সর্বশেষ সংবাদ-
প্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোকলেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতমWie Slots-Boni Ihnen helfen können, Ihre Spielziele zu erreichenWeiss Bet élő játék kalandok és a legjobb online élményekWie Sie im Casino Pistolo das Beste aus Ihrem Budget machenHogyan segíti a Boabet magyar felület a játékosokat a könnyebb használatban?

আমাজনের মাছ যশোরে

আমাজনের মাছ যশোরে

কর্তৃক daily satkhira

অনলাইন ডেস্ক: যশোরে ধরা পড়া অচেনা মাছটি ‘সিলভার অ্যারোয়ানা’। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজনের মাছ। চৌবাচ্চার মধ্যে মাছটিকে জিইয়ে রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে মাছটি দেখার জন্য অনেক মানুষ ভিড় করে। প্রাথমিকভাবে এ মাছের নাম-পরিচয় জানা না গেলেও এখন জানা যাচ্ছে, এটি দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীর মূল্যবান ‘সিলভার অ্যারোয়ানা’ মাছ।

সম্প্রতি যশোর শহরের পৌর পার্কে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটিকে নিয়ে হইচই শুরু হয়। যশোর শহরের খালধার রোড এলাকার মোফা ফিস প্রসেসিংয়ের পরিচালক কায়সার উদ্দিন টগর কয়েক দিন ধরে মাছটিকে জিইয়ে রেখেছেন। সম্প্রতি খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার সৌখিন মাছ শিকারি সাবের সরকারের বড়শিতে মাছটি ধরা পড়ে। মাছটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ ইঞ্চি। চওড়া ৪-৫ ইঞ্চি। ওপরের অংশের রং তামাটে। শরীরের রং রুপালি। রুপালির মধ্যে কালো ফোটা রয়েছে। মাছটির মুখের ওপরের অংশে দুই ইঞ্চির মতো মোটা শুঁড় রয়েছে। ওপরের অংশ মসৃন হলেও শরীর খসখসে। মুখ বাঁকা। বেশ বড় দাঁতও আছে। মাছটির গায়ে অনেক শক্তি। লাফিয়ে কয়েক হাত ওপরে উঠতে পারে। প্রায় এক কেজি ওজনের মাছটি দেখার জন্য শত শত মানুষের ভিড় জমে।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. খলিলুর রহমান এই মাছের ছবি দেখে বলেন, ‘ছবি দেখে মনে হচ্ছে এটি সামুদ্রিক মাছ। এক ধরনের চেলা মাছের সঙ্গে এর মিল রয়েছে।’ তবে ছবি দেখে উইকিপিডিয়ায় তথ্য তালাশ করে জানা যায়, এই মাছের নাম অ্যারোয়ানা। ফ্রেশ ওয়াটার বনি ফিশ নামে এই মাছ পরিচিত। আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, এশিয়া ও আফ্রিকা এই চারটি মহাদেশে এই মাছ দেখতে পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়া কাপের মাঝেই শাহজাদকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব

খেলার খবর: বর্তমান ক্রিকেটের অন্যতম চমকের নাম আফগানিস্তান। কয়েক বছরে তাদের পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে পুরো ক্রিকেট বিশ্বের। তবে এশিয়া কাপের চলতি আসরে প্রতিরোধ গড়ে তোলেও ব্যর্থ হয়েছে দলটি। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কাছে হেরে এশিয়া কাপের সুপার ফোর থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে আফগানিস্তানের। আর এরই মধ্যে সামনে এলো চাঞ্চ্যল্যকর এক তথ্য। সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান এই টুর্নামেন্টের মধ্যেই স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন আফগান উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শাহজাদ।
এ ব্যাপারে ইএসপিএন-ক্রিকইনফো বলছে, প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শাহজাদ বিষয়টা আফগান টিম ম্যানেজমেন্টকে জানিয়ে দেন। তারা আবার সেটা জানিয়েছে আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটকে।
তবে জুয়াড়িদের নজর অবশ্য এশিয়া কাপের দিকে নয়। আগামী ৫ অক্টোবর থেকে শারজাহতে শুরু হবে আফগান প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টির প্রথম আসর। ওই টুর্নামেন্ট সামনে রেখেই স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয় শাহজাদকে।
এদিকে আইসিসির এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এশিয়া কাপ চলাকালীন একটা প্রস্তাব পাওয়ার কথা জানা গেছে। তবে সেটা তাদের (আফগানিস্তানের) নিজস্ব টি-টোয়েন্টি লিগের জন্য। শনিবার যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টা অবহিত করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন ইউনিট সেটা খতিয়ে দেখছে।’
দুবাইয়ে সোমবার সংবাদমাধ্যমের সামনে কথা বলার সময় আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল জানান, গত ১২ মাসে পাঁচজন আন্তর্জাতিক অধিনায়ক স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন। এর মধ্যে চারজন পূর্ণ সদস্য দেশের। একমাত্র পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টা জনসম্মুখে প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, আফগান প্রিমিয়ার লিগে পাকতিয়া ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলবেন শাহজাদ। ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, শহীদ আফ্রিদি, ক্রিস গেইলের মতো বিশ্বের বড় বড় তারকারাও খেলবেন এই টুর্নামেন্টে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় ৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সিএনজিচালিত দুটি অটোরিকশাকে একটি বেপরোয়া একটি ট্রাকের ধাক্কা দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় ঘটনাস্থলেই চারজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। আরও আহত হন তিনজন।
মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মীরসরাইয়ের ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল হোসেন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘ঢাকা থেকে রড বোঝাই একটি ট্রাক চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে বেপরোয়া ট্রাকটি স্ট্যানে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়।’
‘এসময় ঘটনাস্থলেই চারজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। আর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে মিরসরাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’ বলে জানান তিনি।
রবিউল হোসেন আরও বলেন, ‘নিহতদের লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাদের পরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় আরও ৫ লাখ রোহিঙ্গা’

দেশের খবর: রোহিঙ্গা শরণার্থী সঙ্কটের বছর পেরোলেও তাদের অনুপ্রবেশ যেন থামছে না। গত বছরের আগস্টে শুরু হয়েছিল এই রোহিঙ্গা শরণার্থী সঙ্কট। কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) কয়েক দফা হামলার প্রেক্ষাপটে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধনে নামে দেশটির সেনাবাহিনী। দমন-পীড়নের মুখে ওই বছরের ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ অভিমুখে রোহিঙ্গাদের ঢল শুরু হয়। প্রাণভয়ে পালিয়ে এসে এ পর্যন্ত আট লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। এখনও তাদের অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই রোহিঙ্গাদের একাধিক দল টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন এক প্রতিবেদনে জানাচ্ছে, এখনও আরও ৫ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে।

সদ্য অনুপ্রবেশকারীরা ওই গণমাধ্যমটির কাছে দাবি করেছে, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সে দেশের সেনারা এখনও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। যারা এখনও সেখানে আছে তাদের ‘ক্রীতদাস’ বানিয়ে রাখা হয়েছে। নির্যাতন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার অপেক্ষায় আছেন রাখাইনের বাকি রোহিঙ্গারা।

কক্সবাজারের একাধিক ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতারা জানিয়েছেন, ‘নিপীড়নের হাত থেকে বাঁচতে আরও প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসার অপেক্ষায় আছেন। প্রায় প্রতি রাতে একাধিক দল বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন। তাদের অধিকাংশই নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসছেন। ৩০০ রোহিঙ্গা মায়ানমার সীমান্তের বন-জঙ্গলে দিন গুনছে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সুযোগের।’

টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের চেয়ারম্যান আবদুল মতলব বলেন, ‘রাখাইনের যেসব রোহিঙ্গা এখনও বাংলাদেশে আসতে পারেননি, তাদের আসলে আটকে রাখা হয়েছে। সেনারা তাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে, স্থানীয় হাটবাজারেও তাদের যেতে দেয়া হচ্ছে না। এর ফলে খাবারের সঙ্কটে রয়েছেন রোহিঙ্গারা। এ কারণে সুযোগ পেলেই রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’

বাংলাদেশে সদ্য অনুপ্রবেশকারীরা জানিয়েছেন, ‘সেখানে সেনারা বড় আকারে জুলুম না করলেও ভিতরে ভিতরে কৌশলগত জুলুম চালিয়ে যাচ্ছে।’

রাখাইন রাজ্যের রাজধানী শিত্তুই বা আকিয়াব, রাথিডং, মংডুসহ পুরো রাজ্যের ১৭টি ‘টাউনশিপে’ পাঁচ লাখের মতো রোহিঙ্গা আছেন। রোহিঙ্গারা যে হারে অনুপ্রবেশ করছেন, তাতে একদিন সবাই বাংলাদেশে চলে আসবেন। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) দেয়া তথ্য মতে, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৫ দিনে নাফ নদী পেরিয়ে ৫৩১ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। আগস্টে ২৫৬ জন ও জুলাইয়ে ৪১৩ জন এসেছেন। তবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে জিরো টলারেন্সে রয়েছেন সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রোহিঙ্গারা এখনো নৌকায় করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত শুক্রবার নাফ নদী পেরিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের সময় সাত রোহিঙ্গাবাহী একটি নৌকা ‘পুশব্যাক’ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, আইসিসি (আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত) নিজেই মায়ানমারের বিচারে সক্ষম। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারের বিচার করার পক্ষে দেয়া আইসিসির মতামতের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে গুতেরেস বলেন, এরইমধ্যে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারকে মোকাবেলার সামর্থ্য প্রমাণ করেছে আইসিসি। মায়ানমার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সনদে স্বাক্ষর করেনি। সে কারণে সরাসরি সে দেশে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার আইসিসির নেই। সনদে স্বাক্ষর না করা দেশকে আইসিসি তখনই বিচারের আওতায় নিতে পারে, যখন নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সুপারিশ করা হয়। তবে মায়ানমারের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত এসেছে আইসিসির পক্ষ থেকে। আইসিসির প্রসিকিউটর ফাতো বেনসুদার করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ সেপ্টেম্বর নেদারল্যান্ডসের হেগে সংস্থাটির তিনজন বিচারক বিশিষ্ট প্রি-ট্রায়াল কোর্ট মায়ানমারের বিচারের পক্ষে রায় দেয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ আগস্ট রাতে মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংস ঘটনায় কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয়ের জন্য পালিয়ে আসে প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গা। এর আগে বাংলাদেশে অবস্থান করছিল আরও প্রায় সোয়া তিন লাখ রোহিঙ্গা। এরাসহ এখন ১১ লাখ ১৬ হাজার ৪১৭ জন রোহিঙ্গা আশ্রিত রয়েছে বাংলাদেশে। যুগের পর যুগ বংশ পরম্পরায় তারা রাখাইনে বাস করলেও মিয়ানমার তাদের নাগরিক বলে স্বীকার করে না।

উগ্র বৌদ্ধবাদকে ব্যবহার করে সেখানকার সেনাবাহিনী ইতিহাসের বাঁকেবাঁকে সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাসের বীজ বপন করেছে, ছড়িয়েছে বিদ্বেষ। ১৯৮২ সালে প্রণীত নাগরিকত্ব আইনে পরিচয়হীনতায় ভোগে রোহিঙ্গারা। এরপর কখনও মলিন হয়ে যাওয়া কোনো নিবন্ধনপত্র, কখনও নীলচে রঙের রশিদ, কখনও ভোটার স্বীকৃতির হোয়াইট কার্ড, কখনও আবার ‘ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড’ কিংবা এনভিসি নামের রং-বেরংয়ের পরিচয়পত্র দেয়া হয়েছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে। ধাপে ধাপে মিলিয়ে গেছে তাদের পরিচয়। এভাবে তারা রূপান্তরিত হয়েছে রাষ্ট্রহীন নাগরিকে। তাই মর্যাদার সাথে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের আশায় রয়েছে এসব নিপীড়িত মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেদ ঝরাবে আদা ও লেবু

মেদ ঝরাবে আদা ও লেবু

কর্তৃক daily satkhira

অনলাইন ডেস্ক: ওজন কমানোর মিশনে বরাবরই বিভিন্ন মানুষের বিশাল তালিকা দেখা যায়। ওজন কমানো যেন নয়, ছোটখাটো এক যুদ্ধ। বেশিরভাগ মানুষের কাছেই শোনা যায়, অনেক কম খেয়েও তাদের ওজন বৃদ্ধি পায়। অনেকে দিনের পর দিন না খেয়ে থাকে তারপরও কোন পার্থক্য দেখা যায় না।
তবে এবার পার্থক্য আপনি নিজে নিজে বুঝতে পারবেন। মাত্র এক কাপ পানি প্রতিদিন পান করার ফলে আপনার পেট এক ইঞ্চি করে কমে যাবে। এই যাদুকরী পানীয় তৈরি করতে মাত্র দুইটি উপকরণের প্রয়োজন হবে।
আদা ও লেবুর মিশ্রণ আপনার ওজন কমিয়ে আনবে যাদুকরী উপায়ে। প্রথমে আদার ছোট ছোট টুকরা করে আধা ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানির সঙ্গে আরও পানি মিশিয়ে একটি সম্পূর্ণ লেবু কয়েক টুকরো করে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর সারাদিন এই পানি প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় পান করুন। এতে আপনার ওজন কমার পাশাপাশি শরীরও ডিটক্স থাকবে। ঝর ঝর করে ঝরতে থাকবে মেদ!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ট্রেস থেকে হৃদরোগ

স্ট্রেস থেকে হৃদরোগ

কর্তৃক daily satkhira

স্বাস্থ্য কণিকা: প্রবল স্ট্রেস থেকে মানসিক সমস্যার পাশাপাশি নানা শারীরিক সমস্যা যেমন রক্তচাপ হ্রাস-বৃদ্ধি, হৃদরোগ, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের মত মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্ট্রেস বা মানসিক অবসাদের কিছু কিছু কারণ থাকে।

এসব কারণের মধ্যে থাকে দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতা, পারিবারিক, ব্যক্তিগত ও পারিপার্শ্বিক সমস্যা, কর্মক্ষেত্রে চাপ, কাজের চাপ, ব্যবসায়িক ক্ষতি, সম্পর্কের অবনতি, দ্বন্দ্ব, ব্যর্থতা নানা কিছু মানসিক চাপ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। তবে মানসিক চাপ বা স্ট্রেসের কারণ যাই হোক একে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

চিকিৎসকের পরামর্শ, বন্ধু-বান্ধবদের সংস্পর্শের চেয়ে সমস্যা আক্রান্ত ব্যক্তির দৃঢ়তা, মনোবল ও সমস্যা জয় করার ইচ্ছা শক্তিই সবচেয়ে বড়। তাই প্রবল মানসিক চাপ ওষুধ ছাড়া নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করুন। আর যদি কোন ভাবেই মানসিক চাপ কমানো না যায় তবে অবশ্যই কোন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলার মদরিচ

খেলার খবর: এবার ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক অ্যাওয়ার্ড জিতলেন লুকা মদরিচ। প্রথম ক্রোয়েশিয়ান হিসেবে এই অর্জন হলো তার। মেয়েদের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ব্রাজিলের তারকা মার্তা।
গত ৩০ আগস্ট চ্যাম্পিয়নস লিগ গ্রুপ পর্বের ড্রতে উয়েফার বর্ষসেরা হয়েছিলেন মদরিচ। রোনালদো ও মোহাম্মদ সালাহকে টপকে প্রথম ক্রোয়েশিয়ান হিসেবে এই মর্যাদা পান তিনি। এবারও দুই তারকাকে পেছনে ফেলে ফিফা দ্য বেস্ট জিতলেন ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক। দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে অভিনন্দন জানিয়ে উচ্ছ্বসিত মদরিচ বলেছেন, ‘আমি রোনালদো ও সালাহকে তাদের দারুণ একটি মৌসুমের জন্য অভিনন্দন জানাতে চাই। আমি নিশ্চিত তোমরা ভবিষ্যতে এই ট্রফি জেতার সুযোগ আবারও পাবে।’
অ্যাওয়ার্ডটি জয়ে মদরিচ কৃতজ্ঞতা জানালেন কাছের মানুষদের প্রতি, ‘এটা শুধু আমার পুরস্কার নয়; এটা আমার রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ, ক্রোয়েশিয়া সতীর্থ ও কোচদেরও। আমার পরিবারের জন্যও এটা, তাদের ছাড়া আমি আজকের এই খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারতাম না। প্রথমবারের মতো ফিফা বেস্টের তিন জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নাম উঠেছিল মদরিচের। ক্লাব ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ফাইনালে লিভারপুলের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে তার অবদান ছিল দারুণ। তাছাড়া বিশ্বকাপে প্রথমবার ক্রোয়েশিয়াকে ফাইনালে তুলতে নেতৃত্ব দেন তিনি, জেতেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর তিন সুপারিশ

অনলাইন ডেস্ক: রোহিঙ্গা সংকট স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘে তিন দফা সুপারিশ উপস্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শরণার্থীবিষয়ক বৈশ্বিক প্রভাব শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিন দফা সুপারিশ তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ স্বল্প সময়ের মধ্যে ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাসস্থান, খাদ্য ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করেছে। শরণার্থী সংকট সমাধানে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্থায়ীভাবে ফেরত নেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক হাইকমিশনার ‘শরণার্থী বিষয়ক বৈশ্বিক প্রভাবের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক : এ মডেল ফর গ্রেটার সলিডারিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন’ শীর্ষক এ বৈঠকের আয়োজন করে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেজ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম সুপারিশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারকে অবশ্যই বৈষম্যমূলক আইন ও নীতি বিলোপ, এবং রোহিঙ্গাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা বন্ধ ও তাদের সে দেশ থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে জোরপূর্বক তাদের ঘর-বাড়ি থেকে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। অথচ তারা সেখানে কয়েকশ’ বছর ধরে বসবাস করে আসছে।
দ্বিতীয় সুপারিশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারকে অবশ্যই সকল রোহিঙ্গার নাগরিকত্ব প্রদানের সঠিক উপায়, নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। প্রয়োজনে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় মিয়ানমারের ভেতরে ‘সেফ জোন’ তৈরি করতে হবে।
তৃতীয় সুপারিশে তিনি বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য রোধে অপরাধীদের জবাবদিহিতা, বিচার, বিশেষ করে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের সুপারিশমালার আলোকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছি, যা আমাদের জন্য মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা তাদের জন্য ৬ হাজার একরের বেশি জমি বরাদ্দ দিয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক ও অন্যান্য সম্পদ, সমাজ, পরিবেশ ও অর্থনীতি আন্তর্জাতিক অংশীদার, বিশেষ করে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো সাহায্য দিয়ে আসছে।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট মিয়ামার সরকারই তৈরি করেছে এবং মিয়ানমারকে এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, ‘দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে আমরা মিয়ামার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য আমরা আমাদের সীমান্ত খুলে দিয়েছি। এটা করে আমরা শুধু তাদের জীবন রক্ষা করিনি বরং আমরা আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করে পুরো অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ও নিরাপত্তা এবং মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে স্থায়ীভাবে ফেরত নেয়া দেখতে চায়। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফেরত না নেয়া পর্যন্ত আমরা তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা ভাষানচর নামক একটি দ্বীপের ব্যাপক উন্নয়ন করে রোহিঙ্গাদের সেখানে স্থানান্তর করবো, যাতে তারা ওই দ্বীপে উন্নত জীবনযাপন ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারে।’
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কম্প্যাক্ট অন রিফিউজি’ এমন সময় গ্রহণ করা হলো যখন সারা বিশ্ব মারাত্মক শরণার্থী সংকট মোকাবেলা করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সব দেশ শরণার্থীদের বোঝা কাঁধে নেয় বিশ্বের উচিত তাদের এ অবদানকে স্বীকৃতি দেয়া এবং বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে অবশ্যই রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest