কলারোয়ায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির প্রশিক্ষণ সমাপনী

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির ২য় ব্যাচের প্রশিক্ষন সমাপনী ও সংযুক্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার (৩১মে) দুপুরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সাংসদ এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন ও সেলিনা আনোয়ার ময়না।
অনুষ্ঠানে পরিসংখ্যান অফিসার তাহের মাহমুদ সোহাগসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
‘প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গিকার, বেকারত্ব ঘুচাবে সরকার’- শীর্ষক স্লোগানে ওই কর্মসূচিতে ২য় ব্যাচের ১হাজার ৭৯জনের মধ্যে ৯৬৭জনকে বিভিন্ন দপ্তরে সংযুক্তির চিঠি প্রদান করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৫২জন ছেলে ও ৫১৫জন মেয়ে। এছাড়া বাকি ১১২জনকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ, দ্বৈত আবেদন, ক্লাসে অনিয়মিত থাকায় কর্মসূচি থেকে বাতিল করা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার সঞ্জিব কুমার দাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মমতাজের কণ্ঠে এবার ‌‘বড় পোলা’র গল্প

বিনোদন ডেস্ক: লোক গানের জনপ্রিয় শিল্পী মমতাজের বিখ্যাত গান ‘নান্টু ঘটক’। সে গানের কথাটা এমন, ‘পোলা তো নয় যেন আগুনেরই গোলা’। এবার এই কণ্ঠশিল্পী গানে গানে আরও এক ‘পোলা’র গল্প নিয়ে হাজির হচ্ছেন। এর শিরোনাম ‘বাপের বড় পোলা’।

‘বাপের বড় পোলা’ কেমন হয়— গানে গানে সেই কথাই বলবেন এই পপসম্রাজ্ঞী। এতে বিশেষ কিছু অংশে থাকছে বেলাল খানের কণ্ঠও। সোমেশ্বর অলির কথায় বেলাল খানের সুরে তুহিন আল আমিন ও মার্শেলের সংগীতায়োজনে মজার এই গানটির অডিও-ভিডিও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুক্তি পাবে শিগগিরই।
এ নিয়ে বেলাল খান বলেন, ‘আবারও মমতাজ আপার সঙ্গে কাজ করেছি, এটি আমার জন্য বিশেষ প্রাপ্তি। আপা খুব যত্ন করে গানটি কণ্ঠে তুলেছেন। গান শুনলেই সেটি বোঝা যাবে। আর ভিডিওতেও থাকছে চমক।’

ম্যাক্স ব্যাগ এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে ঈদের আগেই উন্মুক্ত হবে ‘বাপের বড় পোলা’। মমতাজ, বেলাল খানের পাশাপাশি ভিডিওচিত্রে থাকছেন সময়ের জনপ্রিয় একাধিক অভিনয়শিল্পী।
গান ও পুরো আয়োজন নিয়ে মমতাজ বলেন, ‘ঈদ উৎসবকে প্রাধান্য দিয়ে গানটির পরিকল্পনা করা হয়েছিলো। আয়োজনও সেভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে। আমার বিশ্বাস, ভক্তদের ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দেবে এই গান।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিদিন দুটি করে কাঁচা টমেটো খান

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে চোখে পরার মতো। এই সংখ্যাটা আগামী দিনে যে আরও বাড়বে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই চিকিৎসক মহলের। তাই তো নিয়মিত দুটি করে কাঁচা টমেটো খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

কিন্তু টমাটোর সঙ্গে রক্তচাপের কী সম্পর্ক? উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে টমেটো দারুন ভাবে কাজে আসে। এই সবজিটিতে রয়েছে লাইকোপেন এবং বিটা ক্যারোটিন নামে বিশেষ কিছু উপাদান, যা শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের যেমন বের করে দেয়, তেমনি স্ট্রেস লেভেলও দ্রুত কমিয়ে ফেলে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। এখানেই শেষ নয়! টমেটোতে ভিটামিন ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পটাশিয়ামও রক্তচাপকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সুস্থ জীবন পেতে আজ থেকেই কাঁচা অথবা রান্না করা অবস্থায় টমেটো খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেই পাবেন!

এই সবজিটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে যে কেবল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে, এমন নয়, সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার …

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় : শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকলে হার্টের কতটা ক্ষতি হতে পারে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না! যারা বেজায় অনিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন করে থাকেন, তারা যদি হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হতে না চান, তাহলে রোজের ডায়েটে কাঁচা টমেটোকে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না যেন! এই সবজিটিতে উপস্থিত ফাইবার শরীরে প্রবেশ করেই খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে শুরু করে। ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

হাড় শক্তপোক্ত হয় : টমেটোতে ক্যালসিয়াম, শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে হাড় শক্তপোক্ত হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে অস্টিওআর্থ্রাইটিসের মতো হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পরেছেন, নিয়মিত কেন টমেটো খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা!

ভিটামিন এবং খনিজের ঘাটতি মেটে : নিয়মিত ২টি করে কাঁচা টমেটো খাওয়া শুরু করলে ভিটামিনের মোট চাহিদার প্রায় সিংহভাগই মিটে যায়। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতিও মিটতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, একাধিক রোগও দূরে থাকতে বাধ্য হয়।

ডায়াবেটিসের প্রকোপ কমে : রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রেখে টাইপ ১ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে টমেটোর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত ফাইবার এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ দূরে থাকে : টমেটোতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি শরীরে ক্যান্সার সেলের জন্ম আটকাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে প্রতিদিন যদি ১-২টি করে টমেটো খাওয়া যায় তাহলে এই মারণ রোগ নিয়ে আর চিন্তার থাকতে হবে না, এমনটাই দাবি চিকিৎসকদের। বিশেষত প্রস্টেট এবং কলোরেকটাল ক্যান্সারকে দূর রাখতে টমেটোর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি এবং কোলিন হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই সবকটি উপাদানই প্রচুর মাত্রায় রয়েছে টমেটোতে। তাই হার্টকে যদি দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে চান, তো রোজের ডায়েটে এই সবজি রাখা মাস্ট!

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে : টমেটোয় উপস্থিত লাইকোপেন, লুটেন এবং বিটা-ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি ছানির মতো রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা মেটে : প্রতিদিন সকালে প্রকৃতির ডাক মানেই জ্বালা-যন্ত্রণা-কষ্ট? তাহলে তো আপনাকে টমাটা খেতেই হবে। কারণ এতে উপস্থিত ফাইবার কনস্টিপেশনের সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতিতে এবং আরও নানা ধরনের পেটের রোগের উপশমেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২৪ জুন পর্যন্ত স্থগিত থাকছে খালেদার জামিন

ন্যাশনাল ডেস্ক: কুমিল্লার দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আগামী ২৪ জুন পর্যন্ত স্থগিত থাকছে। পাশাপাশি এই দুই মামলায় নিয়মিত লিভ টু আপিল দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। এদিন আপিল বিভাগে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিতের ওপর শুনানি শুরু করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। খালেদার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, মওদুদ আহমদ, এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন।

এর আগে গত ২০ মে কুমিল্লার দুটি ও নড়াইলের একটি মামলায় জামিন আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। ২১ মে ওই কোর্টের কার্যতালিকায় দুটি আবেদন ওঠে। এ দুই আবেদন শুনানির জন্য ডাকার পর অ্যাটর্নি জেনারেল প্রস্তুতির জন্য সময় চান। আদালত দুই আবেদনের শুনানির জন্য ২২ মে আড়াইটায় সময় নির্ধারণ করেন। কিন্তু ওইদিন এক মামলায় খালেদার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের শুনানি অসমাপ্ত থাকার পর তা ২৩ মে পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। পরে আবারও শুনানি ২৪ মে পর্যন্ত মুলতবি করেন আদালত। ওইদিন ওই মামলাটির জামিন আবেদন শুনানি শেষ হয়।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। সেই থেকে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় করাগারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের সব নাগরিক পাবেন সমান পেনশন

ন্যাশনাল ডেস্ক: গত ২১ মে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অর্থ সচিব মুসলিম চৌধুরীকে একটি চিঠি লেখেন। ওই চিঠিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সর্বজনীন পেনশনের রূপরেখা এবার ঘোষণা করব। তার বাস্তবায়ন হয়তো সামান্য শুরু হবে। সর্বজনীন পেনশনে পেনশন সবার জন্য সমান হবে। সর্বজনীন পেনশনে সব পেনশনার পেনশনের জন্য কন্ট্রিবিউট করবেন; শুধু যারা গরিব তারা ছাড়া সবাই। এক্ষেত্রে গরিবের সীমারেখা নির্ধারণ করতে হবে খাদ্যে নিম্নতম কেলোরিসীমা ঠিক করে।’

এরপর অর্থমন্ত্রী প্রশ্ন রেখেছেন, ‘এ বিষয়ে কাজ কতদূর এগিয়েছে এবং আমরা কি ঘোষণা দিতে পারব?’

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল ক্ষমতায় গেলে চালু করা হবে বেসরকারি কর্মজীবীদের জন্য পেনশন। বিষয়টি নিয়ে কয়েক বছর ধরে কাজও করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন দেশে গিয়ে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সহায়তার জন্য এগিয়ে এসেছিল দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংকও। কথা ছিল গত অর্থবছর (২০১৭-১৮) থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে পাইলট প্রকল্প ভিত্তিতে সর্বজনীন পেনশন চালুর। প্রস্তুতির অভাবে সেটি হয়নি। বলা হয়েছিল পরের বাজেটের কথা। সেই বাজেটও আসন্ন। আর এ অবস্থায় সর্বজনীন পেনশন নিয়ে খোদ অর্থমন্ত্রী প্রশ্ন করছেন অর্থ সচিবকে। বিষয়টি জানতে বাংলাদেশ প্রতিদিনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় অর্থ সচিব মুসলিম চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি বলেন, আসছে বাজেট থেকে সর্বজনীন পেনশন চালুর যে কথা ছিল, যথাযথ প্রস্তুতির অভাবে সেটি সম্ভব হচ্ছে না। তবে নতুন বাজেটে সর্বজনীন পেনশনের ধরনটি কী হবে, কারা পাবেন, কারা বাস্তবায়ন করবে, সে বিষয়ে একটি রূপরেখা থাকতে পারে বলে জানান সচিব।

মুসলিম চৌধুরী জানান, সর্বজনীন পেনশন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হচ্ছে একটি শক্তিশালী বন্ড মার্কেট তৈরি না হওয়া। তিনি বলেন, বেসরকারি কর্মজীবীদের পেনশনের টাকা তো সরকার দেবে না। পেনশনার দেবেন, মালিকপক্ষ দেবেন। সেই অর্থ বন্ড মার্কেটে বিনিয়োগ হবে। তার মুনাফা যোগ করে একটি অঙ্ক পেনশন হিসেবে দেওয়া হবে। কিন্তু আমাদের সেই বন্ড মার্কেটই তো তৈরি হয়নি, যেখানে আমরা পেনশনের অর্থ বিনিয়োগ করতে পারি। এ ছাড়া সর্বজনীন পেনশন চালুর আগে সেই পেনশন দেওয়ার জন্য একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করতে হবে। তহবিল গঠন করতে হবে। এসব প্রস্তুতির অভাবেই এবার বাজেটে সর্বজনীন পেনশন চালুর ঘোষণাটি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান অর্থসচিব।

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল— বেসরকারি খাতে পেনশন দেওয়া। সরকারের এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ২০১৪ সালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং বিভাগকে বেসরকারি খাতের জন্য পেনশন স্কিম চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। বেসরকারি পেনশন বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় একটি প্রকল্প ব্যাংকিং বিভাগ হাতে নেয়। এ লক্ষ্যে প্রায় ৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেয় বিশ্বব্যাংক। অর্থমন্ত্রী সেটি অনুমোদনও দেন। কথা ছিল, সংস্থাটির টাকায় ‘প্রাইভেট পেনশন রেকর্ড কোম্পানি’ ও ‘প্রাইভেট পেনশন ট্রাস্ট’ গঠন করে বেসরকারি খাতকে পেনশন স্কিমের আওতায় আনা হবে।

তবে প্রকল্প গ্রহণের আগে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে যখন ডিপিপি চাওয়া হয়, তখনই আপত্তি করে বসে অর্থ বিভাগ। তারা জানায়, যেহেতু সরকারি পেনশন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত অর্থ বিভাগ, তাই এটি তাদের (অর্থ বিভাগ) মাধ্যমেই হওয়া উচিত। এরপর থেকে অর্থ বিভাগই দেখছে সর্বজনীন পেনশন বাস্তবায়নের বিষয়টি।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রথমদিকে বিষয়টি শুধু বেসরকারি খাতের কর্মজীবীদের পেনশন দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল; তবে এখন এটি বৃহত্তর পরিসরে সব নাগরিকের জন্য পেনশন স্কিম চালুর সিদ্ধান্তে রূপ নিয়েছে। ফলে এটি বাস্তবায়ন করতে আরও সময় লাগবে। সর্বজনীন পেনশন চালুর জন্য যে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হবে-সেটিই এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা নেওয়া হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপ জয়ী কাফুর বিশ্লেষণে ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা একাদশ

খেলার খবর: কাফু ব্রাজিলের একজন কিংবদন্তি ডিফেন্ডার। তিনি এমনই একজন ফুটবলার, যিনি ১৯৯৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনবার বিশ্বকাপ খেলে দুইবার ফিফা বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলীয় দলের সদস্য হওয়ার গৌরব আর্জন করেছেন। আর চারবার কোপা আমেরিকায় অংশ নিয়ে দুইবার চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হওয়ার খ্যাতি পান। তিনি ব্রাজিলের ২০০৬ বিশ্বকাপ দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৪ এর মার্চ মাসে পেলে কাফুকে সেরা ১২৫ জন জীবিত ফুটবল খেলোয়াড়ের একজন হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তবে তারই সাজানো সর্বকালের সেরা ব্রাজিলিয়ান একাদশে তিনি নিজেকে রাখেননি।

তিনি যে একাদশ দিয়েছেন সেখানে তার পজিশন সেই রাইট ব্যাকের জায়গায় নাম রয়েছে কার্লোস আলবার্তোর। ব্রাজিলের ১৯৭০ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক কার্লোস আলবার্তোকে সর্বকালের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার বলা হয়। একাদশে আরও রয়েছে পেলে, জিকো, রোনালদো, রিভালদো, রবার্তো কার্লোসের মতো নাম। যারা দুটি করে বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিল দলের সদস্য ছিলেন। তবে নেই দুইবারের ফিফা বর্ষসেরা রোনালদিনহো কিংবা ২০০৭ সালের বর্ষসেরা ফুটবলার কাকার নাম।

সেরা একাদশ:
গোলকিপার: টাফফেয়ারেল
ডিফেন্ডার: রবার্তো কার্লোস, আলদেয়ার, লুসিও, কার্লোস আলবার্তো
মিডফিল্ডার: ফ্যালকাও, রিভেলিনো, রিভালদো, জিকো
ফরোয়ার্ড: পেলে ও রোনালদো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভক্তের স্ত্রীকে যৌন হয়রানি; ভণ্ড ‘পীর’ গ্রেফতার

ভিন্ন স্বাদের খবর: শিষ্যের স্ত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে এক ভণ্ড পীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আবু তাহের(৬৫) নামে ওই কথিত পীরকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দেয় ভুক্তভোগীরা। শুধু শিষ্যের স্ত্রীকেই নয় আরও অনেক নারীকে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেয় ওই কথিত পীর। এছাড়া গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের নানা ধোঁকায় ফেলে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আবু তাহেরের বাড়ি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ভাটবাউর গ্রামে।

সাটুরিয়া উপজেলার চরতিল্লি গ্রামের এক শিষ্যের অভিযোগ, তার স্ত্রীকে আবু তাহের প্রথমে কুপ্রস্তাব দেয়। এরপর ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ বিষয়ে চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চান ওই শিষ্য। বুধবার ছিল শালিসের নির্ধারিত দিন। দুপুরে দিঘী ইউনিয়ন পরিষদে শালিসে উপস্থিত হন ভণ্ডপীরের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত অন্তত ৩০টি পরিবার।

শালিস শুরু হলেও শিষ্যের স্ত্রী সাক্ষ্য দেয়ার আগ মুহূর্তে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রচণ্ড খিচুনীসহ তার মুখে রক্ত আসে। এরপরই হৈ-চৈ পড়ে যায়। তাদের ধারণা, পীরের বিরুদ্ধে যেন সাক্ষ্য না দিতে পারে এ জন্যই তিনি কেরামতি করে কিছু করেছেন। এর আগেও ওই গৃহবধূ কয়েক দফায় একইভাবে অসুস্থ হয়েছিলেন। পীরের চিকিৎসাতেই পরে সুস্থ হন।

অসুস্থ নারীর স্বামী জানান, আবু তাহের তার পীর। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তার স্ত্রীকে জীন দিয়ে এমন কষ্ট দিচ্ছেন। পরে ভুক্তভোগী ও তাদের স্বজনরা কথিত পীর আবু তাহেরকে ধরে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

শালিসে উপস্থিত একাধিক ভুক্তভোগী জানান, আবু তাহের গ্রামের অনেক মেয়েকে নানা ফাঁদে ফেলে যৌন হয়রানি করেছেন।তার প্রথম স্ত্রী মারা গেলে জোর করে এক শিষ্যর মেয়েকে বিয়ে করেন। এছাড়া বিদেশে ভালো চাকরি, পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়া, মামলায় জামিন করানো, জমির খারিজ করে দেয়াসহ নানাভাবে তিনি গ্রামের সহজ-সরল মানুষের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তারা সবাই ভণ্ডপীর আবু তাহেরের বিচার দাবি করে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে স্লোগান দেন।

দিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মতিন মোল্লা জানান, আবু তাহের একজন ভণ্ডপীর। তার বিরুদ্ধে নারীদের যৌন হয়রানিসহ নানা অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। যৌন হয়রানির অভিযোগের বিচার ইউনিয়ন পরিষদে করার এখতিয়ার না থাকায় তাকে পুলিশে দেয়া হয়েছে।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রকিবুজ্জামান জানান, কথিত পীর আবু তাহেরের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেছেন তার শিষ্য লুৎফর রহমান। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাকা চৌধুরীর বাসভবন ‘গুডস হিলে’ হামলা ও ভাঙচুর

ন্যাশনাল ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর চট্টগ্রাম শহরের বাড়ি গুডস হিলে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (৩০ মে) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম নগরীর গণি বেকারি মোড় সংলগ্ন গুডস হিল পাহাড়ের ওপর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীদের বাড়ি। সেখানে সালাউদ্দিন ছাড়াও তার ভাই বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ চার ভাইয়ের এখানে বসবাস।

ফটিকছড়িতে একটি সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দেয়ার প্রতিবাদে ছাত্রলীগ এ হামলা-ভাঙচুর চালায়। এসময় স্তায় নেমেও ছাত্রলীগ যানবাহন ভাংচুর এবং টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এর আগে বিকালে ছাত্রলীগ গিয়াস কাদের চৌধুরীর কুশপুত্তলিকা দাহ করে।

বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা জানান, রাত ৮টার দিকে ৫০-৬০ জন তরুণ এসে মূল ফটক টপকে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে।এ সময় তারা গার্ডরুম ও তার পাশের অফিস কক্ষে ভাংচুর করে। এরপর উপরে উঠে গ্যারেজে থাকা মাইক্রোবাস, পাজরো জিপ ও প্রাইভেট কারসহ আটটি গাড়ি ভাংচুর করে। হকিস্টিক ও লাঠি নিয়ে আসা ওই তরুণরা ভাংচুর চালিয়ে চলে যায়।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেওয়া গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। বুধবার ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ৬০-৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর চেয়েও শেখ হাসিনার বিদায় বা পরিণতি খারাপ হবে।’ এ ঘটনাকে শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি বলে অভিহিত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest