সর্বশেষ সংবাদ-
কলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাসাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধনদেবহাটার বিস্তীর্ণ মাঠে এখন সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহসাতক্ষীরায় ৪ সংসদীয় আসনের ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচনদেবহাটায় পুলিশ সদস্যের অবসরজনিত বিদায়ী সংবর্ধনাদেবহাটায় এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতনসাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের কার্যালয়ে বিস্ফোরণ, নিহত ১

বিদেশের খবর: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেসের একটি কার্যালয়ে বিস্ফোরনের ঘটনায় কমপক্ষে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো পাঁচজন। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় এই ঘটনা ঘটে। একথা জানিয়েছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০:০০টার দিকে এই বিস্ফোরণ ঘটে।

বিস্ফোরণের ঘটনার কিছু ছবি অনলাইনে প্রকাশ পেয়েছে। ছবিগুলোতে দেখা যায়, লোহার বাকা রড ও পাথর ছড়িয়ে আছে কার্যালয়ের সামনে। পুলিশরা প্রমাণ জোগাড়ের কাজে ব্যস্ত।

পুলিশ জানিয়েছে, ঠিক কি কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে তা এখনো জানা যায়নি। তারা ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত করছে।

তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এটি কোন বোমা হামলার ঘটনা না কি গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে ঘটেছে সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে কারাগারে কোনো রক্ষী নেই, নেই কোনো অস্ত্র

ভিন্ন স্বাদের খবর: প্রথম যেদিন কারাগারে নিজের সেলে ঢুকলেন, সেদিন আয়নায় নিজেকে দেখে চিনতে পারেন নি তাতিয়ানা কোরেইয়া দ্যা লিমা।

“আয়নায় নিজেকে দেখে এত অদ্ভুত লাগছিল! দেখে চিনতেই পারছিলাম না।” বলছিলেন ২৬-বছর বয়সী লিমা। বারো বছরের সাজা মাথায় নিয়ে দুই সন্তানের এই মা জেল খাটছেন।

ব্রাজিলে কারাবন্দীর মোট সংখ্যা বিশ্বের চতুর্থ। কারাগারের ভেতরের শোচনীয় অবস্থা নিয়ে প্রায়ই তুমুল আলোচনা চলে। পাশাপাশি রয়েছে ধারণ ক্ষমতার বেশি বন্দী এবং কারাগারের ভেতরে গুণ্ডা দলের দৌরাত্ম্য, মাঝে মধ্যেই যা থেকে দাঙ্গা হাঙ্গামা তৈরি হয়।

লিমাকে মূল কারাগার থেকে সরিয়ে ইটুয়ানার যে কারাগারে নেয়া হয়েছে সেটি পরিচালনা করে ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্যা প্রোটেকশন অ্যান্ড অ্যসিসটেন্স টু কনভিক্টস (এপ্যাক) নামে একটি সংস্থা।

গার্ডবিহীন জেলখানা
ব্রাজিলে অন্য কারাগারের চেয়ে এই কারাগারটি একেবারেই ভিন্ন। এখানে নেই কোন কারারক্ষী। নেই কোন অস্ত্র।

মূল কারাগারে যেখানে বন্দীদের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট পোশাক, সেখানে এই কারাগারটিতে লিমা তার নিজের কাপড়ই পরতে পারেন। তার সেলে রয়েছে আয়না, মেকআপ করার সরঞ্জাম।

ব্রাজিলের কারা সঙ্কটের পটভূমিতে এপ্যাক পরিচালিত কারাগারগুলি অনেক বেশি নিরাপদ, সস্তা, এবং মানবিক বলে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

গত ২০শে মার্চ ব্রাজিলের উত্তরাঞ্চলের রনডোনিয়া এলাকায় এপ্যাক পরিচালিত একটি কারাগারের উদ্বোধন করা হয়। সারা দেশে এধরনের ৪৯টি কারাগার রয়েছে।

এখানে যে ধরনের বন্দীদের আনা হয় তাদের বেশিরভাগই আসে মূল কারা ব্যবস্থা থেকে। এরা যে তাদের অপরাধের জন্য অনুশোচনা করছেন সেটা তাদেরকে প্রমাণ করতে হয়। নিয়মিত শ্রম দেয়া এবং শিক্ষা গ্রহণ করার ব্যাপারে এই কারাগারের যেসব নিয়মকানুন রয়েছে তা কঠোরভাবে পালন করা হয়।

কারাগারে রয়েছে ‘কনজ্যুগাল সুইট’, যেখানে রয়েছে ডাবল বেড খাট। দেখা করতে আসা স্বামীদের সাথে বন্দীরা এখানে ‘ঘনিষ্ঠ সময়’ কাটাতে পারেন।

কারাগারের একপাশে গিয়ে দেখা গেল নারীরা সাবানের বোতলে লেবেল লাগাচ্ছেন। বন্দীদের তৈরি এই তরল সাবান বাইরে বিক্রি করা হবে।

প্রথম এপ্যাক কারাগার স্থান করা হয় ১৯৭২ সালে। একদল ক্যাথলিক খ্রিস্টান এটি তৈরি করেছিলেন। এখন এভিএসআই ফাউন্ডেশন নামে ইতালির একটি এনজিও এবং ব্রাজিলের সাবেক কারাবাসীদের একটি প্রতিষ্ঠান এর অর্থায়ন করে থাকে।

এভিএসআই ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি জ্যাকোপো সাবাতিয়েলো বলছেন, তাদের কারাগারের মূল নীতি হচ্ছে কঠোর পরিশ্রম এবং অন্যের প্রতি ভালবাসা।

“আমরা সব বন্দীকে তাদের নাম ধরে ডাকি। নাম্বার দিয়ে কোন বন্দীর পরিচয় দেই না।”

শুশ্রূষা
এই কারাগারের বন্দীদের ডাকা হয় ‘রিকুপারেন্দোস’ নামে অর্থাৎ যাদের আরোগ্যলাভের প্রক্রিয়া চলছে। এক্যাপ বন্দীদের পুনর্বাসনের দিকে জোর দিয়ে থাকে।

বন্দীদের সারাদিন ধরে কাজ এবং পড়াশুনা করতে হয়। কখনও কখনও স্থানীয় লোকজনের সাথে কাজ করতে হয়।

কোন বন্দী পালানোর চেষ্টা করলে মূল কারা ব্যবস্থার হাতে তাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

মি. সাবাতিয়েলো বলছেন, এপ্যাকের কারাগারে মারামারির দু’একটা ঘটনা ঘটলেও খুন রাহাজানির মতো কোন বড় অপরাধের নজির নেই।

তিনি বলছেন, কারাগারে কোন রক্ষী না থাকায় উত্তেজনা কম থাকে। এখানে কিছু নারী রয়েছেন যারা যাবজ্জীবন সাজা খাটছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ ভায়াবহ অপরাধ ঘটিয়েছেন।

“আমি এখনও আমার পুরনো বন্দী সংখ্যা ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করছি,” বলছেন আগিমারা পাত্রিসিয়া সিলভিয়া কাম্পোস। মাদক চোরাচালানের দায়ে মূল কারাগারে তাকে চার মাস কাটাতে হয়েছিল।

“আমাদের গাদাগাদি করে থাকতে হতো। ছোট একটা ঘরে ২০ জন বন্দী। ঘুমাতে হতো নোংরা তোষকের ওপর,” বলছিলেন তিনি, “আর যে খাবার দেয়া হতো তা মুখে তোলার মত ছিল না।”

তার সাথে দেখা করতে আসা আত্মীয়দের নগ্ন করে তল্লাশি করা হতো বলে তিনি জানালেন।

কাম্পোস যে পরিবেশের কথা বলছেন তা ব্রাজিলের কারা ব্যবস্থার একটা বড় সঙ্কটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রাজিলে প্রায়ই নারীদের কারাগারে যেতে হয় তার পুরুষ সঙ্গীর অপরাধের জন্য। এরপর দাগী আসামীদের মধ্যে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। অনেকেই কারাগারের মধ্যেই অপরাধের তালিম নেন।

“আমি যখন জেলে যাই, তখন এই ধরনের অপরাধ সম্পর্কে আমার কোন ধারনাই ছিল না,” বলছেন কাম্পোস, “আমার পাশে যে মহিলা ঘুমাতো সে তার প্রতিবেশীর মাথা কেটে ফেলেছিল। এবং সেই কাটা মাথা একটি সুটকেসে ভরে রেখেছিল।”

দুই সন্তানের জননী এখন আট বছরের জেল খাটছেন।

ব্রাজিলের একজন বিচারক আন্তোনিও দ্যা করাভালহো বলছেন, মূল কারা ব্যবস্থায় কাজ এবং শিক্ষার মাধ্যমে দণ্ড কমানোর প্রথা থাকলেও এটা প্রয়োগ করা হয় সামান্যই। তিনি এপ্যাক কারা ব্যবস্থার একজন সমর্থক।

“মূল কারা ব্যবস্থার বর্তমান হাল খুব দু:খজনক। ব্রাজিলের বিচার ব্যবস্থার মধ্যে থেকে বন্দীর মানবাধিকার রক্ষা করতে চাইলে এপ্যাক ব্যবস্থাই সবচেয়ে কার্যকারী,” তিনি বলেন।

গরাদের আড়ালে যে প্রেম
তাতিয়ানা কোরেইয়া দ্যা লিমা যখন এপ্যাক কারাগারে ঢোকেন তখন তার সুযোগ সুবিধে ছিল কম। জেলের মধ্যে স্বাধীনতা ভোগ করতে হলে তাকে সেই সুবিধে অর্জন করতে হবে। এটা সব নতুন কারাবন্দীর জন্য প্রযোজ্য।

কোন একজন বন্দী যখন ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়, তখন এক পর্যায়ে তাকে স্বল্প সময়ের জন্য বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়।

প্রায়ই বাইরের জগতের সাথে বন্দীদের সখ্যতা গড়ে ওঠে। এভাবেই লিমা খুঁজে পেয়েছেন তার ভালবাসার পুরুষকে। সহ-বন্দী ভিভিয়েন কাম্পোসকে সাথে নিয়ে সেলের মধ্যে বসে তিনি বলছিলেন কিভাবে তার সাথে পরিচয় ঘটলো সেই পুরুষটির, যিনি নিজেও শহরের অন্য প্রান্তে আরেকটি এপ্যাক কারাগারের বন্দী।

এপ্যাকের এই কারাগারের দেয়ালে লেখা রয়েছে: ভালবাসা ত্যাগ করে কেউ পালায় না।
সূত্র: বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিদিন ডাবের পানি খেলে যেসব উপকার পাবেন

স্বাস্থ্য বটিকা: সারা বছর ধরে যদি নিয়ম করে ডাবের পানি খাওয়া যায়, তাহলে একাধিক রোগ শরীরের ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। শুধু তাই নয়, ডাবের পানিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, মেঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক নানাভাবে শরীরে গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : ডাবের পানিতে ক্যালসিয়াম, হাড়কে শক্ত-পোক্ত করে তোলার পাশাপাশি হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডাবে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়ামও এক্ষেত্রে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

শরীরকে বিষমুক্ত করে : দেহের প্রতিটি কোণায় উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে এই প্রকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস ডাবের পানি পান করলে নানাবিধ রোগ যেমন শরীরের ধারে কাঁছে ঘেঁষতে পারে না, তেমনি সার্বিকভাবে শরীরিক ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এই কারণেই রোজের ডায়েটে ডাবকে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

কিডনির ক্ষমতা বাড়ে : প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ডাবের পানি কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত টক্সিন উপাদানদের ইউরিনের সঙ্গে বের করে দিয়ে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমায়।

পানির ঘাটতি মেটে : ডাবের পানি শরীরে প্রবেশ করা মাত্র জলের ঘাটতি মিটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে এতে থাকা ইলেকট্রোলাইট কম্পোজিশান ডায়ারিয়া, বমি এবং অতিরিক্ত ঘামের পর শরীরের ভিতরে খনিজের ঘাটতি মেটাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

শরীর এবং ত্বকের বয়স কমে : ডাবের পানিতে রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের উপর বয়সের ছাপ পরতে দেয় না। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ওজন হ্রাসে পায় : ডাবের পানিতে বেশ কিছু উপকারি এনজাইম হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজমের উন্নতিতেও সাহায্য় করে থাকে। ফলে খাবার খাওয়া মাত্র তা এত ভালো ভাবে হজম হয়ে যায় যে শরীরে হজম না হওয়া খাবার মেদ হিসেবে জমার সুযোগই পায় না। ফলে ওজন কমতে শুরু করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন এবং পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারি উপদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরের শক্তি এতটা বৃদ্ধি পায় যে জীবাণুরা কোনওভাবেই ক্ষতি করার সুযোগ পায় না। সেই সঙ্গে ডাবের পানিতে অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল প্রপাটিজ নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : শরীরে বাজে কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর পরিমাণ কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ডাবের পানির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। দেহে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমাতেও ডাবের পানি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে।

মাথা যন্ত্রণার প্রকোপ কমে : ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা যন্ত্রণা বা মাইগ্রেনর অ্যাটাক হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে শীঘ্র এক গ্লাস ডাবের পানি পান করবেন। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে। প্রাকৃতিক উপাদানটিতে ম্যাগনেসিয়াম, এই ধরনের শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্যারিসে ছুরি নিয়ে হামলা, মা-মেয়ে নিহত

বিদেশের খবর: প্যারিসে ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়ে মা-মেয়েকে হত্যা করেছে এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার প্যারিসের উপশহর ট্যাপেস এ ঘটনা ঘটে। খবর এএফপির।

এ ঘটনার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে আইএস। তবে এটি সন্ত্রাসী হামলা না পারিবারিক বিরোধ তা এখনও নিশ্চিত নয়। পুলিশ বলছে, নিহত ২ নারী হামলাকারীর মা ও বোন।

পুলিশের গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়েছে। হামলায় আরও ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার অবস্থা গুরুতর।

ট্রাপেস উপশহরটি মুসলিম অধিবাসী অধ্যুষিত। এখান থেকে বিপুল সংখ্যক যুবক আইএসের পক্ষে লড়াই করতে সিরিয়া ও ইরাকে গিয়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬ নায়ককে নিয়ে ছোট পর্দায় পরীমণি

বিনোদন সংবাদ: হাসি-কান্না বা কোন অ্যাকশন-ক্লাইমেক্স দৃশ্য নয়, এবার তাকে দেখা যাবে আড্ডা দিতে। যাকে বড় পর্দায় দেখে অভ্যস্ত দর্শকরা তাকে এবার দেখা যাবে ছোট পর্দার একটি অনুষ্ঠানে।

বলছি ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত অভিনেত্রী পরীমণির কথা। এসএ টিভিতে ঈদের দিন থেকে ৬ষ্ঠ দিন পর্যন্ত রাত সাড়ে ৯টায় প্রচারিত হবে পরীর এই অনুষ্ঠানটি। যেখানে অতিথি হিসেবে দেখা যাবে অভিনেত্রীর ৬ নায়ককে। তারা হলেন; জায়েদ খান, সাইমন সাদিক, ডিএ তায়েব, রোশান, অারজু এবং ইয়াশ রোহান। ৬ নায়ককে নিয়েই ৬টি পর্ব সাজানো হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনকে পরীমণি বলেন, এই ধরনের প্রোগ্রামে বরাবর অতিথি হিসেবে গিয়েছি। এবার অতিথি নয় বরং
অতিথিদের সাথে আড্ডা এবং খুনসুটি করেছি। তাও কিনা আমার সহশিল্পীদের সঙ্গে। তাই বিষয়টি সত্যিই ব্যতিক্রমী এবং অনন্দের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যক্তিগত দুঃখের গল্প শোনালেন সালমান খান

বিনোদন সংবাদ: বলিউডে পা রাখার আগে থেকেই তার প্রেমিক চরিত্র জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল টিনসেল টাউনে। দীর্ঘদিন তার সম্পর্ক ছিল সাবেক মিস ইন্ডিয়া ও মডেল-অভিনেত্রী সঙ্গীতা বিজলানির সঙ্গে। তারপর একের পর এক মডেল, অভিনেত্রীর সঙ্গে নাম জড়িয়েছে বলিউড ‘ভাইজান’ সালমান খানের।

সোমি আলি, ঐশ্বরিয়া রায়, ক্যাটরিনা কাইফের পরে গুজব রটেছিল বিদেশিনী টেলি তারকা লুলিয়া ভন্তুরকে নিয়ে। এমন কথাও শোনা গিয়েছিল যে, তারা বিয়ের আসনে বসবেন। কিন্তু এখনও তেমন কিছু ঘটেনি। সালমান খান এখনও বলিউডের ‘এলিজিবল ব্যাচেলর’ হয়েই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এবং অভিনয় করছেন চুটিয়ে। বিশ্বের প্রথম ১০০ জন দামি অভিনেতার মধ্যে সালমান রয়েছেন ৮২তম স্থানে।

এরই মধ্যে এক মজার তথ্যও সামনে এসেছে, যা বলেছেন স্বয়ং সলমন। এক টেলিভিশন শো-এর শ্যুটিং চলাকালীন বেশ খোশমেজাজেই তিনি তার প্রেমজীবনের নানা মজার কথা বলছিলেন। আর সেখানেই শোনালেন এক ‘গার্লফ্রেন্ড’-এর বাড়িতে ধরা পড়ার গল্প।

সালমান বলেন, সেদিন তার প্রেমিকার মা-বাবা বাড়িতে ছিলেন না, আর সেই সুযোগেই সেখানে উপস্থিত হন সালমান। কিন্তু হঠাতই বান্ধবীর মা-বাবা চলে আসায় তিনি পালাবার পথ পাননি। বাধ্য হয়ে লুকিয়ে পড়েন বান্ধবীর আলমারিতে। সবই ঠিক ছিল। কিন্তু ধুলার কারণে হাঁচি দিয়ে ফেলেন সালমান এবং ধরা পড়ে যান। কিন্তু তাতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি তাকে। বান্ধবীর বাবার তাকে বেশ পছন্দই হয়েছিল বলেই জানান সলমন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ধানদিয়া আশ্রায়ণ প্রকল্পে ৪০ পরিবারে মাংস বিতরণ

মেহেদী সোহাগ: কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সমবায় অফিসারের উদ্যোগে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার আনন্দকে গরীব দঃখীরাও যাতে সমানভাবে উপভোগ করতে পারে সেজন্য গরুর মাংস বিতরণ করা হয়। কলারোয়া ধানদিয়া আশ্রায়ণ প্রকল্পের ৪০ টি পরিবারের মধ্যে ১ কেজি করে এই গরুর মাংস বিতরন করা হয়। বুধবার ঈদের দিন দুপুরের পর কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভিন ও উপজেলা সমবায় অফিসার নওশের আলী এই গোস্ত বিতরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেনাপোলে টানা ছুটিতে বন্দরে কড়া নিরাপত্তা

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থল বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বৃহস্পতিবার সকালে বেনাপোল বন্দর এলাকা ঘুরে দেখা যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়তি নজরদারি। বন্দরের অভ্যন্তরে রাখা কোটি কোটি টাকার আমদানিকৃত মালামাল চুরিরোধ ও কেউ যাতে নাশকতার কোনো ঘটনা না ঘটাতে পারে সেজন্য ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার কাজ করে যাচ্ছে বন্দরের নিয়োগকৃত বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা পিমা, আনসার ব্যাটালিয়ন ও পুলিশ।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেল থেকে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার পর রাত পর্যন্ত মালামাল লোড-আনলোড চলে। এর পরপরই বন্দরের শেডগুলো সিল করে দেওয়া হয়। তবে টানা ছুটিতে বন্দরের অনেক কর্মকর্তা নিজ নিজ বাড়িতে গেছেন পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটাতে। বন্দরের কার্যক্রম আবার শুরু হবে আগামী রবিবার থেকে। এই ৫ দিন টানা ছুটিতে বন্দরের অভ্যন্তরে ও বন্দরের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পালাক্রমে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বন্দরটিকে পাহারা দিচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের অর্থনীতিতে বেনাপোল বন্দরের ভূমিকা অপরিসীম। এশিয়া মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল। প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পাদন হয় এই বন্দর দিয়ে। বন্দরটিতে সব সময় প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন আমদানি পণ্য মজুদ থাকে, যার বাজার মূল্য কয়েক হাজার কোটি টাকা। ছুটির মধ্যে সাধারণত দেখা যায় নাশকতা বা দুরর্ঘটনামূলক কর্মকান্ড বন্দরে ঘটে। এজন্য এই সময়টাতে নজরদারি বেশি দরকার।

এ ব্যাপারে বেনাপোল বন্দরের নিরাপত্তা সংস্থা আনসার ব্যাটালিয়নের কমান্ডার বদিউজ্জামান বলেন, এই বন্দরে দেশের কয়েক শ আমদানিকারকের কোটি কোটি টাকার পণ্য রয়েছে। টানা ছুটিতে বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ। এ সময় যাতে কেউ সেখানে প্রবেশ করে পণ্যের ক্ষতি কিংবা কোনো রকম নাশকতামূলক ঘটনা না ঘটাতে পারে এজন্য নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একই কথা বলেন বন্দরের বেসরকারি সিকিউরিটি সংস্থা পিমার কমান্ডার শহিদুল ইসলাম।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, টানা ছুটিতে বেনাপোল স্থল বন্দরে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। সেই সাথে আনসার ব্যাটালিয়ন ও বেসরকারি সিকিউরিটি সংস্থা পিমাকে সতর্ক রাখা হয়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও পুলিশের টহল দল কাজ করছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন, টানা ছুটিতে যাতে বন্দরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য সমস্ত নিরাপত্তা সংস্থাকে অন্য সময়ের চেয়ে আরো বেশি নজরদারিতে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest