সর্বশেষ সংবাদ-
জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিসাতক্ষীরায় জাকির স্মৃতি স্কুল কাবাডি প্রতিযোগিতার ফাইনালসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন Ako používať roobet paysafecard pre maximálne pohodlie a bezpečnosťMilyen hatással van a kaszinó keverési eljárás a játékélményreশ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভা

বাংলাদেশের ফুটবল উন্মাদনা ফিফার অফিসিয়াল পেজে!

খেলার খবর: বিশ্বকাপে খেলতে না পারলেও বাংলাদেশের ফুটবল উন্মাদনা স্থান করে নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার অফিসিয়াল পেজে।
শুধু এশিয়া নয়, পুরো বিশ্বকাপজুড়ে বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকদের ভালোবাসা দেখানোর ব্যবস্থা করল ফিফা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের ফুটবল উন্মাদনা নিয়ে পোস্ট করা হয়েছে পুরান ঢাকার গোল ফেস্টের তিনটি ছবি।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বড় পর্দায় খেলা দেখার একটি ছবি পোস্ট করে ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ’ নামক পেজটিতে পোস্ট করেছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বিশ্বকাপ চলে এসেছে শেষের দিকে। কারও পছন্দের দল রয়ে গেছে, কারও আবার হেরে গেছে।

তবু যেন খেলা দেখা বন্ধ হয়নি কারও। অন্য দেশের মতো বাংলাদেশও কাঁপছে বিশ্বকাপ-জ্বরে।

তবে ফাইনালের মধ্য দিয়ে ১৫ জুলাই পর্দা নামছে রাশিয়া বিশ্বকাপের। ইতিমধ্যে কমেন্ট বক্সে বাংলাদেশিদের শুভেচ্ছা বার্তায় সয়লাব পুরো পোস্টটি।
ছবির ক্যাপশনে ফিফা লিখেছে- বিশ্বকাপে কখনই জায়গায় করে নিতে না পারলেও বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দেশ, যেখানে নিবেদিত ফুটবল সমর্থক রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার সাবেক ফুটবলার লাক্সকে বাঁচাতে মানবিক সাহায্যের আবেদন

আসাদুজ্জামান: বিশিষ্ট এনজিও কর্মী ও সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় সাতক্ষীরার মাগুরা গ্রামের ইলিয়াছুর রহমান লাক্স (৪৫) দীর্ঘ দিন যাবত কিডনি জনিত রোগে ভুগছেন। তার গ্রামের বাড়ি আশাশুনি উপজেলার বড়দল গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে। তার দুটি কিডনিই নষ্ট হওয়ায় চিকিৎসার অভাবে বহু দিন ধরে তিনি মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দীর্ঘ ১০ মাস যাবৎ তিনি বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়ে আছেন। বিকল্প কোন আয়ের পথও তার নেই। চিকিৎসা খরচসহ সংসারের যাবতীয় ব্যয়ভার চালাতে গিয়ে বর্তমানে তিনি ধার-দেনার জর্জরিত হয়ে পড়েছেন। টাকার অভাবে তিনি কোন সুচিকিৎসাও করতে পারছে না। গত ৮ বছর আগেও তার প্রথম একটি কিডনি নষ্ট হলে তার মা সালেহা বেগম তার একটি কিডনি ছেলেকে দান করেন। সেখান থেকে তিনি ভালই ছিলেন। হঠাৎ গত এক বছর আগ থেকে আবারও ধরা পড়ে তার কিডনি জনিত রোগ। এখন তার অবস্থা এতই খারাপ যে তিনি আর বাইরে বের হতে পারছেননা। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শেখ ফয়সাল হোসেনের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জরুরিভাবে তার সুচিকিৎসা করাতে না পারলে তার জীবন প্রদীপ নিভে যাবে। বর্তমানে সপ্তাহে দুদিন তার কিডনি ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে। একদিন সাতক্ষীরা মেিিডকেল কলেজে ও আর একদিন ডক্টর ল্যাব হাসপাতালে তার এই ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে। তাই নিরুপায় হয়ে চিকিৎসার জন্য আজ সমাজের সকল স্তরের মহৎ, হৃদয়বান, দানশীল, বিত্তবান ব্যক্তিসহ সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে জরুরীভাবে চিকিৎসা জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
যোগাযোগ বা সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা- তার নিজ বিকাশ মোবাইল নং- ০১৭১৫-৬০৮৮২৫।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় মাসিক আইনশৃংখলা ও চোরাচালান নিরোধ কমিটির সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় মাসিক আইনশৃংখলা, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ এবং চোরাচালান নিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯জুলাই) উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ওই সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।
সভায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ, সার্বিক আইনশৃংখলা শান্তিপূর্ন রাখা ও কলারোয়া বাজারের পাকা ব্রিজটি সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন সভায় সভাপতিত্ব করেন।
কলারোয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, কলারোয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম, কলারোয়া হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেরুল্লাহ, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকবর আলী, মহিলা বিষয়ক কর্মকতা নাসরিন জাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলী গাজী, মাদরা ও কাকডাঙ্গা বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার, ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল, আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম, আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আইয়ুব আলী, শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মনিরা পারভীন, সহকারী প্রধান শিক্ষক আসাদুর রহমান, প্রভাষক আন্দন মোহন, সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, এমএ সাজেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, শেখ শাহাজাহান আলী শাহিন প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন।
এদিকে, ওই মিটিং-এর পর একই স্থানে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘অগ্রগতি’র আয়োজনে ‘শান্তি-সম্প্রতির স্বপক্ষে, উগ্রপন্থার বিপক্ষে’- শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মনিরা পারভীন। অগ্রগতির প্রতিনিধি নুরুল আমিন সভাটি সমন্বয় করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে ৩টি হরিণ ও অস্ত্রসহ ২চোরাশিকারী আটক সাত্তার মোড়লসহ ৩জনের নামে মামলা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের দোবেকী এলাকা থেকে ৩টি হরিণ, ৩টি একনালা বন্দুক ও একটি নৌকাসহ দুই চোরাশিকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার ভোর রাতে সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদী সংলগ্ন দোবেকী নামকস্থান থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটক চোরাশিকারীরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার কদমতলা গ্রামের ইমান গাজীর ছেলে মঞ্জু গাজী ও পাতাখালি গ্রামের আমজাদ গাজীর ছেলে মহিবুল্লাহ গাজী।

=”500″ height=”298″ />শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান জানান, সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের গহীনে বনদস্যু জাকির বাহিনীর সদস্যরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনকুড়ি নদী সংলগ্ন দোবেকী নামকস্থান পুলিশের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে ৩টি জবাই করা হরিণ, ৩টি একনালা বন্দুক ও একটি নৌকাসহ উক্ত দুই চোরাশিকারীকে আটক করা হয়। তিনি আরো জানান, আটক দুই ব্যক্তির নামে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে, শ্যামনগর উপজেলার একাধিক লোকজন জানান, কালিগঞ্জ উপজেলার কুখ্যাত চোরাশিকারী জনৈক সাত্তার মোড়লসহ আরো অনেকেই এই হরিন শিকারীর সাথে জড়িত। অথচ তাদেরকে বাদ দিয়ে অন্য দুই জনকে এই মামলায় আসামী করার খবরে শ্যামনগর উপজেলা ব্যাপী মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এঘটনায় শ্যামনগর থানায় চোরাশিকারী সাত্তার মোড়লসহ ৩জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং-৩।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি আরবে জঙ্গি হামলায় বাংলাদেশি নিহত

বিদেশের খবর: সৌদি আরবে একটি চেক পয়েন্টে জঙ্গি হামলায় সৌদি আরবের একজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহত বাংলাদেশির নাম-পরিচায় জানা সম্ভব হয়নি।

রবিবার বিকেলে দেশটির কাসিম প্রদেশের বুরাইদহ এলাকার একটি চেক পয়েন্টে এই জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী তদন্ত চালাচ্ছে।

জানা যায়, স্থানীয় সময় রবিবার বিকেল পৌনে ৪ টায় ওই চেক পয়েন্টে তিন জঙ্গি হামলা চালায়। হামলায় সৌদি নিরাপত্তা অফিসার সুলাইমান আবদুল আজিজ আল আবদালিতফ নিহত হন। এছাড়া একজন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

আরব নিউজের সেই প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, জঙ্গি হামলার সময় নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা গুলি ছুড়ে। এসময় গোলাগুলিতে তিন জঙ্গির মধ্যে দু’জন মারা যায়। অপর একজন আহত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার, ভিডিও ভাইরাল

এরপর তারা ওই হাসপাতাল ছেড়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন জানিয়ে দুর্জয় বলেন, “ভোর পৌনে ৬টার দিকে জরুরি বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে দেখি, তিনি অন্যান্য রোগীদের সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করছেন।

“একজন চিকিৎসক হয়ে তিনি বাবার সঙ্গে যা করেছেন সেটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি তুই তোকারি করেছেন, অশ্লীল ভাষায় কথা বলেছেন, তার হাসপাতালের স্টাফদের ডেকেছেন আমাদের আটকে ফেলতে।”

ঘটনার বিবরণে দুর্জয় বলেন, “আমার বাবা চিকিৎসককে বলেন, এখানে তো সিট পাচ্ছি না, তাই চলে যাব। তখন বাবা ওই চিকিৎসককে আমার এক চিকিৎসক চাচার (বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের) কথা বলেন যে তাকে দেখাবেন।

“তখন ডাক্তার বলেন, ‘যান ওনার কাছে চলে যান, এইখানে কেন আসছেন? লাগবে না ছাড়পত্র, ওনার কাছে চলে যান।

“তখন বাবা বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, এভাবে কথা বলবেন না। কিন্তু এই কথাটা শুনেই যেন তিনি জ্বলে ওঠেন। বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তো কী হয়েছে?”

এ সময় ‘পাবলিক সার্ভেন্ট’ হিসেবে তার ওই আচরণ সঙ্গত নয় বলে মন্তব্য করেন দুর্জয়। তিনি বলেন, “জনগণের ট্যাক্সের টাকায় লেখাপড়া করেছেন, এখন বেতনও পাচ্ছেন জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। তাই এই ধরনের আচরণ কারও সঙ্গেই ঠিক নয়।”

পাল্টায় আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন চিকিৎসক, তার ওই সময়ের আচরণই উঠে এসেছে ফেইসবুকে পোস্ট করা ভিডিওতে।

এতে মুক্তিযোদ্ধার দিকে আঙুল উঁচিয়ে উচ্চ শব্দে চিকিৎসককে বলতে শোনা যায়, “আমি চাকর?”

জবাবে ফারুকুজ্জামান বলেন, “চাকর না তা কী?”

তখন তার গায়ে হাত দিয়ে একপাশে সরিয়ে দিতে দিতে চিকিৎসক বলেন, “যাহ”। এরপর সুর নামিয়ে বলেন, “ভাই এসব বইলেন না।”

পরেই আবার চিকিৎসককে তাকে প্রশ্ন করতে শোনা যায়, “এই ছেলে করেছেন ফ্রিডম ফাইটার হয়ে? এই ছেলে করেছেন?”

তখন ফারুকুজ্জামান প্রশ্ন করেন, “কী ছেলে করেছি? আপনার সঙ্গে কী আচরণ করেছি?”

পাল্টায় চিকিৎসক বলেন, “যাহ ব্যাটা।”
দুর্জয় জামান বলেন, “ওই চিকিৎসক এক পর্যায়ে স্টাফদের আমাদের আটকাতে বলে নিজে কক্ষের ভিতরে ঢুকে কিছু একটা নিয়ে আসেন বাবাকে মারতে। কিন্তু আমার স্ত্রী সব কিছু ভিডিও করছে দেখে তিনি থেমে যান।”

Posted by Sheikh Durjoy Zaman on Saturday, 7 July 2018

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে রেকর্ড গড়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

খেলার খবর: দুই দলের আগের লড়াইয়ে নায়ক ছিলেন ফখর জামান। সেটি ছিল আগে ব্যাট করে। ফাইনালে চ্যালেঞ্জ ছিল আরও বেশি। বড় ম্যাচের চাপ শুধু নয়, জিততে হল গড়তে হতো রান তাড়ার রেকর্ড। কিন্তু কঠিন চ্যালেঞ্জে আরও উত্তাল ফখরের ব্যাট। দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে বাঁহাতি ওপেনার পাকিস্তানকে এনে দিলেন শিরোপা।

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান। সিরিজ-টুর্নামেন্ট মিলিয়ে টি-টোয়েন্টির শীর্ষ দলটি জিতল টানা ৯ সিরিজ!

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে রোববার অস্ট্রেলিয়ার ১৮৩ রান তাড়ায় পাকিস্তান জিতেছে ৪ বল বাকি রেখে।

টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের এটিই সবচেয়ে বড় রান তাড়া করে জয়। আগের রেকর্ড ছিল ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ১৭৫ রান তাড়ায় জয়।

এক বছর আগে ইংল্যান্ডে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ফখরের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভারতকে চমকে দিয়ে শিরোপা জিতেছিল পাকিস্তান। এবার সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি বাঁহাতি ওপেনার। তবে তার ৪৬ বলে ৯১ রানের ঝড়ো ইনিংসই গড়ে দিয়েছে ম্যাচের ভাগ্য।

অথচ পাকিস্তানি ওপেনারদের আগে ঝড় তুলেছিলন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনাররা। অ্যারন ফিঞ্চ ও ডার্সি শর্ট গড়েন দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটি। ৯.৫ ওভারেই জুটিতে আসে ৯৫ রান।

ফর্মে থাকা ফিঞ্চ করেছেন ২৭ বলে ৪৭। টুর্নামেন্টের আগের ম্যাচগুলোয় কিছু রান পেলেও পুরো ছন্দে না থাকা শর্ট ফাইনালে খেলেছেন ৫৩ বলে ৭৬ রানের ইনিংস।
এই জুটি ভাঙার পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার পরের ব্যাটসম্যানদের কেউ কাজে লাগাতে পারেননি দারুণ ভিতটাকে।

রান বাড়াতে তিনে নামা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ব্যর্থ। ওপেনারদের পর সর্বোচ্চ ছিল পাঁচে নামা ট্রাভিস হেডের ১১ বলে ১৯ রান। মার্কাস স্টয়নিস করেছেন ১২। আর কেউ পারেননি দু অঙ্ক ছুঁতে। দুইশ ছাড়ানোর পথে থাকলেও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া থমকে যায় ১৮৩ রানে।পাকিস্তানের শুরুটা ছিল অস্ট্রেলিয়ার উল্টো। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের অফ স্পিন দিয়ে বোলিং শুরু করে মেলে অভাবনীয় সাফল্য। প্রথম ওভারেই দুই উইকেট!

প্রাথমিক পর্বের চার ম্যাচে মোহাম্মদ হাফিজ ও হারিস সোহেলকে দুটি করে ম্যাচে ওপেন করিয়ে ফল পায়নি পাকিস্তান। ফাইনালে ফখরের সঙ্গে জুটিতে পাঠানো হয় সাহিবজাদা ফারহানকে। কিন্তু অভিষিক্ত ব্যাটসম্যান আউট শূন্য বলে শূন্য রানে। ওয়াইড বলে স্টাম্পড!

তিন বল পর ফেরেন তিনে নামা হুসাইন তালাত। ২ উইকেটে পাকিস্তানের রান ২।

ম্যাক্সওয়েলকে তুলোধুনো করেই পাকিস্তানের পাল্টা আক্রমণের শুরু। তৃতীয় ওভারে তাকে টানা দুটি চার মারেন ফখর। ওভারের শেষ দুই বলে সরফরাজ আহমেদ মারেন চার ও ছক্কা।

সেখান থেকে পাকিস্তানের ইনিংস যে গতি পেয়ে যায়, তা আর থামেনি। সরফরাজ আউট হয়েছেন ১৯ বলে ২৮ রানে। তবে ফখরের ব্যাটে উড়েছে পাকিস্তান।

শোয়েব মালিকের অভিজ্ঞ ব্যাট স্ট্রাইক দিয়ে গেছে ফখরকে। এই ওপেনার একরকম ছেলেখেলা করেছেন অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের নিয়ে। তৃতীয় উইকেটে ১০৭ রানের জুটি গড়েন দুজন। তাতে ফখরের অবদান ছিল ৩৬ বলে ৭৩, মালিকের ২৮ বলে ২৭।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আগের ম্যাচটিতেই করা ৭৩ ছিল ফখরের সর্বোচ্চ রান। এদিন সেটি ছাড়িয়ে করলেন ৯১। ১২ চারের সঙ্গে ইনিংসে ছক্কা তিনটি।ফখর আউট হওয়ার পর পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৪ ওভারে ৩০ রান। পরের ওভারে অ্যান্ড্রু টাই দেন মাত্র ২ রান। একটু উত্তেজনা ফেরে ম্যাচে। কিন্তু জাই রিচার্ডসনের এক ওভারে মালিক ও আসিফ আলির দুটি ছক্কায় সহজ হয়ে যায় সমীকরণ।

৩৭ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় সঙ্গে নিয়েই ফেরেন মালিক। ১১ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন পাকিস্তানের এই টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পারফর্মার আসিফ আলি।

ফাইনালের সেরা তো বটেই, ৫৫.৬০ গড় ও ১৫৭.০৬ স্ট্রাইক রেটে ২৭৮ রান করে টুর্নামেন্টেরও সেরা ফখর। সংক্ষিপ্ত স্কোর:

অস্ট্রেলিয়া: ২০ ওভারে ১৮৩/৮ (শর্ট ৭৬, ফিঞ্চ ৪৭, ম্যাক্সওয়েল ৫, স্টয়নিস ১২, হেড ১৯, কেয়ারি ২, অ্যাগার ৭, উইল্ডারমুথ ১*, টাই ০, রিচার্ডসন ৬*; আমির ৩/৩৩, ফাহিম ১/৩৮, হাসান ১/৩৮, শাহিন শাহ ১/৩২, শাদাব ২/৩৮)।

পাকিস্তান: ১৯.২ ওভারে ১৮৭/৪ (ফখর ৯১, সাহিবজাদা ০, তালাত ০, সরফরাজ ২৮, মালিক ৪৩*, আসিফ ১৭*; ম্যাক্সওয়েল ২/৩৫, স্ট্যানলেক ০/২৫, রিচার্ডসন ১/২৯, টাই ০/৩৩, স্টয়নিস ০/৩১, উইল্ডারমুথ ০/১৬, অ্যাগার ০/১৬)।

ফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: ফখর জামান

ম্যান অব দা সিরিজ: ফখর জামান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিতের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে সিরিজ ভারতের

খেলার খবর: এই দুজনের পর বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আর কেউ। ২৪ বলে ৩০ করে ফিরেছেন হেলস, ১৪ বলে ২৫ বেয়ারস্টো। শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেননি ব্যাটসম্যানদের কেউ, ইংল্যান্ড আটকে যায় দুইশর নিচে।

টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবার ৪ উইকেট নিয়েছেন পান্ডিয়া। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে ধোনি এক ম্যাচে নিয়েছেন ৫ ক্যাচ। প্রথম কিপার হিসেবে ছুঁয়েছেন ক্যারিয়ারে ৫০ ক্যাচও।

ইংলিশ অধিনায়ক ওয়েন মর্গ্যানের মতে, তাদের রানটা কম হয়ে গিয়েছিল ২০-৩০ রান। ভারতীয়দের ব্যাটিংয়ে প্রমাণ হয় সেটিই।

রান তাড়ায় তৃতীয় বলেই ছক্কায় শুরু করেন রোহিত। জেইক বলের দুর্দান্ত ক্যাচে শিখর ধাওয়ান ফেরেন ৫ রানে। ১০ বলে ১৯ রান করে লোকেশ রাহুল আউট হন ক্রিস জর্ডানের অসাধারণ ক্যাচে। কিন্ত রোহিত ছিলেন অপ্রতিরোধ্য।

তৃতীয় উইকেটে রোহিতের সঙ্গে ৮৯ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এই জুটিও ভেঙেছে দারুণ ক্যাচে। ২৯ বলে ৪৩ রান করা কোহলিকে ফিরতি ক্যাচে ফিরিয়েছেন জর্ডান।

ইংল্যান্ড ম্যাচে ফিরতে পারেনি তার পরও। পাঁচে প্রমোশন পেয়ে ভারতকে ঝড়ের গতিতে জয়ের দিকে এগিয়ে নেন পান্ডিয়া।

১১ চার ও ৫ ছক্কায় রোহিত অপরাজিত ১০০ রানে। পান্ডিয়ার ইনিংসে ছিল চারটি চার, দুটি ছয়।

দুই দল এখন মুখোমুখি হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। ট্রেন্ট ব্রিজে যেটি শুরু হবে বৃহস্পতিবার থেকে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৯৮/৯ (রয় ৬৭, বাটলার ৩৪, হেলস ৩০, মর্গ্যান ৬, স্টোকস ১৪, বেয়ারস্টো ২৫, উইলি ১, জর্ডান ৩, প্লাঙ্কেট ৯, রশিদ ৪*; চাহার ১/৪৩, উমেশ ২/৩৬, সিদ্ধার্থ , পান্ডিয়া ৪/৩৮, চেহেল ০/৩০)।

ভারত: ১৮.৪ ওভারে ২০১/৩ (রোহিত ১০০*, ধাওয়ান ৫, রাহুল ১৯, কোহলি ৪৩, পান্ডিয়া ৩৩*; উইলি ১/৩৭, বল ১/৩৯, জর্ডান ১/৪০, প্লাঙ্কেট ০/৪২, স্টোকস ০/১১, রশিদ ০/৩২)।

ফল: ভারত ৭ উইকেটে জয়ী

সিরিজ: ৩ ম্যাচ সিরিজে ভারত ২-১ ব্যবধানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: রোহিত শর্মা

ম্যান অব দা সিরিজ: রোহিত শর্মা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest