যেভাবে ফ্রিজে খাবার রাখবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বর্তমান সময়ের প্রযুক্তির অন্যতম উপহার রেফ্রিজারেটর। যা আমাদেরকে করেছে আরও সৌখিন আর আরাম প্রিয়। যার মধ্যে আমরা যে কোন খাবার নিশ্চিন্তে দিনের পর দিন রাখতে পারি। নেই নষ্ট হওয়ার ভয়, করা যায় ইচ্ছেমত ব্যাবহার।

প্রায়ই রেফ্রিজারেটরের ভেতরে দমবন্ধ করা গন্ধ হয়। সপ্তাহে এক দিনের জন্যে ভেতরে দিয়ে রাখুন লেবুর রস ও ভিনেগারের মিশ্রণ। ওই দিনই বাজে গন্ধ চলে যাবে। পুরো এক সপ্তাহ সতেজ ভাব থাকবে ভেতরে। এরপর ধীরে ধীরে গন্ধ জমতে থাকবে। আবারও একই পদ্ধতি অবলম্বন করবেন। ফ্রিজে খাবার রাখতে আরো কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। যেমন—

যেসব খাবারের বেশি ঠাণ্ডা দরকার

কিছু খাবার আছে, যেগুলোকে ভালো রাখতে তাপমাত্রা শীতল রাখতে হয়। এ জন্য ফ্রিজের কারিগরি দিকটি বুঝতে হবে। ফ্রিজের প্রতিটি তাকে এয়ার ডিসপেন্সার থাকে। এর মাধ্যমে তাপমাত্রা বজায় রাখা হয়। আর তা থাকে পেছনের দিকে। তাই ফ্রিজের ভেতরে পেছনের দিকে ঠাণ্ডা থাকে সবচেয়ে বেশি। যে খাবার কম তাপমাত্রায় টাটকা থাকবে, সেগুলো পেছনের দিকে রাখুন।

এয়ারটাইট প্লাস্টিক ব্যাগ

অনেকে শুকনো ফল খেতে পছন্দ করে। আবার কেটে রাখা শাক-সবজি ফ্রিজের মধ্যে গুছিয়ে রাখতে প্লাস্টিকের বাটি ব্যবহার করা যায়। ফ্রিজের আকার যথেষ্ট বড় না হলে বাটি রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই ব্যবহার করতে পারেন এয়ারটাইট প্লাস্টিক ব্যাগ। এতে এক জায়গাতেই একটার ওপর আরেকটা করে বেশ কয়েকটি ব্যাগ রাখা সম্ভব হয়।

ম্যাটের পরিবর্তে সেলফ লাইনার

প্রায় সময় বাজার থেকে কাঁচা সবজি এনেই রেফ্রিজারেটরে রাখা হয়। এতে মাটি ও ময়লা লেগে থাকে। এতে ফ্রিজের ভেতরে যেন ময়লা না হয়, সে জন্য অনেকেই তাকের ওপর ম্যাট রাখে। কিন্তু এতে ওপর-নিচের জায়গা যেমন কমে যায়, তেমনই দেখতেও ভালো লাগে না। তাই তাকের জন্যে কিনবেন লাইনার। ফ্রিজের সেলফের সাইজ বুঝে লাইনারগুলো কিনে বসিয়ে দেবেন।

ট্রে বাস্কেট

মরিচ আর লেবুর মতো খাবারগুলো সাধারণ পলিথিনের ব্যাগেই রাখা হয়। সাধারণত সবজির জন্যে ফ্রিজের ভেতরে যে বাস্কেট থাকে, সেখানে স্থান হয় এদের। কিন্তু আমাদের খাবারে মরিচ বা লেবুর ব্যবহার প্রচুর হয়ে থাকে। তাই এদের গুছিয়ে রাখতে হবে। ফ্রিজের সঙ্গে থাকতে পারে ছোট ছোট ট্রে বাস্কেট। এগুলো খুব কম জায়গা দখল করে, আবার ভেতরের জিনিস চাপে নষ্ট হয় না।

দরজার ট্রেতেই বোতল

ফ্রিজের দরজায় বোতল রাখার যথেষ্ট জায়গা থাকে। সেখানে অন্যকিছু রেখে স্থান নষ্ট করবেন না। দরজার ট্রেতেই বোতল সাজিয়ে রাখুন। এখানে রাখলে সহজেই খুঁজে পাবেন এবং তা হঠাৎ করে ভেতরের দিকে পড়বে না।

ক্লিং শিট

ফ্রিজে খাবার রাখার সময় তা অন্য কিছু দিয়ে ঢেকে রাখার অভ্যাস আছে অনেকের। একটা বাটি ঢাকতে তার ওপর আরেকটি প্লেট দিলে অনেক জায়গা নষ্ট হয়। তার চেয়ে বরং ক্লিং শিট ব্যবহার করুন। এর ব্যবহার স্বাস্থ্যসম্মত আর সুবিধাজনক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বাপ্পা ও তানিয়া

বিনোদন ডেস্ক: আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার এবং অভিনয়শিল্পী তানিয়া হোসাইন।

দুই পরিবারের সম্মতিতেই তারা আংটিবদলের পর্বও সেরে ফেলেছেন।

বেশ কিছুদিন ধরেই শোবিজ অঙ্গনে শোনা যাচ্ছিল, বাপ্পা আর তানিয়া প্রেম করছেন। কিন্তু কোনোভাবেই নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে দুজনের আংটিবদলের মধ্য দিয়ে সেই গুঞ্জন বাস্তব রূপ পেল।

গত ১৬ মে রাতে ঘরোয়াভাবে তাদের আংটিবদল অনুষ্ঠান হয়। আংটিবদলের একটি ছবি ২০ মে রাতে তানিয়া হোসাইন তার ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন।

এ বিষয়ে তানিয়া হোসাইন আংটিবদলের কথা স্বীকার করলেও বাপ্পা কিছু বলতে চাননি।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৩০ মার্চ চিত্র পরিচালক ও উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস আর তানিয়া হোসাইন ভালোবেসে বিয়ে করেন। বিয়ের এক বছরের মাথায় তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

অপরদিকে, বাপ্পা মজুমদার এবং অভিনয়শিল্পী ও নৃত্যশিল্পী চাঁদনী ভালোবেসে বিয়ে করেন ২০০৮ সালের ২১ মার্চ। দীর্ঘ নয় বছর সংসারজীবনের পর ছাড়াছাড়ি হয় তাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা শিশুর চোখে নিঃসীম শূন্যতা- প্রিয়াংকার আবেগঘন স্ট্যাটাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রুপালি জগতের ঝলমল দুনিয়া ছেড়ে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে হাজির হলিউড-বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া।

তাকে কাছে পেয়ে খুশিতে মেতে ওঠে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর শরণার্থী শিবিরের রোহিঙ্গা শিশুরা।

যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শুরুতে রোহিঙ্গাদের প্রিয়াংকার কাছে ঘেঁষতে বাধা দিচ্ছিল।

কিন্তু নিরাপত্তার ঘেরাটোপ ছেড়ে আপনজনের মতো রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্গে মিশে যান প্রিয়াংকা। তাদের মমতাভরে জড়িয়ে ধরে আদর করেন। শোনেন তাদের কষ্টের কথা।

এর পর হোটেলে ফিরে সামাজিকমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন প্রিয়াংকা।

এতে রোহিঙ্গা শিশুদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে তাদের সাহায্য করার জন্য বিশ্ববাসীর কাছে আবেদন জানান জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক তহবিলের এ শুভেচ্ছাদূত।

স্ট্যাটাসে প্রিয়াংকা লেখেন- ‘আমি আজ (সোমবার) বাংলাদেশের কক্সবাজারে এসেছি। ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হয়ে এখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করলাম।’

‘২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ববাসী দেখল কী নৃশংসভাবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর জাতিগত নির্মূল অভিযান চালানো হয়। এতে সাত লাখের মতো নির্যাতিত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। এদের মধ্যে ৬০ শতাংশই শিশু’, উল্লেখ করেন প্রিয়াংকা।

তিনি আরও লেখেন- ‘রোহিঙ্গাদের এই প্রজন্মের শিশুগুলোর সামনে ভবিষ্যৎ বলে কিছু নেই। যদিও তারা হাসছিল, তবে তাদের চোখে আমি দেখেছি নিঃসীম শূন্যতা। মাসের পর মাস ধরে তারা এক অনিশ্চিত ও মানবেতর জীবনযাপন করছে। এখানে মানবিক সংকট যে কতটা গভীর, তার নজির এ শিশুরা। আমাদের সাহায্য তাদের খুবই দরকার।’

বিশ্বে এই সময়ে শরণার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ইউনিসেফের পাশে বিশ্ববাসীকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘এই শিশুগুলোই আমাদের ভবিষ্যৎ’।

মানবিক কারণে বাংলাদেশ এই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে, তাদের রাখা হয়েছে কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরে।

শরণার্থী শিবিরে গাদাগাদি করে রোহিঙ্গাদের থাকার বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন প্রিয়াংকা। সামনে বর্ষা মৌসুমে শরণার্থী শিবিরে সংকট আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেখতে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াংকা চোপড়া চার দিনের সফরে সোমবার ভোরে বাংলাদেশে আসেন।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে গিয়ে সফরের প্রথম দিনে তিনি শামলাপুর রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন।

সফরের দ্বিতীয় দিনে আজ সকালে প্রিয়াংকার উখিয়ার বালুখালী ও জামতলী রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের কথা রয়েছে। এর পর বিকালে তিনি টেকনাফ রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন। তৃতীয় দিন বুধবার তিনি উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন। সফরের শেষ দিন বৃহস্পতিবার সকালে তিনি কক্সবাজার ত্যাগ করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করাচিতে দাবদাহে ৬৫ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের করাচিতে প্রচণ্ড গরমে গত ৩ দিনে অন্তত ৬৫ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক নিউজ এজেন্সি রয়টার্স।

মঙ্গলবার স্থানীয় গণমাধ্যম ও একটি সমাজকল্যাণ সংস্থার বরাত দিয়ে তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, ওই অঞ্চলের তাপমাত্রা ৪৪ড্রিগ্রি সেলসিয়াস (১১১ ফারেনহাইট) পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে। উচ্চ তাপমাত্রা বজায় থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের দাতব্য সংস্থা ঈদি ফাউন্ডেশনের পরিচালক ফয়সাল ঈদি জানান, “গত তিন দিনে ৬৫ জন মারা গেছেন। লাশগুলো আমাদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মর্গে রাখা আছে। তারা হিট-স্ট্রোকে মারা গেছেন বলে স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।”

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার করাচির তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। রোজার মধ্যে নগরীর অধিকাংশ মানুষ রোজা থাকায় এবং দিনের বেলা পানি পান থেকে বিরত থাকায় বিরূপ পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে তাদের।

তবে সিন্ধু প্রদেশের স্বাস্থ্য সচিব ফজলুল্লাহ পেচুহো গরমে কেউ মারা যায়নি দাবি করেছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদপত্র দ্য ডন।

ডনে উদ্ধৃত বক্তব্যে পেচুহো বলেছেন, “মৃত্যু হিট-স্ট্রোকে না অন্য কোনো কারণে হয়েছে তা শুধু চিকিৎসক ও হাসপাতালগুলোই বলতে পারে। করাচিতে হিট-স্ট্রোকে লোকজন মারা যাচ্ছেন, এসব স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছি আমি।”

তিনি এসব বললেও করাচিতে হিট-স্ট্রোকে মৃত্যুর বিভিন্ন প্রতিবেদন আসায় শঙ্কা বেড়েই চলছে। অনেকেই ২০১৫ সালের ঘটনার পুনারাবৃত্তির আশঙ্কা করছেন; ওই বছরের গ্রীষ্মকালে তীব্র গরমে করাচিতে অন্তত ১৩০০ লোকের মৃত্যু হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হায়দরাবাদ-চেন্নাই ফাইনালে ওঠার লড়াই আজ

স্পোর্টস ডেস্ক: আইপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে সাকিব আল হাসানের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং চেন্নাই সুপার কিংস। আজকের এই ম্যাচের বিজয়ী দল সরাসরি পৌঁছে যাবে ফাইনালে।

আজ মঙ্গলবার ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে।

আজকের এই ম্যাচে জিতলে সরাসরি ফাইনালে পৌঁছে যাবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আর এই ম্যাচ হারলেও দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে খেলার সুযোগ থাকবে সাকিবদের। সেখানে জয় পেলেও ফাইনালের টিকিট পাবে তারা।

প্লে-অফে হায়দারাবাদ ও চেন্নাই বাদে বাকি দুটো দল হচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রাজস্থান রয়্যালস। হায়দরাবাদ প্লে-অফ নিশ্চিত করার পরই চেন্নাই শেষ চারে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করে। দুই দলের সমান পয়েন্ট হলেও রানরেটের বিবেচনায় তালিকার শীর্ষে আছে হায়দরাবাদ। চেন্নাই আছে দুই নম্বরে।

চলতি আসরে হায়দরাবাদের সঙ্গে দুটি ম্যাচই জয় তুলে অনেকটা আত্মবিশ্বাসী থাকছে ধোনিরা। আইপিএলে দুইবারের শিরোপাজয়ী দলটি এর আগে ৬ বারই উঠেছিল আসরের ফাইনালে। তাই চেন্নাইয়ের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে বেশ ঘাম ঝরাতে হবে হায়দারাবাদের খেলোয়াড়দের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাশিয়ায় ভয়াবহ দাবানল, ২৩ হাজার হেক্টর বনাঞ্চল ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়াজুড়ে ভয়াহত দাবানলে ৭ হাজার ৪শ’ হেক্টরের বেশি বনাঞ্চল ধ্বংস হয়ে গেছে। দমকল কর্মীরা গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১শ’টি স্থানে দাবানল নিভিয়ে ফেলেছে। মঙ্গলবার এরিয়াল ফরেস্ট প্রটেকশন সার্ভিসের প্রেস সার্ভিস এ কথা জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘২২ মে মধ্যরাত থেকে ২৩ হাজার ৬৪৮ হেক্টর এলাকায় ৪৫টি স্থানে দাবানল জ্বলছে। দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

সোমবার রাশিয়ার ২০ হাজার ৭শ হেক্টর এলাকায় ৫৫টি স্থানে দাবানল দেখা দিয়েছিল।

পূর্ব প্রান্তের আমুর অঞ্চলে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল দেখা দিয়েছে। এখানকার ১৩ হাজার ৭শ’ হেক্টর জমিতে ১২টি স্থানে দাবানল জ্বলছিল।
যেসব এলাকায় দাবানলগুলো ছড়িয়ে পড়েছে সেগুলো হচ্ছে- খাবারোবস্ত অঞ্চল (৯৬০ হেক্টর), প্রিমোরেই (১৭ হেক্টর), ইয়াকুতিয়া (২ হেক্টর) ও ইহুদী স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল (৫০ হেক্টর)।

রাশিয়ার পূর্ব প্রান্তের পাশাপাশি ট্রান্সবৈকাল অঞ্চলে ৮ হাজার ৬শ’র বেশি এলাকা জুড়ে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। চেলইয়াবিনস্ক অঞ্চলে (২শ’ হেক্টর), মুরমানস্ক অঞ্চলে (২১ হেক্টর), দাগেস্তান প্রজাতন্ত্রের (১৬ হেক্টর) এলাকায় দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়াও ভেরদলোভস্ক, মুরমানস্ক, চেলিয়াবিনস্ক ও তিউমেন অঞ্চলে এবং তাইভা প্রজাতন্ত্রের কয়েকটি এলাকায়ও দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে।

আগুন নেভাতে প্রায় ২ হাজার ৫শ’ লোক মোতায়েন ও ৫৫০টির বেশি সরঞ্জামাদি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং প্রায় ৩৩টি এয়ারক্রাফ্ট থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপের বিভিন্ন গ্রুপে যারা ফেবারিট

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই টান টান উত্তেজনা। গ্রুপ পর্ব থেকেই উত্তেজনার পারদ যেন তুঙ্গে। এবারের রাশিয়া বিশ্বকাপের গ্রুপগুলো নিয়েও চলছে হিসাব-নিকেষ। চলুন চুলচেরা বিশ্লেষণ করে নিই গ্রুপগুলোর।

গ্রুপ-এ
গ্রুপ এ-তে আছে স্বাগতিক রাশিয়া, ল্যাটিন পরাশক্তি উরুগুয়ে, আফ্রিকার দেশ মিশর ও এশিয়ার সৌদি আরব। এর মধ্যে সুয়ারেজ, কাভানির উরুগুয়েকেই ফেবারিট মানছেন সবাই। তবে সবার চোখ থাকবে লিভারপুল তারকা মোহাম্মদ সালাহ’র দিকে। তার উপর ভর করে স্বাগতিক রাশিয়া ও সৌদি আরবকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় রাউন্ডে মিশর যেতে পারবে বলে অনেকেরই মত।

গ্রুপ-বি
টিকিটাকা কৌশলের স্পেন ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের সঙ্গে বি গ্রুপে আছে মরক্কো ও ইরান। বলাই বাহুল্য, কোনো অঘটন না ঘটলে স্পেন ও পর্তুগালই দেখবে দ্বিতীয় রাউন্ডের মুখ। এই বিশ্বকাপটি রোনালদোর চতুর্থ বিশ্বকাপ। এবারো ফর্মের তুঙ্গে থাকা রোনালদো দলের জন্য কতটা কী করতে পারেন তা দেখার অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা। তারকাখচিত স্পেনও এবার শিরোপার জন্য উন্মুখ।

গ্রুপ-সি
ফ্রান্স, ডেনমার্ক, পেরু ও অস্ট্রেলিয়া নিয়ে গ্রুপ সি। শক্তি মত্তায় ফ্রান্স যে এবারের শিরোপার লড়াইয়ে প্রথম সারিতে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গত বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে স্পেন, হল্যান্ড ও চিলির মাঝখানে চ্যাপ্টা হওয়া সকারুদের জন্য এবার দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করার সুযোগ আছে। ডেনমার্কেও আছেন কয়েকজন প্রতিভাবান খেলোয়াড়। আর ১৯৮২ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেয়া পেরু না হয়ে ওঠে ডার্কহর্স।

গ্রুপ-ডি
দর্শক ফেবারিট আর্জেন্টিনার গ্রুপ এটি। আরও আছে ক্রোয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও আইসল্যান্ড। মেসিনির্ভর আর্জেন্টিনা যে গ্রুপ পর্ব সহজেই পেরিয়ে যাবে সে বিষয়ে খুব একটা সন্দেহ নেই। তবে ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়া আইসল্যান্ডের ওপর বাজি রাখতে পারেন। তারা কিছু একটা দেখাবে নিশ্চিত। অন্যদিকে, ক্রোয়েশিয়া ও নাইজেরিয়া দুই দলই নির্ভর করছে তাদের বর্ষীয়ান খেলোয়াড়দের ওপর।

গ্রুপ-ই
ব্রাজিল এমন একটি দল যারা সব সময়ই শিরোপার দাবিদার। তবে ২০০২ সালের পর আর শিরোপা ছুঁয়ে দেখা হয়নি তাদের। এবার সে সম্ভবনা কতদূর, তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ চলছে। ই গ্রুপে আর যারা আছে, তাদের মধ্যে সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে রাখছেন অনেকেই। এছাড়া আছে সার্বিয়া ও কোস্টারিকা।

গ্রুপ-এফ
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানি আছে এই গ্রুপে। জার্মানরাও এবারো শিরোপার দাবিদার। ধরে নেয়া যায়, গ্রুপ পর্বে খুব একটা বাধা পাবে না দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইডেনের কাছ থেকে। তবে হাভিয়ের হার্নান্দেজের মেক্সিকোর সঙ্গে গ্রুপ পর্বে লড়াইটা জমবে বলে মনে হচ্ছে। এই গ্রুপে এই দুই দলই ফেবারিট।

গ্রুপ-জি
ইংলিশরা আছে এই গ্রুপে। আছে শক্তিশালী বেলজিয়ামও। আর আছে পানামা ও টিউনিসিয়া। শেষ দুই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বই পেরুতে পারেনি থ্রি লায়ন্সরা। তবে এবার সে সম্ভাবনা আছে তাদের সামনে। বেলজিয়ামও গ্রুপের ফেবারিট। তবে পানামা ও টিউনিসিয়া অঘটন ঘটাতে উদগ্রীব। দুই দলই ভালো খেলেছে বাছাই পর্বে।

গ্রুপ-এইচ
হামেস রড্রিগেজের কলম্বিয়া গতবার যে চমক দেখিয়েছে তা এবার কতটা ধরে রাখতে পারবে বোঝা যাবে গ্রুপ পর্বেই। কারণ, গ্রুপে আছে শক্তিশালী পোল্যান্ড। আছে পরিশ্রমী সেনেগাল ও জাপান। পোলিশরা ফেবারিট হলেও কোন দু’টি দল শেষ ষোল নিশ্চিত করবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। মনে করা যেতে পারে, এটিই গ্রুপ অফ ডেথ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমেরিকায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম তনয়ের এপার্টমেন্ট নিয়ে তোলপাড়

ন্যাশনাল ডেস্ক: বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে তমাল মনসুর আমেরিকার নিউ ইয়র্কের আফতাব টাওয়ারের ১২টি এপার্টমেন্ট ও ৪টি পার্কিং স্পটের মালিক। এ নিয়ে ভবনের নিচতলায় অবস্থিত মসজিদ মিশন সেন্টার নামক একটি মসজিদের বিরুদ্ধে প্রায় পাঁচ লাখ ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন তিনি। বাংলাদেশের বিখ্যাত নির্মাতা জহিরুল ইসলামের ভাই আজহারুল ইসলাম ২০১১ সালে নিউ ইয়র্ক সিটির জ্যামাইকাতে আফতাব টাওয়ার নির্মাণ করেন। এই ভবনে ২৪টি এপার্টমেন্ট ও বেইসমেন্ট রয়েছে। এর অর্ধেক অর্থাৎ ১২টি এপার্টমেন্টের মালিক হচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিমের ছেলে তমাল মনসুর।

একই ভবনের নিচে অবস্থিত মসজিদ মিশনের কর্মকর্তা মাওলানা হাফেজ রফিকুল ইসলামের কাছে বিক্রি করা হয়েছিল মসজিদের জন্য বেইসমেন্ট।
তবে, মসজিদে মুসল্লি সমাগমের কারণে পানি সমস্যাসহ বিভিন্ন ইস্যু তুলে তিনি মামলা ঠুকেছেন ম্যানেজমেন্ট ও মসজিদের বিরুদ্ধে।

সূত্রমতে, জ্যামাইকাতে তমাল মনসুরের আরো দুটি বড় বড় প্রোপার্টি রয়েছে। যেখানে এখন নির্মাণ কাজ চলছে। উল্লিখিত দুই প্রোপার্টিতে এপার্টমেন্ট নির্মাণের কাজ চলছে। এখানে কোনো বাংলাদেশি নির্মাণ কোম্পানিকে কাজ দেয়া হয়নি। গায়ানিজ একজন কন্ট্রাক্টর এই ভবনগুলোতে এপার্টমেন্ট তৈরির কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
নিউ ইয়র্কে সম্পত্তি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে তমাল মনসুরের সঙ্গে রোববার (২০ মে) ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, আমার সম্পদ আছে কি নেই এটা অন্য কারো বিষয় হতে পারে না। একটি মহল আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

জ্যামাইকার আফতাব টাওয়ারে তার কোনো এপার্টমেন্ট আছে কি না প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি উত্তর না দিয়ে এটাকে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার উপর হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন।

উল্লিখিত বিষয়ে নিউ ইয়র্ক সুপ্রিম কোর্টে দায়েরকৃত মামলার ইনডেক্স নং ৭০৬৯৪৮/২০১৮। মামলার তারিখ মে ৩, ২০১৮। আর এই মামলার বাদী হচ্ছেন লেমবডা প্রোপ্রার্টিজ ইনক নামক একটি প্রতিষ্ঠান। তমাল মনসুর এফিডেভিটের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানকে মামলাটি পরিচালনা করার অনুমতি দিয়েছেন। মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছে আফতাব স্কাইভিউ কনডোমোনিয়াম, বোর্ড অব ম্যানেজারর্স অব আফতাব কনডোমোনিয়াম, হাফেজ রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ টি আলী, আব্দুল মালেক, মির্জা রেজওয়ান ও মসজিদ মিশন সেন্টার ইনক।

মামলার আর্জিতে বলা হয়েছে বাদী আফতাব টাওয়ারের ১২টি বাণিজ্যিক এপার্টমেন্টের মালিক। যার মধ্যে আছে এপার্টমেন্ট ২এ থেকে ৪ডি এবং ৪টি পার্কিং স্পেস। যার মধ্যে আছে পিএস১, পিএস২, পিএস৩ এবং পিএস৪। উল্লেখ্য, আফতাব স্কাইভিউতে ২৪টি এপার্টমেন্ট, দুটি কমিউনিটি সেন্টার ও ১৩টি পার্কিং স্পট রয়েছে।

মামলার আর্জিতে কনডোমোনিয়াম বোর্ড গঠনের বিভিন্ন নিয়মাবলী উল্লেখ করে এর বেইসমেন্টের দুটি কমিউনিটি সেন্টারের স্পেস মসজিদ মিশন মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করছে বলে উল্লেখ করা হয়।

আর্জিতে বলা হয়, মুসল্লিদের সংখ্যাধিক্যের কারণে সিটির অকুপেন্সি সার্টিফিকেট আইন বার বার ভঙ্গ করেছে কথিত মসজিদটি। এভাবে ৮৬ জনের জায়গায় সেখানে শত শত মুসল্লির সমাবেশ ঘটে নামাজের সময়। এর ফলে মুসল্লিদের ওজু করার কারণে প্রচুর পানি খরচ হচ্ছে। এরফলে কনডোমোনিয়ামের জন্য বরাদ্দকৃত পানির চাইতে অনেক বেশি পানি ব্যবহৃত হচ্ছে মৃসল্লিদের ওজুর কারণে।

এ বিষয়ে অফতাব টাওয়ার ম্যানেজমেন্টদের পানির প্রতিকার বিষয়ে বার বার দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কোনো লাভ হয়নি। এর ফলে সিটির সংশ্লিষ্ট বিভাগ এই ভবনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভায়োলেশন মামলা করেছে। যার কোনো প্রতিকার ম্যানেজমেন্ট বোর্ড না করার কারণে দরপতন ঘটেছে মামলার বাদী তমাল মনসুরের এপার্টমেন্ট সমূহের। ফলে বাদী তার ভাড়ার আয় ছাড়াও প্রোপার্টির সঠিক বাজার মূল্য পাচ্ছেন না। এই অবস্থার পরিবর্তনের জন্য নতুন ম্যানেজমেন্ট বোর্ড গঠন জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া সার্টিফিকেট অব অকুপেন্সি মেনে চলতে হবে মসজিদটিকে। এ ছাড়াও আরো অনেক অনিয়মের বিষয় আছে ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে।

আইন ভঙ্গ, উন্নাসিকতা, অবেহলা ও উপেক্ষার কারণে বাণিজ্যিক এই ভবনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ একটি দুরুহ বিষয়। তারপরও বলা যায় উল্লিখিত কারণসমূহের জন্য বাদী তমাল মনসুরের ১২টি এপার্টমেন্ট বাজার দরের চেয়ে কমপক্ষে সাড়ে তিন লাখ ডলারের দরপতনের শিকার হয়েছে। এ ছাড়া ৪টি পার্কিং স্পটের দাম কমেছে কমপক্ষে ৪০ হাজার ডলার এবং এক লাখ ২০ হাজার ডলারের ক্ষতি হয়েছে ইমেজ নষ্টের কারণে। মামলায় এসবের প্রতিকার কামনা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কনডোমোনিয়াম বোর্ড ম্যানেজমেন্টের অন্যতম কর্মকর্তা এবং মসজিদ মিশনের প্রধান মওলানা হাফেজ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তমাল মনসুর স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে। এই হিসেবে বাংলাদেশিদের একটি মসজিদের বিরুদ্ধে তিনি অবস্থান নেবেন এটা আমরা চিন্তাই করতে পারিনি। তিনি আমাদের বিভিন্নভাবে ব্যবহার করেছেন। এখন এই মামলার অন্যতম কারণ হচ্ছে তার সম্পদের খবর যাতে কোনোভাবেই কেউ ফাঁস করতে না পারে এজন্য তিনি আমাদের ভয় দেখাচ্ছেন। আমরাও আইনের মাধ্যমেই এর জবাব দেবো।

হাফেজ রফিকুল ইসলাম বলেন, তমাল মনসুরের ১২টি নয়, আরো অনেক প্রোপ্রার্টি আছে। বাংলাদেশের একজন মন্ত্রীর ছেলে এতো সম্পদের মালিক কিভাবে হলেন তা যে কেউ প্রশ্ন করতে পারে।

বাংলা পত্রিকার সঙ্গে আলাপকালে তমাল মনসুর বার বার বলেন, আপনারা যা বলছেন তা সঠিক নয়। কোনটি সঠিক নয় এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা যে আইনজীবী মামলা করেছেন তার কাছে প্রশ্ন করুন।
তিনি বলেন, আমার সম্পত্তির বিষয় যুক্তরাষ্ট্রের আই আর এস জানে। আমি বিগত ১৫ বছর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ সিটিজেন। অন্য কোনো লোককে কোনো কথা বলতে আমি বাধ্য নই।

একজন মন্ত্রীর ছেলে হিসেবে বিশাল সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এখানে আমার পারিবারিক বিষয়টিকে কেন আনা হচ্ছে। বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তারা কেন এমন প্রশ্ন তুলছে এটা তাদেরই জিজ্ঞেস করুন। নিজের ১২টি এপার্টমেন্ট আছে কি না জানতে চাইতে তিনি এ বিষয়ে হ্যাঁ বা না সরাসরি উত্তর না দিয়ে এটা তার ব্যক্তিগত বিষয় বলে মন্তব্য করেন।

উল্লিখিত এপার্টমেন্ট সমূহের দাম জানতে চাইলে একজন রিয়েল এস্টেট ব্রোকার বাংলা পত্রিকাকে বলেন, এখানে এখন প্রতিটি এপার্টমেন্টের দাম হচ্ছে কমপক্ষে চার লাখ ডলার। এই হিসেবে ১২টি এপার্টমেন্টের দাম ৪ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার। এর বাইরে পার্কিং লটের দাম না হয় বাদই দিলাম।

অপরদিকে মসজিদ মিশন সেন্টারের বিরুদ্ধে প্রায় পাঁচ লাখ ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলার ঘটনায় স্থানীয় মুসল্লিদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসের শুরুতে গত ১৬ই মে বুধবার তারাবির নামাজের সময় মামলার বিষয়টি মসজিদ কর্তৃপক্ষ মুসল্লিদের দৃষ্টিগোচরে আনলে উপস্থিত মুসল্লিরা আইনগত প্রক্রিয়ায় ঐক্যবদ্ধভাবে তা মোকাবিলা করার পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেন। এ ছাড়াও গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময়ও এ ঘটনার ব্যাপারে মুসল্লিারা তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।

সূত্র: মানবজমিন, ২২ মে, ২০১৮।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest