সর্বশেষ সংবাদ-
জামায়াতকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই: এমপি মুহাঃ আব্দুল খালেকসাতক্ষীরায় শহীদ জায়েদার ২৮তম শাহাদাত বার্ষিকীতে ভূমিহীন সমাবেশ   সাতক্ষীরায় মাদকের বিরুদ্ধে সাতদিনের বিশেষ অভিযান চলবে- খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি বার্ষিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জরিপ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক কর্মশালাআকস্মিক পরিদর্শনে সাতক্ষীরায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী : দুই চিকিৎসকসহ বরখাস্ত তিনবুধহাটায় জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পরিষ্কার করলেন জামায়াত কর্মীরা ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মুখে হাস ‘তেলাপোকারা জিতেছে, গণতন্ত্র জিতেছে’ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতি: চুপ্পুর বিরুদ্ধে দুদককে তদন্তের নির্দেশ আদালতেরটিআরএম বিলের ক্ষতিপূরণের বকেয়া ৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন

মোবাইল ফোনের ‘অযৌক্তিক কলরেট’ বাতিলের দাবি

দেশের খবর: মোবাইল ফোনের ‘অযৌক্তিক কলরেট’ বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন গ্রাহকদের স্বার্থ বিবেচনায় না নিয়ে শুধু অপারেটরদের স্বার্থ বিবেচনা করে কলরেট ২৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ পয়সা নির্ধারণ করেছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার আগে গ্রাহকদের মতামত নেওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে গ্রাহকদের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। এর জন্য কমিশন প্রয়োজনে গণশুনানি করতে পারত। তা না করে তাদের নেওয়া সিদ্ধান্ত গ্রাহককে মানতে বাধ্য করা একটি অগণতান্ত্রিক ও অনৈতিক সিদ্ধান্ত।

মহিউদ্দীন আহমেদ আরও বলেন, ‘গণমাধ্যমে বিটিআরসি কর্মকর্তাদের বক্তব্যে জানতে পারলাম, আগের ২৫ পয়সা কাগজে-কলমে হলেও রেট পড়ত ৩৫ পয়সার ওপরে। আমরা মনে করি, তাদের এ ধরনের বক্তব্য ভোক্তা অধিকার আইনের পরিপন্থী। এতে করে অপারেটরদের দুর্নীতিকে প্রকাশ্যে প্রশ্রয় দিয়েছে কমিশন।’ তাঁর মতে, বর্তমান রেটে অপারেটর, আইসিএক্স, আইজিডব্লিউ, এনটিটিএন এবং ভ্যাট যোগ করলে কলরেট দাঁড়াবে প্রায় ৫২ পয়সা, যা আগের অফনেটের ফ্লোররেটের সমান। এই কলরেট বৃদ্ধির ফলে অপারেটররা সাময়িকভাবে লাভবান হলেও ভবিষ্যতে গ্রাহকেরা বিকল্প পথে কথা বলা শুরু করলে অপারেটররা ব্যবসায় বিনিয়োগ হারাতে পারে।
মহিউদ্দীন আহমেদ অভিযোগ করেন, এমএনপি বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে দুর্বল অপারেটরদের বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিটিআরসি নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তিনি সরকারের কাছে এ ধরনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে জনমত যাচাই করে বাস্তবায়ন করার দাবি জানান।
মানববন্ধনে সিপিবির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য রুহিন হোসেন বলেন, শুধু অপারেটরদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লোকচক্ষুর অন্তরালে এই মূল্যবৃদ্ধি মেনে নেওয়া যায় না। অতি দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করে জনগণের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ জনগণকে ফেরত প্রদান করার দাবি জানান তিনি।
গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।
বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, নতুন এই কলরেটের ফলে গ্রাহকের পকেট থেকে বছরে ছয় হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হবে। তাই মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে সরকারকে দ্রুত নতুন কলরেট বাতিল করা আহ্বান জানান তিনি।
মানববন্ধনে আরও অংশ নেন সাবেক সাংসদ অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, ন্যাশনাল কংগ্রেস বাংলাদেশের চেয়ারম্যান কাজী ছাবের আহমেদ ছাব্বীর, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি হারুন অর রশিদ খান, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক সামছুল আলম প্রমুখ।
১৩ আগস্ট মধ্যরাত থেকে মোবাইল ফোনের প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন একক কলরেট ৪৫ পয়সা চালু হয়। এর ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে অফনেট ও অননেট সুবিধা থাকছে না। একই অপারেটরের নম্বরে ফোন করা হলে সেটিকে বলা হয় অননেট আর অন্য অপারেটরে ফোন করা হলে তা হয় অফনেট। সর্বোচ্চ কলরেট আগের মতোই ২ টাকা রয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নম্বর পরিবর্তন না করে অপারেটর পরিবর্তনের সুবিধা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) চালুর আগে অননেট ও অফনেট কলের পার্থক্য দূর করা দরকার ছিল। এটা না করা হলে বাজার প্রতিযোগিতায় ছোট অপারেটররা ক্ষতিগ্রস্ত হতো। নতুন কলরেট অনুযায়ী এখন মোবাইল ফোন অপারেটররা গ্রাহকদের জন্য নতুন মূল্য নির্ধারণ করবে।
অপারেটরদের দাবি, নতুন কলরেটে গ্রাহকের ফোন করার খরচ কমবে। কারণ, এত দিন অননেট কলে সর্বনিম্ন মূল্য কাগজে-কলমে ২৫ পয়সা হলেও প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কলে গড়ে গ্রাহকের খরচ হতো ৪০ পয়সা। আর অফনেট অর্থাৎ অন্য অপারেটরে কল করার খরচ পড়ে ৯০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৫ পয়সা পর্যন্ত। একক কলরেট চালু হলে অননেট কলের খরচ ৫ পয়সা বাড়বে, কিন্তু অফনেট কলের খরচ কমবে ৪৫ থেকে ৫০ পয়সা। এতে গ্রাহকসংখ্যায় পিছিয়ে থাকা অপারেটরের গ্রাহকেরা বেশি সুবিধা পাবেন।
মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রামীণফোন থেকে ৯০ শতাংশ কল হয় অননেটে, ১০ শতাংশ কল অফনেটে হয়। অন্যদিকে, সরকারের মালিকানাধীন অপারেটর টেলিটকের ১০ শতাংশ কল অননেটে ও ৯০ শতাংশ কল অফনেটে হচ্ছে। রবি ও বাংলালিংকের অননেট-অফনেট কলের পরিমাণ ৭০ ও ৩০ শতাংশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেসবুকে অন্তরঙ্গ ছবি, চীন থেকে ফিরে খুন

দেশের খবর: কোরবানিতে প্রয়োজন হবে— এই অছিলায় মাঈন উদ্দিনসহ একসঙ্গে ছুরিটি কিনেছিলেন রোকসানা আক্তার পপি। সকালে কেনা সেই ছুরি দিয়েই বিকালে পপি গলা কেটে হত্যা করেন তার সাবেক স্বামী মাঈন উদ্দিনকে। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য দিয়েছেন শিক্ষানবিস চিকিৎসক রোকসানা আক্তার পপি। শুক্রবার ভোরে নগরের খুলশী ফয়’স লেক এলাকার লেকসিটি হোটেলের দ্বিতীয় তলার ২০৩ নম্বর কক্ষ থেকে মাঈন উদ্দিনের (৩০) দেহ থেকে মস্তক আলাদা করা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মো. মাঈন উদ্দিন ও তার সাবেক স্ত্রী রোকসানা আক্তার পপি (২২) হোটেলে ওঠেন। মো. মাঈন উদ্দিন ফেনী জেলার ছাগলনাইয়ার শুভপুর এলাকার মো. সিরাজুল হকের ছেলে এবং রোকসানা আক্তার পপি চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ মেহেদীনগর এলাকার আবু আহমদের মেয়ে। রোকসানা আক্তার পপি চীনের একটি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। শনিবার পুলিশ লাইনসে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) সদর দফতরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) আমেনা বেগম জানান, ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে সাবেক স্বামী মাঈন উদ্দিনকে খুন করেছেন পপি। ২০১২ সালে মাঈন উদ্দিন ও রোকসানা আক্তার পপি পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করেন। পপির পরিবার এ বিয়ে মেনে না নেওয়ায় ২০১৪ সালে মাঈন উদ্দিনকে তালাক দেন পপি। ২০১৫ সালে পপি চীনে পড়াশোনার জন্য চলে যান। পরে পুনরায় পপির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন মাঈন উদ্দিন। এতে রাজি না হওয়ায় তাদের দাম্পত্য জীবনের বিভিন্ন ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেন মাঈন উদ্দিন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কাউকে না জানিয়ে চীন থেকে বাংলাদেশে আসেন রোকসানা আক্তার পপি। পরে মাঈন উদ্দিনের সঙ্গে হোটেলে ওঠেন এবং হত্যার ঘটনা ঘটান। আমেনা বেগম বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর রোকসানা আক্তার পপি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পরে ঢাকায় না গিয়ে সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড এলাকা থেকে নাসিরাবাদ আল ফালাহ গলির বাসায় ফেরত আসেন। পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির উত্তর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার আবদুল ওয়ারিশ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মিজানুর রহমান, নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আবু বক্কর সিদ্দিকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে রোকসানা আক্তার পপির দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে আমেনা বেগম বলেন, মাঈন উদ্দিন ও রোকসানা আক্তার পপি বৃহস্পতিবার সকালে একসঙ্গে হোটেল থেকে বের হয়ে সকালের নাশতা করেন। পরে শপিং করতে যান ষোলশহর এলাকার শপিং কমপ্লেক্সে। সেখান থেকে কোরবানির জন্য প্রয়োজন জানিয়ে মাঈন উদ্দিনসহ ছুরি কেনেন পপি। বিকালে হোটেলে পৌঁছে সেই ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন মাঈন উদ্দিনকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ রুটে ফেরি পারাপার বিঘ্নিত, ঈদযাত্রায় অনিশ্চয়তা

অনলাইন ডেস্ক: নাব্য সংকটে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া ফেরি রুটে দেড় সপ্তাহ ধরে বাস-ট্রাক পারাপার প্রায় বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাবে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের তীব্র জট সৃষ্টি হচ্ছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও চাঁদপুর-হরিনা ফেরিঘাটেও।
এতে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের ১৬ জেলাসহ পদ্মার দক্ষিণপাড়ে থাকা ২৩ জেলার মানুষের যাতায়াত ও আসন্ন ঈদে এ অঞ্চলের মানুষের নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা বলছেন, লৌহজং পয়েন্টে ড্রেজিং চলছে। আজ রোববারের মধ্যেই পুরোপুরি চালু হবে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী চ্যানেল।
তখন স্বাভাবিক হয়ে যাবে তিন পয়েন্টের ফেরি পারাপার। তবে এককথায় আস্থা রাখতে পারছেন না বিআইডব্লিউটিএর কর্মচারীরাই।
তারা বলছেন, ড্রেজিংয়ের যে গতি, ঈদের আগে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হওয়া কঠিন।
এ মাসের শুরুতেই সংকট সৃষ্টি হয় কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে। পদ্মায় লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে দেখা দেয় নাব্য সংকট।
যেখানে রো রো ও ডাম্ব ফেরি চলাচলের জন্য অন্তত ৭-৮ ফুট পানি দরকার, সেখানে এ পয়েন্টে গভীরতা কমে দাঁড়ায় ৫-৬ ফুটে।
শিমুলিয়াঘাটে বিআইডব্লিউটিসি টার্মিনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (টিএ) রফিকুল ইসলাম জানান, ‘১১-১২ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে রো রো ও ডাম্ব ফেরিতে যানবাহন পারাপার।
বর্তমানে কে-টাইপ ও মিডিয়াম ফেরিতে ছোট ছোট গাড়ি পার করা হচ্ছে। তাও খুব সাবধানে পার হতে হচ্ছে চ্যানেল।’ আরেক টিএ শাহিন হোসেন বলেন, ‘মিডিয়াম ও কে-টাইপ ফেরির স্বাভাবিক চলাচলে কমপক্ষে ৬ ফুট গভীরতা দরকার হয়। আমরা এসব ফেরিতে ভারী কোনো গাড়ি দিচ্ছি না।’
কাঁঠালবাড়ীঘাটের ব্যবস্থাপক সালাম হোসেন বলেন, ‘এত কিছুর পরও প্রায়ই লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে আটকে যাচ্ছে মিডিয়াম ও কে-টাইপ ফেরি। চরে আটকেপড়া এসব ফেরি টেনে নামাতে সেখানে রাখা হয়েছে টাগবোট। তা ছাড়া চ্যানেলটি এতই সরু যে সেখানে একটি ফেরি আটকা পড়লেই বন্ধ হয়ে যায় পুরো রুট।’
বর্তমানে এ রুটে ছোট ছোট ৮টি ফেরি চলছে জানিয়ে শিমুলিয়া পয়েন্টের টিএ মিরাজ হোসেন বলেন, ‘বহরে থাকা ২১টি ফেরির ১৩টিই বর্তমানে বন্ধ। এতে রাজস্ব আয়ও অনেক কমে গেছে।
সহকারী মহাব্যবস্থাপক খালিদ নেওয়াজ বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ে আমরা এ পয়েন্ট থেকে দিনে গড়ে ২৪০০-২৫০০ গাড়ি পারাপার করি। যার মধ্যে ১৪০০-১৫০০ ছোট গাড়ি, ৩০০-এর মতো বাস এবং প্রায় সাড়ে ৭০০ ট্রাক।
ডাম্ব ও রো রো ফেরি বন্ধ থাকায় এখন মাত্র দেড় থেকে ২০০-এর মতো ছোট গাড়ি পারাপার হচ্ছে। আগে এ পয়েন্টে দৈনিক ৩৫-৩৬ লাখ টাকা আয় হতো, এখন ৪-৫ লাখ টাকায় নেমে এসেছে।’
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক ৪ হাজারের মতো যানবাহন পারাপার হতো। সেখানে এখন দিন-রাত মিলিয়ে ৬-৭ হাজার যান পার করেও পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
চাঁদপুর-হরিণাঘাটেও বেড়ে গেছে যানবাহনের চাপ। ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী সাকুরা পরিবহনের এক চালক জানান, ‘সবচেয়ে বেশি জটিলতায় পড়েছে নিয়মিত কাঁঠালবাড়ী হয়ে চলাচলকারী প্রায় ৩০০-৪০০’ বাস।
এগুলোকে এখন প্রায় ১২৫ কিলোমিটার বেশি পথ পাড়ি দিয়ে পাটুরিয়া হয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়া জ‌ড়িত- ‌বি‌দে‌শি কূটনী‌তিকদের জানা‌লো আ. লীগ

দেশের খবর: ঢাকায় দায়িত্বরত বিভিন্ন দেশের কুটনীতিকদের এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হলো, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন।
শনিবার বিকালে জাতীয় শোক দিবস পালনের অংশ হিসেবে ৩২ নম্বরের বাড়িতে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের উদ্দেশে ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির এ বিষয়টি তুলে ধরে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতারা ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে কেন হত্যা করা হয় ও হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত থাকার বিষয়টি কূটনীতিকদের অবহিত করেন।
আন্তর্জাতিক উপকমিটির নেতারা বলেন, জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার পর এর বিচার রোধে রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ যে অধ্যাদেশ জারি করেন, জিয়াউর রহমান তা সংবিধানে সংযোজন করেন ১৯৮১ সালে। সেই সঙ্গে খুনিদেরকে বিভিন্ন দূতাবাসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করে পাঠিয়ে পুরস্কৃত করেন।
কূটনৈতিকদের তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর দুই খুনি আরদুর রশিদ এবং ফারুক রহমান ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যান্থরি মাসকারেহানসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন জাতির জনককে হত্যার পরিকল্পনার বিষয়টি তারা জিয়াউর রহমানকে আগেই জানিয়েছেন। আর সে সময়ে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান ও পরে সেনাপ্রধান অবস্থায় রাষ্ট্রপতি হওয়া জিয়াউর রহমান তাদেরকে এগিয়ে যেতে বলেন।
বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়ার সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্যের ব্যাখ্যা করে ক্ষমতাসীন দলের আন্তর্জাতিক উপকমিটির নেতারা কূটনৈতিকদের বলেন, আওয়ামী প্রধান এ কারণে বলেছেন যে, জিয়াউর রহমানের বিচার করতে না পারায় তার দুঃখ রয়ে যাবে।
আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ব্রিফিংয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের সামনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের অধীনে চলমান বাংলাদেশের অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের নাশকতা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের পাশাপাশি নেতাদের অপরাধ ও অপকর্ম এবং তাদের সহযোগী জামায়াতে ইসলামের কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোকপাত করা হয়।
এছাড়াও কূটনৈতিকদের প্রতি রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধানে এবং নিপীড়িত এই জনগোষ্ঠীর সদস্যরা যাতে নিরাপদে ও সসম্মানে মিয়ানমারে নিজেদের বাড়িঘরে ফিরতে পারে- তা নিশ্চিত করতে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, ভারত, চীনসহ ৪২ টি দেশের কূটনীতিক ও তাদের প্রতিনিধি। বৈঠকে আওয়ামী লীগের পক্ষে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জমির, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহম্মেদ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম কূটনীতিকদের সামনে এসব তথ্য তুলে ধরেন।
পরে আওয়ামী লীগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দলের নবগঠিত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-কমিটির সঙ্গে কূটনীতিকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি গণতন্ত্র ও নির্বাচনসহ চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে আলোচনার জন্যই এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদুল আজহা উপলক্ষে চালু হচ্ছে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র

দেশের খবর: ঈদুল আজহায় দেশের উত্তরাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে চায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এজন্য ঈদের আগের দিন (২১ আগস্ট) উৎপাদনে যাচ্ছে বন্ধ থাকা বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। সে লক্ষ্যে বড়পুকুরিয়া খনি থেকে অল্প অল্প করে পাওয়া কয়লা মজুতও করা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের দাবি, এতে করে ঈদের সময় অন্তত পাঁচ-ছয় দিন কেন্দ্রটি চালু রেখে উত্তরাঞ্চলের আট জেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে।এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (সংরক্ষণ) প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন—‘ঈদের আগের দিন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু করা হবে। কয়লা মজুত সাপেক্ষে পাঁচ থেকে ছয় দিন চালু রাখার টার্গেট নেওয়া হয়েছে।’
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির মুখে স্থাপিত দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কয়লা সংকটের কারণে গত ২২ জুলাই রাতে বন্ধ করে দেওয়া হয়। উত্তরাঞ্চলের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহের সক্ষমতা নেই জাতীয় বিদ্যুত গ্রিডের। সে কারণে লোড ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করতো এই তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। পুরো গরমের মৌসুমে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় অসহায় হয়ে পড়ে পিডিবি।
বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো)-এর রংপুর অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী শাহাদৎ হোসেন সরকার জানান, রংপুর বিভাগের আট জেলায় প্রতি দিন ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন। এই চাহিদার বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া যায় ৫০০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট। এতে উত্তরের এই আট জেলায় লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি লো-ভোল্টেজে দুর্বিষহ অবস্থায় রয়েছে এই অঞ্চলের মানুষ।
তবে কোরবানি ঈদের সময় এই আট জেলার মানুষকে লোডশেডিংমুক্ত রাখতে চায় বিদ্যুৎ বিভাগ। সেই লক্ষ্যেই দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ঈদের সময় অন্তত পাঁচ-ছয় দিন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্র সুত্রে জানা যায়, এই বিদ্যুকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে একটি ইউনিট নিয়মিত সার্ভিসিংয়ে রয়েছে, যার উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট। এই ইউনিটটি অক্টোবর-সেপ্টেম্বর নাগাদ চালুর উপযোগী হবে। ১২৫ ও ২৭৫ মেগাওয়াটের বাকি দু’টি ইউনিট উৎপাদনের যাওয়ার উপযোগী রয়েছে। আসন্ন ঈদের সময়ে এ ইউনিট দু’টি চালু রাখা হবে। ১২৫ মেগাওয়াটের ইউনিটটি চালু রাখতে হলে দৈনিক ১২০০ টন ও ২৭৫ মেগাওয়াটের অন্যদুটি ইউনিটে ২৮০০ টন কয়লার প্রয়োজন পড়ে।
বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (সংরক্ষণ) প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বড়পুকুরিয়া থেকে প্রতিদিন অল্প পরিমাণে পাওয়া কয়লা মজুত করে রাখা হচ্ছে। এই কয়লা দিয়ে ঈদের আগের দিন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু করা হবে এবং কয়লা মজুত সাপেক্ষে পাঁচ থেকে ছয় দিন চালু রাখার টার্গেট নেওয়া হয়েছে।’ তিনি জানান, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে বর্তমানে প্রতিদিন ১০০ থেকে ৫০০ টন পর্যন্ত কয়লা পাওয়া যাচ্ছে। শনিবার (১৮ আগস্ট) পর্যন্ত তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার মজুতের পরিমাণ ৫০০০ হাজার টন ছাড়িয়েছে বলে জানান তিনি।
গ্যাস টারবাইন দ্রুত সময়ে চালু ও বন্ধ করা গেলেও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে বিষয়টি অনেক সময়সাপেক্ষ বলে জানিয়েছেন বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাকিম সরকার। তিনি জানান, তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু করতে হলে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন। আবার বন্ধ করতে হলেও প্রয়োজন হয় কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা।
জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া খনিতে গত জুন মাসের মাঝামাঝিতে ২০১০ নম্বর ফেসে কয়লার মজুত শেষ হওয়ায় গত ১৯ জুন থেকে খনিতে কয়লা উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। নতুনভাবে ১৩১৪ নম্বর ফেসে কয়লা উত্তোলনের জন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এখন পুরনো ফেসের উৎপাদিত সরঞ্জাম নতুন ফেসে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নতুন ফেসে উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করতে আরও প্রায় একমাস সময় প্রয়োজন হবে বলে খনি সূত্রে জানা গেছে।
তবে নতুন ফেস থেকে কয়লা উত্তোলনের জন্য খনির অভ্যন্তরে টানেল তৈরি করা হচ্ছে। সেই টানেল তৈরি করতে গিয়ে কিছু কয়লা পাওয়া যাচ্ছে, যা জমিয়ে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা।
প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন,‘গত ২০ জুন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ পিডিবিকে নিশ্চিত করে যে, খনির কোল ইয়ার্ডে এক লাখ ৮০ হাজার টন কয়লা মজুত রয়েছে। মজুতে থাকা এই কয়লা দিয়ে আগস্ট মাস পর্যন্ত তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র সচল রাখা যাবে বলেও নিশ্চিত করে খনি কর্তৃপক্ষ। তবে জুলাই মাসের শুরু থেকেই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হঠাৎ কয়লার সরবরাহ কমিয়ে দেয় খনি কর্তৃপক্ষ। জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে পিডিবিকে জানিয়ে দেওয়া হয়— খনির কোল ইয়ার্ডে কয়লার মজুত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।এরপর গত ২২ জুলাই বন্ধ হয়ে যায় বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন।
এদিকে, দেশের একমাত্র উৎপাদনশীল বড়পুকুরিয়া খনিতে কয়লা দুর্নীতির ঘটনায় ইতোমধ্যে সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়। কারণ, খনি থেকে উত্তোলিত কয়লার মধ্যে এক লাখ ৪৪ হাজার টন কয়লা ঘাটতি বা চুরি হয়েছে। খনিটির নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা গত ১৯ জুলাই খনির এমডি প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহম্মেদকে প্রত্যাহার ও কোম্পানি সচিব মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আবুল কাশেম প্রধানিয়াকে অন্যত্র বদলি করে। একইসঙ্গে খনির মহাব্যবস্থাপক মাইনিং এটিএম নুরুজ্জামান চৌধুরী ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খালেদুর ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করে। এই ঘটনায় দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
৪ জুলাই খনির ১৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতীয় সেনার গুলিতে কাশ্মীরে তিন জঙ্গি নিহত

বিদেশের খবর: কাশ্মীরে ভারতীয় সেনা ও জঙ্গিদের বন্দুকযুদ্ধে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছেন। দক্ষিণ কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় শনিবার এ ঘটনা ঘটে।
কলকাতা টুয়েন্টিফোর’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এদিন তাংধার সেক্টরে লাইন অফ কন্ট্রোলের কাছে তিন জঙ্গিকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় ভারতীয় সেনারা। এখনও পর্যন্ত জঙ্গিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সকালে মধু খাওয়ার উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: প্রাচীনকাল থেকেই ঔষধ হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন সকালে মধু খেলে ওজন কমে। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও এতে লিভার পরিস্কার থাকে।
শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে মধু। কারণ মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ বিসুখ থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠাণ্ডা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়।
মধুর সঙ্গে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ ভাগ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।
হজমের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। মধু পেটের অম্লভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। হজমের সমস্যা দূর করার জন্য মধু খেতে চাইলে প্রতিবার ভারি খাবার খাওয়ার আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু কিন্তু খুবই উপকারী।
মধুতে আছে প্রাকৃতিক চিনি যা শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখে। বিশেষ করে যারা মিষ্টি জাতীয় কিছু খেতে পছন্দ করেন, তারা অন্য মিষ্টি খাবারের বদলে মধু খেতে পারেন। শরীরের দুর্বলতা ও চা-কফির নেশা কমায় মধু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফল খেলে ওজন বাড়তে পারে

স্বাস্থ্য কণিকা: ফল আর সবজি পুষ্টির আধার। ওজন কমাতে চাইলে খাদ্যতালিকার বেশির ভাগ অংশ জুড়েই থাকে ফল ও সবজি। কিন্তু এমন কিছু ফল এবং সবজি আছে, যেগুলো খাদ্যতালিকায় থাকলে ওজন না কমে বরং বেড়ে যায়৷ জেনে নিন এমন কিছু ফল ও সবজি সম্পর্কে-

শুকনো ফল:
ফল থেকে যতটা সম্ভব জলীয় অংশ দূর করে শুকনো ফল তৈরি করা হয়। এর অর্থ হলো এতে যোগ হয় অতিরিক্ত ক্যালরি। এক কাপ শুকনো কিশমিশে থাকে প্রায় ৫০০ ক্যালরি।

সবজির জুস:
সবজির পুষ্টি পেতে অনেকেই সবজির ব্লেন্ড করা জুস পান করেন। কিন্তু সত্যি কথাটি হলো এতে আরো চিনি এবং লবণ যোগ করা থাকে। এর অর্থ হলো অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ। তাই সবজির জুস কেনার আগে এর গায়ে লেখা উপাদানগুলো ভালো করে পড়ে নিন।

গ্রীষ্মকালীন ফল:
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল যেমন আম এবং আনারস অবশ্যই সুস্বাদু, কিন্তু অন্য ফলের তুলনায় এসব ফলে থাকে উচ্চ মাত্রায় ক্যালরি। এগুলো সীমিত পরিমাণে খান। তার বদলে খেতে পারেন আপেল। এতে ক্যালরিও কম গ্রহণ করা হবে, আবার উচ্চমাত্রায় ফাইবারও গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest