সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

সমালোচনার মুখে মেসি-রোনালদো

খেলার খবর: গত দশ বছর আধিপত্য ছিল লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। কিন্তু দু’‌জনেই এবার যাননি ফিফার বর্ষসেরা অনুষ্ঠানে। কিন্তু কেন?‌ পুরস্কার না পেলে কি আসা যায় না?‌ হারের হতাশায় কি এমন করলেন?‌ মেসি-রোনাল্ডোর অনুপস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন এবারের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার লুকা মদ্রিচ।
তবে বিতর্ক উসকে দিতে চাননি তিনি। মদ্রিচ, ‘‌প্রত্যেকের নিজস্ব কারণ থাকে অনুপস্থিত থাকার। হ্যাঁ, মেসি, রোনাল্ডো হাজির থাকলে দারুণ হত। কিন্তু তারা ছিল না। কী আর করব?‌’‌ রিয়াল মাদ্রিদে সাবেক সতীর্থ রোনালদো কি তাকে কোনও বার্তা পাঠিয়েছেন?‌ মদ্রিচ বলেন, ‘‌না। উয়েফার পুরস্কার পাওয়ার দিনও আমাকে এসএমএস করেছিল। কিন্তু তারপর আর কথা হয়নি। হয়ত পরে মেসেজ পাঠাবে।’‌
মদ্রিচ বিষয়টা নিয়ে পানিঘোলা করতে না চাইলেও, অনুষ্ঠানে মেসি-রোনালদোর অনুপস্থিতি ভালভাবে নিতে পারেননি ফাবিও কাপেলো, দিয়েগো ফরলান, দাভর সুকেররা। কাপেলো বলেছেন, ‘‌মেসি-রোনালদোর অনুপস্থিতি নিয়ে জানতে চাইছেন?‌ আমি তো বলব, তারা অসম্মান করেছে। প্লেয়ারদের, ফিফাকে এবং বিশ্ব ফুটবলকে। এমনও হতে পারে, তারা বড্ড বেশি জিতে ফেলেছে।’‌
উরুগুয়ের সাবেক তারকা ফরলানের কথায়, ‘‌ব্যাপারটা মোটেই ভাল নয়। মেসি তো গতবারও পুরস্কার জেতেনি। তাও হাজির ছিল। রোনালদো যদি হেরে যাওয়ার কারণে না এসে থাকে তা হলে বলব, খুব খারাপ। এই অনুষ্ঠানতো সব ফুটবলারদের জন্য। তাই সবার হাজির থাকা জরুরি।’‌
দাভর সুকেরের কথায়, ‘‌জিতলেও ভদ্র থাকাটা যেমন দরকার, হারলেও তাই।’‌ ‌‌‌

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দাঁতব্যথা কমায় যেসব ভেষজ

স্বাস্থ্য কণিকা: দাঁতব্যথা একটি বিরক্তিকর বিষয়। কিছু ভেষজ রয়েছে, যেগুলো ব্যথা কমাতে বেশ উপকারী। দাঁতব্যথা কমাতে এগুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এগুলো ব্যথা কমাতে প্রাকৃতিকভাবে কাজ করবে।

দাঁতব্যথা কমাতে তিন ভেষজ উপাদানের কথা জানিয়েছে হেলথ ডাইজেস্ট।

১. লবঙ্গ
দাঁতব্যথা কমাতে লবঙ্গের কোনো জুড়ি নেই। ব্যথা কমাতে কয়েকটি লবঙ্গ চিবিয়ে নিন। এতে দ্রুত ব্যথা কমে যাবে।
লবঙ্গের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ার উপাদান। এই উপাদান ব্যথা কমাতে কার্যকর।

২. রসুন
কোনো রান্নাঘরই স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় না রসুন ছাড়া। রসুনের মধ্যে রয়েছে ব্যথানাশক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। রসুন বেটে মাড়িতে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এতে ব্যথা কমবে।

৩. পেয়ারা পাতা
পেয়ারা পাতার কিন্তু অনেক গুণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান। দাঁতব্যথা কমাতে কিছু পেয়ারার পাতা নিয়ে চিবাতে পারেন। পেয়ারার পাতা অথবা পেয়ারা পাতার রস কয়েক মিনিট মুখে রাখুন। এতে দাঁতব্যথা অনেকটা কমবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিনহার অ্যাকাউন্টে টাকা; ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৬ কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

দেশের খবর: ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী একেএম শামীমসহ ৬ ব্যাংক কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকা স্থানান্তরের সঙ্গে ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির সম্পৃক্ততা থাকতে পারে- এমন অভিযোগে তাদের তলব করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টায় এ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মঙ্গলবার সংস্থাটির পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের সই করা নোটিশে তাদের আজ বুধবার হাজির হতে বলা হয়েছে। এ তদন্তকাজে সহায়তা করছেন দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।
সাবেক এমডি ছাড়া অন্য যে পাঁচজনকে তলব করা হয়েছে, তারা হলেন- ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, এক্সিকিউটিভ অফিসার উম্মে সালমা সুলতানা, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিউদ্দিন আসকারী আহমেদ, ম্যানেজার (অপারেশন) ও ভাইস প্রেসিডেন্ট লুতফুল হক এবং সাবেক হেড অব বিজনেস ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট গাজী সালাউদ্দিন।
এ বিষয়ে সোমবার দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছিলেন, আমরা অনুসন্ধান করছি কিনা এ বিষয়ে সরাসরি উত্তর দেয়া সম্ভব নয়। দুদক দুজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঋণ নিয়ে ওই টাকা অবৈধভাবে অন্যত্র স্থানান্তরের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে। অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বক্তব্য দেয়া যাবে না। দালিলিক প্রমাণ দিয়ে টাকা কোথায় ও কীভাবে গেল সে বিষয়টি খুঁজে বের করতে হবে। দালিলিক প্রমাণ ছাড়া দুদক কারও বিরুদ্ধে মামলা করবে না।
এর আগে গত ৬ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুই ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহাকে এসকে সিনহার ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকা স্থানান্তরের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
ওই দিন তাদের দুই আইনজীবী আফাজ মাহমুদ রুবেল ও নাজমুল আলম সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, এসকে সিনহাকে তার বাড়ি বিক্রির চার কোটি টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে।
তারা জানান, এসকে সিনহার উত্তরার ৬তলা বাড়িটি পাঁচ কাঠা জমির ওপর। বাড়িটি ২০১৬ সালের শুরুর দিকে টাঙ্গাইলের বাসিন্দা ও সাবেক প্রধান বিচারপতির ‘কথিত পিএস’ রণজিতের স্ত্রী শান্তি রায় ছয় কোটি টাকায় ক্রয় করেন।
বায়না দলিলকালে তিনি দুই কোটি টাকা পরিশোধ করেন। বাকি টাকা পরিশোধের জন্য নিরঞ্জন ও শাহজাহানের সহযোগিতা নেন। নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা শান্তি রায়ের স্বামী রণজিতের চাচা। আর শাহজাহান রণজিতের বন্ধু।
দুই আইনজীবী আরও বলেন, বাড়ি কেনার বিষয়ে নিরঞ্জন ও শাহজাহান ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে দুই কোটি টাকা করে মোট চার কোটি টাকা ঋণ নেন। ঋণ পরিশোধে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে শান্তি রায় জামিনদার হন।
জামিনদার হিসেবে শান্তি রায় টাঙ্গাইল ও ঢাকার আশপাশের বেশ কিছু জমি বন্ধক রাখেন। তাদের তথ্যানুযায়ী, ২০১৬ সালের মে মাসে বায়না দলিল হয় এবং ৮ নভেম্বর দুটি পে-অর্ডারে এসকে সিনহা সোনালী ব্যাংক সুপ্রিমকোর্ট শাখার মাধ্যমে চার কোটি টাকা গ্রহণ করেন। পরে ২৪ নভেম্বর হস্তান্তর দলিলের মাধ্যমে বাড়িটি শান্তি রায়কে বুঝিয়ে দেন।
দুদক সূত্র জানায়, এ বিষয়ে গত বছরের শেষ দিকে আসা এক ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক তা যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।
অনুসন্ধানে যদি জানা যায়, ওই চার কোটি টাকা বাড়ি বিক্রির নয়, বরং ঘুষ বা জালিয়াতি করে অন্য কোনো জায়গা থেকে এসকে সিনহার হিসাবে স্থানান্তরিত হয়েছে, তা হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার বিশ্ব নিরাপত্তায় হুমকি

অনলাইন ডেস্ক: ‘তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। সন্ত্রাসী ও সহিংস উগ্রবাদীরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের বিষাক্ত বক্তব্য প্রচার করছে।’
মঙ্গলবার দুপুরে নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের আয়োজনে ‘সাইবার নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে তথ্য নিরাপত্তার জন্য নীতিমালা তৈরিতে জাতিসংঘের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাইবার জগতে সেই অর্থে কোনো সীমারেখা নেই। তথ্য-প্রযুক্তি নিরাপদ করার সামর্থ্য সব দেশের সমান নয়। তাই ডিজিটাল বিশ্ব নিরাপদ রাখতে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে জাতিসংঘকে। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো নিয়মিতভাবে সাইবার হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সত্যিকার উৎস শনাক্ত করা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাইবার বিশ্বে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর দায়িত্বশীল আচরণের নীতিমালা ও মূলনীতি শর্তহীন সমর্থন পাওয়া উচিত বলেও মত দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাইবার নিরাপত্তার সামর্থ্য বিনির্মাণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। উন্নয়ন সহযোগীদের এটিকে তাদের আন্তর্জাতিকভাবে নেওয়া অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বাংলাদেশ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সাইবার নিরাপত্তা ইকো সিস্টেম তৈরিতে কাজ করছে উল্লেখ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস হওয়ার কথাও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।
একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে জাতিসংঘের একটি উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বাংলাদেশের মতো ছোট দেশগুলোকে সাইবার অপরাধের হাত থেকে বাঁচাতে জাতিসংঘকে এগিয়ে আসতে হবে। প্লেনারি সেশনে তিনি বলেন, ‘আমরা সমস্যা চিহ্নিত করতে পারলেও, পুরোপুরি সমাধান করতে পারি না। আমরা অনেক সময় হ্যাকিং আটকাতে পেরেছি, কিন্তু হ্যাকারকে ধরতে পারিনি। এ সময় তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে হ্যাকিংয়ের কথা তুলে ধরে, এমন সমস্যার সমাধানে জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান, এস্তোনিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল তিসালু, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও নিরস্ত্রীকরণবিষয়ক প্রতিনিধি ইজুমি নাকামিতসু, জাপানের সাইবার নীতিবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওতাকাও, ইউএনওআইসিটির পরিচালক সালেম আভান এবং মাইক্রোসফটের সাইবার নিরাপত্তা কৌশল ও নীতি বিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক অ্যাঙ্গেলা ম্যাকে।
প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী সমাপনী বক্তব্য দেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতারেসের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিশ্ব নেতারা অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা বুক হাউজ থেকে ৪৮০ পিচ সরকারি বই জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা বুক হাউজ থেকে ৪৮০ পিচ ৬ষ্ঠ শ্রেণির সরকারি বিজ্ঞান বই জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে শহরের মুনজিতপুর এলাকা সাতক্ষীরা বুক হাউজ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সজল মোল্যা ও আমিনুর ইসলামের নেতৃত্বে এ বই জব্দ করা হয়। এসময় জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাতক্ষীরা বুক হাউজের মালিক জানান, শাহ আলম আমাদের আতœীয় হন। তিনি বলেন কিছু বই বেছে গেছে। ২ দিন একটু রাখো। ২দিন পর আমি কুমিল্লা পাঠিয়ে দেবো। বই বিক্রির উদ্দেশ্যে এখানে রাখা হয়নি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জানান, জেলা শিক্ষা অফিসে একজন ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন সাতক্ষীরা বুক হাউজে সরকারি বই বিক্রয় হচ্ছে। জেলা অফিস আমাদের কে জানালে আমরা ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে খোজখবর নিয়ে জানতে পারি কুমিল্লা এলাকার শাহ আলম সরকারি বই টেলিভারির টেন্ডার পেয়েছেন। জেলা বই বিতরণের পর কিছু বই বেচে ছিলো। সেগুলো তিনি লাইব্রেরিতে রেখেছেন। আমাদের কাছে তাকে অপরাধী মনে হয়নি। যে কারণে আমরা ওই বই গুলো জব্দ করে জেলা শিক্ষা অফিসারে জিম্মায় রেখেছি। এছাড়া শাহ আল বই গুলো কুরিয়ারে পাঠানোর রিসিভটি শিক্ষা অফিসারের কাছে জমা দিয়ে যাবেন।
শাহ আলম জানান, আমি খুলনাসহ বিভিন্ন স্থানে বইগুলো ডেলিভারি করছি। সাতক্ষীরা ডেলিভারির পর কিছু বই বেশি থাকায় আমি এখানে রেখেছি। বইগুলো আগামীকাল কুরিয়ারে পাঠিয়ে দেবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র জয়নগর ইউনিয়ন কমিটি গঠন

কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়া প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র ১ নং জয়নগর ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা ডাঃ আমানুল্লাহ আমান। মঙ্গলবার বসন্তপুর সরকারি প্রাইমারি স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি নিয়াজ মোরশেদ লাল্টু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বাপ্পী,সহ-সম্পাদক মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আমানুল্লাহ আমান, দপ্তর সম্পাদক সুজন আহম্মেদ, সদস্য মামুন প্রমুখ। নবগঠিত কমিটির সভাপতি বিএম রিয়াজ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমন হাসান, সিনিয়র সহ সভাপতি আসাদ সানা, সেলিম হাসান, মারিফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অনিক হাসান রনি, গোলাম রসূল, তামিম হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহান হাসান, ওলিউর হাসান সোহান, খাইরুল ইসলাম,দপ্তর সম্পাদক সাগর হাসান, অর্থ সম্পাদক দিদারুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক নয়ন হাসান, জাকির সানা, ইসলাম, উজ্জল কুমার রায় প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কলারোয়া প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বাপ্পী। উল্লেখ্য-বিএম রিয়াজ হোসেনকে সভাপতি ও ইমন হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র ১৭ সদস্য বিশিষ্ট ১ নং জয়নগর ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সকালে খালি পেটে পানি পানের উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে আর তার সুফল কেমন করে পাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। অল্প কিছু বিষয় মেনে চললেই সকালে খালি পেটে পানি পান করে সুস্থ-সবল থাকার পথে একধাপ এগিয়ে থাকা সম্ভব।

সকালে পানি পানে শুধু পাকস্থলীই পরিষ্কার হয় না, এটা অনেকগুলো রোগের ঝুঁকি থেকে আমাদের বাঁচতে সহায়তা করে। প্রথমত, এই অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সহায়তা করে এবং পরিপাকক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে উপকারে আসে।

দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি পানে শরীরের ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর থাকে। রক্ত থেকে ‘টক্সিন’ বা বিষাক্ত নানা উপাদান দূর করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই পানি। কেননা, পানি নতুন রক্ত কোষ এবং পেশি কোষ জন্মানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। আর ওজন কমিয়ে রাখতেও পানি পান করা পর্যাপ্ত উপকারী।

সকালে পানি পানের পর অল্প কিছুক্ষণ অন্য কিছু না খাওয়াই ভালো। এই পানি-চিকিত্সার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটা পরিপাক ক্রিয়ার জন্য দারুণ উপকারী। প্রতিদিন সকালে গড়ে চার গ্লাস পানি (প্রায় এক লিটার) পান করা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছুদিন এভাবে পানি পান করলে বিষয়টা সহজেই আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং এর উপকারিতাও টের পাওয়া যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজনৈতিক ডামাডোলে অর্থনৈতিক স্থবিরতার আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক: আগামী অক্টোবরেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। কোন প্রক্রিয়ায় হবে নির্বাচন? বর্তমান সরকারের অধীনে না কি অন্য কোনো সরকারব্যবস্থায়? এ নিয়ে ক্রমেই উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে, রাজনৈতিক অঙ্গনে। পাল্টাপাল্টি বক্তব্য আর মাঠ দখলের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে রাজনৈতিক জোটগুলো। নির্বাচন ঘিরে দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী হচ্ছে, কী হবে? এ নিয়েই আতঙ্কে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচন এলে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এটি স্বাভাবিক। তবে এ পরিস্থিতি যদি দীর্ঘায়িত হয় তবে অর্থনীতির জন্য তথা দেশের জন্য ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা আতঙ্কে রয়েছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পরিবহন ব্যবসায়ী ও হকার ও শ্রমিক শ্রেণি সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হন। যা থেকে বাদ পড়ে না সাধারণ ভোক্তারাও। তাই সহিংস কর্মসূচি পরিহার করে সব পক্ষের সঙ্গে সমঝোতায় শন্তিপূর্ণ নির্বাচন চান তারা।
এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আবু নাসের বলেন, রাজনীতি ও অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক। একটির অবস্থা খারাপ হলে অন্যটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই রাজনৈতিক পরিস্থিতি খারাপ হলে অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব পড়বে।
তিনি বলেন, নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে তা সহিংস রূপ নেবে না। কারণ জ্বালাও-পোড়াও, সংঘাতপূর্ণ আন্দোলন মানুষ পছন্দ করে না। আমাদের তরুণ সমাজ সহিংসতা পছন্দ করে না। তাই আমরা আশাবাদী রাজনৈতিক অঙ্গনে আগামীতে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না।
ব্যবসায়ী এ নেতা আরও বলেন, তারপরও যদি সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তাহলে ব্যবসায়ী সমাজ ঐক্যবন্ধভাবে তা প্রতিহত করবে। কারণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন ব্যবসায়ীরা। গাড়ি ভাঙচুর, সড়ক অবরোধে ক্ষতির সম্মুখীন হয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। তাই সবার স্বার্থে দেশে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেয়া হবে না।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও অর্থনীতিবিদ সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যবসা বাণিজ্য। শিল্প কারখানার উৎপাদনও কমে যায়। মানুষের মধ্যে এক ধরনের ভয়ভীতি কাজ করে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
তিনি আরও বলেন, যখনই দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয় তখন উদ্যোক্তারা নতুন করে বিনিয়োগ করতে চান না। বিদেশিরাও সংঘাটপূর্ণ দেশে বিনিয়োগ করতে চান না। আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে এক ধরনের স্থবিরতা সৃষ্টি হয়। তাই রাজনৈতিক অস্থিরতা হলে দেশের অর্থনীতি সামগ্রিকভাবে পিছিয়ে পড়ে।
‘নির্বাচন এলে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। তবে এ পরিস্থিতি যদি দীর্ঘায়িত হয় তবে অর্থনীতির জন্য তথা দেশের জন্য ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে’ যোগ করেন প্রবীণ এ অর্থনীতিবিদ।
তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে চাই। এজন্য প্রয়োজন ব্যবসার সুষ্ঠু পরিবেশ। এটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। যারাই ক্ষমতায় থাকবে তারা এটি নিশ্চিত করবে।
তিনি বলেন, গামের্ন্টস খাত হরতাল অবরোধের আওতামুক্ত থাকলেও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির হলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই আমরা সংঘাতময় পরিস্থিতি চাই না। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন হবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest