সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে কল্যাণ ব্যানার্জি’ ফেসবুক আইডির পোস্ট: ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশআশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে : এমপির ঘটনাস্থল পরিদর্শনদেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভাসাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলনচৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রউপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সমন্বয় সভাশ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিন

২২টি সোনার বারসহ ভারতীয় যাত্রী আটক

দেশের খবর: শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভারতীয় এক যাত্রীর কাছ থেকে সোনার ২২টি বার জব্দ হয়েছে। আটক করা হয়েছে ওই যাত্রীকে। তাঁর নাম আরশাদ আয়াজ আহমেদ (৪৬)। তিনি কলকাতার বাসিন্দা।
বুধবার দিবাগত রাত একটার দিকে তিনি ব্যাংকক থেকে থাই এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন।ঢাকা কাস্টম হাউসের উপপরিচালক অথেলো চৌধুরী বলেন, টিজি৩৩৯ ফ্লাইটটি বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর প্রথম দিকেই আরশাদ আয়াজ আহমেদ বেরিয়ে আসেন। গোপন খবরের ভিত্তিতে কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম তাঁকে অনুসরণ করে। গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার তাঁকে শুল্ক-কর আরোপযোগ্য পণ্যের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি তা অস্বীকার করেন। পরে তাঁর দেহ তল্লাশি করে কোমরে সাদা স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় বিভিন্ন ওজনের সোনার ২২টি বার পাওয়া যায়। এগুলোর ওজন ১২ কেজি ৩০০গ্রাম। এর বাজার মূল্য ৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষ চালক তৈরিতে জরুরি বরাদ্দ চায় বিআরটিসি

দেশের খবর: ঢাকাসহ সারাদেশে সড়কে প্রতিদিনই ঝরছে প্রাণ। ওভারটেকিং ও অসুস্থ প্রতিযোগিতার পাশপাশি চালকের অদক্ষতা এসব দুর্ঘটনার জন্য বেশি দায়ী। অধিকাংশ চালকেরই নেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশন (বিআরটিসি) মনে করছে চালকের অদক্ষতা, যান্ত্রিক ত্রুটি, চালক ও পথচারীদের অসাবধানতা প্রভৃতি কারণে এসব সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে।
এসব বিবেচনায় দক্ষ গাড়িচালক তৈরিতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়ে পরিকল্পনা কমিশনে বুধবার (৮) চিঠি দিয়েছে বিআরটিসি।
‘দক্ষ চালক তৈরির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য বিআরটিসি’র তিনটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, ১৭টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আধুনিকায়ন ও শক্তিশালীকরণ’ প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ১২ কোটি ৬ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। অথচ চলতি এডিপিতে প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ ছিল মাত্র ৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ফলে এই প্রকল্পে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) মোট বরাদ্দ দাঁড়াবে ১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে প্রকল্পটি আরও গুরুত্ব দিয়েছে সরকার।
অনুমোদিত প্রকল্পের মোট ব্যয় ১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। অথচ প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এ স্বল্প বরাদ্দ দিয়ে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না বলে জানায় বিআরটিসি।
বিআরটিসির ম্যানেজার (পরিকল্পনা) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, পাঁচ বছরে এক লাখ দক্ষ চালক তৈরি করা হবে। এর মধ্যে বিআরটিসি তৈরি করবে ৩৬ হাজার। এই লক্ষ্যে আমরা একটি প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছি। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। কিন্তু আমরা এক টাকাও বরাদ্দ পাইনি। বরাদ্দ না পেলে কীভাবে কাজ করবো। সেজন্য জরুরিভিত্তিতে আমরা বরাদ্দ চেয়েছি। প্রকল্পের আওতায় আমরা অর্থব্যয় করতে পারিনি। ৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা দিয়ে কাজ করাও সম্ভব না।
বিআরটিসি, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেইফ) সমন্বিতভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। বিআরটিসির তিনটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও ১৭টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রকল্পের টাকায় এসব প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউশন ও কেন্দ্রগুলোর উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণের জন্য গাড়িও কেনা হবে। বিএমইটি প্রশিক্ষণ দেবে ৩২ হাজার জনকে। আর বাকি ৩২ হাজার জনকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
বেসরকারিখাতের প্রশিক্ষণের মূল দায়িত্বে থাকবে সেইফ। বিটিআরসি ও বিএমইটির প্রশিক্ষণের তদারকিও করবে স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেইফ)। অচিরেই সেইফের সঙ্গে এ দুই সংস্থা সমঝোতা স্মারক সই করবে। এসব কাজ বাস্তবায়ন করতে অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন বলে মনে করে বিআরটিসি।
প্রকল্পের আওতায় চলতি সময় থেকে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এক লাখ দক্ষ চালক তৈরি করা হবে। প্রকল্পটি যদিও ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নেই। এজন্য পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদন চেয়েছে বিটিআরসি।
প্রশিক্ষিত চালকদের একটি বড় অংশের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্যোগও নেওয়া হবে। এজন্য তাদের ইংরেজি ও আরবি ভাষার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়া নারী চালকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে। বর্তমানে বিআরটিসির তিনটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও ১৭টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। এগুলো বর্তমানে জরাজীর্ণ ও ভঙ্গুর অবস্থায়। এসব কেন্দ্রে প্রশিক্ষণের কোনো আধুনিক উপকরণও নেই।
বরাদ্দ পেলে বিআরটিসির নিজস্ব জনবলের মাধ্যমে গাজীপুর, মিরপুর, তেজগাঁও, জোয়ার সাহারা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, টুঙ্গীপাড়া, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, দিনাজপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ ও বরিশালের প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলোতে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার জয়

খেলার খবর: শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়ে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম তিনটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এতেই নিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের সিরিজ জয়। চতুর্থ ওয়ানডেতেও জয়ের বেশ কাছাকাছি চলে গিয়েছিল প্রোটিয়ারা। তবে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে শেষপর্যন্ত ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৩ রানের জয় পেয়েছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।
ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত এই চতুর্থ ম্যাচটিতে আগাগোড়াই ছিল বৃষ্টির বাধা। শুরুতে ব্যাটিং করতে নামা শ্রীলঙ্কার জন্য খেলার দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয় ৩৯ ওভার। আর সেই নির্ধারিত সময়ে ঝড়োগতির ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কার স্কোরবোর্ডে জমা হয় ৭ উইকেট হারিয়ে ৩০৬ রান। এরপর আবার বৃষ্টির বাধায় দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ২১ ওভারে ১৯১। সেই লক্ষ্যেরও খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষপর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রানে থেমে যায় তাদের ইনিংস।
সপ্তম উইকেটে ১০৯ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে শ্রীলঙ্কার স্কোর অনেক বড় করে দেওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছেন দাশুন শানাকা ও থিসারা পেরেরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৫ রানের ইনিংস খেলেছেন শানাকা। পেরেরার ব্যাট থেকে এসেছে ৫১ রান। আরেক পেরেরা, কুশালও খেলেছেন ৫১ রানের ইনিংস।
২১ ওভারে ১৮৯ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই কুইন্টন ডি ককের (২৩) উইকেট হারিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আরেক ওপেনার হাশিম আমলা খেলেছেন ২৩ বলে ৪০ রানের ইনিংস। জেপি ডুমিনির ব্যাট থেকে এসেছে ৩৮ রান। ২১ রান করেছেন ডেভিড মিলার। আর ১৭ রানের ছোট দুটি ইনিংস এসেছে হেনরিক ক্লাসেন ও কেশব মহারাজের ব্যাট থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

দেশের খবর: ডিবি পরিচয়ে সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা হাসিনুর রহমানকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার রাত ১০টার দিকে মিরপুর পল্লবীর ডিওএইচএসের বাসার সামনে থেকে তাঁকে তুলে নেওয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। রাত ১টার দিকে পল্লবী থানায় এ অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
পল্লবী থানার ডিউটি অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজ র‌্যাব সদস্যের পরিবারের লোকজন থানায় এসেছেন। তারা এ ঘটনায় জিডি করেন। হাসিনুর রহমানের শ্যালক ওয়াকিল আহমেদ জানান, তিনি তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন। বাসার নিচে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের জ্যাকেট পরা কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যায়।
পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে তাঁর ব্যক্তিগত পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীতে চাকরির সময় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় দণ্ডিত হন হাসিনুর রহমান। ওই ঘটনায় পাঁচ বছরের জেল খেটে ২০১৪ সালে মুক্তি পান তিনি। এক সময় র‌্যাব-৫ ও র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক ছিলেন। বিজিবিতেও বেশকিছু দিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ‘ব্লক রেইড’ অভিযান

দেশের খবর: রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাসহ আশপাশে অভিযান ‘ব্লক রেইড’ চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় এ অভিযান শুরু হয়।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে ডিএমপির গুলশান বিভাগ, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও রিজার্ভ পুলিশের প্রায় এক হাজার সদস্য কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় জড়ো হন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। রাত সাড়ে ৮টার পর ওই এলাকায় অবস্থান নেয় পুলিশ। এরপর রাস্তায়, বাসায়, মেসে তল্লাশি চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ও ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) কাছে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়। এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘিরে ও আবাসিক এলাকার ভেতরে দিনভর অন্তত ১২ বার পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পুলিশ এ সময় কয়েক শ কাঁদানে গ্যাসের শেল এবং অনেক রাবার বুলেট ছুড়েছে । দিনভর সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। রাত ৮টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও সাঁজোয়া যান এনে রাখা হয়।
পুলিশকে লক্ষ্য করে আন্দোলনকারীরা ইট ও পাথর ছুড়ে মারেন। পরে পুলিশ তাঁদের ওপর শতাধিক রাবার বুলেট ছোড়ে। এ সময় রাবার বুলেটের আঘাতে ১০ থেকে ১২ বছর বয়সী এক শিশু ও ১৫ বছর বয়সী একটি কিশোর আহত হয়। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এরা কেউ এখানকার কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র নয়। বসুন্ধরার পাশের বস্তিতে থাকে।
এদিকে পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের পৃথক দুই মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ ছাত্রের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম আবদুল্লাহ আল মাসুদ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।
গ্রেপ্তার আসামিরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ওয়েস্ট, নর্থ সাউথ, সাউথইস্ট ও ব্র্যাকের ছাত্র। এর মধ্যে বাড্ডা থানার পুলিশ ১৪ জন ছাত্রকে এবং ভাটারা থানার পুলিশ ৮ জন ছাত্রকে আদালতে হাজির করে প্রত্যকের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২ কোটি টাকার ইয়াবাসহ সৌদিয়া বাস আটক

দেশের খবর: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চলাচলরত সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ১ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দামের ৩৯ হাজার ১’শ পিস ইয়াবাসহ যাত্রীবেশী ছয় মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
বুধবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৫ টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ এর স্কোয়াড্রন লিডার শাফায়াত জামিল ফাহিম জানান, যাত্রী পরিবহনের আড়ালে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহাসড়কে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি চালায় র‌্যাব। এসময় ঢাকাগামী সৌদিয়া পরিবহনের বাস (চট্ট মেট্রো-ব ১১-১০৫৯) এর গতিবিধি সন্দেহজনক হলে র‌্যাব সদস্যরা উক্ত বাসটিকে থামানোর জন্য সংকেত দিলে গাড়িটি না থামিয়ে র‌্যাবের চেকপোস্ট অতিক্রম করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। র‌্যাব সদস্যরা গাড়িটি তাড়া করে ফেনীর রামপুর এলাকায় আটক করে।
বাসটি তল্লাশিকালে কুমিল্লার গয়েসপুর এলাকার খলিলুর রহমান (৫৭), কক্সবাজার জেলার পানখালী গ্রামের মো. রফিক (৪৬), সাতকানিয়া থানার চরকাগুলিয়া এলাকার মো. করিম (২৭), কুমিল্লার কালিকসার এলাকার মো. জাকির হোসেন মহসিন (৪৮), কক্সবাজার এর মহাজরপাড়া গ্রামের মো. পারভেজ উদ্দিন (৩০), রামুর খুনিয়া পালং এলাকার নবী হোসেনের স্ত্রী মোছা. মর্জিনা বেগম (৪৫) এর দেহ তল্লাশিকালে সাড়ে ৬ হাজার পিস এবং তাদের দেয়া তথ্যমতে আটককৃত বাসটির ড্রাইভিং সিটের নিচে সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় আরো ৩২ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সর্বমোট ৩৯ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ উক্ত বাসটি জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ০১ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত বাসের আনুমানিক মূল্য ৮০ লক্ষ টাকা। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে জানায় র‌্যাব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
MTCL এর গাড়ি ৩৬টি, চলছে ৭টি

দেশের খবর: রাজধানীতে এমটিসিএল পরিবহনের ৩৬টি গাড়ি থাকলেও রাস্তায় চলছে মাত্র ৭টি। ৫২ সিটের এই গাড়িগুলো আরামবাগের নটরডেম কলেজের সামনে থেকে ছাড়ে। এটি মতিঝিল হয়ে সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, আসাদগেট ও মোহম্মদপুর টাউন হল পর্যন্ত যায়। প্রতিদিন এই রুটে ৩৬টি গাড়ি চলাচল করলেও সম্প্রতি ছাত্র বিক্ষোভের পর থেকে এখন মাত্র ৭টি গাড়ি এই রুটে চলাচল করছে। ফলে এই রুটে চলাচলকারী যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, ছাত্র বিক্ষোভের পর ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ চলছে। তাই রাস্তায় চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় রুট পারমিট ও চালকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় মালিকরা আপাতত গাড়ি রাস্তায় নামাচ্ছেন না।
বুধবার (৮ আগস্ট) দুসঙ্গে রাজধানীতে চলাচলের জন্য ২০১৮ সালের জুন মাসেই রুট পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। সরকার রুট পারমিটের মেয়াদ আবারও বাড়াবে কিনা জানেন না মালিকরা। তাই নতুন পুরে রাকিব নামের একজন চালক জানান, রাজধানীতে এই গাড়ির সংখ্যা মোট ৩৬টি। কিন্তু বর্তমানে চলছে মাত্র ৭টি। কারণ জানতে চাইলে চালক রাকিব জানান, এই গাড়ির ফিটনেস নাই। একই করে কাগজপত্রও করতে পারছেন না তারা। এতদিন রুটে সংশ্লিষ্ট পুলিশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে এমটিসিএল গাড়ি চলাচল করেছে। কিন্তু ছাত্র বিক্ষোভের মুখে ডিএমপির বিশেষ পুলিশ সপ্তাহ চলাকালে ট্রাফিক বিভাগ আগের তুলনায় কড়াকড়িভাবে কাগজপত্র চেক করার কারণে মালিকরা গাড়ি নামাতে সাহস পাচ্ছেন না। তাই রাস্তায় গাড়ি কম।
চালক রাকিব বলেন, ‘যে গাড়িটি আমি চালাচ্ছি, তারও কোনও কাগজপত্র নেই। তারপরও খামখেয়ালি করে চালাচ্ছি। কারণ মাসোহারা দেই তো।’ রাকিব বলেন, ‘আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স পাকা। আমার কাগজে কোনও ত্রুটি নাই। এই রুটের গাড়ি আমরা যারা চালাই, তাদের প্রায় বেশিরভাগেরই ড্রাইভিং লাইসেন্স ওকে।’
এদিকে রাজধানীতে চলাচলকারী এমটিসিএল’এর একটি গাড়ির মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে টেলিফোনে বলেন, ‘কম গাড়ি চলাচলের জন্য জনসাধারণের ভোগান্তি হচ্ছে জানি। কিন্তু আমাদের কি করার আছে? কড়াকড়িভাবে ট্রাফিক সপ্তাহে কাগজ চেক হচ্ছে। রাস্তায় গাড়ি নামালেই টাকা দিতে হয়, তার পরেও কাগজ চায়। না পেলে মামলা দেয়। সেই মামলা মিটমাট করতে হয়। এতো ঝামেলা কে করে? তাই বন্ধ রেখেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক, তার পরে গাড়ি নামাবো।’ তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্টরা কাগজের চেয়ে টাকাকে বেশি পছন্দ করে। কারণ কাগজ পাকা থাকলে তো তাদের আয় কমে যায়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জরুরি চিকিৎসা না দিলেই শাস্তি

দেশের খবর: সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে বা অবহেলা করলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রেখে সরকারের করা নীতিমালা গেজেট আকারে জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতের রায়ের কপি পাওয়ার দুই মাসের মধ্যে ‘সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ ও সহায়তাকারী সুরক্ষা প্রদান নীতিমালা-২০১৮’ শিরোনামে করা নীতিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে স্বাস্থ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসংক্রান্ত আইন না হওয়া পর্যন্ত এ নীতিমালা আইন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে।
বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেন। সরকারের দাখিল করা নীতিমালার দুটি ধারা পরিমার্জন করে রায় দেন আদালত। রায়ে আহত রোগী বহনের জন্য প্রতিটি হাসপাতালে কয়টি অ্যাম্বুল্যান্স থাকবে, রোগের ধরন অনুযায়ী এসব অ্যাম্বুল্যান্সে কী কী সুবিধা থাকবে, তা নির্ধারণ করে একটি ‘জাতীয় অ্যাম্বুল্যান্স কোড’ করতেও বলা হয়েছে।
আদালতের রায়ের পর রিট আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, কয়েক দফা সংশোধনের পর সরকার একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করে আদালতে দাখিল করে। আদালত দুটি ধারায় কিছু পরিমার্জন করে ওই নীতিমালা চূড়ান্ত করেছেন। রায়ের কপি পাওয়ার দুই মাসের মধ্যে এই নীতিমালা গেজেট আকারে জারি করতে বলেছেন আদালত।
খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, আহত ব্যক্তির চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তা মনিটরিংয়ের জন্য সরকার একটি সেবা সেল গঠন করবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তাকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনোভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তবে সহায়তাকারীর মারাত্মক অবহেলা বা অসৎ উদ্দেশের ফলে আহত ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ওই সহায়তাকারী স্বীয় দায় এড়াতে পারবেন না।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার পর তার স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপর বর্তাবে। আহত ব্যক্তিকে জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ব্যক্তি অবহেলা বা শৈথিল্য দেখালে তা অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ছাড়া কোনো হাসপাতাল অবহেলা বা শৈথিল্য দেখালে নিবন্ধন/লাইসেন্স/অনুমতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধিমতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ নীতিমালা বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের লক্ষ্যে সরকার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে একটি জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সেল গঠন করবে। এই সেবা সেলের মনিটরিংয়ের ফলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক চিকিৎসাসেবা প্রদানে অবহেলা বা শৈথিল্য চিহ্নিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তা বিচার্য হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা সুবিধা বা সক্ষমতা না থাকলে রোগীর শারীরিক অবস্থা এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ করে তাত্ক্ষণিকভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে উন্নত চিকিৎসা দিতে উপযুক্ত চিকিৎসাসুবিধা সংবলিত হাসপাতালে নিজ দায়িত্বে স্থানান্তর করবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, আহত ব্যক্তির চিকিৎসা প্রদানে সক্ষমতাসম্পন্ন হাাসপাতাল কোনো অবস্থাতেই রোগীর চিকিৎসা না দিয়ে ফেরত বা স্থানান্তর করতে পারবে না। আহত ব্যক্তির জরুরি শল্যচিকিৎসার প্রয়োজন পড়লে উপযুক্ত অভিভাবক বা আত্মীয়ের অনুপস্থিতিতে ও সম্মতি ব্যতিরেকেই প্রয়োজনীয় শল্যচিকিৎসা দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে আহত ব্যক্তির জীবননাশের আশঙ্কা থাকলে বা জীবনহানি ঘটলে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কোনোভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest