সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

৩ নম্বর সতর্ক সংকেত; হতে পারে ঝড়ো হাওয়া

দেশের খবর: উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

রোববার (১৫ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে।

কারণ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।

এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আম খেলেই পুত্রসন্তান, দাবি মৌলবাদি নেতার!

ভিন্ন স্বাদের খবর: পুত্র সন্তান চাই। তাহলে আমার বাগানের আম খান, নারীরা পুত্র সন্তান লাভ করবেন। এমন মন্তব্য করে গত জুন মাসে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন মুম্বাই মহারাষ্ট্রের হিন্দুত্ববাদী নেতা সাম্ভাজী ভিদে। এখন সেই মন্তব্য ঘিরে বিপাকে পড়ে গিয়েছেন এই নেতা। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছে নাসিক পুরসভা।

ঘটনার সূত্রপাত গত মাসে। নাসিকের এক সভায় সাম্ভাজি বলেন, ‘‘আম শক্তিশালী ও পুষ্টিকর। যদি কোন নারী আমার বাগান থেকে আম খান, তাহলে তিনি পুত্রসন্তান জন্ম দিতে পারেন।’’ সাবেক আর এস এস নেতার এহেন মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

এরপরেই আসরে নামে নাসিক পুরসভা। জানা গেছে, প্রথমে নাসিক পুরসভার তরফ থেকে একটি নোটিশ পাঠানো হয় সাম্ভাজির কাছে। কিন্তু সেই নোটিশের উত্তরই দেননি প্রভাবশালী এই নেতা। এর পরেই আইনজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে সেই নেতার বিরুদ্ধে স্থানীয় একটি আদালতে মামলা করে নাসিক পুরসভা। বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা আনা হয়েছে।

সূত্রঃ এবেলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে এমপি জগলুল চালালেন ট্রাক্টর

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার অামন ধান চাষ বৃদ্ধিতে কৃষকদের উৎসাহিত করতে আজ নিজের জমি চাষ করেছেন ট্রাক্টর চালিয়ে। এর আগে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দুর্গাবাটিতে শ্রমিকদের সঙ্গে মিলে মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণে কাজ করেছেন জগলুল হায়দার।
শ্রমিক, সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্বুদ্ধ করতেই পরনে লুঙ্গি, গায়ে শ্যান্ডো গেঞ্জি, পায়ে রাবারের স্যান্ডেল ও মাথায় গামছা বেঁধে ট্রাক্টর চালিয়ে নিজের জমি চাষ করলেন তিনি।
এর আগে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মাথায় করে মাটি বয়ে নিয়ে যাওয়ার ভাইরাল হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হারিয়ে যাওয়ার পথে ‘গরুর গাড়ি’

নিজস্ব প্রতিনিধি: হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের গরুর গাড়ি। এখন আর গ্রামগঞ্জে আগের মতো চোখে পড়ে না গরুর গাড়ি যা এক সময় কলারোয়া উপজেলার সকল জনপদে দেখা মিলতো।
কেঁড়াগাছী, বাঘাডাঙ্গা, কাকডাঙ্গা, ভাদিয়ালি, সোনাবাড়িয়া, গয়ড়া, চন্দনপুর, জয়নগর, জালালাবাদ, হেলাতলা, কুশোডাঙ্গা, কেরালকাতা, দেয়াড়া, যুগিখালী, কয়লা, লাঙ্গলঝাড়াসহ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের সকল গ্রামের মেঠোপথে দেখা যেত গরুর গাড়ি। ছিল সর্বত্র এই গরুর গাড়ির মর্যাদাও। দু’টি গরু দিয়ে পিছনের গাড়ি চলতো ‘ঠাই ঠাই’ করে। বিয়েশাদি থেকে শুরু করে অন্য কোন অনুষ্ঠানে মানুষ বহনের জন্য ‘ছই ওয়ালা’ গরুর গাড়ি ছাড়া যেন কল্পনাই করতে পাতেন না এইসব গ্রামের মানুষ। মানুষ পরিবহনের পর গরুর গাড়ি হরহামেশা ব্যবহৃত হতো মাঠের ফসল আনা-নেয়ার কাজে। সেটাও যেনো এখন বিলুপ্তপ্রায় আধুনিকতা আর যান্ত্রিক বাহনের আধিক্যতায়। এমনকি ফসল কাটার পর ফাঁকা মাঠে গরুর গাড়ির প্রতিযোগিতা হতো- গাড়ি নিয়ে কার গরু আগে যায় দেখার জন্য। সেই বিশেষ প্রতিযোগিতাও এখন তেমনটা আর দেখা যায় না।
বাঁশ আর বাঁশের চটা দিয়ে পিছনের ফ্রেম তৈরি করে গরুর গাড়ি বানানো হতো। সেই গাড়ির চাকার জন্য কামারের কাছ থেকে লোহার পাত সংযুক্ত করা হতো। শতভাগ জ্বালানী বিহীন ও পরিবেশবান্ধব গরুর গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে কোন খরচ হতো না। শুধু গাড়ি বহনের দু’টি গরুর পিছনে যা খরচ হতো। আবার সেই গরুও বিক্রি করে আর্থিক লাভবান হওয়া যেতো।
প্রবীন অনেকে জানালেন- কলারোয়া উপজেলায় এক সময় গরুর গাড়ি চলত প্রতিনিয়ত। কিন্তু এখন এই সব জনপদে হারিয়ে যেতে বসেছে সেই গরুর গাড়ি। অবশ্য এখনো মাঝে মধ্যে গ্রামাঞ্চল গুলোতে দুই-একটি গরুর গাড়ি চোখে পড়ে। কিন্তু সেগুলোর অবস্থাও নাজুক।
চন্দনপুর গ্রামের ৮০উর্দ্ধো বয়সী নজরুল ইসলাম জানান- ‘আজ শহরের ছেলে মেয়েরা তো দূরের কথা, গ্রামের ছেলে মেয়েরাও গরুর গাড়ি যানবাহনটির সাথে খুব একটা পরিচিত নয়। আগে অনেকেরই গরুর গাড়ি ছিল উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন।’
কেঁড়াগাছী গ্রামের মুনছুর আলী বলেন- ‘আমার বাবা দাদারা গরুর গাড়ি চালিয়ে উপার্জন করে আমাদের বড় করেছেন। এই আধুনিক যুগে গরুর গাড়ি নেই, আছে অটো বা ইঞ্জিন চালিত যানবাহন। মানুষের গরুর গাড়ির ওপর চাহিদা নেই।’
কুশোডাঙ্গা এলাকার গরুর গাড়ির মালিক সুব্রত বলেন- ‘আগে মালামাল বহন করার জন্য গরুর গাড়ির বিকল্প ছিল না। শুধু মালামালই নয়, বিয়ের জন্য বা আত্মীয়ের বাড়ি যাওয়ার একমাত্র ভরসা ছিলো গরুর গাড়ি। মাঠের ফসল বহনের জন্য গরুর গাড়ির বিকল্প ছিল না, যদিও যতসামান্য সেটা এখনো দেখা যায়। এমনকি ফসল কাটার পর ফাঁকা মাঠে গরুর গাড়ির প্রতিযোগিতা হতো- গাড়ি নিয়ে কার গরু আগে যায় দেখার জন্য। সেই বিশেষ প্রতিযোগিতাও এখন তেমনটা আর দেখা যায় না।’
বর্তমানে আমরা নিজেদের ব্যবহারের জন্য মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার বা মাইক্রো ক্রয় করি ঠিক তেমনি কয়েক যুগ আগেও গ্রামের অবস্থাসম্পন্ন লোকজন ও গৃহস্থরা গরুর গাড়ি নিজের ব্যবহারের জন্য তৈরি করে বাড়িতে রাখতেন। আপদ-বিপদে তা তারা বাহন হিসেবে ব্যবহার করতেন সেটা। মাঝেমধ্যে তা আবার ভাড়াও দিতেন।
এখন গরু আছে কিন্তু গাড়ি নেই। গরুর গাড়ি এখন শুধুই স্মৃতি হতে চলেছে। পরিবর্তনের যুগে এসে গ্রাম বাংলার সেই জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি এখন হারিয়ে যাওয়ার পথে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পারুলিয়ায় ছকিনা ব্রিকস বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া ছকিনা ব্রিকস বন্ধের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ব্রিকসের কারনে এলাকার বিপর্যয় ঘটছে এই অভিযোগে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিকাল ৪টায় উক্ত ব্রিকসের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পারুলিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সাহেব আলী। এসময় বক্তব্য রাখেন ২নং পারুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব হোসেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোস্তফা কামাল সুইট, উপজেলা ছাত্রলীগের উপদপ্তর সম্পাদক সবুজ হোসেন, পবিত্র ঘোষ প্রমূখ। এ সময় বক্তরা বলেন, সেকেন্দার মাঠে ইটভাটা নির্মাণ করে এই এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এই এলাকায় আনসার আলি সরকারি প্রাইমারি স্কুল, কুলিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, দক্ষিন কুলিয়া এবতেদায়ি মাদ্রাসা এবং কুলিয়া এলাহী বক্সদাখিল মাদ্রাসা, কুলিয়া জামে মসজিদসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এখানে ভাটার কালো ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। একই সাথে নষ্ট হচ্ছে এই এলাকার হাজার হাজার বিঘা জমির ফসল। বিপন্ন হচ্ছে মানুষের স্বাস্থ্য। জনবসতি এলাকায় ইটের ভাটা স্থাপনের পর থেকে পরিবেশ দূষণ, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, ইট পরিবহনের কারণে কাঁচা রাস্তায় বড় বড় গতের্র সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানিতে ভরপুর হয়ে পড়েছে সড়কটি। তথ্যমতে, সাতক্ষীরায় পরিবেশ অধিদপ্তরের নীতিমালা লংঘন করে ও প্রশাসনের পূর্বাানুমতি ছাড়াই দেবহাটার উঃ পারুলিয়া গ্রামে বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে চার ফসলি জমিতে প্রস্তাবিত ছকিনা ব্রিকস নামের ইটভাটা নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। এরপর এলাকাবাসির অভিযোগের ভিত্তিতে ভাটা মালিক মোশারফ হোসেন মুসাকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি সেখানে হাজির হননি। হাজির না হয়ে তিনি আবারও ভাটার কাজ চালিয়ে যাওয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২২.০২.০০৪০.০৩৬.৬১.০০৫.১৬.১০৬৫ স্মারকে তাকে পূনরায় ভাটার যাবতীয় কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশসহ তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন ১৯৯৫ এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন, ২০১৩ অনুযায়ী কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না সেই মর্মে লিখিতভাবে আবারও নোটিশ জারী করা হয়েছিল। এলাকাবাসী দ্রুত ইটভাটাটি বন্ধের নির্দেশ প্রদানসহ পরিবেশ রক্ষার্থে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় চোরাচালান ও মানব পাচার প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় মাদক-চোরাচালান বিরোধী ও নারী-শিশু প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কেঁড়াগাছির সোনাই নদী তীরে হরিদাস ঠাকুর জন্মভিটা আশ্রম প্রাঙ্গনে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সাতক্ষীরা, ৩৩বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর ফজলে উদ্দীন।
এসময় ৫নং কেঁড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল, হরিদাস ঠাকুর জন্মভিটা আশ্রমের সভাপতি অধ্যাপক কার্তিক চন্দ্র মিত্র, ইউপি সদস্য জিএম মহিদুল গাজি, রানা হোসেন, বিল্লাল হোসেন, নজরুল ইসলাম, কাশেম আলী, রফিকুল ইসলাম, মুজিবর রহমান, সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সীমান্তে ২৫ কেজি ভারতীয় রূপা ও একটি অস্ত্র উদ্ধার

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার কুশখালী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৫ কেজি ভারতীয় রূপা ও একটি এয়ারগান উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।
আজ রোববার ভোরে সদর উপজেলার কুশখালী সীমান্ত থেকে উক্ত রুপা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তবে, বিজিবি এসময় কোন চোরাকারবারীকে আটক করতে সক্ষম হননি। উদ্ধারকৃত রুপার মূল্য ১৬ রাখ ৪ হাজার ২৯৫ টাকা।
কুশখালী বিওপির নায়েক সুবেদার হানিফ জানান, সদর উপজেলার কুশখালী সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারত থেকে রুপার একটি বড় চালান আনা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় সেখান থেকে ২৫ টি প্যাকেট থেকে ২৪ কেজি ৯৫০ গ্রাম ভারতীয় রূপা ও একটি এয়ারগান উদ্ধার করা হয়।
সাতক্ষীরা-৩৩ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক সৈয়দ ফজলে হোসেন দুপুরে সাংবাদিকদের সাথে এক প্রেস ব্রিফিং করে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত রূপার আনুমানিক মূল্য ১৬ লাখ ৪ হাজার ২৯৫ টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয়মহা প্রভু সেবক সংঘের রথযাত্রা উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও ভাবগম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব রথযাত্রা পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার বিকেল চারটায় পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়িতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জয়মহাপ্রভু সেবক সংঘের সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক ইফতেখার হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ গুহ, রথযাত্রা আয়োজক কমিটির আহবায়ক ডাঃ সুশান্ত কুমার ঘোষ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, জেলা মন্দির সমিতির সহ-সভাপতি এ্যড. সোমনাথ ব্যানার্জী, পৌর কাউন্সিলর আব্দুস সেলিম, প্রাণনাথ দাস, ডাঃ হরষিৎ চক্রবর্তী, নারায়ন অধিকারী, ধীরু ব্যানার্জী, নিত্যানন্দ আমিন, বিকাশ চন্দ্র দাশ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, জগতের কল্যানে জগন্নাথদেব ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের পুরীতে প্রথম আবির্ভাব হয়। পুরীর রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন দারুব্রহ্ম বা নিমকাঠ দিয়ে জগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরামের মুর্তি তৈরি করেন। স্বয়ং ব্রহ্মা এ মুর্তি তৈরিতে সহায়তা করেন। এরপর থেকে ভারত , বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উদযাপিত হয়ে আসছে। জগন্নাথদেব শুধু মাত্র একটি বিশেষ ধর্ম বা সম্প্রদায়ের জন্য নন, সকল ধর্মের কল্যানকর হিসেবে পুজিত হয়ে আসছেন। তাই অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশে সকল ভেদাভেদ ভুলে মানব কল্যানকর কাজের বিকল্প নেই।
এরপর জগন্নাথদেব, সুভদ্রা ও বলরামকে রথে তোলার পর ফিতা কেটে রথের শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম ও জেলা প্রশাসক ইফতেখার হোসেন। শোভাযাত্রাটি পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবারো মায়ের বাড়িতে এসে শেষ হয়। এ র‌্যালিতে অংশ নেয় শহরতলীর বেজুয়ারডাঙি রথ। আগামি ২২ জুলাই উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে বলে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। তবে আগামি আট দিনে মন্দিরে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest