সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শুভেচ্ছাদেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলনদেবহাটায় কৃষকদের মাঝে অপসিজন তরমুজ বীজ বিতরণঅস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের তিন ডাকাত আটকনবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর গ্রেপ্তার

ন্যাশনাল ডেস্ক: মঙ্গলবার দিনগত রাতে কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি। মামলাটি দায়ের করেছেন আরেক জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শফিক তুহিন।

মঙ্গলবার দিনগত রাত দেড়টায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএস) মোল্যা নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী শফিক তুহিনের দায়ের করা তেজগাঁও থানার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা নম্বর ১৪। আসিফ আকবরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। সোমবার সন্ধ্যায় (৪ জুন) দায়ের করা এ মামলায় আসিফ আকবর ছাড়াও আরো ৪/৫ জন অজ্ঞাত আসামি রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

শফিক তুহিন এজাহারে অভিযোগ করেছেন, গত ১ জুন আনুমানিক রাত ৯টার দিকে চ্যানেল ২৪-এর সার্চ লাইট নামের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসিফ আকবর তার অনুমতি ছাড়াই তার সংগীতকর্মসহ অন্যান্য গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের ৬১৭টি গান সবার অজান্তে বিক্রি করেছে। পরে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, আসিফ আকবর আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে অন মোবাইল প্রা. লি. কনটেন্ট প্রোভাইডার, নেক্সনেট লি. গাক মিডিয়া বাংলাদেশ লি. ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে ট্রু-টিউন, ওয়াপ-২, রিংটোন, পিআরবিটি, ফুলট্রেক, ওয়াল পেপার, অ্যানিমেশন, থ্রি-জি কন্টেন্ট ইত্যাদি হিসেবে বাণিজ্যিক ব্যবহার করে অসাধুভাবে ও প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছে।

ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গত ২ জুন রাত ২টা ২২ মিনিটে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অনুমোদন ছাড়া গান বিক্রির এই ঘটনা উল্লেখ করে একটি পোস্ট দেন। তার ওই পোস্টের নিচে আসিফ আকবর নিজের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ‘অশালীন’ মন্তব্য ও হুমকি দেন। পরের দিন রাতে ফেসবুক পেজে লাইভে আসেন। ৫৪ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড লাইভ ভিডিওর ২২ মিনিট থেকে তার বিরুদ্ধে অবমাননাকর, অশালীন ও মিথ্যা-বানোয়াট বক্তব্য দেন। ভিডিওতে আসিফ আকবর তাকে (শফিক তুহিন) শায়েস্তা করবেন এ কথা বলার পাশাপাশি ভক্তদের উদ্দেশে বলেন, তাকে যেখানেই পাবেন সেখানেই প্রতিহত করবেন।

এই নির্দেশনা পেয়ে আসিফ আকবরের ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। আসিফ আকবরের এই বক্তব্য লাখ লাখ মানুষ দেখেছে। তিনি উসকানি দিয়েছেন। এতে তার (শফিক তুহিন) মানহানি হয়েছে এবং তিনি আতংকিত ছিলেন। যা শফিক তুহিন তার ফেসবুকের মাধ্যমেও সকলকে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের ঈদের বাজার ভারতীয় পোশাকে সয়লাব

ন্যাশনাল ডেস্ক: ঈদকে সামনে রেখে নতুন নতুন পোশাক বাজারে নিয়ে আসে দেশের ফ্যাশন হাউজগুলো। সারাবছরে বিভিন্ন উৎসবকে ঘিরে ব্যবসা চললেও, এই সময়টাকে লক্ষ্য করেই চলে তাদের মূল আয়োজন। কিন্তু ফ্যাশন উদ্যোক্তারা বলছেন, যেখানে ঈদের সময় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা চলে, সেখানে দেশীয় পোশাক থেকে আসে মাত্র চার হাজার কোটি টাকা। বাকি পুরোটাই চলে ভারতীয় এবং পাকিস্তানী পোশাকের আধিপত্য।

সেখানে কেন জায়গা করতে পারছে না দেশীয় পোশাক?

বনানী চেয়ারম্যান বাড়ী এলাকার বাসিন্দা অ্যানি। কি ধরনের কাপড় কিনছেন জানতে চাইলে তিনি বলছিলেন, পোশাকের জন্য তার প্রধান পছন্দ ভারতীয় কিংবা পাকিস্তানি কাপড়।

“আমি যেহেতু কটন নেবো, ভারতীয় থ্রি-পিসই খুঁজছি। বনানী সুপারমার্কেটে কটনের ভালো থ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে। ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানী কিনে বানিয়ে নেবো। দেশীয় বলতে আড়ং এ আসলে দেশীয় ভালো পাওয়া যায়। আর তো দেশীয় আমি খুব একটা ভালো দেখতে পাইনা।”

কিন্তু গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে অনেক ফ্যাশন হাউজ। উদ্যোক্তারা বলছেন, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ফ্যাশন হাউজের সংখ্যা ৫০ হাজারের বেশি। বড় বড় উৎসবকে সামনে রেখে সেসব ফ্যাশন হাউজ দেশের ডিজাইনারদের তৈরি নতুন নতুন ধরনের নকশার পোশাক নিয়ে আসে। যেমনটা এবারও ঈদকে সামনে রেখে এসেছে।

দেশীয় ফ্যাশন হাউজে কিনতে আসা ক্রেতাদের কথায় উঠে আসে সাধারণত্ব এবং আরামবোধের বিষয়টি। কিন্তু অনেক ক্রেতার কাছে পোশাক বাছাইয়ে এরচেয়ে বড় বিবেচ্য-পোশাকের চাকচিক্য ও নকশা। ফলে তাদের কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে বিদেশী কাপড়ের পোশাক।

তাদের কথা বিবেচনায় দোকানগুলোতের বিদেশী পোশাকের পসরা। রাজধানীর সানরাইজ প্লাজার কয়েকজন বিক্রেতা জানাচ্ছেন, তাদের শো-রুমে দেশীয় কোনও কাপড় নেই, সব ভারতীয়।

বসুন্ধরা সিটি, বনানী সুপার মার্কেট কিংবা পিংক সিটি সহ অনেক মার্কেটের বহু দোকান এখন ভারতীয় ড্রেসে সয়লাব। এরপরেই আছে পাকিস্তানের কাপড়। তাছাড়া চাইনিজ কাপড়ও বিক্রি কচ্ছে।

কয়েকজন ক্রেতা বলছিলেন, দেশীয় বুটিকের কাপড় তুলনামূলক ‘সিম্পল’ বলে মনে হয় তাদের কাছে যা তাদের ভাষায় ততটা ‘গর্জিয়াস’ নয়।

যদিও বাংলা বর্ষবরণ, কিংবা একুশে ফেব্রুয়ারি ইত্যাদিকে সামনে রেখে দেশীয় কাপড় বা পোশাকের বাজারটি বেশ জমে ওঠে, কিন্তু ব্যবসায়ীদের প্রধান টার্গেট থাকে মূলত ঈদ উল ফিতরকে ঘিরে। সেখানে ভারতীয় বা পাকিস্তানী কাপড়ের প্রতি এই আগ্রহ দেশের বুটিক শিল্পকে হুমকির মুখে ফেলছে, বলছেন বুটিক হাউজ বিবিয়ানার সত্ত্বাধিকারী ও ডিজাইনার লিপি খন্দকার।
“আমরা যেভাবে ডিজাইন করে যাচ্ছি সেগুলো দিয়েই কিন্তু তিনবছর আগে ভালো ব্যবসা করে গেছি। কিন্তু তখন কেন করতে পেরেছি? কারণ তখন এই মার্কেট এত ওপেন ছিলো না। প্রতিযোগিতা যত বাড়ছে আমরা ডিজাইন নিয়ে তত কাজ করছি। আসলে মার্কেটটা এখন এত ওপেন হয়ে গেছে, এমনকি ওইসব দেশ থেকে বিশেষ করে ইন্ডিয়া থেকে লোকজন এসে হোটেল ভাড়া করে পুরোদমে বিজনেস করে, এই সিজনটাতে কাজে লাগিয়ে তারা চলে যাচ্ছে।”

তিনি বলেন, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ফ্যাশন হাউজের সংখ্যা ৫০ হাজারের বেশি। লিপি খন্দকার আরও বলেন, “ভারত থেকে এই পণ্যগুলো যদি যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আসে, তাহলে কিন্তু দামের বিষয়টা আমাদের সাথে প্রতিযোগিতায় আসবে না।”

বাংলাদেশের ফ্যাশন হাউজগুলোর সংগঠন ফ্যাশন উদ্যোগের এক জরিপের তথ্য অনুসারে ঈদকে কেন্দ্র করে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হয়। সেখানে দেশের বুটিক হাউজগুলোর ব্যবসা মাত্র চার হাজার কোটি টাকার মতো। তার মানে বাকিটা বিদেশের কাপড় আর পোশাকের দখলে।

কিন্তু দেশের ফ্যাশন হাউজগুলো কেন পিছিয়ে? এর কারণ পোশাকের মান নাকি ডিজাইনের অভাব?

এ প্রসঙ্গে ফ্যাশন হাউজ বিশ্বরঙ এর সত্ত্বাধিকারী ও ডিজাইনাররা বিপ্লব সাহা বলেন, “যে কাপড়গুলোর সাথে আমাদের কাপড়ের তুলনা করা হয় আসলে আমাদের নিজস্ব ধরণ থাকে, আমরা রিসার্চমূলক কাজ করি। আমরা চাইলেই তো ইন্ডিয়ান নেটের কাপড় বানাবো না।এখন কথা হচ্ছে যদি বাংলাদেশের আরও ৭/৮টা উৎসব দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তাহলে ঈদেকেন পারবে না? ঈদ কি ভিনদেশী উৎসব?”

তিনি বলেন, “অজস্র কাপড় যেগুলো কর ফাঁকি দিয়ে দেশে ঢুকছে। কেউ জানেনা, কারো অগোচরে ঢুকছে তাতো না। দায়িত্ব আসলে সরকারের-এটা দেশে কতটা দেশী কাপড় বিক্রি হবে, কতটা বিদেশী কাপড় বিক্রি হবে সেটা দেখার দায়িত্ব সরকারে।”
তিনি আরও বলেন, ”স্যাটেলাইটের যুগে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই টিভি-সিনেমা দেখে চাইছে ভিনদেশী কাপড়ে সাজতে। এটা ব্রেইনওয়াশ হওয়ার মতো।”

বিপ্লব সাহা মনে করেন, বিদেশী পোশাকের সাথে পাল্লা দিয়ে নিত্য নতুন ডিজাইন তারাও আনছেন কিন্তু দেশীয় কাপড়ের স্বকীয়তা বজায় রেখে। সেখানে আপোষ করতে চান না তারা।

কিন্তু বিদেশী পোশাক বাংলাদেশের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা প্রসঙ্গে বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতাদের চাহিদা থাকায় তারা ভারতীয় বা পাকিস্তানী পোশাক আনছেন। ক্রেতারা বিভিন্ন অনলাইন এবং টেলিভিশন দেখে এসবের খোজ করছেন। আর দেশের ডিজাইনাররা বলছেন, ডিজাইন বা কাপড়ের মানের চেয়েও এখানে তারা মুখ্য মনে করছেন ক্রেতাদের মানসিকতাকে। যেভাবে দেশের দোকানগুলোতে দেদারসে অন্য দেশের পোশাক বিক্রি হচ্ছে সেখানে তারা অনেকটাই অসহায় বোধ করছেন- যেখানে তদারকির কেউ নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামী মাসেই ছেলের বিয়ে দিচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তী
বিনোদন ডেস্ক: টলিউড ও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলে মিমো চক্রবর্তী আগামী মাসে সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন। দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী মাদলসা শর্মার সঙ্গে বিয়ে হচ্ছে মিমোর।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ৭ জুলাই উটির হোটেল দ্য মোনার্কে মিমো ও মাদলসা একে অপরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন। মিমো ও মাদলসার বাগদান গত মার্চে হয়েছিল। জানা গেছে, এই বাগদান অনুষ্ঠানে পরিবারের খুবই ঘনিষ্ঠ কয়েকজন হাজির ছিলেন। বাগদান অনুষ্ঠান হয়েছিল মুম্বইয়ের মধ আইল্যান্ডে।
মাদলসা পরিচালক ও প্রযোজক সুভাষ শর্মার মেয়ে। মাদলাসার মা ১৯৮৮-তে বিআর চোপড়ার মহাভারত-এ দেবকীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। মাদলসা ২০০৯-এ তেলগু সিনেমা ফিটিং-এর মাধ্যমে সিনে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। এছাড়াও কন্নড় সিনেমাতেও কাজ করেছেন মাদলসা। মিমো ও মাদলসার বিয়েতে বলিউডের বেশ কয়েকজন বড় তারকা উপস্থিত থাকতে পারেন বলে খবর।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে চাপ দিন-প্রধানমন্ত্রী

ন্যাশনাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের উপর চাপ অব্যাহত রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উপর তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব সম্প্রদায়কে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের উপর চাপ অব্যাহত রাখতে হবে।’

মঙ্গলবার (৫ জুন) ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটির (আইআরসি) প্রেসিডেন্ট ও সিইও ডেভিড মিলিব্যান্ড প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার জাতীয় সংসদ কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে শেখ হাসিনা এ আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও আইআরসি প্রধানের মধ্যে মূলতঃ রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করছে। তিনি মিলিব্যান্ডকে জানান, যে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় মানুষ দুর্ভোগের শিকার হয়েছে এবং এতে পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিরাপদ স্থানে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হচ্ছে এবং তাদের স্থানান্তরের লক্ষ্যে ভাষাণচর নামের একটি দ্বীপের উন্নয়ন কাজ চলছে।’

আইআরসি প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীকে জানান যে, ‘রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখতে তিনি একটি টিম নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন।’

ব্রিটিশ লেবার পার্টির রাজনীতিক মিলিব্যান্ড ১১ লাখ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় বিষয়ে বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দেয়া হচ্ছে তাৎপর্যপূর্ণ এক মানবিক দৃষ্টান্ত এবং যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি একটি সংকেত।’

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সাহায্যে আইআরসি’র একটি টিম বাংলাদেশে কাজ করছে এবং তাদের এই সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এই কার্যক্রমে আমরা বাংলাদেশ থেকে ১শ’ স্টাফ নিয়োগ করবো।’

‘আসন্ন বর্ষায় ভূমিধস হবে রোহিঙ্গাদের জন্য প্রধান সমস্যা’ এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী ও আইআরসি প্রধান।

মিলিব্যান্ড রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী ও মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৩৩ সালে আলবার্ট আইনস্টাইনের অনুরোধে প্রতিষ্ঠিত আইআরসি শরণার্থী এবং যুদ্ধ, নিপীড়ন বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাস্তুচ্যুতদের সহায়তায় কাজ করছে। সংস্থা বর্তমানে শরণার্থীদের পুনর্বাসন ও আত্মনির্ভরশীল করতে ৪০টিরও বেশি দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ২৮টি সিটিতে কাজ করছে। সূত্র: বাসস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো আফগানিস্তান

খেলার খবর: আফগান ক্রিকেটাররা এখনও টেস্ট খেলার স্বাদ পাননি। চলতি জুনে ভারতের বিপক্ষে তাদের ঐতিহাসিক অভিষেক টেস্ট। সাদা পোশাকের ক্রিকেট খেলার আগেই টেস্ট খেলুড়ে দলকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন রশিদ খানরা। সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিলো আফগানিস্তান।

শুধু বাংলাদেশ নয়। এর আগে টেস্ট খেলুড়ে দল জিম্বাবুয়েকেও দুই দফায় টি-টোয়েন্টি সিরিজে পরাজিত করে এই আফগানরা। ২০১৬ সালে প্রথমবার ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফর্মেটে জিম্বাবুয়েকে সিরিজে হারায়, চলতি বছরে ফের জিম্বাবুয়েকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে পরাজিত করে রশিদ খানরা।

টেস্ট খেলুড়ে দলের বাইরে স্টকল্যান্ডকেও সিরিজে পরাজিত করে আফগানিস্তান। মঙ্গলবারের জয়ে প্রথমবারে মতো বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে পরাজিত করল মোহাম্মদ নবীরা।

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে টানা দুই ম্যাচে জিতে ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে আফগানিস্তান। প্রথম ম্যাচে ১৬৭ রান করে ৪৫ রানের জয় পায় আফগানরা। মঙ্গলবার দ্বিতীয় ম্যাচে ১৩৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করে ৭ বল আগেই ৬ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা। মঙ্গলবার ভারতের দেরাদুনের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৩৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ দল। সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন ওপেনার তামিম ইকবাল। এছাড়া ২২ রান করেন মুশফিকুর রহিম। ১৪ বলে ২১ রান করেন আবু হায়দার রনি।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৭ বল হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করে আফগানিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৯ রান করেন সামিউল্লাহ সেনোয়ারি। শেষ দিকে মাত্র ১৫ বলে ৩১ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী।

বাংলাদেশ দলের হয়ে তিন ওভারে ২১ রানের খরচায় ২ উইকেট নেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন আবু হায়দার রনি ও রুবেল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নায়িকা আসে, নায়িকা যায়…

বিনোদন ডেস্ক: বেশ কয়েক বছর ধরে এই ধারাই চলছে। না আছে কারো এক্সপ্রেশন, না আছে কারো অভিনেত্রী হবার চেষ্টা। শুধুই, “আয়িং যাইং করেনগা, ভুটান ফুটান নাইংগা”…। হালে এক পেইজে হবু এক নায়িকার গুণকীর্তন চোখে পড়ায় খুব আগ্রহ নিয়ে তাকে দেখে ওই পেইজই আনফলো করে দিছি।

এতোসব হতাশার মধ্যে “পূজা” আশাজাগানিয়া। আমার কেন জানি মনে হয় সে এলো-গেলোর মধ্যে থাকবে না, টিকে থাকবে…। তবে এক “পূজা”কে দিয়ে তো ইন্ডাস্ট্রি চলবে না। আরো অন্তত এক/দুই’জন লাগবে। এই বছরেই অন্তত আরো এক যোগ্যতাসম্পন্ন নায়িকা দরকার আমাদের। এগিয়ে যেতে আমাদের যোগ্য শিল্পী, কলাকুশলী অন্বেষণ করতে হবে এখনই।

(বি. দ্র. এই পোস্টে আমি শুধুমাত্রই নতুনদের নিয়ে বলেছি। অযথা প্রতিষ্ঠিত নায়িকাদের এর মাঝে টেনে আনবেন না।)

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইফতার টেবিলে গান বাজিয়ে তোপের মুখে শিল্পা শেঠি

বিনোদন ডেস্ক: ইফতার টেবিলে গান বাজিয়ে ভক্তদের তোপের মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। এমনকি সমালোচনা ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।

জানা যায়, এক বন্ধুর ইফতার পার্টিতে ধারণকৃত একটি ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। ভিডিওতে আফলাতুন নামের একটি মিষ্টি খাবারের সঙ্গে পরিচয় করে দেন ৪২ বছর বয়সী এই তারকা। খাবারটির স্বাদ নেয়ার পর অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘আফলাতুন’ (১৯৯৭) ছবির গান বাজান তিনি। এসময় তিনি ও তার বন্ধুরা ওই গানে কণ্ঠও মেলান। এদিকে এই ভিডিও প্রকাশের পর থেকেই সমালোচনা শুরু হয়েছে।

তবে একপক্ষ সমালোচনা করলেও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ভিডিওটি না দেখার আহ্বান জানিয়েছে আরেকপক্ষ। সমর্থকদের ধন্যবাদ দিতে ভোলেননি শিল্পা। তার মন্তব্য, ‘সবকিছুকে নেতিবাচক দেখার পরিবর্তে কেন এই ভিডিওকে বন্ধুসুলভ মনোভাব নিয়ে দেখছি না। বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের রমজান পালনের সঙ্গে একাত্মতাই তো প্রকাশ হলো এতে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় কিডনি হারানো আল আমিন বাঁচতে চায়

নিজস্ব প্রতিনিধি : দু’টি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়া কলারোয়ার মোহাম্মদ আল আমিন বাঁচতে চায়। মাত্র ২৩ বছরের একমাত্র পুত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে মমতাময়ী মা কলারোয়ার ঝিকরা গ্রামের বিলকিস খাতুন আকুল আবেদন জানিয়ে বলেছেন- ‘আমার বুকের মানিককে বাঁচাতে পারবো তো?
আল আমিনের দরিদ্র পিতা আব্দুল ওহাব জানান- ‘গত ৯ মাস ধরে তার প্রাণাধিক প্রিয় সন্তানের চিকিৎসায় তিনি তার সহায় সম্পদ প্রায় সব শেষ করে সন্তানকে সুস্থ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন তিনি আর্থিক ভাবে প্রায় নি:স্ব। চিকিৎসা বাবদ এখনো প্রায় ১২ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন। খোকার মা তার ছেলের জন্য একটি কিডনি দিতে প্রস্তুত। কিন্তু সেটি প্রতিস্থাপন করতে গেলে যে অর্থের দরকার তার সামান্যটুকুও তাদের হাতে নেই।’
মায়ের আবেদন- যদি সবাই এগিয়ে আসে তাহলে তার সন্তানকে তিনি বাঁচাতে পারবেন। ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে ১২ লক্ষ টাকা জোগার করতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন অসহায় পিতামাতা।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা :
মোহাম্মদ আল আমিন
ইসলামী ব্যাংক-সঞ্চয়ী হিসাব নং -৪১৫২৫।
কলারোয়া, সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest