এক নিমে নিরাময় হবে ২২টি রোগ!

স্বাস্থ্য বটিকা: নিম ,ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস, সবই কাজে লাগে। শুধু নিম দিয়েই নিরাময় হয় ২২টি রোগ। নিমের পাতা থেকে আজকাল প্রসাধনীও তৈরি হচ্ছে। কৃমিনাশক হিসেবে নিমের রস খুবই কার্যকর। নিমের কাঠও খুবই শক্ত। এ কাঠে কখনো ঘুণ ধরে না। পোকা বাসা বাঁধে না। উইপোকা খেতে পারে না। নিমের এই গুনাগুণের কথা বিবেচনা করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা‘একুশ শতকের বৃক্ষ’ বলে ঘোষণা করেছে।

নিমে যে ২২টি রোগের নিরাময় হয়:

১. খোস পাচড়া বা চুলকানি
নিম পাতা সিদ্ধ করে সেই জল দিয়ে স্নান করলে খোসপাচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়। পাতা ভেজে গুড়া করে সরিষার তেলের সাথে মিষিয়ে চুলকানিতে লাগালে যাদুর মতো কাজ হয়। নিম পাতার সাথে সামান্য কাঁচা হলুদ পিষে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ আকারে ৭-১০ দিন ব্যবহার করলে খোস-পাঁচড়া ও পুরনো ক্ষতের উপশম হয়। নিম পাতা ঘিয়ে ভেজে সেই ঘি ক্ষতে লাগালে ক্ষত অতি সত্বর আরোগ্য হয়।

২. কৃমিনাশক
পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যায়। বাচ্ছাদের পেটে কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই। শিশুরাই বেশি কৃমি আক্রান্তের শিকার হয়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়া দিন ৩ বার সামান্য গরম জল সহ খেতে হবে। আবার ৩-৪ গ্রাম নিম ছাল চূর্ণ সামান্য পরিমাণ সৈন্ধব লবণসহ সকালে খালি পেটে সেবন করে গেলে কৃমির উপদ্রব হতে রক্ষা পাওয়া যায়। নিয়মিত এক সপ্তাহ সেবন করে যেতে হব। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১-২ গ্রাম মাত্রায় সেব্য।

৩. ত্বক
বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। আবার ঘরে তৈরি নিমের বড়িও খাওয়া যেতে পারে। বড়ি তৈরি করতে নিমপাতা ভালোভাবে ধুয়ে বেটে নিন। এবার হাতে ছোট ছোট বড়ি তৈরি করুন। বড় ডিশে ফ্যানের বাতোসে একদিন রেখে দিন। পরদিন রোদে শুকোতে দিন। নিমের বড়ির জল একেবারে শুকিয়ে এলে এয়ারটাইট বয়ামে সংরক্ষণ করুন। নিমপাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিমপাতা থেঁতো করে লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুল্কানি ভাব হয়, নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সাথে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়। তবে হলুদ ব্যবহার করলে রোদ এড়িয়ে চলাই ভালো। নিমপাতার চেয়ে হলুদের পরিমাণ কম হবে। নিমপাতা সিদ্ধ জল গোসলের জলর সাথে মিশিয়ে নিন। যাদের স্কিন ইরিটেশন এবং চুল্কানি আছে তাদের এতে আরাম হবে আর গায়ে দুর্গন্ধের ব্যাপারটাও কমে যাবে আশা করা যায়।

৪. দাতের রোগ
দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও। কচি নিম ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত ভাল থাকে। নিম পাতার নির্যাস জলতে মিশিয়ে বা নিম দিয়ে মুখ আলতোভাবে ধুয়ে ফেললে দাঁতের আক্রমণ, দাঁতের পচন, রক্তপাত ও মাড়ির ব্যথা কমে যায় এবং বুকে কফ জমে গেলে নিম পাতা বেটে এর ৩০ ফোঁটা রস সামান্য গরম জলতে মিশিয়ে দিনে তিন থেকে চারবার খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৫. রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে
নিম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চমৎকার ভাবে কাজ করে। নিমের পাতা রক্তের সুগার লেভেল কমতে সাহায্য করে। এছাড়াও রক্ত নালীকে প্রসারিত করে রক্ত সংবহন উন্নত করে। ভালো ফল পেতে নিমের কচি পাতার রস প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পান করুন। সকালে খালি পেটে ৫টি গোলমরিচ ও ১০টি নিম পাতা বেটে খেলে তা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।

৬. চুল
উজ্জ্বল,সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিম পাতার অবদান অপরিসীম। চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ জল দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়।চুলে প্রতি সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টারমত রাখুন। এবার ১ ঘন্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।দেখবেন চুল পড়া কমার সাথে সাথে চুল নরম ও কোমল হবে। মধু ও নিমপাতার রস একত্রে মিশিয়ে সপ্তাহে কমপক্ষে ৩ দিন চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগান। এবার ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপার শেম্পু করুন আর অধিকারী হোন ঝলমলে সুন্দর চুলের। এক চা চামচ আমলকির রস, এক চা চামচ নিমপাতার রস, এক চা চামচ লেবুর রস, প্রয়োজন অনুযায়ী টকদই মিশিয়ে সপ্তাহে ২ দিন চুলে লাগিয়ে আধঘণ্টা অপেক্ষা করারপর শ্যাম্পু করুন।

৭. উকুন বিনাশে
নিমের ব্যাবহারে উকুনের সমস্যা দূর হয়। নিমের পেস্ট তৈরি করে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন, তারপর মাথা শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন এবং উকুনের চিরুনি দিয়ে মাথা আঁচড়ান। সপ্তাহে ২-৩ বার ২ মাস এভাবে করুন। উকুন দূর হবে।

৮. খুশকি বিনাশে
নিমের ব্যাকটেরিয়া নাশক ও ছত্রাক নাশক উপাদানের জন্য খুশকির চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে। নিম মাথার তালুর শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে। খুশকির চিকিৎসায় নিমের ব্যাকটেরিয়া নাশক ও ছত্রাক নাশক উপাদানের জন্য খুশকির চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে। নিম মাথার তালুর শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে। চার কাপ জলতে এক মুঠো নিমের পাতা দিয়ে গরম করতে হবে যতক্ষণ না জলটা সবুজ বর্ণ ধারণ করে এই জল ঠান্ডা হলে চুল শ্যাম্পু করার পর এই জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।নিমের জল কন্ডিশনারের মত কাজ করবে। সপ্তাহে ২-৩বার ব্যবহার করুন যতদিন না খুশকি দূর হয়।

৯. ওজন কমাতে
যদি আপনি ওজন কমাতে চান বিশেষ করে পেটের তাহলে নিমের ফুলের জুস খেতে হবে আপনাকে। নিম ফুল মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে শরীরের চর্বি ভাংতে সাহায্য করে।একমুঠো নিম ফুল চূর্ণ করে নিয়ে এর সাথে এক চামুচ মধু এবং আধা চামুচ লেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে মিশান। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই মিশ্রণটি পান করুন। দেখবেন কাজ হবে।

১০. রক্ত পরিষ্কার করে
নিমপাতার রস রক্ত পরিষ্কার করে ও রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়। এছাড়াও রক্তচলাচল বাড়িয়ে হৃৎপিণ্ডের গতি স্বাভাবিক রাখে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও নিমের জুড়ি নেই।

১১. ঠাণ্ডাজনিত বুকের ব্যথা
অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রস সামান্য গরম জলতে মিশিয়ে দিতে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতীদের জন্য ঔষধটি নিষেধ।

১২. পোকা-মাকড়ের কামড়
পোকা মাকড় কামড় দিলে বা হুল ফোঁটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষত স্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।

১৩. জন্ডিস
জন্ডিস হলে প্রতিদিন সকালে নিম পাতার রস একটু মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে। ২৫-৩০ ফোঁটা নিম পাতার রস একটু মধুর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে জন্ডিস আরোগ্য হয়। জন্ডিস হলে এক চামচ রসের সাথে একটু মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খান। পুরোপুরি নিরাময় হতে এক সপ্তাহ চালিয়ে যেতে হবে।

১৪. ভাইরাস রোগ
ভারতীয় উপমহাদেশে ভাইরাল রোগ নিরাময়ে নিম ব্যবহৃত হয়। নিমপাতার রস ভাইরাস নির্মূল করে। আগে চিকেন পক্স, হাম ও অন্য চর্মরোগ হলে নিমপাতা বাটা লাগানো হতো। এছাড়াও নিমপাতা জলতে সিদ্ধ করে সে জল দিয়ে স্নান করলে ত্বকের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি দূর হয়।

১৫. ম্যালেরিয়া
গ্যাডোনিন উপাদান সমৃদ্ধ নিম ম্যালেরিয়ার ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও নিমপাতা সিদ্ধ জল ঠাণ্ডা করে স্প্রে বোতলে রাখুন। প্রতিদিন ঘরে স্প্রে করলে মশার উপদ্রব কমে যাবে।

১৬. বাত
নিমপাতা, নিমের বীজ ও বাকল বাতের ব্যথা সারাতে ওষুধ হিসেবে কাজ করে। বাতের ব্যথায় নিমের তেলের ম্যাসাজও বেশ উপকারী। নিমপাতা, নিমের বীজ ও বাকল বাতের ব্যথা সারাতে ওষুধ হিসেবে কাজ করে। বাতের ব্যথায় নিমের তেলের ম্যাসাজও বেশ উপকারী।

১৭. চোখ
চোখে চুলকানি হলে নিমপাতা জলতে দশ মিনিট সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা করে নিন। চোখে সেই জলর ঝাপটা দিন। আরামবোধ করবেন।

১৮. ব্রণ দূর করতে
নিমপাতার গুঁড়ো জলতে মিশিয়ে মুখ ধুতে পারেন। এতে ব্রণ দূর হবে এবং ব্রণ থেকে তৈরি জ্বালাপোড়া ভাবও দূর হবে। এটা ব্রণ দূর করার একটি কার্যকর পদ্ধতি।

১৯. ছত্রাকের ইনফেকশন দূর করতে
যদি আপনার পায়ে কোন ফাঙ্গাল ইনফেকশন থাকে নিম ব্যবহার করুন। নিমে নিম্বিডল এবং জেডুনিন আছে যা ফাঙ্গাস ধ্বংস করতে পারে। নিম পাতার পেস্ট বানিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগালে নিরাময় লাভ করা যায়। আক্রান্ত স্থানে কয়েক ফোঁটা নিমের তেল দিনে তিনবার লাগালেও ভালো ফল পাওয়া যায়।
ক্ষত নিরাময়ে

হয়তো চিন্তা করছেন নিম কীভাবে ক্ষত দূর করবে? হ্যাঁ, নিমপাতা ক্ষত নিরাময়েও বেশ উপকারী। নিমপাতা বেটে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এর অ্যান্টিমাক্রোবাইয়াল উপাদান ক্ষত নিরাময়ে দ্রুত কাজ করবে।

২০. অজীর্ণ
অনেকদিন ধরে পেটে অসুখ? পাতলা পায়খানা হলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস, এক কাপ জলর ৪/১ ভাগ জলর সঙ্গে মিশিয়ে সকাল-বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।

২১. অ্যালার্জি
অ্যালার্জির সমস্যায় নিম পাতা ফুটিয়ে স্নান করুন। অ্যালার্জি যাবে ১০০ হাত দূরে। তাছাড়া কাঁচা হলুদ ও নিম পাতা একসাথে বেঁটে শরীরে লাগান। অ্যালার্জি কমবেই।

২২. একজিমা
একজিমা, ফোড়া অথবা বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যা নিরাময়ে নিম খুব কার্যকর। ত্বকের যেসব জায়গায় এ ধরনের সমস্যা রয়েছে সেখানে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জলবায়ু বিষয়ক নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সোমবার ১৩ আগস্ট ২০১৮ রবিবার দুপুর ১২.০০ টায় ‘চাই জলবায়ু খাতে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জন অংশগ্রহণ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর আয়োজনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শহিদ স. ম. আলাউদ্দিন মিলনায়তনে সমমনা সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে জলবায়ু বিষয়ক নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সনাক জলবায়ু বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক কল্যাণ ব্যানার্জি।
বক্তাগণ জলবায়ু ঝুকি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকল্প গ্রহণে স্থানীয় অভিজ্ঞার আলোকে ক্ষেত্র চিহ্নিত করা, জলবায়ু তহবিলের প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে এডভোকেসি পরিকল্পনা গ্রহণে সুনির্দিষ্ট মতামত ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। বিশেষ করে যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি, সাতক্ষীরা পৌরসভা, জেলা পরিষদ এবং জেলা প্রশাসনকে যুক্ত করে জলবায়ু ঝুকি মোকাবেলায় জন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে ১টি পরামর্শ সভা এবং সাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সবুজ জলবায়ু তহবিলের আওতায় ক্রিম প্রকল্প (কেএফডব্লিও এর অর্থায়নে) সম্পর্কে ১ টি জন অবহিতকরণ সভা আয়োজনের বিষয়ে জোর দাবি জানান।
এসময় সনাক সভাপতি কিশোরী মোহন সরকার, সহ-সভাপতি মো. তৈয়েব হাসান, ভারতেশ্বরী বিশ্বাস, সনাক সদস্য প্রফেসর আব্দুল হামিদ, ড. দিলারা বেগম, মো. অলিউর রহমান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল বারী, দৈনিক পত্রদূত এর সম্পাদমন্ডলীর সভাপতি মোঃ আনিছুর রহিম, স্বদেশ নির্বাহী পরিচালক মাধব দত্ত, চ্যালেল আই প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরা এর আহ্বায়ক এডভোকেট ফাহিমুল হক কিসলু, সদস্য সচিব আলী নূর খান বাবুল, দৈনিক পত্রদূত এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, গাভা আইডিয়াল কলেজ এর অধ্যক্ষ শিব পদ গাইন, ক্রিসেন্ট এর নির্বাহী পরিচালক মো. আবু জাফর সিদ্দিকী, বরসা’র সহকারি পরিচালক নাজমুল আলম মুন্না, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জোৎন্সা দত্ত, ব্রাক এর জেলা প্রতিনিধি মো. রেজাউল করিম খান, সুশীলন এর জেলা সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম, ঋশিল্পীর ম্যানেজার যোগাযোগ সভারঞ্জন শিকদার প্রমুখ।

এ দিকে একই দিন বিকাল ৪.৩০ মিনিটে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে লক্ষ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সাথে সনাক এর অপর ১টি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন এর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সনাক শিক্ষা বিষয়ক উপ-কমিটির আহবায়ক প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সনাক সহ-সভাপতি ভারতেশ্বরী বিশ্বস, সনাক সদস্য ড. দিলারা বেগম, সচ্ছতার জন্য নাগরিক (স্বজন) সহ-সম্বয়ক চায়না ব্যানার্জী, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মন্তোষ কুমার দেবনাথ, সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার গৌরাঙ্গ গাইন, এস, এম, মফিজুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার সন্দীপ কুমার রায়, সন্তোষ কুমার মন্ডল, বাসুদেব কুমার সানা, বদ্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ মাছুমা খাতুন প্রমুখ।

সভায় শিক্ষা খাতে সনাকের পরিচালিত কার্যক্রম সমূহ উপস্থাপন করা হয়। এসময় জেলা প্র্থমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন বদ্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গঠিত ‘সক্রিয় মা দলের’ ইতিবাচক অর্জনকে মডেল হিসেবে চিহ্নিত করে জেলার ১০৯৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সক্রিয় মা দল গঠন ও পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের শোক দিবসের প্রস্তুতি সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকাল ৫টায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাশির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি সবুর খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ: মজিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন, আ: রহমান, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ পৌর শাখার সভাপতি নুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, রনি সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সভায় ১৫ আগস্ট সকাল ৭টায় জাতীয় পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭.১৫ মিনিটে কালো ব্যাচ ধারণ, ৭.৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিক কৃতিতে মাল্যদান, ১০টায় শোক র‌্যালীতে অংশ গ্রহন, দুপুরে দেড়টায় গণভোজ। ১৭ আগষ্ট বিকাল ৪টায় সুলতানপুরস্থ আজাদী সংঘ ক্লাবে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে বলে সিন্ধান্ত গৃহিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় তাঁতীলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ধানমন্ডীস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে বাংলাদেশ তাঁতীলীগের সাতক্ষীরা সদর ও পৌর শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
উক্ত সমাবেশে পৌর সভাপতি নুরজাহান সাদিয়ার সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার সানার পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা তাঁতীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব মীর আজহার আলী শাহীন। প্রধান বক্তা ছিলেন, আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম। বিশেষ বক্তা ছিলেন জেলার সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান তুহিনসহ জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর নেতৃবৃন্দ। বক্তারা অবিলম্বে অফিসে হামলাকারিদের গ্রেফতার ও শাস্তি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: দেশের মোবাইল অপারেটরগুলো টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসির দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী ৪৫ পয়সার নিচে কোনো কলরেট নির্ধারণ করতে পারবে না। আর কলরেটের সর্বোচ্চ সীমা হবে ২ টাকা পর্যন্ত।

আজ মধ্যরাতের পর থেকে মোবাইল অপারেটরগুলোকে এই নির্দেশনা মেনে কল রেট নির্ধারণ করবে। বর্তমানে বিটিআরসির নির্ধারিত সর্বনিম্ন অন-নেট প্রতিমিনিট ২৫ পয়সা এবং অফ-নেটে ৬০ পয়সা। আর অন-অফে সর্বোচ্চ সীমা ২ টাকা চালু রয়েছে।

এখন থেকে আর মোবাইল ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে অফনেট ও অননেট সুবিধা থাকছে না।

৪৫ পয়সা হলো নতুন কলরেটের ফ্লোর প্রাইস (ইউনিফায়েড ফ্লোর প্রাইস)। এই রেটের কমে কোনও মোবাইল নম্বরে কল করা যাবে না।

তবে মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের পছন্দমতো রেট সাজিয়ে নতুন কলরেট গ্রাহকদের অফার করতে পারবে। কলরেটের সর্বোচ্চ সীমা হবে ২ টাকা, যা আগেও ছিল। কোনও অপারেটর গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতি মিনিটের কলের জন্য ২ টাকার বেশি চার্জ করতে পারবে না।

বর্তমানে বিটিআরসির নির্ধারণ করে দেওয়া সর্বনিম্ন অননেট চার্জ প্রতি মিনিট ২৫ পয়সা ও অফনেট ৬০ পয়সা। সর্বোচ্চ চার্জ প্রতি মিনিটে ২ টাকা। মোবাইল ফোন অপারেটররা এই সীমার মধ্যে থেকে নিজেদের অপারেটরের চার্জ নির্ধারণ করেছে। ফলে একেক অপারেটরের চার্জ ছিল একেক রকম।

প্রসঙ্গত, দেশে দুই ধরনের কলরেট চালু আছে, অননেট ও অফনেট। অননেট হলো একই মোবাইল নেটওয়ার্কে কল করার (কথা বলার) পদ্ধতি এবং অফনেট কল হলো এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ফোন করা। নতুন নিয়মে এই অননেট ও অফনেটের কলরেট পদ্ধতি আর থাকছে না।

১৪ আগস্ট থেকে নতুন কলরেট চালুর কথা বলা হলেও একাধিক মোবাইল ফোন অপারেটরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, বেশিরভাগই আজ সোমবার রাত ১২টার পরে (মঙ্গলবারের প্রথম প্রহরে) নতুন কলরেট কার্যকর করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার আর নেই

দেশের খবর: সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ২৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। সিঙ্গাপুরে থাকা সমকালের বিশেষ প্রতিনিধি শরীফুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বিকেলে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন গোলাম সারওয়ারকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।

গত ৩ আগস্ট মধ্যরাতে সমকাল সম্পাদককে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। এর আগে গত ২৯ জুলাই মধ্যরাতে গোলাম সারওয়ার রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর ও পৌর তাঁতীলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

 

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ধানমন্ডীস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে বাংলাদেশ তাঁতীলীগের সাতক্ষীরা সদর ও পৌর শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
উক্ত সমাবেশে পৌর সভাপতি নুরজাহান সাদিয়ার সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার সানার পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা তাঁতীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব মীর আজহার আলী শাহীন। প্রধান বক্তা ছিলেন, আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম। বিশেষ বক্তা ছিলেন জেলার সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান তুহিনসহ জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর নেতৃবৃন্দ। বক্তারা অবিলম্বে অফিসে হামলাকারিদের গ্রেফতার ও শাস্তি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তারুজ্জামানের এক্স-রে জালিয়াতির ঘটনার নার্স সনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ডাক্তারি সনদ জালিয়াতি ও প্রতারনার অভিযোগে সোমবার সকাল ১০টায় দ্বিতীয় দফায় তদন্ত হয়েছে। এ সময় ভিকটিম বেবী নাজমিন প্রতারক হিসেবে গত ৩০ মে তারিখে তার চিকিৎসাধীন ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা সদর উপজেলার গাভা এলাকার সানজিদাকে সনাক্ত করেন।
তদন্ত কালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ এহছেন আরা, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবুল হোসেন ও ডাঃ শরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, পাটকেলঘাটা থানার এনায়েতপুর শানতলা গ্রামের কলেজ পড়–য়া বেবী নাজমিন ও তার বোন মারুফা প্রতিপক্ষের হামলায় জখম হয়ে গত ২৮ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সার্জারী কনসালট্যান্ট ডাঃ শরিফুল ইসলাম তাদেরকে ২৯ মে পর্যন্ত চিকিৎসা দেন। একই গ্রামের মাস্টাররোলে কর্মরত রুবেল ওরফে শামীমের মাধ্যমে হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারি কাম ওয়ার্ড মাষ্টার আক্তার হোসেনের সঙ্গে বেবী, বোন মারুফা ও তাদের মা সাবিনা খাতুনের পরিচয় ঘটে।৩০ মে সেবিকার দেওয়া এক্সরে স্লিপ নিয়ে অফিসে গেলে আক্তার হোসেন একজন সেবিকাকে ডেকে তাদেরকে নিয়ে ১২৫ নং কক্ষে এক্স-রে করে আসতে বলেন। আক্তার হোসেনের কথামত দু’ বোনের এক্স-রে বাবদ ৭০০ টাকা তাদের সঙ্গে পাঠানো নার্সকে দিয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ৩০ মে সন্ধ্যায় ভূয়া এক্সরে প্লেট দিয়ে পরদিন ছাড়পত্র দেওয়ার পর এক্স-রে প্লেট, এক্স-রে স্লিপ নিয়ে ছাড়পত্রে কাটাকাটি করে ৩০ মে লিখে তাদেরকে ফেরৎ দেন আক্তার। ওই দিন শামীমের মাধ্যমে বেবী ও মারুফা জানতে পারে যে জামিন পাওয়ানোর সুবিধার্থে তড়িঘড়ি করে দুর্বল ডাক্তারি সনদ দেয়ার জন্য আসামী আব্দুর রহমানের কাছ থেকে৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন আক্তারুজ্জামান। দু’ বোনের মাথায় গভীর ক্ষত হওয়ার কারণে কয়েকটি সেলাই দেওয়ার পরও এমসিতে থেতলানো জখম বলে উল্লেখ করায় তারা অবাক হন। এমসিতে এক্স-রে করা হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়। সাংসদ অ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহের কথা মত বিষয়টি নিয়ে নাগরিক মঞ্চের আহবায়ক অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসুল একজন সাংবাদিককে নিয়ে গত ১৭ জুলাই সিভিল সার্জনের কাছে গেলে তিনি ৩০ মে ওই ওয়ার্ডে কর্মরত দু’ সেবিকাকে না ডেকে একজনকে ও সংশ্লিষ্ট ডাঃ শরিফুল ইসলামকে সামনে না রেখে সিভিল সার্জন ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ জামিলকে সামনে রেখে আক্তারের পক্ষ নিয়ে বেবী, মারুফা ও তার মা সাবিনা এক্সরে না করার স্বপক্ষে টিপসহি দিয়েছেন বলে দাবি করে প্রয়োজনে মামলা করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন । বিষয়টি নিয়ে পত্রপত্রিকায় ছাপানো হয়। পত্রপত্রিকায় অভিযোগ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ায় কতদন্ত টিমের প্রধান ডাঃ এহছেন আরার পাওয়া নোটিশ পেয়ে গত ৯ আগষ্ট বুধবার সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের সস্মেলন কক্ষে ভিকটিম মারুফা, বেবী নাজমিন, আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, ভূমিহীন নেতাসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সনদ জালিয়াতির অভিযোগ আনেন।
একইভাবে সোমবার সকাল ১০ টায় সিভিল সার্জনের সদর হাসপতালের সুপারের অফিস কক্ষে ভিকটিম বেবী নাজমিন এক্সরে করার খরচ বাবদ আক্তারুজ্জামানের নির্দেশে ৭০০ টাকা নেওয়া সেবিকা সানজিদা খাতুনকে চিহ্নিত করেন। একইভাবে শামীম ওরফে রুবেল তদন্তকারি কর্মকর্তাদের সামনে আক্তারুজ্জামানদের সঙ্গে মারুফা ও বেবী নামজমিনের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। তবে মোবাইলে এক জনের কাছে আক্তারুজ্জামানকে বাচিয়ে দেওয়ার কথা বলার বিষয়টি স্বীকার করেন।
সূত্রটি আরো জানায়, দুর্বল ডাক্তারি সনদ দেওয়ার জন্য ও ডাক্তারি সনদ গ্রিভিয়াস করার জন্য সদর হাসপাতালের সবচেয়ে বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে আক্তার হোসেন পরিচিতি লাভ করেছেন। এ ছাড়া সাধারণ ডাক্তারি সনদ গ্রিভিয়াস হিসেবে লিখিয়ে নেওয়া, গ্রিভিয়াস সনদ সিমপিল ইন নেচার হিসেবে লিখিয়ে নেওয়া ব্যাপারে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আক্তারুজ্জামাানের বিরুদ্ধে।
তবে তদন্ত টিমের প্রধান ডাঃ এহছেন আরা জানান, বেবী নাজনিন বুধবার চোখের সমস্যা আছে এমন একজন নার্সই তাদের কাছ থেকে আক্তারুজ্জামানের নির্দেশ মত টাকা নিয়েছে। যা’ সোমবার সে তদন্তকালে সনাক্ত করেছে। যদিও সানজিদা অস্বীকার করেছে বেবীর অভিযোগ। এ ছাড়া সিসি ক্যামেরা চালু না থাকার বিষয়টি অবাক বলেন, এটা চালু থাকলে মুহুর্তের মধ্যেই সমস্যা সমাধান হয়ে যেতো। তবে কোন নার্স বা ডাক্তারের সামনে বেবী, মারুফা বা মারুফার মা সাবিনার টিপ সহি নেওয়া হয়েছিল তা এখনো চিহ্নিত করা যায়নি। মঙ্গলবার সকাল টায় মারুফাকে তাদের তদন্ত টিমের সামনে এসে টিপ সহি নেওয়া ও সংশ্লিষ্ট নার্সকে চিহ্নিত করার জন্য বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest