সর্বশেষ সংবাদ-
তালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in Belgiëসাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধনদেবহাটার বিস্তীর্ণ মাঠে এখন সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহসাতক্ষীরায় ৪ সংসদীয় আসনের ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন

সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎ অফিসের ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী (আর ই) হাবিবুর, সহকারি প্রকৌশলী মিজানুর রহমান ও আলালের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন বিদ্যুৎ বিল না পাঠিয়ে ইচ্ছামত সংযোগ বিচ্ছিন্ন, মিটার সিল না করেও একটি পত্রে কৌশলে স্বাক্ষর নেয়াসহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ভূক্তভোগি শহরের কাটিয়া এলাকার গোলাম কুদ্দুস এর স্ত্রী সেলিনা কুদ্দুস।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালিন আর ই এর মাধ্যমে তার স্বামীর নামে বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়া হয়। সংযোগ নেয়ার দীর্ঘ ১০ মাস পর ২০১৩ সালে প্রথম বার একসাথে ৮০০ ইউনিটের বিল দেয়া হয়। বিলটি নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে আর ই সাহেব সেটি ফেরত নিয়ে ৪০০ ইউনিটের বিল করে দেন। পর পর দেয়া ৪০০ ইউনিটের ২টি বিলের একটিতে ১৮১৮ টাকা এবং অপরটিতে ২০২৬ টাকা দেন। এভাবে আমার বিদ্যুৎ বিল গরমিল হতে থাকলে ২০১৭ সালের ১৬ আগষ্ট একটি আবেদন করলে ২৬ সেপ্টেম্বর আব্দুল্লাহ ফারুকের নেতৃত্বে ৬/৭ জন তদন্তে আসেন। এর পর অতিরিক্ত বিল আদায়ের বিষয়ে তৎকালিন আর ই খালিদুর রহমানের কাছে গেলে তিনি কত টাকা পাবেন জানিয়ে একটি আবেদন করতে বলেন। সে অনুযায়ী গত ১ জানুয়ারী আবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমান আর,ই হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে ৬/৭ জন গত ৭ এপ্রিল আমার বাড়িতে যান। এসময় কোন সমস্যা নেই জানিয়ে শফি সাহেবকে সিল করতে বলে আমাকে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে বললে আমি সরল বিশ্বাসে ওই কাগজে স্বাক্ষর করি। এরপর আমার মিটার ১১% স্লোা উল্লেখ করে মিটার বদলানোর জন্য গত ২২ মে আমাকে একটি চিঠি দেন আর,ই। তখন বাড়িতে থাকা কাগজটি বের করে দেখি তারা আমাকে মিথ্যে বলে ওই কাগজে সহি করে নিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাকে কিছু না জানিয়ে গত ৩ জুন আমার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। ৪ জুন মিটার সিল করার জন্য পাওয়ার হাউজে একটি আবেদন জমা দিতে গেলে সহকারি আলাল আমার আবেদনটি গ্রহণে বাধা দেন। এসময় আর ই হাবিবুর রহমানে কাছে গেলে তিনি বলেন আপনার আবদেন নেয়া হবে না। লাইন কাটা হয়েছে। আগে টাকা পরিশোধ করেন। বিল না দিলে টাকা কিভাবে দিব জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিল দেয়া হবে এখন চলে যান। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কথামত ফের ৫ জুন অফিসে গেলে আর ই হাবিবুর রহমান আমার সাথে অশোভন আচারন করে তার নামে মামলা করতে বলেন।
তিনি বলেন, সাতক্ষীরা ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অকারনে আমাকে হয়রানি করছে। বিনা নোটিশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় রোজার সময়ে প্রচন্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। তিনি দ্রুত তার বাড়িতে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান এবং বিদ্যুৎ অফিসের ভোগান্তি হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যাতে আইনি সহায়তা পেতে পারেন তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ বিদ্যুৎ বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নবগঠিত কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের কলারোয়া উপজেলা শাখার নব গঠিত কমিটির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ এবং অনলাইন নিউজে মাদক সেবনকারী অভিযোগ সত্যতা যাচাই করার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান যৌথ স্বাক্ষরিত এক পত্রে তিন সদস্য বিশিষ্ট এক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির সদস্যরা হলো- আসিফ শাহাবাজ খান, শাহিম আলম সাদ্দাম ও ফজলে রাব্বি শাওন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ভাসুরের বিরুদ্ধে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বড় ভাই কর্তৃক ছোট ভাইয়ের চলাচলের রাস্তা আটকে ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন উত্তরকাটিয়া এলাকার গৌতম কুমার চন্দ্রের স্ত্রী কৃষ্ণারাণী।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার বড় ভাসুর সন্তোষ কুমার একই দলিল মুলে জমি ক্রয় করে বাড়ী ঘর তৈরি করে বসবাস করি। বিগত প্রায় ৫ বছর পূর্বে তার বসবাসের জায়গা বিক্রয় করে অন্যত্র চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় তিনি বলেন ১০লক্ষ টাকা দাও, বাকী টাকা হিসাব অনুযায়ী রেজিস্ট্রি করার সময় দিলে হবে। আমার স্বামী তার বড় ভাই এর কথা বিশ্বাস করে ১০ লক্ষ টাকা গত ইং ২৯/১২/১৩ সালে প্রদান করে। টাকা গ্রহণের ৬ মাস পরে জমি রেজিষ্ট্রি করে দিবে মর্মে কথা থাকলেও জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে তালবাহানা শুরু করে এবং উল্টো আমাদের চলাচলের রাস্তাটুকু আটকে দিয়েছে এবং আমার স্বামীর নামে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আদালত এই মামলাগুলো তদন্ত পূর্বক মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় খারিজ করে দেন। শুধু তাই না তারপুত্র একজন মাদক সেবনকারী এবং চরিত্রহীন ইতোপূর্বে বাগআচড়ায় তাকে নারী ঘটিত বিষয়ে সেখানকার লোকজন তাকে মারধর করে বেধে রাখে। এধরনের ‘কুকৃতি প্রায়ই ঘটিয়ে থাকে। সে সব সময় নেশা গ্রস্থ হয়ে থাকে। প্রায়ই সময় আমার ভাসুরের পুত্র আমাকে অশুভ ও অশালিন কথাবার্তা বলতে থাকে। আমি লোকজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারি না।
তিনি আরো বলেন, আমাদের পূর্বে বাড়ী ছিলো যশোর জেলার সোনকুড় গ্রামে। আমার স্বামী ১৯৮২ সালে এখানে চলে আসে। ১৯৮৫ সালের পর থেকে আমার ভাসুর ঐখানে থেকে গ্রামবাসীর সাথে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা অবস্থায় এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ১৯৮৮ সালে আমার স্বামী কাছে এসে আশ্রয় নেয়। এখনে আমাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। গত ১/৬/১৮ তারিখে আমার স্বামী বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার সময় আমার ভাসুর সন্তোষ ও তার ছেলে দিপংকর আমার স্বামীকে মারপিট করে এবং তাকে খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে বলে, তুই বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোর কপালে কি আছে তখনি বুঝিয়ে দেবো। এছাড়া আমাকেও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। আমরা বর্তমানে তাদের ভয়ে চরম নিরাপত্তহীনতায় দিনাতিপাত করছি। এবিষয়ে তিনি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শহরের ইটাগাছা রাধানগরস্থ ন্যাশনাল হাসপাতালে শনিবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লাশ জিম্মি করে তাদের পাওনা টাকা আদায় করে জোর করে মৃত লাশটি এ্যাম্বুলেন্স যোগে খুলনায় স্থানান্তর করেন বলে নিহতের স্বজনরা জানান।
নিহতের নাম জাকিয়া সুলতানা রাখি (১৯)। সে শহরের সুলতানপুরের আরিফ হোসেনের স্ত্রী। এদিকে, এ ঘটনা জানাজানির একপর্যায়ে স্থানীয়রা বিক্ষোভ করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতের খালাতো ভাই কামরুজ্জামান জানান, চিকিৎসকের পরিবর্তে ন্যাশনাল হাসপাতালের অদক্ষ নার্স দিয়ে মাত্রাতিরিক্ত অ্যানাসথেশিয়া প্রয়োগ করায় রাখির আর জ্ঞান ফেরেনি।
তিনি জানান, শনিবার ইফতারের পরে রাখির প্রসব বেদনা উঠলে তার স্বামীসহ স্বজনরা দ্রুত সাতক্ষীরার রাধানগরস্থ ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ সময় সেখানে কতব্যরত চিকিৎসক আবু বকর রোগীকে দ্রুত সিজার করার পরামর্শ দেন। রোগীর স্বজনদের আপত্তি না থাকায় রুগীকে ওটিতে নিয়ে যান। রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে অ্যানাসথেশিয়া চিকিৎসকের পরিবর্তে নার্সদের দিয়ে ইনজেকশান পুশ করে তাকে অজ্ঞান করা হয়।
তিনি আরো জানান, অপারেশন শুরু করা আগেই প্রেসার লো হয়ে রাখির মৃত্যু হয়। অপারেশন টেবিলে তার মৃত্যু নিশ্চিত হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই রুগীকে দ্রুত খুলনা আড়াই’শ শয্যা হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তবে তার আগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের পাওনা টকা আদায় করে নেন। খুলনায় নেওয়া হলে সেখানে জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা জানান প্রায় আড়াই ঘন্টা আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রাখির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় হাসপাতাল ঘেরাও করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এঘটনায় পুলিশ চিকিৎসক আবু বকর সহকয়েক জনকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যান বলে তিনি জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি এক রুগী জানান, ক্লিনিকে কোন ডাক্তার থাকে না। অল্প কয়েকজন ডাক্তার এখানে এসে রুগী দেখেন। তবে তারা ফোন করার ১/২ ঘন্টা পরে আসেন। তবে, হাসপাতালের সামনে ডাক্তারদের সাইন বোডের বাহার ঠিকই রয়েছে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আবু বকর এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায় নি। তার ব্যবহৃত ফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে, ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, রাখির কোন অপারেশন করা হয়নি। হাসপাতালে নেওয়ার পরে প্রেশার লো হয়ে সে মারা যায়।

1 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৯ মাদক ব্যবসায়ীসহ আটক ৫৪

আব্দুল জলিল: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৯ জন মাদক ব্যবসায়ীসহ ৫৪ জনকে আটক হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে আজ রোববার সকাল পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।
আটককৃতদের মধ্যে-সাতক্ষীরা থানা থেকে ৮ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৬ জন, তালা থানা ১০ জন, কালিগঞ্জ থানা ৮ জন,শ্যামনগর থানা ৭ জন, আশাশুনি থানা ৫ জন, দেবহাটা থানা ৪ জন, পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে গাজা রাখার দায়ে এক যুবককে তিনমাস ও দু’নারীকে একমাস করে কারাদ- দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার জানান, শনিবার বিকেলে শহরের পশ্চিমে মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ির পাশের বস্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪শ’ গ্রাম গাজাসহ নাজমা, জাহানরা ও মেহেদি হাসানকে আটক করে পুলিশ। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ আদনান এ সাঁজা দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ফুল ব্যাবসায়ী রিপনের আত্মহত্যা

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় রিপন খান (৪৫) নামে এক ফুল ব্যাবসায়ী গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রোববার গভীর রাতে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোলের একটি ভাড়া বাসায় তিনি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
রিপন খান বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ এলাকার সাঈদ আলী খানের ছেলে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান, রিপন খানের বাড়ি বাগেরহাট জেলায় হলেও সে দীর্ঘদিন যাবত সাতক্ষীরা শহরে ফুলের ব্যাবসা করতো। তার একাধিক বিয়ে রয়েছে। একাধিক বিয়ে করার কারনে স্ত্রীদের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারনে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, তার লাশ উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদালতের মালখানা থেকে ইয়াবা পাচার, কনস্টেবল ও সোর্স আটক

ন্যাশনাল ডেস্ক: ময়মনসিংহের আদালতের মালখানা থেকে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল আল-আমিনকে (৩০) আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে নগরীর পুলিশ লাইন এলাকা থেকে তাকে আটক করে ডিবি। পরে এ ঘটনায় কোর্ট ইন্সপেক্টর, মালখানা অফিসার ও জিআরওকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এ নেওয়াজী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোর্ট ইন্সপেক্টর কামরুজ্জামান, মালখানা অফিসার সাইফুল ইসলাম ও জিআরও মনিরুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তাদের দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে। তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

ডিবির ওসি আশিকুর রহমান জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর পুলিশ লাইন এলাকার বেড়িবাঁধ থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবাসহ পুলিশের সোর্স আব্দুল মোতালেবকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরে শনিবার বিকেলে আদালতে জবানবন্দীতে কনেস্টবল আল-আমিন মালখানা থেকে ইয়াবা পাচার করেছে বলে জানায় সে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাত ১০টার দিকে ওই পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করা হয়। সে জেলা জজ কোর্টে কর্মরত ছিল। বর্তমানে ডিবি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে আল-আমিন।

পুলিশ কনস্টেবল এবং ওই সোর্সের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মাদক আইনে মামলা হয়েছে বলেও জানান ডিবির ওসি আশিকুর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় তোলপাড় (ভিডিও)

দেশের খবর: শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এক তরুণীকে জোর করে প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে ধর্ষণকালে রনি হক নামে এক ধনীর দুলালকে আটক করেছে স্থানীয় জনগণ। অভিযুক্ত রনি ও তার গাড়ি চালককে প্রাইভেটকার থেকে টেনে হেঁচড়ে বের করে বেদম প্রহার করে জনতা। একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে চালক পালিয়ে গেলেও রনিকে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। ইতোমধ্যে রাতের সেই ঘটনাটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সকাল থেকেই তোলপাড় চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে।

অভিযুক্ত সেই রনিকে আটকের খবর নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (এসি) আবু তৈয়ব মোহাম্মদ আরিফ। এ বিষয়ে আজ দুপুরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত রনি হক দুই সন্তানের জনক। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাবেক ছাত্র পেশায় ব্যবসায়ী।

স্থানীয় জনগণের মন্তব্য ও ভিডিও ফুটেজ অবলোকন করে জানা গেছে, রাজধানীর কলেজগেট সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইভেটকারের ভেতরে এক তরুণীর সঙ্গে ধস্তাধস্তি করছিলেন রনি।

ওই সময় আরেকটি গাড়িতে ছিলেন রাফি আহমেদ নামে এক ব্যক্তি। তিনি মনে করছিলেন গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা চলছে।এর পর রাফিসহ সেখানে থাকা আরও কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে রনির প্রাইভেটকারটি আটকে ফেলেন। তখন তারা দেখতে পান গাড়ির পেছনের আসনে রনি এক তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করছে।পরে জনতা গাড়ির ভেতর থেকে আক্রান্ত তরুণী, অভিযুক্ত মদ্যপ তরুণ ও গাড়িচালককে বের করে আনেন।

ইতোমধ্যে এ ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়েছে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এর শেয়ার ও মন্তব্যের সংখ্যা।

https://www.youtube.com/watch?v=j07Y94vZA7E

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest