সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোক

৫৩ বছরে পা দিলেন ব্যান্ডতারকা জেমস

বিনোদনের খবর: জনপ্রিয় ব্যান্ডতারকা ও ব্যান্ডদল নগর বাউলের অন্যতম সদস্য মাহফুজ আনাম। এই নামে তাকে খুব একটা কেউ চেনেন না। যখনই বলা হবে ‘গুরু জেমস’র আজ জন্মদিন তখনই শুভেচ্ছার বৃষ্টি নেমে যাবে ভালোবাসায়। ভক্ত ও অনুরাগীরা জেমসকে গুরু বলে ডাকতেই বেশি তৃপ্তি পান।
ঠিক তাই, উপমহাদেশের অন্যতম সেরা রকস্টার জেমসের আজ জন্মদিন।
এবারে ৫৩ বছরে পা দিলেন এই লিজেন্ড। ১৯৬৪ সালের এই দিনে নওগাঁয় জন্মগ্রহণ করেন জেমস। তার বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে।
জেমসের বাবা ছিলেন একজন সরকারি কর্মচারি, যিনি পরবর্তীতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরিবারের অমতেই সংগীত চর্চা শুরু করেন জেমস। বাবার সঙ্গে গান নিয়ে অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে চলে আসেন। সংগীতের নেশায় ঘর ছেড়ে পালিয়ে যান। চট্টগ্রামের আজিজ বোর্ডিং নামক একটি বোর্ডিং-এ তিনি থাকতে শুরু করেন। সেখানে থেকেই তার সংগীতের ক্যারিয়ার শুরু হয়।
১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ফিলিংস’ নামক একটি ব্যান্ড। জেমস নিজেই ব্যান্ডের প্রধান গিটারিস্ট ও ভোকালিস্ট ছিলেন। ১৯৮৭ সালে তার প্রথম অ্যালবাম ‘ষ্টেশন রোড’ প্রকাশ পায়। যদিও অ্যালবামটি সে সময়ের শ্রোতাদের গান শোনার রুচির সাথে একটু ভিন্ন মেজাজের হওয়ায় জনপ্রিয়তা পায়নি। পরে ১৯৮৮ সালে ‘অনন্যা’ নামের অ্যালবাম রিলিজ করে সুপার হিট হয়ে যান জেমস।
এরপর ১৯৯০ সালে ‘জেল থেকে বলছি’, ১৯৯৬ ‘নগর বাউল’, ১৯৯৮ সালে ‘লেইস ফিতা লেইস’, ১৯৯৯ সালে ‘কালেকশন অফ ফিলিংস’ অ্যালবাম গুলো ফিলিংস ব্যান্ড থেকে বের হয়।
এছাড়াও জেমসের অন্যান্য অ্যালবামগুলো হল নগর বাউল থেকে ‘দুষ্টু ছেলের দল’, ‘বিজলি’। একক অ্যালবাম ‘অনন্যা’, ‘পালাবি কোথায়’, ‘দুঃখিনী দুঃখ করোনা’, ‘ঠিক আছে বন্ধু’, ‘আমি তোমাদেরই লোক’, ‘জনতা এক্সপ্রেস’, ‘তুফান’, ‘কাল যমুনা’ ।
এরপর তিনি চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেও সফল হয়েছেন। তার বেশ কিছু গান চলচ্চিত্রে সুপারহিট হয়ে আছে। ‘দেশা দ্য লিডার’ ছবির জন্য গান করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।
জেমসের জনপ্রিয়তা শুধু দেশে নয়, আর্ন্তজাতিক পরিমণ্ডলেও ব্যাপক জনপ্রিয় নগরবাউল ব্যান্ডের এই তারকা। পাশের দেশ কলকাতাতেও একটি প্রজন্ম অনুসরণ করেছে তার গান।
বাংলা গানের পাশাপাশি হিন্দি গানে কণ্ঠ দিয়েও জয় করেছেন লক্ষ ভক্ত শ্রোতার হৃদয়। পাশাপাশি বলিউডের ছবিতে গান গেয়েও পেয়েছেন তুমুল জনপ্রিয়তা।
বর্তমানে নিরবে নিভৃতেই কাটে তার দিন। নিজের মতো করে থাকেন, গান করেন। নিজেকে তৈরি করেন দেশ-বিদেশে স্টেজ শোগুলোর জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানের পরাজয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত বাংলাদেশের

খেলার খবর: নিজেদের কাজটা শেষ করে রাখার পরেও বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সেমিফাইনালের ভাগ্য ঝুলছিল পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কার ম্যাচের ফলাফলের ওপর। সে ম্যাচে পাকিস্তানের যে কোনো ব্যবধানের জয়ে বাদ পড়ে যেত বাংলাদেশের যুবারা।
কিন্তু তা হতে দেয়নি লঙ্কান যুবারা। পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ চারের টিকিট পাওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের যুবাদের সেমিও নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কান যুব দল।
চট্টগ্রামের এম এ আজিজ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার করা ২০০ রানের জবাবে ১৭৭ রানে থেমেছে পাকিস্তান যুব দলের ইনিংস। টসে হেরে আগে বোলিং করতে নামা পাকিস্তান নির্ধারিত ৪৯.২ ওভারেই অলআউট করে দেয় লঙ্কানদের। স্কোরবোর্ডে জমা হয় ২০০ রান।
২০১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল পাকিস্তানের যুবারা। কিন্তু মিডলঅর্ডারে খেই হারিয়ে ফেলায় নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ ওভারে ১৭৭ রানের বেশি করতে পারেনি তারা। ২৩ রানের পরাজয়ে যুব এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়ে গেল তারা।
‘বি’ গ্রুপে নিজেদের সবকয়টি ম্যাচ জিতেছে শ্রীলঙ্কা। কেবলমাত্র লঙ্কান যুবাদের কাছেই হেরেছে বাংলাদেশ। আর পাকিস্তান শুধু জিততে পেরেছে গ্রুপের সব ম্যাচ হারা হংকংয়ের বিপক্ষে। যার ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শ্রীলঙ্কা ও রানারআপ হয়ে বাংলাদেশ সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল।
অন্য গ্রুপ থেকে যুব এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ভারত ও আফগানিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেমিফাইনালে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে খেলতে হবে বাংলাদেশের যুবাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন বিজ্ঞানী

অনলাইন ডেস্ক: লেজার নিয়ে গবেষণায় যুগান্তকারী উদ্ভাবনের জন্য পদার্থবিদ্যায় এ বছর নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থার আশকিন, ফ্রান্সের রেজার্ড মুরু ও কানাডার ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড। ৫৫ বছর পর কোন নারী পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেলেন।
মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) পদার্থবিদ্যায় চলতি বছরের বিজয়ী হিসেবে এই তিন বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করেন রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস। নোবেল পুরস্কারের ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনারের মধ্যে আশকিন পাবেন অর্ধেক। আর বাকি অর্ধেক মুরু ও স্ট্রিকল্যান্ড ভাগ করে নেবেন।
টুইটারে নোবেল কমিটির দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত সরু লেজার রশ্মি নির্ভুলভাবে বিভিন্ন পদার্থ এমনকি জীবন্ত প্রাণীর দেহ কাটতে অথবা ছিদ্র করতে পারে। প্রতিবছর লাখ লাখ চোখের অপারেশন হয় সরু লেজার রশ্মি দিয়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক আর্থার অ্যাশকিন আবিস্কার করেছেন অপটিক্যাল চিমটা যার মাধ্যমে কণা, পরমাণু, ভাইরাস ও অন্যান্য জীবিত কোষ লেজার রশ্মি দিয়ে ধরা যায়। নতুন এই যন্ত্রটির মাধ্যমে অ্যাশকিন সায়েন্স ফিকশনের একটি পুরোনো স্বপ্ন বাস্তবে নিয়ে আসেন- আলোর বিকিরণ চাপ ব্যবহার করে বস্তুকে অপসারণ।
তিনি লেজার রশ্মি ব্যবহার করে কণাকে আলোকরশ্মির কেন্দ্রে নিয়ে আসতে এবং তাদের সেখানে ধরে রাখতে সক্ষম হন। ফরাসি নাগরিক জেরার্ড মৌরো এবং কানাডার ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড মানব জাতির ইতিহাসে সবেচেয়ে ক্ষুদ্র ও সবচেয়ে তীব্র লেজার অনুরণন সৃষ্টির পথ প্রশস্ত করেন। তাদের লেখা যুগান্তকারী নিবন্ধটি প্রকাশ হয়েছিল ১৯৮৫ সালে।
আগামী ১০ ডিসেম্বর সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার নৌকাও উড়বে আকাশে

অনলাইন ডেস্ক: নৌকা পানিতে ভাসে আর তাতে করে পাড়ি দেওয়া যায় নৌপথ বা সমুদ্রপথ। এটাই জানা ছিল এতোদিন। কিন্তু এবার এমন এক নৌকা এসেছে যা কিনা উড়তে পারে আকাশেও! এ নৌকায় শুধু পানিপথ নয়, পাড়ি দেওয়া যাবে আকাশপথও।
বিশ্বের বিস্ময়কর সব বাহনের মধ্যে এবার যোগ হলো এ ‘উড়ন্ত নৌকা’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নৌকার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে গেছে। শুরু হয়েছে বেশ আলোচনাও।
বলা হচ্ছে, রাবার দিয়ে তৈরি নৌকাটি খুব দ্রুতই পানি থেকে আকাশে উড়তে পারবে। আকাশে উড়তে সময় লাগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড!
ব্যতিক্রমধর্মী এ যানটি নির্মাণে সাহায্য করেছে পোলারিস মটর লিমিটেড ও লোমাক নওটিকা। এ নৌকাটির নাম রাখা হয়েছে ‘ফ্লাইয়িং ইনফ্ল্যাটেবল বোট (এফআইবি)’।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বলছে, এফআইবি চালানো শেখা যাবে খুব সহজেই। দুই অথবা তিন ঘণ্টা চর্চা করলেই এ যানটি পাইলটিং করতে পারবেন যে কেউ। নদী, লেক, জলাভূমি, সাগর এমনকি গভীর সাগরেও এটি ব্যবহার করা যাবে।
অ্যাডভেঞ্চার ভালোবাসেন এমন মানুষদের জন্য এটি হতে পারে দারুণ একটি পরিবহন। কেননা জলাশয় কিংবা সমুদ্রে পানিপথ পাড়ি দিতে দিতেই আকাশপথেও ঘুরে আসতে পারবেন এতে।
এফআইবি নামের এ নৌকাটি তিনটি অংশে তৈরি করা হয়েছে। এর একটি অংশ হলো- সাধারণ নৌকার মতো অংশ, ইঞ্জিন ও পাখা। এর সর্বোচ্চ গতি থাকবে ঘণ্টায় ৫০ মাইল।
আগামী মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসছে উড়ন্ত কার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিয়েরা লিওনে সামরিক ট্রাক উল্টে নিহত ১৩

বিদেশের খবর: সিয়েরা লিওনের রাজধানীর একটি প্রধান সড়কে সামরিক বাহিনীর একটি পরিবহন ট্রাক উল্টে ১৩ জন নিহত হয়েছে।
সোমবারের এ ঘটনায় আরও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র।
খোলা ওই ট্রাকটিতে করে ৪০ জনেরও বেশি সৈন্য তাদের ব্যারাক থেকে রাজধানী ফ্রিটাউনের একটি শেষকৃত্যে যাচ্ছিল। পথে খাড়া পাহাড় থেকে নামার সময় ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় এবং ৩০ মিটার নিচে গিয়ে পড়ে।
নিহতদের মধ্যে আট সৈন্য আছেন বলে জানিয়েছেন সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ক্যাপ্টেন ইয়াইয়া ব্রিমা।
“এটি অত্যন্ত শোচনীয় একটি ঘটনা। আমাদের একটি গাড়ি এমন আকস্মিকভাবে দুর্ঘটনায় কেন পড়ল এখন তা তদন্ত করে দেখছি আমরা,” টেলিফোনে বলেছেন তিনি। সূত্র রয়টার্সের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধূমপানের ক্ষতি কমিয়ে আনবে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক: হৃদরোগের অন্যতম কারণ এই ধূমপান। মানবদেহের এমন কোনো অঙ্গ নেই, যা ধূমপানে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। দুরারোগ্য ক্যান্সার, দৃষ্টিহীনতা, যক্ষ্মাসহ বহুবিধ রোগ সৃষ্টিকারী এ ধূমপান থেকে বেঁচে থাকা সুস্বাস্থ্যের জন্য একান্ত জরুরি।
ধূমপায়ীরা খাবারের পুষ্টিগুণ এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সুফল থেকে বঞ্চিত। ধূমপানের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেহাভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো (বিশেষ করে ফুসফুস) গ্রহণ করা খাবারের সুফল থেকে বঞ্চিত হয়।
যাদের ক্ষেত্রে ধূমপান ত্যাগের কোনোই বিকল্প নেই, তারা নির্দিষ্ট খাদ্যাভাসের মাধ্যমে ধূমপানের ফলে সৃষ্ট রোগের ঝুঁকি থেকে অনেকটাই রেহাই পেতে পারেন।

আসুন জেনে নেই ধূমপানের ক্ষতি কমিয়ে আনবে এমন কিছু খাবারের নাম।

সরিষা পাতা
সরিষা ধূমপায়ীদের জন্য বিশেষ উপকারী একটি খাদ্যদ্রব্য। কারণ এটি ফুসফুসের প্রদাহ রোধে সহায়তা করে। পাশাপাশি ধূমপানের ইচ্ছারোধ এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের দুর্বলতা রোধ করে।

কপি জাতীয় সবজি
প্রতিদিন অন্তত একটি কপি জাতীয় সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে ধূমপানের ফলে সৃষ্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়। কপি জাতীয় সবজির কিছু উদাহরণ হল- স্প্রাউট, ব্রকলি, ফুলকপি, কলমীদল শালুক, রঙিন আরুগুলা, মুলা এবং চীনা বাঁধাকপি।

ক্যাটচিন
ফাইটোকেমিক্যাল যৌগ ক্যাটচিন ধূমপানের ক্ষতি কমাতে বিশেষ সহায়ক হিসেবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। ব্ল্যাক টি, আঙুর, কালোজাম এবং গাঢ় রঙয়ের চকলেট ক্যাটচিন এর ভালো উৎস।

মিথিওনিন
মিথিওনিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিডটি আমাদের ফুসফুসের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। বিভিন্ন ধরনের ফলের বীজ, শস্যদানা, মাছ এবং মাংসে মিথিওনিন থাকে।

ডালিম
বেদানা বা ডালিমে রয়েছে এলাগিক অ্যাসিড, এটি শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে ধূমপায়ীর শরীরের ক্ষতিকর মৌল দূর করে এবং ফুসফুসের কোষসহ শরীরের কোষের ক্ষতি কমাতে সহায়তা করে।

পেঁয়াজ ও রসুন
সালফার যৌগে পরিপূর্ণ পেঁয়াজ এবং রসুন শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যায় উপকারী ভূমিকা পালন করে এবং ফুসফুসকে পরিষ্কার রাখে। পেঁয়াজে আপেল এবং শিমের ন্যায় ‘কোয়েরসেটিন’ থাকে, যা ফুসফুসকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ মহাত্মা গান্ধীর সার্ধশততম জন্মদিন

অনলাইন ডেস্ক: অহিংসার প্রতীক মহাত্মা গান্ধীর সার্ধশত জন্মদিন আজ ২ অক্টোবর। ভারতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কল্যান কর্মসূচির মাধ্যমে তার প্রতি নিবেদন করা হয় বিনম্র শ্রদ্ধা। বিশ্বজুড়ে এই দিনটি পালিত হয় আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস হিসেবে। ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পরবন্দরে জন্মগ্রহণ করেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। খবর এনডিটিভির।

ভারতে দিনটিকে গান্ধী জয়ন্তী হিসেবে পালন করা হয়। দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার দিনটি উপলক্ষ্যে বছরজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। বিশেষ করে স্যানিটেশন নিয়ে বিরাট সম্মেলনের কথাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি এক বার্তায় বলেছেন, আমরা কী এখন শপিং করতে যাওয়ার সময় গান্ধীকে স্মরণ করি? আমরা কী ভাবি আমরা স্বদেশের জিনিস কিনছি কী না? তিনি দেশের তৈরি জিনিসপত্র কিনে গরীবদের সহায়তা করার আহবান জানান। বিরোধী দল কংগ্রেস এই উপলক্ষ্যে মহারাষ্ট্রেমহাত্মা গান্ধীর সেবাগ্রাম আশ্রমে দলের গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্কি কমিটির বৈঠক করার ঘোষণা দিয়েছে। আজ নয়াদিল্লির স্মৃতি বেদিতে অনুষ্ঠিত হবে সব ধর্ম প্রার্থনা সভা। এই সেই জায়গা যেখানে ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি হিন্দুত্ববাদী নাথুরাম গডসের গুলিতে প্রাণ হারান তিনি। গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি শুরু করা হয়।

মহাত্মা গান্ধী অন্যতম প্রধান ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রগামী ব্যক্তিদের একজন এবং প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক নেতা। তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। এর মাধ্যমে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনসাধারণের অবাধ্যতা ঘোষিত হয়েছিল। এ আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অহিংস মতবাদ বা দর্শনের উপর এবং এটি ছিল ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম চালিকা শক্তি, সারা বিশ্বে মানুষের স্বাধীনতা এবং অধিকার পাওয়ার আন্দোলনের অন্যতম অনুপ্রেরণা।

গান্ধী ভারতে এবং বিশ্বজুড়ে মহাত্মা (মহান আত্মা) এবং বাপু (বাবা) নামে পরিচিত। ভারত সরকারিভাবে তার সম্মানার্থে তাকে ভারতের জাতির জনক হিসেবে ঘোষণা করেছে। ২০০৭ সালের ১৫ই জুন জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ২রা অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ এ দিবস পালনে সম্মতি জ্ঞাপন করে।

মহাত্মা গান্ধী সমস্ত পরিস্থিতিতেই অহিংস মতবাদ এবং সত্যের ব্যাপারে অটল থেকেছেন। তিনি সাধারণ জীবনযাপন করতেন এবং একটি আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যেটি ছিল স্বয়ংসম্পূর্ণ। তার নিজের পরিধেয় কাপড় ছিল ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় ধুতি এবং শাল যা তিনি নিজেই চরকায় বুনতেন। তিনি সাধারণ নিরামিষ খাবার খেতেন। শেষ জীবনে ফলমূ্লই বেশি খেতেন। আত্মশুদ্ধি এবং প্রতিবাদের কারণে দীর্ঘ সময়ের জন্য উপবাস থাকতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টাইগারদের বোলিং তাণ্ডবে বিধ্বস্ত হংকং

খেলার খবর: অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ যুবারা। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের দেয়া ১৮৮ রানের টার্গেট ১৬ বল আর ৩ উইকেট হাতে রেখেই জিতে যায় বাংলাদেশ। এর আগে টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকরা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরেছিল।
এদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে গত ম্যাচে ৩ উইকেটে জয়ের পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে আজ হংকংয়ের বিপক্ষে মাঠে নামে তৌহিদ হৃদয়ের দল।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার (২ অক্টেবর) সকাল ৯টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচে খেলতে নেমেই ক্ষুদে টাইগারদের তোপের মুখে পড়েছে হংকং।
টসে হেরে ব্যাটিং করতে নামে হংকং যুব দল। ব্যাটিং করতে নেমেই ১১ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা। ওপেনার হারপ্রিত সিং ২ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে উইকেটরক্ষক আকবর আলির হাতে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হন।
এরপর আরেক ওপেনার কালহান চাল্লু এবং তিন নম্বরে নামা ওয়াজিদ শাহ। ওয়াজিদ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেন। কালহান চাল্লু করেছেন ২৭ বলে ১৬ রান। ওয়াজিদ শাহ ২৩ বলে করেছেন মাত্র ৫ রান। মাত্র ২৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদের মুখে পড়তে হয়েছে কবির সোধির নেতৃত্বাধীন হংকং দলটিকে।
এরপর রাকিবুলের বলে ৩৪ বলে ১০ করে বিদায় নেন হারুন আরশাদ। ১৬ রান করে অদিত গোরাওয়ারা আউট হন রাকিবুলের বলে। এরপর রিশাদুল হাসানের বলে বিদায় নেন ড্যানিয়েল বাট। ৬ বল খেলে কোন রান করতে পারেননি তিনি।
এরপর অধিনায়ক কবির সোধি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ৩৮ বলে মাত্র ১৩ রানে তিনিও বিদায় নেন। শামিম হোসেনের বোলিংয়ে মাত্র ১ রানে বিদায় নাসরুল্লাহ রানা। ৫ রানে বিদায় নেন হাসান খান। রওনক কাপুর শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন রিশাদুল হাসানের বলে।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বোলিং তাণ্ডবে মাত্র ৪৬.৫ ওভারে মাত্র ৯১ রান করে সবকটি উইকেট হারায় হংকং। বাংলাদেশকে জিততে হলে ৫০ ওভারে ৯২ রান করতে হবে।
বাংলাদেশের হয়ে ১১ রানে ৩ উইকেট নিয়েছের রিশাদ। আর মৃত্যুঞ্জয় ও রাকিবুল নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। আর একটি করে উইকেট নিয়েছেন শরিফুল, মিনহাজুর ও শামিম হোসেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
হংকং ৯১ (৪৬.৫ ওভার)
কালহান চাল্লু ১৬/২৭ বল, অদিত গোরাওয়ারা ১৬/৫৪।
রাশিদ হাসান ৩/১১।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ একাদশ:
তানজিদ হাসান, সাজিদ হোসেন, তৌহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), শামিম হোসেন, আকবর আলি (উইকেটরক্ষক), মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, রিশাদ হোসেন, রাকিবুল হাসান, মিনহাজুর রহমান, মাহমুদুল হাসান জয়, শরিফুল ইসলাম।

হংকং অনূর্ধ্ব ১৯ একাদশ:
হারপ্রিত সিং, কালহান চাল্লু, ওয়াজিদ শাহ, হারুন আরশাদ, অদিত গোরাওয়ারা, মোহাম্মদ হাসান, ড্যানিয়েল বাট, কবির সোধি (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), রওনক কাপুর, নাসরুল্লাহ রানা, হাসান খান মোহাম্মদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest