সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

পাকিস্তান ভারতের কাছে পাচ্ছে ৫৯১ কোটি টাকা!

খেলার খবর: আইনি লড়াইয়ে বিসিসিআইকে হারানোর সুবাস পাচ্ছে পিসিবি। এই লড়াই জিতলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৭০ মিলিয়ন ডলার পাবে পিসিবি। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটীয় দ্বৈরথ এখন কালেভদ্রে দেখা যায়। তারপরও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আইসিসির বিভিন্ন টুর্নামেন্টে যে কয়েকবার দেখা হয়েছে দুই দলের অধিকাংশ ম্যাচে শক্তিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ছাপিয়ে গেছে ভারত। তবে আইনি লড়াইয়ে হয়তো না। ক্রিকেটীয় ময়দানের বাইরে আদালতে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের যে লড়াই চলছে সেখানে পিসিবি জয় তুলে নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে।

ক্রিকেটে ‘তিন মোড়ল’-এর রাজত্বকালে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক চুক্তি (এমওইউ) সই করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। সেই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ২০১৫-২০২৩ সময়ের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সিরিজে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ভারত-পাকিস্তানের। এর মধ্যে চারটি সিরিজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের মাটিতে। কিন্তু বিসিসিআইয়ের অসম্মতির কারণে একটি সিরিজও মাঠে গড়ায়নি।

রাজনৈতিক জটিলতার জন্য সরকারের অনুমতি নেই—সিরিজ না খেলার কারণ হিসেবে এই অজুহাত দেখিয়েছিল বিসিসিআই। এতেই জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং সিরিজ মাঠে না গড়ানোর ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করে পিসিবি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আইনি এ লড়াইয়ে জয়ী হয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বোর্ডের কাছ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৯১ কোটি টাকা) পাওয়ার সুবাস পাচ্ছে পিসিবি।

কারণ, পিসিবির অভিযোগের জবাবে বিসিসিআই কোনো শক্ত কারণ দেখাতে পারেনি। আইসিসি এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) আয়োজিত টুর্নামেন্টে ঠিকই পাকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত। তখন সরকারের আপত্তি না ওঠায় দ্বিপক্ষীয় সিরিজে রাজনৈতিক বৈরিতার অজুহাত ধোপে টিকছে না। অক্টোবরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে তিন দিনের শুনানিতে এই আইনি সমস্যার রায় দেবে আইসিসির বিরোধ নিরসন কমিটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐশ্বরিয়াকে সালমানের ‘না’

বিনোদনের খবর: অনেক প্রত্যাশা তৈরি হলেও ‘ফ্যানে খান’ ছবি বক্স অফিসে সেভাবে সাড়া পায়নি। তবে ছবির নায়িকা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ছবির প্রচারণায় কোনো ত্রুটি রাখেননি। এই ছবিতে ঐশ্বরিয়া ছাড়া আরও আছেন অনিল কাপুর, রাজকুমার রাও এবং দিব্যা দত্ত। ‘ফ্যানে খান’ ছবির প্রচারণার সময় সাবেক এই বিশ্ব সুন্দরী তাঁর ক্যারিয়ারের সঙ্গে জড়িত নানা তথ্য প্রকাশ করেন।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে ‘ফ্যানে খান’ ছবির প্রচারণার এক অনুষ্ঠানে ঐশ্বরিয়া তাঁর ক্যারিয়ারের নানা কথা জানান সাংবাদিকদের। উঠে আসে তাঁর ক্যারিয়ারের গোড়ার দিকের ছবি ‘জোশ’-এর কথা। এই ছবিতে শাহরুখ খান ছিলেন ঐশ্বরিয়ার ভাই। আর তাঁর প্রেমিক ছিলেন চন্দ্রচূড় সিং। এই বলিউড সুন্দরী ‘জোশ’ ছবির প্রসঙ্গে বলেন, ‘ছবিটা প্রথমে সালমান খান এবং পরে আমির খানকে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু সালমান আর আমির দুজনই না করে দেন। এরপর ছবিটা শাহরুখ করেছেন।’
‘জোশ’ ছবিতে প্রথম ঐশ্বরিয়া ও শাহরুখ একসঙ্গে পর্দায় আসেন। যদিও ‘জোশ’ ছবিটা বক্স অফিসে সেভাবে সাফল্য পায়নি। তবে এই ছবির চরিত্রগুলো আজও দর্শক মনে রেখেছে। এরপর ‘মোহব্বতেঁ’ ছবিতে কিং খানের প্রেমিকা হিসেবে দেখা যায় অ্যাশকে।
সালমান এবং ঐশ্বরিয়ার প্রেমের কথা একসময় বলিউডের আকাশে-বাতাসে উড়ে বেড়াত। সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ছবির সেটে তাঁরা একে অপরকে দিল (হৃদয়) দিয়ে বসেন। তবে ভাইজান এবং বিশ্ব সুন্দরীর সম্পর্কের ভাঙনের পর তাঁরা একসঙ্গে আর সিনেমা করেননি।

সেদিন ‘জোশ’ ছাড়া আরও তথ্য ফাঁস করেন ঐশ্বরিয়া। সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘বাজিরাও মাস্তানি’ এবং ‘পদ্মাবত’ ছবির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন অ্যাশই। কিন্তু সাবেক বিশ্ব সুন্দরীর সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো ‘বাজিরাও’ আর ‘আলাউদ্দিন’ খুঁজে পাননি পরিচালক। তাই পরে এই দুটি ছবিতে ঐশ্বরিয়ার বদলে দীপিকা পাড়ুকোনকে নেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি নেতারা গাড়িচালকের মতো বেপরোয়া হয়ে পড়েছেন

দেশের খবর: মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতারা গাড়িচালকের মতো বেপরোয়া হয়ে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, বিএনপি গত ৯ বছরে ৯ মিনিটের আন্দোলন করতে পারেনি। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন ও ছাত্র আন্দোলনের ওপর ভর করেও ব্যর্থ হয়েছেন। সবশেষ নিরাপদ সড়কের আন্দোলনেও ব্যর্থ হয়েছেন তারা। তাই আন্দোলনে হতাশ বিএনপি নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। কিন্তু সরকার এতে ভীত নয়।

শুক্রবার (১০ আগস্ট) বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও চালকদের গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষার অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করছিলেন কাদের।

মন্ত্রী বলেন, নতুন লাইসেন্স ও লাইসেন্স নবায়নসহ বিভিন্ন সেবার জন্য বিআরটিএতে (বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি) মানুষের ভিড় বেড়েছে। দুর্ভোগ কমাতে বিআরটিএ’র সেবা গ্রহীতাদের সুবিধার্থে টাকা জমা দেওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিভাগীয় সড়ক ও জনপথের (সওজ) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, সাসেক প্রকল্পের পরিচালক মো. ইসহাকসহ সড়ক বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চায়না রানীর মৃত্যুতে শোক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতি, জয়মহাপ্রভূ সেবক সংঘ জেলা শাখা সাতক্ষীরা ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি গোষ্ট বিহারী মন্ডলের সহধর্মিনী চায়না রাণী মন্ডল শুক্রবার ভোর ৩টা ৫৭ মিনিটে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেছেন। (দিব্যান লোকান্ স্বগচ্ছতু।)
মৃত্যুকালে দুইপুত্র, ১কন্যা, নাতি, নাতনীসহ, অনেক গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে,শোক সন্তপ্ত পরিবারের সহিত সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন, সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষ, সহ-সভাপতি এড. সোমনাথ ব্যানার্জী, সোনাতন দাশ, এড. অনিত মুখার্জী, সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ গুহ, যুগ্ম সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, সহ-সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাণনাথ দাশ, অডিটর অসীম কুমার দাশ(সোনা), সঞ্জীব কুমার ব্যানার্জী, ডা: অসীম বিশ্বাস, রনজিৎ সরকার, অলোক কুমার তরফদার, কার্ত্তিক চন্দ্র বিশ্বাস, গঙ্গাধর দফাদার, বিশ্বনাথ দেবনাথ, নারায়ন অধিকারী ও জয় মহাপ্রভূ সেবক সংঘের কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ-সভাপতি ডা: সুশান্ত ঘোষ, জেলার সহ-সভাপতি জীতেন্দ্র নাথ ঘোষ, গোবিন্দ প্রসাদ ঘোষ, উপদেষ্টা ধীরু ব্যানার্জী, বিল্লমঙ্গল দেবনাথ, বিনয় কৃষ্ণসাহা, কোষাধ্যক্ষ নারায়ন ভাস্কর শিকদার, কার্যনির্বাহী সদস্য নারায়ন অধিকারী, তাপস সরকার, কিরন্ময় সরকার, রবীন্দ্র নাথ রায়, যুব কমিটির রণজিৎ ঘোষ, সুমন অধিকারী, মিলন কুমার বিশ্বাস, সুমন সাহা, তন্ময় সাহা, সুজন বিশ্বাস, ধীমান, সুজয় প্রমুখ। বাংলাদেশ হিন্দু- বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, প্রদ্যুৎ ঘোষ, নারায়ন মজুমদার প্রমুখ। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুভাষ চন্দ্র ঘোষ, সহ-সভাপতি মঙ্গল কুমার পাল, স্বপন কুমার শীল, এড. অনিত মুখার্জী, নয়ন কুমার সানা, কোষাধ্যক্ষ গৌর চন্দ্র দত্ত, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য তপন কুমার হালদার, অরুন কুমার ঘোষ, কার্যনির্বাহী সদস্য অপারেশ পাল, পলাশ দেবনাথ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘শহিদুলের মিথ্যে পোস্টেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে’

দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

তিনি বলেছেন, শহিদুল আলমের দেওয়া মিথ্যে পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের ওপর ও (আওয়ামী লীগের) পার্টি অফিসে হামলা চালায়।

শুক্রবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জয় এ কথা বলেন।

গত ৫ আগস্ট রাতে দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুলকে তারা ধানমন্ডির বাসা থেকে উঠিয়ে নেওয়া হয়। পরদিন ৬ আগস্ট (সোমবার) শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। এ মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে রয়েছেন শহিদুল।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জয় তার পোস্টে বলেন, ‘ধরুন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ও সফল ব্যক্তি হিসেবে আন্দোলনের সময় আমি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলতাম, আন্দোলনরত তরুণরা আমাদের কর্মীদের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আক্রমণ করে হত্যা করেছে এবং সেই কথার প্রেক্ষিতেই আমাদের কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি আক্রমণ করতো। তাহলে কি বলা যেত আমি সহিংসতা উস্কে দিয়েছি? নাকি আমি বাকস্বাধীনতার অধিকার দ্বারা সুরক্ষিত থাকতাম?’

‘আমার কোনো সন্দেহ নেই আজ যেই সুশীল সমাজ, বিদেশি বন্ধু ও সাংবাদিকরা শহিদুল আলমের পক্ষে কথা বলছেন, তারা তখন ঠিকই বলতেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সহিংসতা উস্কে দিয়েছেন। শুধুমাত্র সফল ও জনপ্রিয় হওয়ার জন্যই কি আজ শহিদুল আলমকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখার কথা বলা হচ্ছে? তাহলে কি আমিসহ সকল সফল ও জনপ্রিয় মানুষই আইনের ঊর্ধ্বে?’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি যেই উদাহরণ দিয়েছি, শহিদুল আলম ঠিক তাই করেছেন। তার দেওয়া মিথ্যে পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের উপর ও পার্টি অফিসে হামলা চালায়। একাধিক পুলিশ সদস্য ও আমাদের কর্মীরা আহত হন। আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পি নামের আমাদের এক কর্মী তার দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারিয়েছেন।’

পোস্টের শেষে জয় প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘বাপ্পি কি ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য না?’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে ব্যবসায়ী কালামের বাড়ি-ঘর ভাংচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ব্যবসায়ী আবুল কালামের ভিটেবাড়ি দখল করার জন্য বাড়ি-ঘর ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হামলাকারীরা তাদের ঘরে থাকা নগদ দেড় লক্ষাধিক টাকা, ৫/৬ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। বাড়িতে থাকা টিভি, ফ্রিজসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সময় স্কুল ছাত্রী ও মহিলাসহ উভয় পক্ষের ৮/১০ আহত হয়েছে। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরের বাধঘাটা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। বর্তমানে উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত ৩ মে ব্যবসায়ী আবুল কালাম বাধঘাটা গ্রামের আব্দুস সবুরের স্ত্রী সাবিনা ও ছেলে এমদাদুল হকের ২২ শতক জমির মধ্যে ৬ শতক জমি ক্রয় করেন। যার মধ্যে একটি ঘর ছিল। জমি ক্রয়ের পরপরই তারা দখলে যায়। সেখানে আবুল কালাম, তার ভাই নূর ইসলাম, আব্দুস ছালাম ও আব্দুস সাত্তার আরো ৫টি ঘর তৈরী করে বসবাস করে আসছিলেন। সাবিনার সাথে তার দেবর আব্দুল বারীর একটি বাটোয়ারা মামলা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। শুক্রবার হঠাৎ করে আব্দুল বারী তার ভাই ও লোকজন নিয়ে সাবিনার বিক্রি জমি দখল নিতে যায়। এ সময় তারা সীমানা প্রাচীর ভেঙে ঘর-বাড়ি ও আসবাব পত্র ভাংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘরে মধ্যে থাকা আবুল কালামের প্যারালাইসড বৃদ্ধ বাবা নূর আলী গাজী ও বৃদ্ধা মা জহুরা বেগমকে মারধর করে উঠানে ফেলে দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে আব্দুস সালামের স্ত্রী সাবিকুন নাহারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে। এতে সে রক্তাক্ত জখম হয়। এ ছাড়া নূর ইসলামের কলেজপড়–য়া মেয়ে সুমাইয়া ইয়াসমিন ও দশম শ্রেণীর ছাত্রী ফাতেমা খাতুন, আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী রাশিদা বেগম ও আবুল কালামের স্ত্রী পারভীন বেগম আহত হয়। আহতদেরকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘটনার সময় শ্যামনগর থানার এসআই রাজ কিশোরসহ ৬/৭জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এতবড় ঘটনা ঘটলেও তারা নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করেন। এ সময় তারা হামলাকারীদের আটক না করে উপরন্ত সাবিনার স্কুল পড়–য়া ছেলে এমদাদুল, আব্দুস সালাম ও আবুল কালামকে থানায় নিয়ে যায়। একপর্যায়ে পুলিশ তাদেরকে মুচলেকা দিয়ে জুম্মার নামাজের আগে ছেড়ে দেয়। পরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীকে শান্ত করতে আব্দুল বারীর বাড়ির কাজের ছেলে মুজিবরকে থানায় নিয়ে যায়। কিছুক্ষন পর আবার তাকেও ছেড়ে দেয়। জুম্মার নামাজের পর হাসপাতালে আহতদের দেখতে গেলে আবুল কালামের ভাগ্নে জাবের হোসেনকে আটক করে। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত জাবের থানা হাজতে ছিল। এ ঘটনায় থানায় পৃথক দু’টি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
মো. আব্দুস সালাম গাজী অভিযোগ করে বলেন, আবুল কাশেম তরফদারের ছেলে মো. আব্দুল বারী তরফদার, মো. আব্দুর রাজ্জাক তরফদার, মো. আব্দুল হাই, আব্দুল বারী তরফদারের স্ত্রী রেহানা বেগম, মেয়ে বিভা খাতুন, আব্দুল বারী, মো. মজু খাঁসহ আরো ৫০/৬০জন শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তারা লাঠিসোটা, লোহার রড নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা রান্না ঘরসহ আটটি ঘর ভাংচুর, লুটপাট করে আগুন ধরিয়ে দেয়। তাতে বাধা দিতে গেলে আমাদের সকলের রক্তাক্ত জখম করে। আমরা নিরূপায় হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করি। তবে আমাদের পাশে কেউ এগিয়ে আসেনি।
অপরদিকে মাস্টার আব্দুল বারী অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাই আব্দুস সবুরের কাছ থেকে আবুল কালাম ৬ শতক জমি ক্রয় করে। এ নিয়ে বাটোয়ারা মামলা চলছিল।
শুক্রবার আমার বাড়ির সাথে দেয়া প্রাচীরটি ভেঙে দিতে বলি। এ সময় আমার বড় ভাই আব্দুস সবুরের ছেলে এমদাদুলসহ আবুল কালামের লোকজন আমাদের উপর হামলা করে। এতে আমার বৃদ্ধা আম্মা সায়েরা ও মেয়ে রিভা খাতুন, ভাই মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক ও মো. আব্দুল হাই আহত হয়েছে। আগতদেরকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শ্যামনগর থানার এসআই রাজ কিশোর বলেন, ঘটনা শুনে আমি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখান থেকে কয়েকজনকে থানায় নিয়ে আসা হয় এবং মিমাংসার জন্য চেষ্টা চলছে। আপনার উপস্থিতিতে একজন ব্যবসায়ীর বাড়ি-ঘর ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি অসম্ভব। আমি একজন প্রশাসনের লোক। জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দেয়া আমার দায়িত্ব।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

১০-০৮-১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতি বছরের ভোগান্তির সমাধান চান টিকেট প্রত্যাশীরা

দেশের খবর: ঈদে ঘরে ফেরার প্রস্তুতি অনেকটা আগে ভাগেই। কারণ এবারে ছুটি বেশি হওয়ায় এমন প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন অনেকেই। তাইতো ঘরে ফেরা মানুষের মূল টেনশন টিকেট। প্রিয়জনের সানিধ্য পেতে হলে সবার আগে টিকেট নিশ্চিত করা চাই। সবচেয়ে বড় অগ্রিম ঝক্কিই হল টিকেট পাওয়া। ট্রেন ও বাসের টিকেট সংগ্রহে রীতিমতো যুদ্ধ চলছে। ২৪ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কাঙ্খিত টিকেট না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেকে। আবার বাসের টিকেটের জন্য ছুটির দিনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে কল্যাণপুর ও গাবতলী এলাকায়।

কাউন্টার থেকে টিকেট বিক্রি শুরু হয় সকাল ৮টায়। কিন্তু সোনার হরিন টিকেট পেতে আগের দিন রাত থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন অনেকেই। রাত যত গভীর হয়, ততো লাইনের পরিধি বাড়ে। সকাল ১০টা পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য কমলাপুর। প্ল্যাট ফরম ছাপিয়ে জন স্রোত ঠেকেছে রাস্তা পর্যন্ত। কোন লাইন কোথায় শেষ হয়েছে তা দেখার জন্যও বেগ পেতে হবে। পরিস্থিতি ঠিক এরকমই। টিকেট সংগ্রহে এত মানুষের ভীড় কমই হয়, খোদ এমন কথা বলছেন টিকেট বিক্রির সঙ্গে যুক্ত অনেকেই। কমলাপুরে ২৬টি কাউন্টার থেকে একযোগে চলেছে টিকেট বিক্রি। শুক্রবার তৃতীয় দিনে ১৯ আগস্টের টিকেট বিক্রি হয়েছে।

যারা সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা পরিশ্রম করে টিকেট সংগ্রহ করতে পেরেছেন তারা তো প্রশান্তির হাসি মুখে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। যারা পাননি তাদের ঘরে ফেরার দুঃশ্চিন্তা রয়েই গেছে। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো নারীদের দুটি কাউন্টারেও হাজার ছাপিয়ে মানুষের উপস্থিতি। তবে সবার অভিযোগ টিকেট পেতে ধীরগতি। আর প্রতি বছরে টিকেট পেতে ভোগান্তি নিরসনে করনীয় নিয়ে আলোচনা তো আছেই। অর্থাত বছরের পর বছর প্রায় নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকেই টিকেট বিক্রি হচ্ছে। অথচ প্রতি বছরই টিকেটের জন্য লোক সমাগম বাড়ছে অনেক। সে তুলনায় কাউন্টার বাড়ানো হচ্ছে না। এরমধ্যে ৬৫ভাগ টিকেট সাধারণ যাত্রীদের জন্য অপ্রতুল বলা হচ্ছে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে।

এ বিষয়ে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেনের বলেন, প্রতি বছর টিকেট প্রত্যাশীর সংখ্যা বাড়ছে। একারণে জনভোগান্তি বাড়ছে এটা সত্য। কিন্তু আমরা মানুষের কষ্ট কমাতে প্রতি বছরই সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি। আগে নারীদের জন্য পৃথক কোন বুথ ছিল না। কয়েক বছর ধরে নারীদের জন্য পৃথক বুথ স্থাপন করা হয়েছে। জনভোগান্তি নিরসনে আরো ৫০টি বুথ বাড়ানোর দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বুথ বাড়াতে হলে কম্পিউটার, পৃথক জনবল, সার্ভার আপডেট সহ নানা প্রক্রিয়া রয়েছে। তবুও আমরা আগামী বছর আরো ভাল সেবা দেয়ার চেষ্টা করবো। যেন মানুষের ভোগান্তি কম হয়।

এদিকে সাধারণ যাত্রীরা বলছেন,ঈদ উপলক্ষে চার ভাগে টিকেট বিক্রি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার। এরমধ্যে পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল। কমলাপুরে নারায়নঞ্জ রেল স্টেশন প্ল্যাট ফরমে অন্তত একটি অঞ্চলের টিকেট ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে মূল প্ল্যট ফরমে ভীড় কমবে। এছাড়াও ঈদকে কেন্দ্র করে বিশেষ ব্যবস্থায় আরো বুথ বাড়ানো সময়ের দাবি। অর্থাত চার অঞ্চলের টিকেট বুথ পৃথক করে বিক্রির দাবি টিকেট প্রত্যাশীদের।

শুক্রবার সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিল উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোর কাউন্টারের সামনে। বারবার হইচই হয়েছে এসি চেয়ার ও কেবিনের টিকেট নিয়ে। অনেক কাউন্টার থেকে বেলা ১২টার আগেই জানানো হয়েছে এসি চেয়ার ও কেবিন না থাকার কথা। রাজশাহীর যাত্রী কাসেম জানালেন, রাত ১টায় এসেও কেবিন ও এসি চেয়ারের টিকেট পাইনি। আবার নারী কাউন্টারে ভোর পাঁচটায় দাড়িয়ে রাজশাহীর টিকেট সংগ্রহ করেছেন দিবানিতা। তাই কারো মাুখে হাসি আর কারো মুখে ছিল কষ্টের ছাপ।

বেলা সাড়ে ১০টার দিকে নারী কাউন্টারের সামনে গিয়ে দেখা গেছে, ১৭ এবং ১৮ নম্বর কাউন্টার থেকে নারীদের টিকেট দেয়ার কথা থাকলেও ১৮ নম্বর কাউন্টারটি বন্ধ। আর ১৭ নম্বর কাউন্টার খোলা থাকলেও সেখানে ধীরগতিতে টিকেট বিক্রির অভিযোগ করেন কয়েকজন। টিকেট বিক্রি শুরু হওয়ার পর সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ওই কাউন্টার থেকে ৭০ জনকে টিকেট দেয়া হয়। ততক্ষণে অপেক্ষায় থাকা নারীদের লাইন আরও দীর্ঘ হয়েছে। প্রায় দেড় ঘন্টার বেশি সময় কাউন্টার বন্ধ থাকায় এ নিয়ে কমলাপুর স্টেশনজুড়ে হইচই দেখা দেয়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করে। তারা কাউন্টার মাস্টারদের পক্ষ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলায় বাক বিতন্ডার সৃষ্টি হয়।

এসিব বিষয়ে কমলাপুরের স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্ত্তী বলেন, শুক্রবার ৩৫টি আন্তঃনগর ট্রেনের ২৬ হাজার ৮৯৫টি টিকেট ছাড়া হয়েছে। যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী টিকেট দেয়ার চেষ্টা করছেন তারা। তিনি জানান, নারীদের জন্য মোট ৩টা কাউন্টার। একটা চলতি কাউন্টার থেকেও নারীদের টিকেট দেয়া হয়। এ কারণে অগ্রিম টিকেটের দুটো কাউন্টারের একটা বন্ধ রাখা হয়েছিল। চাহিদা বেশি থাকলে সেটা থেকেও টিকেট দেয়া হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো টিকেট কিনতে যখন শত-শত মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে তখন কেন কাউন্টার বন্ধ করে দেয়া হল। স্টেশন ম্যানেজার এ ব্যাপারে যে যুক্তি উপস্থাপন করলেন তার সঙ্গে বাস্তবতার কোন মিল ছিল না।

আজ পাওয়া যাবে ২০ আগস্টের টিকেট আর ১২ আগস্ট মিলবে ২১ আগস্টের টিকেট। এই দিনগুলোতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় সকাল ৮টা থেকে টিকেট বিক্রি হবে।

বরাবরের মত এবারও মোট টিকেটের ৬৫ শতাংশ দেয়া হচ্ছে কাউন্টার থেকে। বাকি ৩৫ শতাংশের ২৫ শতাংশ অনলাইন ও মোবাইলে। ৫ শতাংশ ভিআইপি ছাড়াও রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৫ শতাংশ। এদিকে ১৫ আগস্ট থেকে শুরু হবে ঈদ ফেরত যাত্রীদের জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি। ঈদ ফেরত অগ্রিম টিকেট রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিহাট স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বিক্রি শুরু হবে। ফিরতি টিকেট ১৫ আগস্টে পাওয়া যাবে ২৪ আগস্টের টিকেট। একইভাবে ১৬,১৭, ১৮,১৯ আগস্ট যথাক্রমে পাওয়া যাবে ২৫,২৬,২৭,২৮ আগস্টের টিকেট। টিকেট বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টায়।

বাংলাদেশ রেলওয়েতে প্রতিদিন ২ লাখ ৬০ হাজার যাত্রী চলাচল করলেও ঈদুল আজহা উপলক্ষে দৈনিক ৩ লাখ যাত্রী চলাচল করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে সুষ্ঠু ও নিরাপদে ট্রেন চলাচলের সুবিধার্থে ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত রেলওয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সকল প্রকার ছুটি বাতিল করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও ২ দিনের রিমান্ডে অভিনেত্রী নওশাবা

বিনোদনের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে ফেসবুক লাইভে এসে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী-মডেল কাজী নওশাবা আহমেদকে আরও দুই দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ডে শেষে আজ শুক্রবার তাঁকে আদালতে হাজির করে আরও ১০ দিন রিমান্ড চাইলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ঢাকা মহানগর হাকিম আমিরুল হায়দার চৌধুরী এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই আদালত এর আগে নওশাবাকে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে কাজী নওশাবার বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা হলেন মহানগর পুলিশের উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই বিকাশ কুমার পাল।
আবারও রিমান্ড চাওয়ার কারণ হিসেবে আদালতে বলা হয়, নওশাবার সঙ্গে আর কার কার যোগাযোগ আছে তাতের মেইল আইডি আর কিছু বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
গত ৫ আগস্ট জিগাতলায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলার সময় ফেসবুকে লাইভে আসা প্রসঙ্গে নওশাবা রাবকে বলেছিলেন, একজনের কথা শুনে তিনি এটা করেছেন। ওই সময় তিনি উত্তরায় একটি শুটিং স্পটে ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest