সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোক

মা-বাবাসহ মাদরাসা ছাত্রীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

অনলাইন ডেস্ক: বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারী এনে একই পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে জখমসহ ১৭ বছর বয়সী মেয়েকে গাছের সাথে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফাইতং ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্যাতিত মাদরাসা ছাত্রীসহ আহতদের উদ্ধার করে এবং পাশ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের ভর্তি করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ২ জন হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে।
মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ফাদুরছড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জানা গেছে, ফাইতং ফাদুর ছড়া গ্রামে মৃত তফুর আলীর পুত্র আবদুল করিম এর সাথে একই এলাকার নুরুল ইসলামের পুত্র মো. ফারুক পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
উক্ত বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সালিস বৈঠকে ও থানার বিচারে আবদুল করিম এর পক্ষ রায় পায়। স্থানীয় বিচার সালিস না মেনে ফারুক বান্দরবান জেলা জজ আদালতে মামলা করে অসহায় কৃষক পরিবারকে হয়রানি করে আসছিল। এতে ক্ষান্ত না হয়ে মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) দুপুরে চকরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অস্ত্রধারী ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী এনে আবদুল করিম এর জমি জোর পূর্বক জবর দখলে নেয়ার চেষ্টা করে।
এক পর্যায়ে প্রকাশ্য দিবালোকে হামলাকারী ফারুক ও তার ভাই সাইফুল, বারেকসহ ভাড়াটিয়া শতাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। হামলাকারীরা গৃহকর্তা আবদুল করিম, তার স্ত্রী ছফুরা খাতুন (৫০), মৃত আলী আহমদের পুত্র নুর মোহাম্মদ (৪০) কে হাত বেঁধে মারধর করে এবং করিমের মাদরাসা পড়ুয়া মেয়ে জোহাইরা বেগম (১৭) কে গাছের সাথে হাত-পা ও মুখ বেঁধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।

এ সময় ফারুক ও তার সঙ্গীরা করিমের বাড়িতে রক্ষিত স্থানীয় ফাইতং বায়তুল মামুর মসজিদের ১ লাখ টাকাসহ বাড়ির নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং মালামালসহ মোট ৫ লক্ষাধিক টাকার জিনিসপত্র নিয়ে যায়।

ফাদুরছড়া এলাকার ওয়ার্ড মেম্বার থোয়াই হ্লা মার্মা বলেন, এই ধরণের নির্যাতন মানুষ করতে পারে না। ফারুক ও তার সঙ্গীরা অমানুষ। এলাকার লোকজন এগিয়ে না গেলে তারা করিমের পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলত। তার মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়টি মর্মান্তিক।

লামা থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তকারী অফিসার পুলিশের উপ-পরিদর্শক জয়নাল আবেদীন বলেন, হামলাকারীরা মাদরাসা ছাত্রী জোহাইরা বেগমকে রশি দিয়ে গাছের সাথে প্রকাশ্যে বেঁধে নির্যাতনের এক পর্যায়ে মাদরাসা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানীরও চেষ্টা চালায়। নির্মম এই দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে স্থানীয় লোকজন ফাইতং পুলিশ ফাঁড়িকে খবর দিলে পুলিশ আহত ও নির্যাতিতদের উদ্ধার করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ফারুক ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাদশাকে গ্রেফতার করে এবং অন্যান্য হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা জানিয়েছেন, ফাইতংয়ে জমি জবর, হামলা ও নির্যাতনের খবর পেয়ে ফাইতং পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনাস্থল থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বামীর ফোনে তল্লাশি চালানোয় স্ত্রীর তিন মাসের জেল

অনলাইন ডেস্ক: স্বামীকে না জানিয়ে তার ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করায় এক নারীকে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি আদালত।
ইউএইর রাস আল খাইমাহ অঞ্চলের অধিবাসী এক ব্যক্তি স্ত্রীর বিরুদ্ধে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করলে বিচারকাজ শেষে মঙ্গলবার দেয়া রায়ে স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত।
অভিযোগপত্রে স্বামী লিখেছিলেন, তার স্ত্রী অজ্ঞাতসারে তার ফোনে তল্লাশি চালিয়েছেন। এমনকি পরে যেন সব ঘেঁটে দেখতে পারেন, সেজন্য অন্য আরেকটি ডিভাইসে স্বামীর ফোন থেকে সব তথ্য কপি করেও রেখেছিলেন।
ডেইলি মেইল জানায়, ওই ব্যক্তি একদিন হঠাৎই টের পান, তিনি ঘুমিয়ে আছেন মনে করে স্ত্রী তার ফোন স্ক্রল করে সেখানে কী কী আছে দেখছেন। এরপর তিনি ফোনে থাকা ছবি আর চ্যাটগুলোও নিজের ফোনে ট্রান্সফার করে নিলেন যেন নিজের ভাইবোনদের দেখাতে পারেন।
এটা টের পাওয়ার পরই স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি।
তবে অভিযুক্ত নারীর দাবি, তার স্বামীই তাকে নিজের পাসওয়ার্ড দিয়ে তার ফোন দেখার অনুমতি দিয়েছিলেন। কেননা এর আগে তিনি অন্য নারীদের সঙ্গে চ্যাট করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন।
ইউএইতে সাইবার অপরাধ বিষয়ক, বিশেষ করে অনলাইনে ব্যক্তির গোপনীয়তা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আইন খুবই কড়া।
তবে টুইটারে অনেকে স্ত্রীর পক্ষে নানারকম পোস্ট দিয়েছেন। একজন এক টুইটবার্তায় বলেন, ‘যদি স্ত্রী স্বামীর কর্মকাণ্ডে সন্দেহপ্রবণ না হতেন, তাহলে নিশ্চয়ই ফোন ঘেঁটে দেখতেন না। নিজের স্ত্রীকে জেলে পাঠানো কি তার জন্য লজ্জাজনক নয়?’
অন্যরা আবার মনে করছেন মহিলা জেল খাটাই উচিত। একজন টুইট করে বলেছেন: ‘সে (স্ত্রী) এটারই যোগ্য। কে বলেছিল না বলে ফোন ঘাঁটতে?’
স্থানীয় পত্রিকা ইমারাত আল ইয়াওম’কে আইনজীবী রায়েদ আল আওরাকি ও মোহাম্মদ জাদ আল মাওলা জানান, অনুমতি ছাড়া যেকোনো ব্যক্তির মোবাইল ফোনের তথ্য দেখা ও খোঁজা দেশটিতে বেআইনি। এমনকি বাবা-মা ও বিবাহিত যুগলের ক্ষেত্রেও বিষয়টি প্রযোজ্য।

গত আগস্ট মাসে ইউএইর প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা এই নতুন সাইবার অপরাধ আইন ইস্যু করেন। এই আইনে অপরাধ প্রমাণ হলে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলকাতায় শাকিবের বাজার তৈরি হয়নি

অনলাইন ডেস্ক: এদেশে ব্যবসা করতে পারবে না, তাই শাকিবকেও আর অভিনয়ে নেবে না। অর্থাৎ শাকিব খানকে চলচ্চিত্রে নেওয়া হয় শুধু ব্যবসার খাতিরে। এদেশের সিনেমা বাজার ধরার জন্য কলকাতার প্রযোজকেরা অর্থ লগ্নি করা শুরু করে। নামী দামি সব তারকা নিয়ে ছবি তৈরি করা হয়। বাংলাদেশ থেকে সবার আগে বেছে নেওয়া হয় শাকিব খানকে। কারণ শাকিব থাকা মানে বাংলাদেশে সেই ছবি হিট।
সম্প্রতি কলকাতার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে মুভিজ বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অশোক ধানুকা বলেন, ‘শাকিবের সঙ্গে আপাতত আর কাজ হচ্ছে না। শ্রাবন্তীর সঙ্গে একটা ছবি করার কথা থাকলেও সেটাও আর করছি না। কলকাতার লোকাল প্রোডাকশনে শাকিবকে নিয়ে ছবি বানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শাকিবকে ৬০ লাখ টাকা সম্মানী দেওয়া সম্ভব না।’ অবশ্য ক’দিন আগেও জানা গিয়েছিল শাকিব এসকে মুভিজকে শিডিউল দিতে পারছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা বলেন, শাকিবকে নিয়ে একের পর এক ছবি ওরা করে যাচ্ছিল শুধু বাংলাদেশের বাজার ধরার জন্য। ওরা জানে যে শাকিবের একচ্ছত্র জনপ্রিয়তা রয়েছে। আবার দেখেন লোকাল প্রোডাকশনে শাকিবকে নেবে না। অর্থাৎ শাকিবের বাজার কলকাতায় এখনও গড়ে ওঠেনি। অর্থাৎ তাঁদের লক্ষ্যই শাকিবকে মূল কাস্টিং রেখে বাংলাদেশের বাজার ধরা।
অর্থাৎ শাকিবকে নেওয়াই হতো বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের বাজার টার্গেট করে, কলকাতার লোকাল বাজার নয়। অশোকা ধানুকার বক্তব্য থেকে বোঝা যায় শাকিবকে দিয়ে কলকাতায় বিনিয়োগ করা অর্থ তুলে আনা সম্ভব নয়। অশোক ধানুকার বক্তব্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে শাকিবের বাজার এখনো সেভাবে তৈরি হয়নি। ইতোপূর্বে কলকাতার প্রযোজকদের দেখা গেছে এদেশে ছবি মুক্তি দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠতে। এমনকী কলকাতার পরিচালক জয়দীপ মুখার্জি বাংলাদেশের পরিচালক সমিতির সদস্যও হতে চেয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন কালের কণ্ঠকে বলেন, আসলে কলকাতার প্রযোজকদের বিনিয়োগ কোনো কাজে আসছিল না। বিনিয়োগ করলে দুই দেশের উপকার হবার কথা। কিন্তু কলকাতার জনবল দিয়ে একটি ছবি করে ওরা বাংলাদেশের ছবি হিসেবে দেখাতে চায়। প্রকৃতপক্ষে সেখানে বাংলাদেশের জনবল নেই। যেটা বিনিয়োগ বোর্ডের আইন পরিপন্থী।
তিনি বলেন, এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনে যেভাবে বিনিয়োগ করা হয় চলচ্চিত্রেও সেভাবেই বিনিয়োগ করতে হবে। তাহলে আমাদের দেশের দৃশ্যত উপকার হবে। কিন্তু ওরা বিকল্পপথে বাংলাদেশের বাজার ধরতে চায়। কলকাতার প্রযোজকেরা চলে গেলে চলচ্চিত্রের কোনো ক্ষতি হবে না। বরঞ্চ সরকার র‍্যাপিডলি কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছে যেটার কারণে এক দেড় বছরের মধ্যে চলচ্চিত্রের অবস্থার আমূল পরিবর্তন হবে।
অশোক ধানুকা বলেন, না, আমরা একের পর এক লস দিয়ে যাচ্ছি। এভাবে ব্যবসা টিকে থাকতে পারে না। ভারতে সিনেমার জন্য আমাদের বিশাল বাজার, সেই বাজার ছেড়ে এখানে এসে আমি ক্রমাগত লস করতে পারবো না। ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকছি।
সম্প্রতি শাকিব খান অভিনীত নাকাব ছবিটি কলকাতা ও বাংলাদেশে মুক্তি পেয়েছে। ছবিটি শুক্র ও শনিবার বাংলাদেশে ভালো ব্যবসা করলেও পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহগুলো সেখানের ছুটিরদিনেও ছিল একদম ফাঁকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অনুমোদন

বেতন কাঠামোর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড (আগের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরি) পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

শফিউল আলম জানান, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়ার পর আগামী দু-তিনদিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে গঠিত কোটা পর্যালোচনা কমিটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সুপারিশ জমা দেয়। কমিটি নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা উঠিয়ে দেয়ার প্রস্তাব করে। প্রস্তাবটি অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বেতন কাঠামোর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা থাকবে না। তবে আগের (১৪তম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেড) তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বহাল থাকবে।’

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে গত ২ জুলাই কোটা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে তা সংস্কার বা বাতিলের বিষয়ে সুপারিশ দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে সরকার।

কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। ৮ জুলাই প্রথম সভা করে কমিটি। পরে কমিটির মেয়াদ আরও ৯০ কার্যদিবস (৩ মাস) বাড়ানো হয়।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে সংরক্ষিত কোটা ৫৬ শতাংশ। বাকি ৪৪ শতাংশ নেয়া হয় মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে। বিসিএসে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩০, জেলা কোটায় ১০, নারী কোটায় ১০ ও উপজাতি কোটায় ৫ শতাংশ চাকরি সংরক্ষণ আছে। এই ৫৫ শতাংশ কোটায় পূরণযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সেক্ষেত্রে এক শতাংশ পদে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগের বিধান রয়েছে।

এই কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছিলেন শিক্ষার্থীরা। কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধও করছিলেন তারা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও হয় আন্দোলনকারীদের। গ্রেফতারও হন আন্দোলনকারী নেতারা।

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১১ এপ্রিল জাতীয় সংসদে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোটা নিয়ে যখন এতকিছু, তখন কোটাই থাকবে না। কোনো কোটারই দরকার নেই। যারা প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী তাদের আমরা অন্যভাবে চাকরির ব্যবস্থা করে দেব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আসাদুজ্জামান বাবু’র নির্বাচনী মটরসাইকেল শোভাযাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক : কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু’র নির্বাচনী বিশাল মটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বুধবার সকাল থেকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠে আসাদুজ্জামান বাবু’র সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীরা মটরসাইকেলের বহর নিয়ে একত্রিত হতে থাকেন। ফলে কলেজ মাঠটি কানায় কানায় পূর্ণ হতে থাকে। সকাল ১০টায় আসাদুজ্জামান বাবু’র নেতৃত্বে বিশাল মটরসাইকেল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন করে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় সাতক্ষীরা জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল, জেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ সরদার, যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম রানা, পৌর কৃষকলীগের সভাপতি শামছুজ্জামান জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক শাহ মোঃ আনারুল, কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালুসহ জেলা আওয়ামীলীগসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন। শোভাযাত্রায় প্রায় ২ হাজার মটরসাইকেলে নৌকার পক্ষে বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত ফেস্টুন ও লিফলেট শোভা বর্ধন করে।
শোভাযাত্রার পূর্বে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে আমরা নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেছি। নমিনেশন কে পাবে এটা বড় কথা নয়। নৌকার সমর্থনে জনমত সৃষ্টিই আসল কথা। নৌকার বিজয় মানে আমাদের বিজয়। নৌকা থাকলেই দেশে চলমান উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। আগামী নির্বাচনে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মায়ের দুধই সারাবে শিশুর জটিল রোগ

স্বাস্থ্য কণিকা: সন্তান জন্মের ছয় মাস পর্যন্ত শিশুকে মায়ের বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার খাওয়ানোর কোনো প্রয়োজন নেই। মায়ের বুকের দুধ খেলে শিশু সুস্থ থাকে আর বিভিন্ন জটিল রোগেরও সমাধান মেলে। শিশুর শ্রেষ্ঠ খাবার মায়ের বুকের দুধ। এতে রয়েছে শিশুর বেঁচে থাকা ও বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি। রয়েছে কিছু অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান, যা শিশুকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। শিশুর বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে সাহায্য করে। শিশুর জন্য মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই। আসুন জেনে নেই শিশুকে মায়ের দুধ কেন খাওয়াবেন।

কমপক্ষে ৬ মাস
বিশেষজ্ঞদের মতে শিশুকে কমপক্ষে চার থেকে ছ’মাস বুকের দুধ পান করানো উচিত৷ কারণ এতে শিশুর ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন বাড়া, অ্যালার্জি এবং ইনফেকশনের ঝুঁকি কমে।

ফুসফুসকে শক্তিশালী
মায়ের দুধ সরাসরি পান করার মধ্য দিয়ে শিশুর ফুসফুসও শক্তিশালী হয়৷

মায়ের উপকার
শিশু মায়ের দুধ পান করলে মায়ের স্তন ক্যানসার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে৷ তাছাড়া তাড়াতাড়ি মায়ের গর্ভকালীন ওজন কমাতেও সাহায্য করে এটি৷ তাছাড়া দুধ পান করানোর মধ্য দিয়ে মা এবং শিশুর মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর এবং মজবুত হয়৷

মা-বাবা
শিশু জন্মের পর তাকে মায়ের বুকের দুধ পান করানো হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবে নতুন মা-বাবাই৷ তবে শিশুর স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করলে মায়ের বুকের দুধই শিশুর জন্য সবচেয়ে উৎকৃষ্ট খাবার৷

বুকের দুধে সব পুষ্টিগুণই থাকে
মায়ের বুকের দুধে নবজাতক শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় সব পুষ্টিগুণই থাকে, যাতে একটি শিশু সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারে৷ এ কথা জানা যায় সাম্প্রতিক একটি গবেষণা থেকে৷

অ্যাজমার ঝুঁকি কমায়
মায়ের দুধ পান করলে শিশুর অ্যাজমার ঝুঁকি কমে শতকরা ৪০ ভাগ – এই তথ্যটি জানা যায় ক্যানাডিয়ান একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রতি গবেষণা থেকে৷ বলা বাহুল্য, জার্মানিতে শিশুরা যে রোগগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভোগে তা হলো অ্যাজমা বা হাঁপানি৷

প্রতি ফোঁটা দুধই শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ
একটি শিশু প্রতি মাসে যত দিন যতটুকু দুধই পান করুক না কেন, তার প্রতি ফোঁটাই অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগপ্রতিরোধ করতে সাহায্য করে৷ জানা যায়, প্যারিসের মাতৃদুগ্ধ বিষয়ক একটি গবেষণা গ্রুপের করা সমীক্ষা থেকে৷

তবে পাম্প করা দুধ নয়
যে শিশু সরাসরি মায়ের বুক থেকে দুধ পান করে তার অ্যাজমার ঝুঁকি কমে বেশি৷ পাম্প করে নিয়ে পরে দুধ খাওয়ালে নাকি উপকার কম হয়৷ কারণ ধারণা করা হয়, পাম্প করা দুধ ঠাণ্ডা হলে তার গুণ কমে যায়৷ তাই মায়ের দুধ সরাসরি পান করারই পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বযুদ্ধের বোমার কম্পন মহাকাশেও

অনলাইন ডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে বোমা হামলার ঘটনায় শুধু ভূমিই বিধ্বস্ত হয়নি, এর কম্পন বায়ুমণ্ডলেও অনুভূত হয়। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমনটাই দাবি করেছে যুক্তরাজ্যের রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। এসংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন ‘অ্যানালেস জিওফিসিকা’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ইউরোপের শহরগুলোতে বিপুল পরিমাণ বোমা নিক্ষেপের কারণে ভূমি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব ঘটনায় উৎপাদিত তরঙ্গ বায়ুমণ্ডলকে দুর্বল করার জন্য যথেষ্ট ছিল। পৃথিবীর উপরিতলের ১০০ থেকে ৩০০ মাইলের মধ্যে ওই কম্পনগুলো অনুভূত হয়। বায়ুমণ্ডলে বোমার এই প্রভাব এর আগে অজানাই ছিল।
রিডিং ইউনিভার্সিটির গবেষক অধ্যাপক ক্রিস স্কট জানান, তিনি যুক্তরাজ্যের রেডিও রিসার্চ স্টেশনের পুরনো উপাত্তগুলো নিয়ে কাজ করেছেন। জার্মানি ও ফ্রান্সের শহরগুলোতে বোমা হামলার দিনক্ষণের সঙ্গে ওই কম্পনের তথ্য মিলে যায়। অর্থাৎ ওই সময় মিত্র বাহিনীর
বোমা হামলার সঙ্গে ওই কম্পনের সম্পর্ক আছে। যেটি বায়ুমণ্ডলকে অনেকখানি দুর্বল করে দেয়। স্কট ও তাঁর সহকর্মীরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ইউরোপে ১৫২টি বড় বিমান হামলার রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফখরুলসহ বিএনপির ৭ নেতার আগাম জামিন

দেশের খবর: সরকারবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৭ নেতার আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সংশ্লিষ্ট মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন জমা না দেয়া পর্যন্ত তাদের আগাম জামিন দেওয়া হয়। জামিন সংক্রান্ত আবেদন শুনানি নিয়ে বুধবার (৩ অক্টোবর) হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ ও বিচারপতি কাশেফা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বিএনপি নেতাদের পক্ষে শুনানি করবেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
জামিন পাওয়া অন্য নেতারা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আমান উল্লাহ আমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
এর আগে গত ১ অক্টোবর হাতিরঝিল থানায় সরকারবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছ পুলিশ।
মামলায় দলটির কেন্দ্রীয় নেতা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী ও যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমানকেও আসামি করা হয়।
ইতোমধ্যেই এ মামলায় স্থায়ী কমিটিরি এক সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও আইন সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন।
মামলায় পুলিশ বলছে, বিএনপি কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে ৩০ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করে। সেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সরকারবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন।
মামলায় বলা হয়, বিএনপির এসব নেতার এমন বক্তব্যের পর ১ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে হাতিরঝিল থানার মগবাজার রেলগেট এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ৭০ থেকে ৮০ জন নেতাকর্মী জড়ো হন। তারা রাস্তায় যান চলাচলে বাধা দেন। পুলিশ জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের সড়ক অবরোধ না করতে অনুরোধ করে। কিন্তু পুলিশের অনুরোধ উপেক্ষা করে তারা পুলিশকেই হত্যার উদ্দেশ্যে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। সেখানে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং একটি বাস ভাঙচুর করা হয়। প্রতিরোধের চেষ্টা করলে তারা লাঠি দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মারধর শুরু করেন এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান।
মামলায় আরো বলা হয়, ভাঙচুর করা গাড়িগুলো আত্মরক্ষার্থে দ্রুত চলে যাওয়ায় গাড়ির নম্বর সংগ্রহ করতে পারেনি পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest