর্তী ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। এলাকার কিছু অংশে মাটি দেবে গেছে আবার কিছু অংশে মাটি উঁচু হয়ে গেছে।
সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ভরাডুবির পর জাতীয় দল থেকে সাময়িক অবসরে যান বার্সেলোনা তারকা মেসি। অবশ্য তিনি ক্লাব বার্সার হয়ে নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন। তবে ক্লাব ফুটবলে বার্সেলোনার হয়ে অনেক শিরোপা জিতলেও এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে কোনো শিরোপাই জেতা হয়নি আর্জেন্টিনার এই প্রাণভোমরার।
বিশ্বকাপ শেষে গুঞ্জন উঠে, তবে কী এটাই ছিল আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে মেসির শেষ বিশ্বকাপ? যদিও এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে মুখ খোলেননি মেসি। তবে রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর সাময়িকভাবে জাতীয় দলের বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেসি।
চলতি বছর আর্জেন্টিনার হয়ে কোনো ম্যাচে অংশ নিবেন না মেসি। জাতীয় দলের হয়ে খেললেও ফিরতে পারেন ২০১৯ কোপা আমেরিকাতে। আর তা না হলে নিতে পারেন অবসর। এ নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। কেননা জাতীয় দলে খেলার প্রসঙ্গে এখন পর্যন্ত মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন মেসি। এমন অবস্থায় মেসিকে আর্জেন্টিনার হয়ে আর না খেলার পরামর্শ দিলেন দেশটির বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা।
মেসির সেই অবসর প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ম্যারাডোনা জানান, সবকিছুতেই মেসির দোষ খুঁজে বেড়ায় সবাই। তাই তিনি মনে করেন, জাতীয় দলে আর না ফেরাটা উত্তম মেসির জন্য। এ নিয়ে ম্যারাডোনার ভাষ্য, ‘আমি মেসিকে কী বলব? বলব, আর্জেন্টিনার হয়ে আর না খেলতে। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে নিতে। অনূর্ধ্ব-১৫ দল হারে, দোষ মেসির। তাকে সবসময়ই দোষ দেওয়া হচ্ছে।’
১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক আরো বলেন, ‘গত বিশ্বকাপে জাতীয় দলের বাজে পারফরম্যান্সের জন্য মেসিকে দায়ী করা হয়। আসলেই কী সে দায়ী? আমরা সব আশা তাকে নিয়ে করি। কিন্তু একা তো আর দলকে জেতানো যায় না। আমি মেসিকে বলব আর না ফিরতে। তার উচিত অ্যাসোসিয়েশনকে দেখতে দেওয়া যে, মেসিকে ছাড়া কতটা ভালো করতে পারে তারা’।
সূত্র: মিরর

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যাটিংয়ে ভুগছে পাকিস্তান, দলে পরিবর্তন

খেলার খবর: সংযুক্ত আরব আমিরাতে সদ্যসমাপ্ত এশিয়া কাপে নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি শাক্তিশালী পাকিস্তান। ভক্তদের হতাশ করেছে পাকিস্তান দলের ব্যাটসম্যানরা। এরই মধ্যে পাকিস্তান টেস্ট দলে ডাক পেলেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন দুই টেস্টের সিরিজে হাফিজকে পুনরায় দলে ডাকেন পাকিস্তান নির্বাচকরা।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ঘোষিত ১৭ সদস্যের দলে ৩৭ বছর বয়সী হাফিজের স্থান হয়নি। তবে এশিয়া কাপে হতাশাজনক পারফরমেন্সের পর পাকিস্তান দলে নেয় হলো হাফিজকে।
এ ব্যাপারে এক বিবৃতিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড(পিসিবি) জানায়,‘ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজে নির্বাচক কমিটি ও টিম ম্যানেজমেন্ট মোহাম্মদ হাফিজকে দলে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’
দুবােয়ে আগামী রবিবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে পাকিস্তান। ১৬ অক্টোবর শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওষুধ ছাড়াই মাইগ্রেন দূর করার উপায়

অনলাইন ডেস্ক: মাইগ্রেন এমনই এক যন্ত্রণার নাম যার কষ্ট শুধু ভুক্তভূগীরাই জানেন। মাথার অস্বাভাবিক যন্ত্রণা, বমি ও হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া সাধারণত মাইগ্রেনের উপসর্গ। অনেকের আবার এই ব্যথার প্রকোপে জ্বরও এসে যায়। খিদে কমে যাওয়া, যন্ত্রণা থেকে অবসাদ সবই হানা দিতে পারে এই ব্যথা থেকে।
ওষুধ না খেয়ে কিছু উপায় অবলম্বন করলেও এই ব্যথা থেকে দূরে থাকা যায়। মাইগ্রেনের আক্রমণ শুরু হলেও হাতের কাছে ওষুধ না থাকলে এই সব উপায়ে আরাম মিলবে সহজেই।
মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একটা ভিজে তোয়ালে মিনিট দশেকের জন্য ফ্রিজে রাখুন। তারপর ওই ঠান্ডা তোয়ালে মাথায় ও চোখের উপর রেখে দিন। ধীরে ধীরে কমবে মাইগ্রেনের ব্যথা।
চন্দনকাঠের সঙ্গে পানি মেশান। চন্দন খুব ঠান্ডা। এই মিশ্রণের প্রলেপ লাগান কপালে। তারপর ঘরের আলো নিভিয়ে বিশ্রাম নিন। সহজেই কমবে ব্যথা।
অল্প ব্যথা হলে অন্ধকার ঘরে ঘুমনোর চেষ্টা করুন। আলোর প্রভাবে এই ব্যথা বাড়ে।
মাইগ্রেন থাকলে সারা বছরই খুব বেশি ফোন ঘাঁটা, টিভি দেখা বা চোখের উপর চাপ পড়ে এমন কাজ করবেন না।
কম্পিউটারের সামনে বসে দীর্ঘক্ষণ কাজ করার অভ্যাস থাকলে মাঝে মাঝেই উঠুন। চোখে পানি দিন। এমন চশমা ব্যবহার করুন যাতে চোখের উপর চাপ না পড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেটের মেদ কমাবে আমলকীর জুস

অনলাইন ডেস্ক: বেশিরভাগ মানুষের দেহের গড়নের চেয়ে এখন পেটে বেশি মেদ দেখা যায়। এই সমস্যার মূল কারণ আমাদের জীবনযাপনের ধরন। কর্মব্যস্ত জীবনে সময়ের অভাবে ব্যায়াম করতে না পারা কিংবা অসচেতনতার কারণে পেটে মেদ জমে যায়।

তবে এমন কিছু জুস আছে যেটি পেটে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ দূর করতে সহায়তা করবে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে আমলকীর জুস।

আমলকীর জুস
আমলকী মেটাবলিজম বাড়ায় এবং হজমে সহায়তা করে। ওজন দ্রুত কমানোর জন্য মেটাবোলিজম বাড়ানো জরুরি। এই জুসের সঙ্গে যোগ করতে পারেন কিছুটা মধু। এতে সারাদিন আপনার শরীর তরতাজা থাকবে। নিয়মিত এই জুসগুলো পান করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ডায়েট অনুসরণ করুন এবং ব্যায়াম করুন।

আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন আমলকীর জুস।

উপকরণ
আমলকী চারটি, গোলমরিচের গুঁড়া সামান্য, মধু এক চা চামচ, বরফ কুচি পাঁচ চা চামচ এবং পানি দুই কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে আমলকী থেঁতলে নিয়ে এর সঙ্গে গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এতে দুই কাপ পানি দিয়ে এক মিনিট ব্লেন্ড করুন। এর পর একটি গ্লাসে ঢেলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। ইফতারের সময় ফ্রিজ থেকে বের করে এর ওপর বরফ কুচি ছড়িয়ে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন ভিন্ন স্বাদের আমলকীর জুস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘূর্ণিঝড় হতে পারে এ মাসে

অনলাইন ডেস্ক: চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে আবহাওয়া অধিদফতরের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এই পূর্বাভাস দিয়েছে।
সোমবার আবহাওয়া অধিদফতরে কমিটির নিয়মিত বৈঠক হয়। অধিদফতরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান সামছুদ্দিন আহমেদ এতে সভাপতিত্ব করেন।
বিশেষজ্ঞ কমিটি অক্টোবরের পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এ মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
চলতি মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবরের প্রথমার্ধে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুপ্রবাহ (বর্ষা) বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিতে পারে।
অক্টোবরে দেশের সব নদ-নদীর পানি কমার ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ে দু-একটি নদীর পানি সামান্য বাড়লেও সব নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হবে বলেও পূর্বাভাস প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সদ্য শেষ হওয়া সেপ্টেম্বরে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে বলেও জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। গত মাসে সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহীতে ৬০ দশমিক ৪ শতাংশ। এ সময়ে ঢাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার ছাড়া দেশের কোথাও বৃষ্টি হয়নি। সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেসবুকে ভাইরাল ‘H2O’ আসলে কী?

অনলাইন ডেস্ক: রসায়নের রসবোধের রসিকতায় এখন রসালো সামাজিক মাধ্যম। বিশেষ করে ফেসবুকে বাংলাদেশি নেটিজেনদের এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ‘H2O’।
ঘটনার মঞ্চ রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটির রাজদর্শন হল। যেখানে রোববার এবারের ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার গ্রান্ড ফাইনাল আয়োজিত হয়েছে। ৩০ হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে এবারের প্রতিযোগিতায় সেরা সুন্দরীর মুকুট পরলেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী।
রোববার ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় এক প্রতিযোগীকে প্রশ্ন করা হলো: H2O মানে কী?
উত্তরে প্রতিযোগী অনেকটা সময় কাচুমাচু করে বললেন: ধানমণ্ডিতে একটা রেস্টুরেন্ট আছে এই নামে…।
এরপর থেকে বিষয়টি নিয়ে চলছে ট্রল। একজন লিখেছেন, জীবন মানে জি -বাংলা হতে পারলে রেস্টুরেন্ট এর নাম H2O হতে পারবে না কেন?
কেউ লিখেছেন, দোকানদারকে H2O হিট করে একটা চা দিতে বললাম, সে পাত্তাই দিল না। এই দোকানদারের জন্য তোমরা এখন কী Wish করবা বন্ধুরা?
H2O আসলে পানির রাসায়নিক নাম (chemical formula)। পানিতে মূল দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু থাকে। এ জন্য সংক্ষেপে এর রাসায়নিক নাম দেয়া হয়েছে H2O।
সাধারণত মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের কাছে বিষয়টি খুবই পরিচিত। বিজ্ঞানের পড়েননি কিন্তু যারা চাকরির জন্য পড়াশোনা করেন তাদের কাছে এটি একেবারেই সাধারণ বিষয়।
কিন্তু মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি আসরে যারা প্রতিযোগিতা করছেন তারা এমন সাধারণ বিষয় না জানায় নেটিজেনদের সমালোচনায় পড়েছেন।
তবে H2O পানির রাসায়নিক নাম হলেও এই নামে বিশ্বে অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশের ব্যান্ড দল রয়েছে এ নামে। H2O নামে প্রায় ১০টি মুভি তৈরি হয়েছে।https://l.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fwww.youtube.com%2Fwatch%3Ftime_continue%3D33%26v%3DLrP4HkZe7AI&h=AT0zAueAmeRcCi4ONJe7tjnk7AvwpN1HoBddjGos1IP_fE-4-dvaTJsRzv3mFxLODLRPdzbjcPk4ih99bSkJGgYu96FgjzfzVNjUmJ1EU4_mPpLPctjQkTNKkNtuUl4HqP9q

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যশোরে ৯ মাসে ৭২ খুন, উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ

অনলাইন ডেস্ক: বছরের প্রথম ৯ মাসে যশোরে ৭২ জন হত্যার শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৩১ জনই নিহত হয়েছেন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বা ‘গোলাগুলির সময়’ গুলিবিদ্ধ হয়ে। এই সময়ে রাজনৈতিক কোন্দলে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন পাঁচজন। এর মধ্যে বিএনপির একজন কর্মী রয়েছেন। বাকিরা আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, তরুণ লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। এ ছাড়া এই ৯ মাসে জেলার বিভিন্ন স্থানে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন চারজন।

চলতি বছরের শুরু থেকেই ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটতে থাকে। এ পর্যন্ত র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ গুলিবিদ্ধ হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনাগুলো দুই দল মাদক ব্যবসায়ী কিংবা দুই দল ডাকাতের মধ্যে ঘটেছে বলে বিভিন্ন সময়ে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। কথিত এসব বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার বাইরেও জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বেশ কয়েকটি গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। বছরের প্রথম সপ্তাহেই ৬ জানুয়ারি ঝিকরগাছায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত বাবু ওরফে পালসার বাবু। নিহত বাবু এলাকায় দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পরদিন ৭ জানুয়ারি মনিরামপুর উপজেলার স্মরণপুর ইটভাটার কাছ থেকে রাজু সর্দার নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের চোখ, মুখসহ শরীরের চারটি স্থানে গুলিবিদ্ধ হওয়ার চিহ্ন ছিল। ২০ জানুয়ারি যশোর সদর ও ঝিকরগাছা থেকে চারটি গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দুই স্থানেই দুই দল করে ডাকাত নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে লিপ্ত হলে এ চারজন নিহত হন। নিহতদের পরিচয় সে সময় পাওয়া যায়নি। এর এক দিন পর যশোর-নড়াইল সড়কের ভাঙ্গুড়া পুরনো ব্রিজের নিচ থেকে গুলি করে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ। ২৮ ফেব্রুয়ারি কেশবপুর উপজেলার সফরাবাদ এলাকার একটি কচুখেত থেকে পুলিশ মামুন মোড়ল নামে এক ট্রাক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করে। লাশের মাথা ও কপালে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ৯ এপ্রিল যশোর সদরে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন আলামিন বাবু নামের এক যুবক। নিহত এই যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। ৯ মে মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ হানুয়ার মাঠ থেকে মুক্তার আলী নামে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। দুই দল ডাকাতের মধ্যে গুলিবিনিময়ের সময় এই নিহতের ঘটনা ঘটে বলে সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল। নিহত মুক্তার আলীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ১০টি মামলা ছিল বলেও পুলিশ দাবি করে। ১৯ মে অভয়নগরে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আবুল কালাম, হাবিবুর রহমান ও মিলন কাঁসারি নামে তিনজন নিহত হন। পরদিন ২০ মে সদর উপজেলার সুজলপুর থেকে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। দুই দল ডাকাতের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের সময় এ যুবক নিহন হন বলে পুলিশ দাবি করে। এর এক দিন পর ২১ মে সদর উপজেলার খোলাডাঙ্গা, মণ্ডলগাতি ও তরফ নওয়াপাড়া থেকে তিনজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের সময় এ তিনজন নিহত হন। ২৯ মে যশোর শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই ব্যক্তি নিহত হন। এ দুজনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। মাদক কারবারিদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের সময় এ দুজন নিহত হন বলে পুলিশ দাবি করেছিল। পরদিন ৩০ মে বেনাপোলে গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও দুই ব্যক্তি মারা যান। এর এক দিন পর বাঘারপাড়ার ভাটারআমতলা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আরও এক ব্যক্তি। এই তিনজনই মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে গোলাগুলির সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বলে পুলিশ দাবি করে। ১৫ জুন শার্শায় মোন্তাজ আলী নামে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার হয়। ১৮ জুন অভয়নগরের প্রেমবাগ এলাকা থেকে উদ্ধার হয় শহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ। এরা দুজনও দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলির সময় নিহত হন বলে পুলিশ দাবি করে। ২৪ জুন মনিরামপুর উপজেলার ছাতিয়ানতলা থেকে দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, দুই দল সন্ত্রাসীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের সময় এই দুই যুবক নিহত হন। ৪ জুলাই চৌগাছায় মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে কথিত গোলাগুলিতে নিহত হন বেনাপোলের শহিদ নামে এক ব্যক্তি। ৬ জুলাই যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় আকাশ নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ক্ষেত্রে পুলিশ দাবি করে, দুই দল সন্ত্রাসীর মধ্যে গোলাগুলির সময় আকাশ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। ১১ জুলাই মনিরামপুর থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। ডাকাতদের মধ্যে গোলাগুলির সময় তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশ জানায়। ১৩ জুলাই চৌগাছায় রতন হোসেন নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ দাবি করে। ২৩ জুলাই সদর উপজেলার বারিনগর মথুরাপুর এলাকার রেললাইনের ওপর থেকে দুই ব্যক্তির ছিন্নভিন্ন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ২৪ জুলাই যশোর-মনিরামপুর সড়কের কানাইতলা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ৮ আগস্ট যশোর-নড়াইল সড়কের সীতারামপুর ব্রিজের কাছ থেকে বাঘারপাড়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে নড়াইল থানার পুলিশ। ১৬ সেপ্টেম্বর শার্শা ও কেশবপুরের আলাদা দুটি স্থান থেকে আজিজুল হক ও ফারুক হোসেন নামে আপন দুই ভাইয়ের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের বাড়ি শার্শায়। এ দুই ভাই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়। ২২ সেপ্টেম্বর যশোর শহরের বাবলাতলা হ্যাচারি এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’র সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন শহিদুল ইসলাম তপন নামের এক ব্যক্তি। এদিকে রাজনৈতিক কোন্দলে গত ৯ মাসে পাঁচজন নেতা-কর্মী খুন হয়েছেন। ২৭ আগস্ট যশোর শহরের শংকরপুরে মশিয়ার রহমান নামে এক বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। ১৪ মে প্রতিপক্ষের বোমা হামলায় নিহত হন জেলা তরুণ লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম। ২৩ জুন যশোর শহরের ঘোপ এলাকায় যুবলীগের আঞ্চলিক অফিসে হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। তাদের হামলায় আরাফাত মুনাফ লিটন নামে এক যুবলীগ নেতার মৃত্যু হয়। ২৬ মার্চ ছাত্রলীগের যশোর সরকারি সিটি কলেজ শাখার যুগ্ম-সম্পাদক রাকিব হাসান দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। ৩ জানুয়ারি ঝিকরগাছায় আব্বাস আলী নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী প্রতিপক্ষের বোমা হামলায় নিহত হন। নিহত আব্বাস আলী ঝিকরগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেনের ভাই। এ ছাড়া গত ৯ মাসে জেলার বিভিন্ন স্থানে গণপিটুনিতে চারজন নিহত হয়েছেন। ১৫ সেপ্টেম্বর বাঘারপাড়ায় গরুচোর সন্দেহে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেওয়া হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ১৭ জুলাই সদর উপজেলার বসুন্দিয়ায় ইরাদত খান নামে এক ব্যক্তি গণপিটুনিতে নিহত হন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। নিহত ইরাদত খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। ১৭ মে বাঘারপাড়ায় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত হন আরেক ব্যক্তি। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। ২৯ মে যশোরে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত হন। এ ছাড়া ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতের দিকে যশোর শহরের কাজীপাড়া এলাকায় সোহাগ নামে এক ঠিকাদারকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ৩০ আগস্ট শহরের সিটি কলেজ মসজিদের পাশ থেকে এক তরুণীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ১১ আগস্ট সদর উপজেলার নূরপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় শহরের একতা হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় দাহিনুর রহমানের লাশ। ৮ আগস্ট বাঘারপাড়ায় তফসির মোল্লা নামে এক বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। ২ আগস্ট মনিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া মাঠ থেকে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় আবদুল লতিফ নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার হয়। ২৭ জুলাই শহরের মুড়লী মেহগনি বাগান থেকে সোহেল রানা নামে এক ট্রাকচালকের মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। ২৩ জুন বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরায় মহিদুল ইসলাম নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও চোখ খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ২০ জুন ভোরে ঢাকা থেকে যশোর ফিরে বাড়ি যাওয়ার পথে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে খুন হন চন্দন কুমার ঘোষ নামের এক যুবক। ১৩ জুন যশোরে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারা যান রমজানুল ইসলাম নামের এক মোহরার। ১১ মে বাঘারপাড়া থেকে আসাদুজ্জামান আসাদ নামে এক মাদ্রাসা কর্মচারীর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ২৪ এপ্রিল যশোর শহরের রেলগেট এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে মারা যান ইজিবাইক চালক রুবেল। ১৩ এপ্রিল অভয়নগরের নওয়াপাড়া রেললাইনের পাশ থেকে রবিউল ইসলাম নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ১২ এপ্রিল শার্শা থেকে উদ্ধার হয় কদর আলী গাজী নামে এক ঘের ব্যবসায়ীর লাশ। ২৬ মার্চ শহরের জামরুলতলা এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন লিটন হোসেন নামে এক যুবক। ২৯ জানুয়ারি শহরের রেলগেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে রানা হোসেন নামের আরও এক যুবক নিহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest