সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভাসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা  দেবহাটা-কালিগঞ্জ ভূমিহীন সংগ্রাম কমিটির নতুন কমিটি, জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎভুয়া নার্স সাজিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধনভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাথে সাতক্ষীরা প্যাকেজড পানি ব্যবসায়ী মালিক সমিতির মতবিনিময় শ্যামনগরে ভুল চিকিৎসায় এক জনের মৃত্যুর অভিযোগতালায় বজ্রপাতে কাপড় ব্যবসায়ীর মৃত্যুকিসের হাসিনা? কোথায় বক্তব্য দিয়েছে? তার চেহারা কি দেখা গেছে?ভয়াবহ লোডশেডিং, বিদ্যুত – গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, ভূতুড়ে বিল আদায়ের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচিকালিগঞ্জে পোল্ট্রি বহনকারী গাড়ির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু

‘আমার রাশেদকে ফিরিয়ে দিন’

দেশের খবর: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানের মা সালেহা বেগম তার ছেলের মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুতি জানিয়েছেন।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শুক্রবার বিকালে এক মানববন্ধনে তিনি এই আকুতি জানান।
ছেলের মুক্তির দাবি করে রাশেদের মা বলেন, ‘আমার বাবার মুক্তি চাই। আমার বাবা রাশেদকে ফিরিয়ে দিন। সে সাধারণ ছাত্র। কত কষ্ট করে আমার বাবাকে মানুষ করেছি, তাকে মুক্তি দিন। তার জন্য পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি তো মা; প্রধানমন্ত্রী, আপনি তো মায়ের জ্বালা বোঝেন। আপনার কাছে আবেদন, আমার বাবাদের ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে দিন। আমার বাবারা তো কোনো রাজনীতি করে নাই, তারা তো কোনো অপরাধ করেনি। তারা শুধু চাকরির জন্য গেছিল। জেলে আটক সব বাবাদের মুক্তি দিন।’
মানববন্ধনে রাশেদের বাবা মো. নবাই বিশ্বাস বলেন, ‘আমি আমার ছেলের মুক্তির দাবি করছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করছি, তার পড়াশোনাটা আবার আগের মতো স্বাভাবিক করে দেওয়া হোক। এর বেশি আমি কিছু বলতে পারছি না।’
কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে গত ১ জুলাই রাজধানীর ভাষানটেক থেকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন আদালত রাশেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের আটক ছাত্রদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আজকের এই মানববন্ধন করে যুব ঐক্য প্রক্রিয়া। যুব ঐক্য প্রক্রিয়া জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার একটি সহযোগী সংগঠন। এক ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের আটক নেতাদের মা-বাবারা বক্তব্য দেন। তারা সন্তানের মুক্তির দাবি জানান।

অভিভাবকরা বলেন, তাদের সন্তানেরা কোনো অন্যায় করেননি। তাদের সন্তানেরা কোটা সংস্কার চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের আটক করে রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে।

মানববন্ধনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা মশিউর রহমানের বাবা মজিবুর রহমান বলেন, ‘কী দোষ করেছিল আমাদের ছেলেরা? তাদের এভাবে কেন রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে, কারাগারে পাঠানো হচ্ছে? আমাদের খোঁজ নিয়ে দেখেন। আমি একজন রিকশাওয়ালা। আমার ছেলে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তুরস্ক কারো হুমকির তোয়াক্কা করে না : এরদোগান

বিদেশের খবর: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিবৃতির কড়া জবাব দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। এরদোগান বলেছেন, ‘তুরস্ক কারো হুমকির ভাষাকে তোয়াক্কা করে না।’
যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিষ্টান ধর্মযাজক অ্যান্ড্রু ব্রুনসনকে গ্রেফতার করার কারণে যুক্তরাষ্ট্র হুমকিমূলক বিবৃতি দেয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের হুমকি দিয়ে কেউ কোনো দিন কিছু অর্জন করতে পারেনি। তুরস্কের জন্য এরকম অপমানজনক ভাষার হুমকিকে বিবেচনায় নেয়া ঠিক হবে না যেখানে আমরা ন্যাটোর প্রতি সর্বোচ্চটা দিয়েছি। আমাকে ক্ষমা করুন, কিন্তু এরপরও আমরা এমন হুমকিকে তোয়াক্কা করব না।’
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিষ্টান ধর্মযাজক অ্যান্ড্রু ব্রুনসন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনা রাজ্য থেকে তুরস্কে এসেছিলেন এবং সেখানে দুই দশকেরও অধিক সময় ধরে বসবাস করে আসছেন। তাকে কুর্দিস্থান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সাথে যোগাযোগ রাখার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। সেই সাথে ফেতুল্লাপন্থী সন্ত্রাসী সংগঠনের (ফেতুর) সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই সংগঠনকে আঙ্কারা ২০১৬ সালে তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত করে। ব্রুনসনকে তুরস্ক দীর্ঘ ২১ মাস আটক রাখার পর গত জুলাই মাস থেকে তাকে গৃহবন্দী করে রেখেছে। তার মুক্তির ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের সাথে বারবার যোগাযোগ করে আসছে।
এরই অংশ হিসেবে গত ২৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যাজক অ্যান্ড্রু ব্রুনসনকে দীর্ঘ সময় ধরে আটক রাখার কারণে তুরস্ক বড়সড় নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারে।’
তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গত ৩০ জুলাই এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দেশের বিরুদ্ধে যে ভাষায় হুমকি দিয়েছে তা অসম্মানের এবং অগ্রহণযোগ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে বাস-মালিকরা সমর্থন করে

দেশের খবর: সারা দেশে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে বাস-মালিকরা সমর্থন করে বলে জানিয়েছেন বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ। তবে সড়কে নিরাপত্তা নিয়ে তারা চিন্তিত।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মহাখালী টার্মিনালের দ্বিতীয় তলায় সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত চার শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। সে জন্যই যানবাহন নামছে না। তিনি আরও বলেন, আমরা যখন সড়ক নিরাপদবোধ করব, তখন থেকে গাড়ি নামাবো। এটা আমাদের আনুষ্ঠানিক কোনো কর্মসূচি নয়।
এনায়েত উল্যাহ বলেন, আমরা আইন মেনে চলার জন্য নির্দেশ দিয়েছি। আইন অনুযায়ী দোষীদের যেই শাস্তি হোক আমরা মেনে নেব। নতুন আইনকে আমরা স্বাগত জানাই।
গত ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই কলেজশিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর হয়। সমালোচনার মুখে পড়েন পরিবহন শ্রমিকদের নেতা নৌমন্ত্রী শাজাহান খানও।
পাঁচদিন পর বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিয়ে তাদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে, শুক্রবার সারাদেশে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন মালিক-শ্রমিকরা। পরিবহন মালিক কিংবা শ্রমিক সংগঠনগুলোর কোনো ঘোষণা ছাড়াই বাস চলাচল বন্ধের কারণে সারাদেশে জনদুর্ভোগ চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনে মায়েদের মানববন্ধন

দেশের খবর: ছাত্র আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনে রাজধানীর উত্তরায় বিচ্ছিন্নভাবে ছাত্ররা ব্যারিকেড দেয়ার চেষ্টা করলেও তাদের সংখ্যা কম থাকায় রোড ব্লক করে তারা দাঁড়াতে পারেনি। তবে ছাত্রছাত্রীদের মায়েরা ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডে বিভিন্ন পয়েন্টে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেছে। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান-সংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করে তারা।
শুক্রবার নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্লোগান দিয়ে জসিমউদ্দিন রোড বিমানবন্দরসংলগ্ন মেইন রোড হাউস বিল্ডিংসহ বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন করেন মায়েরা। খণ্ড খণ্ডভাবে মানববন্ধন করলেও পুলিশি বাধায় বেশি সময় তারা অবস্থান নিতে পারেননি।
জসিম উদ্দিন মোড়ে অবস্থান নেয়া এক মা জানান, আমরা সন্তানদের রোডে ছেড়ে শান্তিতে ঘুমাতে পারি না। সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য আমরাও রাস্তায় নেমে এসেছি। আমরা কোনো রাজনৈতিক দাবি নিয়ে আসিনি। নিরাপদ সড়কের দাবিতে এসেছি।
অপর এক মা জানান, চালকের খামখেয়ালিপনায় আমার সন্তান জীবন দেবে আর আমরা কি করে চুপ করে থাকব। সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আইন কার্যকর হলে তবেই আমরা সন্তানদের নিয়ে ঘরে ফিরে যাব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্ঘটনায় হত্যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত : এরশাদ

দেশের খবর: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন এরশাদ বলেছেন, সড়ক পরিবহন আইন আরও কঠোর করে বেপরোয়া গাড়ি চলানোয় দুর্ঘটনায় হত্যার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদন্ড হওয়া উচিত। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি থাকতে আমি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে আমরা আইন করেছিলাম। পরবর্তীতে আন্দোলনের মুখে সে আইনটি বাতিল করে যাবজ্জীবন করতে হয়েছে। তিনি নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোকে ‘যৌক্তিক’ বলেও উল্লেখ করেছেন।
কুর্মিটোলায় বাসচাপায় নিহত শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিমের বাসায় তার পরিবারকে সমবেদনা জানাতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এইচ এম এরশাদ শুক্রবার সকালে কলেজছাত্রী দিয়ার মহাখালীর বাড়িতে যান। সেখানে তিনি গণমাধ্যমের কাছে এসব কথা বলেন। এ সময় এরশাদ দিয়ার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরে তিনি সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, এস এম ফয়সল চিশতী, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, ফখরুল আহসান শাহজাদা, আব্দুল হামিদ ভাসানী, মো. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নেতা এমএ রাজ্জাক খান, গোলাম মোস্তফা, কাজী আবুল খায়ের, মিজানুর রহমান দুলাল, আব্দুর রাজ্জাক, জহিরুল ইসলাম জহির, ফয়সল দীপু ও জিয়াউর রহমান বিপুল উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে দিয়ার বাসায় আসেন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সিইও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জালাল গণি খান ও শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ নূর নাহার ইয়াসমিন। তারা কলেজের পক্ষে দিয়ার পরিবারের হাতে এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন।
গত ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাসের চাপায় দিয়াসহ দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। এরপর দেশব্যাপী বিক্ষোভ করছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। তারা যে নয় দফা দাবি তুলেছে, তা মেনে নিয়েছে সরকার।
ছাত্রদের রাজপথে আন্দোলন প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, যারা আন্দোলন করছে এরা সবাই নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে। তাদের এ চাওয়া বাঁচার দাবি। এদের কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। তারা আমাদের জন্যই রাস্তায় নেমেছে। নিজেদের কোনো দাবি নেই। আমার ছেলে আজ গাড়িতে করে স্কুলে যায়। যদি সে বাসে করে স্কুলে যেত তাহলে আমি সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকতাম যে, সে ফিরে আসবে কিনা। আর এমন কোনো খবর পেলে আমি আত্মহত্যা করতাম। আমি মৃত ছেলের মুখ দেখতে চাই না।
রাস্তায় যেসব বাস চলছে এগুলোর চারটি চাকা ছাড়া আর কিছুই নেই। ১৪ বছরের বাচ্চারা গাড়ি চালাচ্ছে। এই অনিয়ম আর কতদিন চলতে পারে। আমরা এ আন্দোলনকে সমর্থন করি। সরকারেরও দাবিগুলো মেনে নেওয়া উচিত।
ছাত্রদের চলমান আন্দোলনে তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে এরশাদ বলেন, এদের সব দাবি যৌক্তিক, এরা তো নিজের জন্য কিছু চায়নি। এদের আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনও নয়। তারা চেয়েছে নিরাপদ সড়ক। তিনি শিশুদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের সমালোচনা করেন এবং নিন্দা জানান।
গণপরিবহনে নৈরাজ্য প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, এখন ১০/১২ বছরের শিশুরাও গাড়ি চালায়। লাইসেন্স, গাড়ির ফিটনেস যেনো দরকারই নেই। শিশুদের এই আন্দোলনে পুলিশ ও শ্রমিক সংগঠনগুলো যেনো সহিংস আচরণ না করে সেজন্যও তিনি সবাইকে সহনশীল থাকার আহ্বান জানান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এরশাদ বলেন, ২০ লাখ টাকা কোনো টাকাই নয়। ইচ্ছা করলে প্রধানমন্ত্রী আরো বেশি দিতে পারতেন। তবুও তিনি সহানুভূতি দেখিয়েছেন, তার প্রতিও কৃতজ্ঞতা। সড়কে মৃত্যুর ঘটনায় নৌমন্ত্রী ও পরিবহণ শ্রমিক নেতা শাজাহান খানের নানা মন্তব্যের সমালোচনাও করেন এরশাদ। তিনি বলেন, শাজাহান খানের হাসি দেখে দুঃখ পেয়েছি। একটা ছেলে মারা গেছে, একটা মেয়ে মারা গেছে। তিনি হাসিমুখে ঘটনাকে তুলনা করছেন ভারতের দুর্ঘটনার সাথে। এই যদি তার প্রতিক্রিয়া, কী বলার আছে। এ সময় তিনি ফোন করে পরিবহন শ্রমিক নেতাদের অরাজকতা সৃষ্টি থেকে দূরে থাকতে অনুরোধ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমরণ অনশনের ঘোষণা পায়েলের বাবার

দেশের খবর: ছেলে হত্যার বিচারের দাবিতে আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সাইদুর রহমান পায়েলের বাবার গোলাম মাওলা। শুক্রবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিটি গেট সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এই ঘোষণা দেন। সড়ক অবরোধ করে সকাল ১১টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই কর্মসূচির কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে আন্দোলনকারীরা নিজেরাই সরে গিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
সন্দ্বীপ অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রামের আয়োজনে এই মানববন্ধনে পায়েলের বাবা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীও স্বজন হারিয়েছেন। তিনি স্বজন হারানোর বেদনা বোঝেন। আমাদের কষ্টের কথা জানাতে চাই উনাকে। আশা করি, প্রধানমন্ত্রীর দেখা পাব আমরা। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উনার দেখা না পেলে সন্তান হত্যার দ্রুত বিচার পেতে যাব আমরণ অনশনে। ছেলের সাথে কবরে যাব আমরাও।’
উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই রাতে দুই বন্ধু আকিবুর রহমান আদর ও মহিউদ্দিনের সঙ্গে হানিফ পরিবহনের ভলভো বাসে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে রওনা হওয়ার পর নিখোঁজ হন পায়েল। পরে মুন্সিগঞ্জের ভাটেরচর সেতুর নিচের খাল থেকে পায়েলের লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর পুলিশ হানিফ পরিবহনের ওই বাসের চালকসহ তিন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশী জেরায় তারা স্বীকার করে, পায়েল বাসে উঠতে গিয়ে দরজার ধাক্কায় মারাত্মক আহত হন।
এই দুর্ঘটনার দায় এড়াতেই গুরুতর আহত পায়েলকে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে একটি খালে ফেলে দেয় বাসের কর্মীরা! এই ভয়ানক অমানবিক ঘটনায় তোলপাড় পড়ে যায় সারাদেশে। চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর এলাকার বাসিন্দা পায়েলের মৃত্যুর পর থেকেই বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম চলে আসছে। এর মধ্যেই গত রবিবার রাজধানীতে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় সারাদেশে শুরু হয়েছে কিশোর-কিশোরীদের আন্দোলন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিশোর আন্দোলনের সমর্থনে কানাডায় মানববন্ধন

দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে গত পাঁচদিন ধরে উত্তাল হয়ে আছে বাংলাদেশের রাজপথ। রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর রাস্তা অবরোধ করে রেখেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। শুধু অবরোধ নয়, অসাধারণ সব সড়ক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে দেখিয়ে দিচ্ছে তারা।
ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ এবং অভিভাবকেরা। অন্যদিকে পুলিশ এবং ছাত্রলীগের হামলার শিকার হতে হচ্ছে আন্দোলনকারীদের। এর মাঝেই প্রবাসী বাঙালীরা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করলেন।
কানাডার টরেন্টোতে কিশোর আন্দোলনের সমর্থনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত করেছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শহরের ড্যানফোর্থ ভিক্টোরিয়া পার্ক এলাকায় ২ আগস্ট বৃহস্পতিবার এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য রাজপথ নিরাপদ করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাঠে নামার হুমকি অভিভাবকদের

দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন বন্ধ ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা। শুক্রবার মিরপুর সনি সিনেমা হলের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন শতাধিক অভিভাবক। তারা মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
এসময় অভিভাবকরা বলেন, বাচ্চাদের আন্দোলন যৌক্তিক। তাদের ওপরে হামলা হলে আমরা ঘরে বসে থাকবো না। মুখে দাবি মানার কথা বললে হবে না। এ বিষয়ে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শামিমা রেজা নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন। বৃহস্পতিবার মিরপুর-১৩ নম্বরে অনেক শিক্ষার্থীর উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা হামলা চালায়। কেন এই হামলা? ছাত্ররা কোনো অপরাধ করেনি, তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য মাঠে নেমেছে।’লিপি আক্তার নামে একজন অভিভাবক বলেন, ‘সরকার সব দাবি মেনে নিলেও তা কার্যকর করতে সময় লাগে। এরকম নজির দেখেছি। সরকার চাইলে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি দিতে পারে।’
আফজাল আহমেদ বলেন, ‘সরকার দাবি মেনে নিলেও তা দ্রুত কার্যকর করার জন্য শান্তিপূর্ণভাবে আমরা এই মানববন্ধনে অংশ নিয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest