সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in Belgiëসাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধনদেবহাটার বিস্তীর্ণ মাঠে এখন সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহ

কলারোয়ায় ভেলকিবাজি; জ্বলে না-জ্বলে না, রাস্তার সোলার বাতি জ্বলে না রে!

নিজস্ব প্রতিনিধি : জ্বলে না, জ্বলে না, জ্বলে না রে, রাস্তার সোলার বাতি জ্বলে না রে…। গানের সুরে অনেকেই এমন কথা বলছেন। কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রদত্ত সোলারের সড়ক বাতি এতটাই নিন্মমানের যে সেগুলো স্থাপনের কিছুদিনের মধ্যে বেশিরভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে বর্তমান সরকারের একটি মহতি উদ্যোগ ও জনসেবা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে কতিপয় অর্থলোভি ব্যক্তিদের ব্যক্তিস্বার্থের কারণে।
অনেকে অভিযোগের সুরে জানিয়েছেন- কলারোয়ায় ‘স্যোলার সড়ক বাতি’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার প্রায় সব ক’টি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে কমপক্ষে ৩টি করে সোলার বাতি দেয়া হয়েছে জনগণের সুবিধার্থে। রাতের অন্ধকারে আলো জ্বালাতে আর সর্বসাধারণের জনকল্যাণে বর্তমান সরকার এ ব্যবস্থাটি করেন। কিন্তু বিধিবাম, সেগুলো স্থাপনের কিছু দিনের মধ্যেই বেশির ভাগ সড়কের সোলার বাতি গুলোতে আর জ্বলে না। কিছু বাতি ধিকধিক করে জ্বলে আর নিভে যায়। ফলে রাতের আধারটি আরো বিরক্তিকর করে তুলেছে স্থানীয়দের।
অথচ বর্তমান সরকারের জনকল্যানমূলক মহতি এ কাজটি সুনাম বয়ে না এনে বরং দুর্নাম হচ্ছে কতিপয় স্বার্থনেষি ব্যক্তিদের কারণে। অথচ যেনো দেখার কেউ নেই।
এটা নতুন নয়, এর আগেও পাঠকপ্রিয় ‘কলারোয়া নিউজে’ স্ট্রিটলাইটের ভেলকিবাজী নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো।
জানা গেছে- এ প্রকল্পে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে উপজেলায় ১কোটি ৮৬লক্ষ ১৭হাজার ২শ ৪০টাকার বাজেট হয়, যা ২/১ মাসের মধ্যেই অচাল হয়ে পড়ে। এই প্রকল্পটির কাজ করেন ম্যাক্স কোম্পানী নামে একটি প্রতিষ্ঠান। নিন্মমানের ব্যাটারী ও স্যোলার সিস্টেমে নিন্মমানের পন্যসামগ্রি দেয়ায় সড়ক বাতি অচল হয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভাতেও জানান। তবে তাতেও কোন কাজ হয়নি।
অথচ এবারও একই প্রকল্প ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে এনজিও সংস্থা ব্রীজ বাংলাদেশ নামে নতুন করে ১ কোটি ৯৬ লক্ষ ৪৩ হাজার ৩শ ৫৭ টাকার সড়ক বাতি প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে। তারা ইতোমধ্যে কার্যাদেশের মাধ্যমে ৫০% চুক্তি করে অগ্রীম বিল তুলতে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন জনপ্রতিনিধি ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।
সাধারণ মানুষেরা বলছেন- ‘এ কেমন প্রকল্প, যা কাজ না করে অগ্রীম বিল উঠানো যায়? যা সরকারের ভাব মুর্তি নষ্ট ছাড়া কিছুই নয়।’
বিষয়টি সমাধান করার দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগিরা।
এদিকে, রবিবার ১০জুন সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আয়োজিত মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বলেছেন- ‘আমি আজ এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কলারোয়াকে – আমার একই অভিযোগের বিষয় জানিয়েছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় যুবলীগের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০জুন, ২৪ রমযান রবিবার বিকেলে কলারোয়া সরকারী পাইলট হাইস্কুল অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান।
উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুজ্জামান সাহাজাদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সম মোরশেদ আলী ও অধ্যাপক আমজাদ হোসেন, পৌর আ.লীগের সভাপতি আজিজুর রহমান, লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি অধ্যাপক এমএ কালাম, কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ভূট্টোলাল গাইন, সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন, দেয়াড়া ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুল মান্নান, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি রুবেল মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সম্রাট, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাঈদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাকিল খান জর্জ, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন রাসেল প্রমুখ।
এসময় বিভিন্ন ইউনিয়নের যুবলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎ অফিসের ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী (আর ই) হাবিবুর, সহকারি প্রকৌশলী মিজানুর রহমান ও আলালের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন বিদ্যুৎ বিল না পাঠিয়ে ইচ্ছামত সংযোগ বিচ্ছিন্ন, মিটার সিল না করেও একটি পত্রে কৌশলে স্বাক্ষর নেয়াসহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ভূক্তভোগি শহরের কাটিয়া এলাকার গোলাম কুদ্দুস এর স্ত্রী সেলিনা কুদ্দুস।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালিন আর ই এর মাধ্যমে তার স্বামীর নামে বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়া হয়। সংযোগ নেয়ার দীর্ঘ ১০ মাস পর ২০১৩ সালে প্রথম বার একসাথে ৮০০ ইউনিটের বিল দেয়া হয়। বিলটি নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে আর ই সাহেব সেটি ফেরত নিয়ে ৪০০ ইউনিটের বিল করে দেন। পর পর দেয়া ৪০০ ইউনিটের ২টি বিলের একটিতে ১৮১৮ টাকা এবং অপরটিতে ২০২৬ টাকা দেন। এভাবে আমার বিদ্যুৎ বিল গরমিল হতে থাকলে ২০১৭ সালের ১৬ আগষ্ট একটি আবেদন করলে ২৬ সেপ্টেম্বর আব্দুল্লাহ ফারুকের নেতৃত্বে ৬/৭ জন তদন্তে আসেন। এর পর অতিরিক্ত বিল আদায়ের বিষয়ে তৎকালিন আর ই খালিদুর রহমানের কাছে গেলে তিনি কত টাকা পাবেন জানিয়ে একটি আবেদন করতে বলেন। সে অনুযায়ী গত ১ জানুয়ারী আবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমান আর,ই হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে ৬/৭ জন গত ৭ এপ্রিল আমার বাড়িতে যান। এসময় কোন সমস্যা নেই জানিয়ে শফি সাহেবকে সিল করতে বলে আমাকে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে বললে আমি সরল বিশ্বাসে ওই কাগজে স্বাক্ষর করি। এরপর আমার মিটার ১১% স্লোা উল্লেখ করে মিটার বদলানোর জন্য গত ২২ মে আমাকে একটি চিঠি দেন আর,ই। তখন বাড়িতে থাকা কাগজটি বের করে দেখি তারা আমাকে মিথ্যে বলে ওই কাগজে সহি করে নিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাকে কিছু না জানিয়ে গত ৩ জুন আমার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। ৪ জুন মিটার সিল করার জন্য পাওয়ার হাউজে একটি আবেদন জমা দিতে গেলে সহকারি আলাল আমার আবেদনটি গ্রহণে বাধা দেন। এসময় আর ই হাবিবুর রহমানে কাছে গেলে তিনি বলেন আপনার আবদেন নেয়া হবে না। লাইন কাটা হয়েছে। আগে টাকা পরিশোধ করেন। বিল না দিলে টাকা কিভাবে দিব জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিল দেয়া হবে এখন চলে যান। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কথামত ফের ৫ জুন অফিসে গেলে আর ই হাবিবুর রহমান আমার সাথে অশোভন আচারন করে তার নামে মামলা করতে বলেন।
তিনি বলেন, সাতক্ষীরা ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অকারনে আমাকে হয়রানি করছে। বিনা নোটিশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় রোজার সময়ে প্রচন্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। তিনি দ্রুত তার বাড়িতে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান এবং বিদ্যুৎ অফিসের ভোগান্তি হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যাতে আইনি সহায়তা পেতে পারেন তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ বিদ্যুৎ বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নবগঠিত কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের কলারোয়া উপজেলা শাখার নব গঠিত কমিটির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ এবং অনলাইন নিউজে মাদক সেবনকারী অভিযোগ সত্যতা যাচাই করার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান যৌথ স্বাক্ষরিত এক পত্রে তিন সদস্য বিশিষ্ট এক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির সদস্যরা হলো- আসিফ শাহাবাজ খান, শাহিম আলম সাদ্দাম ও ফজলে রাব্বি শাওন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ভাসুরের বিরুদ্ধে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বড় ভাই কর্তৃক ছোট ভাইয়ের চলাচলের রাস্তা আটকে ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন উত্তরকাটিয়া এলাকার গৌতম কুমার চন্দ্রের স্ত্রী কৃষ্ণারাণী।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার বড় ভাসুর সন্তোষ কুমার একই দলিল মুলে জমি ক্রয় করে বাড়ী ঘর তৈরি করে বসবাস করি। বিগত প্রায় ৫ বছর পূর্বে তার বসবাসের জায়গা বিক্রয় করে অন্যত্র চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় তিনি বলেন ১০লক্ষ টাকা দাও, বাকী টাকা হিসাব অনুযায়ী রেজিস্ট্রি করার সময় দিলে হবে। আমার স্বামী তার বড় ভাই এর কথা বিশ্বাস করে ১০ লক্ষ টাকা গত ইং ২৯/১২/১৩ সালে প্রদান করে। টাকা গ্রহণের ৬ মাস পরে জমি রেজিষ্ট্রি করে দিবে মর্মে কথা থাকলেও জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে তালবাহানা শুরু করে এবং উল্টো আমাদের চলাচলের রাস্তাটুকু আটকে দিয়েছে এবং আমার স্বামীর নামে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আদালত এই মামলাগুলো তদন্ত পূর্বক মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় খারিজ করে দেন। শুধু তাই না তারপুত্র একজন মাদক সেবনকারী এবং চরিত্রহীন ইতোপূর্বে বাগআচড়ায় তাকে নারী ঘটিত বিষয়ে সেখানকার লোকজন তাকে মারধর করে বেধে রাখে। এধরনের ‘কুকৃতি প্রায়ই ঘটিয়ে থাকে। সে সব সময় নেশা গ্রস্থ হয়ে থাকে। প্রায়ই সময় আমার ভাসুরের পুত্র আমাকে অশুভ ও অশালিন কথাবার্তা বলতে থাকে। আমি লোকজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারি না।
তিনি আরো বলেন, আমাদের পূর্বে বাড়ী ছিলো যশোর জেলার সোনকুড় গ্রামে। আমার স্বামী ১৯৮২ সালে এখানে চলে আসে। ১৯৮৫ সালের পর থেকে আমার ভাসুর ঐখানে থেকে গ্রামবাসীর সাথে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা অবস্থায় এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ১৯৮৮ সালে আমার স্বামী কাছে এসে আশ্রয় নেয়। এখনে আমাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। গত ১/৬/১৮ তারিখে আমার স্বামী বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার সময় আমার ভাসুর সন্তোষ ও তার ছেলে দিপংকর আমার স্বামীকে মারপিট করে এবং তাকে খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে বলে, তুই বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোর কপালে কি আছে তখনি বুঝিয়ে দেবো। এছাড়া আমাকেও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। আমরা বর্তমানে তাদের ভয়ে চরম নিরাপত্তহীনতায় দিনাতিপাত করছি। এবিষয়ে তিনি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শহরের ইটাগাছা রাধানগরস্থ ন্যাশনাল হাসপাতালে শনিবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লাশ জিম্মি করে তাদের পাওনা টাকা আদায় করে জোর করে মৃত লাশটি এ্যাম্বুলেন্স যোগে খুলনায় স্থানান্তর করেন বলে নিহতের স্বজনরা জানান।
নিহতের নাম জাকিয়া সুলতানা রাখি (১৯)। সে শহরের সুলতানপুরের আরিফ হোসেনের স্ত্রী। এদিকে, এ ঘটনা জানাজানির একপর্যায়ে স্থানীয়রা বিক্ষোভ করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতের খালাতো ভাই কামরুজ্জামান জানান, চিকিৎসকের পরিবর্তে ন্যাশনাল হাসপাতালের অদক্ষ নার্স দিয়ে মাত্রাতিরিক্ত অ্যানাসথেশিয়া প্রয়োগ করায় রাখির আর জ্ঞান ফেরেনি।
তিনি জানান, শনিবার ইফতারের পরে রাখির প্রসব বেদনা উঠলে তার স্বামীসহ স্বজনরা দ্রুত সাতক্ষীরার রাধানগরস্থ ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ সময় সেখানে কতব্যরত চিকিৎসক আবু বকর রোগীকে দ্রুত সিজার করার পরামর্শ দেন। রোগীর স্বজনদের আপত্তি না থাকায় রুগীকে ওটিতে নিয়ে যান। রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে অ্যানাসথেশিয়া চিকিৎসকের পরিবর্তে নার্সদের দিয়ে ইনজেকশান পুশ করে তাকে অজ্ঞান করা হয়।
তিনি আরো জানান, অপারেশন শুরু করা আগেই প্রেসার লো হয়ে রাখির মৃত্যু হয়। অপারেশন টেবিলে তার মৃত্যু নিশ্চিত হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই রুগীকে দ্রুত খুলনা আড়াই’শ শয্যা হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তবে তার আগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের পাওনা টকা আদায় করে নেন। খুলনায় নেওয়া হলে সেখানে জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা জানান প্রায় আড়াই ঘন্টা আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রাখির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় হাসপাতাল ঘেরাও করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এঘটনায় পুলিশ চিকিৎসক আবু বকর সহকয়েক জনকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যান বলে তিনি জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি এক রুগী জানান, ক্লিনিকে কোন ডাক্তার থাকে না। অল্প কয়েকজন ডাক্তার এখানে এসে রুগী দেখেন। তবে তারা ফোন করার ১/২ ঘন্টা পরে আসেন। তবে, হাসপাতালের সামনে ডাক্তারদের সাইন বোডের বাহার ঠিকই রয়েছে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আবু বকর এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায় নি। তার ব্যবহৃত ফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে, ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, রাখির কোন অপারেশন করা হয়নি। হাসপাতালে নেওয়ার পরে প্রেশার লো হয়ে সে মারা যায়।

1 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৯ মাদক ব্যবসায়ীসহ আটক ৫৪

আব্দুল জলিল: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৯ জন মাদক ব্যবসায়ীসহ ৫৪ জনকে আটক হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে আজ রোববার সকাল পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।
আটককৃতদের মধ্যে-সাতক্ষীরা থানা থেকে ৮ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৬ জন, তালা থানা ১০ জন, কালিগঞ্জ থানা ৮ জন,শ্যামনগর থানা ৭ জন, আশাশুনি থানা ৫ জন, দেবহাটা থানা ৪ জন, পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে গাজা রাখার দায়ে এক যুবককে তিনমাস ও দু’নারীকে একমাস করে কারাদ- দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার জানান, শনিবার বিকেলে শহরের পশ্চিমে মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ির পাশের বস্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪শ’ গ্রাম গাজাসহ নাজমা, জাহানরা ও মেহেদি হাসানকে আটক করে পুলিশ। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ আদনান এ সাঁজা দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ফুল ব্যাবসায়ী রিপনের আত্মহত্যা

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় রিপন খান (৪৫) নামে এক ফুল ব্যাবসায়ী গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রোববার গভীর রাতে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোলের একটি ভাড়া বাসায় তিনি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
রিপন খান বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ এলাকার সাঈদ আলী খানের ছেলে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান, রিপন খানের বাড়ি বাগেরহাট জেলায় হলেও সে দীর্ঘদিন যাবত সাতক্ষীরা শহরে ফুলের ব্যাবসা করতো। তার একাধিক বিয়ে রয়েছে। একাধিক বিয়ে করার কারনে স্ত্রীদের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারনে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, তার লাশ উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest