সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোক

নারকেল তেলের বিস্ময়কর কিছু ব্যবহার

অনলাইন ডেস্ক: আমরা সাধারণত চুলের যত্নে ব্যবহার করি নারকেল তেল। কেউ কেউ আবার ত্বক পরিচর্চার জন্যও ব্যবহার করে এটি। তবে এখানেই এর পুষ্টিগুণ শেষ নয়। নারকেল তেলকে বলা হয় ‘মিরাকেল অয়েল’। কারণ চুল কিংবা ত্বক পরিচর্চার পাশাপাশি অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধান করে থাকে এই নারকেল তেল। চলুন জেনে নেই নারকেল তেলের এমনই অজানা কিছু ব্যবহার।

১। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে বগলে কিছু পরিমাণ নারকেল তেল ম্যাসাজ করে লাগান। নারকেল তেলে থাকা উপাদান ঘাম শুষে নেয়, যা দুর্গন্ধ হওয়া রোধ করে।

২। হজমের সমস্যা দূর করতে
নারকেল তেলে কিছু উপকারি ফ্যাট রয়েছে। এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান পাকস্থলীর ইনফেকশন দূর করে। ফলে হজমের সমস্যা দূর হয়।

৩। অনিদ্রা দূর করতে
ঘুমের সমস্যা দূর করে দেবে নারকেল তেল। প্রতিদিন তিন টেবিল চামচ বিশুদ্ধ নারকেল পান করুন। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া ঠিক রাখে। যা আপনাকে ভালো ঘুমে সহায়তা করে।

৪। ছোটখাটো জ্বালাপোড়া
হঠাৎ করে হাত পুড়ে গেলে সেখানে কিছু পরিমাণ নারকেল তেল ব্যবহার করুন। দেখবেন জ্বালাপোড়া অনেকটা কমে গেছে। কিছুক্ষণ পর পর পুড়ে যাওয়া স্থানে নারকেল তেল ব্যবহার করুন।

৫। এ্যার্নাজি বৃদ্ধিতে
খাবার উপযুক্ত নারকেল তেল প্রতিদিন খেলে তা দেহের এনার্জি বৃদ্ধি করে। এছাড়া নারকেল তেলের থাকা অ্যাসিড মস্তিষ্ক রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। তবে রান্নায় বিশুদ্ধ নারকেল তেল ব্যবহার করা উচিত।

৬। ব্যথা প্রশমিত করতে
জয়েন্টের ব্যথা কিংবা হাঁটু ব্যথাতে কুসুম গরম নারকেল তেল ম্যাসাজ করুন। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

৭। ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে
ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে নারকেল ব্যবহার করা হয়। লোশন ব্যবহার না করে ত্বকে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং রিংকেল দূর করে দেয়।

৮। বলিরেখা দূর করতে
বলিরেখা এবং রিংকেল প্রতিরোধ করতে নারকেলের জুড়ি নেই। দিনে দুইবার ত্বকে নারকেল তেল ম্যাসাজ করে লাগান। এটি নিয়মিত করুন। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বলিরেখা পড়া রোধ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোনালদোর প্রভাব রিয়ালে সূর্যের মতো বিস্তৃত ছিল: নাভাস

খেলার খবর: বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর থেকেই নানা আলোচনা-সমালোচনার মুখোমুখি হচ্ছে স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটি। এরই মধ্যে রাশিয়ার লুঝনিকি স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে মস্কোর কাছে ১-০ গোলে হেরে গেছে রিয়াল। মস্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পরপর তিন ম্যাচে কোন গোল করতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। এমন পরিস্থিতির আবারও সামনে চলে এসছে রোনালদো প্রসঙ্গ।
রোনালদো ছাড়া রিয়াল মাদ্রিদ কতটা এলোমেলো তা এরই মধ্যে পরিষ্কার হয়ে গেছে। দলে রোনালদোর অভাবের কথা অস্বীকার করা কঠিন। রোনালদোর সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ কেইলর নাভাসও মানছেন সেটা। তার মতে রোনালদোর প্রভাব রিয়াল মাদ্রিদে সূর্যের মতো বিস্তৃত ছিলেন, ‘রোনালদো গোলবারটাকে অনেক বড় করে রেখে গেছেন। এটা গোপন কিছু না। আপনি চাইলেই সূর্যকে এক আঙুল দিয়ে ঢাকতে পারবেন না। তবে রোনালদো এখন আমাদের অতীত। আমরা তাকে নিয়ে আর ভাবছি না।’
উল্লেখ্য, রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদে নয় বছর কাটিয়ে এসেছেন। ক্লাবের হয়ে ক্যারিয়ারে সবকিছু জিতেছেন তিনি। এরপর রিয়াল ছেড়ে জুভেন্টাসে গেছেন পর্তুগিজ তারকা। তার দল ছাড়ার পরই হতশ্রী রিয়ালের দেখা মিলেছে। নতুন কোচ লোপেতেগুইয়ের অধীনে বেল-বেনজেমার জুটিতে দারুণ মৌসুম শুরু করে রিয়াল। এরপর পথ হারায় লস ব্লাঙ্কোসরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেইমারের হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল রেড স্টার বেলগ্রেড

খেলার খবর: চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্বিতীয় ম্যাচেই হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। সঙ্গে অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও এডিনসন কাভানির গোলে রেড স্টার বেলগ্রেডকে ৬-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে পিএসজি।
বুধবার নেইমাররা প্যারিসে শক্তির বিচারে যোজন যোজন এগিয়ে থাকা পিএসজি প্রথমার্ধেই ৪ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ২০ মিনিটে ২২ গজ থেকে নেওয়া নেইমারের ফ্রি কিকে প্রথম গোলের দেখা পায় প্যারিসের ক্লাবটি। ঠিক তার দুই মিনিট পর এমবাপ্পেকে বল এগিয়ে দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ডান পায়ের শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার।
প্রথমার্ধে আরও দুটি গোলের দেখা পান নেইমাররা। এর মধ্যে ৩৭তম মিনিটে ডি-বক্সে দুজনকে কাটিয়ে কাভানির শট আরেক জনের পায়ে লেগে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ৩-১ এ। আর ৪১তম মিনিটে তমা মুনিয়ের বাড়ানো ক্রসে ফ্লিক থেকে লক্ষ্যভেদ করেন অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া।
বিরতির পর পিএসজির গোল উৎসবে যোগ দেন ফ্রান্সের বিস্ময় বালক এমবাপ্পে। ৬৯ মিনিটে তার গোলের পর দিশেহারা হয়ে পড়ে গোটা রেড স্টার বেলগ্রেড। আর ৮১ মিনিটে রেড স্টারের কফিনে শেষ পেরেকটা ঢুকান ব্রাজিলিয়ান তারকা। ৮১ মিনিটে আবার মানব প্রাচীরের উপর দিয়ে রংধনু ফ্রি কিকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি।
রেড স্টার বেলগ্রেডের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন মার্কে ম্যারিন। এর আগে লিগের প্রথম ম্যাচে লিভারপুলের মাঠে ৩-২ গোলে হেরেছিলেন নেইমাররা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘জোঁক থেরাপি’ সারাবে ক্যান্সার, নিয়ন্ত্রণে রাখবে ডায়াবেটিস

স্বাস্থ্য কণিকা: মরণব্যাধী ক্যান্সারের কথা শুনলেই শরীর শীতল হয়ে আসে। আর জোঁককে ভয় পান না এমন মানুষ বিরল। অথচ ভয়ঙ্কর এই ক্যান্সারকে ভীতিকর জোঁক দিয়ে দূর করার পদ্ধতি চিকিৎসাসেবায় যুক্ত হয়েছে। যাকে বলা হচ্ছে-‘জোঁক থেরাপি’। বেশ কয়েকটি জটিল রোগের চিকিৎসায় জোঁককে কীভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে তা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে-

জোঁককে কাজে লাগিয়ে এই চিকিৎসা শুরু হয় যেভাবে : জোঁককে কাজে লাগিয়ে জটিল রোগ নিরাময়ের থেরাপির নাম ‘জোঁক থেরাপি’। এই অভিনব পদ্ধতিতে চিকিৎসা শুরু হয় ২০০৪ সালে। এই সময় একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয় যে, জোঁক বাস্তবিকই নানাভাবে মানবশরীরের উপকারে আসে।

হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: ২০১১ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, ঠিক পদ্ধতিতে জোঁককে ব্যবহার করলে সারা শরীরে রক্তের সঞ্চালন বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে। আসলে জোঁকের স্যালাইভা বা লালা এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অলটারনেটিভ মেডিসিন রিভিউ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ব্লাড ক্লট এবং পা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা কমাতেও এই পদ্ধতি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

ক্যান্সারের প্রকোপ কমায়: এই মরণ রোগের চিকিৎসায় বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে জোঁক। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, অন্য ওষুধের পাশাপাশি ক্যান্সার রোগীর শরীরে যদি জোঁকের স্যালাইভা প্রবেশ করানো যায়, তাহলে স্তন, মেলানোমা, ফুসফুস এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের প্রকোপ অনেকাংশেই কমানো সম্ভব।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে: বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী ২০ বছরের মধ্যে সারা বিশ্বে প্রায় ৩৬ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগবে। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কারণে হওয়া নানাবিধ জটিলতা কমাতে জোঁক থেরাপি দারুণ কার্যকর।

ছোঁয়াচে রোগের প্রকোপ কমায়: জোঁকের শরীরে থাকা ডেস্টাবিলেস নামক এক ধরনের প্রোটিন আমাদের শরীরে প্রবেশ করার পর সব ধরনের জীবাণুকে মেরে ফেলে রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।

প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে, জোঁকের শরীরে থাকা নিউরোসিগনালিং এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পেপটাইড যে কোনো ধরনের সংক্রমণকে কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসা: জয়েন্টে ব্যথা হলে সেসব জায়গায় কিছু সময় জোঁককে রাখলে সেখানে রক্ত সরবরাহ প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। ফলে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগীরা অনেক উপকৃত হন।

কানের যন্ত্রণা কমায়: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কানের ক্রণিক যন্ত্রণা কমাতে জোঁকের কোনো বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে একটা জোঁক কানের পিছনে, আর একটি কানের সামনে কিছু সময় রেখে দিতে হবে। এমনভাবে ৩-৪ দিন করলেই যন্ত্রণা একেবারে কমে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বার্লি চা’র অনেক গুণ

অনলাইন ডেস্ক: কোরিয়া, জাপান, চীনসহ বিশ্বের অনেক দেশেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে বার্লি চা। এসব দেশে বোরিচা, মুগিচা কিংবা মাইচা নামে পরিচিত এই চা। ঠাণ্ডা বা গরম খাওয়া যায়।

পুষ্টি উপাদান
এতে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ আছে। আরো মিলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো এসিড, সেলেনিয়াম, মেলাটনিন ও ট্রিপটোফান। খুব সামান্য পরিমাণে ক্যাফেইন আছে এতে। কাজেই দেহ-মন চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করে। ক্যালরি নেই বললেই চলে। তাই মুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

হজম
একে প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড বলা হয়। কাজেই বার্লি চা অতিরিক্ত এসিডিটি দূর করে ভারসাম্য আনে। এই পানীয় ফাইবারে ভরপুর। তাই খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের ভয় থাকে না। হজম সমস্যা দূর করে। ফলে অর্শ্বরোগ, বমি ভাব, পেটব্যথা ও ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় না।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট
কয়েক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একই খাবারে মেলা সহজ কথা নয়। অতি জরুরি খনিজ সেলেনিয়ামও আছে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস প্রতিরোধ করে এবং ক্যান্সার ও হৃদরোগের মতো ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমায়।

রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা
বার্লিতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘সি’ আছে। কাজেই দেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করে তোলে। রক্তের শ্বেতকণিকার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়ক। আবার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এমনিতেই দেহের দূষিত উপাদান দূর করে।

রক্তপ্রবাহ
আচরণগতভাবেই বার্লি চা বেশ প্রভাবশালী। দেহে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে। এতে করে দেহে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি তৈরি হয় না। ফলে অ্যাথেরোসক্লেরোসিস, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের ঝুঁকি কমে আসে।

ঘুম
যাদের ঘুমের সমস্যা আছে, তাঁরা বার্লি চা থেকে ওষুধের মতো কাজ পাবেন। ট্রিটটোফান ও মেলাটোনিন যে মাত্রায় পাবেন, তা গভীর ঘুম এনে দেবে। যারা ইনসমনিয়ায় ভুগছে, তাদের জন্যে বার্লি চা খুবই উপকারী।

ডায়াবেটিস
এতে চিনি নেই বললেই চলে। এত কম আছে যে তা গায়ে লাগে না। কাজেই যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা নিশ্চিন্তে উপভোগ করতে পারে বার্লি চা। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বার্লি চা খায় তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি একেবারে কমে আসে।

যেভাবে বানাবেন
বার্লি ভেজে গুঁড়া করে নিন। মোটামুটি বাদামি রং না আসা পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। দুই লিটার পানিতে ছয় টেবিল চামচ পরিমাণ বার্লি দিন। এবার এটা চুলোয় দিন। ফুটাতে থাকুন। এতে চাইলে লেবু বা মধু মেলাতে পারেন। মাঝে মাঝে নেড়ে নিতে পারেন। ছাঁকনিতে ছেঁকে নিতে হবে। এতে করে পরিষ্কার তরল পাবেন। এটাই অনেক গুণের বার্লি চা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আমার সাথে করবি বার্থডে, গিফট কি নিবি বল?’

বিনোদনের খবর: জাজ মা‌ল্টিমি‌ডিয়ার কর্ণধার প্র‌যোজক আব্দুল আজিজের সঙ্গে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের চ্যাটিং স্ক্রিনশট নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করলেন জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘ডিয়ার সুপার কিপটা বন্ধু আমার আব্দুল আজিজ সাক্ষী রইল এ জাতি’।
পরীমনির ফেসবুক ওয়ালে প্রকাশিত স্ক্রিনশটে দেখা যায়, আব্দুল আজিজ পরীমনিকে আগামী ৮ অক্টোবর একটি প্রোগ্রামের দাওয়াত দেন। সেখানে পরীমনি সম্মতি জানিয়ে তাকে আবার জিজ্ঞাসা করেন, ‘২৪ অক্টোবর কী?’ তখন সেখানে জাজ স্বত্বাধিকারী বলেন, ‘তোর বার্থডে (জন্মদিন)’।
তখনই আব্দুল আজিজকে উদ্দেশ্য করে পরীমনি কয়েকটি স্টিকার পাঠান। এরপর আব্দুল আজিজ পরীমনিকে প্রশ্ন করে লিখেন, ‘আমার সাথে করবি বার্থডে… তোর বার্থডে গিফট কী নিবি বল।’ এ কথা শোনার পর পরীমনি লেখেন, ‘কিপটা তুই, কেমনে সম্ভব!’
উত্তরে আব্দুল আজিজ লেখেন, ‘একটাই কথা আছে বাংলাতে, বুক আর মুখ বলে একসাথে, সে হলো, বন্ধু… বন্ধু আমার… তাহলে ২৩ (অক্টোবর) এ করি অথবা ২৫ (অক্টোবর) এ করি?’ পরীমনির তখন রিপ্লাই ছিল অবাক স্টিকারসহ ‘আল্লাহ’।
আব্দুল আজিজ আবার লিখেছেন, ‘কবে করবো বল? অনেক স্পেশাল বার্থডে করবো এবার আমি তোর জন্য…।’ এরপরই পরীমনি লিখেন, ‘আমি কিন্তু স্ক্রিনশট নিলাম বুঝিস, দরকার হলে সাক্ষীও রাখুম দাঁড়া।’
তখন আব্দুল আজিজ লিখেন, ‘ওই আমাকে কনফার্ম কর… তুই আমাকে কনফার্ম করলে আমাকে অ্যারেঞ্জ করতে হবে। অ্যারেঞ্জ করতে ৭ দিন লাগবে রে’। তখন পরীমনি লিখেন ‘কনফার্ম একদম ২৫ (অক্টোবর) খোদার কসম’।
উত্তরে আব্দুল আজিজ লিখেছেন, ‘ওকে ২৫ (অক্টোবর) এ লক, থাক কসম করতে হবে না, আই ট্রাস্ট ইউ (আমি তোমাকে বিশ্বাস করি)।’
প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ২৪ তারিখ নায়িকা পরীমনির জন্মদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংকটে ১০ ব্যাংক : মূলধন ঘাটতি ২৫ হাজার কোটি টাকা

দেশের খবর: ব্যাংক খাতে চলছে হরিলুট। অনিয়মের মাধ্যমে দেয়া ঋণ আদায় না হওয়ায় মূলধন খেয়ে ফেলছে সরকারি-বেসরকারি ১০ ব্যাংক। গত জুন প্রান্তিক শেষে এ সব ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি হয়েছে ২৫ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি খাতের সাতটি ও বেসরকারি খাতের তিনটি ব্যাংক রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনিয়ম, দুর্নীতি আর নানা অব্যবস্থাপনায় ব্যাংক খাতে চলছে এক ধরনের সেচ্ছাচারিতা। যাচাই-বাছাই না করে ভুয়া প্রতিষ্ঠানে দিচ্ছে ঋণ। যা পরবর্তিতে খেলাপি হয়ে পড়ছে। এসব ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হচ্ছে ব্যাংকগুলোকে। বাড়তি অর্থ যোগাতে হাত দিতে হচ্ছে মূলধনে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে সংকট।
বর্তমানে ব্যাংকগুলোকে ৪০০ কোটি টাকা অথবা ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশের মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ অর্থ মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয়। এদিকে ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যাসেল-৩ নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে ১০ শতাংশ ন্যূনতম মূলধনের পাশাপাশি দশমিক ৬২ শতাংশ হারে অতিরিক্ত মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। গত সেপ্টম্বর শেষে ন্যূনতম মূলধন সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ১০ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে দেখা গেছে, চলতি বছরের জুন শেষে সরকারি-বেসরকারি ১০ ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে পড়েছে। এ ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা। এদের মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সাতটি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ২৩ হাজার ২৭০ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ঘাটতিতে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। এ ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি আট হাজার ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
মূলধন ঘাটতির দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সোনালী ব্যাংক। এ ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি ছয় হাজার ৬০১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। এ ছাড়া বেসিক ব্যাংকের তিন হাজার ১০৬ কোটি ২২ লাখ, জনতা ব্যাংকের দুই হাজার ১৯৫ কোটি ২৫ লাখ, অগ্রণী ব্যাংকের এক হাজার ৪১৯ কোটি ২৯ লাখ, রূপালী ব্যাংকের এক হাজার ২৯৩ কোটি ১৯ লাখ এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) ৬৪৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে।

বেসরকারি খাতের তিন ব্যাংকের মোট মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৭২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মূলধন ঘাটতি রয়েছে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের। ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি এক হাজার ৫২৫ কোটি টাকা। ঘাটতিতে থাকা অন্য দুই ব্যাংক হলো বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক এবং সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল)। এর মধ্যে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৩০১ কোটি ৯৯ লাখ এবং এসআইবিএলের ৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা মূলধন ঘাটতিতে পড়েছে।

জানা গেছে, সরকারি ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি তৈরি হলে বাজেট থেকে তার যোগান দিতে হয়। জনগণের করের টাকায় বিভিন্ন সময় মূলধন ঘাটতিতে পড়া ব্যাংকগুলোতে অর্থ যোগান দেয় সরকার। তবে করের টাকায় মূলধন যোগানের বিরোধিতা বরাবরই করে থাকেন অর্থনীতিবিদরা।

নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের যোগান দেয়া অর্থ ও মুনাফার একটি অংশ মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। কোনো ব্যাংক মূলধনে ঘাটতি রেখে তার শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে পারে না।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও অর্থনীতিবিদ ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংকগুলোর অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ হয়নি। এটি কমাতে ইতিবাচক কোনো উদ্যোগও নেয়া হচ্ছে না। ফলে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। ব্যাংকগুলোকে কোনো নিয়মের মধ্যে আনা যাচ্ছে না। সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তারা মনে করেন তাদের কোনো সমস্যা হবে না। এসব নীতি থেকে ব্যাংকারদের বেরিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তাদের একটি লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দিতে হবে। যত টাকা ঋণ আদায় করতে পারবে তত টাকা ঋণ দিতে পারবে। এর বেশি নয়। তাহলে ওরা উল্টাপাল্টা ঋণ দেবে না। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোকে রাজনৈতিক ও আমলাদের প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিবছরই বাজেট থেকে ব্যাংকগুলোর মূলধন যোগান দেয়। এটি জনগণের করের টাকা। সরকারি টাকা দিয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানকে মূলধন সরবরাহ করা ঠিক নয়। এ উদ্যোগ রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা এবং দুর্নীতিকে উৎসাহিত করে। তাই এ নীতি থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে।
এদিকে মূলধনের এ ঘাটতি মেটাতে কয়েক বছর থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোকে টাকা দিয়ে যাচ্ছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় গেল ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি ৯ ব্যাংকে দেয়া হয়েছে এক হাজার ৮৫০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে ব্যাংকগুলোর মূলধন সংরক্ষণের আবশ্যকতা ছিল ৯৫ হাজার ১২৮ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলো সংরক্ষণ করেছে ৯২ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা। সামগ্রিকভাবে ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৫৫৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জুন শেষে ব্যাংক খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আট লাখ ৫৮ হাজার ৫২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা। আর রাইটঅফ বা অবলোপন করা ঋণের পরিমাণ যোগ করা হলে খেলাপি ঋণ দাঁড়াবে এক লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। আলোচিত সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ এসব ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের ১৩ ব্যাংক। এসব ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা। যার সিংহভাগই রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক ম্যাচ হাতে রেখেই সেমিে বাংলাদতেশ

খেলার খবর: ৫ম বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী ম্যাচে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। যেখানে প্রতিপক্ষ লাওসকে ১-০ গোলে হারায় জেমির শিষ্যরা। শুক্রবারের (৫ অক্টোবর) ম্যাচে ফিলিপাইনের সঙ্গে ড্র করলেই বাংলাদেশ পৌঁছে যেত বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সেমিফাইনালে।

এমন্তাবস্থায় ফিলিপাইনের বিরুদ্ধে নিজেদের দ্বিতীয় মাচ্যেও হারে লাওস। ম্যাচে ফিলিপাইনের কাছে ৩-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে লাওস। এর ফলে শুক্রবারের ম্যাচের আগেই সেমিতে উঠে গেল বাংলাদেশ।

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত লাওস ও ফিলিপাইনের ম্যাচের চার গোলের তিনটিই এসেছে পেনাল্টি থেকে। তবে প্রথম গোলের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে দর্শকদের। বিরতির ঠিক আগে বেডিচের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায় ফিলিপাইন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সমতা ফেরাতে পারতো লাওস। কিন্তু সোকচিন্দারের হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৫২ মিনিটে আবার ফিলিপাইনের গোল। গায়োসোর হেডে দ্বিগুণ হয়ে যায় ব্যবধান।

৮২ মিনিটে ফিলিপাইন ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করে দলের জয় নিশ্চিত করেন অধিনায়ক বাহাদোরান মিসাঘ।

৮৮ মিনিটে ফিতহাকের সফল পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমায় লাওস। শেষ মুহূর্তে তাদের কিয়েঙ্গথাভেসাকের প্রচেষ্টা ফিরে আসে সাইডবারে লেগে।

এর আগে, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালের বিরুদ্ধের ম্যাচে হিসেব মেলাতে পারেনি বাংলাদেশ। সব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় আক্রমণভাগ। ফরোয়ার্ডরা গোল করতে না পারার খেসারত বহুবার দিয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবারের (৩ অক্টোবর) অনুশীলনে ওই জোনটাকেই বেশি গুরুত্ব দিতে দেখা গেল বাংলাদেশ কোচকে। মাহবুবুর রহমান সুফিল, নাবীব নেওয়াজ জীবন, বিপলু আহমেদ, তৌহিদুল আলম সবুজ, মতিন মিয়া, রবিউল ও জাফর ইকবালদের নিয়ে বেশ সময় আলাদাভাবে কাজ করেছেন তিনি।

লাওসের বিরুদ্ধে জয়ের পরও কম গোল হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছিলেন কোচ জেমি ডে। ওই ম্যাচে কম হলেও চার গোলে জেতা উচিত ছিল বাংলাদেশের। ফরোয়ার্ডদের ভুলগুলো কমিয়ে আনতেই এখন সুফিল-জীবনদের দিকে বাড়তি নজর এই ব্রিটিশের।

অনেকের ধারণা সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় ফিলিপাইনের বিপক্ষে ম্যাচটির তেমন গুরুত্ব থাকবে না। তবে গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা কোনো ম্যাচকেই হালকাভাবে নেয়ার পক্ষে নন। তিনি বলেন, ‘সেমিফাইনাল নিশ্চিত হলেও ফিলিপাইনের বিরুদ্ধে ম্যাচটিকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। দেশের মাটিতে খেলা। দর্শকরা মাঠে এসে খেলা দেখছে। তারা চাইবে বাংলাদেশের জয় দেখতে। আমাদের কাজ হবে ভাল একটা ফুটবল ম্যাচ উপহার দেয়া।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest