সর্বশেষ সংবাদ-
ইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি

দেবহাটায় বিশ^ জনসংখ্যা দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় বিশ^ জনসংখ্যা দিবস-২০১৮ তে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে “পরিকল্পিত পরিবার সুরক্ষিত মানবাধিকার” এই শ্লোগানে বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় সখিপুরস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে একটি র‌্যালী বের হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে এক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ¦ আব্দুল গনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা পারভিন। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রনজিৎ কুমার রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল লতিফ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মিসেস নাজমুন নাহার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসরাঈল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা ইউএনওর বৃক্ষ রোপনে জাতীয় পুরষ্কার  লাভ

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ বৃক্ষ রোপনে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার ২০১৭ সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয় বন শাখা-২ এর ২২.০০.০০০০.০৬৭.৪৩.০০০৯.১৬-১৬৩ নং স্মারকে “গ” শ্রেনীতে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই পুরষ্কারের জন্য মনোনিত হন। আগামী ১৮ জুলাই ২০১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রী এই পুরষ্কার প্রদান করবেন বলে সূত্রে জানা গেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্র জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ দেবহাটা উপজেলায় যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি বৃক্ষ রোপনের উপর কাজ করেন। তারই ফলশ্রুতিতে তিনি দেবহাটা উপজেলার মধ্যে একটি ঔষধী গাছের বাগান রোপন করেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন প্রজাতির দূর্লভ গাছের চারা রোপন করেছেন। এছাড়া তিনি প্রায় ৩ একর জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলজ, ভেষজ (ঔষধী) ছাড়াও শোভাবর্ধনকারী ও দেশীয় বিলুপ্ত প্রায় গাছের চারা রোপন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দেশীয় ফল, টক জাতীয় ফল, ঔষধী গাছ রক্ষা, নতুন প্রজন্মকে বর্নিত গাছসমূহের সাথে পরিচিতি ঘটানো এবং বিলুপ্তপ্রায় গাছসমূহকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এই বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পাওয়া পুরষ্কার সকল দেবহাটাবাসীর বলে তিনি জানান। ইউএনও বলেন, আরো একাধিক বাগান সৃষ্টি এবং বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষ রোপন করে জনগনকে সম্পৃক্ত করে বৃক্ষ রোপনে উৎসাহ প্রদান করা হবে। উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ দেবহাটায় যোগদানের পর থেকে দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীর, দেবহাটা রুপসী ম্যানগ্রোভকে আরো উন্নত ও বিনোদনমূলক করা, উপজেলা গেট নির্মান, উপজেলা মুক্ত মঞ্চ নির্মান, উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে সেবা গ্রহনকারীদের জন্য কাচারী ঘর নির্মান, উপজেলা পরিষদের শোভা বর্ধন করা সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করেছেন।

1 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হলমার্কের চেয়ারম্যান জেসমিনের কারাদণ্ড

দেশের খবর: সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় হলমার্কের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামের তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের আইনজীবী মোহাম্মাদ মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জানান, বিচারক আসামি জেসমিন ইসলামকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন এবং সে টাকা আগামী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রের অনুকূলে আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জানান, রায় ঘোষণার সময় হলমার্কের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে সাজা পরোয়ানাসহ ফের কারাগারে প্রেরণ করা হয়। জেসমিন ইসলাম হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদের স্ত্রী। তানভীর মাহমুদও হলমার্কের আরেক মামলায় কারাগারে আটক আছেন।

আসামির পক্ষে আইনজীবী শফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ওই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলে যাবেন।

২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুদক কমিশনের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন।

নথি থেকে জানা যায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জেসমিন ইসলামের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য-উপাত্ত পায় দুদক। এর পর দুদক তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেয়। নির্দেশ অনুযায়ী সম্পদ বিবরণী জমা না দিয়ে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন। তবে সময় বাড়ানোর পরও সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ২২ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক মনজুর মোরশেদ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(গ) ধারায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি এ আদালত অভিযোগ গঠন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমার বয়স ৪৬ নয়, বাড়ি গোপালগঞ্জ : জয়া

বিনোদন সংবাদ: ইদানীং বয়সের ভুল তথ্য প্রচার নিয়ে বেশি ভাবাচ্ছে অভিনেত্রী জয়া আহসানকে।

শুধু তাই নয়, জয়ার পারিবারিক তথ্যও ভুলভাবে গণমাধ্যমে উপস্থাপিত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

তাই গণমাধ্যমে তার বয়স নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার না করার জন্য সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন জয়া।

এ নিয়ে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন তিনি।

জয়া লিখেছেন- ‘বিরসা দাশগুপ্তের ‘ক্রিসক্রস’ চলচ্চিত্রের টিজার ও গান মুক্তি পেল। অপ্রত্যাশিত সাড়া পেয়েছি আমরা। ভালো হোক কিংবা মন্দ- আমার অভিনীত চলচ্চিত্র কিংবা আমার কাজ নিয়ে বেশিরভাগ চলচ্চিত্র দর্শকই গুরুত্বের সঙ্গে মতামত দেন। কখনও আমার কাজ আমার ভক্তদের গর্ব বাড়িয়ে দেয়, কখনও আমি তাদের হতাশ করি।

তবে যারা আমার কাজ অপছন্দ করেন কিংবা যারা আমাকে অপছন্দ করেন, তাদের আমি অপছন্দ করি না। বরং তাদের ব্যাপারে আমি আরও অনেক বেশি যত্নশীল। গঠনমূলক সমালোচনাই তো একজন শিল্পীকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। আমি আমার অভিনয় জীবনে বরাবরই সমালোচকদের দেখানো পথে চলার চেষ্টা করেছি।

তবে শুধু ‘বলার জন্য বলা’ নেতিবাচক মন্তব্য কখনও আমার ভেতর প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে আমি নির্ভার।’

তিনি আরও লিখেছেন- ‘তবে ইদানীং দুয়েকটি বিষয় আমাকে কিছুটা ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ইদানীং বেশ কয়েকজন বিভিন্ন পত্রপত্রিকা/উইকিপিডিয়ার তথ্যসূত্র টেনে আমার বয়স নিয়েও বেশ চর্চা করছেন। বলা হচ্ছে- আমার বয়স নাকি ৪৬ বছর! গুজব-গুঞ্জন আমি বরাবরই খাবারের লবণের মতো উপভোগ করে গেছি।

দুয়েকজন সমবয়সী কিংবা আমার চেয়ে বয়সে বড় শ্রদ্ধাভাজন সহকর্মী (বিশেষ করে বেশ কয়েকজন অভিনেত্রী) গণমাধ্যমে নিজেদের অধিকার মনে করে আমার বয়স (ভুল তথ্য) নিয়ে চর্চা করেছে- বিষয়টি মজার।

তাই এতদিন উপভোগ করেই গেছি। তবে খুব সম্ভবত আমার চুপ থাকাটাকে অনেকে ‘মৌনতা সম্মতির লক্ষণ’ হিসেবে ধরে নিয়েছেন। নিন্দুকেরাও ‘অস্ত্র’ হিসেবে আমার বয়সের ভুল তথ্য প্রচার করে আনন্দ পাচ্ছেন।’

একজন শিল্পীর প্রকৃত পরিচয় তার কাজ বলে মনে করেন জয়া। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে আমি প্রথম ও শেষবারের মতো সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই- বয়স নয়, একজন শিল্পীর প্রকৃত পরিচয় হওয়া উচিত তার কাজে।

জয়া আরও বলেন, ‘৪৬ কিংবা ৫৬ কিংবা তার চেয়েও বেশি বয়স হলেই অভিনেত্রীরা কাজের অযোগ্য কিংবা তারুণ্যদীপ্ত চরিত্রে অভিনয় করতে পারবেন না- এমন ধারণা বিশ্বের কোনো চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিজই পোষণ করেন না। তাই ব্যক্তি জয়া আহসানের যে বয়স, তা নিয়ে আমি এতটুকু বিচলিত নই।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি লিখেছেন- ‘ভুল তথ্য প্রচার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয় করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য সবার উদ্দেশ্যে অনুরোধ করছি। বিশেষ করে আমার কাজ যারা পছন্দ করেন, দায়িত্বশীল যেসব সাংবাদিক আমাকে নিয়ে দু কলম লেখার মতো যোগ্য মনে করেন, তারা ভবিষ্যতে বিষয়টি সংবেদনশীলভাবে দেখবেন বলেই আশা করছি।

কারণ প্রকৃত সত্য হল- ৪৬ বছর আগে আমার বাবা-মায়ের বিয়ে তো দূরের কথা, দেখাও হয়নি। এতদিন বিষয়টি হেসেই উড়িয়ে দিয়েছি। তবে ইদানীং বিষয়টি মাত্রাতিরিক্ত আকার ধারণ করায় পরিবার ও কাছের বন্ধুদের অনুরোধে লিখতে বাধ্য হয়েছি।

সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ, একজন শিল্পীর জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরার আগে ন্যূনতম একবার তার সঙ্গে কথা বলা উচিত। কারণ শুধু বয়স ভুলের তথ্যই নয়, বিভিন্ন মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে, আমার আরও দুই বোন ও এক ভাই রয়েছে (প্রকৃত তথ্য : আমরা দুই বোন ও এক ভাই)। বলা হয়, আমার বাড়ি ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায় (প্রকৃত তথ্য : গোপালগঞ্জ)।

শুধু তাই নয়, আমার বাবার নামও লেখা হয় আলী আহসান সিডনী (প্রকৃত তথ্য : অভিনেতা জিতু আহসানের বাবা প্রখ্যাত অভিনেতা সৈয়দ আহসান আলী সিডনী। আমার বাবা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এএস মাসউদ)। রয়েছে আরও অনেক ভুল তথ্য।

আশা করছি ভুল শুধরে ভবিষ্যতে আমরা প্রতিটি শিল্পী সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানার চেষ্টা করব। কারণ ভক্তরা যেমন তার পছন্দের শিল্পী সম্পর্কে ভুল তথ্য কিংবা ভুল ব্যাখ্যা পড়তে পছন্দ করেন না, শিল্পীরাও প্রতিনিয়ত ভুল তথ্য দিয়ে ভক্তদের বিভ্রান্ত করতে চান না।
প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের কাছে বিনীত অনুরোধ, একজন অভিনেতার কাজ নিয়ে লেখার সময় যদি তার বয়সের বিষয়টি না আসে, একজন অভিনেত্রীর ক্ষেত্রেও সে বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিকভাবে আসাটা কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে কিন্তু আমাদের ভেবে দেখার অবকাশ রয়েছে। সবার জন্য রইল শুভ কামনা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহীদের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্য; খালেদা-গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

রাজনীতির খবর: শহীদের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্যের মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম আবু সাঈদ এ আদেশ দেন।

মামলার বাদী এ বি সিদ্দিকী বলেন, আজ এ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। এছাড়া আগামী ৭ আগস্ট গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন নির্ধারণ করেন বিচারক।

এবি সিদ্দিকী জানান, গত ১ জুলাই ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে এ মামলায় ঘটনার সত্যতা রয়েছে বলে শাহবাগ থানা পুলিশ খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করে।

গত বছরের ৫ জানুয়ারি শহীদের সংখ্যা নিয়ে কটূক্তি করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে মামলাটি করেন। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘আজকে বলা হয় এত লক্ষ শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না।’

অন্যদিকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীরা নির্বোধের মতো মারা গেছেন। একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যাঁরা পাকিস্তানের বেতন-ভাতা খেয়েছেন, তাঁরা নির্বোধের মতো মারা গেলেন। আর আমাদের মতো নির্বোধরা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তাঁদের কবরে ফুল দেই। আবার না গেলে পাপ হয়। তাঁরা যদি বুদ্ধিমান হন, তাহলে ১৪ তারিখ পর্যন্ত নিজের ঘরে থাকলেন কীভাবে।’

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিশেষ আদালত। এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। এঁদের মধ্যে তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরো বেশ কয়েকটি মামলা থাকায় তিনি সে থেকে কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা মহাশ্মশান কমিটির পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছা

সাতক্ষীরা মহাশ্মশান কমিটির পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। ১১ জুলাই বুধবার দুপুর ২টায় জেলা পরিষদ কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শ্মশান কমিটির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা প্রদান করে এবং সাতক্ষীরা মহাশ্মশানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় শ্মশান কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মঙ্গল কুমার পাল, সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার হালদার, অডিটর অধ্যক্ষ নির্মল কুমার দাশ, সহ-সাহিত্য সম্পাদক প্রকাশ পাইন, কার্যনির্বাহী সদস্য অচিন্ত কুমার দে প্রমুখ।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা মহাশ্মশানের উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলে নেতৃবৃন্দকে আশ্বাস্ত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে আটক ৭২

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১১ মাদক ব্যবসায়ী ও জামায়াত-শিবিরের দুই কর্মীসহ ৭২ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে ১৫০ পিচ ইয়াবাসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ২৯ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৭ জন, তালা থানা ৩ জন,কালিগঞ্জ থানা ১৮ জন, শ্যামনগর থানা ৫ জন, আশাশুনি থানা ৫ জন, দেবহাটা থানা ২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ত্রীসহ ডিআইজি মিজানের সম্পদ বিবরণীর নোটিশ জারি

দেশের খবর: পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্নার সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার নোটিশ জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার সংস্থার উপরিচালক ঋত্বিক সাহা স্বাক্ষরিত এ নোটিশ জারি করা হয়।

এরআগে দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত শাখা থেকে এ নোটিশ জারি করা হবে বলে জানিয়েছিলেন সংস্থাটির গণসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে ডিআইজি মিজানের নামে স্থাবর-অস্থাবর এক কোটি ৫৩ লাখ ৭০ হাজার ৭৬৩ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৭৯ লাখ ৩৬ হাজার ৬৫০ টাকার স্থাবর ও ৭৪ লাখ ৩৪ হাজার ১১৩ টাকার অস্থাবর সম্পদ।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটির আওতায় পাঁচ কাঠা জমি, পূর্বাচলে পাঁচ কাঠা জমি, পুলিশ অফিসার্স বহুমুখী সমবায় সমিতির আওতায় সাত কাঠা ৫০ শতাংশ জমি এবং অ্যাডভান্স পুলিশ টাউনে ফ্ল্যাট।

অন্যদিকে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে নিজ এলাকায় ৩২ শতাংশ জমিতে দুই হাজার ৪০০ বর্গফুটের বিলাসবহুল দ্বিতল বাড়ি রয়েছে তার। এটি নির্মাণে ৬৩ লাখ ৭০ হাজার ৬৪১ টাকা খরচ করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে ডিআইজি মিজানের নামে এসব সম্পদের মধ্যে ৪৬ লাখ ৩২ হাজার ১৯১ টাকার এবং তার স্ত্রীর নামে ৭২ লাখ ৯০ হাজার ৯৫২ টাকার অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের খোঁজ মিলেছে।

ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না আয়কর নথিতে স্থাবর ও অস্থাবর মোট ৮৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯৩৫ টাকার সম্পদের তথ্য দিয়েছেন। অথচ আয়ের উৎস পাওয়া যায় মাত্র ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৯৮৩ টাকা। অর্থাৎ দুদকের অনুসন্ধানে আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৭২ লাখ ৯০ হাজার ৯৫২ টাকার সম্পদ রয়েছে।

এ ছাড়া মিজানুর রহমানের ভাই মাহবুবুর রহমান স্বপনের নামে রাজধানীর বেইলি রোডে বেইলি রোজ নামের বাড়িতে ২ হাজার ৪০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ও ভাগ্নে পুলিশের এসআই মাহামুদুল হাসানের নামে চাকরিতে প্রবেশের আগেই ঢাকার পাইওনিয়ার রোডে ২০০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া যায়।

দুদক মনে করছে, ডিআইজি মিজান তাদের নামে এসব সম্পদ করেছেন। এ কারণেই দুদক তাকে সম্পদ বিবরণী নোটিশ দিচ্ছে।

ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ৩ মে দুদকের পক্ষ থেকে ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর জিআইজি মিজানের বক্তব্য ও তার দাখিল করা সহায় সম্পদের যাবতীয় নথি পর্যালোচনা করে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করেন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারি।

তিনি তার প্রতিবেদনে ডিআইজি মিজানের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ জারির সুপারিশ করেন। কমিশন সোমবার তাতে অনুমোদন দেয়।

এদিকে দুদক থেকে পাঠানো নোটিশ পাওয়ার সাত কার্যদিবসের মধ্যে নামে-বেনামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব দাখিল করতে হবে ডিআইজি মিজানকে।

এ বছরের জানুয়ারিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে স্ত্রী-সন্তান রেখে আরেক নারীকে জোর করে বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।

এ নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যেই এক নারী সংবাদ পাঠিকাকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ ওঠার পর তাকে ডিএমপি থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। পাশাপাশি ফেব্রুয়ারিতে তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ৩ মে সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে ডিআইজি মিজানকে ৭ ঘণ্টা বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলম ও উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest