‘লিভ টুগেদার’ করছেন আলিয়া-রণবীর!

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড এখন নতুন করে সরগরম আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুরের প্রেমের খবরে। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে, তাদের প্রেমের গুঞ্জন। চলতি বছরে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির শুটিং সেট থেকেই নতুন এ লাভবার্ড জুটির ব্যক্তিগত রসায়ন শুরু। এখন আবার নতুন গুঞ্জন, তারা নাকি মাঝে মাঝে এক ছাদের নিচেও থাকছেন।

তবে আলিয়ার কথায়, সবকিছুই নিছক জল্পনা-কল্পনা। কোনো কিছুই সত্যি নয়। এমনকী, মহেশ ভাটের আদুরে কন্যা নাকি ভাট পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের আগেই জানিয়ে রেখেছেন, রণবীর কাপুরের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুধুই বন্ধুত্বের। সে নাকি শুধুই তার সহ-অভিনেতা। এর বেশি কিছু নয়। কিন্তু কোনটা সত্যি, কোনটা মিথ্যা জানা যাবে তাদের আপকামিং ছবি ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ মুক্তি পেলেই।

কিন্তু আলিয়া যতই লুকিয়ে রাখুক, বেশ কয়েকটি ঘটনার প্রেক্ষিতে রণবীরের সঙ্গে তার সম্পর্কের গভীরতা ইতিমধ্যেই মেপে ফেলেছেন অনেকে। তাদের ধারণা, দুই তারকার সম্পর্ক এভাবে আগালে কাপুর ও ভাট পরিবারের মধ্যে খুব শিগগিরই একটা বন্ধন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রথমত, বছর কয়েক আগে বলিউডের নামকরা পরিচালক ও প্রযোজক করণ জোহারের চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ’-এ হাজির হয়ে কফি খেতে খেতে আলিয়া বলেছিলেন, ‘রণবীর খুবই মিষ্টি। আই স্টিল ওয়ান্ট টু ম্যারি হিম।’ এছাড়া সে সময় রণবীরের ‘রকস্টার’ ছবিটি মুক্তি পেলে আলিয়া ফোন করে ব্যক্তিগতভাবে তাকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন।

দ্বিতীয়ত, গত বছর মুখার্জী বাড়ির দুর্গাপুজোতে আলিয়া-রণবীরকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। যেখানে তাদের সঙ্গে বন্ধু অয়ন মুখোপাধ্যায়ও ছিলেন। চলতি বছরের মার্চে আবার আলিয়ার জন্মদিন পালন করা হয় বুলগেরিয়ায়, ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির শুটিং সেটে। সেখানে পৌছে যান রণবীর কাপুরের মা নীতু কাপুর। ছিলেন রণবীরও। একসঙ্গে আলিয়ার জন্মদিন পালন করেন তারা।

শেষবার গত সপ্তাহে, কনিল কাপুর কন্যা সোনম কাপুরের বিয়ের রিসেপশন অনুষ্ঠানে একেবারে হাতে হাত রেখে হাজির হয়েছিলেন দুই তারকা আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুর। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সেখানে দুজনের বডি ল্যাঙ্গোয়েজ ছিল দেখার মতো! দুজনে পোজ দিয়ে অনেকগুলো ছবিও তুলেছিলেন সেখানে। তাছাড়া বর্তমানে রাত-বিরাতে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেও একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে তাদের।

তাছাড়া ছেলের বউ হিসেবে মহেশ ভাট কন্যা আলিয়াকে যে রণবীর কাপুরের মা নীতু কাপুরের খুব পছন্দ সেটা তিনি একাধিক বারই বুঝিয়েছেন। গত ১৩ মে বিশ্ব মা দিবসে টুইটার কমেন্টসের মাধ্যমে রণবীরের মায়ের সঙ্গে আলিয়ার ভাব বিনিময়েও সেটা আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাকিটা সময়ই বলে দেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের বোমারু বিমান মোতায়েন!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শনিবার দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জে বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে চীন। এই বিমানগুলো পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম। সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে এই বোমারু বিমানগুলো মোতায়েন করা হয়েছে।

চীনা বিমানবাহিনীর এক বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, শনিবার এইচ৬-কে মডেলের বিমানসহ কয়েকটি বোমারু বিমান দ্বীপগুলোর বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। শুধু তাই নয়, পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম বিমানগুলো সাগরে সামরিক মহড়া চালায়।

চীনা বিমানবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পিপলস লিবারেশন আর্মি এইচ৬-কে এর কয়েকটি বোমারু বিমান মহড়ার জন্য দ্বীপে অবতরণ করেছে। এইচ৬-কে পাইলটরা সেখানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। পশ্চিম প্রশান্ত সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে লড়াইয়ের কারণেই এই প্রশিক্ষণ।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি এবং সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে চীন। এই অঞ্চলকে নিজেদের বলে দাবি করে চীন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের দাবি এই অঞ্চল আন্তর্জাতিক সীমারেখার অন্তর্ভুক্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নানা সমস্যায় জর্জরিত শার্শা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি: চিকিৎসক স্বল্পতা, যন্ত্রপাতি অপ্রতুল, অপরিচ্ছন্নতা, রোগীদের ওষুধ না দেয়া ও সরকারি ওষুধ চোরাই পথে বিক্রিসহ নানা সঙ্কটে জর্জরিত শার্শার একমাত্র সরকারি বুরুজবাগান (নাভারন) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি।
জানা যায়, শার্শার ১১টি ইউনিয়নের প্রায় ৪ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার একমাত্র ভরসা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ১৯৬২ সালে নির্মিত হাসপাতালটি এখন শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলার মানুষের একমাত্র নির্ভরতার জায়গা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোনো সুযোগ-সুবিধাই বাড়েনি এ হাসপাতালে। লোকবল, যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা সামগ্রীসহ সবকিছু এখনও পুরনো ধাঁচের। হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় দুইশ রোগীর সমাগম ঘটে। গড়ে পাঁচ থেকে আটজন রোগী ভর্তি হন।
তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে মেডিকেল কর্মকর্তার পদ সংখ্যা ২২টি থাকলেও খাতা কলমে ৮ জন, কর্মরত আছেন ৩ জন। বাকিরা কেউ ছুটিতে কারো আবার ডে-অফ। ২০১৫ সালের ৩ মার্চ থেকে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও এখানে কোনো জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। বহির্বিভাগে টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও চিকিৎসক না থাকায় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।
হাসপাতালটিতে একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি প্রায় এক বছর যাবৎ নষ্ট। অপারেশন থিয়েটারের যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায় গরিব ও অসহায় রোগীদের বাধ্য হয়ে ৩৬ কিলোমিটার দূরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হয়। হাসপাতালে প্যাথলজি বিভাগ থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোগীদের বাইরের ক্লিনিকে পাঠানো হয়। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার মান দিন দিন নিম্নমানের হয়ে পড়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এখানকার রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ পান না। জরুরি বিভাগে সাধারণ চিকিৎসা দেয়া, রোগীদের অতি নিম্নমানের খাবার ও নোংরা বিছানা পরিবেশন করা হয়। শৌচাগারগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। সার্জারি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও অপারেশন থিয়েটার ও যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়েনি। হাসপাতালে নেই কোনো ডেন্টাল, গাইনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।
সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৮টায় অফিস শুরুর নিয়ম থাকলেও ডাক্তার আসেন সাড়ে ১০টায়। উপজেলার একমাত্র এ সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগীরা সকাল ৮টার সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও ১০টার আগে বহির্বিভাগে টিকিট দেয়া হয় না। অনেক সময় টিকিট সংগ্রহ করেও চিকিৎসকের দেখা পান না রোগীরা।
আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. এনাম উদ্দিন বলেন, জরুরি বিভাগে আমার কোনো ডিউটি করার কথা ছিল না। আসলে জরুরি বিভাগে কোনো মেডিকেল কর্মকর্তার ডিউটি করার নিয়ম নেই। আমরা যেটুকু করি তা অনুরোধক্রমে। সেখানে শুধু মাত্র একজন সহকারী মেডিকেল কর্মকর্তার ডিউটি করার নিয়ম আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অশোক কুমার সাহা জানান, হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় খাতা-কলমে উন্নীত হলেও কোনো জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। পর্যাপ্ত ডাক্তার ও জনবলের অভাবে আমরা জনগণকে তাদের চাহিদামত সেবা দিতে পারছি না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বান্ধবী মেগানের বিয়েতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

বিনোদন ডেস্ক: ব্রিটিশ রাজপরিবারের পুত্রবধূ হলেন মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কেল। সেন্ট জর্জেস চ্যাপেল গির্জায় শনিবার (১৯ মে) গ্রিনিচ সময় বেলা ১১টার দিকে হ্যারি-মেগানের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। আর বান্ধবীর এ বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন বলিউড ও হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

রাজকীয় ঢঙেই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে দেখা গেছে সুন্দরী প্রিয়াঙ্কাকে।

রাণী এলিজাবেথ, প্রিন্স চার্লস, প্রিন্স উইলিয়াম, কেড মিডলটনসহ রাজ পরিবারের সদসবৃন্দ, ৬০০ আমন্ত্রিত অতিথি ও আড়াই হাজারেরও বেশি সাধারণ মানুষ এ বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন।

প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন- আমেরিকান টক শো হোস্ট ওপরাহ্‌ ইউনফ্রে, অভিনেতা জর্জ ক্লুনি, ইদ্রিস এলবা, সেরেনা উইলিয়ামস, গায়ক জেমস ব্লান্ট। হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনি এবং তার স্ত্রী আমাল। ইদ্রিস এলবা এবং তার ফিঁয়ান্সে সাব্রিনা ধৌরি।

প্রিন্স হ্যারির দীর্ঘদিনের বন্ধু গায়ক জেমস ব্লান্ট এবং তার স্ত্রী সোফিয়া ওয়েলেসলি। প্রিন্স হ্যারির মামা ও প্রিন্সেস ডায়ানার ভাই আর্ল স্পেন্সার। সাথে তার স্ত্রী ক্যারেন। সাবেক ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহ্যাম এবং তার স্ত্রী ভিক্টোরিয়া প্রমুখ।

এনডিটিভি বলছে, বান্ধবী মেগানের বিয়েত যোগ দিতে একদিন আগেই লল্ডনে পৌঁছেছিলেন কোয়ান্টিকো তারকা প্রিয়াঙ্কা। সেসব ছবিও এরই মধ্যে টুইটারে প্রকাশ করেছেন তিনি।

৪ বছর আগে কানাডার এক পার্টিতে মেগানের সঙ্গে পরিচয় সাবেক বিশ্ব সুন্দরী প্রিয়াঙ্কার। সেখান থেকে ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব। সেই সূত্রেই ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিয়েতে হাজির তিনি।

এর আগে মেগানের জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভ কামনা জানিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা।

বান্ধবীর বিয়ে নিয়ে ভীষণ আগ্রহের কথা জানিয়ে গত মাসেই পিপল ম্যাগাজিনে প্রিয়াংকা বলেছিলেন, এই বিয়েটা শুধু হ্যারি-মেগানের জন্যই নয়; বরং বিশ্বের মানুষর কাছে মেগান এর মধ্য দিয়ে নারী হিসেবে একটি প্রেরণা হয়ে থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাকিবের সানরাইজার্সকে হারিয়ে প্লে অফে উঠল কলকাতা

স্পোর্টস ডেস্ক: সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে জিতলে প্লে অফ নিশ্চিত। হারলে ভাগ্য সঁপে দিতে হবে অন্য দলের কাছে। এই সমীকরণ নিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স পরের ওপর নির্ভর করে থাকেনি। হায়দরাবাদে আজ সাকিব আল হাসানদের ৫ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফ নিশ্চিত করেছে দিনেশ কার্তিকের দল।

আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বেশ ভালো সংগ্রহই পেয়েছিল সানরাইজার্স। শিখর ধাওয়ানের ৩৯ বলে ৫০ রানের সুবাদে ৯ উইকেটে ১৭২ রান তুলেছিল কেন উইলিয়ামসনের দল। তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন কলকাতার দুই ওপেনার সুনীল নারাইন ও ক্রিস লিন। প্রথম দুই ওভারেই ৩০ রান তুলে ফেলেন দুজন। এর মধ্যে সন্দীপ শর্মার করা দ্বিতীয় ওভার থেকেই ২০ রান তুলেছেন তাঁরা। চতুর্থ ওভারে সাকিবের শিকার হওয়ার আগে ১০ বলে ২৯ রান করেন নারাইন। তাঁদের ওপেনিং জুটিতে এসেছে ২২ বলে ৫২ রান।

দ্বিতীয় উইকেটে লিনের সঙ্গে রবীন উথাপ্পার ৬৭ রানের জুটি জয়ের সুবাস পাইয়ে দেয় কলকাতাকে। ১৪তম ওভারে লিনকে তুলে নেন সিদ্ধার্থ কাউল। ৪৩ বলে ৫৫ রান করেন লিন। জয়ের জন্য শেষ ৬ ওভারে ৫২ রান দরকার ছিল কলকাতার। উথাপ্পা ও দিনেশ কার্তিকের জুটি ১৭তম ওভার পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। ১৬.৩ ওভারে উথাপ্পাকে তুলে নেন কার্লোস ব্রাফেট। ফেরার আগে ৩৪ বলে ৪৫ রান করেন উথাপ্পা।

কলকাতা অধিনায়ক কার্তিক দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন। ১৮তম ওভারে আন্দ্রে রাসেল (৪) ফিরে গেলেও কার্তিক খেলেছেন তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে। বলের চেয়ে রানের সংখ্যা বাড়তে দেননি। শেষ ১৮ বলে ১৮ রান দরকার ছিল কলকাতার। এখান থেকে শেষ ১২ বলে লক্ষ্যটা নেমে এসেছে ১০ রানে এবং শেষ ওভারে তা ৫ রানে নেমে এসেছে। ২ বল হাতে রেখেই দলকে ৫ উইকেটের জয় এনে দেন কার্তিক। ২২ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ১৪ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে কলকাতা।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নামা সানরাইজার্সের হয়ে দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন ধাওয়ান ও শ্রীভাত গোস্বামী। ৮.৪ ওভারে গোস্বামী (৩৪) আউট হওয়ার আগে ওপেনিং জুটিতে এসেছে ৭৯ রান। ৩৬ রান করেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন। সাকিব শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেননি। ২ বাউন্ডারিতে ৭ বলে ১০ রান করে ফিরেছেন বাংলাদেশের এই তারকা অলরাউন্ডার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিমের বিকল্প হতে পারে যে ৫ খাবার

স্বাস্থ্য ডেস্ক: প্রোটিন সুপারফুড বলতেই আমরা বুঝি ডিম। ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার না থাকলেও নিউট্রিশনিস্টরা জানাচ্ছেন আরও এমন অনেক খাবার রয়েছে যাতে প্রোটিনের পরিমাণ ডিমের থেকেও বেশি । জেনে নিন এমনই ৫ খাবারের কথা-

১। মাত্র আধ কাপ রান্না করা চিকেনে প্রোটিনের পরিমাণ ২২ গ্রাম। যা ডিমের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

২। সবচেয়ে সস্তা প্রাণীজ প্রোটিনের উৎস পনির। মাত্র ৪ গ্রাম পনিরেই প্রোটিনের পরিমাণ ১০ গ্রাম ।

৩। মাত্র এক আউন্স মোজারেলা বা শেডার চিজে রয়েছে ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন।

৪। প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন কে, সি, ফাইবারের পাশাপাশি এক কাপ ব্রকোলিতে প্রোটিন রয়েছে ৩ গ্রাম।

৫। উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের সবচেয়ে ভাল উত্স বিনস। আধ কাপ সিদ্ধ বিনসে রয়েছে ৭.৩ গ্রাম প্রোটিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সায়েম ফেরদৌস মিতুল ৫ কবিতা

সায়েম ফেরদৌস মিতুল ৫ কবিতা

নন্দনব্রত

কানা-গলির মেয়েরা কানা কি না দেখা হয়নি তো, মা
ধুলোখেলার ছলে যা দিয়েছ তা তো অনুৎসবের পাঁতাবাাঁশি
ধরলেও না ধরালেও না, বাজাতেও শেখালে না
রুপনন্দনে জমলে আর্শিবাদ কে করবে তোমার কচ্ছ মুক্ত

শুনেছি বেলারুসে সূর্যোদয় দেখলে পর চোখ শাস্ত্রের উন্নতি হয় আর
বেহিসেবিরা কুমিরসঙ্গবাসে করে পথের শিলান্যাশ
তালো মা রুপ দক্ষ তালুতেই তোলো বন-তুলসি, বেঘোরে না ঘুমিয়ে করক্ষেপে
মুক্তো ফলাও, তোমার দ্বারে পা বুনে আমিও শিখি উরুস্বর্ণ-ঠোঁটের মধু
কলালক্ষীর নাভী খাজে দিতে শিখি বর্ণ-প্রলেপ মা’গো

তবুও যদি দেবেই
শরীর দিলে দাও ভূষণশিল্প জল দিলে দাও জলকন্যা, ওঠাতে দাও সিংহ ভূমে
কোলজে ভরে বিলাস ফসল, নইলে কিন্তু যষ্ণবরাত নিকুচি করে আমি মা মরু গড়বো
রোদে রোদে, বালিতে বালিতে, রোদবালিতে রোদবালিতে…।

 

আবেদন

মাননীয়া উত্তরা…
দক্ষিণা দিতে এসে ফিরতে হবে, দেবী
পা-এতে ফেনা উঠে গেল অথচ এমন করে দিতেন আর্শিবাদ
এমন করে চুলের ভিতর বিলিকাটা মাথায় রাখা হাত
এমন করে মন্ত্র করে দিতেন জপে আর অমনি হতেম কবি থেকে পুরুষ
ভালোবাসার রামধনু আর খুলে ছিলেন ধনুক থেকে তীরের যত ফলা
শিখিয়ে ছিলেন যজ্ঞ শেষে উতলে ওঠে বর্ণমালা তাদের ছলাকলা
লাগিয়ে দিলেন সমস্ত গায় দূর্বা রঙের সবুজ
তাইতে আমি শিশুর চেয়ে সরল, লোকালয়ে আমিই বোকা, আমি কেবল অবুঝ

কেন তবে ফিরতে হবে, দেবী
লগ্ন শুরুর ভূমিই তো শেকড়ে গেছে পুতে
ঘুরছে কেবল বিষ বিহীন চ্যালা, আমার সকল জঙ্ঘা ফুঁড়ে কেবলই কাঞ্চন
সাতমনিহার, দুধ মাখা চাঁদ, সর খাওয়ার বেলা
এমন পাতের বাড়া থালা ঠেঁলে দিবেন বলেন
আয় দেবী আয় টিটি টিটি, স্বর্গ গড়ি চলেন…..।

 

ভূত

এসেই চলে গেল
কয়েক লক্ষ পদ্ম ফুটিয়ে সর্ষের ভেতর দিয়ে চলে গেল ভূত, বললো যাই
আর অমনি ভিন্ন ছায়াপথ থেকে খসে পড়লো ছত্রিশখানা তারা, তা থেকে একটির বীজ সংগ্রহ করে বাঁকল ছাড়ানো দেহে রুয়ে দিতেই চোখ ভরে দেখলাম দুরে কেউকারাডঙের চুড়োয় বহুদিনের ফেলে আসা বৃক্ষীটি হয়েছে স্তনবতী
অমরাবতী..
বিশ^াস করো আমি তার দুধ পান করিনি একটুও, আমি তার দীর্ঘিকারের মতো অতলে চুবিয়ে ধরিনি কোন শুড়, শুধু বাঁকল ছাড়ানো দেহটির লেবুঠোঁট চক্ষুআষ্টে আর তন্তুচুল জমিয়েছি, ভেবেছি অঞ্জলী দেবো তাই
অমনি সারা গায়ে নৈশ মেখে স্বপ্নের ঝোলের ভেতর নাভি রেখে চলেগেল
বললো যাই…।

 

বুলড্রেজার প্রীতি

ভাঙারও একটা শিল্প আছে
যাপিত জীবনে ঠেস দিয়ে বুঝেছি কেবল নির্মান নয়, কেবল আঙুলের উত্তাপে
বীজ জড়ো করলেই বা´বন্দি হয় না অমৃতের দৈত্য
অমরাবতী…
বুলড্রেজার প্রীতিই জম্ম রসায়ন, ভাঙতে ভাঙতে অলক্ষে গড়ে তুললে প্রতœজীব তার প্রতিবিম্বে বৃক্ষলগ্ন হয় গুল্মেরা, সেই সব বৃক্ষের সবুজাভ ছায়া নিয়ে পাখিরা গড়ে সমবায়ী জীবন, শে^তকুষ্ঠহীন ধোয়ামুখ গুলো ত্বক ভরে পান করে ঋতুরন্ধ্রের বাতাস, ঠিক ঐ সময়ই কবিদের পিঠের খোলায় জমা হয় হলুদ ঘিলু তা কি চেঁখে দেখেছে স্তন্যপায়ী মানুষেরা
অথচ ধ্বংস বলছো কেন ধ্বংসতো হয় না কিছুই
পৃথিবীর মুদিতপদ্মচোখে সবিতো নিষ্ঠার চুম্বন, অবশেষে মিলে যায় সকল গানিতিক ফল অবিরল, কেবল ভাঙলেই প্রসারিত হয় শিল্পের দরজা..।

ষোলোই ই জুলাই বিড়ম্বনা

মাত্র এই একটিই, এই এত এত তীর এত তীরন্দাজ এত পাহাড় এত পাহারাবাজ
এত যে সকল শরীর বর্মখানি খুলে দাড়িয়ে অর্চনা শেষে মহাশূন্যে ভেসে বেড়ানো আত্মারেণুর মতো কেবল বৃষ্টিগাছ ও জম্মপত্র হাতে অসংখ্য মহামানব
কেবল পৃথিবীর বার্ষিক গতিতে ষোলোই জুলাই-ই যেন নেই

জগৎভূমে মাংসকণাহীন যত দিন ষোলোই জুলাই যেন তথাধীন
দুর ছাই কেবল ভুলে যাই আর সব মনে পড়ে আর সব মনে থাকে
পুরাতত্ত্ব- প্রতœজীব- প্লটো বিষয়ক পরিকল্পিত পোদ পাকামি- তারকা ও তারকেশ^র-
শুখ আগুন শুভ ছাই- ধোঁয়াদ্বীপে হঠাৎ নবীন অপ্সরা- করতল ভর্তি শঙ্খসরীসৃপ- রাতভোর বীজানু বপন, সব মনে পড়ে সব মনে থাকে
পিতা ও পিতামহের মৃত্যু- পুরোনো চিঠির খামে শুয়োপোকা- প্রেমিকার হাড়- সম্পর্কের সুতো- মানুষের মাধ্যাকর্ষন- আড্ডার টেবিল- সাতই মার্চ- নুর হোসেন- জায়েদাবাদ-কানসাট-আগুন খেয়ে বড় হওয়ার দিন- তা তা ধীন, সব মনে পড়ে সব মনে থাকে

কেবল জখমের মুখ ফেটে অদ্ভুত কষ, প্লেটোর সুদর্শন রাষ্ট্রে আর এক ঝনঝাট
কর্কট আক্রান্ত ষোলোই জুলাই আমার জম্মদিন
মনে থাকেনা, মনে থাকে না, মনে থাকে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের সীমান্ত থেকে তাড়াতে মিয়ানমারের মাইকিং

মিয়ানমার তার সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের তাড়াতে নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে। ওই দেশটির তথ্য কমিটি গত বুধবার তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে সরাসরি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শূন্যরেখায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বসতি স্থাপনে সহযোগিতার অভিযোগ এনেছে।

অন্যদিকে রোহিঙ্গাদের সরে যেতে গতকাল শনিবার সীমান্তে নতুন করে মাইকিং শুরু করেছে। সেখানে রোহিঙ্গাদের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি গালাগাল করা হচ্ছে।

মিয়ানমারের তথ্য কমিটি ফেসবুকে এক বিবৃতিতে বলেছে, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের মিয়ানমার অংশে রোহিঙ্গাদের অবৈধ বসতি স্থাপনে সহযোগিতা করছে। এটি মিয়ানমারের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর চরম আঘাত। এটি অনতিবিলম্বে বন্ধ হতে হবে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উত্থাপনে আগ্রহীদের সুরক্ষা দেওয়া হবে।

রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ এড়িয়ে মিয়ানমারের তথ্য কমিটি বলেছে, রোহিঙ্গা জঙ্গি সংগঠন আরসা রাখাইনে বেসামরিক ব্যক্তিদের ওপর নৃশংসতা চালিয়েছে। এ জন্য তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

বাংলাদেশ আরসা জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে দাবি করে মিয়ানমারের তথ্য কমিটি উদ্বেগ প্রকাশ করে।

ওই কমিটি আরো দাবি করেছে, আরসা ইতিমধ্যে বাংলাদেশে আশ্রয়শিবিরে জায়গা করে নিয়েছে। তারা এ দেশে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ ছড়াবে।

মিয়ানমারের তথ্য কমিটি আরো বলেছে, আশ্রিত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরতে চাইলে তাদের অবশ্যই নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ‘ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড’ নিতে হবে।

এদিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু অংশের শূন্যরেখায় (নো ম্যানস ল্যান্ড) অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের সরে যেতে গতকাল শনিবার থেকে নতুন করে মাইকিং শুরু করেছে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)। বিজিপি সদস্যরা মাইকে রোহিঙ্গাদের উদ্দেশ্য করে গালাগালও করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব কারণে সীমান্তের শূন্যরেখাসংলগ্ন এলাকায় আবারও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সেখানে অবস্থানরত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, গতকাল শনিবার সকাল থেকে সীমান্তে আবারও মিয়ানমারের সেনা এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি সদস্যদের আনাগোনা বেড়েছে। মিয়ানমার সীমান্তের সড়কে সেনাবোঝাই যানবাহনের টহলও বাড়ানো হয়েছে। সীমান্ত সড়কের পাশের উঁচু পাহাড়গুলোতেও মিয়ানমারের সশস্ত্র সেনা এবং বিজিপি সদস্যদের আনাগোনা দেখেছে তারা।

শূন্যরেখা থেকে রোহিঙ্গা নেতা নুরুল আমিন গতকাল বিকেলে বলেন, ‘গত মার্চের প্রথম সপ্তাহের পর এত দিন ধরে শূন্যরেখায় আমরা বেশ নিরাপদে ছিলাম। কিন্তু আজ (গতকাল) শনিবার সকাল থেকে আকস্মিক মিয়নামার বাহিনী আবারও সীমান্তের দিকে আসা শুরু করেছে। ’

তুমব্রু সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দা আবু বকর জানান, তুমব্রু সীমান্তের পাহাড়ি ঢল থেকে রক্ষায় শূন্যরেখার রোহিঙ্গাদের নতুন করে ঘরবাড়ি তৈরি করে দিচ্ছে এনজিওরা। বিজিপি সদস্যরা এতে বাধা দিচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বকর বলেন, মাইকিং করে শূন্যরেখা থেকে রোহিঙ্গাদের সরে যেতে বলছে বারবার। এতে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে চলে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। সেই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কক্সবাজারের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান জানান, সীমান্তে বিজিপি মাইকিং করলেও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা সতর্কাবস্থায় রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমার বাহিনীর নির্মমতার মুখে রাখাইনের মংডুর বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার রোহিঙ্গারা তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় আশ্রয় নেয়। সেখানে প্রায় পাঁচ হাজার রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এসব রোহিঙ্গাদের শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে দিতে গত মার্চের প্রথম সপ্তাহে মিয়ানমারের সেনা ও বিজিপি সদস্যরা সীমান্তে অবস্থান নিয়েছিল। পরে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠকের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest