চাকরির আগে মাদকসেবী কিনা পরীক্ষা করে নেয়া হবে

দেশের খবর: চাকরিতে প্রবেশের আগে ডোপ টেস্টের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত অনুমোদন পাওয়া গেছে। এ আইন পাস হলে চাকরিপ্রার্থীদের মাদক সেবনকারী কিনা পরীক্ষা করে নেওয়া হবে। বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রেও মাদক সেবনকারী কিনা পরীক্ষা করা হবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির আগে সে মাদকাসক্ত কিনা তা পরীক্ষা করে নেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

রোববার সকাল ১১টায় রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে এক কর্মশালায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সুরক্ষা সেবা বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন রোধে প্রণীত অ্যাকশন প্লান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠানে ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদক নিয়ন্ত্রণে যে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে তা বাস্তবায়ন আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং এটা জিরো টলারেন্স না আসা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা শুধু অভিযানের মাধ্যমে মাদক নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন ধরনের সভা-সমাবেশ সেমিনার এবং মসজিদের ইমামদের মাধ্যমেও প্রচারণা চালাচ্ছি।

ফরিদ উদ্দিন বলেন, মাদক নিয়ে যারা ধরা পড়ছে তারা অধিকাংশই ছোট ব্যবসায়ী এবং মাদকসেবী। সব সময় সব অভিযান থেকেই মাদক ডিলাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। তাদের আইনের আওতায় আনা যাচ্ছে না। আমরা চেষ্টা করেছি তাদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা। আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত মাদক নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কিন্তু মিয়ানমারের সঙ্গে কোনো আলোচনায় ফলপ্রসূ হয়ে উঠছে না। মিয়ানমারের সঙ্গে ও মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার মাদকমুক্ত দেশ গঠনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মাদক ব্যবসায়ীরা নতুন নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে মাদক ব্যবসার কৌশল। একদিকে নতুন মাদকের আগ্রাসন অন্যদিকে বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যক্তিদের মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ততা পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলেছেন। এখনই সময় যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা। ইয়াবা নামক মরণ নেশার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে প্রয়োজন মাদক বিরোধী সর্বাত্মক সামাজিক সচেতনতা ও সকল বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহাদুজ্জামান খাঁন কামাল কিন্তু বিশেষ কারণে তিনি না আসতে পারায় প্রধান অতিথির আসন গ্রহণ করেন সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। অ্যাকশন প্লান্ট উপস্থাপন করেন সেবা ও সুরক্ষা বিভাগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত সচিব আতিকুল হক।

কর্মশালায় র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, দেশের জেলাগুলোতে বিশেষ আদালত গঠন করে মাদকের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির আহ্বান জানান।

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, এই যে বছরের পর বছর ধরে মামলা চলে, এক পর্যায়ে গিয়ে কাগজ নাই, সাক্ষী নাই, কিচ্ছু নাই। আর তারপর বলে ইনভেস্টিগেশনের দোষে মামলা খালাস। এই পর্যায়ে আমরা আর যেতে চাই না। তিনি ৬৪ জেলায় ৬৪ টি বিশেষ আদালত গঠনের দাবি জানান।

বেনজির আহমেদ বলেন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের দিয়ে প্রতি জেলায় একটি করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট বিশেষ আদালত করা যেতে পারে। বিচারে আসামি খালাস পাক, তারপরেও বিচারটা হোক।

তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ নির্মূলের মতো এই অভিযানেও সফল হবে সরকার। ৩৭ হাজার বন্দির ধারণক্ষমতার জেলখানায় ৯০ হাজার বন্দি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বন্দিদের ৪৪ শতাংশই মাদক মামলার। তার মানে জেলখানার ধারণক্ষমতার সমপরিমাণ বন্দি মাদক সংশ্লিষ্টতায়। সময় এসেছে এসব বন্দিদের জন্য বিশেষ কারাগার করার।

ক্ষোভ প্রকাশ করে বেনজীর আহমেদ বলেন, কোনোকিছু শুরু করলে একশ্রেণির মানুষ চিৎকার শুরু করেন। তারা আসলে কী পেতে চান? জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময়ও দেখেছি তারা রাতের পর রাত টেলিভিশনে বসে চিৎকার করছেন। তারা অন্যের সুরে সুর মেলান, পুতুলনাচের মতো অন্যের ইশারায় নাচতে থাকেন। তাদেরকে এটা থেকে বেরিয়ে আসতে বলবো। তারা কী মনে করেন, আমরা কিছু বুঝি না? চিৎকার করে লাভ নেই এ যুদ্ধে আমরা বিজয়ী না হয়ে ঘরে ফিরব না। এটা ১৬ কোটি মানুষের ডিমান্ড, সরকার ও রাষ্ট্রের ডিমান্ড। প্রত্যেককে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধ শেষে বিজয়ী হয়েই ঘরে ফিরব।

বেনজীর আহমেদ বলেন, ৪ মে থেকে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে র‌্যাবের প্রায় ২ হাজার মামলা হয়েছে। আমি অবসরে চলে যাব, তখনও দেখা যাবে এসব মামলার বিচার শেষ হবে না। তাই ৫-৬ বছরের জন্য মাদক মামলার বিচারে প্রতি জেলায় বিশেষ আদালত গঠনের দাবি জানাচ্ছি।

কক্সবাজারে র‌্যাবের ৭টি ক্যাম্প রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতে করে কক্সবাজার থেকে ঢাকামুখী ইয়াবার চালান কমেছে। কিন্তু বেলুনের মতো আরেকদিকে ফুলে উঠেছে, এখন শুরু হয়েছে সিলেট রুটে। র‌্যাব-পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড সবাই মিলে আমরা ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করব। দেখতে চাই মাদক ব্যবসায়ীরা কোথায় যায়?

সাংবাদিকরা মাদকবিরোধী অভিযানে সহযোগিতা করায় ধন্যবাদ জানিয়ে করে তিনি আরও বলেন, কিন্তু গত ১০ বছরে কক্সবাজার এলাকার কোনো মাদক রিপোর্ট দেখি না। অনেকে বলেন, গডফাদার, গডমাদারের ভয়ে করেন না। তো এখন রিপোর্টার পাঠাচ্ছেন না কেন? আমরা দেখতে চাই, সেই গডফাদার, গডমাদার কারা? এখন অনেকে রিপোর্ট না করে সিএনএনর সাংবাদিক এনে বা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের লোক এনে বক্তব্য নেন। সাংবাদিকতাকে টিকিট হিসেবে ব্যবহার করে এসব করা ঠিক হবে না, সাংবাদিকতার নৈতিকতার সঙ্গে এসব যায় না বলেও মন্তব্য করেন র‌্যাব ডিজি।

এছাড়াও কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন কোস্টগার্ডের ডিজি আওরঙ্গজেব চৌধুরী, পুলিশের ডিআইজি ব্যারিস্টার মাহবুব হোসেন, বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনিসুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আনিসুর রহমান, আনসার ভিডিপির উপমহাপরিচালক দ্বীলীপ কে বিশ্বাস, অধ্যাপক ডা. অরুপ রতন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবুল বাসেত মজুমদার প্রমুখ। কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট ১৬টি মন্ত্রণালয়ের ৫০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত, আগুন

দেশের খবর: রাজধানীর কুর্মিটোলার এয়ারপোর্ট রোডে বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে চারজন। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়, শতাধিক বাস ভাঙচুর করে। বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল।

আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের সামনে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের শেষ প্রান্তে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিক্ষার্থীরা হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী দিয়া খানম মীম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম। মীমের বাবার নাম জাহাঙ্গীর ও করিমের বাবা মৃত নূর ইসলাম।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান জোনের এডিসি আবদুল আহাদ জানান, ঘটনাস্থল থেকে জাবালে নূর পরিবহনের বাসের চালক ও হেলপারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির ট্রাফিক উত্তরের উপকমিশনার প্রবীর কুমার দাস জানান, জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলে দুজন মারা গেছে। আরো কয়েকজন আহত হয়েছে। তাদের পাশের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মিরপুর-উত্তরা রোডের জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস মিরপুর থেকে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের ওপর দিয়ে আসছিল। এ সময় ফ্লাইওভারের শেষ দিকে, রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল একদল শিক্ষার্থী। বাসটি ফ্লাইওভার থেকে নেমেই দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। আহত হয় আরো বেশ কয়েকজন।

খবর পেয়ে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ এমইএইচ বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে খিলক্ষেত পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে দুই পাশের সড়কে শতাধিক যানবাহনের গ্লাস ভাঙচুর করে এবং জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ক্যান্টনমেন্ট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রেজাউল জানান, আজ দুপুরের দিকে এই ঘটনার পর ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে এসে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ ‍শুরু করে। সেখানে তারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে।

এএসআই বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা র‌্যাডিসন হোটেলের সামনের রাস্তায় যেখানে ইউটার্ন গ্যাপ রয়েছে, সেখান থেকে রাস্তা পার হচ্ছিল। অনেকে বাসের জন্য ফুটপাতে অপেক্ষা করছিল। এ সময় জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস শিক্ষার্থীদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।

এদিকে, বাসচাপায় চার শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। যদিও এ ব্যাপারে পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে বাস ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধের ফলে এয়ারপোর্ট সড়কে বেশ কিছুক্ষণ যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। দুই পাশে প্রচণ্ড যানজট সৃষ্টি হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হলিউডে পূর্ণিমা, পেয়েছেন সনদ!

বিনোদন সংবাদ: শিরোনাম দেখে ভাববেন না হলিউডের ছবিতে অভিনয় করছেন পূর্ণিমা। তবে ছবি দেখে বুঝতে পারছেন তিনি এখন হলিউডেই আছেন।

কালো রঙের ওয়ান পিসের ওপর রঙিন ফুলেল এম্ব্রয়ডারির কামিজ পরে মার্কিন চলচ্চিত্রের রঙিন পাড়ায় গিয়েছিলেন এই চিত্রনায়িকা।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে মাউন্ট লি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত হলিউড সাইনটি প্রায় ছয়তলা ভবনের সমান। এর প্রতিটি অক্ষর ৪৫ ফুট লম্বা। পুরো সাইনটির দৈর্ঘ্য ৩৫০ ফুট। সেটিকে ফ্রেমে রেখেই ছবি তুলেছেন ঢালিউডের এই মিষ্টিমুখ।
পূর্ণিমা জানান, হলিউডে তাকে সঙ্গ দিয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা টনি ডায়েসের স্ত্রী নৃত্যশিল্পী প্রিয়া ডায়েস। তারা অনেক বছর ধরে আমেরিকা প্রবাসী।
তবে আমেরিকায় শুধুই বেড়াতে যাননি পূর্ণিমা। তিনি বললেন, “বাংলাদেশি আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব লস অ্যাঞ্জেলেস (বিএএএলএ) আয়োজিত ‘আনন্দমেলা’য় অংশ নিয়েছি। সেখান আমাকে দেওয়া হয়েছে ‘লস অ্যাঞ্জেলেস কংগ্রেসনাল রিকগনিশন’ সনদ।”শনিবার (২৮ জুলাই) লস অ্যাঞ্জেলেসের ভারমন্ট এভিনিউর ভারজিল মিডেল স্কুলে অনুষ্ঠিত এ বছরের ‘আনন্দমেলা’য় একই সনদ পেয়েছেন প্রিয়া ডায়েস, প্রমিথিউস ব্যান্ডের বিপ্লব, সুরকার ইমন সাহা, আরটিভির সিইও আশিকুর রহমান প্রমুখ।

পূর্ণিমা জানান, আগামী ২ আগস্ট ঢাকায় ফিরবেন তিনি। সম্প্রতি নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলের পরিচালনায় ‘জ্যাম’ নামের একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুধহাটায় মিনিস্টার মাইওয়ান প্লাজার উদ্ধোধন করলেন চিত্র নায়ক ফেরদৌস

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রবিবার বিকাল ৩ ঘটিকায় বুধহাটা বাজারে হাজার হাজার মানুষ নিয়ে মিনিস্টার মাইওয়ান শোরুম উদ্ধোধন করলেন প্রধান অতিথি চিত্র নায়ক ফেরদৌস আহমেদ। এসময় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির এজিএম শোহেব আহমেদ, ডিএম আরিফুর রহমান শাহেদ, রিজিওনাল ম্যানেজার হাসানুর রহমান,মাকেটিং অফিসার আলমগীর হোসেন। আরো উপস্থিত ছিলেন ইনভেস্টার গাজী আশরাফ, আশাশুনি থানার এস আই নয়ন চৌধুরী প্রমুখ। এসময় ফেরদৌস আহমেদ বলেন দেশীয় প্রডাক্ট হিসাবে মিনিস্টার পন্য গুনাগত ভাবে অনেক ভালো যাহা আমি নিজিও ব্যবহার করি। তিনি সকল কে মিনিস্টার পন্য কিনতে উদ্ধব করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডে নিয়োগ

চাকির ডেস্ক:

সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ট্রেইনি সেলস এক্সিকিউটিভ পদে ১০০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

পদের নাম ও সংখ্যা: ট্রেইনি সেলস এক্সিকিউটিভ (ক্রেডিট কার্ড) ১০০ জন

যোগ্যতা: স্নাতক পাস হতে হবে। শিক্ষাজীবনে তৃতীয় বিভাগ/ শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না। পদটিতে নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীরাই আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর বয়সসীমা ৩০ বছর। নির্বাচিতদের ঢাকা, খুলনা, সিলেট, চট্টগ্রামে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বেতন: মাসিক বেতন ১২,০০০ টাকা

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা বিডিজবস ডটকমের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের সময়সীমা: আগামী ১০ আগস্ট, ২০১৮ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাত ও কবজি ভাঙলে করণীয়?

জীবনযাপন ডেস্ক:

কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত দুটো হাড় থাকে। রেডিয়াস ও আলনা। এই দুটো হাড় পৃথক পৃথকভাবে কিংবা একত্রে ভাঙতে পারে। হাত ভাঙলে কিংবা কবজি ভাঙলে প্রাথমিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে একই রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়-

  • হাত ও কবজি স্বাভাবিক অবস্থানে রেখে করতালুর নিচে প্যাড বা তুলার বল রাখুন।
  • ভাঙা হাতটিকে অনড় রাখার জন্যে আঙুলের ডগা থেকে কনুই অবধি স্প্লিন্টার বা কাপড়ের পেঁচানো কাঠের পাত স্থাপন করুন।
  • গজ বা ফিতে দিয়ে স্প্লিন্টারটিকে হাতের সাথে বাঁধুন। বাঁধনটি যেন ভাঙা অংশের ঠিক উপরে না পড়ে।
  • এবার কুনইটিকে একটু উপরে তুলা মোটা কাপড় দিয়ে হাতটিকে গলার সাথে ঝুলিয়ে দিন। খেয়াল রাখবেন যেন বুড়ো আঙুলটা সর্বদা উপরের দিকে থাকে।
  • রোগীকে অতঃপর হাসপাতালে নিয়ে যান।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অন্তঃসত্ত্বা বিদ্যা বালান, ভিডিও ভাইরাল!

বিনোদন সংবাদ: তরুণ বয়সেই চলচ্চিত্রের সাথে সম্পৃক্ত হন ভারতীয় মডেল ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। দর্শকদের কাছে অত্যান্ত মেধাবি অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি বলিউড এই অভিনেত্রী। তিনি বলিউড চলচ্চিত্রে কর্মজীবন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বাংলা, তামিল, মালয়ালম এবং হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

চরিত্রের প্রয়োজনে যেমন তিনি একেবারে সাধাসিধে তরুণী হতে পারেন আবার সাহসী ও স্বল্প বসনা হতেও দ্বিধাবোধ করেন না। তবে এবার বিদ্যা আলোচনায় আসলেন ভিন্ন বিষয় নিয়ে। বিদ্যা বালান নাকি অন্তঃসত্ত্বা। এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছেন অনলাইন দুনিয়ায়। একটি ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে স্বামী সিদ্ধার্থ রায় কাপুরের সঙ্গে কোনও এক পার্টিতে গিয়েছেন তিনি। ভিডিওতে কিন্তু তাকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি মা হতে যাচ্ছেন। সেখানে দেখা গেছে তার শরীরের পরিবর্তন।

পাশাপাশি বার বার ওড়না টেনে ধরছেন। শরীর ঢাকায় বেশ মনযোগী মনে হয়েছে তাকে। সব মিলিয়ে এ ভিডিওটি তার অন্তঃসত্ত্বা হবার গুঞ্জনটিকে আরও শক্ত করেছে।

১৯৯৫ সালে হাম পাঁচ হিন্দি সাইটকমের মাধ্যমে প্রথম অভিনয়ে আসেন বিদ্যা বালান। ২০১১ সালের অর্ধ-জীবনীমূলক থ্রিলার নো ওয়ান কিলড জেসিকা, জীবনীমূলক চলচ্চিত্র দ্য ডার্টি পিকচার এবং ২০১২ সালের থ্রিলারধর্মী কাহানী চলচ্চিত্রে তিনি সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন।
বিদ্যা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি মানবহিতৈষী কার্যকলাপে জড়িত রয়েছেন এবং নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য সহায়ক হিসেবে অবদান রেখেছেন। প্রাথমিকভাবে তার ভারী শরীর এবং প্রশ্নসাপেক্ষ পোশাক নির্বাচনের কারণে তাকে বিভিন্ন সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তিনি ২০১২ সালে চলচ্চিত্র প্রযোজক সিদ্ধার্থ রায় কাপুরকে বিয়ে করেন। ২০১৭ সালে তিনি ভারতীয় কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের বড় পর্দায় আসছে গোয়েন্দা কাহিনি মাসুদ রানা

বিনোদন সংবাদ: ষাট, সত্তর, আশি, নব্বই দশকের বাংলাদেশি পাঠকের বিরাট অংশ শৈশব থেকে বেড়ে উঠেছে মাসুদ রানা পড়ে। এখনো বিশাল একটি পাঠকগোষ্ঠী পড়ে মাসুদ রানা। এখনো নতুন মাসুদ রানার প্রথম সংস্করণে ২০ হাজার কপি ছাপা হয়। এই দেশে এটি এখনো একটি অনেক বড় সংখ্যা।

আমাদের নিজেদের কোন সুপার হিরো নেই, নেই সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান । আমাদের কাছে সুপার হিরো মানেই মাসুদ রানা, যে -বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের এক দুর্দান্ত স্পাই গোপন মিশন নিয়ে ঘুরে বেড়ায় দেশ-দেশান্তর। বিচিত্র তার জীবন । অদ্ভুত রহস্যময় তার গতিবিধি। কোমলে-কঠোরে মেশানো নিষ্ঠুর-সুন্দর এক অন্তর তার। একা। টানে সবাইকে, কিন্তু বাঁধনে জড়ায় না । কোথাও অন্যায় অবিচার দেখলে রুখে দাঁড়ায়। পদে পদে তার বিপদ শিহরণ ভয় আর মৃত্যুর হাতছানি।

সে প্রচণ্ড রকমের দেশ প্রেমিক। একই সাথে সরল, কোমল ও কঠিন । সেই বাংলার জেমস বন্ড। মাসুদ পারভেজ (নায়ক সোহেল রানা) মাসুদ রানা সিরিজের ‘বিস্মরণ’ অবলম্বনে, ১৯৭৩ সালে মাসুদ রানা চলচ্চিত্র তৈরি করেন। আর ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে। এর পর আর মাসুদ রানা চলচ্চিত্র হিসেবে নির্মিত হয়নি। টিভিতে অবশ্য মাসুদ রানা এসেছে মাঝখানে। অভিনেতা ও নির্মাতা তৈৗকির আহমেদের সেই মাসুদ রানা তৈরি হয়েছিল সিরিজের প্রথম দিককার আলোচিত বই পিশাচ দ্বীপ অবলম্বনে।

এদিকে, জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ বলেন, মূলত কাজীদা কাউকে মাসুদ রানা বানানোর জন্য রাইট (কপিরাইট) দেয় না, কারণ কেউ নাকি ঠিক মতো রানাকে উপস্থাপন করতে পারে না। জাজ এর পক্ষ থেকে শুরুতেই একটা বই-এর রাইট এর জন্য যোগাযোগ করা হলে উনি রাইট দেননি। তবে শুভ সংবাদ হলো, এখন কাজীদা জাজের ওপর আস্থা রেখেছেন। উনার বিশ্বাস জাজ ঠিক মতো মাসুদ রানা বানাতে পারবে। এই জন্য প্রথমে উনার ৩টি বইয়ের রাইট দিয়েছেন ৫ বছরের জন্য- ১. ধ্বংস পাহাড় ২. ভারতনাট্যম ৩. স্বর্ণমৃগ।

আব্দুল আজিজ জানান, জাজ এই ৩টি সিনেমা বানাবে ৫ বছরের মধ্যেই। প্রথম সিনেমার নাম, মাসুদ রানা (ধ্বংস পাহাড়) যার প্রাথমিক বাজেট ৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কাজী আনোয়ার হোসেন ‘ধ্বংস পাহাড়’ রচনা করেছিলেন ১৯৬৫ সালে। তখনকার আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও প্রেক্ষাপট এখন থেকে ভিন্ন। তখন বাংলাদেশ পূর্ব পাকিস্তান ছিল আর ভারত কে শত্রু দেখান হয়েছে। ভারত পাগল বৈজ্ঞানিক কবির চৌধুরী সাথে মিলে, কাপ্তাই বাঁধ উড়িয়ে দেবে, যেদিন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট কাপ্তাই বাঁধে আসবেন। সেই বাঁধের সাথে প্রেসিডেন্ট ও ভেসে যাবে।

আব্দুল আজিজ জানান, এখন তো ভারত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। এখন তারা এটা করবে না। এছাড়া পরিবর্তন হয়েছে। অনেক টেকনিক্যাল দিক। তাই কাজীদার অনুমতি নিয়ে পূর্বের গল্পের প্লট ঠিক রেখে, আমরা নতুন করে গল্পের বিন্যাস করছি। আমরা শুটিং করবো দেশে বিদেশে। এই শুটিং এর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কাপ্তাই বাঁধের শুটিং এর পারমিশন পাওয়া। কারণ, কাউকে কখনো কাপ্তাই বাঁধে শুটিং করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি সেখানে জনসাধারণেরও প্রবেশাধিকার নেই। যাই হোক, আমরা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে পারমিশন নেওয়ার চেষ্টা করবো ।

এখন কথা হচ্ছে কে হবে মাসুদ রানা? জাজ জানাচ্ছে, যাকে নেবো, তাকে আগামী ৩টি মাসুদ রানা সিরিজের জন্য নেওয়া হবে, সেই অনুযায়ী চুক্তি করা হবে। কে হবে মাসুদ রানা, তা খুব শিগগিরই আপনাদের জানানো হবে।

সম্প্রতি মাসুদ রানার সাথে যুক্ত হয়েছে ইউনিলিভার। এক আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে জাজ ও ইউনিলিভার এর মধ্যে চুক্তি সাক্ষর হলো এবং আরও কিছু ব্রান্ড খুব শিগগির যুক্ত হবে বলে জানা গেছে। আর মাসুদ রানা মুক্তি দেওয়া হবে বিভিন্ন ভাষায়, বিভিন্ন দেশে একই দিনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest