সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ধর্ষন চেষ্টা মামলায় ১ আসামী আটকদেবহাটায় সাদা ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছভূমিকম্পনে কাপল সাতক্ষীরাজীবন-জীবিকা খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি সুরক্ষার অঙ্গীকারসাতক্ষীরায় জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের কর্মবিরতিসাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে- হাবিবুল ইসলাম হাবিবসাতক্ষীরা জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতির নেতৃত্বে ২১৭ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদানচ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসানসাতক্ষীরায় চাকুরী মেলায় চাকুরী পেলেন ৮ জনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের বিজয় নিশ্চিত করতে গণসংযোগ ব্যস্ত সময় পারছেন দলীয় নেতাকর্মীরা

সবচেয়ে মারকুটে দল জার্মানি, দ্বিতীয় আর্জেন্টিনা: পরিসংখ্যান

রাশিয়া বিশ্বকাপের উন্মাদনায় কাঁপছে পুরো ফুটবল মহল। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই শুরু হচ্ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। এরই মধ্যে সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে তর্ক-বিতর্ক। তবে সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের পরেই।

কিন্তু তার আগে পরিসংখ্যান বলছে অন্য কথা। বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে মারকুটে দল হিসেবে উঠে এসেছে জার্মানির নাম!‌ সবচেয়ে বেশি ফাউল, সবচেয়ে বেশিবার লাল ও হলুদ কার্ড দেখা এবং ম্যাচের মধ্যে বিপক্ষ এবং রেফারির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় সকলকে পিছনে ফেলেছে জার্মান দল।

জার্মানি প্রথম বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত ১২২টি হলুদ কার্ড দেখেছে। ম্যাচের মধ্যে দু’‌বার হলুদ কার্ড দেখে মাঠের বাইরে যাওয়ার ঘটনা জার্মানরা ঘটিয়েছেন দু’‌বার। বাকি পাঁচবার একই ম্যাচে একটি হলুদের পরে আর একটি লাল কার্ড দেখেছেন তারা।

যে পদ্ধতিতে এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে তাতে একটি হলুদ কার্ডের জন্য দলকে দেওয়া হয়েছে ৫ পয়েন্ট, একই ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের জন্য দেওয়া হয়েছে ৭ পয়েন্ট এবং একটি লাল কার্ডের জন্য দেওয়া হয়েছে ১০ পয়েন্ট। এই পয়েন্ট সিস্টেমে ৬৪৭ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে জার্মানি।

অন্যদিকে, ১৭ পয়েন্ট কম পেয়ে (‌৬৩০)‌ দুই নম্বরে আছে আর্জেন্টিনা। তিন নম্বরে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে ব্রাজিল। ৫৩০ পয়েন্ট তাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাইপারটেনশন ডেকে আনে মৃত্যু, মুক্তির কয়েকটি উপায়

স্বাস্থ্য কথা: চিন্তা তো সবার বন্ধু। তাই চিন্তাকে বাদ দিয়ে জীবনের অর্থ গোল। সেই কারণেই বিশ্বজুড়ে দূষণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে টেনশন। দূষণ তো ক্ষতির মাত্রা বাড়াচ্ছে বই কমাচ্ছে না। চিন্তাও ঠিক তাই। মানবমনে বেশ শক্তপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারলেই এড়ানো যেতে পারে টেনশন। তার আগে জানুন আপনি হাইপারটেনশনের সমস্যায় ভুগলে উপরি পাওনা হিসেবে কী কী রোগে আক্রান্ত হতে পারেন:

বিঘ্নিত ঘুম
ভেতরে টেনশন থাকলে ঘুম ঠিক ভাবে হয় না। অর্থাৎ পর্যাপ্ত ঘুম ব্যাহত হয়। ঘুমের মধ্যে হঠাৎ মনে হয় শ্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছে বা অনেক সময় বেশি মাত্রায় শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়। যার ফলে ঘুম ঠিকমতো হয় না, সারাদিন চোখ জ্বালা করা, ঘুম পাওয়া, খিটখিটে মেজাজ থেকেই যায়।

হার্টের সমস্যা বাড়ে
হাইপারটেনশনের সঙ্গে হার্টের সমস্যার যোগ নিবিড়। ঘুম কম হওয়া থেকে যাবতীয় সমস্যার সৃষ্টি। কোলেস্টেরল বাড়ে, ধমনীর আশেপাশে ব্লকেজ তৈরি হওয়ায় রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। যার থেকে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

মৃত্যু ডেকে আনে
বর্তমানে মৃত্যুর অন্যতম কারণ হাইপারটেনশন। কাজের চাপ, পারিবারিক নানা সমস্যা, একাকিত্ব থেকেই হাইপারটেনশন শুরু হয়। দিনের পর দিন অনিদ্রা, সুগার, হাই ব্লাড প্রেসার সহজেই মৃত্যুকে ডেকে আনে। ৫০ থেকে ৫৩ বছর বয়সের মধ্যে এই সমস্যা খুব প্রকট।

হাইপারটেনশন এড়াবেন কীভাবে

নিজেকে ব্যস্ত রাখুন
নানা কাজের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। অফিসের কাজের বাইরেও বই পড়া, গান শোনা, লেখালেখি, বেড়াতে যাওয়া ইত্যাদি চালিয়ে যান। নানা কাজের মধ্যে থাকলে দেখবেন বাজে চিন্তা খানিক কম হয়। আসলে জীবনে ভালো খারাপ দুই থাকে। কেন হল না অথবা কবে হবে এই নিয়ে অযথা চিন্তা না করাই ভালো। সময়ে সবই হয়।

পোষ্যদের সঙ্গে সময় কাটান
বাড়িতে একা থাকেন বা একা না থাকলেও খুব বেশি মিশতে ভালোবাসেন না। কথা বলার লোক নেই। এরকম পরিস্থিতিতে একাকিত্ব আসবে স্বাভাবিক। সেখান থেকে নানা সমস্যা। তাই পোষ্য ভালোবাসলে তাদের বাড়িতে রাখুন। তাদের সঙ্গে খানিক সময় কাটান। দেখবেন ভালো আছেন। রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

পর্যাপ্ত ঘুম
ঘুম ভালো হওয়া জরুরি। তাই অভ্যাস থাকলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বই পড়ুন, পছন্দের গান শুনুন, খুব ইচ্ছে হলে পছন্দের সিনেমা দেখুন কিন্তু স্মোকিং, মদ্যপান বা টিভি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

অযথা চিন্তা করবেন না
যেটুকু বিষয় নিয়ে চিন্তা প্রয়োজন সেটুকুই করুন। তার বাইরে অযথা চিন্তা করবেন না। খুব বেশি চিন্তা করলে শরীর খারাপ হবে, এর বেশি কিছুই হবে না।

সুষম খাবার খান
সুষম এবং পর্যাপ্ত খাবার খান। নিয়ম করে প্রতিদিন ২ কিলোমিটার হাঁটুন। প্রচুর পানি পান করুন। তাহলে সুগার, প্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। টেনশন কম হবে। আর বাজে চিন্তা একেবারেই থাকবে না।

গবেষণা বলছে
যাঁরা গরমের দেশে থাকেন তাঁদের রক্তচাপ আবহাওয়ার সঙ্গে ওঠা নামা করে। ফলে শারীরিক সমস্যা বাড়ে। হাইপারটেনশনের প্রবণতা থেকে যায়। তুলনায় শীতের দেশে এই সমস্যা অনেক কম। ফলে সেদেশে উচ্চরক্তচাপে ভোগা লোকজনের সংখ্যাও কম। গরমের দেশের বাসিন্দা হলে এক্ষেত্রে আপনার হাতে কিছুই নেই। সাবধানবানী অবলম্বন করে চলতে পারেন কেবল।

হাইপারটেনশন থেকে আরও যা হয়
হার্টের সমস্যা তো ছিলই। বর্তমান গবেষণায় উঠে এসেছে হাইপারটেনশন থেকে কিডনিরও গুরুতর সমস্যা হয়। তাই কোনও রকম বেগতিক বুঝলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাণিতিক হিসাব বলছে চ্যাম্পিয়ন হবে ব্রাজিল

খেলার খবর: রাত পোহালেই শুরু হয়ে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাযজ্ঞ। এক মাসের এই আসর ঘিরে আরও আগে থেকেই শুরু হয়েছে নানান হিসাব নিকাশ। ফেবারিটদের তালিকায় কারা আছে; কোন দল এবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, গোল্ডেন বুট উঠবে কার হাতে- ইত্যাদি পরিসংখ্যানের হিসাব চলছে। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার ভক্ত বেশি। তবে গ্রেসনোট এর গাণিতিক হিসাবে যে চ্যাম্পিয়নের নাম উঠে এসেছে তাতে মেসিভক্তদের অখুশি হওয়ারই কথা।

গ্রেসনোট বিশ্বের অন্যতম তথ্য-উপাত্ত সরবরাহকারী একটি প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে চলা রাশিয়া বিশ্বকাপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন কারা হবে- সে বিষয়ে সম্প্রতি একটি গাণিতিক হিসাব করেছে তারা। প্রায় ১০ লাখ সম্ভাবনার হিসাব মিলিয়ে প্রাপ্ত তালিকায় সম্ভাব্য শিরোপাজয়ী হিসেবে নাম উঠে এসেছে পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের। নেইমারদের পর এবারের বিশ্বকাপ জয়ের বেশি সম্ভাবনা স্পেনের। গতবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি আছে তৃতীয় স্থানে। আর্জেন্টিনা আছে চার নম্বরে।

এই হিসাবে দলগুলোর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, গত বিশ্বকাপের পর ব্রাজিল মাত্র চারটি ম্যাচ হেরেছে। ২০১৬ সালের পর মাত্র একটি। গত ১২টি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা ৭ দলের বাইরের কারও এবারের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ৮১ শতাংশ। গ্রেসনোটের হিসাবে, পেরু বা কলম্বিয়া সেই বিস্ময় উপহার দিতে পারে। বিশ্বকাপে নতুন কোনো দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা ৪৭ শতাংশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোজ লেবু পানি পান করা উচিত যে কারণে

স্বাস্থ্য কথা: শুধু এক গ্লাস পানি আর অর্ধেক লেবু। নিয়মিত পান করলেই দেখবেন ডাক্তারের চেম্বারের ঠিকানা ভুল গেছেন। লেবু পানি পান করা শুরু করলে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার।

লিভারের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে : লেবু পানি পান করলে লিভারের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। ফলে লিভারের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

পুষ্টির ঘাটতি দূর হয় : লেবু পানিতে যে কেবল ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মজুত থাকে, তা নয়, সেই সঙ্গে থাকে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এবং আরও কত কী, যা দেহে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে শরীরকে শক্তপোক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

দেহের পি এইচ লেভেল ঠিক থাকে : ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু পানি পান করলে দেহের পি এইচ লেভেলের ভারসাম্য ঠিক থাকে। ফলে ভেতর এবং বাইরে থেকে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : প্রতিদিন লেবু পানি পান করা শুরু করলে দেহে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এত মাত্রায় শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে : হাজারো বিউটি প্রডাক্ট যা করে উঠতে পারেনি, তা লেবুর পানি নিমেষে করে ফলতে পারে। এই পানীয়তে বেশ কিছু উপাদান ত্বকের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনে। সেই সঙ্গে ত্বকের বয়স কমানোর পাশাপাশি ব্ল্যাক হেডস এবং বলিরেখা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। গরমকালে ত্বককে ঠাণ্ডা এবং ঘামমুক্ত রাখতে লেবুর জল দিয়ে বারে বারে মুখটা ধুতে পারেন, দেখবেন উপকার পাবেন।

ওজন হ্রাস পায় : নিয়মিত লেবু পানি পান করলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্তি মেদ ঝরে যেতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ লেবুতে পেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। কম মাত্রায় খাবার খেলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কম মাত্রায় ক্য়ালরির প্রবেশ ঘটে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও সুযোগই পায় না।

এনার্জির ঘাটতি দূর হয় : ঘুম থেকে উঠে চা বা কফি না খেয়ে প্রতিদিন এক গ্লাস করে লেবুর পানি পান করার চেষ্টা করুন। দেখবেন শরীর চনমনে হয়ে উটতে সময়ই লাগবে না। লেবুতে থাকা একাধিক উপকারী উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে সকাল সকাল শরীর এবং মস্তিষ্ক চাঙ্গা হয়ে উঠতে একেবারেই সময় লাগে না।

শ্বাস কষ্টের মতো সমস্যা কমে : যারা অ্যাস্থেমা বা কোনও ধরনের রেসপিরেটরি প্রবলেমে ভুগছেন তারা যত শীঘ্র সম্ভব রোজের ডায়েটে লেবুর পানিকে অন্তর্ভুক্ত করুন। দেখবেন কেমন ফল পান! এই পানীয়টি শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত একাধির জটিলতাকে কমিয়ে ফেলতে দারুন কাজে আসে।

স্ট্রেস এবং অবসাদের থেকে মুক্তি মেলে : নিয়মিত লেবুর পানি পান করলে স্ট্রেস একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে অবসাদের প্রকোপও কমে। লেবু পানিতে বেশ কিছু উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। যে কারণে এমন সব সমস্যা নিমেষে কমে যেতে শুরু করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে : লেবু পানিতে থাকে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রতিদিন সকাল-বিকাল লেবু পানি পান করা শুরু করুন, দেখবেন দারুন ফল পাবেন। তবে এমনটা করার আগে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না যেন।

পেটের স্বাস্থ্যের প্রকোপ কমে : যারা বদ হজম, কনস্টিপেশন, বারংবার পেট খারাপ সহ নানাবিধ পেটের রোগে ভুগে তাকেন তারা প্রতিদিন সকালে গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন। স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ ঠিক মতো হতে শুরু করবে। ফলে রোগের প্রকোপ তো কমবেই, সেই সঙ্গে শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর উপাদান বা টক্সিনও বেরিয়ে যাবে।

মুখ গহ্বরের নানা রোগ নিমেষে সেরে যায় : মুখ থেকে খুব দুর্গন্ধ বের হয়? আজ থেকেই লেবু পানি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন বদ গন্ধ একেবারে কমে যাবে। শুধু তাই নয়, মাড়ি থেকে রক্ত পাত এবং দাঁতে যন্ত্রণা হওয়ার মতো সমস্যা হলেও এই ঘরোয়া পদ্ধতিটিকে কাজে লাগাতে পারেন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন।

সংক্রমণের প্রকোপ কমে : লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ। তাই তো লেবু পানি যে কোনও ধরনের সংক্রমণ, বিশেষত গলার সংক্রমণ কমাতে দারুনভাবে সাহায্য করে থাকে। এক্ষেত্রে লেবু পানি দিয়ে গার্গেল করলেই উপকার পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয় -জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: কদমতলা রিপোটার্স ক্লাবের আয়োজনে প্রতিবন্ধীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে কদমতলা বাজারস্থ ক্লাবের কার্যালয়ে জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ক্লাবের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক এর সভাপতিত্বে ও ক্লাবের সভাপতি সেলিম হোসেন এর পরিচালনায় এ ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক ও কদমতলা বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, সিনিয়র সদস্য মেহেদী আলী সুজয়, কোষাধ্যক্ষ সেলিম হোসেন, কদমতলা রিপোটার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিল্লু, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান, জেলা অন্ধ সংস্থার সাধরণ সম্পাদক কবির হোসেন, আগরদাড়ি ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিলাল উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ আলী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মজনু রহমান, কদমতলা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল আলিম, ডাঃ ইকরামুল, জাহাঙ্গীর সরদার প্রমুখ। এসময় প্রধান অতিথি বলেন, প্রতিবন্ধীরা এখন সমাজের বোঝা নয় তারাও মানুষ। তাদের দেখভাল করার দায়িত্বও আমাদের। প্রতিবন্ধীদের বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিবন্ধীদের সরকার চাকুরীর ব্যবস্থাও করে দিয়েছে। যাতে তারা সমাজের মানুষের কাছে করুনার পাত্র না হয়। তিনি আরো বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং বিশ্বের দরবারে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর জরিমানা

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জে দুই মাদক সেবীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।তারা হলেন উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে মাছুদ হোসেন (৩৫) ও ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান (২৪)। থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে থানার উপ-পরিদর্শক নুর ইসলাম ও সহকারী উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনরত অবস্থায় তাদেরকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) নুর আহমেদ মাছুম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাশিয়ায় ঝলক দেখাতে পারেন যে তরুণ খেলোয়াড়রা

রাশিয়া বিশ্বকাপে আলো ছড়াবেন কারা, তা নিয়ে কম আলোচনা হচ্ছে না। হালের সবচয়ে বড় তারকাদের দিকে যে সবার নজর থাকবে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে এ তালিকায় উঠে এসেছে বেশ কয়েকজন তরুণ তুর্কির নাম, রাশিয়ায় আলোর ঝলকানি দেখাতে পারেন তাঁরাও।

গ্যাব্রিয়েল জেসুস ( ব্রাজিল)

গ্যাব্রিয়েল ফারনান্দো ডি জেসুস। ব্রাজিলের এই তারকা ফরোয়ার্ড ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলে থাকেন। শুধু ঘরোয়া আসরেই নয়, এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ফুটবলেও বেশ নজর কেড়েছেন। ব্রাজিলের হয়ে ১৫ ম্যাচ খেলে নয় গোল করেছেন এই ২১ বছর বয়সী তারকা। রাশিয়া বিশ্বকাপ মাতাতে পারেন এই তরুণ তুর্কি।

দেলে আলী, (ইংল্যান্ড)

ইংলিশ ফুটবলার দেলে আলী মাত্র ২২ বছর বয়সেই ঘরোয়া আসরে বেশ চমক দেখিয়েছেন। প্রিমিয়ার লিগের দল টটেনহ্যামের মাঝমাঠের এই ভরসা জাতীয় দলের হয়েও ভালো করার দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে। রাশিয়া বিশ্বকাপও মাতাতে পারেন তিনি।

উসমানে দেম্বেলে (ফ্রান্স)

জার্মান ক্লাব বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে ২০১৬ সালে বেশ চমক দেখিয়েছিলেন উসমানে দেম্বেলে। তাই স্পেনের ক্লাব বার্সেলোনার নজর পড়ে তাঁর প্রতি। গত বছর এই ২০ বছর বয়সী এই তারকাকে পেতে ১৬০ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিল বার্সেলোনা। স্কিল-টেকনিক-গতির সমন্বয়ে দারুণ খেলে থাকজনে তিনি। এরই মধ্যে নিজেকে প্রমাণও করেছেন এই ফ্রান্স ফুটবলার। রাশিয়া বিশ্বকাপে আলো ছড়াতে পারেন তিনি।

মার্কো আসেনসিও ( স্পেন)

মার্কো আসেনসিওকে তুলনা করা হচ্ছে স্পেনের সাবেক তারকা ফুটবলার রাউল গঞ্জালেসের সঙ্গে। ২২ বছর বয়সী এই তারকা রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এরই মধ্যে বেশ নজর কেড়েছেন। কোচ জিনেদিন জিদানের মুখেও প্রশংসা শোনা গেছে মাঝমাঠের এই তরুণ ফুটবলারের। স্পেনের হয়ে এবারের বিশ্বকাপ মাতাতে তিনিও।

টিমো ওয়ার্নার (জার্মানি)

টিমো ওয়ার্নার খেলে থাকেন বু্ন্দেশলিগায়, লেপজিগের হয়ে। এই মৌসুমে ৫৬ ম্যাচে ৩২ গোল করে চমক দেখিয়েছেন। ২২ বছর বয়সী এই ফুটবলার এবারের বিশ্বকাপেও নজর কাড়তে পারেন। এরই মধ্যে জার্মান সাবেক ফুটবলার মিরোস্লাভ ক্লোসার বিকল্প হিসেবে ভাবতে শুরু করেছে তাঁকে।

বার্নার্দো সিলভা (পর্তুগাল)

বয়স মাত্র ২৩, এখনই ক্লাব ফুটবলে ভালো নজর কেড়েছেন। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ভালোই খেলছেন পর্তুগিজ ফুটবলার বার্নার্দো সিলভা। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে পর্তুগালের হয়ে রাশিয়া মাতাতে পারেন সিলভা, সেটা বলাই যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নব্য জেএমবির প্রধান ‘ব্যাট উইমেন’ প্রধান নাবিলা কারামুক্ত!

দেশের খবর: গ্রেপ্তারের দুই মাসের মাথায় নব্য জেএমবির নারী শাখা ‘ব্যাট উইমেন’-এর প্রধান হোমায়রা ওরফে নাবিলা কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছেন। কাশিমপুর মহিলা কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জামিন পাওয়ার পর আজ বুধবার বিকেলে নাবিলাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্টে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৫ এপ্রিল গ্রেপ্তার হন নাবিলা। আর গত সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে তিনি জামিন পান।

সরকারি কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল জানান, রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জঙ্গি নাবিলার জামিনের ঘোর বিরোধিতা করা হয়। আদালত দুই পক্ষকে শুনে নাবিলার জামিন দেন।

পুলিশ বলছে, নাবিলার স্বামী তানভীর ইয়াসিন করিমও নব্য জেএমবির একজন অর্থদাতা। গত বছরের ২০ নভেম্বর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন তিনি। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় পুলিশ কলাবাগান থানা এলাকার বিভিন্ন মেস ও আবাসিক হোটেলে ‘ব্লক রেইড’ অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পান্থপথের হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালে সাইফুল ইসলাম নামের একজন আত্মঘাতী হন।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন নব্য জেএমবির নারী শাখা ‘ব্যাট উইমেন’-এর প্রধান হোমায়রা ওরফে নাবিলা। একই অভিযোগে গ্রেপ্তার তাঁর স্বামী তানভির ইয়াসিন করিম এ ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ ঘটনার সঙ্গে নাবিলার জড়িত থাকার ব্যাপারে পুলিশ আদালতকে জানায়, নাবিলার সঙ্গে নব্য জেএমবির সমর্থক অর্থদাতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় নাবিলা অনেক তথ্য লুকিয়েছেন। পুলিশ বলছে, নাবিলা মূলত নব্য জেএমবির শীর্ষনেতা আকরাম হোসেন খান নিলয়ের মাধ্যমে জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েন। নিয়মিত জঙ্গিদের টেলিগ্রাম অ্যাপসের মাধ্যমে নাবিলা জঙ্গি আকরামের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। অ্যাপসে তাঁর আইডি হলো ব্যাট উইমেন। নাবিলা অ্যাপসের মাধ্যমে নব্য জেএমবির নারীদের বিভিন্ন নির্দেশনা দিতেন।

বরাবরই পুলিশ নাবিলাকে জামিন না দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেছেন। পুলিশ আদালতকে বলেছে, নাবিরা সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, সৌদি আরব, লন্ডন, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেছেন। নাবিলা জামিন পেলে বিদেশে পালিয়ে আত্মগোপন করতে পারেন বলে আদালতের কাছে আশঙ্কা প্রকাশ করে পুলিশ। জামিনে মুক্ত জঙ্গি নাবিলা ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ও মালয়েশিয়ায় পড়ালেখা করেছেন। হোমায়রার বাবার রাজধানীর হাতিরপুলে একটি বিলাসবহুল শপিং মল রয়েছে।

গত ২২ মার্চ বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার হন নব্য জেএমবির মূল সমন্বয়ক ও অর্থদাতা আকরাম হোসেন খান নিলয়। ১৫ আগস্ট কলাবাগানে জাতীয় শোক দিবসের র‍্যালিতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তিনি। পুলিশ এ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে। আবার এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে আকরামের বাবা আবু তুরাব খান, মা সাদিয়া হোসেন লাকী ও বোন তাজরীন খানকে। আকরামের মাধ্যমেই তাঁরা নব্য জেএমবিতে জড়িয়ে পড়েন বলে পুলিশ আদালতকে জানিয়েছে।

গত বছর মার্চে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনের গোলচত্বর এলাকায় পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন এই নিলয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest