সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ

সাতক্ষীরায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের মিছিল পুলিশের বাঁধায় পন্ড ॥ আটক-৩

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচনকালিন নিরপেক্ষ তদারকি সরকার গঠনসহ চারদফা দাবীতে সাতক্ষীরায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ মিছিল পুলিশের বাঁধায় পন্ড হয়ে গেছে। এ সময় পুলিশ মিছিল থেকে তিনজন নেতাকে আটক করে নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আটকৃতরা হলেন, জেলা বাসদের সমন্বয়ক নিত্যনন্দ সরকার, বাসদের সদস্য অ্যাড. খগেনন্দ্রনাথ ঘোষ ও প্রশান্ত কুমার রায়।
তফসিল ঘোষণার পূর্বে বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালিন নিরপেক্ষ তদারকি সরকার গঠন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার পূর্বে বর্তমান জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া সহ চারদফা দাবীতে দেশব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বাম গণতান্ত্রিক জোট বিক্ষোভ মিছিল সহকারে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব থেকে নির্বাচন অফিসের দিকে রওনা হয়। প্রেসক্লাব থেকে বের হওয়ার পরপরই গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সদর থানা পুলিশ মিছিলটি বাঁধা দিয়ে পন্ড করে দেয়। এসময় বামগণতান্ত্রীক জোটের মিছিল থেকে তিনজন নেতাকে আটক করে নিয়ে যায়। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে পুলিশ ব্যানারটিও ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিলে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা প্রেসক্লাবের ভিতরে ঢুকে পড়ে। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সরকার বিরোধী কর্মকান্ড করার অভিযোগে তাদেরকে আটক করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়েটের কিছু ভুল

ডায়েটের কিছু ভুল

কর্তৃক daily satkhira

স্বাস্থ্য কণিকা: অনেক সময় দেখা যায়, ডায়েট করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছেন না অনেকে। কারণ, ডায়েটের সময় আমরা এমন কিছু ভুল করি যেগুলোর জন্য মেদ কমাতো দূরের কথা, উল্টো আমাদের শরীরের ওজন বাড়ার সাথেসাথে অনেক ক্ষতিও হয়। ফলে পড়তে হয় নানারকম শারীরিক সমস্যায়।

ডায়েটের ক্ষেত্রে আমরা হরহামেশাই যে ভুলগুলো আমরা করে থাকি-
১. কক্ষ তাপমাত্রার পানি খাওয়া
আমরা পানি সাধারণত কক্ষ তাপমাত্রায় খেয়ে থাকি। তবে জার্মান একটি গবেষণা বলছে ৬ কাপ ঠাণ্ডা পানি খেলে আপনার ৫০ ক্যালরি পর্যন্ত ক্ষয় হতে পারে। এতে বছরে ৫ পাউন্ড ওজন কমতে পারে। ঠাণ্ডা পানি শরীর থেকে তাপমাত্রা গ্রহণ করায় ক্যালরি খরচ হয়।

২. পরিমাণমত না খাওয়া
ওজন কমানোর জন্য আপনাকে কম ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে কিন্তু খেয়াল রাখবেন তা যাতে বেশি কম না হয়ে যায়। শরীর তার পর্যাপ্ত ক্যালরি না পেলে শক্তির জন্য তা আপনার পেশিকলা ক্ষয় করে ক্যালরি সঞ্চয় করবে। তাই প্রয়োজনীয় পরিমাণ খাবার গ্রহণের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। চেষ্টা করুন প্রতি ৩-৪ ঘণ্টা পরপর অল্প অল্প করে খেতে। এটা আপনার একবারে বেশি খাওয়া থেকে রক্ষা করবে।

৩. চা বা কফি না খাওয়া
চা এবং কফি আপনার কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে সতেজ রাখে যা আপনার মেটাবোলিজম ৫ থেকে ৮ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়, দিনে ৯৮ থেকে ১৭৪ ক্যালরি ক্ষয় করতে পারে। এক কাপ গরম চা মেটাবোলিজম বাড়াতে পারে ১২%।

৪. খাবারে প্রোটিন কম থাকা
খাবারে যাতে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আপনার পেশীকে সঠিক আকারে রাখতে প্রোটিন অপরিহার্য। গবেষকরা জানান, পর্যাপ্ত প্রোটিন আপনার ৩৫% পর্যন্ত ক্যালরি ক্ষয় করতে পারে।

৫. জীবাণুমুক্ত খাবার
জীবাণুমুক্ত খাবারের অংশ হিসেবে অনেকেই হিমায়িত খাদ্য খেয়ে থাকেন। কিন্তু গবেষণা বলছে, তাজা খাবার আপনার ডায়েটের জন্য বেশি উপকারী। বিভিন্ন ফলমূল এবং শাকসবজি আপনি যত তাজা খাবেন তত আপনার ক্যালরি ক্ষয়ে সাহায্য করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাতি বাঁচাতে মৌমাছি

অনলাইন ডেস্ক: ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যু রুখতে এবার ভারতীয় রেল বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। হাতির করিডরগুলোতে এমন ডিভাইস ব্যবহার করবে রেল, যা থেকে ছড়াবে মৌমাছির আওয়াজ। যা ৬০০ মিটার দূর থেকে শুনতে পাবে হাতির পাল।
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের গুয়াহাটির কাছে পরীক্ষামূলকভাবে লাগনো হয়েছে এই ডিভাইস। যা উপযুক্ত কাজ করছে বলে রেল জানিয়েছে।
মাত্র ২ হাজার টাকা খরচের বিনিময়ে এই মৌমাছির গুঞ্জনের ডিভাইস করা যাচ্ছে। ফলে একেবারে সামান্য খরচে এত বড় ফল রেলের কাছে এখন হাতে স্বর্গ পাওয়ার মতো।
রেল প্রতিমন্ত্রী রাজেন গোঁহাইন কিছুদিন আগেই জানিয়েছিলেন, ২০১৪ থেকে ২০১৭ মধ্যে লাইন পারাপারের সময় ট্রেনের ধাক্কায় মারা গেছে ৩৫টি হাতি। গত এপ্রিল মাসে হাওড়া-মুম্বই মেলের ধাক্কায় ওড়িশার ঝাড়সুগুদা শাখার তেলিদিহিতে চারটি হাতি মারা যায়। বারবার এই হাতি মৃত্যুতে রেল-রাজ্য তরজা লেগেই রয়েছে। বারবার নানা পদক্ষেপ করেও সুফল তেমন পাওয়া যায়নি। এই দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার নতুন ভাবনা রেলের ঘরে।
ছোট মৌমাছির হুলকে অঙ্কুশের ফলার চেয়েও বেশি ভয় পায় হাতি। এই বদ্ধ ধারণা থেকেই এবার রেলের নবতম পরিকল্পনা। হাতি তাড়াতে এবার মৌমাছির গুঞ্জনকে হাতিয়ার করা। আর এই কায়দা নিতে হাতির করিডরগুলিতে এমন এক ডিভাইস লাগানো হচ্ছে যাতে ভোঁ ভোঁ শব্দ হবে মৌমাছির গুঞ্জনের মতো। যা ৬০০ মিটার দূর থেকে শুনতে পাবে হাতির পাল। শুনেই আর সেমুখো হবে না তারা। যা গাড়ি আসার আগেই চালানো হবে কিছুক্ষণ যাবৎ। এই মোক্ষম দাওয়াই কাজে আসবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এক একটির দাম মাত্র দু’হাজার টাকা। ফলে উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ রেলের যে জায়গাতে হাতি লাইন পারাপার করে সেখানে ব্যবহার করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সকালে রসুন খাওয়ার উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: অনেকের কাছেই সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়াটা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু খালি পেটে রসুন খাওয়া দেহের জন্য ভীষণ স্বাস্থ্যকর একটি ব্যাপার।
খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সাথে রান্না করা অবস্থায় খেলে হয় না। এটি শুধু বিভিন্ন ধরণের রোগ দূরই করে না, পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে : অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপের শিকার তারা দেখেছেন, রসুন খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ উপশম হয়। রসুন খাওয়ার ফলে তারা শরীরে ভাল পরিবর্তন দেখতে পায়।

শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে : অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন প্যারাসাইট, কৃমি পরিত্রাণ, জিদ, সাঙ্ঘাতিক জ্বর, ডায়াবেটিস, বিষণ্ণতা এবং ক্যান্সার এর মত বড় বড় রোগ প্রতিরোধ করে।

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক : গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খাওয়া হলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর মতো কাজ করে। সকালে নাস্তার পূর্বে রসুন খেলে এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে। তখন রসুন খাওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে। তখন শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াসমূহ আর রক্ষা পায় না।

যক্ষা প্রতিরোধক : আপনার যদি যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় কোন সমস্যা ধরা পড়ে, তাহলে সারাদিনে একটি সম্পূর্ণ রসুন কয়েক অংশে বিভক্ত করে বার বার খেতে পারেন। এতে আপনার যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে সহায়তা পাবেন।

অন্ত্রের জন্য ভাল : খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে। এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় যেমন- ডায়রিয়া। এটা হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এটি স্ট্রেস দূর করতেও সক্ষম। স্ট্রেস বা চাপের কারনে আমাদের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যায় পরতে হয়। তাই, খালি পেটে রসুন খেলে এটি আমাদের স্নায়বিক চাপ কমিয়ে এ সকল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

শ্বসন : রসুন যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করে। রসুন এ সকল রোগ আরোগ্যের মাধ্যমে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।

সতর্কবার্তা
যাদের রসুন খাওয়ার ফলে এলার্জি হবার আশঙ্কা রয়েছে বা হয় তারা অবশ্যই কাঁচা রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এছাড়া যাদের রসুন খাওয়ার ফলে মাথা ব্যথার সমস্যা হয়, বমির প্রাদুর্ভাব হয় বা অন্য কোন সমস্যা দেখা যায় তাদের জন্য কাঁচা রসুন না খাওয়াই ভাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিকালে মর্যাদার লড়াই টাইগারদের; দলে ৩ টি পরিবর্তন

খেলার খবর: এশিয়া কাপের ‘বি’গ্রুপে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে একটি করে জয়ে, এক ম্যাচ হাতে রেখেই সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান।
আবুধাবিতে আজ বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আফগানদের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল। বলা যায়, টাইগারদের জন্য মর্যাদার লড়াই আজ। অবশ্য দু’দলের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ নির্ধারণ হওয়া ছাড়া আর কোনো হিসাব নেই আজকের ম্যাচে।
তবে প্রতিপক্ষ যখন আফগানিস্তান, তখন জয়টা বাংলাদেশের কাছে মর্যাদার।
বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় আবুধাবিতে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।
মাশরাফি বাহিনী গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে এশিয়া কাপের ঠাসা সূচির মধ্যে আরও জটিল সমীকরণে পড়তে হবে। তবে সম্মান, মর্যাদার কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ শিবিরে জয় ছাড়া আর কিছুই ভাবনায় নেই।
এশিয়া কাপের ‘বি’ গ্রুপের সমীকরণ দাঁড়িয়ে অদ্ভুত জায়গায়। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দলেরই তুলনামূলক বিপদ বেশি। জিতলেই পরদিন ম্যাচ খেলতে দুবাই থেকে ছুটতে হবে আবার আবুধাবিতে। এখানেই শেষ নয়, এর একদিন বিরতির পরই আবার দুবাই থেকে আবুধাবি। যেন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলেই বিপদ!
এবার দুই ভেন্যুতে খেলা হলেও দলগুলো থাকছে দুবাইয়ে। ম্যাচের দিন দলগুলোকে দুবাই থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার বাস ভ্রমণ করে আবুধাবিতে যেতে হচ্ছে। রানার্সআপ হলেই দুবাইয়ে খেলা হবে, ভ্রমণ ক্লান্তি নিয়ে ভাবতে হবে না।
সব মিলিয়ে সামনের চ্যালেঞ্জটা আরও কঠিন বলে সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে চান কোচ স্টিভ রোডস। এমন ভাবনা থেকেই মুশফিককে বিশ্রামে রাখার পক্ষে রয়েছেন কোচ।
এদিকে, তামিম ছিটকে যাওয়ায় নাজমুল হোসেন শান্তর ওয়ানডে অভিষেক হওয়া অনেকটাই নিশ্চিত। নতুন করে অভিষেক হতে পারে মুমিনুল হকেরও।
এ বিষয়ে কোচ রোডস বলেন, ‘তামিম নেই, তবে মুমিনুল ও শান্তকে পাওয়ায় আমরা সৌভাগ্যবান, যারা তামিমের জায়গায় খেলতে পারে। তামিমের অভাব পূরণ করা মোটেও সহজ নয়। তবে ওরা দু’জনই দারুণ সম্ভাবনাময়।’
বাংলাদেশের গ্রুপে থাকার পর থেকেই আফগানিস্তানকে নিয়ে আলোচনা। মাশরাফিরা যদিও ৫০ ওভারের ম্যাচ হওয়ায় ভাবতে চান না তাদের নিয়ে। সদ্য টেস্ট মর্যাদা পাওয়া দলটির সঙ্গে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ খুব বেশি ভালো ফল করতে পারেনি। ২০১৪ এশিয়া কাপে ফতুল্লায় প্রথম মুখোমুখিতে হেরেছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। মাঝে আরও চার ম্যাচের একটিতে জিতেছে আফগানিস্তান।
সবশেষ দু’দল মুখোমুখি হয়েছিল এ বছর জুনে ভারতের দেরাদুনে টি ২০ সিরিজে। সেখানে হোয়াইটওয়াশ হয় সাকিব আল হাসানের দল।
চলতি এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের তিন স্পিনার রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী ও মুজিব-উর-রহমান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়ে লঙ্কানদের ইনিংসে ধস নামান। আফগানদের বোলিংয়ে শক্তির জায়গা এই তিন স্পিনার। আবুধাবিতে স্পিনাররাও সুবিধা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, টুর্নামেন্টের মাঝপথে সূচি বদলের কারণে ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দুইটি ম্যাচ খেলতে হবে টাইগারদের। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর দিনই সুপার ফোরে ভারতের বিপক্ষে খেলবে দল।
প্রচণ্ড গরম আর কঠিন কন্ডিশনে ইনজুরি প্রবণ মুস্তাফিজকে টানা দুই দিন খেলাতে চায় না দল। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য তরতাজা রাখতে মুস্তাফিজকে বিশ্রামে রাখা হবে। মাঠে নামানো হবে পেসার আবু হায়দার রনিকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উচ্চতা বাড়বে খাবারে

উচ্চতা বাড়বে খাবারে

কর্তৃক daily satkhira

স্বাস্থ্য কণিকা: সাধারণত মানুষের দেহের বৃদ্ধি ২১ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে। আর এই বাড়ন্ত সময়ে যদি প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় এই খাবারগুলো রাখা যায় তবে দেহের উচ্চতা বৃদ্ধির গতি বৃদ্ধি পাবে।
তাহলে এবার জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবারগুলি উচ্চতা বৃদ্ধি করতে বিশেষভাবে সহায়ক।

১) বাঁধাকপি: উচ্চতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। কারণ বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে।

২) ব্রোকলি: সামান্য তেতো স্বাদের কারণে অনেকে ব্রোকলি পছন্দ করেন না। তবে উচ্চতা বৃদ্ধিতে সবুজ রঙের এই সবজিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

৩) পালং শাক: নিয়মিত পালং শাক খেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যে উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল। আর এই উপাদানগুলি উচ্চতা বৃদ্ধি করে থাকে।

৪) ঢেঁড়স: ঢ্যাড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, জল ও ফাইবার যা গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে। আর তাই উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক যে সবজিগুলি আছে, তার মধ্যে ঢ্যাড়স অন্যতম।

৫) মটরশুঁটি: মটরশুঁটি ছোট বড় সবাই বেশ পছন্দ করেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লুটেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। তবে শুকনো মটরশুঁটিতে এই সকল উপাদান উপস্থিতি থাকে না।

৬) সয়াবিন: সয়াবিনের প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে যার টিস্যু ও হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিদিন ৫০ গ্রাম সয়াবিন খান আর দেখুন আপানার উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি বেড়ে গিয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহেই।

৭) শালগম: শালগম অনেকেরই পছন্দের সবজি। এই শালগমই আপনাকে উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। শালগমে আছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, প্রোটিন, এবং ফ্যাট। এই উপাদানগুলো উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এখনো সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ : যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক: এখনো সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার প্রকাশিত মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়, ২০১৭ সালে বাংলাদেশের মাটিতে সংঘটিত জঙ্গি হামলার সংখ্যা কমলেও ‘ইসলামিক স্টেট’ বা আইএসের মতো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর হামলার ঝুঁকি এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি।
প্রতিবেদনটিতে সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রশংসা করা হয়। এ ছাড়া সীমান্ত ও বিদেশে যাওয়া-আসার পয়েন্টগুলোতে বাংলাদেশের কঠোর নজরদারি প্রচেষ্টার প্রশংসা করা হয়। তবে এতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে।
সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটলে বাংলাদেশ সরকার স্থানীয় সন্ত্রাসীদের দায়ী করে বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ২০১৫ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত অন্তত ৪০টি হামলায় ভারতীয় উপমহাদেশীয় আল-কায়েদা (একিউআইএস) এবং আইএসআইএস দায় স্বীকার করেছে।
র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‍্যাব) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট যৌথ উদ্যোগে সন্দেহভাজন সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এবং এতে অনেক সময় সন্দেহভাজন সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হত্যাও করা হয়। যেগুলোকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর আপত্তিও রয়েছে।
জাতিসংঘের নিয়মানুযায়ী, বাংলাদেশ তাদের সীমান্ত এবং বিমানন্দরের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করে আসছে বলেও এতে বলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের কট্টর ইসলামপন্থী সন্ত্রাসীরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে তাদের মতাদর্শ প্রচার করে থাকে। এ দেশের বহু জঙ্গির নাম-পরিচিতি সন্ত্রাসী গঠনগুলোর ভিডিও, ওয়েবসাইট এবং বক্তৃতায় পাওয়া গেছে।
আগের বছরের তুলনায় ২০১৭ সালে সারা দুনিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার পরিমাণ ২৩ শতাংশ কমেছে বলে প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়। ২০১৬ সালের প্রতিবেদনেও দেখা যায়, ২০১৫ সালের তুলনায় সন্ত্রাসী হামলার পরিমাণ কম।
গত বছর সর্বমোট ১০০টি দেশে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে, তার মধ্যে ৫৯ শতাংশ হামলা হয়েছে মাত্র পাঁচটি দেশে। এগুলো হলো আফগানিস্তান, ভারত, ইরাক, পাকিস্তান ও ফিলিপাইন। আর এসব ঘটনায় নিহতদের ৭০ শতাংশই পাঁচটি দেশের নাগরিক। দেশগুলো হচ্ছে আফগানিস্তান, ইরাক, নাইজেরিয়া, সোমালিয়া ও সিরিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অর্থপাচার: ২১ দফা অভিযোগের মুখে নাজিব রাজাক

বিদেশের খবর: রাষ্ট্রায়াত্ত বিনিয়োগ তহবিল ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারিতে ফের গ্রেপ্তার মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের ২১ দফা অভিযোগ আনা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার দুর্নীতি-বিরোধী কমিশন (এমএসিসি)।
ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বারহাদ (ওয়ানএমডিবি) থেকে ৬২ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের অভিযোগে বুধবার পুত্রাজায়ায় গ্রেপ্তার করা হয় দেশটির সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই তহবিল স্থানান্তরের ঘটনায় নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে মোট ২১ দফা আনতে যাচ্ছেন এমএসিসির তদন্তকারীরা।
এর মধ্যে পাচার হওয়া অর্থ গ্রহণের নয়টি, ওই অবৈধ অর্থ ব্যবহারের পাঁচটি, ওই অর্থ অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার সাতটি অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক নূর রশিদ ইব্রাহিম।
এর আগে গত জুলাইয়েও একবার নাজিব রাজাককে গ্রেপ্তার করেছিল এমএসিসি। ওই সময় তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচারসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে মোট ‍সাতটি মামলার তদন্ত চলছে।
বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে মালয়েশিয়াকে শীর্ষ অর্থনীতির দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে নাজিব রাজাক প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ওয়ানএমডিবি তহবিল সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করেন।
কিন্তু পরে ওই তহবিলের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে ওই অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। অবশ্য নাজিব রাজাক বরাবরই সেসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন।
২০১৫ সালে নাজিব রাজাক যখন প্রধানমন্ত্রী, মালয়েশিয়ার আদালত তাকে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছিল। তখন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, সৌদি আরবের রাজ পরিবার নাজিবকে ব্যক্তিগতভাবে ওই অর্থ দিয়েছে।
কিন্তু গত মে মাসের নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ ক্ষমতায় এসে পুনরায় ওই দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশ দেন।
নাজিবের বিভিন্ন বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্টে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধারের পর জুলাইয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest