সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

দ্বিগুণ বেতনে মদ্রিচকে রেখে দিল রিয়াল

খেলার খবর: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জুভেন্তাস যাত্রার আগে থেকেই লুকা মদ্রিচের রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। ইন্টার মিলান তাকে বেশি পারিশ্রমিক দিয়ে দলে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত মদ্রিচকে ধরে রাখতে পারিশ্রমিক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিয়াল। এদিকে মদ্রিচও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে রিয়ালে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।

রোনালদোর পর রাশিয়া বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলারকে হারানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদে। তবে রিয়াল ছাড়ছেন না লুকা মদ্রিচ। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পারিশ্রমিক বাড়ানোর পর রিয়ালে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই ক্রোয়েট মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই মদ্রিচকে নিতে পিছনে পড়েছিল ইন্টার মিলান।

এদিকে রিয়ালের সঙ্গে ২০২০ সাল পর্যন্ত চুক্তি মদ্রিচের। মদ্রিচকে ইন্টার মিলান ছিনিয়ে নিতে পারে এই খবর পেয়েই মদ্রিচের ‘রিলিজ ক্লজ’ ৭৫০ মিলিয়ন ইউরো ঘোষণা করে রিয়াল বুঝিয়ে দিয়েছিল, মদ্রিচ বিক্রির জন্য নয়। কিন্তু মদ্রিচ নিজে চলে যেতে চাইলে তাকে তো আটকানো যাবে না। ৩২ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার শুধু বেতনের জন্য মাদ্রিদ ছাড়তে চাইছেন বলে মনে করেছিল রিয়াল। মদ্রিচের ক্যারিয়ারে বড় চুক্তির এটাই শেষ সুযোগ। সময় আর ফর্মও তার পক্ষে। এখন যদি বাড়িয়ে নিতে না পারেন, তাহলে আর সম্ভব নয়।

রিয়াল ঠিক এই ব্যাপারটা বুঝতে পেরেই মদ্রিচের পারিশ্রমিক বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবং তাতে কাজও হয়েছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস জানিয়েছে, ঘনিষ্ঠমহলে এই ক্রোয়েট তারকা বলেছেন, তিনি রিয়ালে থাকছেন।

শুক্রবার রিয়ালের হয়ে অনুশীলনের ছবি টুইট করে মদ্রিচের ক্যাপশন, ‘ব্যাক টু ওয়ার্ক’। মোটামুটি এরপরই রিয়াল সমর্থকরা ধরে নেন, সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ছাড়ছেন না মদ্রিচ। সংবাদমাধ্যম এএস জানিয়েছে, লুকা মদ্রিচ পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর রিয়ালে থাকার সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্ত জানিয়েছে, রিয়ালের বেতন কাঠামোয় এত দিন তৃতীয় গ্রেডে পারিশ্রমিক পেতেন মদ্রিচ। তার পারিশ্রমিক ছিল বছরে সাড়ে ৬ মিলিয়ন ইউরো। ইন্টার তাকে বছরে ১০ মিলিয়ন ইউরো বেতন দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। কিন্তু মদ্রিচকে ধরে রাখতে বছরে ১১ মিলিয়ন ইউরো পারিশ্রমিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিয়াল।

রিয়াল অধিনায়ক সের্জিও রামোসও একই অঙ্কের পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন। মার্কা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, অধিনায়ক সার্জিও রামোসের সমান বেতন পাবেন তিনি (মদ্রিচ)। দুই পক্ষ শীঘ্রই নতুন চুক্তিপত্রে সই করবে বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশি বিতর্কে দিল্লির বিধানসভায় তুমুল হট্টগোল

বিদেশের খবর: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিধানসভায় তুমুল হট্টগোল হয়েছে। বিজেপি বিধায়করা দিল্লিতে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) কার্যকর করার দাবি করায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।
শুক্রবার দিল্লি বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি বিধায়ক বিজেন্দ্র গুপ্তা অনুপ্রবেশ ইস্যু উত্থাপন করলে সরকারপক্ষে আম আদমি পার্টি’র (আপ) বিধায়করা তার বিরোধিতা করেন।
এসময় বিজেপি বিধায়ক বিজেন্দ্র গুপ্তা ও ওমপ্রকাশ শর্মার সঙ্গে সরকারপক্ষের বিধায়করা ধাক্কাধাক্কি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা বিজেন্দ্র গুপ্তা আপ সরকারের কাছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বহিষ্কারের জন্য বিধানসভায় বিল আনার দাবি জানান।
বিজেপি বিধায়কের ওই মন্তব্যের পরেই আপ বিধায়ক আমানতউল্লাহ খানসহ অন্যরা তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এসময় অন্য বিধায়করাও স্পিকারের আসনের সামনে জড়ো হয়ে তুমুল গোলযোগ সৃষ্টি করেন।
পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, আপ বিধায়কদের একাংশ বিজেপি বিধায়ক বিজেন্দ্র গুপ্তা ও ওমপ্রকাশ শর্মার সঙ্গে কার্যত হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। ওই ঘটনায় বিধানসভার স্পিকার আধঘণ্টার জন্য অধিবেশন মুলতুবি করে দিতে বাধ্য হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গুড়ের ক্ষতিকর দিক

স্বাস্থ্য কণিকা: গুণগত মান, দৈহিক অবস্থাসহ অন্যান্য অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে গুড় আসলে কতটা ক্ষতিকর হতে পারে।
বাড়াতে পারে ওজন: প্র্রতি ১০০ গ্রাম গুড়ে আছে ৩৮৫ ক্যালরি, তাই যারা ওজন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় আছেন গুড় তাদের জন্য নয়। সামান্য পরিমাণে খাওয়া হয়ত সমস্যা হবে না। তবে অতিরিক্ত খেলে তা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও বেশি, যা বেশি ওজনধারীদের জন্য অসুবিধার কারণ হতে পারে। তাই গুড়ে যতই পুষ্টিগুণ থাক না কেনো বাড়তি ওজনধারীদের বিকল্প পথ খুঁজতে হবে।
রক্তে বাড়াতে পারে শর্করা: চিনির তুলনায় স্বাস্থ্যকর হলেও গুড় যেহেতু মিষ্টি, তাই এটি অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াবেই। প্রতি ১০ গ্রাম গুড়ে থাকে ৯.৭ গ্রাম চিনি।
জীবাণু সংকমণ: গুড় তৈরির পদ্ধতিতে ভুল হলে কিংবা স্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা না হলে সেই গুড় থেকে অন্ত্রে বিভিন্ন জীবাণু সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। গুড় সাধারণত তৈরি হয় গ্রামে যেখানে সিংগভাগ সময়েই স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বজায় রাখা হয় না। তবে এই জীবাণু সংক্রমণ থেকে স্বাস্থ্যহানি কিংবা শারীরিক জটিলতা হতেও পারে, আবার নাও পারে।
হজমের সমস্যা: সদ্য তৈরি গুড় খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। আবার এই সদ্য তৈরি গুড় খেয়ে কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত হওয়ার উদাহরণও রয়েছে।
নাক থেকে রক্তক্ষরণ: প্রচণ্ড গরমের দিনে গুড় খেলে নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে। তাই গ্রীষ্মকালে গুড় না খাওয়াই নিরাপদ।
রোগের তীব্রতা বাড়াতে পারে: গুড় প্রক্রিয়াজাত নয় এবং এতে প্রচুর পরিমাণে সুক্রোজ থাকে। তাই যাদের বাত বা প্রদাহভিত্তিক রোগ আছে তাদের গুড় বাদ দেওয়া কিংবা একেবারে সামান্য পরিমাণে খাওয়া উচিত। কারণ গবেষণায় দেখা দেছে, সুক্রোজ ‘ওমেগা থ্রি’ ফ্যাটি অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে প্রদাহের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
মাছ আর গুড়: আয়ূর্বেদিক চিকিৎসা শাস্ত্র মতে, গুড় আর মাছ কোনো অবস্থাতেই একসঙ্গে খাওয়া চলবে না। আবার যার ‘আলসারেটিভ কোলাইটিস’ অর্থাৎ পরিপাকতন্ত্রে আলসারের সমস্যা আছে তার জন্য গুড় খাওয়া একদমই মানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও সিলেটের মেয়র আরিফুল হক

দেশের খবর: সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে আবারও মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আরিফুল হক চৌধুরী। আওয়ামী লীগ প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে ৬ হাজার ২০১ ভোটে হারিয়ে বেসরকারিভাবে সিলেটের নগর পিতা নির্বাচিত হলেন তিনি।
শনিবার (১১ আগস্ট) স্থগিত হওয়া দুটি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আলীমুজ্জামান আরিফুল হককে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
এদিন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাজী বোরহান উদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হবিনন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে শনিবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়। গাজী বুরহান উদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ২২২১ জন। এর মধ্যে আজ ভোট পড়েছে ১৩১২টি। তার মধ্যে ধানের শীষে আরিফুল হক পেয়েছেন ১০৪৯ ভোট, নৌকায় কামরান পেয়েছেন ১৭৩ ভোট।
অন্যদিকে হবিনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষে আরিফুল হক পেয়েছেন ১০৫৩ ভোট, নৌকায় কামরান পেয়েছেন ৩৫৪ ভোট।
শনেবারের ফলাফল এবং আগের ফলাপল মিলিয়ে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ৯২ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান পান ৮৬ হাজার ৩৯৭ ভোট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আগামীকাল

দেশের খবর: ঈদুল আজহা কবে হবে- তা জানাতে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল রবিবার। ১৪৩৯ হিজরি সনের ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ ও জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ শনিবার এ কথা জানিয়ে বলা হয়, সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান সভাপতিত্ব করবেন।
বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭ টেলিফোন নম্বরে এবং ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে অথবা অন্য কোনো উপায়ে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভাবিকে পেটালেন ৪ দেবর, বসে দেখলেন চেয়ারম্যান

ভিন্ন স্বাদের খবর: কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে চার সন্তানের এক জননীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করেছে চার দেবর।

গৃহবধূকে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। চার দেবরের হাতে ভাবি নির্যাতনের দৃশ্যটি সালিশদারসহ সবাই দেখলেও কেউ কোনো প্রতিবাদ করেনি। দেবরদের যোগসাজশে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে গৃহবধূকে লাঠি দিয়ে এমন নির্যাতন করা হয়।

গত ১ আগস্ট দাউদকান্দি উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের বেকিসাত পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার ওই নারী গ্রামের সামছু বেপারীর ছেলে প্রবাসী কবির হোসেনের স্ত্রী।

এ ঘটনায় ওই নারীর বোন বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্যাতিত গৃহবধূ চার সন্তানের জননী। তার এক ছেলে কোরআনে হাফেজ, আরেক ছেলে মাদরাসায় পড়ে, অন্য দুইজনের একজন কেজির ছাত্র এবং ছোট ছেলের বয়স চার বছর।

গত ৩১ জুলাই রাত ১০টার দিকে পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে পাশের বারপাড়া গ্রামের আলম নামের এক ব্যক্তিকে ডেকে জোর করে গৃহবধূর ঘরে আটকে রাখে দেবররা।

পরে আটক দুইজনের ওপর রাতভর দফায় দফায় নির্যাতন চালায় দেবর সাইফুল, বাবুল, মিন্টু, মোস্তাক ও আরেক ভাই খোকনের স্ত্রী। পরদিন সকালে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনির হোসেন তালুকদারের উপস্থিতিতে সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশ বৈঠক চলাকালে প্রতিবেশী মিন্টু মাতব্বরদের নির্দেশে লাঠি দিয়ে ওই নারীর ওপর নির্যাতন চালানো হয়। সেইসঙ্গে আলমকেও বেধড়ক পেটানো হয়।

নির্যাতনের ঘটনায় ৩ আগস্ট ওই গৃহবধূর বোন বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় মামলা করেন। পাশাপাশি গৃহবধূকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ভাইরাল হয়ে যায়।

এ মামলায় অভিযুক্ত দেবর সাইফুল ও বাবুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলার অন্য আসামিরা হলো- মিন্টু, মোস্তাক ও নির্যাতনের শিকার ওই নারীর দেবর খোকনের স্ত্রী শিল্পী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৈঠকে উপস্থিত বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির হোসেন তালুকদার বলেন, বিষয়টা তাদের পারিবারিক ষড়যন্ত্রের অংশ। কবিরের চার ভাই ও এক ভাবি মিলে এ কাণ্ড ঘটিয়েছে। ওই দিন সকালে বৈঠক শুরুর পর হঠাৎ করেই কবিরের এক ভাই এসে তার ভাবিকে মারধরের নির্দেশ দেয়। পরে আমার ইউনিয়নের তিনজন সদস্য ও আশপাশের লোকজন মিলে আহত দুইজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আলমগীর হোসেন বলেন, খুবই অমানবিক একটি ঘটনা। দেবরদের হাতে এমন নির্যাতন কল্পনাও করা যায় না। এ মামলায় প্রধান আসামি সাইফুল ও বাবুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেসবুক টুইটার ইউটিউবের ‘কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ সরকারের

দেশের খবর: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গুজব, অপপ্রচার, বিকৃত ছবি ও ভিডিও প্রচার রোধে কনটেন্ট বা ইনফরমেশন ফিল্টারিংয়ের (পোস্ট, স্ট্যাটাস সরিয়ে বা মুছে ফেলা) উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই উদ্যোগের বাস্তবায়ন হলে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে কোনও বাজে পোস্ট দিলে বা গুজব ছড়ানোর মতো কোনও তথ্য প্রকাশ করলে তা মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকা সংস্থা দ্রুত সরিয়ে দিতে বা মুছে ফেলতে পারবে। এমনকি ব্লকও করতে পারবে। একইসঙ্গে যারা এগুলো করবেন তাদেরও দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানা গেছে।

সরকার মনে করছে এর মাধ্যমে অন্তত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিব্রত হতে হবে না। চাইলেও কেউ সহজে গুজব ছড়াতে পারবে না। ‘সাইবার সিকিউরিটি ও মনিটরিং’ নামের এই প্রকল্পের জন্য এরই মধ্যে যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যার কেনা হয়েছে। হার্ডওয়্যার সেটআপ করতে দুই থেকে আড়াই মাস এবং সফটওয়্যার ইন্সটল করতে মাস খানেকের মতো লাগতে পারে। আগামী ৩-৪ মাসের মধ্যে তা চালু করা যাবে বলে জানা গেছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগই বাস্তবায়ন করছে প্রকল্পটি। সরকার আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই তা চালুর ব্যাপারে শতভাগ সচেষ্ট বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘এটা ২০১৩ সালের একটি প্রকল্প। বাস্তবায়নের অপেক্ষায় ছিল। দীর্ঘদিন পরে এই প্রকল্পের কাজে গতি এসেছে। ৩-৪ মাসের মধ্যে এটা চালু করা সম্ভব হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ফেসবুকসহ অন্য কোনও মাধ্যমে গুজব বা অপপ্রচার যেন না ছড়ায়। সেজন্য কনটেন্ট ফিল্টারিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো গুজব ও অপপ্রচার যেন দেশের মধ্যে কোথাও দেখা না যায়।’
মন্ত্রী জানান, দেশের ভেতরে ফেসবুকে কনটেন্ট ফিল্টারিংয়ের কোনও ব্যবস্থা নেই। ফেসবুক যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলে। কোনও কনটেন্ট বাদ দেওয়া বা অন্য বিষয়ে ফেসবুককে শুধু অনুরোধ করা যায়। ফেসবুক তার স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী নিজেদের কাজগুলো করে থাকে। মন্ত্রী বলেন, ‘ফেসবুক স্ট্যান্ডার্ড বলতে আমেরিকার স্ট্যান্ডার্ড মনে করে। আমরা ফেসবুককে বুঝিয়েছি তোমাদের স্ট্যান্ডার্ড আর আমাদেরটা এক নয়। তোমাদের দেশে যেটা গ্রহণযোগ্য সেটা আমাদের দেশে নাও হতে পারে। ফলে আমাদের দেশের স্ট্যান্ডার্ড আমাদের চাওয়ার সঙ্গে মিললেই হবে।’ তিনি জানান, ফেসবুকের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ফেসবুক এখন বাংলাদেশের অধিকাংশ কথা শোনে, সাড়াও দেয় দ্রুত। ফলে ফেসবুক থেকেও সব ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।

ফেসবুককে সক্রিয় করার উদ্যোগও নিয়েছে সরকার। ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়ানো গুজব, অপপ্রচার কী পরিমাণ ক্ষতিকর, কী ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে তা দেশে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনা উল্লেখ করে এরই মধ্যে ফেসবুককে জানানো হয়েছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ফেসবুকের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে ফেসবুকসহ অন্যান্য মাধ্যমগুলোতে যে কনটেন্ট ফিল্টারিং হবে সে তথ্যও ওই কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চাওয়া বিষয়গুলোর প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছেন ফেসবুকের ওই কর্মকর্তা।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বৈঠকে আমরা আমাদের চাওয়া তুলে ধরেছি। ফেসবুক ইতিবাচকভাবে বিষয়টি দেখবে বলে জানিয়েছে।’ এটা মত প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনও বাধা হবে না বলে দাবি করেন তিনি।
জানা যায়, মন্ত্রী গত ফেব্রুয়ারি মাসে স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন। সম্প্রতি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশে এসে মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করে। সেই বৈঠকের সুফল সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে ফেসবুকের কাছে কোনও তথ্য চাইলে তা অনেক সময় লাগাতো। অনেক সময় তথ্য দিতোও না। এখন আমরা তথ্য চাইলে সঙ্গে সঙ্গে তা দিচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুকের সঙ্গে ন্যূনতম কমিউনিকেশনটা আছে আমাদের।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফেসবুক, ভিডিও শেয়ারিং পোর্টাল ইউটিউব, মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারসহ বিভিন্ন ধরনের ব্লগ ও ওয়েবসাইটও মনিটরিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বচ্ছ মনে আলোচনায় আসুন, আ. লীগকে রিজভী

রাজনীতির খবর: নির্বাচনী এজেন্ডা নিয়ে স্বচ্ছ মনে আলোচনায় বসতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘বিএনপির সুনির্দিষ্ট দাবি আছে, সেই দাবিগুলোকে তো বিবেচনায় নিতে হবে। আর শূন্য হাতে শূন্য টেবিলে তো আলোচনা হয় না। স্বচ্ছ মন নিয়ে আলোচনার জন্য আসুন, আমার মনে হয়, একটা অবাধ, সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে।’

‘এবং নিশ্চয়ই জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক, তিনি (খালেদা জিয়া) নির্দোষ, তাঁকে আটকে রেখে আপনারা জোর করে কোনোকিছু করতে যাবেন, নির্বাচন করতে যাবেন, সেটি হবে না’, যোগ করেন রিজভী।

আজ শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের এসব কথা বলেন বিএনপির এই নেতা। তিনি আরো বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে বিএনপি সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

এ সময় নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনের বিষয়ে শহিদুল আলমের দেওয়া বক্তব্যকে জনগণের ভাষা উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘পুলিশ হেফাজতে শহিদুল আলমের শারীরিক নির্যাতনের পক্ষে কথা বলে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা উচ্চ আদালতের দেওয়া রায় ও সংবিধানকে অবমাননা করেছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest