সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

কলেজ শিক্ষকের মাসিক বেতন মাত্র ১৭৯ টাকা

দেশের খবর: দেশে শিক্ষার বিস্তার ঘটেছে। বেড়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। এর মধ্যেও এক শ্রেণির শিক্ষকের দুঃখ ঘুচছে না কিছুতেই। অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য, এক শ্রেণির কলেজ শিক্ষকের মাসিক বেতন এখনও মাত্র ১৭৯ টাকা ৪০ পয়সা। গত ৪১ বছরে ২৯ টাকা ৯০ পয়সা বেড়ে এই অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। আন্দোলন না করলেও আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার তাগিদেই বেতন বাড়ানোর দাবি করেছেন এই বঞ্চিত শিক্ষকরা। তারা সংস্কৃত ও পালি ভাষার শিক্ষক।
মৌলভীবাজারের নিত্যানন্দ সংস্কৃত মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বরুণ ভট্টাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণী বিজ্ঞানে অনার্স এবং ফিসারিজ থেকে মাস্টার্স শেষ করে ব্যাকরণ ও কাব্যতীর্থ নিয়ে পড়াশোনা করেন। লেখাপড়া শেষ করে নিত্যানন্দ সংস্কৃত মহাবিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন ২০১২ সালে। তিনি জানান, চাকরিতে যোগ দিয়ে প্রথম বেতন পান ১৪৯ টাকা ৫০ পয়সা। ২০১৫ সালে জাতীয় বেতন স্কেল নির্ধারণের সময় সরকার তার বেতন ২৯ টাকা ৯০ পয়সা বাড়িয়ে নির্ধারণ করে ১৭৯ টাকা ৪০ পয়সা। সেই বেতন নিয়ে সংস্কৃত ভাষা সংরক্ষণে নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন শিক্ষকতার মহান পেশায়। এখন তিনি কলেজটির অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন।
বরুণ ভট্টাচার্য বলেন, ‘সংস্কৃত ও পালি ভাষা দিন দিন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এটিকে ধরে রাখতে শিক্ষকতা শুরু করি। বেতন না পেয়ে চলতে কষ্ট হয়। তারপরেও ভাষা ও পুরনো সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে শিক্ষকতা করছি। শেষ পর্যন্ত চালিয়ে যাবো।’
রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার বিনাপানী সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক তপন কুমার সাহার অবস্থাও একই। তিনি জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন দিনাজুরের একটি কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেন। কাব্য ও ব্যকরণতীর্থ, স্মৃতি, বেদান্ত এবং পৌরহিত্য বিষয় নিয়ে লেখাপড়া শেষ করে বিনাপানী সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন।
তপন কুমার সাহা বলেন, ‘আমি ১৫ বছর ধরে শিক্ষকতা করছি। কাব্যতীর্থ, ব্যকরণতীর্থ, স্মৃতি বিষয়ে ছাত্রদের পড়াই। আগে বেতন পেতাম ১৪৯ টাকা ৫০ পয়সা, এখন বেতন পাই ১৭৯ টাকা ৪০ পয়সা। তবে বেতন মুখ্য বিষয় না ভেবে বিলুপ্তপ্রায় সংস্কৃত ও পালিভাষাসহ সনাতন ঐতিহ্য ধরে রাখতে শিক্ষককতা করে যাচ্ছি। বর্তমানে কলেজটির অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছি।’
সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানান, এসএসসি পাসের পর তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হন শিক্ষার্থীরা। তাদের পড়ানো হয়— কাব্যতীর্থ, ব্যাকারণতীর্থ, আয়ুর্বেদতীর্থ, পুরাণ, জ্যোতিঃশাস্ত্র, স্মৃতি, বেদ ও বেদান্ত বিষয়ে। এই কলেজ থেকে পাস করে শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হিন্দুধর্মের শিক্ষক হিসেবেই বেশি যোগদান করে।
শিক্ষকরা আরও জানান, সংস্কৃত ও পালি কলেজ থেকে কাব্যতীর্থ বা ব্যাকরণতীর্থ পাস করলেই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পারেন। তবে বেদ, বেদান্ত, স্মৃতিসহ অন্যান্য বিষয়ে যারা পড়েন, তারা বেশি গুরুত্ব পান। পুরাণ বিষয়ে পাস করা শিক্ষার্থীরা বিয়ের নিবন্ধন করার যোগ্যতা অর্জন করেন। জ্যোতিঃশাস্ত্র নিয়ে যারা পাস করবেন, তারা জ্যোতির্বিদ হতে পারেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশ স্বাধীনের পর এসব শিক্ষককরা বেতন পেতেন ১১৫ টাকা। ১৯৭৭ সালে নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণের সময় স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের বেতন স্কেল নির্ধারিত হলেও তাদের হয়নি। ওই সময় ৩০ শতাংশ মহার্ঘভাতাসহ ১৪৯ টাকা ৫০ পয়সা আর কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের বেতন ৩০ শতাংশ মহার্ঘভাতাসহ ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ৪২ বছর পর গত ২০১৫ সালে বেতন বাড়িয়ে সরকার নির্ধারণ করে ১৭৮ টাকা ৪০ পয়সা। আর কর্মচারীদের বেতন বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭৮ টাকা। অর্থাৎ ৪২ বছরে শিক্ষকের বেতন বেড়েছে ২৯ টাকা ৯০ পয়সা এবং কর্মচারীদের বেতন বেড়েছে ১৮ টাকা।
স্বাধীনতার পর যখন এসব শিক্ষকদের ১৪৯ টাকা ৫০ বেতন নির্ধারণ করা হয়, ওই সময় সরকারি কলেজের প্রভাষকদের বেতন ছিল ৪৫০ টাকা। আর বেসরকারি পর্যায়ে একজন প্রভাষকের বেতন ছিল ৩৭৫ টাকা। এখন সরকারি ও বেসরকারি কলেজের প্রভাষকদের মাসিক বেতন স্কেল ২২ হাজার টাকা। কিন্তু সংস্কৃত ও পালি শিক্ষকদের বেতন-ভাতার কোনও পরিবর্তন হয়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, এই শিক্ষকদের বেতন বাড়াতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এসব শিক্ষকদের বেতন-কাঠামোর আওতায় আনতে মাউশির মহাপরিচালকের কাছে বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড একটি প্রস্তাব পাঠায়। ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী সনাতন পদ্ধতির সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় নিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান। এর আগেও বিভিন্ন সময় কয়েক দফা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন স্কেলের আওতায় নিতে প্রস্তাব করা হয়। ওই প্রস্তাবে বলা হয়, জাতীয় বেতন স্কেল নির্ধারণ হওয়ার আগে কলেজের অধ্যক্ষদের পাঁচ হাজার টাকা, অধ্যাপকদের চার হাজার টাকা এবং কর্মচারীদের দুই হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয় সরকারের কাছে।
এর পর গত বছরের ১০ অক্টোবর মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে একটি বেতন কাঠামো তৈরি করে বিষয়টি বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানান। এর প্রায় একবছর পর গত ৭ আগস্ট এ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
মাউশির পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নানের প্রস্তাব অনুযায়ী প্রস্তাবিত কাঠামোতে অধ্যক্ষের মাসিক বেতন ধরা হয়েছে ২৯ হাজার টাকা,আর অধ্যাপকদের বেতন ধরা হয়েছে ১৬ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব সালমা জাহান বলেন, ‘আমরা শিক্ষা বোর্ডকে দেশের সংস্কৃত ও পালি কলেজগুলোর কাছে যাবতীয় তথ্য চাইবো। এ তথ্য পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার।’
মাউশির পরিচালক অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমরা দেখবো কলেজগুলোতে স্ট্যান্ডার্ড মান বজায় রাখা হয় কিনা। পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচি ঠিক রয়েছে কিনা, সব প্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো ছাত্র রয়েছে কিনা। এসব যাচাই করার পর যদি মান ঠিক থাকে, তাহলে বেতন কাঠামো নির্ধারণ করবে সরকার।’
উল্লেখ্য, সারা দেশে এমন কলেজ রয়েছে ২২৭টি। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ৬১৪ জন ও ২২৭ জন কর্মচারীসহ মোট ৮৪১ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট অক্টোবরে চালু হচ্ছে

দেশের খবর: অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে চালু হচ্ছে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠানটির সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ইনস্টিটিউটের কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। ১৭তলা ভবনের নির্মাণ কাজ প্রায় পুরোটাই হয়ে গেছে। এখন যন্ত্রপাতি আসা শুরু হয়েছে। দেশের বাইরে থেকে যেসব যন্ত্রপাতি আসবে সেগুলোর ইন্সপেকশনও হয়ে গেছে।
ডা. সেন বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি আমাদের বলেছেন— এটা যেন দেশের একটি সর্বাধুনিক হাসপাতাল হয়। এতে যেন কোনও ধরনের অবহেলা না থাকে। এটা যেন উদাহরণ দেওয়ার মতো একটি হাসপাতাল হয়। সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের চিফ আমার সঙ্গে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন— অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তিনি এটির উদ্বোধন করবেন।’
চিকিৎসকরা বলছেন, প্রায় দুই একর জমির ওপর নির্মিত এই ইনস্টিটিউট চালু হলে এটি সর্বাধুনিক শিক্ষা, চিকিৎসা ও সেবার ক্ষেত্র তৈরি করবে। মেডিক্যাল শিক্ষার্থীরা তাদের উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবেন, পাশাপাশি তারা বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন। এখানে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির উন্নততর চিকিৎসার সুযোগ পাবেন রোগীরা।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বহুতল এই প্রতিষ্ঠানটিতে থাকবে ১০০টি কেবিন, ৬০টি বেডের হাইডেফিসিয়েন্সি ইউনিট (এইচডিইউ), ৪০ বেডের আইসিইউ, ১২টি অপারেশন থিয়েটার এবং পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডসহ সব ধরনের পরীক্ষার অত্যাধুনিক ব্যবস্থা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৫০০ বেডের এই হাসপাতাল প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৩৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। পুরনো ঢাকার চাঁনখার পুলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশেই নির্মিত হয়েছে হাসপাতালটি। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় ২০১৮ সালের ডিসেম্বর। প্রকল্পটির তত্ত্বাবধান করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর।
ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বার্ন ইউনিটের যোগাযোগের জন্য ফ্লাইওভারও নির্মাণ করা হবে। এটি হবে বিশ্বের অন্যতম বড় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট।’ তিনি বলেন, ‘আমি প্রথমে পাঁচটি শয্যা নিয়ে এই হাসপাতালে (ডিএমসিএইচ) বার্ন ইউনিটের যাত্রা শুরু করেছিলাম। পরে তা ২০টিতে উন্নীত হয়। সেখান থেকে বার্ন ইউনিট এখন একটি ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট পুর্ণাঙ্গ ইনস্টিটিউটে পরিণত হতে যাচ্ছে। এটি চালু করতে পারলে আমার জীবনের অনেক বড় একটি স্বপ্ন পূরণ হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানকে গুণে গুণে ১৪ গোল দিল বাংলাদেশ

খেলার খবর: সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিলো বাংলাদেশ। এবারও শিরোপার দাবিদার গত আসরের দুই ফাইনালিস্ট।

ভুটানের থিম্পুতে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১২-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। পরের ম্যাচেই পাকিস্তানকে উড়িয়ে দেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো অংশ নেয়া পাকিস্তানের জলে গুনে গুনে ১৪টি গোল দিয়েছে তহুরা, মারিয়ারা।

পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বাংলাদেশ অধিনায়ক মারিয়া মাণ্ডা বলেছিলেন, আমরা এখানে শিরোপার জন্য এসেছি। দেশে আমার কোচের অধীনে অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি। পাকিস্তানের বিপক্ষে জেতার আত্মবিশ্বাস আমাদের আছে। প্রতিযোগিতার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বলে আমাদের ওপর কোনো চাপ নেই। সবাই ফিট ও মানসিক ও শারীরিকভাবে শক্তিশালী আছে, একটা দলের খেলে জেতার জন্য প্রস্তুত আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রস্তুতি সভা

 

১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে ৯ আগস্ট’১৮ তারিখ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা মীর মোস্তাক আলী। সভার শুরুতে নিরাপদ সক আন্দোলনের নামে ধানমন্ডি আওয়ামীলীগ অফিসে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসী হামলায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আরাফাত ইসলাম বাপ্পীসহ ১৮জন নেতাকর্র্মী আহত হওয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। সভায় জাতির জনকের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, এড. সাহিদুজ্জামান জিকো, অরুন কুমার ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান টিটু, আয়েশা সিদ্দিকা, এড. ফারুক হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির, মাজাহারুল ইসলাম জীবন, আক্তারুল, জজ, রনি, হযরত, জাহাঙ্গীর প্রমুখ। সভায় জাতীয় মোক দিবসে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে সারাদিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার, কুরআন খতম ও গণভোজ উল্লেখযোগ্য। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বায়স্কোপে ফ্রি দেখা যাবে ‘ঢাকা অ্যাটাক’

বিনোদনের খবর: দেশে এবং বিদেশের প্রেক্ষাগৃহে সফলতার পর এবার অনলাইন প্লাটফর্মে দেখা যাবে নির্মাতা দীপংকর দীপন পরিচালিত গত বছরের আলোচিত বাংলা চলচ্চিত্র ‘ঢাকা অ্যাটাক’। চলচ্চিত্রটি গত বছরের ৬ অক্টোবর দেশের ১২৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। দর্শক প্রিয়তায় অন্যরকম পর্যায়ে যাওয়া ছবিটি টানা ১০০ দিন প্রেক্ষাগৃহে চলেছে। আর দেশের বাইরেও ছিল এর জয়জয়কার।
ভিডিওনির্ভর সাইট বায়স্কোপ-এ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১২ আগস্ট। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এর পরিচালক দীপংকর দীপন ও চিত্রনাট্যকার সানী সানোয়ার।
তারা জানান, আগে থেকেই বায়স্কোপের সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছিল। সে অনুযায়ী ছবিটি এবার মুক্তি পাচ্ছে সেখানে। যেখানে বাংলাদেশের দর্শকরা কোনও চার্জ (ফ্রি) ছাড়াই দেখতে পারবেন।
‘ঢাকা অ্যাটাক’ দেশের প্রথম পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলার। বোম নিষ্ক্রিয় ইউনিটের সদস্য, পুলিশ কমিশনার, সোয়াত ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা, সাংবাদিক সব ধরনের চরিত্রই আছে ছবিটিতে। অ্যাকশন দৃশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে পুলিশের ব্যবহৃত ৪৫ পাউন্ড ওজনের বোমা স্কোয়াডের বিশেষ পোশাক ও পাঁচ কিলোগ্রাম ওজনের হেলমেট।
‘ঢাকা অ্যাটাক’ দীপংকর দীপনের প্রথম ছবি। একদল চৌকস পুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান নিয়ে বানানো হয়েছে সিনেমাটি।
সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, মাহিয়া মাহি, এবিএম সুমন, শতাব্দী ওয়াদুদ, আলমগীর, আফজাল হোসেন, কাজী নওশাবা আহমেদ, সৈয়দ হাসান ইমাম, শিপন মিত্র এবং খল চরিত্রে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি তাসকিন রহমাআ
‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবির মূল ভাবনা ও কাহিনি রচনা করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি সানী সানোয়ার। ‘ঢাকা অ্যাটাক’ যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে স্প্ল্যাশ মাল্টিমিডিয়া, ঢাকা পুলিশ পরিবার কল্যাণ সমিতি লি. ও থ্রি-হুইলারস লিমিটেডে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জনতা ব্যাংকের ৫ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতিতে সাবেক এমডির হাত!

দেশের খবর: জনতা ব্যাংকের প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতি করেছে ক্রিসেন্ট গ্রুপ। আর এ ঘটনায় যোগসাজশের জন্য ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুস সালামকে দায়ী করেছে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ। শুধু তাই নয়, সাবেক এই এমডির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দিয়েছে জনতা ব্যাংকের বর্তমান পর্ষদ। জনতা ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
ব্যাংকের এমডির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সরকারি কোনও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর দৃষ্টান্ত এই প্রথম। অতীতে দেখা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক এই ধরনের চিঠি পাঠিয়ে এমডিদের অপসারণ করতো। সর্বশেষ অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক এমডি সৈয়দ আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তার আগে বেসিক ব্যাংকের সাবেক এমডি কাজী ফকরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছিল।
জনতা ব্যাংক থেকে গত সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে সাবেক এমডি ছাড়াও তিন ডিএমডির বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে ব্যাংকটির সাবেক এমডি আবদুস সালামকে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি। তাকে মোবাইলে এসএমএস দেওয়ার পরও কোনও জবাব দেননি।
এদিকে, বুধবার (৮ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির বোর্ডসভাতেও অনিয়ম ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিষয়টি জানতে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা ও বর্তমান এমডি আব্দুছ ছালাম আজাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেননি। একইভাবে এসএমএস পাঠালেও তারা কোনও সাড়া দেননি। তবে ব্যাংকটির পর্ষদের কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, দুপুরে শুরু হওয়া বোর্ডসভা রাত আটটা পর্যন্ত চলার কারণে তারা ফোন রিসিভ করেননি।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন,রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে ডোবানোর পেছনে অসৎ এমডিরাই অনেকাংশে জড়িত। তিনি বলেন,‘যেসব এমডির কারণে ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের কেবল অপসারণ করলে হবে না,তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তবেই ব্যাংকে অপরাধপ্রবণতা কমে আসবে।’
এর আগে ক্রিসেন্ট গ্রুপের পাঁচ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির ঘটনায় পরিচালনা পর্ষদ থেকে একটি তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সেই তদন্ত প্রতিবেদনে সাবেক এমডি আবদুস সালাম ও তিনজন ডিএমডির বিরুদ্ধে চরম দায়িত্বহীনতার অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং রীতিনীতি লঙ্ঘন করে পর্ষদকে এড়িয়ে এই তিন কর্মকর্তা ক্রিসেন্ট গ্রুপকে বেআইনিভাবে ঋণ সুবিধা দিয়েছেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিসেন্ট গ্রুপকে ঋণ হিসেবে দেওয়া অর্থের প্রায় সবই নগদ তুলে নেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখার ভল্টে নগদ টাকার ধারণক্ষমতা তিন কোটি টাকা। এ কারণে গ্রাহককে ঋণের টাকা দিলকুশা স্থানীয় কার্যালয় শাখা ও মোহাম্মদপুর শাখা থেকে তোলার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ ব্যাংকের পর্ষদকে জানানো হয়নি। শুধু তাই নয়,সীমাতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করলেও পর্ষদকে জানায়নি, এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনও নেওয়া হয়নি।
এদিকে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুস সালাম, সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) জাকির হোসেন ও ইসমাইল হোসেনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। অবশ্য পর্ষদের কাছে সাবেক এমডি আবদুস সালাম যে জবাব দিয়েছেন তা পর্ষদ গ্রহণ করেনি বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ক্রিসেন্ট গ্রুপ ২০১৩ সাল থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ নেওয়া শুরু করে। ২০১৪ সালে এসে ব্যাপকতা বাড়তে থাকে। ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে গ্রাহককে সবচেয়ে বেশি ঋণ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, আবদুস সালাম জনতা ব্যাংকের এমডি পদ থেকে গত বছরের ২৭ অক্টোবর অবসরে যান। ২০১৪ সালের ২৮ অক্টোবর এমডি পদে যোগ দিয়েছিলেন আবদুস সালাম।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,চামড়া খাতের কোম্পানি ক্রিসেন্ট লেদারের রফতানির অর্থ দেশে না আসলেও নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে একের পর এক বিল কিনেছে জনতা ব্যাংক। ভুয়া রফতানি বিল কিনে গ্রুপটির হাতে নগদে টাকা দিয়েছে জনতা ব্যাংক। এখন রফতানির টাকা ফেরত আসছে না। এর বাইরে সরকারের নগদ সহায়তা তহবিল থেকেও ক্রিসেন্ট গ্রুপ নিয়েছে এক হাজার ৭৫ কোটি টাকা। বিদেশে রফতানির একহাজার ২৯৫ কোটি টাকা আটকা রয়েছে। সব মিলিয়ে গ্রুপটি সরকারি ব্যাংক ও সরকারের তহবিল থেকে ২০১৩ সাল থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত পাঁচ বছরে নিয়ে নিয়েছে পাঁচ হাজার ১৩০ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির রফতানির বিপরীতে সৃষ্ট ৫৭০টি বৈদেশিক বিনিময় বিল ক্রয় (এফডিবিপি) করে গ্রাহককে এক হাজার ১৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়। আগের বিল মেয়াদোত্তীর্ণ থাকা অবস্থায় পরের বিল কেনার নিয়ম না থাকলেও তা কেনা হয়েছে।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারপ্রেস নেটওয়ার্কের (আইপিএন) এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ব্যাংকের অধিকাংশ অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের এমডির জ্ঞাতসারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে এমডির প্রভাবেও শাখার কর্মকর্তারা অসৎ পন্থা অবলম্বন করেছেন। ২০১৬ সালে প্রতিবেদনটি তৈরি করে আইপিএন। রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের ৫ ব্যাংকসহ বেসরকারি খাতের খেলাপিতে শীর্ষে থাকা ১০ ব্যাংকের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকের কোনও না কোনও কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার কারণেই নাম সর্বস্ব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঋণ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদ ভবনের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে পরামর্শ

দেশের খবর: সংসদ সদস্য, সদস্য ভবন ও সংসদ ভবনের নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে জাতীয় সংসদের সংসদ কমিটির সভায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংসদ ভবনে বৃহস্পতিবার কমিটির সভাপতি চিফ হুইপ আ. স. ম ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসকে এ ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।
কমিটির সদস্য মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী, নূর-ই-আলম চৌধুরী, মোছা. মাহাবুব আরা বেগম গিনি, পঞ্চানন বিশ্বাস, তালুকদার মো. ইউনুস এবং নাজমুল হক প্রধান অংশগ্রহণ করেন।
সভার শুরুতেই শোকের মাস আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যবৃন্দ, যারা ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার পরাজিত শত্রু ও তাদের দেশি- বিদেশি দোসরদের ষড়যন্ত্রে ঘাতকের বুলেটে নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন তাঁদের সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
সভায় কমিটির ১২তম বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় জাতীয় সংসদের সার্বিক নিরাপত্তা, সংসদ সদস্যদের নিরাপত্তা, সদস্য ভবনের নিরাপত্তা, সদস্যদের জন্য সুযোগ-সুবিধা, সংসদ ভবনের পরিচ্ছন্নতা, সংসদ ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাফিক নিয়োগের বাস্তব অবস্থা এবং পিডাব্লিউডি থেকে সংসদে যে সব কাজকর্ম করা হয় তার সার্বিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় সংসদের আশেপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পিডাব্লিউডিকে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া সভায় সংসদ সদস্যদের নিকট আগত অতিথিরা যাতে জনে জনে সংসদ সদস্যদের কাছে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে দেখা করার অনুমতি নিতে না হয় সেজন্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের পথ খুঁজে বের করার পাশাপাশি আগত অতিথিদের সঠিকভাবে চেক করে প্রবেশের অনুমতি প্রদানে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
পাশাপাশি নির্ধারিত ব্যক্তির সঙ্গে আগত অতিথি দেখা করছেন কি না, সে বিষয়টি নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে নিশ্চিত করার ওপর জোর দিতে সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসকে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
সভায় সংসদ সদস্য ও আগত অতিথিদের সংসদে যাতায়াতের সুবিধার্থে চন্দ্রিমা উদ্যান ও বিজয় সরণির কর্নারের গেটটি খোলা রাখার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সার্জেন্ট অ্রাট আর্মসকে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
সভায় আসাদ গেট, মানিক মিয়া এভিনিউ গেট এবং মনিপুরিপাড়া গেট দিয়ে সংসদে ঢোকার সময় যাতে সহজভাবে ঢোকা যায় সেজন্য সার্বক্ষণিক ট্রাফিক পুলিশ নিয়োজিত রাখার ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া পিডাব্লিউডির কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে যেকোনো কাজ শুরুর আগে কমিটির সদস্যদের অবহিত রেখে কাজ শুরু করার সুপারিশ করা হয়। সভায় সংসদ সচিবালয়, পিডাব্লিউডি এবং বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের আগে আরও আন্দোলনের আশঙ্কা ১৪ দলের

দেশের খবর: একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে আরও একাধিক আন্দোলনের আশঙ্কা করছে ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের শরিকরা। এ জন্য তারা সরকারকে সচেতন থাকার পাশাপাশি এ ধরনের পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) তোপখানা রোডে ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন ছেড়ে ক্লাসরুমে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়। তবে বৈঠকে শরিকরা মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত সড়ক পরিবহন আইন নিয়ে তাদের ক্ষোভের কথা জানায়। আইনে সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ না থাকাসহ বেশ কিছু বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকার কথাও বলে শরিকরা। তারা আইনটি চূড়ান্ত করার আগে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেয়। বৈঠকে শিক্ষার্থীদের প্রতিশ্রুতি ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হয়।
১৪ দলের আগের বৈঠকের মতো বৃহস্পতিবারের বৈঠকেও নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের কঠোর সমালোচনা করা হয়। গাড়ির চালকসহ পরিবহন শ্রমিকদের বেপরোয়া হওয়ার জন্য তারা পরোক্ষভাবে নৌমন্ত্রীকেই দায়ী করে। চালক হওয়ার জন্য ‘গরু-ছাগল-মানুষ আর রাস্তা চিনলেই হয়’ নৌমন্ত্রীর এই বক্তব্য উদ্ধৃত করে শরিক দলের এক সদস্য বৈঠকে বলেন, ‘এ ধরনের বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই পরিবহন শ্রমিকরা আশকারা পেয়ে যায়।’
সূত্র জানায়, বৈঠকে জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, জাসদ সভাপতি শরিফ নুরুল আম্বিয়া ও কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান নির্বাচনের আগে আরও আন্দোলনের আশঙ্কা করেন। গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তারা বলেন, ‘গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতনের দাবি নিয়ে সরকারকে নির্লিপ্ত মনে হচ্ছে। সরকারের প্রতিশ্রুতিতে এমপিওভুক্তি ও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা ঘরে ফিরে গেলেও তারা আউটপুট না পেলে, আবারও রাজপথে নামতে পারে। আর সুযোগ সন্ধানীরা এসব ইস্যু কাজে লাগাতে পারে। নির্বাচনের আগে সরকারকে এসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কেবল প্রশাসনিক ভাবে না করে এইসব বিষয়গুলো রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
বৈঠকের সভাপতি ও ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক বলেন, ‘বৈঠকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইন নিয়ে শরিকরা কিছু অস্পষ্টতার কথা বলেছে।’
তিনি বলেন, ‘বৈঠকে গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতন, শিক্ষকদের এমপিওসহ বার্নিং ইস্যু দ্রুত সমাধান করার জন্য সরকারকে প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৈঠকের পরে ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সড়কে আর নৈরাজ্য সহ্য করা হবে না ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে।বিআরটিএ’র অবহেলা আর দেখতে চায় না জাতি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নাসিম বলেন, ‘লাইসেন্স আর ফিটনেস ছাড়া কোনও গাড়ি যেন সড়কে চলতে না পারে, ট্রাফিক পুলিশকে সেই নির্দেশ দিতে হবে।’ মন্ত্রী এমপি যে-ই হোক, গাড়ির কাগজ না থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন নাসিম। তিনি বলেন, ‘বাস মালিক শ্রমিকদেরকে প্রয়োজনে জেলে ঢোকাতে হবে।’
আনিসুর রহমান মল্লিকের সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া প্রমুখ অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest