সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলনদেবহাটায় কৃষকদের মাঝে অপসিজন তরমুজ বীজ বিতরণঅস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের তিন ডাকাত আটকনবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণতালার নুরু বিশ^াস ও যুব জামায়াতের নেতা ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অন্যের ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টার অভিযোগজেলা পরিষদের প্রশাসক কে সারসা বাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শুভেচ্ছাসাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিল

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে আটকা ৫০০ পর্বতারোহী

বিদেশের খবর: ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে পাঁচ শতাধিক পর্বতারোহী ও গাইড একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির উপর আটকা পরেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ন্যাশনাল পার্কের এক কর্মকর্তা জানান, ভূমিকম্প আঘাত হানার ২৪ ঘন্টা পরেও বিনোদন দ্বীপটিতে পর্যটকরা আটকে রয়েছে।
রিনজানি ন্যাশনাল পার্কের প্রধান সুদিয়ানো বলেন, এখনো ৫৬০ জন আটকে আছে। এর মধ্যে সিগারা আনাকান এলাকায় ৫০০ এবং বাতু সিপারে ৬০ জন পর্যটক আটকে রয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকাল রবিবার ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় পর্যটন দ্বীপ লমবক’কে ৬.৪ মাত্রার শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন।  স্থানীয় সময় সকাল ৭:০০টার দিকে দ্বীপটিতে আঘাত হানে।
বালি’র পূর্বে অবস্থিত লমবক দ্বীপ পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় জায়গা। ভূমিকম্পে দ্বীপটির বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত হয়েছেন কয়েক ডজন মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুসারে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল লমবকের উত্তরাঞ্চলীয় মাতারাম শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। মূল ভূমিকম্পের পর ৬০টিরও বেশি স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প দ্বীপটিতে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে একটি ছিল ৫.৭ মাত্রার।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বরিশাল সিটি নির্বাচন; বিএনপিসহ তিন প্রার্থীর ভোট বর্জন

অনলাইন ডেস্ক: নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার। আজ সোমবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সরওয়ার নিজেই ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের মেয়র প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সরওয়ার অভিযোগ করেন, গাজীপুর ও খুলনায় ভোটগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হলেও বরিশালে ভোট শুরুই করা হয়নি। ৭০ থেকে ৮০টি কেন্দ্রে ভোট শুরু না হতেই ব্যালটে নৌকার সিল মেরে বাক্স ভর্তি করা হয়েছে। বিএনপি ও অন্য দলের কোনো প্রার্থীর এজেন্টদের ভোটকক্ষে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা ন্যক্কারজনক—এমন অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘আমি চারবার সাংসদ ও একবার মেয়র ছিলাম। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সরকারের আমলেই এমন নজিরবিহীন ভোট আমরা দেখিনি। এমন প্রহসনের নির্বাচন না করে এমনিতেই ঘোষণা দিয়ে নিয়ে যেতে পারত সরকার।’

সরওয়ার বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছিলাম, এখানে প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় প্রার্থী, তাই সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনের আশ্বাসে আমরা আশ্বস্ত হয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের আগের আশঙ্কাই আজ ঠিক হলো।’

সংবাদ সম্মেলনে সরওয়ার নৌকা প্রতীকে সিল মারা ১০ থেকে ১২টি ব্যালট সাংবাদিকদের দেখিয়ে বলেন, সদর গার্লস স্কুল কেন্দ্রে এভাবে ব্যালটে নৌকার সিল মেরে বাক্স ভর্তি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চান, নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল হক, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আহমেদ প্রমুখ।

সরওয়ার ভোট প্রত্যাখ্যান করে এর প্রতিবাদে আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় ঘেরাও করার কর্মসূচি দেন। এরপর মিছিল নিয়ে তিনি নির্বাচন কার্যালয়ের দিকে রওনা দেন।

অন্যদিকে, ওবাইদুর রহমান ও মনীষা চক্রবর্তী সমর্থকদের নিয়ে ‘প্রহসনের নির্বাচন মানি না মানব না’, ‘ভোট চুরির নির্বাচন মানি না মানব না’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বরিশাল সদর রোডে পৃথকভাবে মিছিল করছেন। এ সময় মনীষা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি সদর গার্লস স্কুল কেন্দ্রে গিয়ে প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারতে দেখেন। প্রতিবাদ করলে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। অভিযোগ জানানোর পরও এই কেন্দ্রে নির্বাচন এখনো চলছে। এই কেন্দ্রের মতো সব কেন্দ্রেই নৌকায় সিল মারা হচ্ছে।
এদিকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বরিশালে ভোট স্থগিত চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন।
সূত্র: প্রথমআলো অনলাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে আটক ৬২

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৬ মাদক মামলার আসামী ও তিন জামায়াত কর্মীসহ ৬২ জনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে একটি ওয়ান শুটান গান, এক রাউন্ড গুলিসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ৪ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ২২ জন, কলারোয়া থানা থেকে ১০ জন, তালা থানা ৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ৬ জন, শ্যামনগর থানা ৮ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সাতক্ষীরা শহর ক্রমেই একটি ভাগাড় ও বস্তিতে পরিণত হচ্ছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা পৌর অডিটোরিয়াম পাবলিক অনুষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত করা, পৌর এলাকায় নতুন পাবলিক টয়লেট স্থাপন ও সংস্কার, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও জলবাদ্ধতা নিসরনে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু।

তক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, ইঞ্জিনিয়ার আবিদুর রহমান, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ওবায়দুস সুলতান বাবলু, স্বদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মাধব দত্ত, উদীচি সাতক্ষীরার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, লোদী ইকবাল, সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁ প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম-আহবায়ক সুধাংশু সরকার। এসময় সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, রওনক বাসার, সহ বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা পৌর অডিটোরিয়ামটি জাতির জনকের নাম ব্যবহার করে একটি চক্র দখল করে রেখেছে। অথচ পৌর অডিটোরিয়াম জনগনের সম্পদ। জনগনের সম্পদ কারো কাছে হস্তান্তর করার ক্ষমতা কি মেয়র বা কাউন্সিলরদের আছে? না নেই। কারণ তারা জনগণের সেবক, শাসক নন। বর্তমানে সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রতিটি রাস্তা জরাজীর্ণ হয়ে একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পৌরসভা থেকে সুপেয় পানি সরবরাহ নেই। যে পানি সরবরাহ রয়েছে তা ব্যবহার করা যায় না। তারপরও প্রতিমাসে পানির বিল পরিশোধ করতে হয়। প্রাণসায়ের খালের সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ উদ্বোধনের মধ্যে সীমাবন্ধ রয়েছে। পৌর দীঘির পাড়ের সৌন্দর্য্য বর্ধনের নামে হাস্যকর খাঁচা বানানো হয়েছে। সাতক্ষীরা শহর ক্রমেই একটি ভাগাড় ও বসবাসের অযোগ্য বস্তিতে পরিণত হচ্ছে। অথচ পৌরসভার নগর পরিকল্পনাবিদ রয়েছেন, প্রকৌশলী রয়েছে। তারা বসে বসে বেতন তুলছেন কি কারণে? বক্তারা অবিলম্বে পৌর অডিটোরিয়াম উন্মুক্ত, সুপেয় পানির ব্যবস্থাসহ সাতক্ষীরাকে একটি সুপরিকল্পিত শহরে রুপান্তরিত করার দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তামিমের ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাংকিং

খেলার খবর: বিদেশের মাটিতে ৯ বছর পর প্রথম সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দাপট দেখিয়ে জিতেছে তারা। এই দুর্দান্ত সাফল্যে যারা দারুণ অবদান রেখেছেন, তারা এগিয়েছেন সবশেষ র‌্যাংকিংয়েও। ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাংকিং অর্জন করেছেন তামিম ইকবাল।

শুধু বাঁহাতি এই ওপেনার নন, ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পুরস্কার পেয়েছেন সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ ও মাশরাফি মুর্তজা।

ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ধারাবাহিক ছিলেন তামিম। ১৩০ রানে অপরাজিত থেকে প্রথম ম্যাচের সেরা হয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচ হারলেও হেসেছে তার ব্যাট, করেন ৫৪ রান। সেন্ট কিটসে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ১০৩ রান করেন তামিম। তিন ম্যাচে ২৮৭ রান করে সিরিজের সেরা হয়েছেন তিনি। তাতে র‌্যাংকিংয়েও দারুণ অর্জন তার। চার ধাপ এগিয়ে এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ার সেরা ১৩ নম্বরে। তার আগের সেরা র‌্যাংকিং ছিল ১৫তম। এই তালিকায় সবার উপরে ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

সিরিজে দুটি হাফসেঞ্চুরিতে ১৯০ রান করা সাকিব এগিয়েছেন তিন ধাপ। ব্যাটসম্যান র‌্যাংকিংয়ে এখন তার অবস্থান ২৬তম। আগের মতো অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষেই তিনি। ব্যাটসম্যান হিসেবে চার ধাপ এগিয়ে মাহমুদউল্লাহ ৩৮ নম্বরে।

দারুণ এই সাফল্যে অধিনায়ক হিসেবে বুদ্ধিদ্বীপ্ত ছিলেন মাশরাফি। ৭ উইকেট নিয়ে সিরিজের শীর্ষ বোলার বাংলাদেশের এই ডানহাতি পেসার। ৮ ধাপ এগিয়েছেন তিনি। এতে করে শীর্ষ ২০ এ জায়গা করেছেন মাশরাফি, এখন তিনি বোলার র‌্যাংকিংয়ে ১৯ নম্বরে। মোস্তাফিজুর রহমান দুই ধাপ এগিয়ে ১৭ নম্বরে। বোলার র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে ভারতের জশপ্রীত বুমরাহ।

এই সিরিজ জিতলেও বাংলাদেশ হারিয়েছে একটি রেটিং পয়েন্ট। ৯ নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে দ্বিতীয় ম্যাচ হারায় পয়েন্ট খোঁয়ালো ৯৩ পয়েন্ট নিয়ে সিরিজ শুরু করা বাংলাদেশ। ৯২ পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন ৭ নম্বরেই। আইসিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ভারত’-এ প্রিয়াঙ্কা নন, ক্যাটরিনা

বিনোদন সংবাদ: ‘বিশেষ’ কারণ দেখিয়ে আলী আব্বাস জাফর পরিচালিত ‘ভারত’ সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তাঁর স্থলে সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে জুটি বাঁধবেন ক্যাটরিনা কাইফ। এক টুইটে এ খবর জানিয়েছেন পরিচালক জাফর।

দুদিন আগে অবশ্য ‘ভারত’-এ প্রিয়াঙ্কার না থাকার খবর জানিয়েছিলেন পরিচালক আলী আব্বাস। বলেছিলেন, বিশেষ কারণে সিনেমাটিতে কাজ করছেন না প্রিয়াঙ্কা। বয়ফ্রেন্ড নিক জোনাসের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতেই প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার এ সিদ্ধান্ত। প্রিয়াঙ্কার নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন তিনি। এর পরই অবশ্য গুঞ্জন ওঠে তবে সালমান খানের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন কে? অবশেষে পরিচালক জানালেন, ‘ভারত’-এ সালমান খানের সঙ্গী হচ্ছেন ক্যাটরিনা কাইফ।

প্রিয়াঙ্কার সিদ্ধান্তে অবশ্য নাখোশ হয়েছেন রিল লাইফ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী নিখিল নমিত। হতাশা জানানোর পর প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে ‘অপেশাদার’ বলতেও ছাড়েননি ‘ভারত’ প্রযোজক। তিনি বলেন, নিক জোনাসের সঙ্গে বাগদানের কারণ দেখিয়ে ‘ভারত’ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। হুট করেই তাঁর এ সিদ্ধান্ত অপেশাদারত্বের লক্ষণ।

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, ক্যাটরিনা কাইফ আগামী সেপ্টেম্বরেই ‘ভারত’ টিমের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

অবশ্য বলিউডডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের সঙ্গেও যোগাযোগের গুঞ্জন শোনা যায়। তবে অন্য সিনেমার সঙ্গে যুক্ত থাকায় ‘ভারত’-এ ‘সময়’ দিতে পারছেন না কারিনা, এমনটাই জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘গুরু’র হাত ধরে শীর্ষপদে আসছেন ওয়াসিম!

বিদেশের খবর: গতবছর টুইটারে একটি ছবি দিয়ে পাকিস্তানের কিংবদন্তী অলরাউন্ডার ওয়াসিম আকরাম লিখেছিলেন, ‘ওয়ান্স আ লিডার, অলওয়েজ আ লিডার’। যার উদ্দেশ্যে কথাটা বলেছিলেন, তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান বিশ্বকাপ জয়ে পাকিস্তানের নেতৃত্ব দেন।

এই ইমরান-ই পাকিস্তানের দুই বিশ্বসেরা পেসার ওয়াসিম ও ওয়াকারের গুরু। ওয়াসিমকে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে দেখে তুলে এনেছিলেন জাতীয় দলে। ইমরানের চোখে আকরাম তখন, মোস্ট ট্যালেন্টেড বোলার।

কালের নিয়মেই ক্রিকেট মাঠ ছেড়ে গিয়েছেন এই দুই মেগা তারকা। কিন্তু সম্পর্কের বাঁধন কখনও ছিঁড়ে যায়নি। পাক নির্বাচনে অভূতপূর্ব সাফল্যের পর ইমরান এখন মসনদে বসতে যাচ্ছেন। আর বিদেশ সফর কাটছাঁট করে ফিরে সোজা তার বাসভবনে গিয়ে অভিনন্দন জানিয়ে এসেছেন এক সময়ের বিশ্বসেরা বাঁ-হাতি সিমার। যাকে ক্রিকেট দুনিয়া চেনে ‘সুলতান অফ সুইং’ বলেও।

দেশের একাদশ নির্বাচনে ইমরানের তেহরিক-ই-ইনসাফ তুমুল সাফল্য পাওয়ার পর তার প্রধানমন্ত্রী হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা। আর পাকিস্তান ক্রিকেট মহলের গুঞ্জন, ইমরান প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেলে পিসিবি চেয়ারম্যান হবেন আকরাম।

ইমরান আকরামকে দায়িত্ব দিয়ে পিসিবিকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে চাইবেন। পাক ক্রিকেটে এটাই দস্তুর। আগেও এমন হয়েছে। পিসিবির বর্তমান চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি সাংবাদিক ছিলেন। পাক ক্রিকেটে তার পরিচয় ইমরান-বিরোধী বলে। তাকে পিসিবির দায়িত্বে এনেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ।

ইমরান রাজনীতির আঙিনায় নওয়াজের প্রবল বিরোধী বলেই পরিচিত। সে ক্ষেত্রে তিনি দায়িত্ব নিয়ে নওয়াজ ঘনিষ্ঠ পিসিবি কর্তাকে সরিয়ে ওয়াসিম আকরামকে চেয়ারম্যানের পদে বসাবেন, এটাই সবাই ধরে নিয়েছেন।

আকরামে পরিবার থেকেও এই জল্পনায় সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। তার এক আত্মীয় বলেন, হ্যাঁ, ওয়াসিম পিসিবি চেয়ারপার্সনের দৌড়ে রয়েছেন। ও ইমরানের সঙ্গে দীর্ঘদিন পাকিস্তানের হয়ে খেলেছেন। এখন দু’জনে মিলে পাকিস্তানকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সূত্র : জি-নিউজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাকরির আগে মাদকসেবী কিনা পরীক্ষা করে নেয়া হবে

দেশের খবর: চাকরিতে প্রবেশের আগে ডোপ টেস্টের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত অনুমোদন পাওয়া গেছে। এ আইন পাস হলে চাকরিপ্রার্থীদের মাদক সেবনকারী কিনা পরীক্ষা করে নেওয়া হবে। বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রেও মাদক সেবনকারী কিনা পরীক্ষা করা হবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির আগে সে মাদকাসক্ত কিনা তা পরীক্ষা করে নেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

রোববার সকাল ১১টায় রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে এক কর্মশালায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সুরক্ষা সেবা বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন রোধে প্রণীত অ্যাকশন প্লান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠানে ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদক নিয়ন্ত্রণে যে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে তা বাস্তবায়ন আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং এটা জিরো টলারেন্স না আসা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা শুধু অভিযানের মাধ্যমে মাদক নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন ধরনের সভা-সমাবেশ সেমিনার এবং মসজিদের ইমামদের মাধ্যমেও প্রচারণা চালাচ্ছি।

ফরিদ উদ্দিন বলেন, মাদক নিয়ে যারা ধরা পড়ছে তারা অধিকাংশই ছোট ব্যবসায়ী এবং মাদকসেবী। সব সময় সব অভিযান থেকেই মাদক ডিলাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। তাদের আইনের আওতায় আনা যাচ্ছে না। আমরা চেষ্টা করেছি তাদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা। আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত মাদক নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কিন্তু মিয়ানমারের সঙ্গে কোনো আলোচনায় ফলপ্রসূ হয়ে উঠছে না। মিয়ানমারের সঙ্গে ও মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার মাদকমুক্ত দেশ গঠনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মাদক ব্যবসায়ীরা নতুন নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে মাদক ব্যবসার কৌশল। একদিকে নতুন মাদকের আগ্রাসন অন্যদিকে বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যক্তিদের মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ততা পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলেছেন। এখনই সময় যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা। ইয়াবা নামক মরণ নেশার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে প্রয়োজন মাদক বিরোধী সর্বাত্মক সামাজিক সচেতনতা ও সকল বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহাদুজ্জামান খাঁন কামাল কিন্তু বিশেষ কারণে তিনি না আসতে পারায় প্রধান অতিথির আসন গ্রহণ করেন সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। অ্যাকশন প্লান্ট উপস্থাপন করেন সেবা ও সুরক্ষা বিভাগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত সচিব আতিকুল হক।

কর্মশালায় র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, দেশের জেলাগুলোতে বিশেষ আদালত গঠন করে মাদকের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির আহ্বান জানান।

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, এই যে বছরের পর বছর ধরে মামলা চলে, এক পর্যায়ে গিয়ে কাগজ নাই, সাক্ষী নাই, কিচ্ছু নাই। আর তারপর বলে ইনভেস্টিগেশনের দোষে মামলা খালাস। এই পর্যায়ে আমরা আর যেতে চাই না। তিনি ৬৪ জেলায় ৬৪ টি বিশেষ আদালত গঠনের দাবি জানান।

বেনজির আহমেদ বলেন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের দিয়ে প্রতি জেলায় একটি করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট বিশেষ আদালত করা যেতে পারে। বিচারে আসামি খালাস পাক, তারপরেও বিচারটা হোক।

তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ নির্মূলের মতো এই অভিযানেও সফল হবে সরকার। ৩৭ হাজার বন্দির ধারণক্ষমতার জেলখানায় ৯০ হাজার বন্দি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বন্দিদের ৪৪ শতাংশই মাদক মামলার। তার মানে জেলখানার ধারণক্ষমতার সমপরিমাণ বন্দি মাদক সংশ্লিষ্টতায়। সময় এসেছে এসব বন্দিদের জন্য বিশেষ কারাগার করার।

ক্ষোভ প্রকাশ করে বেনজীর আহমেদ বলেন, কোনোকিছু শুরু করলে একশ্রেণির মানুষ চিৎকার শুরু করেন। তারা আসলে কী পেতে চান? জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময়ও দেখেছি তারা রাতের পর রাত টেলিভিশনে বসে চিৎকার করছেন। তারা অন্যের সুরে সুর মেলান, পুতুলনাচের মতো অন্যের ইশারায় নাচতে থাকেন। তাদেরকে এটা থেকে বেরিয়ে আসতে বলবো। তারা কী মনে করেন, আমরা কিছু বুঝি না? চিৎকার করে লাভ নেই এ যুদ্ধে আমরা বিজয়ী না হয়ে ঘরে ফিরব না। এটা ১৬ কোটি মানুষের ডিমান্ড, সরকার ও রাষ্ট্রের ডিমান্ড। প্রত্যেককে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধ শেষে বিজয়ী হয়েই ঘরে ফিরব।

বেনজীর আহমেদ বলেন, ৪ মে থেকে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে র‌্যাবের প্রায় ২ হাজার মামলা হয়েছে। আমি অবসরে চলে যাব, তখনও দেখা যাবে এসব মামলার বিচার শেষ হবে না। তাই ৫-৬ বছরের জন্য মাদক মামলার বিচারে প্রতি জেলায় বিশেষ আদালত গঠনের দাবি জানাচ্ছি।

কক্সবাজারে র‌্যাবের ৭টি ক্যাম্প রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতে করে কক্সবাজার থেকে ঢাকামুখী ইয়াবার চালান কমেছে। কিন্তু বেলুনের মতো আরেকদিকে ফুলে উঠেছে, এখন শুরু হয়েছে সিলেট রুটে। র‌্যাব-পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড সবাই মিলে আমরা ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করব। দেখতে চাই মাদক ব্যবসায়ীরা কোথায় যায়?

সাংবাদিকরা মাদকবিরোধী অভিযানে সহযোগিতা করায় ধন্যবাদ জানিয়ে করে তিনি আরও বলেন, কিন্তু গত ১০ বছরে কক্সবাজার এলাকার কোনো মাদক রিপোর্ট দেখি না। অনেকে বলেন, গডফাদার, গডমাদারের ভয়ে করেন না। তো এখন রিপোর্টার পাঠাচ্ছেন না কেন? আমরা দেখতে চাই, সেই গডফাদার, গডমাদার কারা? এখন অনেকে রিপোর্ট না করে সিএনএনর সাংবাদিক এনে বা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের লোক এনে বক্তব্য নেন। সাংবাদিকতাকে টিকিট হিসেবে ব্যবহার করে এসব করা ঠিক হবে না, সাংবাদিকতার নৈতিকতার সঙ্গে এসব যায় না বলেও মন্তব্য করেন র‌্যাব ডিজি।

এছাড়াও কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন কোস্টগার্ডের ডিজি আওরঙ্গজেব চৌধুরী, পুলিশের ডিআইজি ব্যারিস্টার মাহবুব হোসেন, বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনিসুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আনিসুর রহমান, আনসার ভিডিপির উপমহাপরিচালক দ্বীলীপ কে বিশ্বাস, অধ্যাপক ডা. অরুপ রতন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবুল বাসেত মজুমদার প্রমুখ। কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট ১৬টি মন্ত্রণালয়ের ৫০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest