সর্বশেষ সংবাদ-
চলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভাগণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের গণমিছিলগড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভামানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনসাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ‘৪ দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

বিশ্ববাসীকে মার্কিনবিরোধী জোট গড়ে তোলার আহ্বান তুরস্কের

বিদেশের খবর: মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে জোট গড়ে তুলতে বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। নানা ইস্যুতে যখন আমেরিকা ও তুরস্কের মধ্যে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে এবং তুরস্কের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক শাস্তিমূলক ববস্থা নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন তখন জোট গঠনের এই আহ্বান জানালো আঙ্কারা। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে তুরস্ক ছিল আমেরিকার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিত্র।
তুরস্কের অর্থমন্ত্রী বেরাত আলবায়রাক বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপকে অন্য দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করার কাজে ব্যবহার করছেন। এ অবস্থায় নিজেদের স্বার্থে শক্তিশালী দেশগুলোর একতরফা অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা জরুরি। এজন্য সেরা উপায় হচ্ছে মার্কিনবিরোধী জোট গঠন করা।
তুর্কি মন্ত্রী এ নিয়ে একটি প্রবন্ধ লিখেছেন এবং ফরেন পলিসি ম্যাগাজিন তা প্রকাশ করেছে। প্রবন্ধে তিনি বলেছেন, এখন তুরস্কের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে অন্য দেশগুলো একটা অভিন্ন কৌশল নিতে পারে যা ভবিষ্যত কৃত্রিম সংকট মোকাবেলায় কাজে লাগবে।
বেরাত আলবায়রাক তার প্রবন্ধের শিরোনাম দিয়েছে- বিশ্ব অর্থনীতি পরিচালনার জন্য আমেরিকাকে বিশ্বাস করা যায় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে রমজাননগর ইউনিয়ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনূর্ধ্ব-১৭) প্রথম সেমিফাইনালে নকিপুর সরকারি এইচ.সি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিকাল ৩.৩০ মিনিটে ভুরুলিয়া ইউনিয়ন বনাম রমজাননগর ইউনিয়ন খেলা শুরু হয়।
প্রথম হাফে ২/০ গোলে এগিয়ে থাকে ভুরুলিয়া ইউনিয়ন। দ্বিতীয় হাফে ২/২ গোলে সমতায় আসে রমজান নগর ইউনিয়ন। খেলা শেষে টাইব্রেকারে ৬/৫ গোলে জয় লাভ করে রমজাননগর ইউনিয়ন।
খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা (ভূমি) কর্মকর্তা সুজন সরকার। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সেলিম খান, ভুরুলিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান নার্গিস হাবিবা, রমজাননগর ইউ,পি চেয়ারম্যান আব্দুল্যাহ আল মামুন, নকিপুর সরকারি এইচ.সি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান, নওয়াবেঁকি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জুলফিকার আল মেহেদি লিটন, কাঁঠাল বাড়িয়া এ,জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম, জোবেদা সোহরাব মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সত্তার, শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের টিম ম্যানেজার রোকন উদ্দিন বাবু, কোচ ঝন্টু, উপজেলা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি গাজী আল ইমরান, সাধারন সম্পাদক আমজাদ হোসেন মিঠু, যুন্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলিম।
খেলায় রেফারির দায়িত্বে ছিলেন তৈইবুর রহমান বাবলু, ওস্তাদ মিজান, রাশেদ হোসেন।
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় ভুরুলিয়া ইউনিয়নের হাবিবুর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তির প্রস্তাব বিএনপির

দেশের খবর: খালেদা জিয়া ‘গুরুতর অসুস্থ’ উল্লেখ করে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপি নেতারা।
রবিবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৈঠকে মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তাকে বিশেষায়িত একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলেছি আমরা। জানিয়েছি খালেদা জিয়ার পছন্দ ইউনাইটেড হাসপাতাল। সেখানে যেন নেওয়া হয় তাকে। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, বিএনপির প্রতিনিধি দল এসেছিল। তাদের চেয়ারপারসন অসুস্থ। তারা আগের মতো এবারও ইউনাইটেড হাসপাতালে তাকে ভর্তির কথা বলেছেন। এবার তারা নতুন করে অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলেছেন। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কারা মহাপরিদর্শককে (আইজি প্রিজন) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে চিকিৎসকদের নিয়ে বোর্ড গঠন করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ফখরুল ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করতে যান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের ‘নালিশ’ গ্রহণ করেছেন প্রধান বিচারপতি

দেশের খবর: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার শুনানি করতে কারাগারের ভেতরে স্থাপিত বিশেষায়িত আদালতের বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের কাছে নালিশ করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। তিনি নালিশ গ্রহণ করে বিষয়টি দেখবেন বলে তাদের আশ্বস্ত করেছেন। রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন। এর আগে কারাগারের ভেতরে বিশেষ আদালত স্থাপনের বিষয়ে নিজেদের আপত্তির কথা প্রধান বিচারপতিকে জানান এ আইনজীবীরা।
জয়নুল আবেদীন বলেন, আমরা মনে করেছি দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও সংবিধানের অভিভাবক সুপ্রিম কোর্ট। আর সুপ্রিম কোর্টের অভিভাবক হলেন প্রধান বিচারপতি। তাই কারাগারের ভেতরে আদালত স্থাপনের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে আলোচনা না করে এ ধরনের কোনও প্রজ্ঞাপন সরকার জারি করতে পারে না। তাই এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাত করে আমরা বলেছি, ‘প্রধান বিচারপতি আপনি বিচার বিভাগের অভিভাবক। আমরা মনে করি, মাসদার হোসেন মামলার মধ্য দিয়ে আপনার সুপ্রিমেসি ও সুপ্রিম কোর্টের সুপ্রিমেসি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই আপনার সঙ্গে আলোচনা ছাড়া রাতের অন্ধকারে গেজেট করে এ ধরনের আদালত স্থাপন হতে পারে না।’
তিনি জানান, প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা প্রধান বিচারপতি ধৈর্য সহকারে আমাদের বক্তব্য শুনেছেন। তিনি (প্রধান বিচারপতি) তার ক্ষমতাবলে এ বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন। জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘হঠাৎ করে রাতের বেলা আইন বহির্ভূতভাবে জেলখানার একটি কক্ষকে কারাগার হিসেবে পরিগণিত করে একটি অস্থায়ী আদালত স্থাপন করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শের বিধান থাকলেও সেটি করা হয়নি। বিষয়টি আমরা প্রধান বিচারপতিকে জানিয়েছি।’
জয়নুল আবেদীন অভিযোগ করে বলেন, ‘গত তারিখে (জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানিতে) অসুস্থ অবস্থায় জোর করে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। বলতে গেলে খালেদা জিয়া বসতে পারেন না, দাঁড়াতে পারেন না, হাঁটতে পারেন না। এ অবস্থায় তাকে হাজির করা হয়েছে। আইনজীবীদের কোনও জুডিশিয়াল নোটিশ পর্যন্ত করা হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে একটি জুডিশিয়াল আদেশ দিয়ে আইনজীবীদের একটি নোটিশ করতে হয়, সেই নোটিশ পর্যন্ত করা হয়নি। যেহেতু এটি ওপেন ট্রায়ালও না, সেই কারণে আমরা সেখানে উপস্থিত হতে পারিনি। একই কারণে এই আদালত আবার ১২ সেপ্টেম্বর শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন।’
বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমরা মনে করেছি সংবিধানের অভিভাবক হচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট। আর সুপ্রিম কোর্টের অভিভাবক হচ্ছেন প্রধান বিচারপতি। সুতরাং এই ধরনের গেজেট নোটিফিকেশন ১৯ (বি) চ্যাপ্টার ১ সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ হাইকোর্ট রুলস ১৯৭৩ অনুসারে এটি সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে আলোচনা না করে এই ধরনের কোর্ট স্থাপনের প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে না। এই কথাগুলো আমরা (প্রধান বিচারপতিকে) বলেছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতিকে আমরা বলেছি, আপনার সঙ্গে আলোচনা না করে রাতের অন্ধকারে এই ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি বিচার বিভাগের জন্য খুবই দুঃখজনক। কোনও বিচারালয় এইভাবে স্থানান্তর করা যায় না। প্রধান বিচারপতি আমাদের কথা শুনেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, প্রধান বিচারপতি আমাদের আবেদন গ্রহণ করেছেন। আমরা আশাবাদী। তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন।’
লিখিত আবেদনে প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ করে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা আপনার কাছে অনুরোধ করছি, যারা বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এবং যে বিচারিক কর্মকর্তা তার বিচারিক সীমা লঙ্ঘন করেছেন- তাদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ (হাইকোর্ট বিভাগ) ১৯৭৩ বিধি অনুযায়ী তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
এর আগে, রবিবার দুপুরে (৯ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এজে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, মীর নাছির, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদলসহ বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। এ সময় তারা লিখিতভাবে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ভালো না উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি বরাবর আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তিনি হাঁটতে পারেন না, যা সরকারও স্বীকার করেছে। তবুও সরকার তার যথাযথ চিকিৎসার বিষয়ে কোনও উদ্যোগ নেয়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেউ হঠাৎ অজ্ঞান হলে যা করণীয়

অনলাইন ডেস্ক: বাড়িতে বা অফিসে হঠাৎ কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়লে রীতিমতো হুলুস্থুল শুরু হয়ে যায়। কেউ মাথায় পানি ঢালতে থাকে, কেউ পায়ের তালুতে তেল ঘষে, কেউ মুখের ভেতর কিছু দিয়ে মুখ খোলার চেষ্টা করে। আসলে জানা উচিত, এই মুহূর্তে কীভাবে আশপাশের লোকজন দায়িত্বশীল আচরণ করবেন।

এক. প্রথম কাজ হবে জরুরি সেবাদানকারীকে ফোন করা। এখন বাংলাদেশেও ৯৯৯ নম্বরে কল করে জরুরি সেবাদানকারীদের ডাকার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এ ছাড়া অনেক অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস আছে যাদের ফোন করলে দ্রুত বাড়ি পৌঁছে যায়। প্রথমেই এই কাজ করে ফেললে সেবাদানকারী এসে পৌঁছানো পর্যন্ত বাকি কাজগুলো করার সময় পাওয়া যাবে।

দুই. অজ্ঞান ব্যক্তিকে ভালোভাবে শুইয়ে দিন। ধারালো বস্তু, রান্নাঘর, আগুনের উৎস ইত্যাদি বিপজ্জনক জিনিস থেকে দূরে সরিয়ে আনুন। সম্ভব হলে এক দিকে কাত করে দিন, যাতে মুখে, গলায় যে লালা বা নিঃসরণ আছে, তা বেরিয়ে আসতে পারে।

তিন. বুকের ওঠানামা থেকে লক্ষ করুন রোগী শ্বাসপ্রশ্বাস নিচ্ছে কি না। যদি বাড়িতে বা আশপাশে কারও জানা থাকে কীভাবে মুখে মুখ লাগিয়ে শ্বাস চালু করতে হয়, তবে তাঁকে ডাকুন।

চার. আজকাল প্রায় সব বাড়িতেই রক্তচাপ মাপার যন্ত্র থাকে। রক্তচাপ খুব কম হলে বা পাওয়া না গেলেও পায়ের দিকটা একটু উঁচু করে দিন বা পায়ের নিচে বালিশ দিন।

পাঁচ. ডায়াবেটিসের রোগী হলে গ্লুকোমিটার দিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন রক্তে শর্করা কমে গেছে কি না। যদি যন্ত্র না-ও থাকে, তবু মুখের ভেতর একটু চিনি দিয়ে দেওয়া ভালো। কিন্তু অজ্ঞান রোগীকে কোনো শরবত বা খাবার গেলানোর চেষ্টা করবেন না, এতে সেই খাবার পানি ফুসফুসে চলে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

ছয়. রোগীর খিঁচুনি শুরু হলে আতঙ্কিত না হয়ে খিঁচুনি থামতে দিন, তারপর এক পাশে কাত করে দিন। মুখে কোনো চামচ বা এ জাতীয় জিনিস ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না। জোর করে ধরে খিঁচুনি থামানো বা নাকের কাছে বিভিন্ন জিনিস শোঁকানোর চেষ্টা করে লাভ নেই।

সাত. অযথা ভিড় বাড়িয়ে ও চেঁচামেচি করে লাভ নেই। বরং এটি অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের কারণে হয়ে থাকলে রোগীর সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

সবশেষ কথা, নানা কারণেই একজন সুস্থ-সবল মানুষ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারেন। যে কারণেই হোক, জ্ঞান ফিরে আসুক আর না আসুক তাকে প্রাথমিক পরিচর্যার পর যেকোনো হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যেতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চেয়ারম্যান মোশারফের মৃত্যুতে শোক ॥ খুনীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি

 

সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সম্পাদক সাংগঠনিক, কালিগঞ্জ উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান কে এম মোশাররফ হোসেন কে গত ৮ সেপ্টেম্বর’১৮ তারিখ রাতে দুবর্ৃৃত্তের গুলিতে নিহত হন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু, সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান টুকু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালিদুর রহমান, লালু, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আনোয়ার জাহিদ তপন, পৌর জাপার সভাপতি সৈয়দ মাহমুদ পাপা, জেলা জাপার সদস্য কানাই লাল সাহা, দপ্তর সম্পাদক কাজী তাহের, জেলা নেতা একরামুল মোসলেমিন দাদু, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহবায়ক আনোয়ার হোসেন আনু, জেলা যুব সংহতির সভাপতি শাখওয়াতুল করিম পিটুল, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, সহ-সভাপতি আশিকুজ্জামান বাপ্পি, সাইফুল ইসলাম, জাহিদুর রহমান, জেলা ছাত্রসমাজের সভাপতি কাইছারুজ্জামান হিমেল, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনুজ্জামান সুমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলম আল রাজি রাজ, দপ্তর সম্পাদক আশিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি নাহিদুর রহমান রিমন, ইকবাল হোসেন রনি, উপজেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি আশরাফুজ্জামান রকি, সাধারণ সম্পাদক কায়মুজ্জামান পাভেল, পৌর ছাত্র সমাজের আহবায়ক মাসুদ রানা মনা, সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন রুমি। এসময় নেতৃবৃন্দ এই নৃশংস হত্যার তীব্র প্রতিবাদ, নিন্দা এবং অবিলম্বে খুনিদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সদর উপজেলা জাতীয় পার্টি
জেলা জাতীয় পার্টির সংগঠনিক সম্পাদক ও কালিগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান এ.কে.এম মোশারফ হোসেন শনিবার রাতে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা বাজারে দুর্বৃত্তের হাতে নিহত হন। তিনি নিহত হওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টি একজন সুদক্ষ সংগঠককে হারানোর পাশাপাশি কৃষ্ণনগর ইউনিয়নবাসী তাদের দরদি নেতাকে হারালো। কে.এম. মোশারফের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি শোক জ্ঞাপন ও তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি সালাম সরদার, সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক সরদার মজিদ, জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মঈনুর রশিদ, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর জাতীয় পার্টির সদস্যসচিব শেখ আব্দুস ছাদেক, জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব শেখ শরিফুজ্জামান বিপুলসহ সদর উপজেলা জাতীয় পার্টি ও জেলা জাতীয় পার্টির সকল নেতৃবৃন্দ। সাথে সাথে ওই খুনিদের গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতার এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান তারা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আইডিবিকে পাশে থাকার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিপীড়িত মানবতার পাশে দাঁড়ানোর জন্য নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যখন জাতিগত নির্মূলের মুখোমুখি, তখন আইডিবি চুপ থাকতে পারে না। কাজেই জোরপূর্বক বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে স্বদেশে ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করার জন্য আইডিবিকে আমি দৃঢ়ভাবে তাদের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।
ঢাকায় আইডিবির ‘রিজিওনাল হাব’ উদ্বোধন উপলক্ষে আজ সকালে রাজধানীর একটি হোটেল আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে একটি মানবিক সংকট মোকাবিলা করছে। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য বাংলাদেশ সীমান্ত উম্মুক্ত করে দিয়ে তাদের প্রবেশ করতে দিয়েছে। নিজস্ব সম্পদ, বাস্তুসংস্থান ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে জানা সত্ত্বেও বাংলাদেশ বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী অনুপ্রবেশ করতে দিয়েছে।
মানবিক দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও খাদ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, এখন আমরা তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠাতে চাই।
দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাফল্য ও বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনজনিত যে কোনো ইস্যুতে বাংলাদেশ অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্র।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ড. বন্দর এম. এইচ. হাজ্জার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া ইউ এন ও মনিরা পারভীনের বিদায়ী সংবর্ধনা

 

মেহেদী সোহাগ :

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীনকে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে উপজেলা পরিষদ। রবিবার ১২টার দিকে উপজেলা চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদায়ী অতিথি সদ্য সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীনকে  ক্রেস্ট ও বিশেষ উপহার সামগ্রি দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন ও সেলিনা আনোয়ার ময়না, পৌরসভার প্যানেল মেয়র মনিরুজ্জামান বুলবুল এবং পৌর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম ।এসময় জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান শামছুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, জালালাবাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, কয়লা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন, লাঙ্গলঝাড়া ইউপি চেয়ারম্যান প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসালাম, কেঁড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল, সোনাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান এসএম মনিরুল ইসলাম মনি, চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, কেরালকাতা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, কুশোডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলাম, দেয়াড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মফে, যুগিখালী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হাসানসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ও অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মনিরা পারভীন চুয়াডাঙ্গায় এডিসি পদে বদলি হয়েছেন বলে জানাযায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest