সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

শোক দিবসে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা দেবে বিএসএমএমইউ

দেশের খবর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা রোগী দেখার উদ্যোগ নিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ওই দিন বিনামূল্যে/অর্ধমূল্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
আগামী বুধবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের বহির্বিভাগে এ সেবা দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছেন বিএসএমএমইউ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত মজুমদার।
বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে এই প্রথমবারের মতো যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষাসমূহ বিনামূল্যে দেওয়া হবে- CBC, Urine for R/M/E, Stool for R/M/E এবং অর্ধমূল্যে দেওয়া হবে- X-ray Chest (P/A view), Blood for C/S, Urine for C/S, Widal test, S. Creatinine, S. ALT. FCG, USG of Whole Abdomen।

বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা প্রদানের কার্যক্রম সফল করতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও পরিচালককে (হাসপাতাল) নির্দেশ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৭টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হতে যাত্রা, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লকে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বটতলায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বাদ জোহর কোরানখানি, দোয়া মাহফিল ও তোবারক বিতরণ। এছাড়াও রয়েছে অন্যান্য ধর্মালম্বীদের জন্য প্রার্থনা অনুষ্ঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন রূপেই ফিরছেন মিস জিনতা

বিনোদনের খবর: পর্দার প্রীতি জিনতাকে একরকম ভুলতেই বসেছেন দর্শক। সবার কাছে এখন তিনি আইপিএল আসরের পরিচিত মুখ। কিন্তু কত দিন আর নিজ সত্তাকে এড়িয়ে চলা যায়, ভুলে থাকা যায় আপন শিকড়! লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন যাঁর রন্ধ্রে রন্ধ্রে, ব্যাট-বলের দুনিয়ায় তাঁকে কত দিন আটকে রাখা যায়!
প্রীতি-ভক্তদের জন্য সুখবর। লম্বা বিরতির পর পুরোদমে ফিল্মে ফিরছেন। এত দিন বাদে ফিরবেন আর চমক দেখাবেন না, তা কী করে হয়। নতুন রূপেই ফিরছেন মিস জিনতা। বরাবরের মতো পাশের বাড়ির মেয়ের চেহারায় নয়, রীতিমতো মারদাঙ্গারূপে। ছবির নাম ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’।
সম্প্রতি প্রীতি তাঁর ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেছেন সিনেমাটির পোস্টার। ছবির ক্যাপশনে প্রীতি লিখেছেন, ‘ব্যাক উইথ এ ব্যাং! ভাইয়াজি সুপারহিট ছবির স্বপ্না দুবের সঙ্গে পরিচিত হোন। ১৯ অক্টোবর দেখা হবে কাছের সিনেমা হলে।’
এদিকে ছবির পোস্টার দেখে তো প্রীতি-ভক্তদের আক্কেল গুড়ুম। এ কোন প্রীতি? তাঁর হাতে পিস্তল। তিনি কাকে গুলিতে এফোঁড়-ওফোঁড় করবেন?
নীরাজ পাঠক পরিচালিত ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ ছবিটি অ্যাকশন-কমেডি ঘরানার। ছবিতে প্রীতির সঙ্গে একজন গ্যাংস্টারের ভূমিকায় সানি দেওলকে দেখা যাবে বলে খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম। দেখা যাবে আরশাদ ওয়ারসি, আমিশা প্যাটেল, প্রকাশ রাজ আর মিঠুন চক্রবর্তীর মতো তারকাদের।
১৯৯৮ সালে বলিউডে পা রাখা প্রীতি জিনতা রাতারাতিই পেয়ে যান তারকা খ্যাতি। অভিনয় করেছেন ‘দিল সে’, ‘দিল চাহতা হ্যায়’, ‘বীর জারা’, ‘কোয়ি মিল গ্যায়া’র মতো সুপারহিট ছবিতে। সবশেষ মূল চরিত্রে তাঁকে দেখা গেছে ২০০৮ সালে, ‘হেভেন অন আর্থ’ ছবিতে। এরপর বিশেষ ভূমিকায় টুকটাক কিছু অভিনয় করেছেন তিনি। তবে এবার প্রীতিকে পুরোদস্তুর নায়িকার চরিত্রে দেখা যাবে।
আইপিএলের কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব দলের মালিকানায় অংশীদারত্ব আছে প্রীতির। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাঁকে আইপিএল নিয়েই ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। তাই হয়তো চলচ্চিত্রে পুরোপুরি সময় দিতে পারেননি এই বলিউড ডিভা। আইপিএলের সুবাদে মাঠ আর গ্যালারি তো অনেক মাতানো হলো। এবার প্রীতির পর্দা কাঁপানোর পালা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কর্তৃক daily satkhira

খেলার খবর: দীর্ঘ সাড়ে চার বছর বিরতির পর আবারও পেশাদার ক্রিকেটে ফেরার ঘোষণা দিলেন ইমরান নাজির। মাংসপেশির তন্তুতে প্রদাহজনিত রোগের কারণে এত দিন পেশাদার ক্রিকেট থেকে দুরে ছিলেন তিনি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবির্ভাবেই সাড়া ফেলেছিলেন তিনি। উইকেটের চারপাশে বাহারি সব স্ট্রোক খেলতেন। বিশেষ করে পেসারদের বিপক্ষে বেশি করে ঝলসে উঠত তাঁর ব্যাট। পাকিস্তানের ওপেনার হিসেবে অনেকে তাঁকে স্থায়ী ভাবতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু ১৯ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে মাত্র ৮ টেস্ট এবং ৭৯ ওয়ানডে কি এই ভাবনার সার্থকতা বহন করে?
বলা হচ্ছে, ইমরান নাজিরের কথা। দীর্ঘ সাড়ে চার বছর বিরতির পর আবারও পেশাদার ক্রিকেটে ফেরার কথা জানালেন নাজির। টেস্ট ও ওয়ানডেতে ১৯৯৯ সালে অভিষেক ঘটে আমিরের। এর আট বছর পর অভিষিক্ত হন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে। এ সংস্করণে সর্বশেষ খেলেছেন ২০১২ সালে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সেটাই ইমরান নাজিরের সর্বশেষ উপস্থিতি। এরপর পাকিস্তান দল থেকে ছিটকে পড়েছেন।
গত সাড়ে চার বছর বেশ জটিল এক রোগে ভুগেছেন ৩৬ বছর বয়সী এ ওপেনার। মাংসপেশির হাড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকা তন্তুর (টেন্ডন) প্রদাহে ভুগেছেন নাজির। রোগটা ইংরেজি নাম ‘টেনডিনাইটিজ’। এ রোগ কাটিয়ে নিজেকে এখন পেশাদার ক্রিকেট খেলার মতোই ফিট বলে ঘোষণা করলেন নাজির।
লাহোরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি এখন ফিট। দীর্ঘদিন পর আবারও ক্রিকেট খেলতে পারব। ভক্তরা প্রার্থনা করেছেন বলেই আজ এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি। অসুস্থতা কাটিয়ে ওঠার জন্য আমি পিসিবি ও শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশনের কাছে কৃতজ্ঞ।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বার্সেলোনার ৭ নম্বর জার্সি পেলেন কৌতিনিয়ো

খেলার খবর: নতুন মৌসুম শুরু হওয়ার আগে বার্সেলোনায় ৭ নম্বর জার্সি পেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ফিলিপে কৌতিনিয়ো।
ক্লাবটির হয়ে সবশেষ ৭ নম্বর জার্সি পরেছিলেন তুরস্কের আরদা তুরান।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে লিভারপুল থেকে বার্সেলোনায় পাড়ি জমান কৌতিনিয়ো। এর মধ্যে হাভিয়ের মাসচেরানো কাতালান ক্লাবটি ছাড়লে তার ১৪ নম্বর জার্সিটি পেয়েছিলেন ২৬ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়।
বার্সেলোনায় এই জার্সি পরা তারকা খেলোয়াড়দের মধ্যে আছেন লুইস ফিগো, হেনরিক লারসন, দাভিদ ভিয়া। ২০১৫ সালে তুরান আসার আগে জার্সিটি ছিল স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড পেদ্রোর গায়ে।
বার্সেলোনায় এসে দ্রুতই নিজেকে মানিয়ে নেওয়া কৌতিনিয়ো গত মৌসুমে দলের লা লিগা জয়ে ১৮ ম্যাচে ৮ গোল করে অবদান রাখেন।
ব্রাজিলের হয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপেও দ্যুতি ছড়ান কৌতিনিয়ো। দুটি গোল করে সেলেসাওদের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠায় বড় অবদান ছিল এই প্লেমেকারের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা বন্দরে পাঁচটি সোনার বারসহ চোরাকারবারী আটক

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দর এলাকা থেকে পাঁটি সোনার বারসহ আবু হুরাইরা নামে এক চোরাকারবারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।
শুক্রবার (১০ আগস্ট) দুপুরে ভোমরা কাচা বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক আবু হুরাইরা ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদাড়ি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
বিজিবির ভোমরা ক্যাম্পের কমান্ডার শাহাজান আলী জানান, স্বর্ণের একটি চালান ভারতে পাচার করা হচ্ছে-এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোমরা কাচা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবু হুরাইরাকে পাঁচটি সোনার বারসহ আটক করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সড়কে নৈরাজ্য থামাতে মামলা,মানুষ সচেতন হলে মামলার সংখ্যা কমবে

দেশের খবর: রাজধানীতে চলছে পুলিশের ট্রাফিক সপ্তাহ। আজ ষষ্ঠ দিন। গত পাঁচ দিনে ট্রাফিক আইন অমান্যকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৩৮ হাজার ৩২৮টি। আর চার দিনে জরিমানা আদায় করা হয়েছে ১ কোটি ৮৯ লাখ ৪১ হাজার ৩৪২ টাকা।
ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, মানুষ আইন ভাঙছে। তাঁরাও মামলা দিচ্ছেন। মানুষ সচেতন হলে মামলার সংখ্যা কমে আসবে।
রাজধানীর মিরপুর, ফার্মগেট, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, গুলিস্তানসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি সিগন্যালে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন সাধারণ পুলিশ সদস্য ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। মামলা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁরা সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছেন।
‘খোকাবাবু যায়, হেলমেট কোথায়?’ ‘অযথা হর্ন বাজাবেন না’, ‘চলন্ত গাড়িতে ওঠানামা করবেন না’, ‘নির্ধারিত স্থান ছাড়া বাস থামাবেন না’, ‘যত্রতত্র রাস্তা পারাপার হবেন না’—রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্স থেকে পথচারী ও যানবাহনের চালকদের উদ্দেশে এসব সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার উল্টো দিকের সিগন্যালে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা যানবাহনের নিবন্ধন, লাইসেন্স, ফিটনেস, বিমার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করছিলেন। পাশেই পুলিশের রেকার রাখা। দুজন সার্জেন্ট কাগজপত্র পরীক্ষা করে মামলা দিচ্ছিলেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের চালকের হেলমেট থাকলেও আরোহীর হেলমেট নেই। এসব ক্ষেত্রে আরোহীর জন্য হেলমেট রাখতে সতর্ক করার পাশাপাশি মামলাও দিচ্ছিলেন সার্জেন্টরা।
দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট রিয়াদ মোর্শেদ বলেন, এখন বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন না মানা, উল্টো দিকে গাড়ি চালানো, লেন অমান্য করা—এসব কারণে মামলা হচ্ছে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ ও কাগজপত্র যাচাই কার্যক্রমের পর মানুষ আগের থেকে সচেতন হয়েছে। বৈধ কাগজপত্র নিয়েই রাস্তায় চলাচল করছে। একধরনের বদ অভ্যাস থেকে কিছু চালক উল্টো পথে গাড়ি চালান বলে মনে করেন তিনি। তবে নিয়মিত মামলা করার কারণে এসব কমে এসেছে।
গাবতলী এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট জসিম উদ্দীন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে আমরা আগের থেকে বেশি সজাগ আছি। মামলাও হচ্ছে আগের থেকে বেশি। তবে শেষ কথা হচ্ছে, মানুষকে সচেতন থাকতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, মোটরসাইকেলে হেলমেট ব্যবহার করতে হবে। সঙ্গে বৈধ কাগজ নিয়ে বাইরে চলাচল করতে হবে। ট্রাফিক আইন মানতে হবে। তাহলে অবস্থার পরিবর্তন হবে বলে মনে করেন তিনি।
কারওয়ান বাজারে একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে ট্রাফিক সার্জেন্ট চালকের কাছে বৈধ কাগজ আছে কি না, জানতে চাইলেন। চালক আবদুল মান্নান কাগজ বের করে দেখালেন। পরে তাঁর কাগজ যাচাই করে ট্রাফিক সার্জেন্ট তাঁকে বললেন, সব ঠিক আছে। আপনি যেতে পারেন। দায়িত্বরত সার্জেন্ট বললেন, ‘আমরা কাউকে অযথা হয়রানি করছি না। কারও কাগজ ঠিক না থাকলে নিয়মিত মামলা দিচ্ছি।’
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে, ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল করিম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ফলে পুলিশের নৈতিক ভিত্তি জোরদার হয়েছে। আগে যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যেত না, তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হচ্ছে। ট্রাফিক সপ্তাহের মাধ্যমে আমরা জনগণকে সচেতন করতে চাই। জনগণের মধ্যে আইন মানার মানসিকতা গড়ে উঠতে হবে।’
ট্রাফিক সপ্তাহের প্রথম দিনে মামলা হয় ৭ হাজার ৮১টি, জরিমানা আদায় হয় ৪২ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা। ওই দিন ৫৭টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৭০৮টি গাড়ি রেকার করা হয়। দ্বিতীয় দিন ৭ হাজার ৩১৯টি মামলা হয় ও ৪৬ লাখ ৬৭ হাজার ৭২ টাকা জরিমানা হয়। এ সময় ১৪২টি মোটরসাইকেল আটকসহ ৮৩৭টি গাড়ি ডাম্পিং ও রেকার করা হয়। তৃতীয় দিনে ৯ হাজার ৪৭০টি মামলা ও ৫৪ লাখ ২৫ হাজার ৭৫০ টাকা জরিমানা করা হয়। ৯৯৯টি গাড়ি ডাম্পিং ও রেকার করা হয়। চতুর্থ দিনে ৯ হাজার ৯৭৪টি মামলা ও ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ২০ টাকা জরিমানা হয়। এ সময় ১ হাজার ৫৭টি গাড়ি ডাম্পিং ও রেকার করা হয়। পঞ্চম দিনে ৪ হাজার ৪৮৪টি মামলা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বিএনপিকে জলাতঙ্ক রোগীর মতো ভয় পায় আ.লীগ’

দেশের খবর: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের মাঝে বিএনপি ভীতি আছে। যেমন একটা প্রাণী আছে, পানি দেখলেই ভয় পায়; ঠিক তেমনি আওয়ামী লীগও বিএনপির নাম শুনলে জলাতঙ্ক রোগীর মতো ভয় পায়। তারা যা কিছু হয়, সেখানে বিএনপি দেখতে পায়। মনে হয় বিএনপি ভীতিতে প্রত্যেক রাতে ঘুমাতে পারে না।
শুক্রবার (১০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, পুলিশের সহায়তায় এবং তাদের সামনে বিএনপি-জামায়ত কর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিসোটা নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মারপিট করবে, সাংবাদিকদের কোপাবে, আওয়ামী লীগ অফিস আক্রমণ করবে আর তাদের গ্রেফতার করা হবে না- এ কথা বিশ্বাস করবে এ দেশে এমন কোনো পাগলও নেই।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন, এসব আক্রমণ নাকি বিএনপি-জামায়াত কর্মীরা করেছে। হেলমেট পরা ও মুখোশধারী আক্রমণকারীরা ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মী ছিল, এটা আহত সব সাংবাদিক এবং ছাত্রছাত্রীরা বলার পরও তিনি তাদের বিচার করার জন্য নাম চান। এমন বাজে রসিকতায় তিনি আনন্দ পেতে পারেন, কিন্তু দেশবাসী লজ্জিত হয়।
বিএনপির এ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগই পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং সেই পুলিশ তাদেরই নির্দেশে হেলমেট ও মুখোশধারীদের মানুষ কোপানোর পর নির্বিঘ্নে সরে যেতে দিয়েছে। এর পর হামলায় আহতদের কাছে নাম চাওয়া একটা নোংরা রসিকতা ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। বলা বাহুল্য, সাংবাদিক ও টিভি চ্যানেলগুলোর ওপরে কড়া নিয়ন্ত্রণ রাখার পরও এই সত্যগুলো টিভি ক্যামেরার চোখ এড়িয়ে যায়নি এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশ পেয়ে গেছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকারি দলের সিদ্ধান্তেই সরকারি দল ও ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা পুলিশের ছত্রছায়ায় হেলমেট ও মুখোশ পরে অগ্নেয়াস্ত্র, লাঠি, কিরিচ, রামদা নিয়ে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের ওপর অমানবিক ও বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের মারপিট করেছে। দলবদ্ধভাবে বিভিন্ন হোস্টেলে ও আবাসস্থলে গিয়ে ছাত্রদের মারপিট করে পুলিশে হস্তান্তর করেছে। এ সবকিছুই ঘটেছে পুলিশের চোখের সামনে এবং তাদের সহযোগিতায়।
সড়ক আইন নিয়ে বিএনপির শীর্ষ এ নেতা বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি মানার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার মন্ত্রীসভায় সড়ক পরিবহন আইনের যে সংশোধনী অনুমোদন করেছে তা ইতোমধ্যেই পরিবহন মালিক সমিতি ছাড়া সবাই প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিনি বলেন, সংশোধিত এই আইনে ছাত্র-ছাত্রীদের দাবিকৃত নিরাপদ সড়ক অর্জিত হবে না। কারণ, এই আইনে সড়ক পরিবহন খাতে মানুষ হত্যা ও অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানোর স্পষ্ট দিক নির্দেশনা কিংবা কঠোর শাস্তির বিধান নেই।
আন্দোলনে সমর্থনের বিষয়ে ফখরুল বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যে অভূতপূর্ব ঐক্যবদ্ধ এবং সুশৃংখল প্রতিরোধের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতি ও আন্দোলনের ইতিহাসে এক নতুন মাত্রা সৃষ্টি করেছে। আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যেই সমর্থন জানিয়েছি। এটা অপরাধ হলে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে পুলিশ কর্মকর্তারা পর্যন্ত একই অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ার কথা।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি একটা যৌক্তিক আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন জানিয়েছে এবং এই আন্দোলনের প্রতি সারাদেশের মানুষের সমর্থন রয়েছে। আজকে যে পদ্ধতিতে সরকার এটাকে দমন করেছে এটা সার্বজনীনভাবে ধিকৃত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন করে আওয়ামী লীগ আরও গণবিচ্ছিন্ন হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হজ ফ্লাইট নিয়ে শঙ্কা

দেশের খবর: আর কয়েক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইটের কার্যক্রম শেষ হবে। পর্যাপ্ত যাত্রী না পাওয়ায় এরই মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। আরও কমপক্ষে ৮টি ফ্লাইটের টিকিট অবিক্রীত রয়েছে এয়ারলাইন্সটির। এসব ফ্লাইটের টিকিট যথাসময়ে বিক্রি না হলে ঝুঁকিতে পড়বেন কমপক্ষে ১ হাজার হজ গমনেচ্ছু।
জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে ১৬ আগস্ট হজযাত্রী নিয়ে শেষ ফ্লাইট ছেড়ে যাবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৪ ও ১৫ আগস্টের ৮টি ফ্লাইটের টিকিট এখনও অবিক্রীত রয়েছে। হজ এজেন্সিগুলো হজযাত্রীদের সৌদি আরবে বাড়িভাড়া ও ভিসা জটিলতায় এ সংকট তৈরি হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ বলেন, ‘হজযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে বিমানের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। এ বছর সৌদি সরকার অতিরিক্ত হজ ফ্লাইটের অনুমোদন দেবে না। ফলে এখনও নির্ধারিত যেসব ফ্লাইটের টিকিট অবিক্রীত রয়েছে, সেগুলো বিক্রি না হলে অনিশ্চতায় বাড়বে।’
হজ অফিস জানিয়েছে, ৯ আগস্ট সকাল ৯টা পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫১ হাজার ২৮৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সে পৌঁছেছেন ৪৮ হাজার ৭৯ জন।
হজ অফিস জানিয়েছে, এবার বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাবেন। এরমধ্যে ৯ আগস্ট সকাল ৯টা পর্যন্ত ১লাখ ১৯ হাজার ২০ জন সৌদি আরবের ভিসা পেয়েছেন।
জানা গেছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এবার সম্ভাব্য হজের তারিখ ২১ আগস্ট। ১৪ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে হজ ফ্লাইট। ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন হজযাত্রীর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার ৭৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জন সৌদি আরব যাচ্ছেন। হজ শেষে হাজিদের ফিরিয়ে আনতে ফ্লাইট শুরু হবে ২৭ আগস্ট।
হাব মহাসচিব শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, ‘এ বছর যারা হজে যাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন সবাই যেতে পারবেন। কেউ বাদ পড়বেন না। শঙ্কার কোনও কারণ নেই। বিমানের যদি কোনও টিকিট অবিক্রীত থাকে সেটি তাদের তাদের সমস্যা, এজন্য হজযাত্রায় কোনও সমস্যা হবে না।’
এ প্রসঙ্গে হজ অফিসের পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখনও সুষ্ঠুভাবে সব হজযাত্রীকে সৌদি আরবে পাঠাতে কাজ করে যাচ্ছি। আশা করছি কোনও সমস্যা হবে না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest