দেবহাটায় ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় শিক্ষক কর্তৃক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষন করায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ঐ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে। মামলার বাদী হয়েছেন ঐ ছাত্রীর পিতা কালীগঞ্জ উপজেলার সন্নাসীরচক গ্রামের আজিজুল বারীর ছেলে জহুরুল হক (৪১)। মামলার আরজী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবহাটা উপজেলার হাদীপুর আহছানিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক জহুরুল হক ও একই মাদ্রাসার আইসিটি বিষয়ক শিক্ষক কালীগঞ্জ উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের দবিরউদ্দীন খাঁনের ছেলে ফজর আলী একই সাথে চাকরী করতেন। ফজর আলী শিক্ষকতার সূত্র ধরে প্রায়ই সময় জহুরুল হকের বাড়িতে যাওয়া আসা করতেন। বাড়িতে যাওয়া আসার সুযোগে ফজর আলী প্রায় ২ বছর ধরে জহুরুল হকের এবছর এসএসসি পাশ করা কন্যাকে বিয়ের প্রলোভন ও নানারকম ছলচাতুরী করে ধর্ষন করে আসছেন। গত ১০-০৬-১৮ তারিখ রাত ১০ টার দিকে ফজর আলী জহুরুল হকের বাড়িতে যেয়ে তার মেয়েকে ধর্ষন করে পালিয়ে যাওয়ার সময় জহুরুল হকের স্ত্রী মমতাজ বেগম দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে ফজর আলী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ ব্যাপারে জহুরুল হক বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০১ এর ৯(১) ধারায় দেবহাটা থানায় মামলা দিলে পুলিশ ফজর আলীকে গ্রেফতার করে। মামলা নং- ১২। তবে স্থানীয়রা জানায়, ফজর আলী ইতিপূর্বেও ঐ এলাকার একাধিক মাদ্রাসা ছাত্রীর সাথে এধরনের কাজ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ৪৭

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে সাত মাদক মামলার আসামীসহ ৪৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৭ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৬ জন, তালা থানা ৭ জন, কালিগঞ্জ থানা ৬ জন,শ্যামনগর থানা ৮ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ৫ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে পাঁচ ধরনের মেডিক্যাল টেস্ট সব পুরুষেরই করা উচিত

স্বাস্থ্য সংবাদ:

স্বাস্থ্যপরীক্ষা অতি জরুরি একটি বিষয়। সুস্থ থাকলেও বেশ কিছু ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে মেডিক্যাল চেকআপের দরকার রয়েছে। এখানে বিশেষ করে পুরুষদের কিছু স্বাস্থ্যপরীক্ষার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আপনার বাবা, ভাই কিংবা পরিবারের যেকোনো পুরুষকে ছয় মাস বা বছরখানেক পর পর অন্তত ৫টি পরীক্ষা করিয়ে নেয়া উচিত।

পরিবারের বয়স্ক পুরুষদের জন্যে এই পরীক্ষা আরো বেশি জরুরি। অনেকে হয়তো ঠিকমতো জানেনই না। আবার অনেকের হাতে পরীক্ষা করিয়ে নেয়ার সময় কোথায়? কেউ বা তেমন পাত্তাই দিতে চান না। কিন্তু সবার জন্যে এগুলো অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সচেতনতাই সর্বোত্তম প্রতিরোধব্যবস্থা।

১. প্রথমেই তার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি পরীক্ষা করতে হবে। রক্তচাপ পরীক্ষা করাতে হবে। ঝুঁকি বুঝতে ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম এবং লিপিড প্রোফাইল চেক করে নিন।

২. এবার দেখে নিন ক্যান্সারের ঝুঁকি। এর জন্যে ফ্লেক্সিবল সিগমোইডোস্কপি করিয়ে নিতে হবে। আরো করতে হবে ফিকাল অকাল্ট ব্লাড টেস্ট (এফওবিটি), কোলনোস্কপি আর মোল স্ক্রিনিং। যারা ধূমপায়ী তাদের জন্যে দরকার লো-ডোজ কম্পিউটেড টমোগ্রাফি। এ ছাড়া প্রোস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন এবং ডিজিটাল রেক্টাল করতে হবে।

৩. শ্রবণজনিত কোনো সমস্যা রয়েছে কিনা তাও দেখা দরকার। এর জন্যে অডিওগ্রাম করতে হবে। বোঝা যাবে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে কিনা।

৪. চোখ দুটো ঠিক আছে তো? এর জন্যে করিয়ে নিন চোখের পরীক্ষা। দৃষ্টিশক্তিতে কোনো সমস্যা আছে কিনা জানা যাবে।

৫. ডায়াবেটিস রোগ যেভাবে ছড়িয়েছে তাতে করে রক্তে গ্লুকোজের পরীক্ষাটা সবারই করা উচিত।

এই মাত্র পাঁচ পয়েন্টে যে পরীক্ষাগুলোর কথা লেখা হয়েছে তা করলে আপনার সার্বিক অবস্থা বুঝে নেয়া সম্ভব। কাজে কখনো না করে থাকলে করার পরিকল্পনা করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অক্টোবরে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হতে পারে: কাদের

দেশের খবর: সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী অক্টোবরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এ সময়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে এবং মন্ত্রীসভার আকার ছোট হবে।

সকালে সচিবালয়ে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার শুধু রুটিন ওয়ার্ক সম্পন্ন করবে। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ নাও করে, অনেক দল আছে তাদের নিয়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপির সেই সাংগঠনিক সেই ক্ষমতাই নেই যে, আন্দোলন করবে। জনগণ আগেই তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের ডাকে সাড়া দেবে না দেশের মানুষ।

এবার ঈদ যাত্রা ভালো হয়েছে, আগামী ঈদের আগে মহাসড়কের পাশে যেন কোনও গরুর হাট না বসতে পারে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতীয় কাশ্মীরে ফের কেন্দ্রীয় শাসন জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মঙ্গলবার ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যটিতে আবারো কেন্দ্রীয় শাসন জারি করা হয়েছে।

১৯৭৭ সালের পর জম্মু ও কাশ্মীরে এ নিয়ে অষ্টমবারের মতো কেন্দ্রীয় শাসন জারি করা হলো।

মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মীরে ক্ষমতাসীন জোট ছেড়ে দেয় বিজেপি। বিজেপির এই ঘোষণার পর একইদিন বিকালেই পদত্যাগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি।

পদত্যাগের পর মেহবুবা বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরকে শত্রু এলাকা হিসেবে বিবেচনা করতে পারি না আমরা। মিটমাটের পথই সমস্যা সমাধানের মূল চাবি।

এদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরে কেন্দ্রীয় শাসন জারির জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রতিবেদন পাঠান রাজ্যপাল এনএন ভোরা। এই প্রতিবেদনে সাড়া দিয়ে রাজ্যটিতে কেন্দ্রীয় শাসন জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরিয়ায় ইসরায়েলি গোয়েন্দা ড্রোন বিধ্বস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সিরিয়ার কুনিত্রার অদূরে আল-হাযার উপশহরে একটি ইসরায়েলি গোয়েন্দা ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। অধিকৃত গোলান মালভূমির সঙ্গে এই এলাকাটির সীমান্ত রয়েছে। ইসরায়েলের একটি টিভি চ্যানেল এই খবর দিয়েছে।

টিভির খবরে বলা হয়েছে, ড্রোনটি সিরীয় ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত হয়েছে। সিরিয়ার সেনাবাহিনী এ খবরের সত্যতা স্বীকার করে বলেছে, বিধ্বস্ত ড্রোনটি তাদের কাছে রয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর গুলিতে সেটি বিধ্বস্ত হয়েছে কি না তা স্পষ্ট করা হয়নি।

সিরিয়ার সামরিক বাহিনী কুনিত্রা প্রদেশে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। সেখানে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। কুনিত্রায় সেনবাহিনীর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতেই ইসরায়েল সেখানে ড্রোন পাঠিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের তাকফিরি সন্ত্রাসীদের সমর্থনে এ পর্যন্ত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদের সেনাবাহিনীর ওপর এ পর্যন্ত বহুবার হামলা চালিয়েছে। এছাড়া ইসরায়েল মাঝে মধ্যেই সিরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করে হামলা চালায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সর্বকালের অন্যতম সেরা পুসকাসকে টপকে গেলেন রোনালদো

খেলার খবর: বিশ্বকাপ শুরুর আগে রেকর্ড থেকে চার গোল দূরে ছিলেন। প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে পুসকাসের অসাধারণ কীর্তিটা ছুঁয়ে ফেলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ভেঙে দিতে লাগল দ্বিতীয় ম্যাচের মাত্র চার মিনিট। ৮৫ গোল নিয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচে ইউরোপিয়ানদের মধ্যে সর্বোচ্চ সাফল্য এখন পর্তুগাল অধিনায়কের। প্রথমার্ধের খেলা শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে পর্তুগাল।

আগের তিন বিশ্বকাপে সাকুল্যে মাত্র তিনটি গোল করেছিলেন রোনালদো। রাশিয়ায় প্রথম ম্যাচেই তিনবার স্পেনের জাল খুঁজে নেন। হ্যাটট্রিকের ম্যাচে পর্তুগালের জার্সিতে ক্যারিয়ারের ৮২তম, ৮৩তম এবং ৮৪তম গোলটি পান। মরক্কোর বিপক্ষে পেলেন ৮৫তম আন্তর্জাতিক গোল।

কিংবদন্তি ফেরেঙ্ক পুসকাস ৮৪টি গোল করে ইউরোপে গোলদাতাদের চূঁড়ায় ছিলেন দীর্ঘদিন। ১৯৪৫-৫৬ এরমধ্যে হাঙ্গেরির জার্সিতে গোলগুলো করেছিলেন পুসকাস।

বুধবার গ্রুপপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে চার মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে নিচু হেডে গোল আদায় করে নেন রোনালদো। চলতি আসরে তার চতুর্থ গোল, এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শিখর এখনও অনেকদূরে রোনালদোর জন্য। সিআর সেভেনের সামনে আছেন আলি দেইয়ি। ইরানের হয়ে তার গোলসংখ্যা ১০৯, ইতিহাসের সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক গোল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদকে পৃষ্ঠপোষকতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষকতাকারী ও মাদকের গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হচ্ছে। এতে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষক ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হবে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সাংসদ রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০ অনুযায়ী মাদক অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে। তবে বিদ্যমান আইনে কোনো ব্যক্তির দখলে/কর্তৃত্বে/অধিকারে মাদকদ্রব্য পাওয়া না গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ কম। এতে মাদক ব্যবসায় জড়িত মাস্টারমাইন্ডরা সহজেই পার পেয়ে যায়। মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষকতাকারী ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ প্রণয়ন করা হচ্ছে। সংশোধিত আইনে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষক ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হবে। তা ছাড়া এই আইনে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষক ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকেও আইনের আওতায় আনার জন্য মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত অপরাধ তদন্তে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকার সব সময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদকের আগ্রাসন প্রতিরোধে মাদক চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যানবাহন ও মাদক স্পটগুলোতে তল্লাশি অভিযান চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৮ মে থেকে এ পর্যন্ত চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং এগুলো পরিবহনের বাহন উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট ১৫ হাজার ৩৩৩টি মামলা করা হয়েছে। মোট ২০ হাজার ৭৬৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিচারের জন্য সোপর্দ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০-এর অধীনে সংঘটিত অপরাধের বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মাদক অপরাধীদের তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়া হচ্ছে। মাদক অপরাধ-সংক্রান্ত মামলার বিচার কার্যক্রম আলাদা কোনো আদালতের মাধ্যমে পরিচালনার বিষয়টি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখছে।
সরকারি দলের সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সে নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাবসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাদক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০১৭ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সব সংস্থা ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৮৩ জন মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৬টি মামলা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদক সমস্যা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ে নিয়মিত ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি ইয়াবা পাচার রোধে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে তিনটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। প্রতিটি সভাতেই মিয়ানমারকে ইয়াবার উৎপাদন ও প্রবাহ বন্ধ করার জন্য এবং মিয়ানমার সীমান্তে ইয়াবা তৈরির কারখানা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে ডিসি-ডিএম পর্যায়ে সভা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার জেলায় ৯৪ জনবলের বিশেষ জোন স্থাপন ও বর্ডার লিয়াজোঁ অফিস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest