সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

সাতক্ষীরার সিনমা হলগুলোতে যেমন চলছে ঈদের ছবি

অনলাইন ডেস্ক: সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের জেলা সাতক্ষীরা। সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ার ফলে দেশের অন্যান্য জেলাগুলো থেকে কিছুটা পিছিয়ে থাকা মনে হলেও জেলা সদরে রয়েছে তিনটি সিনেমা হল। এরমধ্যে দুটি সিনেমা হল লাবণী ও সংগীতা চালু থাকলেও আরেকটি সিনেমা হল রয়েছে বন্ধ!

বন্ধ থাকা হলটির নাম রক্সি। এমনকি এবার ঈদ মৌসুমেও এই হলে নতুন ছবি প্রদর্শিত হয়নি। সরেজমিনে হল সংশ্লিষ্টের সঙ্গে আলাপ করতে গেলেও কেউ কথা বলেননি। তবে সাতক্ষীরার বাকি দুই ঐতিহ্যবাহী হল লাবণী ও সংগীতায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে পৃথকভাবে মুক্তি পেয়েছে ‘মনে রেখো’ এবং ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবি দুটি।

আম ও মাছের প্রাচুর্য্, সীমান্তবর্তী অঞ্চল, শিল্প-সংস্কৃতির শহর সাতক্ষীরার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত লাবণী সিনেমা হল এবং সংগীতা সিনেমা হলে এবার ঈদে দুই ছবি প্রদর্শিত হয়েছে। শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই দুই সিনেমা হল ঘুরে ঈদের ছবি কেমন চলেছে, তা জানার চেষ্টা করেছেন এই প্রতিবেদক।

লাবণী হলে চলছে মাহির ‘মনে রেখো’:
শহরের প্রাণকেন্দ্র নিউমার্কেটের ঠিক উল্টোপাশে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লাবণী সিনেমা হল। বেশ আগে তৈরি এই হলটি সাতক্ষীরার কালের সাক্ষী। লাবণীর আশপাশে বড় বড় সুপারমার্কেট, কসমেটিকস, ফুলের দোকান গড়ে উঠলে আধুনিকায়ের ছিঁটেফোঁটা লাগেনি এখনো। শুধুমাত্র হলে ডিজিটাল মেশিন বসেছে। তবে পারিপার্শ্বিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। বাইরে ও ভেতরের পরিবেশও খুব একটা সুবিধাজনক নয়।

ঈদুল আজহায় এখানে মুক্তি পেয়েছে মাহি ও বনির ‘মনে রেখো’। এই সিনেমা হলে ৩৮ বছর ধরে কাজ করছেন আবদুর রহিম। পেশায় শো অপারেটর হলেও সিনেমা হলের বেশিরভাগ কাজ তিনিই করেন। ম্যানেজারের অনুপস্থিতিতে কথা হয় আবদুর রহিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘মনে রেখো’ ছবি এখানে ভালো চলেনি। প্রথম সপ্তাহ শেষে দ্বিতীয় সপ্তাহেও চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো শো হাউজফুল যায়নি।

কথা প্রসঙ্গে লাবণী হলের এই কর্মচারী জানান, ৬৫ হাজার টাকা দিয়ে ছবি এনে চালানো হচ্ছে। প্রদর্শনের প্রায় ১০ দিন হতে যাচ্ছে। এই সময়ে সর্বসাকুল্যে ৩০ হাজার টাকা উঠেছে। একেবারে লস প্রজেক্ট! যোগ করে তিনি বলেন, লাবণীতে টিকেটের মূল্য ৪০ টাকা এবং ৫০ টাকা। ঈদের ছবির জন্য বাড়ানো হয়েছিল ১০ টাকা করে।

এমন দর্শক খরার কারণ জানতে চাইলে আবদুর রহিম বলেন, এবার ঈদে শাকিব খানের একটি ছবি রিলিজ হয়েছে। দর্শকের আগ্রহ সব ওই ছবির দিকে। তাই অন্য ছবি চলতে চায় না। তিনি বলেন, রোজার ঈদে শাকিবের একাধিক ছবি মুক্তি পেয়েছিল। তখন লাবণীতে ‘সুপার হিরো’ চলেছিল। ভালো ব্যবসা হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, শাকিব খানের ছবি যেভাবে দর্শক লুফে নেয়, মাহির ছবি ওতোটা নেয়না। আর ‘মনে রেখো’-তে নায়ক আছে তাকে তো কেউ চেনেই না। এজন্য মানুষ ছবিটা দেখতে চাচ্ছে না। এবার ঈদে ছবির ব্যবসায় লাভের মুখ দেখলেন না মহাজন (হল মালিক)।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার শো তে লাবণী সিনেমা হল ঘুরে দেখা যায়, সব মিলিয়ে ৪৬০টি আসন রয়েছে। তবে উপর-নিচে মিলিয়ে ৪৩ জন দর্শক দেখছেন ‘মনে রেখো’। হল কর্তৃপক্ষের দাবি, আসন এবং ছবির মানের তুলনায় দর্শক খুবই কম। ঈদের প্রথম দিন (২২ জুলাই) থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ সেল হয়েছে নয় হাজার টাকা।

 

সংগীতা সিনেমা হলে শাকিবের ‘ক্যাপ্টেন খান’ :
লাবণী সিনেমা হল (নিউমার্কেট) থেকে হেঁটে পাঁচ মিনিটের দূরত্বে সংগীতার অবস্থান। ৫০০ আসন বিশিষ্ট এই সিনেমা হলে চলছে শাকিব খান ও বুবলীর ছবি ‘ক্যাপ্টেন খান’। ঈদের দিন থেকে দ্বিতীয় সপ্তাহেও ‘ক্যাপ্টেন খান’ চলছে। সংগীতা সিনেমা হলের ম্যানেজার মো. হক জানান, প্রথম সপ্তাহে মোটামুটি ভালো চলেছে ‘ক্যাপ্টেন খান’। তবে দ্বিতীয় সপ্তাহে ব্যবসা কম।

তিনি বলেন, একলাখ আশি হাজার টাকা দিয়ে ‘ক্যাপ্টেন খান’ চালানো হচ্ছে। ঈদের প্রথম দুদিন হাউজফুল ছিল। পরে হাউজফুল না গেলে দর্শক ছিল ৬০ শতংশ৷ ব্যবসা যা হওয়ার প্রথম সপ্তাহেই হয়ে গেছে৷

সংগীতা সিনেমা হলের এই কর্মকর্তা বলেন, এই সপ্তাহেই ছবি চলতো। কিন্তু এটা তামিল ছবির রিমেক দর্শক এটা বুঝে গেছে দর্শক। সেজন্য মানুষ হলে না এসে তামিল ছবিটাই ইউটিউব থেকে দেখছে। মৌলিক গল্পের ছবি হলে মানুষ হলে এসে দেখতো। আর যাই হোক এতে আমরা হল কর্তৃপক্ষ কিছুটা হলেও রক্ষা পেতাম।

তিনি বলেন, শাকিব খানের ছবির উপর দর্শকদের আলাদাভাবে আকর্ষণ থাকে। যখন দর্শক বোঝে ছবিটা নকল তখন বিরক্ত হয়ে আর দেখে না। আর শাকিব খানের উচিত নকল ছবি পরিহার করে মৌলিক গল্পের ছবি করা। এতে তার ছবির দর্শক কমবে না, বরং আরো বাড়বে।

মো. হক বলেন, এবারের ঈদে ছবির ব্যবসা যে খুব ভালো হয়েছে তা নয়৷ লোকসান হয়নি, আবার লাভের জন্য যে পরিমাণ প্রত্যাশা ছিল সেটা পূরণ হয়নি। সবমিলিয়ে এভারেজ গেছে। খবর পেয়েছি, ১৪ অথবা ২১ সেপ্টেম্বর ‘নাকাব’ মুক্তি পাবে। শাকিব খানের এ ছবিটা চালানো হবে। ভাল বিজনেস করবে বলে আশা রাখছি।
সূত্র: চ্যানেলআই অনলাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জুতার ভিতরে সাপ, কামড়ে প্রাণ গেল নারীর

অনলাইন ডেস্ক: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বিষাক্ত সাপের কামড়ে শাহীনা বেগম (৪০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের বড় জয়পুর গ্রামে। নিহত শাহীনা সেই গ্রামের সানোয়ার হোসেনের স্ত্রী।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের বড় জয়পুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের স্ত্রী শাহীনা বেগম রবিবার ফজরের নামায শেষে বাইরে বের হওয়ার জন্য জুতা পড়তে যায়। এ সময় জুতার ভিতরে লুকিয়ে থাকা বিষাক্ত সাপ তাকে কামড় দেয়।
সাপের কামড়ে সে চিৎকার দিলে স্বামী সানোয়ার হোসেন তৎক্ষণিক ছুটে এসে পায়ে বাধ দেয়। কিছুক্ষণ পর সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে স্থানীয় ওঝাঁ ডেকে দিনভর ঝাঁড়-ফুঁক দেয়া হয়। এতে তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় রাতে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাপড় থেকে ৫ রকম দাগ তোলার উপায়

লাইফস্টাইল: হালকা রঙের জামা হোক বা গাঢ় রঙের৷ যেকোনও দাগ লেগে গেলে, সেই দাগ তোলা অনেক কঠিন একটি কাজ৷ আপনার অজান্তেই কত দাগ লেগে যায় কাপড়ে৷ আর সেই দাগ যদি রাতারাতি পরিষ্কার না করেন তাহলে দাগ বসে গিয়ে জামাটা সারাজীবনের জন্য অপ্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে৷ অগত্যা সেগুলো ফেলে দিতে হয়৷ এবার থেকে আর ফেলতে হবে না দাগ লেগে থাকা জামা৷ সময়মত দাগ উঠিয়ে ফেলুন এই সঠিক পদ্ধতিতে-

জামার ওপর দিয়ে কিংবা বাইরে দিয়ে কেটে গেলে, সেই কাটা তুলো দিয়ে চেপে না ধরলে জামায় রক্তের দাগ লাগতে বাধ্য৷ আর রক্তের দাগ যে জামা কাপড় থেকে তোলা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে৷ কিন্তু অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলার প্রক্রিয়া রয়েছে৷ তিন পারসেন্ট হাইড্রোজেন কিনে নিন৷ শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ আগে ভিজিয়ে রাখুন৷ তারপর ধারালো কোন জিনিস দিয়ে দাগের জায়গাটি ঘষে নিন৷ এরপর হাইড্রোজেন পার অক্সাইড দিয়ে জায়গাটি ধুয়ে ফেলুন৷ এতে আপনার দাগ পুরোপুরি উঠে যাবে৷

মেকআপ করছেন৷ কিন্তু সেই মেকআপের দাগ জামাকাপড়ে লেগে থাকলে বেশ বাজে দেখতে লাগে৷ আর জামাও নষ্ট হয়৷ সেই দাগ উঠিয়ে ফেলুন সাদা রুটি দিয়ে৷ রুটির সাদা অংশগুলি গুঁড়ো করে নিন৷ তারপর জামায় লাগা মেকআপের দাগের ওপর গুঁড়োটি ভালো করে ঘষে দিন৷ যতদিন না দাগ ওঠে এটা করতে থাকুন৷

জামাকাপড়ে গ্রিজ লেগে গেলে সেই দাগ তোলার জন্য আপনাকে ছুটতে হয় দোকানে৷ কিন্তু টাকা খরচা করার পরও অনেক সময় দাগ ওঠে না৷ দোকানে না ছুটে কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে দিন দাগের ওপর৷ গ্রিজের দাগ পুরোটা শুষে নিলে বাকি গুঁড়োটা ঝেড়ে দিন৷ এতে দাগ হালকা হতে হতে উঠে যাবে৷

কিছু লিখতে গেলে মাঝে মধ্যেই জামাকাপড়ে, জিনসে পেনের কালি লেগে যায়৷ জেল পেনের কালি যাও বা ওঠে, অন্যান্য কালি তো একেবারেই উঠতে চায় না৷ কালির দাগ ওঠাতে ব্যবহার করুন রাবিং অ্যালকোহল৷ কিংবা একটি স্পঞ্জে দুধ দিয়ে দাগের ওপর ঘষে দিন৷ এতে দাগ উঠবে৷ তবে বেশিদিন কালি লাগা জামা ফেলে রাখবেন না৷

বিয়ে বাড়িতে হলুদ খেলতে গিয়ে কিংবা রান্না করতে গিয়ে অনেক সময় জামায় হলুদের দাগ লেগে যায়৷ অনেকসময় সঙ্গে সঙ্গে সাবান পানিতে ভেজালেও সেই দাগ যায় না৷ গলুদ লাগা জায়গায় লেবু লাগিয়ে রাখুন৷ তারপর রোদে শুকিয়ে নিন৷ তারপর জামাটা ধুয়ে ফেলুন৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি পেল পাকিস্তান

বিদেশের খবর: পাকিস্তানের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো নারীকে প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।এই নারীর নাম সাইয়েদা তাহিরা সাফদার।পাকিস্তানের বেলুচিস্তান হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাঁকে। গতকাল শনিবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন।

জানা গেছে, বেলুচিস্তানের গভর্নর মুহাম্মাদ খান আচাকজাই প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটার গভর্নর ভবনে বিচারপতি তাহিরার শপথ পড়ান। শপথ অনুষ্ঠানে সিনিয়র বিচারক ও আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বিচারপতি সাফদার তাহিরা বেলুচিস্তান হাইকোর্টের ১৮ তম প্রধান বিচারপতি হলেন।সাফদার তাহিরাই ছিলেন বেলুচিস্তান প্রদেশের প্রথম সিভিল জজ।পরবর্তীতে তিনি বেলুচিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্মশানে নিতেই নড়ে উঠল লাশ

অনলাইন ডেস্ক: শ্মশানে নিতেই নড়ে উঠল এক নারীর লাশ! ভারতে ওই নারীর মৃতদেহ শ্মশানের এক জায়গায় রেখে শবযাত্রীরা সৎকারের ব্যবস্থা করছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সিরিয়াল পাওয়ার জন্য শ্মশানে ঘুরছিলেন। হঠাৎ শবযাত্রীদের মধ্যে এক জনের চোখ যায় খাটের উপরে শোয়ানো নারীর দিকে। সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে ওঠেন তিনি, ‘হাত নড়ছে রে…!’
গত বৃহস্পতিবারের এমন ঘটনায় কলকাতার নিমতাল শ্মশানে সকলে মিলে হই হই করে ওঠেন। রিঙ্কু ঘোষ নামের ৩৩ বছর বয়সী ওই নারীর পরিবারের লোকজনেরা বলতে থাকেন, ‘উনি মরেননি, বেঁচে আছেন!’ নারীর দেহ ঘিরে সবাই ঝুঁকে দেখতে শুরু করে দেন। ভিড়ের মধ্যে থেকেই কাউকে বলতে শোনা যায়, ‘উনাকে হাওয়া (পাখা দিয়ে বাতাস করা) দিন, হাওয়া দিন।’
এক আত্মীয় আবার নারীর মাথায় বাতাস করতে শুরু করেন। সরিয়ে দেওয়া হয় ভিড়। কেউ কেউ আবার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেন। পুরো পরিস্থিতিকে ঘিরে শ্মশানে হুলুস্থূল পড়ে যায়। আর দেরি না করে নারীর দেহ তুলে নিয়ে হাসপাতালে ছুটেন আত্মীয়রা। কিন্তু হাসপাতাল থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, নারী অনেকক্ষণ মারা গেছেন। হাত-পা নড়ে ওঠার কোনো প্রশ্নই ওঠে না! মৃতের আত্মীয় যা দেখেছেন, তা নিঃসন্দেহে দৃষ্টিভ্রম কিংবা উদ্দেশ্যমূলক ব্যাপার।
কলকাতার গণমাধ্যম জানিয়েছে, বাগুইআটির বাসিন্দা রিঙ্কু ঘোষ বেশ কয়েক দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। বেলেঘাটা আই ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন রিঙ্কু। হাসপাতালের যাবতীয় নিয়ম-কানুন সেরে নারীর দেহ নিয়ে ওই দিন রাতেই সৎকারের জন্য নিমতলা শ্মশানে নেওয়া হয়। রাত ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে!
রিঙ্কু ঘোষের মৃতদেহ হাসপাতালে নেওয়ার পর তার আত্মীয়দের কথা শুনে চিকিৎসকেরাও তাজ্জব হয়ে যান। ভালো করে পরীক্ষা করে দেখা হয় দেহ। কিন্তু না, প্রাণের কোনো চিহ্নই মেলেনি। চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন, নারী দীর্ঘক্ষণ আগেই মারা গেছেন। শেষ পর্যন্ত আবারও রিঙ্কুর দেহ নিয়ে নিমতলা শ্মশানে যান তার আত্মীয়রা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রণবীর কাপুরের ট্যাটু নিয়ে ঘুরছেন দীপিকা

বিনোদনের খবর: দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিংয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানের সবকিছু ঠিকঠাক চললেও সম্প্রতি মুম্বাইয়ে দীপিকাকে যেভাবে দেখা গেল তা দেখে যেকেউ অবাক হবেন।
বিয়ের আর মাত্র দু’মাস বাকি। জল্পনা চলছিল কাঁধে বানানো ‘সাবেক’ প্রেমিকা রণবীর কাপুরের ট্যাটু নাকি বদলে ফেলবেন দীপিকা। অথচ, সম্প্রতি তাকে দেখা গেল ‘সাবেক’ রণবীর কাপুরের নামাঙ্কিত সেই আর কে ট্যাটু নিয়েই ঘুরে বেড়াতে। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় এসেছিলেন দীপিকা, আর তার চুল উপরে খোঁপা করা থাকায়, কাঁধে জ্বলজ্বল করছিল সেই আর কে ট্যাটু।
অনেকেই কটাক্ষ করে বলেন দীপিকা রণবীর কাপুরকে এখনও ভুলতে পারেননি। রণবীর সিংকে ঠকাচ্ছেন। দীপিকার কাঁধে এখনও রয়ে যাওয়া আর কে ট্যাটু নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।
প্রসঙ্গত, দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর কাপুরের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল ‘বাচনা ইয়ে হাসিনো’ ছবির সেটে। দুবছর সেই সম্পর্ক টিকে থাকার পর সেটা ভেঙে যায়। দীপিকার অভিযোগ ছিল রণবীর কাপুর তাকে ঠকিয়েছেন। তবে দীপিকাকে ঠকানোর কথা স্বীকার করে নিয়ে ছিলেন রণবীর কাপুর নিজেও। দীপিকার সঙ্গে সম্পর্কে থাকতে থাকতেই ক্যাটরিনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন রণবীর। দীপিকা তা মেনে নিতে পারেননি। তবে দীপিকা যে রণবীর কাপুরকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন সেবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এমনকি রণবীর কাপুরের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর মানসিক অবসাদেও চলে যান দীপিকা। পরবর্তীকালে ‘রণবীর’ নামেই রণবীর সিংয়ের প্রেমে পড়েন দীপিকা। আর রণবীর সিংও যে দীপিকা বলতে অজ্ঞান, সেকথা আর না বললেও চলে। তাদের সেই প্রেম খুব শীঘ্রই পরিণতি পেতে চলেছে। তবে এখনও দীপিকার কাঁধ থেকে মোছে নি ‘সাবেক’-এর নাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়ান গেমসে ভারতের রেকর্ড সংখ্যক পদক জয়

খেলার খবর: এশিয়ান গেমসে রেকর্ড সংখ্যক পদক নিজেদের ঘরে তুলেছে ভারত। শুটিং থেকে কুস্তি সর্বত্র নিজেদের প্রভাব দেখিয়ে জিতেছে পদক। বিভিন্ন খেলায় সর্বমোট ৬৯টি পদক জিতেছে ভারত। এরমধ্যে ১৫টি সোনা, ২৪টি রুপা, ৩০টি ব্রোঞ্জ রয়েছে।
এর আগে ২০১০ সালে ভারতের সবচেয়ে বেশি সোনা জয়ের নজির রয়েছে। গোয়াংঝাউ গেমসে ভারত জিতেছিল ১৪টি সোনা। সবচেয়ে কম সোনা জয়ের রেকর্ড ১৯৯০ সালে। এশিয়ান গেমসে ভারত সেবার মাত্র একটা সোনা জিতেছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানসিক চাপ কমাতে ব্যায়ামের উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: মানসিক চাপ বর্তমানে একটি বিশাল সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। ক্যারিয়ারের অনিশ্চয়তা, ভবিষ্যতের ভাবনা, দৈনন্দিন উদ্বেগ-উৎকন্ঠা প্রভৃতি মিলিয়ে মানুষের মাঝে বিপুল পরিমাণ স্ট্রেস জমা হয়। ক্রমাগত এইসব চাপ একত্রিত হয়ে শরীর ও মনের অনেক ক্ষতি করে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা শরীর ও মনের সুস্থতা ধরে রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন। মানসিক চাপ কমাতে, চলুন জেনে নেয়া যাক ব্যায়ামের উপকারিতাগুলো।

১. বিষন্নতা কাটাতে: কারও যদি মন খারাপ থাকে তাহলে কিছুক্ষণ ঘাম ঝরানো ব্যায়াম করতে পারেন। কারণ ব্যায়ামের কারণে নিঃসৃত হরমোন মনের চাপ কমাতে সাহায্য করে। মন খারাপ থাকলে কিছুক্ষণ দৌড়ান বা বাইরে হাঁটতে যান। তহলে আগের চেয়ে মন কিছুটা হলেও ভাল লাগবে।

২. আত্নবিশ্বাস বৃদ্ধিতে: অনেক সময় কারো সঙ্গে কথা বলতেই ইচ্ছে হয় না। আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি হলে এমনটা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত ব্যায়াম করলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি হলে সাঁতার কাটা কিংবা দৌড়ানো খুব ভাল কাজ দেয়।

৩. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে: আমরা যতক্ষণ কাজ করি ততক্ষণ মস্তিষ্কও সক্রিয় থাকে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের কোষগুলো কার্যকর থাকে এবং সারা শরীরে একটা সংযোগ তৈরি করে। এ কারণে নিয়মিত ব্যায়ামে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

৪. উদ্বিগ্নতা হ্রাসে: গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ব্যায়াম উদ্বিগ্নতা কমায়। কোন বিষয়ে দুশ্চিন্তায় থাকলে ৩০ মিনিট ব্যয়াম করুন। তাহলে উদ্বেগ অনেকটা দূর হবে।

৫. জীবনে শৃঙ্খলা তৈরী: নিয়মিত ব্যায়ামে নিজের মধ্যে এক ধরনের শৃঙ্খলা তৈরি হয়। কাজকর্ম ও ব্যস্ততার ভিড়েও নিজেকে গুছিয়ে সামনে এগিয়ে যাবার প্রেরণা সঞ্চারিত হয়।

৬. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে: শরীরচর্চার মাধ্যমে শরীর থেকে যত ঘাম নিঃসৃত হবে মস্তিষ্ক ততই শক্তিশালী হবে ।কোন বিষয় মনে রাখার ক্ষমতাও এতে বাড়ে। নিয়মিত ব্যায়াম শুধু শিশুদের না বড়দেরও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest