স্ত্রীর সঙ্গে শীতল সম্পর্ক শামির ক্যারিয়ারে বাধা হতে পারেনি

খেলার খবর: ব্যক্তিজীবনের প্রভাবে পেশাগত জীবনে পরিবর্তন এসেছে অনেক ক্রিকেটারের। নারী নিয়ে সমালোচনা হওয়া যেন ক্রিকেটারদের জন্য নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে দেশের জার্সিতে সফল হওয়াটাই একজন খেলোয়াড়ের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়। ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ শামি ঠিক সে রকমই একজন উদাহরণ। মাঠের বাইরের জীবনে স্ত্রীর সঙ্গে ঠান্ডা সম্পর্ক চলার পরও ইংল্যান্ডের ১০০০তম টেস্টে মাঠে ফিরেছেন চিরচেনা সেই মোহাম্মদ শামি। তাঁর মতে, ক্রিকেটের জন্য ভালোবাসা তাঁকে টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রাখছে। প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ৬০ রানে ৪ উইকেটের পাশাপাশি মোহাম্মদ শামির ২ উইকেট ইংল্যান্ডকে ২৮৫ রানে আটকে রাখতে সাহায্য করেছে।
কিন্তু দুর্ভাগ্য যেন মোহাম্মদ শামির পিছু ছাড়ছে না। মাস কয়েক আগে স্ত্রী হাসিন জাহান এই ২৮ বছর বয়সী ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ আনেন। আবার চোটে থাকার কারণে ফিটনেস ঠিক না থাকায় ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বাদ পড়েন। শামি বলেন, ‘সাউথ আফ্রিকায় অনেক আগে খেলেছিলাম এবং এর পরে মাঠের বাইরের কিছু কারণ ছিল। মাঝে আমাকে অনেক লড়াই করতে হয়েছে; কিন্তু আমার চেষ্টা ছিল আমি যা ভালোবাসি এবং আমার কাছে যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ (ক্রিকেট), সেটা চালিয়ে যাব। আমি শুধু আমার কাজটা করে গেছি এবং জীবনে আর যা কিছু ছিল সবকিছু চুপ থেকে দেখেছি। যতই অসুবিধা আসুক না কেন, প্রথমে আমি ক্রিকেট খেলতে চেয়েছি এবং খেলে গেছি। তাঁর ফলাফল আজ আমাদের সামনে।’
২-১ ব্যবধানে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারলেও সেই ম্যাচের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি মোহাম্মদ শামি ইংল্যান্ড টেস্টের প্রথম দিনে তাঁর দল এবং নিজের প্রচেষ্টা নিয়ে খুশি। এ ব্যাপারে শামি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে এবং বোলিং ইউনিটের ওপর আমি খুশি। এ জন্যই আমি এত পরিশ্রম করেছি এবং আমরা এটাকে সফলভাবে বাস্তবায়িত করেছি। পারিবারিক জীবনে উত্থান-পতন থাকবেই। কিন্তু দেশের হয়ে খেলার সময় যে দায়িত্ব থাকে, সেটা যথাযথভাবে পালন করার মতো ভালো কিছু আর হতে পারে না। তাই আমি আজ অনেক খুশি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর সান্ত্বনা-অনুদান

দেশের খবর: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করেছেন কুর্মিটোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবার। প্রধানমন্ত্রী শোকাহত দুই পরিবারকে সান্ত্বনা ও প্রতি পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র অনুদান দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি গাড়ি এসে দিয়ার মা রোকসানা বেগম, বাবা জাহাঙ্গীর আলম, বড় বোন রোকেয়া খানম রিয়া ও ছোট ভাই পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়াদুল ইসলাম আরাফাতকে নিয়ে যায়।
দিয়ার খালা নাজমা বেগম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আসা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়ার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলতে চান, সেজন্য তাদের ডেকে নিয়েছেন। গত রবিবার জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসচাপায় শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর থেকে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। বুধবার চতুর্থ দিনের মাথায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঢাকার পর চট্টগ্রাম, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ সারা দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার বিকালে এ তথ্য সাংবাদিকদের জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এদিন যাত্রাবাড়ী শনিরআখড়া এলাকায় উল্টোপথে আসা দ্রুতগতির একটি পিকআপ (মাঝারি ট্রাক) ফয়সাল নামে আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থীকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। আহতাবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যামেরা দেখে রণবীরের হাত ছেড়ে দিলেন দীপিকা

বিনোদনের খবর: ‘সিম্বা’র শুটিং শুরু করেছেন রণবীর সিং। কিন্তু, তার মাঝেই ‘লেডিলাভ’কে সময় দিতে কোনও কসুর করছেন না পর্দার ‘খলজি’। আর সেই কারণেই শুটিংয়ের মাঝ পথেই বেশ কিছুটা ব্রেক নিয়ে দীপিকাকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে পড়লেন রণবীর সিং।বেশ কিছুদিন ধরেই কাধের ব্যথায় কাবু দীপিকা পাডুকন। ফলে, ‘পদ্মাবত’ এর পর কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটাচ্ছেন দিপ্পি। আর এরই মাঝে দীপিকার মন ভালো করতে তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিলেন রণবীর সিং। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ওরল্যন্ডতে পাড়ি দেন রণবীর-দীপিকা।
ফ্লোরিডায় হাতে হাত রেখে রণবীর-দীপিকা যখন ঘুরতে শুরু করেন, তখন সেই মুহূর্ত ধরা পড়ে রণবীর-দীপিকার এক ভক্তের ক্যামেরায়। বিদেশে গিয়ে রণবীর, দীপিকা যেভাবে হাত ধরে ঘুরতে শুরু করেন, তা দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন তাদের ভক্তরা।
এদিকে রিপোর্ট বলছে, চলতি বছরের নভেম্বরে সাতপাকে বাঁধা পড়বেন রণবীর সিং এবং দীপিকা পাডুকান। ১০ নভেম্বরই তাদের বিয়ে হওয়ার কথা। ইতালির লেক কোমোতেই বসবে ‘দিপবীরের’ বিয়ের আসর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, আগামী ১০ নভেম্বরই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন বলিউডের অন্যতম সেরা জুটি। চলতি বছর ইংরেজি নববর্ষের সময় মালদ্বীপে পাড়ি দেন রণবীর-দীপিকা।
শোনা যায়, দীপিকার জন্মদিন উপলক্ষেই দ্বীপরাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছিলেন রণবীররা। আর সেখানেই গিয়েই দিপ্পিকে বিয়ের প্রস্তাব দেন রণবীর সিং। আর মালদ্বীপে গিয়েই দু’জনের আংটি বদলও হয়ে যায় বলে শোনা যায়। যদিও নিজেদের সম্পর্ক বা বিয়ে কখনওই খোলাখুলি মন্তব্য করতে দেখা যায়নি রণবীর সিং এবং দীপিকা পাডুকনকে।
বর্তমানে পরিচালক রোহিত শেঠির ‘সিম্বা’র শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন রণবীর সিং। করণ জহরের ধর্মা প্রোডাকশন এই সিনেমায় রণবীরের বিপরীতে কাস্ট করাচ্ছে সারা আলি খান-কে। বলিউডে পা রাখার সময়ই করণের ধর্মা প্রোডাকশনের নায়িকা হওয়া, সইফ-কন্যা সারার কাছে একটি বড় সুযোগ বলেও মনে করছে বলিউড।
তবে শুধু ‘সিম্বা’ নয়, সবেমাত্র ‘কেদারনাথ’ এর শুটিংও শেষ করেছেন সইফকন্যা। পরিচালক অভিষেক কাপুরের হাত ধরেই বলিউডে ডেবিউ করছেন সারা। এই সিনেমায় সারার বিপরীতে রয়েছেন অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বছরে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫ হাজার, ক্ষতি ৪০ হাজার কোটি টাকা

দেশের খবর: দেশেরঅর্থনীতিতে সড়ক দূর্ঘটনা তৈরি করছে সবচেয়ে বড় ক্ষত। কেড়ে নিচ্ছে জান ও মাল, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ২ হাজার ৪৭১ জন। গতবছর প্রায় পাঁচ হাজার সড়ক দুর্ঘটনায় সারা দেশে নিহত হয়েছে ৭ হাজার ৩৯৭ জন গত তিন বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বছরে গড়ে পাঁচ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন।এদিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এআরআই) একটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়ক দুর্ঘটনা এবং এর প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। এসব দুর্ঘটনার কারণে বছরে মোট জাতীয় উৎপাদনের (জিডিপি) ২ থেকে ৩ শতাংশ হারাচ্ছে বাংলাদেশ।
আইন প্রয়োগে দুর্বলতাকেই সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। সড়ক দুর্ঘটনার কারণ গুলোর অন্যতম ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং গাড়ি চালকদের অদক্ষতা ও বেপরোয়া মনোভাব।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউট-এআরআই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে যত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে তার মধ্যে শতকরা ৪৩ শতাংশ ক্ষেত্রেই দায়ী অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো্। ৩১ শতাংশ ক্ষেত্রেই দ্বিতীয় প্রধান কারণ এই বাড়তি গতি। দুর্ঘটনার শতকরা ৬৫ ভাগ হয় ভারী ও হালকা যানবাহনের কারণে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার কারণে বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। দুর্ঘটনায় জানমালের ক্ষতি ও দুর্ঘটনা থেকে সৃষ্ট যানজট অর্থনীতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। দুর্ঘটনা হ্রাসে সরকার পদক্ষেপ নিলেও সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যকার সমন্বয়হীনতার অভাবে এ ক্ষেত্রে আশানুরূপ অগ্রগতি হচ্ছে না।
তিনি বলেন, সাধারণত দূরপাল্লার রুটে গাড়ি চালানোর সময় প্রতি ৫ ঘণ্টা পর চালককে বিশ্রাম দেয়ার নিয়ম। কিন্তু আমাদের দেশে এ নিয়মের তোয়াক্কা করা হয় না। উল্টো ঈদের সময় তাদের টানা একাধিক ট্রিপ দিতে বাধ্য করা হয়। একটানা দীর্ঘক্ষণ গাড়ি চালিয়ে ক্লান্ত চালকের পক্ষে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে, যার ফলাফল দুর্ঘটনা।
অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সারা দেশে অপরিকল্পিত গতিরোধকও সড়কে প্রাণ ঝরাচ্ছে। সারা দেশের সড়ক-মহাসড়কে অপরিকল্পিত গতিরোধক থাকলেও এগুলোর বেশির ভাগই আনমার্কড। অনেক গতিরোধকের সামনে আবার সাইনবোর্ডও নেই। ফলে সহজেই এসব গতিরোধক চালকের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে। দুর্ঘটনা কমানোর বদলে এগুলো হয়ে উঠছে দুর্ঘটনার কারণ।
বুয়েটের এই অধ্যাপক আরো বলেন,চালকের মাদকাসক্তিও সড়ক দুর্ঘটনা বাড়াচ্ছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনার ৩০ শতাংশ ঘটাচ্ছেন মাদকাসক্ত চালক। দুর্বল তদারকির কারণে মাদকাসক্ত চালকরা দিব্যি গাড়ি চালিয়ে নিচ্ছেন।
তিনি বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব নয়। ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও সচেতনতার ওপর জোর দিতে হবে। যানবাহনের গতি পর্যবেক্ষণে আধুনিক স্পিড ক্যামেরা স্থাপন, মহাসড়কে নজরদারির জন্য স্থায়ী লোকবল নিয়োগ এবং দুর্ঘটনার পর তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও সেবাদানের জন্য ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল চালুর পরিকল্পনা করা জরুরী। পাশাপাশি উন্নত ড্রাইভিং স্কুল স্থাপন, ড্রাইভিং সিমুলেটর প্রযুক্তি ব্যবহার করে চালকদের আবাসিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে দূর্ঘটনার হার কমবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিহত দিয়ার বা‌ড়ি‌তে গি‌য়ে কেঁ‌দে এলেন শাজাহান খান

দেশের খবর: রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় নিহত শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিমের (১৬) বাসায় গিয়ে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি। এসময় শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন নৌমন্ত্রী। বুধবার সন্ধ্যায় মিমের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান শাজাহান খান। সেখানে প্রায় ২০ মিনিট অবস্থান করে দিয়ার বাবা জাহাঙ্গীর ফকির এবং অন্যান্য স্বজনদের সান্ত্বনা দেন। এসময় নিহত মিমের সহপাঠীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
মিমের বাবা জাহাঙ্গীর ফকির বলেন, ‘নৌপরিবহনমন্ত্রী বাসায় এসে আমাদের সান্ত্বনা দেন। আমি তাকে বলেছি রাস্তায় যেসব অদক্ষ ড্রাইভার আছে তাদের লাইসেন্স ক্যান্সেল ( বাতিল) করেন। লাইসেন্স চেক করেন। রাস্তায় চলাচল করার ফিটনেসবিহীন বাসগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। এসময় মন্ত্রী এসব করবেন বলে আশ্বাস দেন। এমনকি এগুলো নিয়ে বুধবার মিটিং করা হয়েছে বলেও আমাকে জানান।’
নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান কি বলেছেন- এর উত্তরে মিমের বাবা বলেন, ‘মন্ত্রী বলেছেন, সেদিন অন্য একটা বিষয় নিয়ে কথা হাচ্ছিল। সেসময় আমি (মন্ত্রী শাজাহান খান) হাসছিলাম। দুর্ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করায় উত্তর দেওয়ার সময় সেই হাসিটাই ছিল। আমি তখনো জানতাম না ঘটনাটা। বুঝতেও পারিনি। তারপরও আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাই। সকল শিক্ষার্থীদের কাছেও ক্ষমা চাই।’
প্রসঙ্গত, রোববার দুপুরের দিকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনের বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়।
নিহত দুই শিক্ষার্থী হলো শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম ওরফে রাজীব (১৭) ও একই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম ওরফে মিম (১৬)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন।
এর কিছুক্ষণ পরই এক সংবাদ সম্মেলনে এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় পরিবহন শ্রমিকদের নেতা শাজাহান খানকে। সেসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ ভারতে এক দুর্ঘটনায় ৩৩ জন মারা গিয়েছে, সেটা নিয়ে সেদেশে কোন হৈ চৈ নেই। অথচ আমাদের দেশে কিছু হলেই আলোচনা শুরু হয়।’ পুরো প্রশ্নোত্তর পর্বে তাকে হাস্যোজ্জ্বল দেখা যাওয়ায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে, এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশও করেন তিনি। উল্লেখ্য, বাসচাপায় প্রাণহানির ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করছেন নিহত শিক্ষার্থী দিয়া খানমের (মিম) বাবা জাহাঙ্গীর আলম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাজঘর ‍নিয়ে ক্ষুব্ধ শাকিব খান

বিনোদনের খবর: এফডিসি’র সাজঘরের (মেকআপ রুম) এখন বেহাল দশা। দরজায় নেই হাতল, ছাদ হয়ে গেছে ভঙ্গুর রংচটা, নেই আধুনিক লাইট বা মেকআপ বক্স।
এগুলো নিয়ে অভিযোগ অনেক দিনের। অনেকে ক্ষুব্ধ। শুধু তাই নয়, এফডিসির ওয়াশ রুম নিয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ শিল্পীদের কাছ থেকে পাওয়া যায়।
তবে এবার বিএফডিসির এক কর্মকর্তাকে সামনে পেয়ে বিষয়টি সরাসরি বলেই বসলেন ঢাকাই কিং শাকিব খান।
সোমবার চার নম্বর ফ্লোরে চলছিল ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবির শুটিং। এর ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডা ও আলোচনা করছিলেন শাকিব খান। তখনই এক কর্মকর্তাকে সামনে পেয়ে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই শীর্ষ নায়ক।
বলেন, ‘এফডিসির কি এখন বাজেট সংকট? গ্রিনরুমের এ অবস্থা থাকে কেন? বিশ্বের অন্য সব জায়গা এগিয়ে যাচ্ছে, আমরা পিছিয়ে পড়ছি। আপনারা তো চাইলে টলিউড, বলিউডের শুটিং স্পটগুলো ঘুরে আসতে পারেন। তাদের ব্যবস্থাপনা দেখলেও একটা ধারণা জন্মায়।’
এমন সময়ে সেই কর্মকর্তা কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি।
শুধু সাজঘরই নয়, ক্যান্টিন নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন শাকিব। বলেন, ‘আমাদের ফ্লোরগুলোতে কোনও ক্যান্টিন নেই। অথচ এখানে লোকজনদের নিয়মিত শুটিং ও খাওয়া-দাওয়া করতে হয়। থাকতে হয়। এই যে ফ্লোর থেকে বের হয়ে এলাম, পাশেই বসে ছেলে-পেলেরা খাচ্ছে। পাশ থেকে আগের পঁচা ভাত-তরকারির গন্ধ ভেসে আসছে। এগুলো দেখারও কেউ নেই। এটা কোনও প্রক্রিয়া?’
শুধু ক্ষোভই নয়, নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেশের ছবির পার্থক্যও তুলে ধরেন এ নায়ক। সম্প্রতি তার ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির কথা টেনে বলেন, ‘ যখন কলকাতা থেকে সাফটায় আমার ছবিগুলো আসছে দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সিনেমা হলে। এই দর্শকই আবার আমি যখন দেশীয় কিছু নির্মাণের ছবি নিয়ে হাজির হই- তখন হলে আসছে না। কেন? সোজা পার্থক্যটি হলো নির্মাণের পরিচ্ছন্নতা, রঙিন ফ্রেম, বিনোদনে ভরপুর কোরিওগ্রাফি, গল্প ও চরিত্রে বর্তমান যুগকে ধারণ করতে পারছে কলকাতার ছবিগুলো। দেশের দর্শক ভালো সিনেমা দেখতে চায়। আমরা তাদের চাহিদা মেটাতে পারছি না। উল্টো বলছি দর্শক হলে আসে না। আমরা যদি এত বিভক্তিতে না গিয়ে নিজেদের কাজের মানটাকে বাড়িয়ে নিতে পারতাম তবে আজকের দিনটা দেখতে হতো না। এখনও সময় আছে, চলচ্চিত্র বাঁচাতে নিজেদের কারিগরি মানের উন্নয়নে মনযোগ দেওয়ার।’
পাশাপাশি কিছু জায়গায় প্রশংসাও করেন দুই বাংলার জনপ্রিয় এ নায়ক, ‘‘আবার যারা টেলিভিশন নির্মাণ থেকে চলচ্চিত্রে আসছেন তারাও কিন্তু সফল হচ্ছেন। কারণ তারা টেকনোলজির সঙ্গে যুগের মেলবন্ধন ঘটাতে পারছেন। ‘আয়নাবাজি’ সুপারহিট, ‘ঢাকা অ্যাটাক’ সুপারহিট হয়েছে সেগুলোর নির্মাণ মান আন্তর্জাতিক লেভেলের ছিলো বলেই। অনেকেই বলেন যে দিনদিন টিভি মিডিয়ার প্রাধান্য বাড়ছে চলচ্চিত্রে। সামনে ওদের হাতেই ইন্ডাস্ট্রির নেতৃত্ব চলে যাবে। হতে পারে। কারণ দিনশেষে দর্শক ভালো ছবি চায়। যারা সেটা নিশ্চিত করতে পারবেন তারাই টিকে থাকবেন, সামনে থাকবেন। তৌকীর ভাই, ফারুকী ভাইয়েরা ভালো ছবি বানান। একটা শ্রেণিকে তারা হলে টানেন। রুচির পরিবর্তন হচ্ছে এখন সবখানে। দিনে দিনে ভিন্ন ভাবনার সিনেমারও দর্শক বাড়ছে।’’
বর্তমানে শাকিব ওয়াজেদ আলী সুমনের ‘ক্যাপ্টেন খান’-এর কাজ করছেন। এটি দৃশ্যধারণ একেবারে শেষ পর্যায়ে আছে। এতে তার বিপরীতে আছেন বুবলী। এছাড়া রাশেদ রাহা পরিচালিত ‘নোলক’-এর কাজও প্রায় শেষ। ছবিটিতে ববি তার সহশিল্পী। অমিতাভ রেজার ‘রিকশা গার্ল’ শাপলা মিডিয়ার ‘একটি প্রেম দরকার মাননীয় সরকার’সহ বেশ কিছু ছবির কাজ শিগগিরই শুরু করবেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করফাঁকি দিয়ে ‘ধরা পড়েছেন’ ফ্যান বিংবিং

বিনোদনের খবর: চীনের সবচেয়ে বড় মাপের চলচ্চিত্র তারকাদের একজন ফ্যান বিংবিং। গত এক মাস ধরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। কর ফাঁকি দেয়ায় দেশ ত্যাগে তার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চীন। তাকে ও তার ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে খবর প্রকাশ করেছে চীনা সংবাদমাধ্যম। যদিও সে খবর পরে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
গত বছর বিশ্বের সর্বাধিক আয়কারী চলচ্চিত্র তারকাদের তালিকায় নাম আসে ফ্যান বিংবিংয়ের। হলিউড তারকা জেনিফার অ্যানিস্টন ও এমা স্টোনের মতো তার আয়ের পরিমাণ ছিল ৩৩ মিলিয়ন পাউন্ড। চলতি বছরের মে মাসে চীনের বিখ্যাত টিভি উপস্থাপক চুই ইয়ংইউয়ান ফ্যানে বিংবিংয়ের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ আনেন। চীনা সরকারকে কর ফাঁকি দিতে তিনি গোপনে চুক্তি করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
হলিউডে এক্স ম্যান সিরিজের ছবিতে কাজ করে বৈশ্বিক পরিচিতি পান ফ্যান বিংবিং
গত ১ জুলাইয়ের পর থেকে জনসম্মুখে দেখা যায়নি ফ্যান বিংবিংকে। চীনের সামাজিক মাধ্যম সিনা ওয়েইবু মাইক্রোব্লগে ফ্যান বিংবিংয়ের অনুসারীর সংখ্যা ৬২ মিলিয়নেরও বেশি। ২৩ জুলাইয়ের পর থেকেই এখানেও অনুপস্থিত ফ্যান বিংবিং। এ নিয়ে তার ভক্তরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাকে আটক করা হয়েছে বলেও কেউ কেউ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে ফ্যান বিংবিংয়ের টিমের কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। কর নিয়ে তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেউ যায়নি নিহত রাজুর বাড়ি

দেশের খবর: রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় রমিজ উদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থী দিয়া খানম ওরফে মিম ও আব্দুল করিম রাজু নিহতের ঘটনায় দিয়ার বাসায় গিয়ে পরিবারের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান দেখা করেছেন। বুধবার তারা দিয়ার বাসায় যান। তবে রাজুর বাড়িতে এখনও কেউ যাননি বলে জানিয়েছেন নিহত রাজুর খালাতো ভাই সুমন তালুকদার।
সুমন তালুকদার বুধবার বলেন,‘সরকার এখনও পর্যন্ত আমাদের কোনও খোঁজ-খবর নেয়নি। পত্রিকায় দেখছি দিয়ার বাড়িতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও নৌমন্ত্রী গেছেন। অথচ আমাদেরকে ফোন করেও কেউ কথা বলেনি।’
রাজুর পরিবার নোয়াখালীর হাতিয়ায় থাকে। রাজু ঢাকার আশকোনায় তার খালার বাসায় থেকে লেখাপড়া করতো।
সুমন তালুকদার বলেন, ‘আজ বিকালের দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে ফোন করে বলা হয়েছিল— মন্ত্রণালয় থেকে দুজন কর্মকর্তা আমাদের আশকোনার বাসায় আসবেন, কিন্তু কে আসবেন তা বলা হয়নি। রাত ১০টা পর্যন্ত কেউ আসেননি।’
খালাতো ভাইয়ের হত্যাকারীদের বিচার দাবি করে সুমন তালুকদার বলেন, ‘সরকার অমাদেরকে এখনও বিচারের আশ্বাসও দেয়নি। পত্রিকায় দেখছি চালকরা আটক হয়েছে, কিন্তু তাদের বিচার হবে কিনা তা নিয়ে আমাদের সন্দেহ রয়েছে।’
সুমন তালুকদার জানান, রাজুর বাবা নেই। মা আছেন। তিনি নোয়াখালীর হাতিয়ায় থাকেন। বুধবার রাজধানীর আশকোনায় তাদের বাড়িতে এসেছেন।
এদিকে বুধবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিএনপির একটি প্রতিনিধি দলও নিহত দিয়া খানম মিমের মহাখালীর বাসায় গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছে।
উল্লেখ্য, গত রবিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে কুর্মিটোলায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর রাজধানীর শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। বুধবারও (১ আগস্ট) শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest