সর্বশেষ সংবাদ-
ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণদেবহাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দফের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি সেঁজুতিআসুন মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করি: প্রধানমন্ত্রীসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে খুলনায় তদন্ত সোমবারদেবহাটায় প্রবাসী নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অতিবর্ষণে জেলার ৩৮টি প্রাইমারি স্কুল বন্ধহাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৮৬স্কুল-কলেজে সিসিটিভি ও অনলাইন নজরদারি, মাউশির জরুরি নির্দেশনাশেষের ঝড়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে, প্রতিপক্ষ সেখানে ইংল্যান্ড

শিশুর অ্যাপেন্ডিসাইটিস

স্বাস্থ্য কণিকা: অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা হঠাৎ করে শুরু হয় এবং তা খুব মারাত্মক হয়। এ সময় শিশুরা খুব কান্নাকাটি করে। এ ধরনের ব্যথার উপসর্গ ও করণীয় সম্পর্কে আগে থেকে জানা থাকলে জটিলতা এড়ানো যায়। লিখেছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আশরাফ উল হক কাজল
মানুষের বৃহদন্ত্রের সঙ্গে লাগানো কনিষ্ঠ আঙুলের মতো একটি সরু থলের নাম ‘অ্যাপেন্ডিক্স’। লম্বায় এটি দুই থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে, যা থাকে তলপেটের ডান দিকে। মানুষের এমনকি প্রাইমেট গোত্রের (শিম্পাঞ্জি, বানর, গরিলা ইত্যাদি) প্রজাতির মধ্যেও অ্যাপেন্ডিক্স রয়েছে। তবে বেশির ভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণীর অ্যাপেন্ডিক্স নেই। এই ছোট্ট থলেতে আকস্মিক প্রদাহ হলে দেখা দেয় অসহনীয় ব্যথা, যার নাম অ্যাপেন্ডিসাইটিস। শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ—সবার ক্ষেত্রে এটা মারাত্মক হতে পারে।
যাদের হয়
আমেরিকায় প্রতিবছর হাজারে একজন শিশু অ্যাপেন্ডিসাইটিসে আক্রান্ত হয়। তবে বাংলাদেশে কত মানুষ এতে আক্রান্ত হয়, এর সঠিক পরিসংখ্যান নেই। মানুষের আয়ুষ্কালে ৯ শতাংশ পুরুষ এবং সাত শতাংশ নারী এতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শিশুদের মধ্যেও এই রোগের প্রবণতা রয়েছে। শিশু বলতে সাধারণত ১৮ বছর পর্যন্ত বয়সকে বোঝায়। এর মধ্যে নবজাতক হলো জন্মের পর ২৮ দিন পর্যন্ত। এক বছর পর্যন্ত বয়সীরা ইনফ্যান্ট। তবে ১৮ বছরের নিচের বয়সী বা শিশুদের অ্যাপেন্ডিসাইটিসে আক্রান্তের আশঙ্কা এক-তৃতীয়াংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয় ১১ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের।
ঝুঁকি
অ্যাপেন্ডিসাইটিস হলে দ্রুত রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা করা উচিত। কারো অ্যাপেন্ডিসাইটিস হওয়ার পর সঠিক চিকিৎসা প্রয়োগ না করলে বা বিলম্বে চিকিৎসা করালে অনেক সময় তা ফেটে যেতে পারে, পুঁজ হতে পারে বা চাকার মতো হয়ে যেতে পারে। এই প্রতিক্রিয়াগুলো কিন্তু মারাত্মক, যাতে জীবনসংহার পর্যন্ত হতে পারে।
উপসর্গ
শিশুরা সমস্যাগুলো ঠিকমতো বলতে পারে না, আবার অনেক মা-বাবাও বুঝতে পারেন না তাঁদের সন্তানের অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে কি না। এই ব্যথার অবশ্য কিছু উপসর্গ বা লক্ষণ থাকে। যেমন—
♦ প্রথম ও প্রধান লক্ষণ পেট ব্যথা। এই ব্যথা থেমে থেমে ওঠে, পরে সেটি তীব্র ও হালকা—দুই রকমেরই হতে পারে।

♦ প্রাথমিকভাবে নাভির চারদিকে হালকা ব্যথা হয়। এরপর ডান দিকে তলপেটে ব্যথা (যেখানে অ্যাপেন্ডিস অবস্থিত) ছড়িয়ে যায়।

♦ ডান তলপেটে টেন্ডারনেসের সঙ্গে সঙ্গে ওই স্থানে গার্ডিং (শক্ত অনুভূত হওয়া) পাওয়া যায়, কাশি দিলে ওই স্থানে ব্যথা হতে পারে। তবে কখনো কখনো অ্যাপেন্ডিসাইটিস হলেও ডান তলপেটে টেন্ডারনেস বা গার্ডিং থাকে না।

♦ নাড়ির গতি দ্রুত হওয়া, ক্ষুধামান্দ্য, মুখে দুর্গন্ধ, জিহ্বায় সাদা আবরণ ইত্যাদি।

♦ অনেক সময় পেট ব্যথা, বমি, জ্বর, পাতলা পায়খানা ইত্যাদি উপসর্গ থাকে। এসব লক্ষণ প্রকাশ পেলে তা একুইট অ্যাপেন্ডিসাইটিস হতে পারে। একুইট গ্যাস্ট্রোএন্টেরিটিটিস বা একুইট অ্যাপেন্ডিসাইটিসের উপসর্গ অনেক সময় একই রকম হয়।

♦ পেট খারাপের ব্যথা নাভির চারদিকে হলেও তা কিন্তু স্থান পরিবর্তন করে না।

♦ প্রস্রাবে ইনফেকশন হলেও পেটে ব্যথা বা অ্যাপেন্ডিসাইটিস মনে হতে পারে।

♦ কোষ্ঠকাঠিন্য হয়েও পেট ব্যথা হতে পারে।

♦ শরীরের ছোট ছোট গ্ল্যান্ড (লিজেন্ডারি লিম্ফ নোড) বড় হতে পারে। ভাইরাল ইনফেকশন বা ইনফ্লুয়েঞ্জা হলেও এই গ্ল্যান্ডগুলো বড় হয়ে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের মতো ব্যথা হতে পারে।

♦ প্রাথমিক পর্যায়ে রোগী কিছু খেতে চাইবে না।

♦ বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে। জোর করে খাওয়াতে গেলেও বমি হতে পারে।

♦ হালকা জ্বর হয়, যা ৯৯-১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

পরীক্ষা
শিশুদের ক্ষেত্রে অ্যাপেন্ডিসাইটিস নির্ণয় করা দুরূহ। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন দূরদৃষ্টি বা পর্যবেক্ষণে পারদর্শিতা। প্রথমে রোগের ইতিহাস জানতে হয়। অনেক সময় পেটে কোনো ব্যথা হয় না বা সামান্য ব্যথা হয়। এ পরিস্থিতিতে রোগ নির্ণয় বিলম্বিত হতে পারে। তবে উপসর্গ দেখে যদি অ্যাপেন্ডিসাইটিস মনে না হয়, তাহলে রক্ত পরীক্ষা, পেটের এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম করালে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে বোঝা যায় তা অ্যাপেন্ডিসাইটিস এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়।
চিকিৎসা
অ্যাপেন্ডিসাইটিস বলে সন্দেহ হলে সে ক্ষেত্রে অতি দ্রুত শল্যচিকিৎসা করাতে হবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি নিশ্চিত হওয়া যায়, এটা অ্যাপেন্ডিসাইটিস, তখন তা অ্যাপেনডিক্টমি করা হয় বা অ্যাপেন্ডিসটা অপারেশন করে কেটে ফেলতে হয়। এটি দুই পদ্ধতিতে করা যায়। প্রথমত, সনাতন পদ্ধতিতে পেট কেটে অ্যাপেন্ডিক্স ফেলে দেওয়া। দ্বিতীয়ত, পেটে ছিদ্র করে ল্যাপারোস্কপির মাধ্যমেও তা অপসারণ করা।
অপারেশনের বিকল্প
অনেক সময় অভিভাবকরা তাঁদের সন্তানের লেখাপড়ার চাপ বা অন্য বিশেষ কারণে অপারেশন না করিয়ে বিকল্প চিকিৎসার কথা আমাদের কাছে জানতে চান। আসলে অপারেশন না করে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের চিকিৎসা করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। শিশুটির ক্ষেত্রে ঝুঁকি তো বটেই, অনেক সময় চিকিৎসকের জন্যও এই সিদ্ধান্ত দেওয়া কঠিন হয়। তবে কোনো কোনো অ্যাপেন্ডিসাইটিস অ্যান্টিবায়োটিকে রেসপন্স করে। অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করে যদি ভালো হয়ে যায়, তখন এমনো হতে পারে যে সারা জীবন তার আর অ্যাপেন্ডিসাইটিসের কোনো ব্যথাই হলো না। এটা অবশ্য রেয়ার বা খুব কম ক্ষেত্রে ঘটতে পারে।
সব পেট ব্যথাই অ্যাপেন্ডিসাইটিস নয়
শিশুদের পেট ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। তবে বেশির ভাগ পেট ব্যথাই অ্যাপেন্ডিসাইটিস নয়। সাধারণ পেট ব্যথা বা গ্যাস্ট্রোএন্টেরিটিটিস সাধারণত এক দিন বা দুই দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। কিন্তু শিশুর অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা হলে তা কিন্তু এক বা দুই দিনের মধ্যে সারে না। চিকিৎসা না করালে এতে বরং জটিলতা বাড়ে।
অ্যাপেন্ডিক্স কতটা দরকারি
অনেকে বলছেন, অ্যাপেন্ডিক্স কোনো দরকারি কিছু নয়; বরং বাড়তি বা অতিরিক্ত অঙ্গ। আবার অনেকে বলছেন, এটি শরীরের জন্য উপকারী। আসলে অ্যাপেন্ডিক্স আদৌ আমাদের কোনো উপকারে আসতে পারে কি না—এ বিষয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মধ্যে দ্বিমত রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের মিডওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা গত বছর বলেছেন, যেসব প্রাণীর দেহে অ্যাপেন্ডিক্স আছে, তাদের অন্ত্রে উচ্চহারে লিম্ফয়েড টিস্যু জমা হয়, যা রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই টিস্যু কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া উৎপাদনে উদ্দীপনা জোগাতে পারে। ফলে ডায়রিয়ার সময় ওই ব্যাকটেরিয়াগুলো পাকস্থলী থেকে বের হয়ে গেলেও আবার অ্যাপেন্ডিক্স গ্রন্থি থেকে সেগুলো বেড়ে ওঠে। তাঁরা এ-ও বলেছেন, যাদের দেহ থেকে অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করা হয়, তারা কোনো রোগে আক্রান্ত হলে সুস্থ হতে অনেক বেশি সময় লেগে যায়। কারণ উপকারী ব্যাকটেরিয়ার আশ্রয়স্থল হিসেবে অ্যাপেন্ডিক্স গ্রন্থিটি না থাকায় তাদের পেট থেকে সব উপকারী ব্যাকটেরিয়া বের হয়ে পড়ে।
তবে অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগ হওয়ার কারণ কী, তা এখনো পরিষ্কার জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, যখন এর প্রবেশপথটি রুদ্ধ হয়ে যায়, তখন এ রোগ দেখা দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা থানার ওসির শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ

দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটা থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরন করেছেন। ৩০ লক্ষ শহীদের স্মরনে ৩০ লক্ষ গাছের চারা বিতরনের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ওসি সৈয়দ মান্নান আলী বুধবার সকালে দেবহাটা সরকারী বিবিএমপি ইনষ্টিটিউশন স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরন করেন। এসময় ওসির সাথে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ইয়ামিন আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। চারা বিতরনকালে ওসি সৈয়দ মান্নান আলী সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় শিক্ষার্থীদেরকে আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে পড়াশুনার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজ করার আহবান জানান। তিনি বলেন, একটি গাছ একটি ভবিষ্যৎ। এছাড়া তিনি ইভটিজিং, জঙ্গীবাদ, মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদেরকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। পরে থানা অভ্যন্তরে বিভিন্ন গাছের চারা রোপন করা হয়।
দেবহাটা থানার ওসির শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ
দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটা থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরন করেছেন। ৩০ লক্ষ শহীদের স্মরনে ৩০ লক্ষ গাছের চারা বিতরনের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ওসি সৈয়দ মান্নান আলী বুধবার সকালে দেবহাটা সরকারী বিবিএমপি ইনষ্টিটিউশন স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরন করেন। এসময় ওসির সাথে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ইয়ামিন আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। চারা বিতরনকালে ওসি সৈয়দ মান্নান আলী সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় শিক্ষার্থীদেরকে আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে পড়াশুনার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজ করার আহবান জানান। তিনি বলেন, একটি গাছ একটি ভবিষ্যৎ। এছাড়া তিনি ইভটিজিং, জঙ্গীবাদ, মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদেরকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। পরে থানা অভ্যন্তরে বিভিন্ন গাছের চারা রোপন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীকে চাপা দেওয়ার ঘটনায় রুবেলের ক্ষোভ

খেলার খবর: কুর্মিটোলার সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মাহত পেসার রুবেল হোসেন। ঘটনার পর পর চালকদের অসুস্থ প্রতিযোগতার কথা উল্লেখ করে সরব হয়েছিলেন ফেসবুকে। বুধবার আবারও একইরকম নির্মম ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন জাতীয় দলের এই পেসার।
নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শনির আখড়ার এক ঘটনার ভিডিও পোস্ট দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘কিছুক্ষণ আগে জানতে পারলাম আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থীর উপর ট্রাক তুলে দেওয়া হয়েছে। কেউ এতটা নির্মম হয় কী করে?’
কুর্মিটোলার সেই সড়ক দুর্ঘটনার পর থেকে ক্ষোভে ফুসছে বাংলাদেশ। রাজধানীর অন্যান্য জায়গার মতো শনির আখড়াতেও বুধবার আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। তারা বিভিন্ন বাস আটকে চালকদের লাইসেন্স দেখছিল। যেসব চালকের লাইসেন্স নেই তাদের গাড়ি সাইড করে রাখতে বলছিল। এ সময় রাস্তা ফাঁকা পেয়ে উল্টোপথ দিয়ে একটি পিকআপ দ্রুতগতিতে চলে আসে। শিক্ষার্থীরা সেটিকে আটকানোর চেষ্টা করলে পিকআপ চালক গাড়ি না থামিয়ে গতি আরও বাড়িয়ে দেয়। ঘটনার আকস্মিকতায় এক শিক্ষার্থীকে চাপা দিয়ে চলে যায় সেই পিকআপ। পুলিশের যাত্রাবাড়ী জোনের এসি ইফতেখায়রুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। সেই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
পুলিশ জানিয়েছে, ‘যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়ায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে রাস্তা ফাঁকা পেয়ে উল্টোপথে একটি পিকআপ দ্রুতগতিতে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। এ সময় ফয়সাল নামের এক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীকে পিকআপটি ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। ওই শিক্ষার্থীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। কিন্তু কোন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এটা এখনও জানা যায়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় প্রিক্যাডেট স্কুলের ভ্যানে বেধে কোমলমতি শিশুদের অনিরাপদ চলাচল

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটায় প্রিক্যাডেট স্কুলের ভ্যানে কোমলমতি শিশুদের ভ্যানের সামনে বেধে অনিরাপদভাবে যাওয়া আসা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়টি দেখার আছে কি কেউ ? এমন অনিরাপত্তাভাবে কোমলমতি শিশু স্কুলের ভ্যানে করে দীর্ঘদিন যাওয়া আসা করানো হলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ বা শিশুদের অভিভাবকদের নেই কোন মাথাব্যথা। বুধবার দুপুর ১ টার দিকে দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া গরুরহাট এলাকায় দেখা যায় মডার্ন প্রিক্যাডেট স্কুল ভ্যানে করে একসাথে অনেকগুলো শিশুদেরকে ভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভ্যানের মধ্যে তিল পরিমানের কোন জায়গা ফাকা ছিলনা, এমনকি ইঞ্জিনভ্যানের সামনে চালকের দুই পাশে ডানপাশে ২ জন শিশু ও বাম পাশে ২ জন শিশুকে বেধে বাড়ি পৌছানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে চালকের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, অভিভাবকরা স্কুলে রেখে এসেছে তা কি করবো। তাদেরকেতো বাড়ি পৌছানো লাগবে। তবে এ ব্যাপারে মডার্ন প্রিক্যাডেট স্কুলের পরিচালক অধ্যক্ষ জামশেদ আলম জানান, শিশুদের এভাবে নিয়ে যাওয়া হয় এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেননা। তবে এ ব্যাপারে তিনি আগামী শনিবারের মধ্যে ব্যবস্থা নেবেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। বিষয়টি দেবহাটার প্রশাসনের সুনজরে আসলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে সচেতন মহলের আশাবাদ। তবে সূত্র মতে জানা গেছে, উক্ত স্কুলটি প্রায় ১০/১২ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত। প্রতিষ্টাকালে স্কুলটির নাম ছিল ক্যাপ্টেন শাহজাহান কিন্ডারগার্টেন স্কুল। সম্প্রতি স্কুলটির নাম পরিবর্তন করে মডার্ন প্রিক্যাডেট স্কুল রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ভোগ’-এর প্রচ্ছদে শাহরুখকন্যা সুহানা

বিনোদনের খবর: অবশেষে মেইনস্ট্রিম মিডিয়াতে অভিষেক ঘটল সেলিব্রেটেড সেলিব্রিটি শাহরুখকন্যা সুহানা খানের। ‘ভোগ’ সাময়িকীর আগস্ট সংখ্যার প্রচ্ছদে স্থান করে নিয়েছেন এই গর্জিয়াস টিনএজার।
এমিলিও পুচ্চির ডিজাইনকৃত মাল্টি-কালার্ড আউটফিটে অসাধারণ লাগছে এই স্টার কিডকে।
প্রচ্ছদে সুহানার স্টাইল ঠিক করে দিয়েছেন স্বয়ং ভোগ ইন্ডিয়ার সম্পাদক আনাইতা শ্রফ আদাজানিয়া।
আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, মেয়েকে নিয়ে করা এই সাময়িকীর প্রচ্ছদ সংখ্যাটি অবমুক্ত করেন স্বয়ং বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। এর পর দুটি ছবি পোস্ট করে তার ক্যাপশনে লেখেন, ওকে আমি আবার নিজের হাতে নিলাম, ধন্যবাদ ভোগ। সন্তানদের জন্য অনেক ভালোবাসা আমাদের কাছে জমে থাকে। যেটা তারা জানে। তোমার জন্য অনেক ভালোবাসা সুহানা খান।
প্রচ্ছদ করা ছাড়াও ভোগ ইন্ডিয়া তাদের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে সুহানার আরো কিছু ছবি প্রকাশ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খেলার খবর: সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্যারিস সেন্ত জার্মেইতে থাকার ব্যাপারে স্পষ্ট করে দিয়েছেন নেইমার। তার সাবেক সতীর্থ হাভিয়ের পাস্তোরেও মনে করেন, প্যারিসের ক্লাব ছাড়া ব্রাজিলিয়ান তারকার জন্য অসম্ভব।
গত মৌসুমের শুরুতে বিশ্বকে চমকে দিয়ে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে পা রেখেছিলেন নেইমার। দুর্ভাগ্য যে মৌসুমের শেষ দিকে এসে ইনজুরি তাকে ছিটকে দেয়। ক্লাব শিরোপা জিতলেও সেটা জার্সি হাতে ছুঁয়ে দেখতে পারেননি ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। এবার সেই সাফল্য মাঠে থেকে পেতে চান তিনি। তাই তো স্পেনে ফেরার সব সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন নেইমার।
সম্প্রতি পিএসজি ছেড়ে রোমায় যোগ দেওয়া পাস্তোরের বিশ্বাস, এই মৌসুমে নেইমারের দল বদলের কোনও রকম পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। বার্সেলোনার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নস কাপে ৪-২ গোলে জয়ের পর এ আর্জেন্টাইন বলেছেন, ‘নেইমারের এই মৌসুমে পিএসজি ছাড়া অসম্ভব। তার জন্য অনেক বড় বিনিয়োগ করেছে পিএসজি। তারা নেইমারের ওপর অনেক নির্ভরশীল, একজন খেলোয়াড় ও ব্যক্তি হিসেবে। দুর্ভাগ্য যে ক্লাব মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসে নেইমার চোট পেয়েছিল।’
গত মৌসুমের লিগ ওয়ানের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন নেইমার। এবার তার হাত ধরে ইউরোপে আধিপত্য বিস্তার করবে পিএসজি, এই বিশ্বাস পাস্তোরের, ‘সম্ভাব্য সবকিছুতে তার দাপট থাকার দারুণ সুযোগ এবার তার সামনে। ঈশ্বর সহায় থাকুন, আমি আশা করি সে পিএসজির জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু অর্জন করবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষার্থীদের সব দাবি সরকার মেনে নিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের খবর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীদের সব দাবি যৌক্তিক। সরকার তাদের দাবিগুলো মেনে নিয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই দাবিগুলো বাস্তবায়নের কাজ চলছে।’ তিনি জনদুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিনি কনফারেন্স রুমে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা, আইজিপি জাভেদ পাটোয়ারী, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, বাস মালিক সমিতির নেতা এনায়েতউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গত ২৯ জুলাইয়ের ঘটনাটি দুঃখজনক। যারা এটি ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জাবালে নূর পরিবহন দুটির ড্রাইভার ও হেলপারকে (চারজন) গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গ্রেফতার করাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গাড়ি দুটির রেজিস্ট্রেশন ও রোড পারমিট বাতিল করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা যায় এ জন্য তদন্ত চলছে।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কোমলমতি শিশুরা আজ তিনদিন ধরে রাস্তায় অবস্থান করছে। তাদের মতো আমরাও ব্যথিত। এ বিষয়ে আমি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি ঢাকায় নেই। শিক্ষার্থীরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছে। তারা চাচ্ছে ভবিষ্যতে যাতে আর এ ধরনের ঘটনা না ঘটে। তাদের সব দাবি যৌক্তিক।’
তিনি জানান, ‘স্টার্টিং পয়েন্টে গাড়ির ফিটনেস, রেজিস্ট্রেশন, রুট পারমিট ও চালকের লাইসেন্স পরীক্ষা করে প্রতিদিন রাস্তায় গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ থেকেই এটা শুরু হয়েছে। এসব পরীক্ষার সময় বিআরটিএকে সহযোগিতা করবে মালিক ও শ্রমিকরা। পুলিশ বিষয়টি তদারকি করবে। আমরা দেখেছি গাড়ি পরিচালনায় প্রতিযোগিতা চলে। আমরা সেগুলো দেখবো।’
মন্ত্রী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এই অবরোধ তুলে নিয়ে ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। এ বিষয়ে সরকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহযোগিতা চায়। আপনারা আপনাদের সন্তানদের, শিক্ষার্থীদের ঘরে-ক্লাসে ফিরিয়ে নিন। সরকার সব দাবি মেনে নিয়েছে, এগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হচ্ছে।’
ভাঙচুরের ঘটনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটাচ্ছে না। একটি স্বার্থান্বেষী মহল এর সুযোগ নিচ্ছে। গত তিন দিনে ৩০৯টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আটটি গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। এরমধ্যে পুলিশের তিনটি ও ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি রয়েছে।’
ছাত্রদের অবরোধের পাশাপাশি পরিবহন শ্রমিকরা রাস্তায় নামার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা নেমেছিল তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘদিন কোনও অবরোধ চললে সেখানে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়। শ্রমিকরা কোনও ক্রমেই সংঘর্ষে যাবে না। মালিকরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন।’
বৈঠকে কেন এসেছেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘আমাকে এখানে ডাকা হয়েছে। যে সিদ্ধান্ত হয়েছে আমি সহযোগিতা করবো।’
এ ঘটনাটি হত্যা নাকি দুর্ঘটনা হিসেবে দেখছেন এমন প্রশ্নে শাজাহান খান বলেন, ‘আইন অনুযায়ী যেটা হত্যা, সেটা হত্যা। আর যেটা দুর্ঘটনা, সেটা দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হবে।’
নৌমন্ত্রীর বৈঠকে আসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘উনি শ্রমিক সংগঠন পরিচালনা করেন এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মালিক সংগঠন পরিচালনা করেন। সে কারণেই তাদের আমি বৈঠকে ডেকেছি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছা মালিক ও চালকরা যেভাবে ট্রাফিক আইন মেনে চলবে, তেমনি পথচারীদেরও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে।’
অনেক মালিক রয়েছেন, যারা মন্ত্রী-এমপি, তাদের গাড়ি পুলিশ ধরলে ফোন করে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়, এ অবস্থায় আইনের প্রয়োগ সম্ভব কিনা-জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইন সবার জন্য সমান। ক্ষমতাশালীরা এখন আর কোনও সুযোগ পায় না।
রাজধানীতে প্রতিদিন মোটরসাইকেলসহ ১৫০টি যানবাহন রাস্তায় নামছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্র আন্দোলন; ভাঙা বাসের কাচ, পরিষ্কার করছে শিক্ষার্থীরা

দেশের খবর: নিরাপদ সড়ক ও দুই শিক্ষার্থীকে বাসচাপায় ‘হত্যার’ বিচারের দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চতুর্থ দিনের মতো সড়ক অবরোধ করছে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের সময় ৩০৯টি বাস ভাংচুরসহ আটটি বাস পুড়িয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। তবে এসব বাসের কাঁচ রাস্তা থেকে কারা সরাচ্ছেন?

বুধবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার ও উত্তরা হাউজ বিল্ডিং এলাকার রাস্তায় অবস্থান নিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এতে ফার্মগেট এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুপুরে ধানমন্ডির ২৭ নম্বর ফুটওভার ব্রিজের নিচে একটি বাস ভাংচুর করে আন্দোলনরত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। আর সেই ভাঙ্গা গাড়ির কাঁচ সড়ক থেকে আবার তারাই পরিষ্কার করছেন। এমনই দুইটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এর আগে রাজধানীর হাউজবিল্ডিং সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা। এর ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

এছাড়া দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে এসময় বেশ কিছু গাড়ি ভাংচুর করে।

উত্তরায় জসিমউদ্দিন রোড থেকে সব ধরণের যানবাহন ঘুরিয়ে বিমানবন্দর হয়ে মহাখালীর দিকে পাঠাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। যাত্রাবাড়ীতেও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে রেখেছে।

এদিকে বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করায় সাধারণ মানুষ পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, রবিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনের বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম ওরফে সজীব এবং একই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম ওরফে মিম নিহত হন।

এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। পথচারীরা সঙ্গে সঙ্গে আহতদের নিকটস্থ কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে গুরুতর আহত কয়েকজনকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে ভর্তি করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest