সর্বশেষ সংবাদ-
চ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতাদেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণবস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভিশ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ

সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধা গফুরের মাদক বিরোধী মসজিদ ভিত্তিক প্রচারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমানের মাদক বিরোধী কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জি.এম আব্দুল গফুর (সাবেক উপ পরিচালক বিআরডিবি) চোরাচালান, মাদক বানিজ্য, মাদক সেবী, ইভটিজিং, জঙ্গি ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে মসজিদ ভিত্তিক ৩য় দফায় গণসচেতনা মূলক প্রচারণা করেছেন।
১৩ জুলাই আলীপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর গাংনিয়া কারিকরপাড়া জামে মসজিদে জুম্মার নামাযের পূর্বে এ প্রচারণা মূলক বক্তব্য উপস্থাপন করেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, চোরাচালন ও মাদক সমাজের জঘন্যতম ঘৃণ্য অপরাধ। সদরের ৭নং আলীপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড অধীন ঐতিহ্যবাহী মাহমুদপুর, গাংনিয়া এলাকার দীর্ঘদিনের একটি সুনাম আছে। এই এলাকায় রয়েছে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বালিকা বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এতিমখানা সহ অসংখ্যা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সহ সব সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। যা ঐতিহ্যবাহী মাহমুদপুর এলাকার জন্য একটি সুনাম বহন করে আসছে। এই এলাকার কিছু জঙ্গি, চোরাকারবারী ও মাদকসেবী সেই সুনাম নষ্ট করার অশুভ প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার মাদক নির্মুল করতে জিরো টলারেন্সনীতি হাতে নিয়েছে। সমাজ থেকে এহেন কর্মকান্ড যাতে নির্মূল হয় সেজন্য সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। এবং এলাকা ভিত্তিক একটি কমিটি গঠন করার প্রস্তাব পেশ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মসজিদ কমিটির সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ করিম সরদার, সাহাজুদ্দিন, এবাদুল, রহমত এবং এলাকার মুসল্লিবৃন্দ। তিনি পর্যায়ক্রমে এলাকার সকল মসজিদের মুসল্লিদের নিয়ে একটি মাদক বিরোধী সমাবেশ করার জন্য প্রশাসন সহ সকলকে এগিয়ে আসার আবারো উদাত্ত আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের খেয়াঘাট ইজারায় মাহাবুবের তেলেসমাতি!

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে খেয়াঘাট ইজারার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণলয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, জেলা পরিষদের আওতাধীন জেলায় ২৮টি খেয়াঘাট ছিল। ব্রীজ নির্মাণ ও নদী মজে যাওয়ার কারণে সাতটি খেয়াঘাট স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাকী ২১টির মধ্যে ঘোলা-হিজলা-কল্যানপুর খেয়াঘাট ও হাজরাখালি -বিছট খেয়াঘাট নিয়ে ইজারাগ্রহীতা আশাশুনির শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল মহামান্য হাইকোর্টে ২৫/২০১২ এবং মানিকখালি খেয়াঘাট নিয়ে সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুরের কওছার আলীর দায়েরকৃত ২২৭৯/২০০৫ নং রিট পিটিশন বিচারাধীন থাকায় ওইসব খেয়াঘাট ইজারা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে হাইকোর্টের আইনজীবী অ্যাড. সত্যরঞ্জন মণ্ডলের পাঠানো চলতি বছরের ১৩ মে এর অভিযোগ(তথ্য অধিকার আইনে জেলা পরিষদের সম্প্রতি বদলী হওয়া প্রধান নির্বাহী এএনএম মঈনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত কাগজপত্র) থেকে জানা যায়, ঘোলা-হিজলা-কল্যাণপুর খেয়াঘাটের ১০ বছরের মোট ইজারা মূল্য ১৮ লাখ ৩৮ হাজার ৫১০ টাকা দেখানো হয়েছে । এর মধ্যে বাংলা ১৪১৮ সালে এক লাখ ৩২ হাজার ১১০ টাকা ও ১৪১৯ সালে এক লাখ ৪৮ হাজার ৯০ টাকা দেখানো হয়। একইভাবে হাজরাখালি-বিছট খেয়াঘাটের ১০ বছরের ইজারা মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭৫ টাকা। বাংলা ১৪১৯ ও ১৪১৯ সালে ওই খেয়াঘাট বাবাদ গ্রহণ করা হয়েছে ১০ লাখ ৫২৮ টাকা। ওই দু’টি খেয়াঘাট ইজারা নেন আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবু হেনা শাকিল। একইভাবে ইজারা নেওয়ার কিছুদিন পর খেয়াঘাটের শ্রেণী পরিবর্তণ করার অভিযোগে কেন তার ইজারা বাতিল করা হবে না জানতে চেয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহাবুবর রহমান নোটিশ করেন। এরই বিরুদ্ধে তিনি মহামান্য হাইকোর্টে দু’টি খেয়াঘাটের বিপরীতে ২০১২ সালের ২ জানুয়ারি ২৫/১২ রিট পিটিশন দাখিল করেন। রিট পিটিশনে ঘোলা- হিজলা- কল্যাণপুর খেয়াঘাট বাবদ বাংলা ১৪১৮ ও ১৪১৯ সালে ১২ লাখ ৪০০ টাকা ইজারা গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ১৪১৮ সালের ইজারা মূল্য বাবদ তিন লাখ ৫০ হাজার ৪০০ টাকা ছাড়াও ভ্যাট, আয়কর ও ১% প্রিমিয়াম বাবদ ৭৩ হাজার ৫৮৪ টাকা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহাবুবর রহমান ২০১১ সালের ২৬ জুন রশিদ বই এর মাধ্যমে গ্রহণ করেন। একই তারিখে হাজরাখালি বিছট খেয়াঘাটে বাংলা ১৪১৮ ও ১৪১৯ সালে ১০ লাখ ৫২৮ টাকার ইজারা গ্রহণ করার পর ১৪১৮ সাল বাবদ দু’ লাখ ২০ হাজার টাকা গ্রহণ ছাড়াও ভ্যাট, আয়কর ও ১% প্রিমিয়াম বাবদ ৪৬ হাজার ২০০ টাকা রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ দেখানো হয়েছে। যেখানে আত্মসাতের বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।
সেক্ষেত্রে ঘোলা- হিজলা ও কল্যাণপুর খেয়াঘাট থেকে দু’ বছরে দু’ লাখ ৮০ হাজার ২০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেখানোয় ইজারা মূল্য ৯ লাখ ২০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
একইভাবে মানিকখালি খেয়াঘাটটি ১০ বছরে ২৫ লাখ ৩১২ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়া হয়। ইজারা গ্রহীতা কওছার আলী কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়ে ২২৭৯/২০০৫ নং রিট পিটিশন দাখিল করলে তাতে ইজারার টাকা লুটপাটের বিশাল অসামজ্ঞস্য ধরা পড়ে।
এ ছাড়া চলতি বছরের মে মাসে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে কক্সবাজারে আনন্দ ভ্রমনে যাওয়ার আগে শ্যামনগরের নোয়াবাকি খেয়াঘাট ইজারা দেওয়া নিয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ আনেন কয়েকজন সদস্য।
জানতে চাইলে শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল ও সুলতানপুরের কওছারের পক্ষে তার আত্মীয় সুলতানপুরের বাবু বলেন, তাদের দায়েরকৃত রিট পিটিশনগুলি বিচারাধীন রয়েছে।
এক বছরের ছুটিতে থাকায় খেয়াঘাট সংক্রান্ত কোন তথ্য জানা সম্ভব হয়নি জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কমকর্তা এসএম মাহাবুবর রহমানের মোবাইল ফোন থেকে।
জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বাবু বলেন, ঘোলা-হিজলা-কল্যানপুর, হাজরাখালি-বিছট ও মানিকখালি খেয়াঘাট নিয়ে চলমান মামলাগুলি পরিচালনা করার জন্য ইতিপূর্বে সরকারিভাবে কোন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে তাদের মাসিক সভায় উপস্থাপন হওয়ায় সদস্য আব্দুল হাকিম, আল ফেরদৌস আলফা ও অ্যাড. শাহানাজ পারভিন মিলিকে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নওয়াবেকী খেয়াঘাট নিয়ে অনিয়মের কথা তিনি অস্বীকার না করেই বলেন, আগামিতে খেয়াঘাটসহ সকল ইজারার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিনদিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের খবর: তিনদিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। এসময় ঢাকার বিমান বাহিনীর বঙ্গবন্ধু এয়ারবেজে তাকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বঙ্গবন্ধু এয়ারবেজ থেকে তিনি রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আসেন। তিনদিন ঢাকায় অবস্থানকালে তিনি এখানেই থাকবেন।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে একটি বিশেষ প্লেনে দিল্লি থেকে ঢাকায় পৌঁছান রাজনাথ সিং ও তার সফর সঙ্গীরা।

​ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় পৌঁছালে তাকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানান আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এ সময় তারা কুশল বিনিময় করেন। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাহোরে মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ; গ্রেফতার হচ্ছেন নওয়াজ ও মরিয়ম

বিদেশের খবর: দুর্নীতির দায়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও তার মেয়ে মরিয়ম শরিফকে বিমানে থাকা অবস্থাতেই গ্রেফতার করা হতে পারে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে তাদের লাহোরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। তবে সম্ভাবনা রয়েছে যে, তাদেরকে অবতরণ করার আগেই গ্রেফতার করা হবে। খবর ডেক্কান ক্রনিকলের।

খবরে বলা হয়, নওয়াজ ও মরিয়মের দেশে ফেরা নিয়ে পাকিস্তানজুড়েই তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। দেশে প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তাদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে শুধুমাত্র লাহোরেই মোতায়েন করা হয়েছে ১০ হাজারের বেশি পুলিশকর্মী।

খবর পাওয়া গেছে, পাকিস্তানের জাতীয় জবাবদিহিতে ব্যুরোর একটি দল আবু ধাবিতে নওয়াজ ও মরিয়মের ফ্লাইটে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। যাতে করে তাদেরকে বিমানে থাকা অবস্থাতেই গ্রেফতার করা যায়।

উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আবু ধাবিতে অবস্থান করছেন নওয়াজ ও মরিয়ম শরিফ। তারা শুক্রবার সকালে সেখানে পৌঁছান। তাদের স্বাগতম জানাতে লাহোর বিমানবন্দরের পাশে অবস্থান নিয়েছে তাদের হাজার হাজার সমর্থক।

এদিকে, পরিস্থিতি বিবেচনা করে লাহোরে সকল ধরণের টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মোবাইল নেটওয়ার্কও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে নির্বাচনী মিছিলে আত্মঘাতী হামলায় প্রার্থীসহ নিহত ২৫

বিদেশের খবর: পাকিস্তানে নির্বাচনী প্রচারণার মিছিলে আত্মঘাতী হামলায় আওয়ামী পার্টির প্রার্থীসহ ২৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। শুক্রবার দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশে এ ঘটনা ঘটে। খবর এএফপি ও ডনের।

আগামী ২৫ জুলাই দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন হামলার ঘটনা ঘটছে। গত দুই দিন আগেও নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

ওই প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগা উমর বুনগালজাই বলেন, ইতিমধ্যে এ হামলায় ২৫ জন নিহত হয়েছেন, এ সংখ্যা আরও আরও বাড়তে পারে।

আত্মঘাতী এ হামলায় বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির (বিএপি) প্রার্থী মীর সিরাজ রাইসানি নিহত হয়েছেন। তিনি ওই আসনের প্রার্থী ছিলেন। বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত সিরাজকে কুয়েটা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি মারা যান। নিহত সিরাজ ওই প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মীর আসলাম রাইসানির ছোট ভাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপের সম্ভাব্য সেরা মদ্রিচের অভাবনীয় কষ্টের জীবন

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপে সবাইকে চমকে দিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে ক্রোয়েশিয়া। আর দলটির নেতৃত্ব আছেন বর্তমান ফুটবলের সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে বিবেচিত লুকা মদ্রিচ। তবে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকার জীবনের শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না।

মদ্রিচের শৈশব ছিলো ভয়াবহ অভিজ্ঞতায় ঠাসা। বলকান যুদ্ধ যখন শুরু হয় ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে লুকার বয়স তখন মাত্র ৬ বছর। সার্বিয়ান সেনারা ক্রোয়েশিয়ার গ্রামে গ্রামে ভয়াবহ আক্রমণ চালায়। মদ্রিচের চোখের সামনেই তার দাদাকে গুলি করে হত্যা করে সার্ব আর্মি। সার্বদের গণহত্যার মুখে লুকার পরিবার শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়। অনেক সাক্ষাৎকারে লুকা তার শৈশবে বোমার শব্দ আর গুলির সাক্ষাৎ অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।

মদ্রিচ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই যুদ্ধ আমাকে শক্তি জুগিয়েছে। আমার সাথে আমার পরিবার দীর্ঘ সময় অভাবনীয় কষ্ট করেছে। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদোকে নিজের আদর্শ খেলোয়াড় ভাবেন বলেও জানান লুকা মদ্রিচ।

এছাড়া ছোট্ট শারীরিক গড়নের জন্যও অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে তাকে। মদ্রিচতে দুর্বল আর লাজুক মনে করতো সবাই। ছোট আকৃতি ফুটবল খেলার সাথে ফিট নয় বলে কটাক্ষও শুনতে হয়েছে তাকে। তবে সবকিছুকেই ভুল প্রমান করেছেন এই ফুটবল নক্ষত্র, জয় করেছেন পুরো ফুটবল বিশ্বকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনন্য রেকর্ডের সামনে ফ্রান্স কোচ দেশ্যম

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট ফ্রান্স। এরইমধ্যে দাপটের সঙ্গে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে দলটি। রবিবার শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমে ক্রোয়েশিয়াকে হারাতে পারলেই রেকর্ড বইয়ে নাম তুলে ফেলবেন ফ্রান্স কোচ দেশ্যম। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন দিদিয়ে দেশ্যম। কোচ হিসেবে এবার বিশ্বকাপ জিতে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, মারিও জাগালোর কীর্তিকে স্পর্শ করার হাতছানি দেশ্যমের সামনে।

মঙ্গলবার বেলজিয়ামকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে দিদিয়ে দেশ্যমের ফ্রান্স। ১৯৭৪ সালে ফুটবলার হিসেবে ও ১৯৯০ সালে কোচ হিসেবে দু’বারই জার্মানিকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেন ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার।

তবে বেকেনবাওয়ারের মত ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিলনা ফোলারের। ১৯৯০ সালে ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ জিতলেও ২০০২ সালে কোচ হিসেবে দল বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি ফোলারের দল। জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের মতো ব্রাজিলের মারিও জাগালো ফুটবলার ও কোচ হিসেবে দু’বারই বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠেন। ১৯৫৮ সালে ফুটবলার হিসেবে এবং ১৯৭০ সালে কোচ হিসেবে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন তিনি।

বেকেনবাওয়ার, জাগালো- এই দু’জনের পাশে নাম লেখানোর সুযোগ দেশ্যমের সামনে। ১৯৯৮ সালে অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপের ট্রফি জয় করেছিলেন দেশ্যম। ১৫ জুলাই মস্কোতে ফ্রান্স বিশ্বকাপ ফাইনাল জিতলেই রেকর্ড বইয়ে নাম উঠে যাবে দিদিয়ে দেশ্যমের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি আর্জেন্টিনার ‘অভিনেতা’

খেলার খবর: ব্রাজিল সুপারস্টার নেইমারের কাণ্ডকারখানায় ‘অভিনয়’ শব্দটা ইদানিং খুব জনপ্রিয় হয়ে গেছে। বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিল বিদায় নিয়েও নেইমারকে ‘অভিনেতা’ বলে ট্রল চলছে এখনও। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে একজন পেশাদার অভিনেতা রেফারির দায়িত্ব করবেন। তিনি আর্জেন্টাইন রেফারি নেস্তর পিতানা। তার ওপরেই বর্তেছে ফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব।

সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপ পেয়ে গেছে দুই ফাইনালিস্টকে। আগামী ১৫ জুলাই রবিবার মস্কোতে মুখোমুখি হবে ফ্রান্সে এবং ক্রোয়েশিয়া। ইউরোপের দুই দেশের এই শিরোপার লড়াইয়ে রেফারিং করা ল্যাটিন দেশটির নেস্তর পিতানা একসময় অভিনেতা ছিলেন। এখন শরীরচর্চার শিক্ষক। সেইসঙ্গে রেফারিং করা তার শখ। সেই শখের বসেই ২০০৭ সাল থেকে এই রেফারিং করে যাচ্ছেন তিনি। সুযোগ পেয়েছেন বিশ্বকাপেও।

২০১০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ম্যাচে রেফারিং শুরু করা ৪৩ বছর বয়সী রেফারি নেস্তর রাশিয়া বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত ৪টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। তার অধীনে এই বিশ্বকাপে ফ্রান্স-ক্রোয়েশিয়া দুই দলই খেলেছে। শেষ ষোলোয় ডেনমার্ক-ক্রোয়েশিয়া আর ফ্রান্স-উরুগুয়ের মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনালেও রেফারি ছিলেন তিনি। এলিজেন্দোর পর দ্বিতীয় আর্জেন্টাইন হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনা করবেন পিতানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest