সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় উৎসবমুখর আবহে এশিয়া পোস্টের যাত্রা শুরুসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদে তালায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ  কোমরপুর দাখিল মাদ্রাসার নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহততালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিন

বাংলাদেশ ৮-০ গো‌লে হারিয়েছে লেবাননকে

খেলার খবর: বাহরাইনকে ১০ গোলে হারানোর পর আরেকটি বড় জয় পেল বাংলাদেশ। বুধবার কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে এএফসি কিশোরী ফুটবলে বাংলাদেশ ৮-০ গোলে হারিয়েছে লেবাননকে।
প্রথমার্ধে বাংলাদেশ এগিয়েছিল ৫-০ গোলে। জোড়া গোল করেছেন সাজেদা তহুরা, শামসুন্নাহার। একটি করে গোল করেছেন আনাই ও রোজিনা। এ জয়ে বাংলাদেশ দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে।
একাধিক সুযোগ নষ্টের পর বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ১৪ মিনিটে। মনিকা চাকমার পাস ধরে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোল করেন সাজেদা।
১৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিক কিশোরীরা। তহুরার শট ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান লেবাননের শোফিয়ে।
তহুরার দারুণ গোলে বাংলাদেশ ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় ২৩ মিনিটে। আখি খাতুনের লম্বা পাস ধরে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত গোল করেন এ স্ট্রাইকার।
বাংলাদেশ ব্যবধান ৪-০ করে ২৬ মিনিটে অানাই মগিনির গোলে। আখির পাস থেকে ডান দিক দিয়ে ঢুকে কোনাকুনি শটে গোল করেন আনাই। ৪০ মিনিটে পঞ্চম গোল করে বাংলাদেশ। আখির লম্বা পাস ধরে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন সাজেদা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় স্বাগতিক কিশোরীরা। ৪৮ মিনিটে লেবাননের এক ডিফেন্ডারের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে ছোট শামসুন্নাহার গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে ব্যবধান ৬-০ করেন।
৬৩ মিনিটে আবার ছোট শামসুন্নাহারের গোল। সুলতানার নিচু ক্রস ধরে গোল করেন এ ফরোয়ার্ড। বাংলাদেশ ব্যবধান ৮-০ করে ৭৫ মিনিটে। বদলি ইলামনির পাস থেকে গোল করেন আরেক বদলি রোজিনা আক্তার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তামিমের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

খেলার খবর: কব্জির ইনজুরিতে পড়ে এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচ খেলে মঙ্গলবারই দেশে ফিরে এসেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবাল। তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা জানার জন্য আজ (বুধবার) দুপুরে তামিম ইকবালকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাট করার সময় বাম হাতের কব্জিতে চোট পান ওপেনার তামিম ইকবাল। মাঠ থেকে সোজা চলে যান তিনি হাসপাতালে। সেখানে স্ক্যান করে দেখা যায়, ছিড় ধরা পড়েছে কব্জিতে। যার অর্থ, এশিয়া কাপেই আর খেলতে পারছেন না তিনি।
কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে, যখন মুশফিক একপাশে সেঞ্চুরি করে অপরাজিত রয়ে গেছেন, তখন অন্য পাশে একে একে সবাই আউট হয়ে যান। শেষ পর্যন্ত মুশফিককে সঙ্গ দিতে ভাঙা হাত নিয়ে মাঠে নেমে যান তামিম এবং পেসার সুরঙ্গা লাকমালকে এক বল মোকাবেলাও করেন তিনি।
তামিমের এই সাহসীকতার দারুণ প্রশংসিত হয় দেশে-বিদেশে। এমন পরিস্থিতিতে মাঠে নামার মত সাহস সচরাচর কারও হওয়ার কথা নয়। কিন্তু তামিম সেই সাহস দেখালেন এবং মুশফিকের সঙ্গে অসাধারণ ৩২ রানের একটি জুটি গড়ে বাংলাদেশের জয়ের ভিত তৈরি করে দেন। শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৩৭ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পায় বাংলাদেশ।
তামিম ইকবালকে ফোন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরা দেশের সম্পদ। বহির্বিশ্বে দেশের মুখ দিন দিন উজ্জ্বল করছো। নিজেদের শরীরের প্রতিও যত্ন নিতে হবে। খেলায় হার-জিত থাকবেই।’ ওইদিনের ম্যাচে সাহসী ভূমিকার জন্য তামিমকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করানোর জন্য বলেন তামিমকে। কুন্ঠাবোধ না করে যে কোনো বিষয় তাকে জানাতেও বলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শহিদ রীমুর ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রমৈত্রীর নেতা শহিদ জুবায়ের চৌধুরী রীমুর ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সাতক্ষীরার মেধাবী ছাত্রনেতা ও খেলোয়াড় রিমুর স্মরণে আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী ও যুবমৈত্রী।
সাতক্ষীরা শহরে শোক র‌্যালি, শহিদ রীমুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রমৈত্রীর সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি প্রণয় সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি’র পলিট ব্যুরোর সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি ও ওয়ার্কার্স পাটির জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্র এড. ফাহিমুল হক কিসলু, স্বপন কুমার শীল, অধ্যক্ষ শীবপদ গাইন, ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় নেতা অদিতি আদৃতা সৃষ্টি, ধ্রুব সরকার, বিশ্রনাথ কয়াল প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা যুবমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর।

উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের এই দিনে ছাত্র শিবিরের সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিত হামলায় নিহত হন ছাত্র মৈত্রী নেতা শহিদ জুবায়ের চৌধুরী রিমু। জুবায়ের চৌধুরী রিমু ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা এবং জামাত-শিবির-সাম্প্রদায়িক চক্রের বিরুদ্ধে বজ্রকঠিন কণ্ঠস্বর। জামাত-শিবিরবিরোধী আন্দোলনে রিমুর ভূমিকার কারণেই তিনি তাদের প্রধানতম শত্রুদের একজনে পরিণত হন। ফল হিসেবে ১৯৯৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর রিমুকে হত্যা করে জামাত-শিবিরখুনীচক্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সতক্ষীরার কলারোয় এসিল্যান্ড নেই ২২ মাস! জন-দুর্ভোগ চরমে

কলারোয়া প্রতিবেদক: প্রায় ২২ মাস ধরে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) না থাকায় উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সাধারণ জমির মালিকরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। তারা জমির খাজনা, নামজারি, নামপত্তন, বন্দোবস্ত, ইজারা, খাসজমি ডিসিআর পেতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) সানজিদা জেসমিন বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে এ দপ্তরে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় ও ইউএনও মনিরা পাবভীন। বদলিজনিত কারণে বর্তমানে ইউএনও’র পদটিও গত এক মাস ধরে শূন্য।

উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো অহিদুর রহমান বলেন, ‘জমির দাখিলা কাটা, খাজনা আদায়, খাস জমির ডিসিআর ও মিউটেশন করতে হয় মাসে প্রায় তিন শতাধিক। দীর্ঘদিন এসিল্যান্ড না থাকায় আমরা পড়েছি নানা দুর্ভোগে। সময়মতো দূরদূরান্ত থেকে আসা জমির মালিকদের দাখিলাও কেটে সমাধান দিতে পারছি না। অফিসের দপ্তরির কাজও বিঘ্নিত হচ্ছে। সেইসঙ্গে উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জমির মালিকরা অফিসে এসে কোনো সমাধান না পেয়ে তারা বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

সেবা নিতে আসা পৌরসদরের বাসিন্দা মোস্তফা বলেন, উপজেলা ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড না থাকায় অফিসের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। অফিসের কেউ ঘুষ ছাড়া কথাও শোনে না। তারপরও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে পাওয়া যায় না। এক একটি নামজারি কেস সম্পন্ন করতে ৫০০০টাকা থেকে ১২০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে দ্রুত একজন এসিল্যান্ড (ভূমি) নিয়োগ দানের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে মাসে রাজস্ব ঘাটতি ২০ কোটি!

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোমরা স্থলবন্দরে দু’মাসে ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি পড়েছে। চলতি অর্থ বছরের প্রথম দু’মাসে (জুলাই-আগস্ট) রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি ভোমরা স্থল বন্দরে। চলতি অর্থ বছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছিল ১৪৯ কোটি ৭৩লক্ষ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আয় হয়েছে ১০৯ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা।
বন্দর সূত্র জানায়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের প্রথম দুইমাসে ১৪৯ কোটি ৭৩লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায়ের টার্গেট দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(এনবিআর)। জুলাই মাসে ৬৪ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা এবং আগস্ট মাসে ৮৪ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা রাজস্ব টার্গেট দেয় রাজস্ব বোর্ড। এ টার্গেটের বিপরীতে জুলাই মাসে ৪৯ কোটি ২ লক্ষ এবং আগস্ট মাসে ৬০ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে দুমাসে রাজস্ব আয় হয়েছে ১০৯ কোটি ৫৫লক্ষ টাকা। এতে টার্গেটের তুলনায় রাজস্ব ঘাটতির পরিমান দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি ১৮লক্ষ টাকা। তবে বন্দর সংশ্লি¬ষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, অর্থ বছরের প্রথম দু’মাসে রাজস্ব ঘাটতি দেখাদিলেও ২২টি পণ্য নতুন করে আমদানির অনুমোদন পাওয়ায় ঘাটতি উসুল হবে। ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু রাজস্ব ঘাটতির কথা স্বীকার করে বলেন, বছর শেষে এ ঘাটতি থাকবে না। তিনি বলেন, প্রথম দুইমাসে বাংলাদেশ ভারতে বেশ কয়েকদিন সরকারি ছুটি থাকায় এবং ওপারে শ্রমিক সংগঠনগুলো ‘বন্দ’ পালন করায় রাজস্ব ঘাটতির ঘটনা ঘটেছে। ২২ পণ্য আমদানিতে সরকার নতুন করে ছাড় দিয়েছে। এতে রাজস্ব আহরণের পরিমান বেড়ে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কাস্টমস এক্সাসাইট ও ভ্যাট কমিশনারেটের খুলনা অঞ্চলের কমিশনার কেএম অহিদুল ইসলাম ও একই কথা বলেন। তবে ভোমরা বন্দরকে অর্থনীতির খোলা জানালা হিসেবে সম্ভাবনাময় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ৫১

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫১ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে বুধবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে ইয়াবাসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।

আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১০ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৭ জন, তালা থানা ৬ জন, কালিগঞ্জ থানা ৬ জন, শ্যামনগর থানা ৯ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
এর মধ্যে পাটকেলঘাটা উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য রেজাউলসহ জামায়াতের ১০ নেতা-কর্মী ও খলিশখালী ইউনিয়ন যুবদলের সেক্রেটারী আওয়াল সরদার রয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন — পাচার হওয়া মেয়েকে ফিরে পেতে চায় পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ সৌদে আরবে পাচার হয়ে যাওয়ার পর নির্যাতনের শিকার হওয়া মেয়েকে ফিরে পেতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক দিনমজুর। বুধবার সকাল ১১ টায় ওই দিন মজুর সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তার মেয়েকে ফিরে পেতে ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
লিখিত বক্তব্যে সাতক্ষীরা সদর উপরেজলার মাগুরা কর্মকার পাড়ার ওই দিন মজুর বলেন,
তার মেয়েকে (২২) হাসপাতালে ৪০ হাজার টাকা মাসিক বেতনে নার্সের চাকুরি দেওয়ার নাম করে গত পহেলা ফেব্র“য়ারি বাড়ি থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় আন্তর্জাতিক নারী পাচার সিণ্ডিকেডের সদস্য প্রতিবেশী নাছিমা খাতুন ও তার সহযোগি খুলনা শহরের টুটপাড়ার কামরুজ্জামান ওরফে সোহাগ বাবু। ঢাকার কলাবাগানের তানিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে জান্নাতিকে সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়ার পরপরই সেখানকার দালাল ফরহাদের মাধ্যমে সেখানকার সমুদ্র বন্দর ‘দাম্মাম খাবজি’ এর নিকটবর্তী দুম্বা খাটালের মালিক ‘হায়ান ম্যাডাম অরফা’ এর কাছে চার লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। এর আগে প্রকৃত জন্মসনদ বাদ দিয়ে তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপুর কাছ থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে জন্মসনদ সংগ্রহ করে পাসপোর্ট তৈরিতে ব্যবহার করেন নাছিমা ও সোহাগ বাবু। প্রথম দিন থেকেই জান্নাতিকে ১০ থেকে ১১ জন পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হয়। অপারগতা প্রকাশ করায় সারা দিনে মাত্র একটি রুটি ও পানি খাইয়ে রেখে নির্যাতন চালানো হয়। সে যাতে বাড়িতে যোগাযোগ করতে না পারে সেজন্য তার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেওয়া হয়। সম্প্রতি বাড়িওয়ালীর ইমো মোবাইল ফোন থেকে জান্নাতি তার উপর নির্যাতনের কাহিনী পরিবারেরর সদস্যদের জানায়। এখানে শুধু সে নয়, বাংলাদেশী আরো বেশ কয়েকজন নারীকে সেখানে এনে একইভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে।
গত ২৩ আগষ্ট আন্তঃজার্তিক নারী পাচারকারি দলের সদস্য খুলনার সোহাগ বাবু তাদের বাড়িতে এসে বড় মেয়েকে সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইতিপূর্বে দাবিকৃত এক লাখ টাকা ও পাসপোর্ট বই নিতে আসেন। ওই দিন কৌশলে তাকে ছেড়ে দিয়ে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে র‌্যাব এর সহযোগিতায় গত ২৮ আগষ্ট সন্ধ্যায় খুলনা সোনাডাঙা বাসষ্টাণ্ডে এসে এক লাখ টাকা ও বড় মেয়ের পাসপোর্ট দেওয়ার কথা বলে সোহাগ বাবুকে আটক করা হয়। র‌্যাব এর কাছে সোহাগ বাবুর স্বীকারোক্তি অনুযায়ি পরদিন মাগুরার কর্মকারপাড়া থেকে দালাল নাছিমাকে গ্রেফতার করে সদর থানার পুলিশ। এ ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে ২৯ আগষ্ট রাতেই নাছিমা ও সোহাগ বাবুর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাননামা চার জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক অনুপ কুমার দাস সোহাগ বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৫দিনের রিমাণ্ড আবেদন জানালেও নাছিমাকে রিমাণ্ডের জন্য আবেদন করেননি। এমনকি গত ৪ সেপ্টেম্বর রিমাণ্ড শুনানীকালে দুুর্বল উপস্থাপনার কারণে আদালত তা মঞ্জুর করেনি। এরপরপরই গ্রেফতারকৃত সোহাগ বাবুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দু’টি তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার পর মেয়েকে নতুন করে নির্যাতন করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের আবারো রিমাণ্ডের আবেদন জানাতে বললে ওই দারোগা উদ্যোগ নিচ্ছেন না। ফলে আসামীরা জামিন পেয়ে গেলে তার মেয়েকে আর জীবন্ত অবস্থায় দেশে ফেরানো সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।
বহু পুরুষের শয্যাসঙ্গিনী হতে আপত্তি করায় ইতিমধ্যেই মেয়ের দু’ স্তন, উরু, পা ও হাত গরম ইস্ত্রি দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ডান চোখটি ঘুষি মেরে ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। দু ’পাচারকারি গ্রেফতার হওয়ার পর নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়ে গেছে। তাদেরকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে মেয়েকে যে কান সময় মেরে ফেলা হবে বলে তাকে জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে শরীরে দগদগে ক্ষত নিয়ে প্রতিদিন যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া মেয়েকে জীবন্ত অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে আনতে গ্রেফতারকৃতদের রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য সৌদি আরবস্থ বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রি, প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, মানবাধিকার সংগঠণ ও বিচার বিভাগের সুদৃষ্টি কামনা করা হয়।
জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক অনুপ কুমার দাস জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জাতীয় নজরুল সম্মেলন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ সাতক্ষীরায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় নজরুল সম্মেলন। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমিতে। চলবে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের অফিস চত্বর থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রা এসে শেষ হয় শিল্পকলা একাডেমিতে। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার। এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন নজরুল গবেষক জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের যুগ্মসচিব এএফএম হায়াতুল্লাহ, নজরুল ইন্সিটিটিউটের নির্বাহী পরিচালক অতিরিক্ত সচিব আবদুর রাজ্জাক ভুইয়া , সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রায় , নজরুল ইন্সটিটিউটের সচিব মো. আবদুর রহিম, প্রফেসর কাজী মো. অলিউল্লাহ ও প্রফেসর আশুতোষ সরকার। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও কবি নজরুল ইন্সটিটিউটের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ সম্মেলন ।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা নজরুলকে সাম্যবাদী হিসাবে আখ্যায়িত করে বলেন নজরুলের ‘চল চল চল উর্ধ গগনে বাজে মাদল নি¤েœ উতলা ধরনী তল, চলরে চলরে চল’ কবিতা আমাদের ব্রিটিশ বিদ্রোহ মানসকে শাণিত করেছে। তার ধুমকেতু পত্রিকায় নজরুল প্রথমেই স্বাধীনতার দাবি তোলেন উল্লেখ করে তারা আরও বলেন ভারতবর্ষের এক ইঞ্চি জমিও ব্রিটিশরা দখলে রাখতে পারবে না বলে হুশিয়ারি উচ্চারন করেছিলেন তিনি। নজরুল ‘আনন্দময়ী মায়ের আগমনী’ লিখে অসাম্প্রদায়িকতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি ১৯১৯ সালে নবযুগ পত্রিকা এবং পরে ১৯২২ সালে ধুমকেতু সম্পাদনা করেন। তিনি ছিলেন প্রেমের কবি, তিনি ছিলেন বিদ্রোহী কবি । নজরুল নিজেই ছিলেন নিজের শিক্ষক। নজরুল আমাদের প্রেরণা। নজরুল আমাদের পথপ্রদর্শক। নজরুলকে আমাদের হৃদয়ে অনুভূতিতে আনতে হবে । তার আদর্শকে আমাদের অনুসরন করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest