সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবেন ফেরদৌস

বিনোদনের খবর: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাম লেখাতে চলছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তাকে দেখা যাবে বলে খবর উড়ে বেড়াচ্ছে চলচ্চিত্রপাড়ায়।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে সঙ্গী হয়ে আমেরিকায় যান ফেরদৌস। সেখানে সরকারি অতিথি হিসেবে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এই সফরকে কেন্দ্র করেই ছড়িয়েছে ফেরদৌসের নির্বাচনে আসার খবর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ ক’জন চলচ্চিত্র নির্মাতা-অভিনেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তাদের মতে, আসছে নির্বাচনে ফেরদৌসকে যশোর-৩ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি ওই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের উপর মহল থেকে গ্রিন সিগন্যালও পেয়েছেন ফেরদৌস।
বর্তমানে ফেরদৌস দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফিরেই নির্বাচন প্রসঙ্গে মুখ খুলবেন এই অভিনেতা।
নায়ক ফেরদৌসের জন্ম কুমিল্লার তিতাশ উপজেলায়। তবে তিনি নির্বাচনে লড়বেন যশোর-৩ সদর আসন থেকে। যশোর সদরের ঘোপে ফেরদৌসের শ্বশুরবাড়ি। তার স্ত্রী তানিয়া ফেরদৌসের বাবা মরহুম আলী রেজা রাজু ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। তিনি সাংসদও ছিলেন ওই আসনের। তার পরিবর্তেই ফেরদৌস আওয়ামী লীগের প্রার্থী হবেন বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, নায়ক ফেরদৌসের পুরো নাম ফেরদৌস আহমেদ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পড়াশোনা শেষ করেই জড়িয়ে পড়িয়েছিলেন মডেলিংয়ে। সেই সূত্রেই প্রবেশ করেন চলচ্চিত্রে।
সালমান শাহ-পরবর্তী যে ক’জন নায়ক ঢাকাই সিনেমার হাল ধরেছিলেন, ইন্ডাস্ট্রিকে ব্যবসাসফল ছবি দিয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম চিত্রনায়ক ফেরদৌস। ঢাকাই ছবিতে তার শুরুটা ছটকু আহমেদের ‘বুকের ভেতর আগুন’ ছবি দিয়ে। এটি সালমান শাহ শুরু করেছিলেন, কিন্তু শেষ করতে পারেননি। তার স্থলাভিষিক্ত হন ফেরদৌস।
তবে নায়ক হিসেবে একযোগে দুই বাংলায় ফেরদৌসের অভিষেক ঘটে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ ছবি দিয়ে। এটিই তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি। কলকাতা ও বাংলাদেশে ছবিটি তুমুল ব্যবসা করে। এরপর থেকে তার পথচলার গল্পটা কেবলই মুগ্ধতার।
অসংখ্য ব্যবসাসফল ছবির নায়ক হয়ে তিনি ইন্ডাস্ট্রি মাতিয়েছেন। কাজ করেছেন হুমায়ূন আহমেদের মতো নন্দিত নির্মাতার কিছু চলচ্চিত্রেও। সেরা অভিনেতা হিসেবে চারবার জয় করেছেন সিনেমার জন্য রাষ্ট্রের প্রবর্তিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনেও দেখা গেছে তাকে।
সিনেমা প্রযোজনায়ও সফল ফেরদৌস। বর্তমানে প্রযোজনা করছেন ‘গাঙচিল’ নামের একটি ছবি। নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত এই ছবিতে পূর্ণিমার বিপরীতে অভিনয় করবেন তিনি। পাশাপাশি মুক্তির অপেক্ষায় তার ‘মেঘকন্যা’ ছবিটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ কৌশলে এগোচ্ছে ক্ষমতাসীনরা

দেশের খবর: জাতীয় ঐক্য ও বিএনপির মাঠে নামার ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত ৩ কৌশলে এগোচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সহঅবস্থান তৈরি, দলগুলোকে নির্বাচনমুখী করা ও রাজনৈতিক মাঠে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতেই এ সব কৌশল গ্রহণ করেছে ক্ষমতাসীনরা। কৌশল সম্পর্কে দলটির নীতি নির্ধারণী মহল থেকে কোনো বক্তব্য না পাওয়া গেলেও কর্মসূচি ও বিভিন্ন পদক্ষেপ থেকে এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের ও জোটের কর্মসূচি অনুযায়ী, ৯ অক্টোবর রাজশাহী, ১০ অক্টোবর নাটোর ও ১৩ অক্টোবর খুলনায় সমাবেশ করবে ১৪ দলীয় জোট। এছাড়া পুরো অক্টোবরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড দিয়ে রাজনৈতিক মাঠে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাই ক্ষমতাসীনরা। এই সব কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানে যেতে চায় না আওয়ামী লীগের নেতারা।
নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতাদের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে সমালোচনা মুখর থাকবেন আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের নেতারা। ঐক্য প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা ও জামায়াত ইস্যুতে ঐক্য প্রক্রিয়াকে চাপ রাখতেই এই কৌশল নিয়েছেন তারা।
জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ও যুক্তফ্রন্ট গঠন প্রক্রিয়ার শুরুতে কিছুটা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলেও বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের হোটেল হিলটনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাতের জন্য যুক্তফ্রন্টের নামে দুর্নীতিবাজরা এক হয়েছে, জোট বেঁধেছে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে সমাবেশ করা নিয়ে অনেকটা মুখোমুখি অবস্থান ছিল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট ও বিএনপি। পরে বিএনপি সমাবেশের তারিখ পরিবর্তন করে।
রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে ২৯ সেপ্টেম্বর ১৪ দলের কর্মী সমাবেশে ক্ষমতাসীনদের অধিকাংশ নেতারা জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতাদের সমালোচনা করেন। ওই কর্মী সমাবেশ থেকে রাজনৈতিক মাঠ দখলে রাখার ঘোষণা দেয়া হয়।
সমাবেশে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, আমরা পাল্টাপাল্টি করি নাই, করব না। কারণ যারা ৯ বছরে ৯ দিনও আন্দোলন করতে পারে নাই, অনুমতি ছাড়া রাস্তায় নামতে পারে না, তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের, ১৪ দলের কোনো পাল্টাপাল্টি প্রয়োজন নাই।
জোটের মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ৯ অক্টোবর রাজশাহী, ১০ অক্টোবর নাটোর ও ১৩ অক্টোবর খুলনায় ১৪ দল বিভাগীয় সমাবেশ করবে। তারপর নেত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে অক্টোবরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে।
তিনি বলেন, ওরা বলেছে অক্টোবর থেকে মাঠে থাকবে। অক্টোবর তোমাদের জীবনে আসবে না। ডিসেম্বরে নির্বাচনের আগে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠ গরম করব।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর সম্পাদকমণ্ডলীর সভা করে সপ্তাহব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলে আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করব। আর যদি আন্দোলনের নামে ২০১৪ সালের মত নাশকতা, বোমা হামলা এবং সেই ভয়াবহ দৃশ্যপটের অবতারণা করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রশাসন যা যা করার দরকার সব করবে। সমুচিত জবাব দেয়া হবে। আমরাও ঘরে বসে ডুগডুগি বাজাব না, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ ও প্রতিহত করব।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারণী এক নেতা বলেন, আপাতত এই কৌশলেই এগুতে হবে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি অনুযায়ী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এস কে সিনহার বিরুদ্ধে নাজমুল হুদার মামলা

দেশের খবর: দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সোমবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে এ তথ্য জানা গেছে। মামলাটি করেছেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।
শাহবাগ থানার ওসি (পরিদর্শক) জাফর আলী বিশ্বাস মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত ও আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হওয়ায় মামলাটি দুদকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে আজ (১ অক্টোবর) দুপুরের দিকে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য সাংবাদিকদের বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে ২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলারের বাড়ি ক্রয়, অর্থ পাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার ভাই অনন্ত কুমার সিনহার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের দলকে এ বিষয়ে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে থেকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তের পরপরই দুই সদস্যের দল গঠন করা হয়েছে।
একইসঙ্গে এস কে সিনহার ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকা স্থানান্তরের বিষয়ে আরো একটি অনুসন্ধান করছে দুদক বলেও জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমবাপ্পেকে পেতে মরিয়া গার্দিওলা

খেলার খবর: তিন ম্যাচের নির্বাসন কাটিয়ে মাঠে ফিরেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। অবশ্য গোল পাননি তিনি। তবে জয় পেতে কষ্ট হয়নি পিএসজির। নেইমারের জোড়া গোলে নিসকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে দ্য পারিসিয়ানরা।
এরই মাঝে গুঞ্জন, এমবাপ্পেকে পেতে মরিয়া ম্যানচেস্টার সিটি। তাকে ডেরায় ভেড়াতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে ইংলিশ ক্লাবটি। তার ব্যাপারে ভীষণ আগ্রহী পেপ গার্দিওলা। তিনি মনে করেন, ফরাসি তরুণকে পেলে চ্যাম্পিয়নস লিগে সাফল্য আসবে।
শোনা যাচ্ছে, এমবাপ্পের জন্য প্রায় এক হাজার ৮৯০ কোটি টাকা খরচ করতে প্রস্তুত ম্যানসিটি, যা নেইমারকে কিনতে পিএসজির খরচের থেকেও বেশি। শুধু বছরেই তার বেতন হবে ১৯০ কোটি টাকা।
এমবাপ্পে মোনাকোতে খেলার সময় থেকেই তার ব্যাপারে উৎসাহী গার্দিওলা। তবে ফ্রান্সের বাইরে যেতে চাননি বিশ্বকাপের উদীয়মান এ সেরা খেলোয়াড়। এ কারণেই তিনি পিএসজিতে খেলার সিদ্ধান্ত নেন।
চাউর হয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদ এখনও এমবাপ্পেকে পেতে মুখিয়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনে ‘পুলিশি ছক’ তৈরি

দেশের খবর: কাগজে-কলমে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষা করলেও ইতোমধ্যে নির্বাচন নিয়ে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। দেশের ৬৪ জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) সদর দফতরে ডেকে ব্রিফ করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।
ব্রিফে নিজ নিজ এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। এছাড়া এলাকার ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ও ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ কেন্দ্রগুলোর তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নিতে বলা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালসহ বিগত সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কাগজে-কলমে ‘পুলিশি পরিকল্পনার ছক’ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের আগে, ভোট চলাকালীন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে নেয়া হচ্ছে প্রস্তুতি।

নির্বাচনের আগে ভিআইপি, রিটার্নিং ও প্রিজাইডিং অফিসারদের কেন্দ্রে যাওয়া, সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি হিসেবে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; ভোটগ্রহণের সময় কেন্দ্র দখলসহ বিভিন্ন ধরনের অরাজক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন এবং বিশেষ প্রয়োজনে পুলিশের বিশেষ বাহিনী স্পেশাল উইপনস অ্যান্ড ট্যাকটিকস (সোয়াট) ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া নির্বাচন-পরবর্তী কয়েকদিন দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ করে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে পুলিশকে মাঠে রাখা এবং সেসময় পুলিশ সদস্যদের ১৬ ঘণ্টা করে ডিউটির বিশেষ রোস্টারও তৈরি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। নির্বাচন অস্থিতিশীল করতে জঙ্গি ও কয়েকটি মহল চক্রান্ত করছে বলেও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পুলিশের একটি ইউনিট। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে হত্যা করে নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি উত্তপ্তের চেষ্টা করছে জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ। পুরনো জেএমবি’র একাংশের শীর্ষ নেতা তৌকির ওরফে তৌকি ওরফে গোপাল রাজশাহীর ইসাবা প্রধান বুলবুল ওরফে সোহাগকে অবহিত করে যে, ইমরানকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলাকা রেকি করা হয়েছে।

এছাড়া সম্প্রতি সারাদেশে জঙ্গিদের রাসায়নিক হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের গোপন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে আগাম প্রস্তুতি নিতে সারাদেশের বিশেষায়িত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে বার্তা দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি গোয়েন্দা সংস্থার জমা দেয়া প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে জানায় যে, ‘গোয়েন্দা প্রতিবেদনে জেএমবি সদস্যরা একত্রিত হয়ে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। এজন্য তারা আসামের মুর্শিদাবাদ, মালদা ও নাদিয়া জেলা থেকে কর্মীসংগ্রহ করেছে। কেনা হচ্ছে অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সুইসাইডাল ভেস্ট।’
পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র পাওয়ার পর পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এছাড়া পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম নির্বাচনের সময় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেবে। তবে ইতোমধ্যে আইজিপি জেলা এসপিদের সঙ্গে বৈঠক করে নানা ধরনের নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করছি।’

এ বিষয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘র‌্যাব সৃষ্টির পর থেকে প্রতিটি নির্বাচনে আমরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করি। এবারের নির্বাচনেও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী র‌্যাব মাঠে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
তবে এবার নির্বাচন মাঠের নিরাপত্তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে সাইবার নিরাপত্তায়। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, সিআইডি, র‌্যাব ও ঢাকা মেট্রোপলিটন (ডিএমপি) পুলিশের বিশেষায়িত সাইবার সিকিউরিটি টিম ২৪ ঘণ্টা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে নজরদারি করবে। ইতোমধ্যে গোয়েন্দারা ফেসবুকের জনপ্রিয় ও সর্বাধিক মেম্বারের গ্রুপগুলোতে অ্যাড হয়ে তাদের পোস্টগুলো যাচাই-বাছাই করছেন। এছাড়া জনপ্রিয় প্রায় শতাধিক ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিনসহ সংশ্লিষ্ট মডারেটরদের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে।
সংঘাত সৃষ্টির উদ্দেশ্যে যদি কেউ উস্কানিমূলক গুজব তৈরি করে এবং তা পোস্ট করে তাহলে সেসব পোস্ট ডিলেটে (মুছে ফেলতে) তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেয়া হবে অ্যাডমিনদের।
নির্বাচনের সময় সামাজিক বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নজরদারি করা সাইবার সিকিউরিটি টিমগুলোর মধ্যে সমন্বয় করবে পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স।
এ প্রসঙ্গে এআইজি সোহেল রানা বলেন, ‘পুলিশের হেডকোয়ার্টার্স থেকে সব সাইবার নিরাপত্তা ইউনিটগুলোর মধ্যে সমন্বয় করা হবে। জনগণের শান্তি ও শৃঙ্খলা বিনষ্ট করে- এমন যেকোনো ধরনের পোস্ট দেখলেই সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ধরনের পোস্ট তাৎক্ষণিক নজরে আনার ব্যবস্থা হচ্ছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় ভার্সিটি কোচিং করতে এসেছিলেন ঐশী

বিনোদনের খবর: ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ ২০১৮ নির্বাচিত হয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌসী ঐশী। প্রথম রানার আপ নিশাত নাওয়ার সালওয়া এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন নাজিবা বুশরা। মুকুট জয়ের পাশাপাশি বেস্ট অ্যাপিয়ারেন্স অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছেন ঐশী।

জান্নাতুল ফেরদৌসী ঐশী পিরোজপুরের মেয়ে। এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া জান্নাতুল ফেরদৌসী ঐশী চলতি বছরের এইচএসসি শেষ করে জুলাই মাসে ঢাকায় এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং করার জন্য। যখন চোখেমুখে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির লড়াইয়ের স্বপ্ন তখনই খোঁজ পান মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮ এরে আবেদন করার খবর।

কৌতুহল আর আগ্রহ মাথার চিন্তাকে যেন কিছুটা এলোমেলোই করে দিল। আবেদন করে বসলেন। দেখতে দেখতে মিসওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিলেন। সেরা দশে জায়গা পাওয়ার পর নিজের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়।

রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির রাজদর্শন হল আলোকজ্জ্বল হয়ে ওঠে ১০ সুন্দরীর উপস্থিতিতে। সেই ১০ জনের মধ্য থেকে ৩ জনকে বিচারকেরা আলাদা করে ফেলেন। সেরা দশে জায়গা করে নেওয়া অনেকেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কিন্তু সেরা ৩ জন ছিলেন অনবদ্য।

বিশেষ করে জান্নাতুল ফেরদৌসী ঐশী ও প্রথম রানার আপ নিশাত নাওয়ার সালওয়ার পারফর্ম্যান্স ছিল চোখ ধাঁধানো। শুধু রাজদর্শন হল-ই নয় গোটা এটিএন বাংলার কল্যাণে দেশের মানুষের কাছে বাকি প্রতিযোগীরা যখন সমালোচনার তীরে বিদ্ধ হচ্ছিলেন তখন ঐশী ও সালওয়া ছিলেন অনবদ্য। শেষ পর্যন্ত ঐশীই মুকুট জয় করেন।

ঐশীর গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের মাটিভাঙা এলাকায়। জুলাই মাসে ঢাকায় এসে আত্মীয়ের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতেন। বাবা আব্দুল হাই সমাজসেবী মা আফরোজা হোসনে আরা একজন স্কুল শিক্ষিকা। ঐশীরা দুইবোন। বড় বোনের নাম শশী। চলতি বছরই এইচএসসি পাস করেছেন মাটিভাঙা ডিগ্রি কলেজ থেকে। এরপরই ঢাকা…

ঐশী বলেন, আমি জানি বিচারকেরা সব দিক বিবেচনা করে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ নির্বাচিত করেছেন। আমি এই প্রতিযোগিতায় এসে ক্রমাগত শিখেছি। কিন্তু চূড়ান্তভাবে আমার নাম ঘোষিত হবে এটা ভাবতে পারিনি। ছিলাম প্রচণ্ড নার্ভাস। অনেক বড় দায়িত্বও আমার কাঁধে এসেছে। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সৌন্দর্য তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছি আমি, এটা ভাবতে ভালো লাগছে। আশা করছি, নিজের দেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে মর্যাদার সঙ্গেই বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে পারবো।’

এবারের প্রতিযোগিতায় মিস ট্রেন্ডি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন স্মিতা টুম্পা। বেস্ট বিহেভিয়ার অ্যাওয়ার্ড আফরিন লাবণী, মিস ইন্টেলিজেন্ট অ্যাওয়ার্ড নিশাত নাওয়ার সালওয়া, বেস্ট ফ্যাশন রানওয়ে মন্দিরা, মিস স্মাইলি অ্যাওয়ার্ড অনন্যা, মিস ফটোজেনিক অ্যাওয়ার্ড জান্নাতুল মাওয়া, মিস ট্যালেন্টেড অ্যাওয়ার্ড নাজিবা বুশরা, মিস পারসোনালিটি অ্যাওয়ার্ড শিরীন শিলা, মিস স্পোর্টি ইশরাত জাহান সাবরিন ও বেস্ট অ্যাপিয়ারেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশের যুবারা

খেলার খবর: অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে দুর্দান্ত জয়ে পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর আজ সোমবার পাকিস্তানকে ৩ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে তৌহিদ হৃদয়ের দল। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া ১৮৮ রানের টার্গেট ৪৭.২ ওভারেই পেরিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
টসে জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশ। অভিষেক দাসের বলে দলীয় ৩০ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। এরপর ৪৩ রানের জুটি গড়ে বিপদ সামাল দেন সাইম আইয়ুব এবং রোহাইল নাজির। আইয়ুব ৪৯ রানে রান-আউট হয়ে যান। পাকিস্তানের হয়ে একমাত্র হাফ সেঞ্চুরি উপহারদেন ওয়াকার আহমেদ (৬৭)। বাংলাদেশের রিশাদ হোসেন নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। ৪৫.২ ওভারে ১৮৭ রানে অল-আউট হয় পাকিস্তান।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ১ রানেই ‘ডাক’ মারেন তানজিদ হাসান। সাজিদ হাসান (২১) এবং প্রান্তিক নওরোজ নাবিল প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। সতীর্থদের আসা যাওয়ার মাঝে ৯৩ বলে বাউন্ডারিতে ৫৮ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন নাবিল।
মিডল অর্ডারে দলকে ভরসা দেন শামীম হোসেন। ১০৫ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার এবং ২টি ছক্কার মার। মৃত্যুঞ্জয় (৪), রাকিবুল (১) এবং রিশাদ (২) দ্রুত ফিরে গেলে চাপ পড়ে বাংলাদেশ। তবে অভিষেক দাসকে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান আকবর আলী (১৭*)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ দখলের হুমকি বিজেপি নেতার

বিদেশের খবর: বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমাগত আক্রমণের অভিযোগ তুলে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সাংসদ সুব্রামাণিয়াম স্বামী বলেছেন, এই প্রবণতা অবিলম্বে বন্ধ না হলে বাংলাদেশ দখল করে নেওয়া হবে।
রবিবার বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া রাজ্য ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এদিন, ত্রিপুরায় প্রতিবেশী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তোলেন রাজ্য সভার এই সাংসদ। সুব্রামাণিয়াম স্বামী বলেন, বাংলাদেশে অনেক হিন্দু মন্দির বলপূর্বক দখল করে নেওয়া হচ্ছে এবং একই সঙ্গে দরিদ্র শ্রেণীর মানুষদের উপরে চাপ সৃষ্টি করে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের হিন্দুদের উপরে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের এই ‘পাগলামি’ অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি করেছেন সুব্রামাণিয়াম স্বামী। অন্যথায় সমগ্র বাংলাদেশে দিল্লির শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন ভারতের শাসকদলের এই নেতা বলেন, “হিন্দুদের বিরুদ্ধে পাগলামি বন্ধ না হলে বাংলাদেশ দখল করতে হবে। আমি সরকারকে সেই পরামর্শই দেব।”
এদিন, আগরতলা থেকে পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকেও আক্রমণ করেছেন স্বামী। তিনি বলেছেন, “ইমরান খান নামেই প্রধানমন্ত্রী। আসলে তিনি চাপরাসির মতো কাজ করছেন।” সমগ্র পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ আইএসআই, জঙ্গি এবং সেনার হাতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন সুব্রামাণিয়াম স্বামী। এ ছাড়াও তিনি জানিয়েছেন যে সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের পথ খুব শিগগিরই প্রশস্ত হবে।
ভারত-পাকিস্তান সমস্যা সমাধানে পাকিস্তানকে চার ভাগ করার পরামর্শ দিয়েছেন সুব্রামাণিয়াম স্বামী। তিনি বলেছেন, “সিন্ধু, বেলুচিস্তান, পাখতুন এবং পশ্চিম পাকিস্তান। এই চার ভাগে পাকিস্তানকে ভাগ করে দেওয়া উচিত। তাহলেই ভারত-পাকিস্তান সমস্যা সমাধান হতে পারে।” চার ভাগে বিভক্ত পাকিস্তানের পশ্চিম পাকিস্তান বাদে বাকি তিন ভাগ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও করেছেন স্বামী। এই উপায়েই উপনিবেশের প্রধান সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest