সর্বশেষ সংবাদ-
মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভূমিসেবা কেন্দ্রের জেলা—-জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

সরকারের ফাঁদে পা দিয়েছে জামায়াত- অভিযোগ বিএনপির

রাজনীতির খবর: সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও তাদের গ্রেফতার করা হলেও জামায়াতে ইসলামীর কোনও নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ বিএনপির। দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা এতদিন গোপনে থাকলেও এখন প্রকাশ্যে এসেছে। তারা অবাধে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছে। ফলে বিষয়টি পরিষ্কার যে তারা সরকারের ফাঁদে পা দিয়েছে।
এ বিষয়ে সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ বলেন, ‘জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরকারের গোপন সখ্য রয়েছে। আর এই দলটি সরকারের ফাঁদে পা দিয়েছে এবার। সিটি নির্বাচনের আগে সিলেটে জামায়াত-শিবিরের সাংগঠনিক কার্যক্রম নীরব থাকলেও এখন তা সম্পূর্ণ বিপরীত। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় সিলেটে বর্তমানে অন্যান্য দলের চেয়ে তারাই বেশি সরব।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীরা সিলেটে প্রচারণায় নামলেই পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। রাতে নেতাকর্মীদের বাসায় তল্লাশি চালায়। এক্ষেত্রে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা রয়েছে বিপদমুক্ত। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সিলেটে দুটি সাজানো মামলা হলেও জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে কোনও মামলা নেই। আমাদের নেতাকর্মীরা প্রতিদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলেও তাদের কোনও নেতাকর্মী গ্রেফতার হচ্ছে না।’

সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি যেসব অভিযোগ করেছে, সেগুলো কোনোভাবেই সত্যি নয়। সিলেটে সরকারবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে জোটের অন্যান্য শরিক দলের চেয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জামায়াত-শিবির। এবার সিলেট সিটি নির্বাচনে জোটের পক্ষ থেকে আমাদের মেয়র প্রার্থী দেওয়ার কথা থাকলেও তারা দেননি। অথচ অতীতে তারা আমাদের কথাও দিয়েছিল। আমাদের সঙ্গে মিথ্যাচার করায় জোটের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে আমরা প্রার্থী দিয়েছি।’ অভিযোগ রয়েছে—নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাইরে থেকে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের সিলেটে নিয়ে আসা হচ্ছে, এ প্রশ্নে ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আসলে এটা অনেকাংশেই সত্য। জামায়াতের প্রার্থী যেহেতু সিলেটে রয়েছেন—সেখানে প্রচারণার জন্য দলটির সাংগঠনিক নেতারা আসবেন, এটাই স্বাভাবিক।’

সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশ গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু পুলিশ জামায়াতের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে নমনীয়, বিএনপির এ অভিযোগের বিষয়ে ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীদের মতো আমাদের নেতাকর্মীরা এত বেশি উচ্ছৃঙ্খল নন। আমরা নির্বাচন আচরণবিধি মেনেই প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি।’

এমসি কলেজ ছাত্রশিবিরের সাবেক এক নেতা বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এমসি কলেজ ছাত্রাবাস পোড়ানোর মিথ্যা মামলা রয়েছে। শুধু আমি নই, আমার সঙ্গে অনেক সাথীও (ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক পদ) আছেন এই মামলার আসামি। নির্বাচনের আগে সিলেট নগরীতে আসলেই পুলিশের তালিকায় থাকা আমাদের মেসগুলোসহ সম্ভাব্য বাসাবাড়িতে অভিযান চালাতো পুলিশ। কিন্তু এবার এ ধরনের কোনও সমস্যা হচ্ছে না। পুলিশ আমাদের অবস্থান জানলেও গ্রেফতার বা হয়রানি করছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুধু আমি নই, জামায়াত-শিবিরের শতাধিক নেতাকর্মী দলের প্রার্থীর পক্ষে স্বাচ্ছন্দ্যে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের ফাঁকে আমরা দলের সদস্যও সংগ্রহ করে যাচ্ছি। ভোটের ফলাফলে বেরিয়ে আসবে ওয়ার্ডভিত্তিক জামায়াত-শিবিরের সাংগঠনিক পরিসংখ্যান।’

সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল করিম কিম বলেন, ‘জামায়াত বিভিন্ন সময় সিলেটকে তাদের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে দাবি করেছে। এই নির্বাচন থেকেই বোঝা যাবে নগরীতে জামায়াতের কত ভোট রয়েছে। সুবিধাভোগীদের কাছ থাকে জামায়াত হয়তো এমন কোনও আশ্বাস পেয়েছে, যাতে তাদের নিজেদের কোনও লাভ নেই জানার পরও এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।’

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুল ওয়াহাব বলেন, ‘শুধু জামায়াত-শিবির নয়,সিলেটে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যারাই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটাবে, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ অ্যাকশনে যাবে।’

পুলিশ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার না করে শুধু বিএনপির নেতকর্মীদের গ্রেফতার করছে, বিএনপি নেতাদের এই অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পুলিশ পুলিশের কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপির নেতারা যেসব অভিযোগ করেছেন তা সত্য নয়। আমরা সব দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের নিরাপত্তা দিয়েই যাচ্ছি। নিরাপত্তা দিতে গিয়ে বরং পুলিশ হামলার শিকার হচ্ছে।’ তিনি আরও জানান, ২৭ জুলাই থেকে পুলিশ সিলেট মহানগরী এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালাবে। সিটি করপোরেশন এলাকার ভোটার ছাড়া বহিরাগতদের দেখলেই গ্রেফতার করা হবে। এজন্য তিনি সিলেট সিটির ভোটারদের ভোটার আইডি কার্ড সঙ্গে রাখার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসি-রোনালদোকে হটিয়ে সেরা যিনি!

খেলার খবর: বর্ষসেরা পুরস্কার এর জন্য ১০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে ফিফা। চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে ২৪ সেপ্টেম্বর। তার আগে চলবে ভোট। সদস্য দেশের অধিনায়ক, কোচ ও সাংবাদিক ছাড়াও ভোট দিতে পারবেন ফুটবল ভক্তরাও।

এদিকে স্প্যানিশ ভক্তদের ভোটের হিসাব করে স্প্যানিশ গণমাধ্যম জানিয়েছে, লিওনেল মিস ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো হটিয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মদ্রিচ।

দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, তিন দিনে ৩০,৪১৩ জন স্প্যানিশ ভক্ত ভোট দিয়েছেন। তাতে সর্বোচ্চ ১৪,২২৭টি ভোট পেয়েছেন মদ্রিচ। এরপর ৫,৩৫০ ভোট পেয়েছেন রোনালদো। মেসি পেয়েছেন ৪,৩৮৪ ভোট।

রাশিয়ার বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য ফুটবল খেলে ফাইনালে উঠে গিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। আর অপ্রতিরোধ্য এই ফুটবলে দেশটিকে নেতৃত্ব দেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা মদ্রিচ। যদিও ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে যায় ক্রোয়েশিয়া। তবু ফুটবলপ্রেমিদের মন জয় করে মদ্রিচরা। মদ্রিচ নিজে জিতেছেন সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল।

স্প্যানিশ ভক্তরা কাদের কত ভোট দিয়েছে:

১. লুকা মদ্রিচ- ১৪,২২৭ ভোট
২. ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো- ৫,৩৫০ ভোট
৩. লিওনেল মেসি- ৪,৩৮৪ ভোট
৪. আঁতোয়া গ্রিজমান- ৩,৮৯৪ ভোট
৫. রাফায়েল ভারানে- ১,১১০ ভোট
৬. কিলিয়ান এমবাপে- ৮৬১ ভোট
৭. মোহাম্মদ সালাহ- ২৪২ ভোট
৮. ইডেন হ্যাজার্ড- ২২৪ ভোট
৯. কেভিন ডি ব্রুইন- ৮৭ ভোট
১০. হ্যারি কেন- ৩৪ ভোট

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪০ সেকেন্ডেই আ’লীগ নেতাকে অপহরণ! (ভিডিও)

দেশের খবর: মাত্র ১৩ সেকেন্ডের কথোপকথন ও করমর্দন, এরপর ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে রাজধানীর লালমাটিয়ার একটি সড়ক থেকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয় কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা পারভেজ হোসেন সরকারকে।

তাকে অপহরণের জন্য অপহরণকারীরা নিয়ে এসেছিল বিলাসবহুল একটি গাড়ি। দিনদুপুরে পথচারীদের সামনে এমন অপহরণের সময় কেউ এগিয়ে গিয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। কারণ, অপহরণকারীদের সঙ্গে ছিল অস্ত্র।

স্থানীয় থানা পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ৭/৮ জন অপহরণকারীকে চিহ্নিত করেছে। তবে ফুটেজে চেহারা অস্পষ্ট থাকায় তাদের পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি।

লালমাটিয়ার বি ব্লকের মিনার মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বের হওয়ার পর প্রকাশ্যে একটি গাড়িতে করে তুলে নেয়া হয় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ওই নেতাকে। পারভেজ তিতাস উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ (তিতাস ও হোমনা) আসনে ভোটের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, বেলা পৌনে ২টার দিকে এক ব্যক্তি তার বাসার সামনে কুশল বিনিময়ের জন্য হাত বাড়িয়ে দেন। পারভেজ মোবাইলের দিকে তাকাতে তাকাতে হাত মেলান। এরপর দুজনের মধ্যে একটু কথা হয়। এর মধ্যেই লম্বা চুলওয়ালা অপর এক ব্যক্তি পারভেজের পেছনে গিয়ে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে ১৩ সেকেন্ড কথা হয়। এরপরই দুজন মিলে পারভেজকে টেনেহিচড়ে নিয়ে যায়। ৪০ সেকেন্ডের মধ্যেই তাকে একটি কালো বিলাসবহুল গাড়িতে তুলে নেয় অপহরণকারীরা। এরপর দ্রুত তারা ওই এলাকা থেকে চলে যায়।

ঘটনার পরপরই অপহরণের খবর পায় পারভেজের পরিবার। তারা ছুটে যায় মোহাম্মদপুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেই সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে। পরিবারের অভিযোগ নিজ দলের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও প্রতিপক্ষ এই অপহরণের সঙ্গে জড়িত।

একজন ভাইস চেয়ারম্যানের নামও উল্লেখ করেছেন তারা। তবে পুলিশ সবকিছু মাথায় রেখেই তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর।

তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর পারভেজ হোসেনের সরকারের স্ত্রী একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। আমরা তার আগেই তদন্ত শুরু করেছি। ওই এলাকার সব সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। সিসি ক্যামেরার দৃশ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন গাড়িও শনাক্ত করা হয়েছে। আমরা সবকিছু মাথায় রেখেই তদন্ত করছি।’

তবে পারভেজের বিরুদ্ধে থানায় কোনও মামলা নেই। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেনি বলেও নিশ্চিত করেন ওসি জামাল উদ্দিন মীর। অন্য কোনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতার করছে কিনা তা ওসির জানা নেই।

পারভেজ হোসেনের খালাতো ভাই ফাহাদ মোহাম্মদ জানান, জুমার নামাজ শেষে তিনি লালমাটিয়া মসজিদ থেকে বের হয়ে বাসার দিকে আসছিলেন। এ সময় একজনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করেন। এরপরই একটি কালো রঙের জিপ গাড়ি আসে এবং দুজন মিলে জোরপূর্বক তাকে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, ‘এই ঘটনাটি দ্রুত মোহাম্মদপুর থানায় জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেন। সেখানে দেখা গেছে, একটি কালো রঙের গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-গ-১৪২৫৭৭) বাসার সামনে এসে থামে এবং দুজন লোক জোর করে পারভেজকে ওই গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।’

সন্ধ্যার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন র‌্যাব-২ এর সিওসহ একদল সদস্য। গোয়েন্দা পুলিশের লোকজনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গেছেন।

পারভেজ হোসেন সরকারের স্ত্রী তাহমিনা আফরোজ, দুই ছেলে আব্দুল্লাহ (৭) ও আহরারকে (২) সান্ত্বনা দিতে ছুটে আসেন আওয়ামী লীগ নেতা নিক্সন চৌধুরী, জেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

এদিকে এই অপহরণের জন্য কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল শিকদার ও তার লোকজনকে দায়ী করেছে পারভেজের স্ত্রী তাহমিনা আফরোজ মৌসুমী।

তিনি বলেছেন, ‘কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল শিকদার ও তার লোকজনই আমার স্বামীকে তুলে নিয়ে গেছে। পারভেজের আর কারও সঙ্গে শত্রুতা ছিল না। সোহেলের ভয়ে তিনি গত ১ বছর ২ মাস ধরে তিতাস এলাকায় যেতেন না।’

‘এর আগে সোহেল শিকদারসহ তার লোকজন পারভেজের ওপর হামলা চালিয়েছিল’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এক বছর আগে সোহেল শিকদারসহ তার লোকজন পারভেজকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে ও হামলা করে। কিন্তু গুলি গাড়িতে লাগায় বেঁচে যান পারভেজ। তখন থেকে তিনি আর ওই দিকে যাননি। ঢাকাতেই রেস্তোরাঁর ব্যবসা দেখাশোনা করেন। আমরা সোহেলদেরই সন্দেহ করছি। তাদের নামেই থানায় অভিযোগ করেছি।’

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বাঙালি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছে— নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নৌকার স্বপক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষে বিশাল কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে ধুলিহর ইউনিয়ন আ’লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদে এ কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়।

ধুলিহর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ বুরহান উদ্দীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আবু সায়ীদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক দৈনিক পত্রদূতের সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক আ: রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু গণেষ চন্দ্র মন্ডল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক স.ম জালাল উদ্দীন, সদস্য আশরাফুজ্জামান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান বাবু।

সভায় বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নের সরকার। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আছে বলে বাংলার মানুষ আজ না চাইতে সব পাচ্ছে। রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, চিকিৎসা সহ সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হয়েছে।যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে। নৗকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বাঙালি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সংসদ সদস্যদের কাছে দেওয়া বরাদ্ধ জনগনের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য দেওয়া হয়। বিক্রি করে খাওয়ার জন্য নয়। অথচ কেউ কেউ জনগনের জন্য দেওয়া শেখ হাসিনার বরাদ্ধ বিক্রি করেন। আগামী এধরনের কোন প্রার্থীকে জননেত্রী মনোনয়ন দেবেন না। সাতক্ষীরায় এমন নেতাদের দলীয় মনোনয়ন দিতে হবে যার কাছে গিয়ে জনগন খোলা মনে কথা বলতে পারে। কোনো দুর্নীতিবাজদের আর সাতক্ষীরার মানুষ দেখতে চায় না। সাতক্ষীরায় নৌকা প্রতীকে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে সকল ভেদাভেদ ভুলে তার পক্ষে কাজ করে শেখ হাসিনা সরকারকে আবারও এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনতে আমাদের কাজ করতে হবে। পরে ব্রহ্মরাজপুর বাজারে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সভা

 

সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু। সভায় উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, জজকোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যনার্জী, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আবু বকর সিদ্দিক, স্বপন শীল, ইঞ্জিনিয়ার আবিদুর রহমান, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, সুধাংশু শেখর সরকার, জাসদের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, এড. সালাউদ্দীন, এটিএম রইফ উদ্দিন,শেখ সিদ্দিকুর রহমান, নির্মল সরকার, আমির খান চৌধুরী, ইকবাল লোদী প্রমুখ।
সভায় আগামী ১০ আগস্ট বীরমুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক বিশ্বাসের শোকসভার সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয় এবং আব্দুর রাজ্জাক পার্কে পাবলিক টয়লেট উন্মুক্ত, পৌর এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, পৌর অডিটোরিয়াম জনসাধারনের জন্য উন্মুক্তের দাবি জানানো হয়। এছাড়া আগামী ৩০ জুলাই পাবলিক টয়লেট উন্মুক্ত, পৌর এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, পৌর অডিটোরিয়াম জনসাধারনের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাসদ তালা উপজেলার ইসলামকাঠি ইউনিয়নের কর্মীসভা

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:২৭ জুলাই শুক্রবার জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ইসলামকাঠি ইউনিয়নের পুর্নগঠিত ইউনিয়ন কমিটির কর্মীসভা বিকাল সাড়ে ৪টায় সুজনশাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় চত্বরে খান ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে ও শেখ আজিজুর রহমানের পরিচালনায় এক বিশাল কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক সাতক্ষীরা-১ আসনের (তালা-কলারোয়া) জাসদ মনোনীত ও ১৪ দল মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ ওবায়দুস সুলতান বাবলু। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, তালা উপজেলা জাসদের সভাপতি বিশ্বাস আবুল কাসেম, জাতীয় যুবজোট সাতক্ষীরা জেলা সাধারণ সম্পাদক মিলন ঘোষাল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তালা উপজেলা সাধারণ সমপআদক সাইদুজ্জামান শুভ, সরুলিয়া ইউনিয়ন জাসদ সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা, শেখ রবিউল ইসলাম, শেখ ইমরান হোসেন, ছাত্রলীগ, জাতীয় যুবজোট, জাতীয় নারী জোট নেতৃবৃন্দ।
কর্মীসভায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তালা- কলারোয়া সাতক্ষীরা-১ আসনে নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতির অংশ হিসাবে ইসলামকাঠি ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির নেতৃবৃন্দ হলেন, শেখ আজিজুর রহমান, খান ইলিয়াস হোসেন, হাসেম আলী সরদার, আব্দুল আলিম বিশ্বাস, অনুপ কুমার সরকার, আব্দুল আহাদ গাজী, আকরাম মোল্যা, আব্বাস আলী সরদার, নেপাল বিশ্বাস, সোনিয়া খাতুন, কার্তিক চন্দ্র, আফরোজ মোল্যা, স্যানাল মজুমদার ও শেখ ইসমাইল হোসেন। এসময় বক্তারা আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাসদ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের ফলজ গাছের চারা বিতরণ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বসত ভিটায় বৃক্ষ রোপনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ সাতক্ষীরা জেলার উদ্যোগে পৌর ৮নং ওয়ার্ড শাখার আয়োজনে শহরের কামালনগর ডিপের মাঠে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় বিনামূল্যে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ পৌর ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে, পৌর ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আনিস খান চৌধুরী বকুল, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আল মাহমুদ পলাশ, পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আজগর আলী সরদার ও বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। সমগ্র অনুষ্ঠানে পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের পৌর ৮নং ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুস সালাম। উক্ত বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ৩শ পরিবারের মধ্যে আম, পেয়ারাসহ ফলজ চারা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশের যত উন্নয়ন হয়েছে। এ উন্নয়নের দাবিদার একমাত্র আওয়ামীলীগ সরকার। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন হয়। গরিব-দুখী মানুষের উন্নয়ন হয়। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই আওয়ামীলীগ সরকার বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিণত করেছেন। বিশ্বের দরবারে মাথা উচু করে দাড়াবার ব্যবস্থা করেছেন। দেশের এ উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলে আবারো নৌকাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

২৭.০৭.২০১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দিল্লীতে দক্ষিণ -পূর্ব এশীয় এমপি’দের সম্মেলনে ডা: রুহুল হক এমপি’র প্রবন্ধ উপস্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক : দিল্লীতে দক্ষিণ -পূর্ব এশীয় এমপি’দের সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে “Nursing Care for Early Childhood ”      বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা: রুহুল হক এমপি। শুক্রবার সকাল ৯টায় ভারতের নয়া দিল্লীতে অনুষ্ঠিত নারী-শিশু ও কিশোরীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত কমিটির সম্মেলনে তিনি এ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
এসময় তিনি নারী, শিশু ও কিশোরী স্বাস্থ্যসেবায় বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বলেন,”শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার নারী, শিশু ও কিশোরীদের স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। যার ফলে দক্ষিণ -পূর্ব এশীয় দেশগুলোর মধ্যে এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সার্ফল্য অর্জন করেছে।
এই সম্মেলনে ভারত, ইন্দোনেশিয়া,মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড,সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, মিয়ানমার সহ দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৫০ জন সংসদ সদস্য অংশগ্রহণ করছেন।
অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি ছাড়াও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল থেকে অন্যান্য সদস্যগণ হলেন বাংলাদেশ আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক খাদ্য মন্ত্রী ড: মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি,আইপিইউ এর সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুন্সি এমপি ও সিরাজগঞ্জ -পাবনার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সেলিনা বেগম স্বপ্না এমপি।
উল্লেখ্য ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীর হোটেল তাজ ইন্টারন্যাশনালে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে নারী-শিশু ও কিশোরীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত কমিটির সম্মেলন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest