সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতDe Meest Winstgevende Spellen Bij Jaabet Die U Moet ProberenKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgū

বীর মুক্তিযোদ্ধা আহাদ আলী চিকিৎসা অভাবে এখন মৃত্যু পথযাত্রী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম যোদ্ধা দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের মৃত আলী মোহন গাজীর পুত্র মো: আহাদ আলী গাজী আজ সুচিকিৎসা ও অর্থের অভাবে মৃত্যু পথযাত্রী। ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। ভারতের চব্বিশ পরগনা টাকি হেড কোয়াটারে যোগদান শেষে মেজর এম এ জলিল এবং সাব সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের নেতৃত্বে ভাতশালা, কুলিয়া এবং গল্লামারী যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেন। আহাদ আলী একজন পুরাতন আনছার মুজাহিদ। যুদ্ধ শেষে খুলনার ফুলতলা ক্যাম্পে অস্ত্র জমা দেন। তার মুক্তিযোদ্ধার সাময়িক সনদপত্র নং- ম-৮৪৬০৭ এবং গেজেট নং-৮২৭। আহাদ আলীর কোমরের বাম পাশের বাটি ভেঙে গেছে। তিনি অর্থের অভাবে সুচিকিৎসা করতে না পারায় দীর্ঘদিন যাবত নিজ বাড়িতে কস্ট ভোগ করছেন। চিকিৎসারত খুলনা ২৫০ শয্যার ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ বলেন, তাকে ভাল করতে হলে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা করা প্রয়োজন। টাকা আহাদ আলী একজন গরীব, অসহায় মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সরকারের সকল প্রকার চিকিৎসার সুযোগ সুবিধা পেতে চায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি থানার অফিসার্স ইনচার্জকে যুবমহিলালীগ’র ফুলেল শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আশাশুনি যুবমহিলালীগ এর সভাপতি সিমা সিদ্দীকের নেতৃত্বে সদ্য যোগদানকারী নবাগত ওসি বিপ্লব কুমার নাথকে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন আশাশুনি উপজেলা যুবমহিলালীগের নেত্ববৃন্দ।

এসময়ে উপস্হিত ছিলেন বাবু সম্ভুজিত মন্ডল,সাংসদ প্রতিনিধী আশাশুনি উপজেলা,বাবু নীল কন্ঠসোম, উপজেলা মন্দির কমিটির সভাপতি,বাবু সুমন মুখার্জী,শ্রমিকনেতা নেতা রইচ সরদার,এবং আরো উপস্হিত ছিলেন,যুবমহিলালীগের সদস্য,রুবাইয়া এবং মেহেরুন। এসময়ে ভারপ্রাপ্ত ওসি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং আশাশুনিতে মাদকমুক্ত ও জঙ্গীবাদ দূরীকরণে সহযোগিতা কামনা করছেন। এছাড়া তিনি যুবমহিলালীগকে আরো ও শক্তিশালী করার জন্য দৃঢ় আত্ববিশ্বাস প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শার্শায় তুচ্ছ ঘটনায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষ, মহিলাসহ আহত ৩

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল(যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার দাউদখালী গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্রকরে গোষ্ঠীগত দাঙ্গার সৃষ্টি হয়েছে।এতে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ কমপক্ষে ৩ জন আহত হয়েছে। ১জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়েদেয়া হয়েছে।বাকি দুইজন নাভারন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায় শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় দাউদখালী হাসেমের চায়ের দোকানে বিল দেয়ানেয়াকে কেন্দ্রকরে নিকিরী গোষ্ঠির আব্দুর রহিমের ছেলে রনির সাথে চাষা গোষ্ঠির আলতাফ হোসেনের ছেলে সাগরের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।
এর জেরধরে রবিবার(২২জুলাই) সকালে সাগরের নেতৃত্বে ১০-১২ জন যুবক নিকারি গোষ্ঠির ওপর আচমকা হামলা করে, এতে রহমান নিকারির স্ত্রী আয়শা বেগম(৪৫) ছেলে মহিদুল ইসলাম (১৮) ও আব্দুল খালেকের ছেলে মেহেদী হাসান (২৫) আহত হয়। মেহেদীকে নাভারন হাসপাতালে ভর্তিকরা হয়েছে। এ ব্যাপারে শার্শা থানায় ৬ জনকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিংহের লেজ নিয়ে খেলবেন না : ট্রাম্পকে রুহানি

বিদেশের সংবাদ: ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, আমেরিকার জানা উচিত যে, তার দেশের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার অর্থ হচ্ছে সব শান্তির উৎস এবং একইসঙ্গে তার দেশের সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে সব ধরনের যুদ্ধের উৎস।

রবিবার তেহরানে বিদেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট রুহানি আমেরিকার প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি বাণী উচ্চারণ করে বলেছেন, মার্কিনীদের খুব ভালোভাবেই জেনে রাখা উচিত যে ইরানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার অর্থ হচ্ছে সব শান্তির উৎস এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ যাওয়ার অর্থ হচ্ছে সব ধরনের যুদ্ধের উৎস।

রুহানি বলেন, মার্কিনীদের অবশ্য জানতে হবে যে ইরানি জাতি কখনোই কারো কাছে নতি স্বীকার করবে না।

রুহানি আরও বলেন, ট্রাম্প আমরা একটি গৌরবময় জাতি এবং অতীতকাল থেকেই এ অঞ্চলের সমুদ্রপথে আমরা নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিয়ে আসছি। আপনাকে বলছি, সিংহের লেজ নিয়ে খেলবেন না, এর জন্য কিন্তু আপনাকে অনুতপ্ত হতে হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার বিদ্বেষী ও শত্রুতামূলক নীতি বেড়েই চলছে। গত ৮ মে ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৫ সালে ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে সাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকাকে বের করে নেন। এরপর তিনি ইরানের বিরুদ্ধে কেবল নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল নয়, যারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মানবে না এমন তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধেও পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেন। এছাড়া, সম্প্রতি হোয়াইট হাউজ ইরানের তেল বিক্রি শূন্যের কোটায় নিয়ে আসারও হুমকি দেয়।

ইরানের কর্মকর্তারা আমেরিকার এসব পদক্ষেপকে তেহরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ চাপিয়ে দেয়ার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন।

প্রেসিডেন্ট রুহানি আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হুমকি বিপরীত ফল বয়ে আনবে। হুমকি ইরানি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং নিশ্চিতভাবেই আমরা আমেরিকাকে এ ক্ষেত্রে পরাজিত করবো। এক্ষেত্রে আমাদের হয়ত কিছু মূল্য দিতে হবে তবে বিনিময়ে এর সুফল হবে অনেক বড়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোপনে শাকিবের ছবির পরিচালক বদল!

বিনোদন সংবাদ: গোপনে শাকিব খান অভিনীত নোলক ছবির পরিচালক পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ করেছেন ছবিটির পরিচালক রাশেদ রাহা।

আজ রবিবার বিকেল পৌনে চারটায় পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে ও বাংলাদেশ প্রযোজক-পরিবেশক সমিতিতে প্রযোজক সাকিব ইরতেজা চৌধুরী সনেটের বিরুদ্ধে দু’টি ভিন্ন লিখিত অভিযোগ করেছেন রাশেদ রাহা।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ও বাংলাদেশ প্রযোজক-পরিবেশক সমিতিতে দেওয়া অভিযোগে রাশেদ রাহা অভিযোগে লিখেছেন, যথাবিহীত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি রাশেদ রাহা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির একজন সদস্য। আমি ২৩ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে ‘নোলক’ নামে একটি চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে নিবন্ধন করি। দেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশন সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে বর্ণাঢ্য মহরতের মাধ্যমে আমার ওপর ছবিটি পরিচালনার দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়।

তিনি অভিযোগে বলেন, শতভাগ আন্তরিকতার সঙ্গে ইতোমধ্যে ছবির ৮৫ ভাগ শুটিং সম্পন্ন করেছি। গত ১ ডিসেম্বর থেকে টানা ২৮ দিন ছবির শুটিং হয়েছে ভারতের হায়দরাবাদ রামোজি ফিল্ম সিটিতে। অভিনয়শিল্পীরা ছিলেন-শাকিব খান, ববি, ওমর সানি, মৌসুমী, তারিক আনাম খান, নিমা রহমান, রেবেকা, কলকাতার রজতাভ দত্ত, সুপ্রিয় দত্ত, অমিতাভ ভট্টাচার্য।

রাশেদ রাহা অভিযোগে আরও বলেন, ‘ছবির বাকি অংশের শুটিং করার জন্য আমি অনেকদিন থেকেই প্রস্তুত। কিন্তু মাসখানেক আগে এ ছবির প্রযোজক সাকিব ইরতেজা চৌধুরী (সনেট)-এর পক্ষ থেকে বাকি অংশের শুটিংয়ের জন্য পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে পরামর্শ করতে বলা হয়। ছবির নির্মাণকৌশল ও গোপনীয়তা বজায় রাখার স্বার্থে কারও সঙ্গে পরামর্শ করতে আগ্রহী ছিলাম না।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সূত্রে হঠাৎ জানতে পারি, আমাকে ছাড়াই পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীকে দিয়ে নোলক ছবির বাকি অংশের কাজ শেষ করার জন্য প্রযোজক ইতোমধ্যেই একটি দল নিয়ে গতকাল (২১ জুলাই) কলকাতায় পৌঁছেছেন। পুরো ব্যাপারটা ঘটেছে আমার অজ্ঞাতে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রযোজক সাকিব ইরতেজা চৌধুরী সনেট ও ইফতেখার চৌধুরীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

পরিচালক রাশেদ রাহা গণমাধ্যমকে বলেন, এমন একটি ঘটনা আমার অজ্ঞাতে ঘটেছে। আমি পুরো বিষয়টিতে হতবাক হয়ে গেছি। মানসিক ভাবেও আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি কেননা একটি চলচ্চিত্র তাঁর নির্মাতার কাছে সন্তানের মতো।

এ প্রসঙ্গে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন বলেন,আমি অভিযোগপত্র হাতে পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর আমি ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। যেহেতু ইফতেখার ভারতে রয়েছেন তাই ওই টিমের প্রোডাকশন ম্যানেজারকে ফোন করে ইফতেখারকে চেয়েছি। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, একটা ছবির মূল পরিচালক যদি ছবি করতে আগ্রহী না হয়, সেক্ষেত্রে প্রযোজক অন্য পরিচালক দিয়ে ছবি শেষ করতে পারেন। কিন্তু পরিচালকের অনুমতি ছাড়া অন্য পরিচালককে দিয়ে ছবির শেষ করার কোনো নিয়ম নেই। এমন অনিয়মের প্রমাণ পেলে ইফতেখার চৌধুরীর সদস্যপদ বাতিল হয়ে যেতে পারে। আমরা মিটিংয়ে বিষয়টি তুলবো এরপর যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অ্যালার্জি সমস্যা সমাধানের সহজ উপায়

স্বাস্থ্য কণিকা: অ্যালার্জির সমস্যা কম বেশি আমাদের প্রায় অনেকেরই রয়েছে। অ্যালার্জির সমস্যা অনেক কিছু থেকেই হতে পারে। যেমন- ধুলাবালি থেকে হতে পারে ডাস্ট অ্যালার্জি, ঠাণ্ডার সমস্যা থেকে হতে পারে কোল্ড অ্যালার্জি, অ্যালার্জি জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে হতে পারে ফুড অ্যালার্জি। সব ধরনের অ্যালার্জির মধ্যে ফুড অ্যালার্জিটা সবচেয়ে বেশি মানুষের মাঝে দেখা যায়।

মূলত গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, বেগুন, ডিম ইত্যাদি খাবারে অ্যালার্জির প্রাদুর্ভাবটা বেশি থাকে। তাই জেনে নিন কোন খাবারগুলো আপনার অ্যালার্জির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। যেমন-

লেবু : লেবু হলো অন্যতম সাইট্রাস জাতীয় ফল যা অ্যালার্জির ক্ষেত্রে দারুণ কাজ করে থাকে। পানি এবং মধুর সঙ্গে লেবুর রস মেশালে শরীরের জন্য দারুণ এক ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরি হয়ে যায়। নিয়মিত এই পানীয় পান করলে শরীরের টক্সিক পদার্থগুলো বের হয়ে যেতে সাহায্য করবে এবং অ্যালার্জির সমস্যা কমে আসবে।

কলা : কলার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে কম বেশি আমরা সকলেই জানি। তবে খুব দারুণ একটা ব্যাপার হচ্ছে, অ্যালার্জি জাতীয় কোনো খাবার খাওয়ার ফলে শরীরে তার প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে কলা খুবই উপকারী একটি খাদ্য। শরীরে লাল রঙের ছোট র‍্যাশ দেখা দিলে অথবা পেটের সমস্যা দেখা দিলে কলা খুবই উপকারী একটি খাদ্য।

শসা ও গাজরের রস : কোনো খাবার খাওয়ার পরে হুট করেই শরীরে অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিলে শসা এবং গাজরের রস একসঙ্গে মিশিয়ে খেয়ে ফেললে খুব দ্রুত কাজে দেবে। শসা এবং গাজর দুইটি সবজিতেই এন্টি অ্যালার্জিক উপাদান শরীরে অ্যালার্জির সমস্যাকে কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

আদা ও আদা চা : আদা গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল এবং অ্যালার্জির সমস্যার ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজে দেয়। প্রদাহজনক বিরোধী এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট মূলক উপাদান আদাতে থাকায় বমি ভাব, মাথা ঘোরানো, হজমের সমস্যার এমনকি ডায়েরিয়ার ক্ষেত্রেও খুব কাজে দেয় আদা।

গ্রিন টি : গ্রিন টি শুধুমাত্র ওজন কমাতেই নয় অ্যালার্জির সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে থাকে। গ্রিনটিতে থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট, এন্টি-হিস্টাসিন এবং প্রদাহ বিরোধী উপাদানের জন্য অ্যালার্জিক খাবার খাওয়ার ফলে যে সকল সমস্যা দেখা দেয় তা বাঁধা দিয়ে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিভ রিচার্ডসের রেকর্ড ভাঙলেন ফখর

খেলার খবর: ভিভ রিচার্ডসকে টপকে ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুত এক হাজার রানের মালিক এখন পাকিস্তানের ফখর জামান। ওয়ানডে ক্রিকেটে এক হাজার রান করতে মাত্র ১৮ ইনিংস সময় নিয়েছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পঞ্চম ওয়ানডে ম্যাচে ২০ রান করে হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করেন ফখর।

এর আগে সবচেয়ে কম ইনিংসে হাজার রান করার রেকর্ডটি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যান ভিভ রিচার্ডসের দখলে। তিনি ২১ ইনিংস খেলে এই কীর্তি গড়েছিলেন। এ ছাড়া ইংল্যান্ডের কেভিন পিটারসেন, জোনাথন ট্রট ও দক্ষিণ আফ্রিকার ডি’কক ২১ ইনিংসে হাজার রান করেছিলেন।

চলতি সপ্তাহটা দারুণ পার করছেন ফখর জামান। গত পরশু ইতিহাসের পাতায় প্রবেশ করেন পাক এই ব্যাটসম্যান। পাকিস্তানের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি। এর আগে পাকিস্তানের সাইদ আনোয়ারের সর্বোচ্চ ১৯৪ রানের রেকর্ড ছিল। জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে সিরিজের চতুর্থ ওয়ানডে তে ২১০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন জামান। ১৫৬ বলের ইনিংসে ২৪টি বাউন্ডারি এবং পাঁচটি ওভার বাউন্ডারি মারেন তিনি।

ফখর জামান বিশ্বের ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে চলতি সপ্তাহে এই মাইলস্টোন ছুঁয়েছেন। তার আগে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরির নজির রয়েছে শচীন, রোহিত, বীরেন্দ্র সেবাগ, ক্রিস গেইল ও মার্টিন গাপ্টিলের। তবে সর্বাধিক তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি এসেছে ভারতীয় ওপেনার রোহিতের ব্যাট থেকে। শুধু তাই নয়, ওয়ানডে ক্রিকেটে এখন সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর (২৬৪) রোহিতেরই দখলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ঠোলা’ উঠা ভোমরা সড়কে ‘গ্রামবাংলা’র দাম্ভিকতায় নাজেহাল যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি : ‘ঠোলা’ উঠা ভোমরা সড়কে ‘গ্রাম বাংলা’র দাম্ভিকতায় প্রতিনিয়ত হয়রানী ও নাজেহাল হচ্ছেন যাতায়াতকারীরা।

ভারতের সাথে আন্তর্জান্তিক বন্দর ভোমরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাতক্ষীরার আলিপুর চেকপোস্ট থেকে ভোমরা সড়কটি রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক, ব্যক্তিপর্যায় ও স্থানীয়ভাবে জনগুরুত্বপূর্ণ। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। আমদানি-রপ্তানির পন্যবাহী যানবাহন চলে দিনরাত। কিন্তু ওই সড়কের মাঝ বরাবর কয়েকটি ‘ঠোলা’ উঠা স্থানের কারণে প্রায়ই ঘটে দূর্ঘটনা, বিড়ম্বনার শিকার হন পথচারীরা। এর সাথে যোগ হয়েছে ভোমরা টু সাতক্ষীরাগামি ইঞ্জিনচালিত ভটভটি- নাম যার ‘গ্রাম বাংলা’। গ্রামবাংলা দৌরত্ব আর পরিচালনাকারীদের দাম্ভিকতা, স্বেচ্ছাচারিতা ও সাধারণ মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহারে নাজেহাল ভুক্তভোগিরা।

সরেজমিনে দেখা যায়- ভোমরা থেকে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের আলিপুর চেকপোস্ট পর্যন্ত রাস্তায় কমপক্ষে ৮/১০টি স্থানে রাস্তার মাঝেই পিচ উচু হয়ে গেছে। পাকাপিচ এতটাই উচু কিংবা স্তুপাকারের সৃষ্টি হয়েছে যেনো সেটা রাস্তায় ঠোলা উঠার মতো। লম্বা ও বড় আকারে এ ঠোলার কারণে ওই রাস্তা দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারীরা যেমন সমস্যা পড়ছেন দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত তেমনি অনিয়মিত যাতায়াতকারীও চলন্ত পথে রাস্তার উপর আকষ্মিক ছোট-বড় পিচের উচু স্তুপাকার অংশের কারণে দূর্ভোগে পড়ছেন। প্রায়-ই ঘটছে ছোট-বড় দূর্ঘটনাও। অনেকদিন ধরে রাস্তার মাঝে বিরক্তিকর ও সমস্যা সম্বলিত ওই ‘ঠোলা’ জায়গা থাকলেও সংষ্কার কিংবা স্থানগুলো ঠিক করে দেয়ার জন্য কার্যকর কোন ব্যবস্থা দেখা যায়নি।

আবার ওই সড়কে যাত্রীবহনের কাজে নিয়োজিত গ্রাম বাংলা নামের ভটিভটি যেমন অনিরাপদ তার চেয়েও ভয়াবহ গ্রামবাংলা পরিচালনাকারীদের আচরণ ও ব্যবহার।
সরেজমিনে দেখা গেছে- ভোমরা থেকে সাতক্ষীরা আসার সময় গ্রামবাংলার টানাহেচরায় যাত্রীরা নাজেহাল ও অপমানিত হন। অন্যত্র স্থান থেকে কেউ যদি মহেন্দ্র, ইজিবাইক, প্রাইভেটকার, মাইক্রোসহ ইত্যাদি ব্যক্তিগত কিংবা ভাড়া গাড়ি নিয়ে ভোমরা যান তবে যাওয়া-আসার পথে গ্রামবাংলা সংশ্লিষ্টদের কাছে বাঁধা আর প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হচ্ছে কয়েক দফা। শুধু তাই নয়, তারা লাঠি উচিয়ে মারতে উদ্যতও হয়, কোন কোন সময় মারপিটের ঘটনাও ঘটে। এমনকি ওই সড়কের একাধিক স্থানে লাঠির মাথায় লাল পতাকা লাগিয়ে রীতিমত চেকিংএর ব্যবস্থাপনাও চোখে পড়বে।

অথচ সম্পূর্ণ অনৈতিক, বেআইনি, স্বেচ্ছাচারিতা আর নিজেদের বানানো নিয়মরূপ অনিয়ম বন্ধের জন্য কোন কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।

সড়কের ঠোলা উঠা স্থানগুলো ঠিক করে দেয়ার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্টদের চরম দায়িত্বহীনতা, উদাসিনতা আর বিবেক বর্জিত নিরবতা কারোরই কাম্য নয়।

সবমিলিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনগুরুত্বপূর্ণ ভোমরা সড়কটি সংস্কার ও যাত্রী হয়রানী বন্ধের জন্য ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগিরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest