সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচনদেবহাটায় পুলিশ সদস্যের অবসরজনিত বিদায়ী সংবর্ধনাদেবহাটায় এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতনসাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণাখালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমা

মেয়েদের লাশ ব্যাগে, স্ত্রীর লাশ ফ্রিজে, স্বামী ঝুলছেন ফ্যানে

ভিন্ন রকমের খবর: একই পরিবারের ৫ সদস্যের লাশ পাওয়া গেছে ঘরের বিভিন্ন যায়গায়। পুলিশের অনুমান গৃহকর্তা মনোজ কুশওয়াহাই তার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে খুন করে পরে নিজেও আত্মহত্যা করেন।

এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের এলাহাবাদে। এদের মধ্যে আছেন দুইজন স্বামী ও স্ত্রী। নিহত শিশুরা তাদেরই মেয়ে।

পুলিশের কাছ থেকে জানা যায়, মরদেহগুলো বাড়িটির একেক জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্বামীর মরদেহটি ঝুলছিল সিলিংফ্যানের সঙ্গে। তার স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে ফ্রিজ থেকে। এছাড়া তিন শিশুর মধ্যে দুইজনের মরদেহ একটি সুটকেস থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাকি একজনের মরদেহ রাখা ছিল অন্যঘরে, একটি আলমারিতে।

তবে কি কারণে এই হত্যা ও আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নয় পুলিশ। তবে তাদের অনুমান, সম্ভবত কোনো পারিবারিক কলহ বা স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের জের ধরে এই হত্যাগুলো হয়ে থাকতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেতাকর্মীদের এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ শেখ হাসিনার

রাজনীতির খবর: সরকারের উন্নয়ন চিত্র যার যার এলাকায় গিয়ে মানুষের কাছে তুলে ধরতে নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । বুধবার (২২ আগস্ট) গণভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়েরর সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ নির্দেশনার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘জনগণ খুশি থাকলে, তারা ভোট দিলে, আবারও ক্ষমতায় আসবো। ভোট না দিলে আফসোস নেই। দেশের মানুষের জন্য কাজ করছি।’

এসময় প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতাসহ ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টে নিহত সবার জন্য দোয়া করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের সুখ-সমৃদ্ধির জন্য কাজ করার চেষ্টা করছি। শোক ও ব্যথা বুকে নিয়ে শোকের মাসেও সবার জন্য ঈদআনন্দ শান্তিপূর্ণ করতে কাজ করছি।’
এর আগে তিনি গণভবনে দলীয় নেতাকর্মী, রাজনীতিবিদ, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে তিনি বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সবচেয়ে ক্ষতিকর অভ্যাস ধূমপান ও মদপান!

লাইফস্টাইল: মানুষের জীবনে সবচেয়ে ক্ষতিকর ও বাজে অভ্যাস তামাকজাতপণ্য গ্রহণ, ধূমপান ও মদপান। কারণ এগুলো মানুষকে অব্যহতভাবে নেশাগ্রস্থ করে এবং সরাসরি মস্তিষ্কো অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্তেজিত করে। খুব সচেতনতার সাথে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণের পরও ধূমপান ও মদপান ত্যাগ না করলে কিছু রোগ প্রতিরোধ করা যাবে না। কারণ এ দুটি উপাদান গ্রহণের ফলে শরীরে এনজাইম অতিরিক্ত ব্যবহার হয় বা শরীরে কাজ করতে বাধাগ্রস্থ হয়। তামাক ও মদ দেহে অ্যাসিডের পরিমান বাড়ায় যা নানা রকম রোগ সৃষ্টিতে সহায়ক।

ধূমপান দেহের শিরাগুলো সংকোচন করে দেয় এবং অতি সুক্ষ শিরাগুলোতে রক্তপ্রবাহ, দেহে অক্সিজেন প্রবাহ এবং পুষ্টিপ্রবাহ মারাত্মক বাধাগ্রস্থ করে। এ কারণে দেহবর্জ্য প্রয়োজনীয় মাত্রায় বের হতে না পেরে দিনদিন বর্জ্য পরিমাণ বাড়তে থাকে। ধূমপানে শুধু ফুসফুসের কার্জক্ষমতা কমতে থাকে তা নয়, বরং শিরা উপশিরাগুলো সঙ্কুচিত হয়, অতিরিক্ত এনজাইম ব্যবহৃত হয়, শরীরে অ্যাসিড বেড়ে যায়, অক্সিজেন স্বল্পতা দেখাদেয়; ফলশ্রুতিতে চরম শক্তিঘাটতি দেখা দেয়।

যেসমস্ত বস্তুর ব্যবহার বাদ দিলে অকাল মৃত্যু ঝুঁকি হ্রাস করা যায় তামাক এর মধ্যে শীর্ষে। যত লোক তামাক ব্যবহার করে তার প্রায় অর্ধেক এর ক্ষতিকর প্রভাবে মৃত্যুবরণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে, প্রতিবছর সারাবিশ্বে প্রায ৬০ লাখ লোক তামাকের ক্ষতিকর প্রভাবে মারা যায় (সর্বমোট মৃত্যুর প্রায় ১০%) যার প্রায় ৬ লাখ পরোক্ষ ধূমপানের স্বীকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন সেন্টারও এটাকে বিশ্বব্যাপী অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

তামাক মূলত হৃৎপিণ্ড, লিভার ও ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। ধূমপানের ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD) (এমফাইসিমা ও ক্রনিক ব্রংকাইটিস), ক্যান্সার (বিশেষত ফুসফুসের ক্যান্সার, প্যানক্রিয়াসের ক্যান্সার, ল্যারিংস ও মুখগহ্বরের ক্যান্সার) এর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়ায়। তামাক উচ্চ রক্তচাপ ও প্রান্তীয় রক্তনালীর রোগ সৃষ্টি করে।

গর্ভবতী নারীদের উপর তামাকের ব্যাপক ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। ধূমপায়ী নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভপাত ঘটার হার বেশি। এছাড়া গর্ভস্থ ভ্রূণেরও অনেক ক্ষতি করে- যেমন অকালে শিশুর জন্ম হওয়া (প্রিম্যাচুর বার্থ), জন্মের সময় নবজাতকের ওজন আদর্শ ওজনের তুলনায় কম হওয়া (LBW) ও সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিন্ড্রোম (SIDS) এর হার বেশি । ধূমপাযীদের ক্ষেত্রে যৌন অক্ষমতায় আক্রান্তের আশঙ্কা বেশি।

ধূমপানের মতো মদপানের ক্ষতিকর প্রভাবগুলোও একই। তবে মদপান লিভার ও মস্তিষ্ক আরো বেশি বিষিয়ে তোলে। এর পাশাপাশি বিষণ্নতা (depression)মারাত্মক আকার ধারণ করে।

শারীরিক জটিল সমস্যাগুলোর অন্যতম প্রধাণ কারণ এই দুটি বদ অভ্যাস। এরা দেহকোষগুলোর কার্যক্ষমতা ধীরেধীরে কমায়, আর মানুষ অসুস্থ হতে থাকে। এখন প্রশ্ন করতে পারেন, অনেকেই ধূমপান করেন না কিন্তু তারাও রোগাক্রান্ত হচ্ছেন? উত্তর হলো- তারা অন্যকোনোভাবে অস্বাস্থকর খাদ্যগ্রহণ এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভেনেজুয়েলায় ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

বিদেশের খবর: ভেনেজুয়েলার উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর কারণে রাজধানী কারাকাসের ভবনগুলো খালি করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৩। স্থানীয় সময় সঙ্গলবার বিকেলে অনভূত হওয়া ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশটির ইরাপ প্রদেশ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী, মঙ্গলবারের এ ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল উপকূলীয় ইরাপ প্রদেশে। যা কেরাকাস রাজ্যের রাজধানী ২৮৬ মাইল দূরে।

এ ব্যাপারে প্যাসিফিক সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র জানায়, ভূমিকম্পের উপকেন্দ্রের প্রায় ২০০ মাইলের মধ্যে সুনামি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এদিকে এরইমধ্যে গ্রানাডা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোসহ সংশ্লিষ্ট উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

তবে ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি ও স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি হলেও কোন প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোরবানির মাংস সংরক্ষণ

স্বাস্থ্য কণিকা: কোরবানির ঈদে মাংস সংরক্ষণ অনেকের চিন্তা বিষয় হয়ে ওঠে। ফ্রিজের কল্যাণে সে কাজটা সহজ হয়ে গেছে। এ কারণে অনেকেই কোরবানির আগে নয়া ফ্রিজ কেনেন। নিয়ম মেনে কোরবানির মাংস গরীবদের এবং আত্মীয়-স্বজনদের দেওয়ার পরও প্রয়োজন হয় সংরক্ষণের। অনেকেই জানেন না কোরবানির মাংস কতদিন পর্যন্ত ফ্রিজে রাখা যায়। এখানে মাংস সংরক্ষণ বিষয়ে কিছু তথ্য দেয়া হলো।

১. ফ্রিজে গরুর মাংস ৫-৬ মাস, খাসির মাংস ৪-৫ মাস পর্যন্ত রাখা যায়। তবে কলিজা বেশিদিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। এ ছাড়া উট, মহিষের মাংস ৩-৪ মাস রাখা যাবে। আর ভেড়া রাখা যাবে ২-৩ মাস।

২. ফ্রিজের মধ্যে যে বাক্স থাকে সেখানে খোলা মাংস রাখবেন না। প্লাস্টিকের ব্যাগেই মাংস রাখা উচিত। চর্বিসহ মাংসগুলো আলাদা রাখাই ভালো। ফ্রিজে রাখার আগে, ধোয়ার পর পানি ভালো করে ঝরিয়ে নিন। না হলে অনেক দিন রেখে দিলে মাংস নষ্ট হয়ে যাবে।

৩. মাংস ফ্রিজে রাখার এক সপ্তাহের মধ্যে বাসায় ইলেকট্রিসিটি না থাকলে খুব একটা ফ্রিজ খুলবেন না। এতে মাংস শক্ত হওয়ার আগেই বাতাস লাগলে বেশিদিন ভালো থাকবে না।

৪. রান্না করা মাংস ছোট বাক্সে রাখুন। না হলে ফ্রিজ থেকে বের করে মাংস গরম করে আবার ফ্রিজে রাখলে স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৫. ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার নিচে তাপমাত্রায় কাঁচা মাংস ৪ থেকে ৬ দিন রাখা যায়।

৬. জিরো ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার নিচে রাখলে গরুর কাঁচা মাংস ১২ মাস ভালো থাকবে।

৭. মাংস ফ্রিজে রাখার আগে প্যাকেটের গায়ে তারিখ লিখে রাখুন। এতে মাংসগুলো কতদিন সংরক্ষণ করা হয়েছে সেটা সহজেই বোঝা যাবে।

৮. ফ্রিজে মাংস রাখার ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ঠিক আছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৯. আর ফ্রিজে মাংস রাখার ক্ষেত্রে বড় বড় টুকরা করে রাখতে হবে। কারণ, ছোট টুকরাতেও অনেক সময় পানি ও রক্ত জমে থাকে।

১০. মাংস ফ্রিজে রাখার আগে অবশ্যই মাংস থেকে রক্ত, চর্বি, পানি পরিষ্কার করে নিতে হবে। এগুলো থাকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।

১১. মাংস অবশ্যই প্লাস্টিকের ব্যাগে বা অ্যালমুনিয়াম ফয়েলে রাখতে হবে। প্লাস্টিকের ব্যাগ বা অ্যালমুনিয়াম ফয়েলে রাখলে বাতাস থাকে না। বাতাস ঢুকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।

১২. তবে পুষ্টিগুণের কথা চিন্তা করতে হলে অবশ্যই মাংস এক মাসের মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত বলে পরামর্শ দেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপিওভুক্তির আবেদন করেছে ৬৪১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের

শিক্ষা সংবাদ: এমপিওভুক্তির জন্য সারা দেশের প্রায় সাড়ে ছয় হাজার স্কুল-কলেজ আবেদন করেছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অনলাইনে এ আবেদন জমা পড়ে। গত ১৫ দিনে এসব অনলাইন আবেদন জমা পড়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে এমপিওভুক্তি প্রতিষ্ঠান যাচাই-বাছাই কমিটির আহ্বায়ক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ বলেন, এমপিওভুক্তির জন্য সাধারণ স্কুল-কলেজ থেকে ছয় হাজার ৪১২টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন জমা হয়েছে। গত ৫ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন কার্যক্রম চলে।

কতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে তালিকা করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল এখন সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। ঈদের ছুটির পর আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা ও যোগ্যতার ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দেয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী ৮ সেপ্টেম্বরের পর আবেদন করা প্রতিষ্ঠানের যাচাই-বাছাই কাজ শুরু হবে। এরপর খসড়া তালিকা মন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। চলতি অর্থবছরে স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্তিতে ৪৩২ কোটি দুই লাখ ৭৩ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গত বছর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) সারা দেশের এমপিওবিহীন সাত হাজার ১৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে বার্ষিক দুই হাজার ১৮৪ কোটি ২৭ লাখ ৫২ হাজার ২৫০ টাকা চাহিদা পাঠিয়ে ছিল মন্ত্রণালয়ে। এ হিসাবে বরাদ্দকৃত অর্থে পাঁচ শতাধিক প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা সম্ভব হবে। সংসদীয় আসনপ্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের। সেভাবেই সফটওয়ারের মাধ্যমে গ্রের্ডিং করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট থেকে আবেদন নেয়া শুরু হলে মন্ত্রী-এমপিরা নিজ নিজ এলাকার স্কুল-কলেজ এমপিও করতে তদবির শুরু করেছেন। এরই মধ্যে ডিও লেটারের স্তূপ জমেছে মন্ত্রণালয়ে। তাদের চাহিদা পূরণ করতে হলে অন্তত পাঁচ হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে হবে।

এদিকে, এমপিওভুক্তির জন্য স্কুল-কলেজ আবেদন কার্যক্রম শেষ হলেও কারিগরি ও মাদরাসার এমপিওভুক্তির আবেদন প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। এমপিও নীতিমালাও জারিতেও বিলম্ব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ।

জানতে চাইলে এমপিওভুক্তির জন্য প্রতিষ্ঠান (কারিগরি ও মাদরাসা) যাচাই-বাছাই কমিটির আহ্বায়ক এবং কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও উন্নয়ন) এ কে এম জাকির হোসেন ভুঞা বলেন, সচিব বিদেশে থাকায় এমপিওভুক্তির আবেদন কার্যক্রম শুরু করতে দেরি হচ্ছে। আগামী ২৬ আগস্ট থেকে আবেদন শুরু হবে। ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের পর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি বন্ধ রয়েছে। গত ১০ জুন থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এমপিওভুক্তির দাবিতে বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অনশনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন। পরে সরকারের আশ্বাসে তারা বাড়ি ফিরে যান। এর আগে গত ডিসেম্বর মাসেও জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলন করেছেন। ২০১৩ সাল থেকে শিক্ষকরা দাবি আদায়ে নানা কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই সরকার নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুবলীগ নেতার ধাক্কায় ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যু!

দেশের খবর: কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় যুবলীগ নেতার ধাক্কায় মাটিতে পড়ে গিয়ে মারা গেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বাবুল তালুকদার (৫২)। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একই ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রবিউল আউয়ালের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পদুয়া ইউপির চেয়ারম্যান বাবুল তালুকদার সকাল থেকে পরিষদ কার্যালয়ে ভিজিএফের চাল বিতরণ করছিলেন। পূর্ববিরোধের জের ধরে দুপুর ১২টার দিকে পদুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রবিউল আউয়াল পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে বাবুল তালুকদারের সঙ্গে তর্কবিতর্ক শুরু করেন। একপর্যায়ে বাবুলকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন রবিউল। এতে ঘটনাস্থলেই বাবুল তালুকদার মারা যান।

খবর পেয়ে দাউদকান্দি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবুল তালুকদারের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য বলেন, নির্বাচনী বিষয় নিয়ে বাবুল তালুকদারের সঙ্গে রবিউল আউয়ালের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। মাটিতে পড়ে সম্ভবত তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
কুমিল্লার সহকারী জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার মহিদুল ইসলাম বলেন, বাবুল তালুকদারের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই আসল রহস্য উদঘাটন হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইদ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের শুভেচ্ছা বাণী
শুভেচ্ছা বাণী
সাতক্ষীরাবাসীসহ সকলকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা। ঈদ মানে আনন্দ, ঘরের দুয়ারে কড়া নাড়ছে ঈদ উৎসব, উচ্ছ্বাস আর আনন্দের ঝলকানি সর্বত্র। মুসলিম সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ধনী গরীবের ব্যবধান দূরীভূত হয়। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সকলের ঈদ এবং পশু কোরবানির মাধ্যমে দূরীভূত হোক সকলের মনের পশুত্ব। শহর ও গ্রামের মেঠো পথ গুলোতে আগতদের হাটাচলার ধুম। ক্লান্তিহীন যাত্রা আর বিরামহীন পথচলা, নাড়ীর টানে ঘরে ফেরা মানুষগুলোর জন্য কেবল সড়ক ও মহাসড়ক গুলো জনবহুল এবং কর্মচাঞ্চল্যে পূর্ণতা পাচ্ছে তা নয়, নাড়ির টানে ঘরে ফেরা মানুষগুলো পরিবার পরিজনের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করবে। তাই সব ধরণের বন্ধুর পথকে অতিক্রম করার জন্য সাতক্ষীরা শহর ও গ্রামকে পুলিশি নিরাপত্তা বেষ্টনীতে আনা হয়েছে। নিরাপত্তা নির্বিঘœ করতে প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

(মোঃ সাজ্জাদুর রহমান)
পুলিশ সুপার
সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest