সর্বশেষ সংবাদ-
সংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপিসাতক্ষীরায় দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর দুই সহযোগী গ্রেফতারসাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধ

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার খুঁটিনাটি

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপে অন্যতম ফেভারিট দল আর্জেন্টিনা। পুরো ফুটবল বিশ্বের চোখ এখন লিওনেল মেসির দিকে। এরই মধ্যে চূড়ান্ত স্কোয়াড নিয়ে ইতিমধ্যেই রাশিয়ায় পা দিয়েছে টিম আর্জেন্টিনা। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন তথা গতবারের রানার্স আর্জেন্টিনার যাবতীয় তথ্য।

আর্জেন্টিনা (গ্রুপ-ডি)
ফিফা ব়্যাংকিং: ৫ (৭ জুন, ২০১৮ প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী)
বিশ্বকাপ খেলছে: ১৭ বার
প্রথম বিশ্বকাপ: ১৯৩০ (রানার্স)
শেষ বিশ্বকাপ: ২০১৪ (রানার্স)
সেমিফাইনালে উঠেছে: ৫ বার
ফাইনালে উঠেছে: ৫ বার
চ্যাম্পিয়ন হয়েছে: ২ বার
সেরা ফল: চ্যাম্পিয়ন (১৯৭৮ ও ১৯৮৬)
পরিসংখ্যান: ম্যাচ-৭৭, জয়-৪২, ড্র-১৪, হার-২১, গোল করেছে-১৩১, গোল হজম করেছে-৮৪

কোচ: জর্জ সাম্পাওলি
তারকা ফুটবলার: লিওনেল মেসি

আর্জেন্টিনা স্কোয়াড: গোলকিপার: নাহুয়েল গুজমান (টাইগ্রেস ইউএএনএল), উইলফ্রেডো কাবালেরো (চেলসি), ফ্রাঙ্কো আরমানি (রিভার প্লেট)৷

ডিফেন্ডার: গ্যাব্রিয়েল মার্কাডো (সেভিয়া এফসি), ক্রিশ্চিয়ান আনসালদি (তোরিনো এফসি), নিকোলাস ওতামেনদি (ম্যানচেস্টার সিটি), ফেডেরিকো ফাজিও (এএস রোমা), মার্কোস রোজো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), নিকোলাস ত্যাগলিয়াফিকো (এএফসি আজাক্স), মার্কোস অ্যাকুনা (স্পোর্টিং সিপি), জাভিয়ের মাসচেরানো (হেবেই চাইনা ফর্চুন এফসি), এডুয়ার্দো স্যাভিও (এসএল বেনফিকা)৷

মিডফিল্ডার: লুকাস বিগলিয়া (এসি মিলান), এভার ব্যানেগা (সেভিয়া এফসি), গিওভানি লো সেলসো (প্যারিস সাঁ জা), এনজো পেরেজ (রিভার প্লেট), অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া (প্যারিস সাঁ জা), ম্যাক্সিমিনিয়ানো মেজা (সিএ ইন্ডেপেন্ডেন্তে), ক্রিশ্চিয়ান প্যাভন (বোকা জুনিয়র্স)৷

ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা), পাউলো দিবালা (জুভেন্টাস), সার্জিও আগুয়েরো (ম্যানচেস্টার সিটি), গঞ্জালো হিগুয়েন (জুভেন্টাস)৷

গ্রুপে প্রতিপক্ষ: আইসল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, নাইজেরিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ভাইজিকে ধর্ষণের দায়ে চাচার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় স্কুল ছাত্রী ভাইজিকে ধর্ষণের দায়ে চাচা জিয়াউর রহমানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদ্বন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হোসনে আরা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামী জিয়াউর রহমান সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দক্ষিণ তলুইগাছা গ্রামের মৃত রাহাতুল্লাহ সরদারের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৮ অক্টোবর বেলা দেড়টার দিকে আসামি জিয়াউর রহমান তার আপন ভাইজি সদর উপজেলার ভবানীপুর হাইস্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে কৎবেল খাওয়ানোর নাম করে বাড়ির পাশে পারিবারিক কবর স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ভাঙ্গা কবরের মধ্যে ফেলে তাকে সে ধর্ষণ করে। এসময় সেখানে থাকা একটি কুকুর ঘেউ ঘেউ করে ডাকতে থাকলে স্থানীয়রা সেখানে যাওয়ার আগেই ধর্ষক জিয়াউর রহমান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এঘটনার দুই দিন পর ৩০ অক্টোবর মেয়েটির মা (জাহানারা খাতুন) বাদি হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় আসামী জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত কর্মকর্তা সদও থানার এসআই আসাদুজ্জামান বিষয়টি অধিকতর তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ২ মার্চ আদালতে আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে এ মামলায় ৪ জন স্বাক্ষীরা সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে আসামি জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
এ মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ রায়ের সময় আসামি জিয়াউর রহমান পলাতক ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ইদ ও ইদ পরবর্তী নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা পুলিশের সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: সোমবার সকালে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আসন্ন পবিত্র ঈদ উল ফিতর ২০১৮ উদযাপন ও ঈদ পরবর্তী নিরাপত্তা সংক্রান্তে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান-এঁর সভাপতিত্বে বিশেষ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মইনউদ্দিন, সাতক্ষীরা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার, কালিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী, তালা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার অপু সারোয়ার, দেবহাটা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোঃ ইয়াসীন আলী, জেলা বিশেষ শাখার ডিআইও-১।

সভায় জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জসহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় পুলিশ সুপার, আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ পরবর্তী সময়ে কোন দুষ্কৃতিকারী চক্র যাতে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে সে লক্ষে সকলকে সর্তকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকাস্থ সাতক্ষীরাবাসীর সৌজন্য‌ে ডা. রুহুল হক এমপির ইফতার অনুষ্ঠিত

নিজস্ব  প্রতিবেদক : ঢাকাস্ত সাতক্ষীরাবাসীদের উপলক্ষে ঢাকা শ্যামলীর হিলটাউন কমিউনিটি সেন্টারে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ রমজান ১০ মে রবিবার বিকালে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র আয়োজনে এবং নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলামরে সার্বিক তত্ত্বাবধানে উক্ত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক।

এসময় তিনি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন-দেশ থেকে সন্ত্রাস, মাদক নির্মুল করতে হবে। পবিত্র মাহে রমজান থেকে শিক্ষা নিয়ে এক অপরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরী করতে হবে। আমি আপনাদের মাঝে খাদেম হয়ে থাকতে চাই। আর দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে পূর্বের ন্যায় আগামীতেও জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকলের প্রতি উদাত্ব আহবান জানান প্রধান অতিথি।

উক্ত ইফতার মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন- সমাজকল্যান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব আবু মাসুদ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক এ.কে.এম মুজিবর রহমান, ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম, ডাঃ কাজল কুমার কর্মকার, ডাঃ কামরুজ্জামানসহ ঢাকাস্থ সাতক্ষীরাবাসী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রোজার তাৎপর্য তুলে ধরে আরো বলেন-রোজা আমাদের সংযম শিক্ষা দেয়। রোজার মাস থেকে সবাইকে শিক্ষা নিয়ে জীবন গঠন করা উচিৎ। রোজার পুরষ্কার স্বয়ং আল্লাহ দিবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ

বিনোদনের খবর: তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও প্রতারণার অভিযোগে ৫৭ ধারায় দায়ের করা মামলায় ১০ হাজার টাকা মুচলেকা দিয়ে জামিন পেয়েছেন বাংলা গানের জনপ্রিয় তারকা আসিফ আকবর। মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করার আগ পর্যন্ত এ জামিন বহাল থাকবে।

সোমবার (১১ জুন) ঢাকা মহানগর হাকিম কেশব রায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। সকালে আদালতে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। পরে জামিন আবেদনে শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে রোববার (১০ জুন) আসিফের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। তবে কোনো কারণ উল্লেখ্য না করে জামিন আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেন।

গত ৬ জুন দুপুরে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কেশব রায় চৌধুরী জামিন ও রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান।

এর আগে গত ৬ জুন দিনগত রাতে রাজধানীর মগবাজারে আসিফ আকবরের স্টুডিও থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম।।

সোমবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় শফিক তুহিন আইসিটি আইনে আসিফের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। এতে আসিফ ছাড়াও আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে শফিক তুহিন উল্লেখ করেন, আমি গত ২০ বছর ধরে সঙ্গীত পেশায় গীতিকার, সুরকার ও কন্ঠশিল্পী হিসেবে কাজ করছি। প্রায় সহস্রাধিক সঙ্গীতকর্ম আমার রচনায় এদেশে প্রকাশিত হয়েছে। কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ আমি সেরা গীতিকার হিসেবে ২০১১ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বেসরকারি পর্যায়ে প্রায় অর্ধশতাধিক পুরস্কার অর্জন করেছি। গত ১ জুন আনুমানিক রাত ৯টার দিকে চ্যানেল ২৪-এর সার্চলাইট নামক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানতে পারি, আসিফ আকবর ও তার সহকারীরা অনুমতি ছাড়াই আমার সঙ্গীতকর্মসহ অন্য গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের ৬১৭টি গান সবার অজান্তে বিক্রি করেছেন। পরে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে জানতে পারি, আসিফ আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে অন মোবাইল প্রাইভেট লিমিটেড কনটেন্ট প্রোভাইডার, নেক্সনেট লিমিটেড গাক মিডিয়া বাংলাদেশ লিমিটেড ও অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে ট্রু-টিউন, ওয়াপ-২, রিংটোন, পিআরবিটি, ফুলট্রেক, ওয়ালপেপার, অ্যানিমেশন, থ্রি-জি কন্টেন্ট ইত্যাদি হিসেবে বাণিজ্যিক ব্যবহার করে অসাধুভাবে ও প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন।

এজাহারে তিনি আরও বলেন, পরে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ জুন রাত ২টা ২২ মিনিটে আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অনুমোদন ছাড়া গান বিক্রির এই ঘটনা উল্লেখ করে একটি পোস্ট দিই। ওই পোস্টের নিচে আসিফ নিজের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অশালীন মন্তব্য ও হুমকি দেন। পরের দিন রাত ৯টা ৫৯ মিনিটে আসিফ তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লাইভে আসেন। ৫৪ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড লাইভ ভিডিও’র ২২ মিনিট থেকে আমার বিরুদ্ধে অবমাননাকর, অশালীন ও মিথ্যা-বানোয়াট বক্তব্য দেন। ভিডিওতে আসিফ আমাকে শায়েস্তা করার কথা বলার পাশাপশি ভক্তদের যেখানে অমাকে পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করার নির্দেশ দেন। এই নির্দেশনা পেয়ে আসিফের ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে হত্যার হুমকি দেয়। এ অবস্থায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এছাড়া বিষয়টি সঙ্গীতাঙ্গনের সুপরিচিত শিল্পী, সুরকার ও গীতিকার প্রীতম আহমেদসহ অনেকেই জানেন।

তবে আসিফ আদালতে এসব কথা অস্বীকার করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়া জয়ী বাংলার বাঘিনীরা দেশে ফিরছেন বিকেলে

খেলার খবর: বিজয়ের হাসি নিয়ে আজ বিকেলে দেশে ফিরছে এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। গতকাল শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতে নিয়েছে বাংলার বাঘিনীরা।

আজ সোমবার বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটযোগে মালয়েশিয়া থেকে ঢাকায় পা রাখবে বাংলাদেশের নারীরা। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন তাদের শুভেচ্ছা জানাবেন।

গতকাল টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলিং তাণ্ডবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১১২ রান তুলে ভারত। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন শারমিন সুলতানা এবং আয়েশা রহমান। ওপেনিং জুটিতে আসে ৩৫ রান। শেষ ওভারে দরকার ছিল ৯ রান। হারমপ্রীত কাউর এসে চতুর্থ বলে তুলে নেন সানজিদাকে (৫)। শেষ পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস মুহূর্তের অবসান হয় বাংলাদেশের অসাধারণ বিজয়ে! দুই রান নিতে পেরেছিলেন সালমা আর জাহানারা।

এই রানের ফলে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের মাঠটিতে গর্জে উঠে লাল সবুজের দল। গ্যালারিতে কিছু দর্শক চিৎকার করতে থাকেন। গোটা দেশ মেতে উঠে উল্লাসে। দুর্দান্ত অল-রাউন্ড পারফর্মেন্সে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন রুমানা আহমেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সালমান খানকে হত্যার পরিকল্পনা হয়েছিল!

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের হায়দারাবাদ পুলিশ।

গত ৬ জুন হায়দারাবাদ থেকে সম্পত নেহেরা নামের ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে গুরুগ্রামের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। পুলিশ জানিয়েছে, সম্পত ভয়ংকার অপরাধী বা গ্যাংস্টার। তিনি আরেক গ্যাংস্টার লরেন্স বিশনই-এর সহযোগী।

জিজ্ঞাসাবাদে সম্পত নেহেরা জানিয়েছেন, তাঁরা অভিনেতা সালমান খানকে হত্যার ছক কষেছিলেন।

এর আগে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় সালমান খান ছাড়া পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার সময়েই তাঁকে হত্যার হুমকি দেন লরেন্স বিশনই। সালমান খানকে যেখানেই পাবেন সেখানেই হত্যা করবেন বলে হুমকি দেন তিনি। এরপর থেকে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয় সালমানের।

হায়দারাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, আটক সম্পত নেহেরা লরেন্সের সহযোগী। তাঁর বাড়ি ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে।

জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি মুম্বাইয়ে সালমান খানের বিলাসবহুল বাড়ির সামনে ঘোরাফেরা করছিলেন। স্থানীয় নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সম্পত নেহেরা জানান, তিনি সালমানের অনেক বড় গুণমুগ্ধ। তাই প্রিয় তারকার সঙ্গে কেবল একবার দেখা করতে চান। কিন্ত নিরাপত্তারক্ষীদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা সম্পতকে সালমানের সঙ্গে দেখা করতে দেননি। পরে সম্পত মুম্বাই থেকে চলে যান হায়দারাবাদে।

এদিকে, সম্পত নেহেরার গতিবিধি মুম্বাই পুলিশের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি জানানো হয় হায়দারাবাদ পুলিশকে। পরে হায়দারাবাদ পুলিশের সাহায্যেই গুরুগ্রাম পুলিশ সম্পত নেহেরাকে গ্রেপ্তার করে।

সম্পত নেহেরার বিরুদ্ধে অন্তত ২৪টি হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।

এসটিএফ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে সম্পত নেহেরা স্বীকার করেছেন যে, সালমান খানকে হত্যার জন্য গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে মুম্বাইয়ে তাঁর বাড়ির সামনে পর পর দুই দিন পরিদর্শক করেন তিনি। লক্ষ্য নির্ধারণ করতে সালমানের যাওয়া-আসার সময় ও তাঁর নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্যও সংগ্রহ করেন সম্পত। পরিকল্পনা ছিল সালমান খান যখন নিজের বাড়ির বারান্দায় ভক্তদের দেখা দেন, সেই সময়ই তাঁকে হত্যা করা হবে। এজন্য সালমান খান ভক্তদের থেকে কত দূরে থাকেন, এই দূরত্বে কোনো অস্ত্র ব্যবহার করতে হবে সেসবের হিসাব ঠিক করেছিলেন সম্পত। কিন্তু এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই ধরা পড়তে হয় সম্পতকে।

এসটিএফ সম্পতকে জেরা করে জানার চেষ্টা করছে এই খুনের পরিকল্পনায় আর কে কে জড়িত। জানা গেছে, কারাগারে বন্দি লরেন্স বিশনই এই পরিকল্পনা করেন। তারপর সালমানকে খুনের দায়িত্ব দেওয়া হয় সম্পত নেহেরাকে। সম্পত চন্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি করার সময় থেকেই লরেন্সের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক। ২০১৬ সালে একটি গাড়ি চুরির ঘটনায় জেল হয় সম্পতের। এরপর থেকেই লরেন্স বিশনইয়ের গ্যাংয়ে তিনি পাকাপাকিভাবে যোগ দেন।

কৃষ্ণসার হরিণ বিশনই সম্প্রদায়ের কাছে ঈশ্বরের মতো। এই কৃষ্ণসার হরিণকে বিশেষ শ্রদ্ধার চোখে দেখেন বিশনই সম্প্রদায়ের মানুষজন। এই বিশনই সম্প্রদায়ের মধ্যে থেকেই সালমান খানের বিরুদ্ধে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে। এই সম্প্রদায়ের মানুষরাই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। সেই মামলাতেই সাজা হয় এই বলিউড তারকার। পরে অবশ্য মুক্তি পান তিনি। সেই কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা নিয়েই লরেন্স বিশনইয়ের রাগ ছিল সালমান খানের ওপর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের ছেলে আবদুন নূর ‘রানি রাসমণি’র রাজচন্দ্র

বিনোদন সংবাদ: ‘আমার মা কলকাতায় এসেছেন। চিকিৎসার জন্য। তাই সকালে আপনি যখন ফোন করেছেন, তখন কথা বলতে পারিনি।’ শুরুতেই দুঃখপ্রকাশ করেন গাজী আবদুন নূর। গতকাল রোববার সকালে কলকাতা থেকে তিনি নিজেই ফোন করে বললেন। জি বাংলার এ সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’। এখানে তিনি ‘রানিমা’ রানি রাসমণির স্বামী রাজচন্দ্র দাশের চরিত্রে অভিনয় করছেন। ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’ সিরিয়ালের জন্য শুধু ভারতের বাংলা টিভি চ্যানেলের দর্শকদের কাছেই নয়, বাংলাদেশের টিভির দর্শকদের কাছেও এখন খুব পরিচিত গাজী আবদুন নূর। শুরুতেই জানালেন, তিনি বাংলাদেশের ছেলে। বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট উপজেলায় দাদার বাড়ি আর নানার বাড়ি গোপালগঞ্জে। তাঁদের বাসা মোল্লারহাটে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পড়াশোনা করেছেন সেখানেই। কলকাতায় যান ২০১১ সালে। গাজী আবদুর নূর মঞ্চনাটকের সঙ্গে জড়িত হন বাংলাদেশেই। বিবর্তন যশোরের সদস্য। এই দলের হয়ে ২০১১ সালে কলকাতায় যান। অনীক থিয়েটার আয়োজিত গঙ্গা-যমুনা নাট্যোৎসবে ‘রাজা প্রতাপাদিত্য’ নাটক নিয়ে অংশ নেয় বিবর্তন যশোর। ওই সময় সেখানে নাটক নিয়ে পড়াশোনা করার ব্যাপারে আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর। যোগাযোগ করেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। নাটক নিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়ে যান। পরের বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রামা বিভাগে ভর্তি হন। সাফল্যের সঙ্গে স্নাতক শেষ করার পর স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ভারত সরকারের আইসিসিআর বৃত্তি পান। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন।

বাবা গাজী আবদুল মান্নান যখন মারা যান, তখন গাজী আবদুন নূর খুব ছোট। এক সময় সংসার চালানোর ভার চলে আসে তাঁর ওপর। তাই কলকাতায় শুরু থেকেই কাজের সন্ধানে ছিলেন। শুরুতেই ক্যামেরার পেছনের কাজ। অরোরা ফিল্মস, চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, ১১১ বছরের পুরোনো। এখানে নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে কাজ পান। গাজী আবদুন নূর বললেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানটি অনেক কাজ করেছে। আজকের টালিউড হওয়ার পেছনে রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানের যথেষ্ট অবদান। এখানে যে চেয়ারে সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন থেকে শুরু বড় বড় নির্মাতা বসেছেন, সেই চেয়ারে আমিও বসেছি। অন্য রকম অনুভূতি হয়েছে আমার মধ্যে।’

খুব বেশি দিন ক্যামেরার পেছনে কাজ করতে হয়নি তাঁকে। কারণ, একসময় তিনি নিজেই সিদ্ধান্ত নেন, পেছনে নয়, ক্যামেরার সামনে কাজ করবেন। কিন্তু কলকাতার টিভি ও চলচ্চিত্রে এখন কঠিন প্রতিযোগিতা। এর মাঝে কীভাবে নিজের জন্য এতটুকু জায়গা করে নেবেন গাজী আবদুন নূর! জানালেন, শুরুতে তাঁর ইচ্ছা ছিল বড় পর্দায় কাজ করবেন। কিন্তু প্রস্তাব পেলেন ছোট পর্দার। কালারস বাংলার ‘রেশম ঝাঁপি’ আর জি বাংলার ‘বাক্স বদল’ সিরিয়ালের মূল চরিত্র। কিন্তু তিনি রাজি হননি। বললেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে, দুটোই গতানুগতিক গল্প।’

‘রেশম ঝাঁপি’র অডিশনে জি বাংলার একজন গাজী আবদুন নূরকে দেখে পছন্দ করেন। ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’ সিরিয়ালে রাজচন্দ্র দাশের চরিত্রে অডিশন দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান তাঁকে। কিন্তু সে কী, এই চরিত্রে অডিশন দিতে এসেছে ২০০ জন! এখানে গাজী আবদুন নূরের সিরিয়াল ১১৭। কীভাবে সম্ভব? বললেন, ‘এত দিন ড্রামা নিয়ে পড়েছি, তাই কিছুটা আত্মবিশ্বাস ছিল। শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছি।’

রানি রাসমণির যে গল্প ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’ সিরিয়ালে তুলে ধরা হয়েছে, তা ২০০ বছর আগের। সিরিয়ালেও রয়েছে সেই সময়ের আবহ। চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে কিছু নাটকীয়তা যুক্ত করা হলেও মূল গল্প থেকে সরে যায়নি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এই সিরিয়ালে কাজ করতে এসে গাজী আবদুন নূর বাস্তব জীবনেও নিজেকে ‘জমিদার রাজচন্দ্র দাশ’ ভাবতে শুরু করেছেন। জানালেন, এই সিরিয়ালের কাজ শুরু করার আগে পাঁচ বছর সেই কাহিনি নিয়ে গবেষণা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য সব ঘটনা আর সংশ্লিষ্ট চরিত্রগুলো যথাযথভাবে ফুটিয়ে তোলার শতভাগ চেষ্টা ছিল। গবেষণা থেকে রাজচন্দ্র দাশের চেহারার ব্যাপারে যতটা ধারণা পাওয়া গেছে, সেভাবেই নিজেকে সাজিয়েছেন। সেই পুরোনো আমলের জমিদারদের সঙ্গে মিলে যায়, তেমনিভাবে গোঁফ আর দাড়ি রেখেছেন। কলকাতায় যে বাড়িতে তিনি আছেন, সেই বাড়ির জন্য তিনি সব আসবাবপত্র সংগ্রহ করেছেন বিভিন্ন নিলাম থেকে। সেসব আসবাবপত্র বিভিন্ন জমিদারবাড়ির।

২০০ বছর আগে কলকাতার বাবুরা যেভাবে কথা বলতেন, গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে তার কিছু রূপ। গাজী আবদুন নূর বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের ছেলে। আমাদের উচ্চারণ আলাদা। এই সিরিয়ালে কাজ করতে এসে আমি সেই বাবুদের কথা বলার ধরন আর চলাফেরা রপ্ত করেছি।’

জমিদার রাজচন্দ্র দাশের ব্যাপারে গাজী আবদুন নূর বলেন, ‘ইতিহাসের কোথাও জমিদার রাজচন্দ্র দাশের কিছু পাওয়া যায় না। সব জায়গায়ই আছেন রানিমা রানি রাসমণি। কিন্তু জমিদার রাজচন্দ্র দাশ অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন। এই যেমন কলকাতা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা, হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠা, সড়ক নির্মাণ, ঘাট নির্মাণ, সতীদাহ প্রথা রোধ। সবাই জানেন, একজন পুরুষের সাফল্যের পেছনে তাঁর স্ত্রীর ভূমিকা থাকে। কিন্তু এখানে ঘটেছে উল্টোটি। স্ত্রীকে তিনি বলেছিলেন, “আমার লোকসমাজে পরিচিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তুমি বড় হও। সবাই তোমাকে জানুক।” রাজচন্দ্র দাশ কিন্তু প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরকেও ঋণ দিয়েছিলেন। এমনি অসংখ্য ঘটনা যখন জেনেছি, তখন রাজচন্দ্র দাশ চরিত্রটা প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়েছে। এই মানুষটার জন্য নিজের মধ্যে একটা টান অনুভব করছি।’
সূত্র: প্রথমআলো।

সিরিয়ালের শুরুতেই সতীদাহ প্রথার বিরোধিতা করতে গিয়ে মাথায় আঘাত পান রাজচন্দ্র দাশ। চরিত্রটা তখনই শেষ করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু দর্শক জরিপ থেকে জানা যায়, ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’ সিরিয়ালের শুরুতেই জনপ্রিয় হয় ‘রাজচন্দ্র দাশ’ চরিত্রটি। তখন জি বাংলার বিপণন বিভাগ থেকে জানানো হয়, রাজচন্দ্রকে মেরে ফেললে সিরিয়াল চলবে কাকে দিয়ে? অল্পদিনে জনপ্রিয় হওয়ায় গাজী আবদুন নূরকে শুভেচ্ছা জানায় জি বাংলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তাঁর বাসায় ফুল আর উপহার হিসেবে পাঠানো হয় নানা কিছু।

গাজী আবদুন নূরকে নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। কিন্তু এখনই চলচ্চিত্রের জন্য সময় দিতে পারছেন না গাজী আবদুন নূর। বললেন, ‘সিরিয়ালটি একটা জায়গায় পৌঁছে গেছে। আমাদের সপ্তাহে সাত দিনই কাজ করতে হচ্ছে। কিন্তু একটা চলচ্চিত্রের জন্য ন্যূনতম ১৭-১৮ দিন সময় দিতে হবে। এখন যদি আমি ছুটি নিই, তাহলে সিরিয়ালটির জনপ্রিয়তার ওপর তার প্রভাব পড়বে। তা আমি চাই না।’
গাজী আবদুন নূরের মনে অভিনয়ের পোকাটা নাকি ঢুকিয়েছিলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় নির্মাতা ফেরদৌস হাসান রানা। তখন গাজী আবদুন নূর যশোর থেকে ঢাকায় আসছিলেন বেড়াতে, বোনের বাসায়। বললেন, ‘আমি ক্লাস নাইনে পড়ছি। গাড়িতে পরিচয় হয় এই নির্মাতার সঙ্গে। তিনি আমাকে অভিনয়ে যোগ দেওয়ার জন্য বলেছিলেন। তাঁর সেই কথা আমি ভুলিনি।’

জানালেন এরই মধ্যে তিনি বাংলাদেশের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। নাম ‘যৈবতী কন্যার মন’। সেলিম আল দীনের কাহিনি থেকে ছবিটি তৈরি করেছেন নারগিস আক্তার। ছবিটি আগামী ৩ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা আছে। এর আগে তিনি বাংলাদেশে আসবেন, ছবিটির প্রচারণার কাজে অংশ নেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest