সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

বুধহাটায় বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের আলোচনা সভা
আশাশুনি প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ আশাশুনি উপজেলা শাখার এক আলোচনা সভা গতকাল বিকালে বুধহাটা খেয়াঘাট চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ উপজেলা আহবায়ক মোঃ ইদ্রিস আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আজহারুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক মাহবুবুল হক ডাবলু, যুবলীগ নেতা নূরুজ্জামান জুলু, ছাত্রলীগ সাবেক সেক্রেটারী সামছুর রহমান রাজু, স ম স্ট্যালিন, ইনছার আলী, নজরুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন প্রমুখ। সভায় মোঃ রিপন হোসেনকে সভাপতি ও আরাফাত হুসাইনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট বুধহাটা ইউঃ বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের ২ বছর মেয়াদী কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহসভাপতি রবিউল ইসলাম, মুনজিল হোসেন,মিন্টু হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক ইমরান হেসেন, মনিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু সরদার প্রমুখ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উন্নয়নের এ ধারাকে অব্যহত রাখতে আবারও নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে — নজরুল ইসলাম

 

বুধহাটা প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহা সড়কে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এক উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানমর্যাদা বিশ্বের দরবারে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছে। বিশ্বের মধ্যে উন্নয়তশীল রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে সমাদৃত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য যেভাবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন ইতিহাসের পাতায় তা বিরল হয়ে থাকবে। আওয়ামীলীগ সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, যোগাযোগ, শিল্প, বাণিজ্য ও কৃষি খাত সহ প্রতিটি সেক্টরে তথ্য প্রযুক্তির দ্বারা গতিশীল করে জনগণের সেবা করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। বিদেশের কাছে হাত না পেতে নিজের দেশের অর্থায়নে আওয়ামীলীগ সরকার পদ্মা সেতু নির্মান করছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা প্রদান, মাতৃকালিন ও প্রতিবন্ধি ভাতা প্রদান, ১০টাকা দরে চাউল বিতরণ, ন্যাশনাল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতিটি ঘরে ঘরে চাকুরীর ব্যবস্থা, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মান, বছরের ১ম দিনে শিক্ষার্থীদেরমাঝে নতুন বই বিতরণ, ছাত্র ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান, সাতক্ষীরায় বাইপাশ সড়ক নির্মান, মেডিকেল কলেজ নির্মান সহ বাংলাদেশকে একটি ডিজিটাল দেশে রুপান্ত্রিত করেছেন শেখ হাসিনা সরকার। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে অন্য কোন সরকার এত উন্নয়ন করতে পারিনি। এ সরকারকে পুনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার আনতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত দেশের মধ্যে একটি হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে। এই অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে হলে আবারও শেখ হাসিনার নেতৃত্ব দরকার। উন্নয়নের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে সকলকে আহবান জানান তিনি। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ভালুকা চাঁদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, সাতক্ষীরার ২২লক্ষ গন মানুষের অভিভাবক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম উপরোক্ত কথা গুলি বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারের উন্নয়নের লিফলেট বিতরণ করেন। ধুলিহর ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামলীগের আয়োজনে সোমবার বিকালে ভালুকা চাদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা আওয়ামলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এস এম শওকত হোসেন, সাধারন সম্পাদক মোঃ শাহজান আলী, জেলা যুবলীগ আহবায়ক আব্দুল মান্নান, পৌর আ’লীগ সভাপতি আবু সাঈদ, সদর উপজেলা আ’লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গনেশ চন্দ্র মন্ডল, এড. স্যামুয়েল ফেরদৌস পলাশ, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুজ্জামান প্রমুখ। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আজহারুল ইসলাম, ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি মোকবুল জোয়ার্দার, ওহাব চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান, অলোক ঘোষ, ফিংড়ী ৯নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি আব্দুস সাত্তার গাজী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ধুলিহর, ব্রহ্মরাজপুর, ফিংড়ী ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আওয়ামলীগ নেতা রোকনুজ্জামান লাভলু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনা অর্থের বিনিময়ে ধাঁমা চাপার চেষ্টা

মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি : আশাশুনির বড়দলে ৪৬ নং ফকরাবাদ সরকারি প্রাথািমক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মলয় মন্ডল(৪৫) কর্তৃক ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টিকে ৫০ হাজার টাকায় ধাঁমা চাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। যৌন হয়রানির স্বীকার ফকরাবাদ সরকারি প্রাথািমক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী মুসলিমা খাতুন জানান, ১ মাস আগে থেকেইে মলয় স্যার তার বাড়িতে প্রাইভেট পড়ার সময় তাকে বিভিন্ন ভাবে যৌন হয়রানির চেষ্টা করে আসছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অযুহাতে স্যার তার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয়ার চেষ্টা করেছে এবং দিয়েছেও। প্রথমে বিষয়টি সে তার মাকে বলেছিলো। সে আরও জানায় সর্বশেষ গত শনিবার রাতে স্যারের বাসায় পড়ার সময় স্যার মলয় প্রধান শিক্ষক মিতা মন্ডল মুসলিমাকে ডেকেছে এমন অযুহাতে তাকে ঘর থেকে বাহিরে আনার চেষ্টা করে। মুসলিমা তখন বলে সে একা যাবে না কাঊকে সাথে নিতে হবে। তখন সে মারুফাকে তার সাথে নিয়ে নেয়। স্যারের সাথে কিছু দুর যেতে না যেতেই স্যার টর্চ লাইট বন্ধ করে তার(মুসলিমা) পাশে আসলে তারা ভয়ে দৌড় দিয়ে ঘরে এসে দরজা বন্ধ করে লাইট নিভিয়ে পালিয়ে খাকে। মুসলিমার পিতা জানান, শনিবারে আমি প্রথমে বিষয়টি জানতে পারি। এর আগে ওর মা বিষয়টি জানতো কিন্তু লজ্জায় কাউকে জানায়নি। বিষয়টি জানতে পেরেই আমি স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে অবহতি করি। সভাপতি তাকে বলেন বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং জানাশুনা করবেন। অভিযুক্ত মলয় মন্ডল প্রথম দিকে ঘটনাটি অস্বীকার করলেও পরবর্তিতে ৫০ হাজার টাকায় মিমাংসার একটি প্রস্তাব ছুড়ে দেন। পরিচালনা কমিটির সভাপতি পার্থ মন্ডল জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন তবে কোন সমস্যা হওয়ার আগেই তিনি বিষয়টির একটি সমাধান চান। অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকা মিতা মন্ডল জানান, স্কুলটিকে তিনি মন্দীর মনে করেন। মন্দীর মনে করেন বলেই আজ এই প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলার একটা নাম করা প্রতিষ্ঠান। তিনি বিষয়টিকে কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। ঘটনাটি কতটুকু সত্য আর মিথ্যা সেটা যাচায় করার আগেই তো প্রতিষ্ঠানের সুক্ষ্যাতি নষ্ট হবে। আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছঃ শামছুন্নাহার জানান, আপনার সাথে কথা বলেই বিষয়টি আমি জানতে পারলাম। আমি খোজ খবর নিয়ে দেখছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুরুষের গনোরিয়া রোগের লক্ষণ

স্বাস্থ্য কণিকা: গনোরিয়া একটি রোগের নাম। যা সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। এটি কষ্টদায়ক যৌন সংক্রামক রোগ। গনোরিয়া হচ্ছে, একটি যৌনবাহিত রোগ। পুরুষের ক্ষেত্রে এই রোগে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া ও মূত্রনালি দিয়ে পুজ বের হয়।
গনোরিয়া রোগটি ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে মেলামেশার ২-১০ দিন পরই এ রোগের লক্ষণ দেখা যায়। গনোরিয়ার জীবাণু ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ দীর্ঘদিন শরীরের বাইরে টিকে থাকতে পারে না। এরা বেঁচে থাকে কেবল নিবিড় যৌন মিলনের মাধ্যমে এক দেহ থেকে অন্য দেহে স্থানান্তরিত হয়ে।
পুরুষের যৌনাঙ্গ দিয়ে পুঁজ বের হওয়া, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এ রোগের উপসর্গ। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত জীবাণুবাহিত রোগ। এটা পুরুষাঙ্গ, সারভিক্স বা জরায়ুর ছিদ্র, রেকটাম মলাশয় বা পায়ু, গলা ও চোখকে আক্রান্ত করতে পারে। এই ইনফেকশনজনিত কারণে বন্ধ্যাত্বও দেখা দিতে পারে।
সাধারণত নারীদের চেয়ে পুরুষরাই এই যৌনরোগে বেশি আক্রান্ত হয়। শুধু নারী ও পুরুষের মেলামেশার কারণেই এ রোগ ছড়ায়।
এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার ক্রমশ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) উপাত্তে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালে পুরুষদের মধ্যে গনোরিয়ার হার দ্বিগুণ হয়েছে।

ডিসচার্জ
এই রোগের ইনফেকশনের সর্বাধিক কমন লক্ষণ হচ্ছে ডিসচার্জ। ডিসচার্জ পাতলা হতে পারে অথবা ঘন হতে পারে, এটি পুরুষভেদে নির্ভর করে। সিডিসি অনুসারে, কোনো পুরুষ ইনফেক্টেড হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে তার ডিসচার্জের অভিজ্ঞতা হবে। ডিসচার্জের বর্ণ কিংবা পরিমাণ যাই হোক না কেন কিংবা ডিসচার্জ প্রতিনিয়ত হোক বা অনিয়মিত হোক, কোনো ডিসচার্জই স্বাভাবিক নয়। যেকোনো ধরনের ডিসচার্জ হলে আপনার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

নিতম্বে চুলকানি
মায়ো ক্লিনিক অনুসারে, গনোরিয়া মলদ্বারকেও আক্রমণ করতে পারে, যার ফলে মলদ্বারীয় চুলকানি ও ডিসচার্জ বা রক্তপাত হতে পারে। এছাড়া ডায়রিয়া হতে পারে এবং প্রাকৃতিক কর্ম সারার সময় ব্যথা অনুভব হতে পারে।

গলা ব্যথা
ওরাল সেক্স থেকেও গনোরিয়া হতে পারে। গলায় গনোরিয়া ডেভেলপ হওয়া অনেক লোকের উপসর্গ দেখা দেয় না। কারো কারো গলাব্যথা হতে পারে এবং লসিকাগ্রন্থি ফুলে যেতে পারে।

ব্যথা বা ফোলা
গনোরিয়া ইনফেকশন পার্শ্ববর্তী স্থানে, যেমন- অণ্ডথলি ও অণ্ডকোষ, ছড়ানো শুরু করলে এপিডিডাইমিসে প্রদাহ হতে পারে, যার সঙ্গে থাকতে পারে কুঁচকি ব্যথা।

গর্ভাবস্থায়
গনোরিয়ার জীবাণু গর্ভবতী নারীদের জননতন্ত্রের মধ্যে বিচরণ করে ডিম্ববাহী নালিতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে নারীর বন্ধ্যাত্ব ঘটতে পারে বা জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় নারীরা গনোরিয়ায় আক্রান্ত হলে শিশু জন্মের সময়ে মায়ের যোনি থেকে তার চোখে সংক্রমণ হতে পারে। শিশুকে চিকিৎসা না করলে তার চোখে প্রদাহ হবে এবং সে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা
এক্ষেত্রে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস শুনতে হবে। তারপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। যদি স্বল্পস্থায়ী আক্রমণ হয়ে থাকে তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের রাস্তা থেকে নিঃসরিত পদার্থ এবং নারীদের মূত্রনালি ও জরায়ু নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি হলে প্রস্টেটগ্রন্থি ম্যাসাজের পর নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়াও কালচার ও সেনসিটিভিটি পরীক্ষা করতে হবে।

চিকিৎসা
সাধারণত পেনিসিলিন ব্যবহারে সংক্রমণ সেরে যায়। পেনিসিলিন রেজিস্টেন্ট ব্যক্তিকে সেনসিটিভ ওষুধে চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। জটিলতাহীন গনোরিয়ার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত একক মাত্রায় উপযুক্ত জীবাণুবিরোধী বা অ্যান্ট্রিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ বেশ ভালো কাজ দেয়। এছাড়া অবস্থা জটিল হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কাজ করাই উত্তম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিষেককে সহ্য করতে পারেন না প্রিয়াঙ্কা

বিনোদনের খবর: আন্তর্জাতিক তারকা বনে যাওয়ার পর থেকে বলিউডের প্রতি উদাসীনতা কাজ করছে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার। সালমানের ‘ভারত’ ছবিতে নায়িকা হিসেবে ছিলেন তিনি৷ কিন্তু ছবির শ্যুটিং শুরু হওয়ার দিন কতক আগেই ‘ভারত’ সিনেমা থেকে সরে এসেছেন তিনি৷

কারণ হিসেবে জানা যায়, হলিউড ফিল্ম৷ এর ফলে সালমান বেজায় চটেন প্রিয়াঙ্কার ওপর৷ ভবিষ্যতে এই নায়িকার সঙ্গে কাজ করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নায়কদের রাগের বিপরীতে নায়িকারও রয়েছে ক্ষোভ৷ জানা গেছে, প্রিয়াংকার সম্পূর্ণ ক্ষোভ অভিষেক বচ্চনের ওপর৷

অভিষেক বচ্চনের দেওয়া একটি নাম একেবারে পছন্দ ছিল না প্রিয়াঙ্কার৷ যে কারণে তিনি অভিষেককে মেরেও ফেলতে চান! না, যা ভাবছেন তেমনটি নয়, ঘটনাটি সম্পূর্ন মজা করেই ঘটেছে।

প্রিয়াংকা একবার ঠাট্টা করে সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমি অভিষেককে এবার মেরেই ফেলবো৷ ওর সঙ্গে ব্লাফমাস্টার ছবিটি করার সময় আমায় প্রথম পিগি চপস নামটা দেয়৷ কিভাবে নামটা বানিয়েছিল জানি না৷ তবে অবাক হওয়ার বিষয় হল, নামটা পুরো দাবানলের মতো ছড়িয়ে গিয়েছিল ইন্ডাস্ট্রিতে৷ যেন ওটাই আমার আরেকটা নাম৷

জানা যায়, ব্লাফমাস্টারের সময় তেমন কথোপকথন ছিল না প্রিয়াঙ্কা এবং অভিষেকের মধ্যে৷ কারণ ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় থাকার কথা ছিল ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের৷ কোনও কারণে তাকে রিপ্লেস করিয়ে প্রিয়াঙ্কাকে নেওয়া হয়৷ যার জন্য প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন অভিষেক৷ পরবর্তীকালে ‘দোস্তানা’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করলেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নাকি নেই অভিষেক এবং প্রিয়াঙ্কার৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাহুল গান্ধীর প্রেমে হাবুডুবু খেতেন কারিনা

বিনোদনের খবর: শহিদ কাপুরের সঙ্গে কারিনার প্রেম ও পরে বিচ্ছেদ এরপর সাইফ আলি খানের সঙ্গে প্রেম ও বিয়ে। এসব ঘটনা বলিউড পাড়ায় সকলেরই জানা। তবে আরও একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন যার প্রেমে নাকি একসময় হাবুডুবু খেতেন কারিনা কাপুর।
বর্তমান কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর প্রেমে নাকি বিভোর ছিলেন কারিনা। সম্প্রতি সাংবাদিক রশিদ কিদওয়াই এর লেখা ‘নেতা অভিনেতা’ নামে একটি বইতে উঠে এসেছে এমন তথ্য।
সেখানে বলা হয়, কারিনা কাপুর রাহুল গান্ধীকে একসময় ভীষণ পছন্দ করতেন। ডেটিংয়ে যাওয়ার জন্যও স্বপ্ন দেখতেন। তবে একথা শুধু রশিদ কিদওয়াইয়ের লেখা বইতেই নয়, ২০০২ সালে সিমি গারেওয়ালের একটি শোতে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ডেটে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন কারিনা।
তবে এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন মন্তব্য করেননি কারিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পান্তা ভাতের স্বাস্থ্য উপকারী গুণ

স্বাস্থ্য কণিকা: বর্তমানে প্রায় সবার বাড়িতে সকালে গরম ভাত কিংবা নাস্তার প্রচলন। কিন্তু অতীতে সকাল বেলা মানে পান্তা ভাত, বিশেষ করে স্বল্প আয়ের পরিবারে। এ ভাতের সাথে একটু লবণ, শুকনা মরিচ পোড়া অথবা কাঁচা মরিচ এবং পিঁয়াজ। লেবু অথবা লেবু পাতার রস। থাকলে একটু আচার। এখনও গ্রামাঞ্চলে পান্তার প্রচলন রয়েছে। তবে শহরাঞ্চলে এই খাবারের প্রচলন নেই বললেই চলে। অথচ পুষ্টিগুণে ভরপুর এই পান্তা ভাত। চিকিৎসকরা বলছেন, জীবনের যাবতীয় শক্তি নাকি পান্তায় রয়েছে। তাদের দাবি, শরীর চর্চা না করেও পান্তা ভাত খেয়ে বলিষ্ঠ শরীর আর উজ্জ্বল ত্বক, চুলের অধিকারী হতে পারেন যে কেউই।

সম্প্রতি ভারতের আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক পরীক্ষা করে দেখেছেন, ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে ১০০ গ্রাম পান্তা ভাতে ৭৩.৯১ মিলিগ্রাম আয়রন তৈরি হয়। সেখানে সমপরিমাণ গরম ভাতে আয়রন থাকে মাত্র ৩.৪ মিলিগ্রাম। এছাড়া ১০০ গ্রাম পান্তা ভাতে পটাশিয়াম বেড়ে হয় ৮৩৯ মিলিগ্রাম এবং ক্যালশিয়ামের পরিমাণ বেড়ে হয় ৮৫০ মিলিগ্রাম। যেখানে সমপরিমাণ গরম ভাতে ক্যালশিয়াম থাকে মাত্র ২১ মিলিগ্রাম। এছাড়া পান্তা ভাতে সোডিয়ামের পরিমাণ কমে হয় ৩০৩ মিলিগ্রাম। সেখানে সমপরিমাণ গরম ভাতে সোডিয়ামের পরিমাণ ৪৭৫ মিলিগ্রাম।

আমেরিকা নিউট্রিশন অ্যাসোসিয়েশন-এর গবেষণা বলছে, ভাত জলে ভিজিয়ে রাখলে পাকস্থলী প্যানক্রিয়াটিক অ্যামাইলেজসহ আরও কিছু এনজাইমের কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায়। ফলে পান্তা ভাতের জটিল শর্করাগুলো খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। এছাড়া পান্তা ভাত ভিটামিন বি-৬ ও ভিটামিন-১২ এর ভালো উৎস। এছাড়া দেহের বহু উপকারী ব্যকটেরিয়া পান্তা ভাতে তৈরি হয়।

উপকারিতা:
১. পেটের সমস্যার সমাধান।
২. কোষ্ঠবদ্ধতা দূর হয়।
৩. শরীর সতেজ থাকে।
৪. পাশাপাশি শরীরে তাপের ভারসাম্য বজায় থাকে।
৫. রক্ত চাপ স্বাভাবিক থাকে।
৬. হার্ট সুস্থ থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিপিএল থেকে সরে দাঁড়াল চিটাগাং ভাইকিংস

খেলার খবর: সালের জানুয়ারিতে। প্রাথমিকভাবে ৫ জানুয়ারি শুরুর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বিপিএল শুরু করা যাবে কি-না তা নিয়ে সংশয়-সন্দেহ রয়েই গেছে। এর সাথে যোগ হয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ বিগ ব্যাশের সময়সূচির সংঘর্ষ।
বিপিএল ও বিগ ব্যাশ একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে বিপিএলে তারকা ক্রিকেটার কমে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে আবার উদ্ভব ঘটেছে নতুন সমস্যা। এ বছর বিপিএলে দল চালাতে অপারগতা প্রকাশ করেছে চিটাগাং ভাইকিংসের ফ্র্যাঞ্চাইজি ডিবিএল গ্রুপ। তারা এমন এক সময়ে দল চালাতে অনীহা প্রকাশ করেছে যখন নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি পাওয়া কঠিন, প্রায় অসম্ভব।
চট্টগ্রামের মেয়র এবং চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের অন্যতম শীর্ষ নেতা আ জ ম নাসির এবং জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক চট্টলার কৃতি সন্তান আকরাম খান মিলে দল চালানোর একটা কথা ছিল। কিন্তু যতদূর জানা গেছে তারাও এবার দল পরিচালনার দায়িত্ব নিতে অনিচ্ছুক।

সেপ্টেম্বর ৩০ তারিখ ছিল গত মৌসুম থেকে ধরে রাখা খেলোয়াড়দের নাম জমা দেয়ার শেষ দিন। কিন্তু শেষ তারিখেও নিজেদের এই তালিকা জমা দেয়নি চিটাগাং ভাইকিংস কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের পক্ষ থেকে খোঁজ নেয়া হলে বন্দর নগরীর দলটি জানিয়েছে তারা বিপিএলের আসন্ন মৌসুমে খেলতে পারবে না। এ খবরটি নিশ্চিত করেছেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য ও টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।

আজ (সোমবার) সন্ধ্যায় ইউনুস বলেন, ‘চিটাগাং ভাইকিংস আসন্ন বিপিএল থেকে নিজেদের নাম সরিয়ে নিয়েছে। বিসিবিতে আনুষ্ঠানিক মেইল বার্তায় নিজেদের অপারগতার খবর জানিয়েছে তারা।’
এমনিতেই নেই বরিশাল, এবার সরে দাঁড়ালো চিটাগাং। তাহলে বিপিএলের ভবিষ্যৎ কি? কিভাবে পূরণ করা হবে এ শূন্যস্থান? এমন প্রশ্নের জবাবে জালাল ইউনুস বলেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। আমরা গভর্নিং কাউন্সিলের মিটিংয়ে বসবো। আলাপ-আলোচনার পরেই এ ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।’

সেক্ষেত্রে দল সংখ্যা কমে যেতে পারে এবারের বিপিএলে। সাতটির বদলে ফ্র্যাঞ্চাইজি সংকটের কারণে দল সংখ্যা কমে ছয়ে নেমে আসতে পারে। তবে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ সোহেল একটি বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে জানান তিনি ইতোমধ্যেই ডিবিএল গ্রুপকে এবারের মতো আয়োজনের অনুরোধ করেছেন। তবে গ্রুপের চেয়ারম্যান বিদেশে থাকায় কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়নি।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ডিবিএল গ্রুপ শেষপর্যন্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি হতে আগ্রহ প্রকাশ না করলে এবার বিপিএলে চিটাগাং ভাইকিংস বা বন্দর নগরীর কোনো দল থাকবে না। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিভাগ ও ক্রিকেট অন্তঃপ্রাণ নান্নু, আকরাম, নাফিস, আফতাব, তামিমের জন্মস্থান চট্টগ্রামের বিপিএলে কোনো প্রতিনিধিত্ব থাকবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest