সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

টেস্টে ম্যাচ ফিক্সিং করেছে ভারত!

স্পোর্টস ডেস্ক: ফিক্সিংয়ের কালো থাবা আবার ক্রিকেটে। এবার ফিক্সিংয়ের অভিযোগ খোদ ভারতের বিপক্ষে। যারা নিজেদের ক্রিকেট বিশ্বের মোড়লে পরিণত করেছে। পরিচ্ছন্ন ক্রিকেটের ধুয়া তুলে বেড়াচ্ছে। তারাই কি-না গত দুই বছরে অন্তত তিনটি টেস্ট ম্যাচ পাতিয়েছিল। আল জাজিরার এক ডকুমেন্টারিতে উঠে এসেছে ভারতের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের এই তথ্য।

‘অ্যা ডকুমেন্টারি অন ক্রিকেট করাপশন’- নামে আল জাজিরার অনুসন্ধানে উঠে এসেছে গত তিন বছরে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তিন ম্যাচে ফিক্সিং করেছিল ভারতীয়রা। এর মধ্যে ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি টেস্ট ভারতের মাটিতে এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাকি টেস্টটি শ্রীলঙ্কার মাটিতেই পাতিয়েছিল ভারত।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাতানো টেস্টটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল চেন্নাইতে, ২০১৬ সালের ১৬ থেকে ২০ ডিসেম্বরে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাতানো টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাঁচিতে ২০১৭ সালের মার্চে, ১৬ থেকে ২০ তারিখ। আ র শ্রীলঙ্কার সঙ্গে পাতানো টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৭ সালেই গলে, ২৬ থেকে ২৯ জুলাইয়ে।

বিস্তারিত আসছে…

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ, বিএসএফের ৪ সদস্য আটক

ন্যাশনাল ডেস্ক: বশস্ত্র অবস্থায় বাংলাদেশের অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের চার সদস্যকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

রোববার সকালে অনুপ্রবেশের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার ফুলবাড়ী সীমান্ত থেকে তাদের আটক করা হয়।

বিজিবির ফুলবাড়ী ক্যাম্পের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড রবিউল হককে উদ্ধৃত করে বেসরকারি যমুনা টিভি এ খবর জানিয়েছে।

বিজিবি কর্মকর্তা জানান, সশস্ত্র অবস্থায় বাংলাদেশ সীমান্তের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশের অভিযাগে আটক বিএসএফ সদস্যদের ফুলবাড়ী ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় ৩ বছরের বেশি কর্মরত শিক্ষকদের বদলি করা উচিত- প্রধান বিচারপতি

শিক্ষা ডেস্ক: রাজধানীর সরকারি বিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষক তিন বছরের বেশি সময় ধরে কর্মরত আছেন, তাদের বদলি করে দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

রোববার কোচিংবাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকার কয়েকটি সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষককে বদলি সংক্রান্ত এক মামলার শুনানিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মামলার শুনানির একপর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে বলেন, অনেক শিক্ষক ঢাকায় ১০-১২ বছর ধরে আছেন। এদের অনেকেই কোচিংবাণিজ্য করছেন।

প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে বলেন, কেন? তিন বছর পর পর তো বদলি করার কথা। তা হলে এর জন্য তো মন্ত্রণালয়- অধিদফতর দায়ী। ঢাকার সরকারি বিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষক তিন বছরের বেশি সময় ধরে আছেন তাদের বদলি করে দিন।

তবে এ মামলার দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বলেন, প্রধান বিচারপতির এটি মন্তব্য, আদেশ নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেউ বাবা না হলেও পাগলির সন্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে পুলিশ

ন্যাশনাল ডেস্ক: হাসপাতাল কিংবা বাড়িতে নয়। রাস্তার পাশে, খোলা আকাশের নিচেই কিশোরী পাগলিটি জন্ম দিয়েছে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান। শনিবার বিকেলের দিকে ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার আমতলী এলাকায় মহাসড়কের পাশেই হঠাৎ পাগলির চিৎকারে পথচারীদের জটলা সৃষ্টি হয়। সন্তান সম্ভবা ওই কিশোরীর প্রসব বেদনায় কাতরানোর দৃশ্য দেখে স্থানীয় ৩-৪ জন নারী তার সন্তান প্রসব করাতে সক্ষম হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ মা ও তার নবজাতককে ভর্তি করেন পার্শ্ববর্তী ময়নামতি জেনারেল হাসপাতালে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মানসিক ভারসাম্যহীন ওই কিশোরী দীর্ঘদিন যাবৎ ময়নামতি ও আমতলীসহ আশপাশের এলাকায় থাকত। স্থানীয়রা অনেকেই তাকে ‘পাগলি’ বলে ডাকতো। শনিবার বিকেলে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের আমতলী এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লাগামী অংশে এ্যাপোলো ট্রেডার্স নামের একটি রড-সিমেন্টের দোকানের সামনে ওই কিশোরীর প্রসব বেদনা শুরু হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় মিনুয়ারা, আনোয়ারা, কুলসুমসহ আরও কয়েকজন নারী এগিয়ে আসেন। পরে রাস্তার পাশেই নিরাপদে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করান।
খবর পেয়ে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, এসআই দয়াল হরি, এএসআই রাজু ও নুর আলমসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে ওই পাগলি কিশোরী ও তার নবজাতককে অ্যাম্বুলেন্সযোগে ময়নামতি সেনানিবাস এলাকায় ময়নামতি জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়।
স্থানীয় ২নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য খোরশেদ আলম কালু ও আমতলী এ্যাপোলো ট্রেডার্সের মালিক স্বপন জানান, মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে আমরা এগিয়ে এসেছি। আমাদের নষ্ট সমাজের এ পাপের জন্য তো শিশুটি দায়ী নয়, তাই মা ও নবজাতকের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদকবিরোধী ‘রাশ ড্রাইভে’ ৫২ জন আটক

ন্যাশনাল ডেস্ক: রাজধানীর মহাখালীর কড়াইল বস্তি ও কমলাপুরের মাদকবিরোধী অভিযানে মোট ৫২ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বিত একটি দল। আটককৃতদের মধ্যে কড়াইল বস্তির ৩০ জন ও টিটিপাড়ার ২২ জন মাদকব্যবসায়ী ও মাদকসেবী রয়েছে। ডিএমপির এই অভিযানকে ‘রাশ ড্রাইভ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত চলে এই অভিযান।

অভিযান শেষে টিটিপাড়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযানে মহাখালী ও কমলাপুর থেকে মোট ৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ও ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পৃথক দুইটি অভিযানে এক হাজার করে ডিএমপির সদস্য, থানা পুলিশ, কাউন্টার টেররিজম এবং মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযানের নামে কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আটকদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া না গেলে তাদের ছেড়ে দেয়া হবে। কাউকেই হয়রানি করা হচ্ছে না।

অভিযানে মাদক বিক্রির কোনো গডফাদারকে ধরতে না পারার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘মাদক বিক্রির স্পটে গডফাদাররা থাকে না। তাদেরকে ধরতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভর করা হচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই তাদেরকে ধরা হবে। জঙ্গি নির্মূল করতে যেভাবে অভিযান চালানো হয়েছে, মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধেও সেরকম অভিযান চলছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে জঙ্গিবাদের মতো মাদককেও নির্মূল করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স অবস্থান রয়েছে। এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এর আগে শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার ভোর ৬ টা পর্যন্ত মোট ৭৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে ডিএমপি। এসময় তাদের কাছ থেকে ২ হাজার ২২৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৯৭১ গ্রাম হেরোইন, ৭ কেজি ৫২০ গ্রাম গাঁজা, ৩০০ বোতল ফেন্সিডিল ও ১৫ পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।

এদিকে সারাদেশে র‍্যাব-পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে এবং বন্দুকযুদ্ধে শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত মোট ৬৪ জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এগারো জেলায় বন্দুকযুদ্ধে পৌর কাউন্সিলরসহ নিহত ১১

ন্যাশনাল ডেস্ক: দেশের এগারোটি জেলায় মাদক বিরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ ১১ জন নিহত হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে বাগেরহাট, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, নোয়াখালী, চাঁদপুর, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, খুলনা, ঠাকুরগাঁও ও টেকনাফে এসব ঘটনা ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চোটে শঙ্কায় সালাহ-কারভাহালের বিশ্বকাপ!

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার আগে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে গুরুতর চোটে পড়লেন লিভারপুল ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহ। রিয়াল মাদ্রিদ অধিনায়ক সের্হিয়ো রামোসের টানে কাঁধে ব্যথা নিয়ে মাঠে পড়ে যান মিশরীয় ফরোয়ার্ড। অনেক চেষ্টা করেও আর মাঠে থাকতে পারেননি তিনি। কেঁদে ড্রেসিংরুমে ফিরতে হয়েছে তাকে।

এই মৌসুমে ৪৪ গোল করা সালাহ ছিলেন লিভারপুলের প্রাণভোমরা। কিয়েভে শনিবারের ফাইনালেও তিনিই ছিলেন ভরসা। অথচ মাত্র ৩০ মিনিট পরই তাকে মাঠ ছাড়তে হয় নির্মম এক ইনজুরিতে।

কিয়েভেও দারুণ পারফরম্যান্স করছিলেন সালাহ। কিন্তু আচমকা ইনজুরিতে বিদায় নিতে হয় প্রিমিয়ার লিগের গোল্ডেন বুট জয়ীকে।

২৫ মিনিটে স্পেনের ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে সামনে বল নিয়ে এগিয়ে যেতে চেয়েছিলেন সালাহ। কিন্তু রামোসের কঠিন চ্যালেঞ্জে আর পেরে ওঠেননি। তার হাত আটকা পড়ে রিয়াল অধিনায়কের হাতের মধ্যে। এরপর ভারসাম্য রক্ষা করতে পারেননি কেউ। দুজনেই মাটিতে পড়ে যান। কাঁধে হাত দিয়ে ব্যথায় কুঁকড়ে যান সালাহ। প্রায় ৫ মিনিট চেষ্টা করেও তার ব্যথা সারাতে পারেননি চিকিৎসকরা।

যেই রাতটা নিজের করে নেওয়ার কথা, সেই রাতে এমন ইনজুরিতে আবেগ লুকাতে পারেননি সালাহ। কেঁদে বুক ভাসিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। অ্যাডাম লালানা তার বদলি হয়ে মাঠে নামেন।

সালাহর ইনজুরির কয়েক মিনিট পর মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন রিয়ালের রাইট ব্যাক দানি কারভাহাল। হ্যামস্ট্রিংয়ের গুরুতর চোট নিয়ে স্পেনের জার্সিতে বিশ্বকাপ খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়ল তার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদে আবারো আফজাল-সুবর্ণা

বিনোদন ডেস্ক: দেশের টেলিভিশন নাটকের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি আফজাল হোসেন ও সুবর্ণা মুস্তাফা দীর্ঘদিন পর আবারো একসঙ্গে অভিনয় করলেন। আসছে ঈদের জন্য নির্মিত একটি বিশেষ নাটকে জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করেছেন তারা দু’জন। নাটকে নূরুল আলমের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফজাল হোসেন। আর সুবর্ণা মুস্তাফাকে দেখা যাবে মহিলা ঘটকের চরিত্রে। বদরুল আনাম সৌদের রচনা এবং আরিফ খানের পরিচালনায় নির্মিত এই নাটকটির নাম ‘নূরুল আলমের বিয়ে’। ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠানমালায় স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলায় ঈদের পরদিন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে নাটকটি।

নাটকে দেখা যাবে, নূরুল আলম দীর্ঘদিন ধরে বিপত্নিক। দুই ছেলে তার, দু’জনই থাকেন দেশের বাইরে। এর মাঝে কখনো কখনো নিজের একজন জীবনসঙ্গীর অভাব বোধ করলেও বয়সের কারণে কাউকে কখনো বলে উঠতে পারেননি কথাটা। আর বলবেনই বা কিভাবে? বয়স তো বেলাশেষে কম হলো না তার। কিন্তু এবার অস্ট্রেলিয়ার প্রবাসী ছেলে বেড়াতে এসে যাওয়ার সময় নূরুল আলমকে বলে বিয়ে করতে। মনে মনে অনেক খুশি হলেও অনেক অনিচ্ছা দেখায় বিয়ে করতে। তবে ছেলেকে বলে সে পুরো ব্যাপারটা ভেবে দেখবে।

ছেলে চলে যেতেই ঘটকের খোঁজ করেন নূরুল আলম। সেরা ঘটক চাই তার। কারণ নিজের জন্য যথাযথ স্ত্রী চান এবার। কেননা, আগের স্ত্রী বড়ই দজ্জাল ছিল। যতদিন বেঁচে ছিল জীবনটা তার জ্বালিয়ে পুড়িয়ে কয়লা করে দিয়েছিল। ঘটক আসে, মহিলা ঘটক। যদিও মহিলাকে একেবারেই পছন্দ হয় না নূরুল আলমের, কিন্তু কি আর করা? শহরের সেরা ঘটক বলে কথা। ঘটক জানতে চায় কেমন পাত্রী চাই নূরুল আলমের। নিজের কল্পনার সব রঙ মিশিয়ে পাত্রীর বর্ণনা দেন নূরুল আলম। খোঁজ শুরু হয় পাত্রীর। নূরুল আলম ও ঘটক একের পর এক কনে দেখে যায়, কিন্তু কোনোটাই পছন্দ হয় না নূরুল আলমের। কারো বয়স বেশি তো কারো কম। কেউ বেশি শান্ত কেউ আবার বড়ই মুখরা। এই পাত্রীর খোঁজে দিন পার করতে করতে এক সময় নূরুল আলম আবিষ্কার করেন, ঘটকেরই প্রেমে পড়ে গেছেন তিনি। কিন্তু সমস্যা হলো বলবেন কিভাবে? একে তো তার কল্পনার স্ত্রীর সঙ্গে কোনোই মিল নেই এই মহিলার, তার ওপর আবার ভীষণ দজ্জাল আর মুখরা। এমনকি তার প্রথম স্ত্রী, যে কি-না জীবনটা কয়লা করে দিয়েছিল তার, তার থেকেও ভয়ানক এই ঘটক মহিলা। নূরুল আলম বুঝে পান না কি করবেন তিনি, আর তার কপালটাই বা এমন কেন?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest