সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের ১৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাং এর সদস্যের ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খু%ন : প্রধান আসামী নাহিদসহ গ্রেপ্তার-২গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াত নেতা মাও: আব্দুস সবুরসাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ঘের লুটপাটের অভিযোগ : ১০ লাখ টাকার ক্ষতিশ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদনসাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশাবাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচন: সভাপতি খলিলুর -সম্পাদক নূর মোহাম্মদসাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা

শহীদ বুদ্ধিজীবী সেলিনা পারভীনের ছেলের দ্বিখণ্ডিত লাশ উদ্ধার

দেশের খবর: রাজধানীর খিলগাঁওয়ে রেললাইন থেকে একাত্তরে শহীদ বুদ্ধিজীবী সাংবাদিক সেলিনা পারভীনের ছেলে সুমন জাহিদের (৫২) দ্বিখণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) সকালে খিলগাঁওয়ের বাগিচা মসজিদ সংলগ্ন রেললাইনে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থল থেকে সুমন জাহিদের মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ঢাকা রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসিন ফারুক বলেন, ‘সুমন জাহিদের শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।’
ময়নাতদন্তের জন্য সুমন জাহিদের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি একটি ব্যাংকে চাকরি করতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘিয়ের ১০ উপকারিতা

খেলার খবর: খাবার রান্না করতে তেলের বিকল্প নেই। তবে বিশেষ কিছু খাবার যেমন কাচ্চি বিরিয়ানীসহ আরো অন্যান্য খাবার তৈরিতে ঘিয়ের প্রয়োজন হয়। শুধু প্রয়োজনে পড়ে বলেই আমরা সাধারণত ঢি ব্যবহার করে থাকি। তবে ঘিয়ের বহু উপকারিতা রয়েছে যা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। নিচে ঘিয়ের কয়েকটি উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হলো :

১. স্ফুটনাঙ্ক- ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘি গরম করা যায়। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়।

২. নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।

৩. স্বাদ- সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

৪. ভিটামিন- ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।

৫. কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড- এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।

৬. ওজন ও এনার্জি- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।

৭. হজম ক্ষমতা- ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়।

৮. রোগ প্রতিরোধ- বাটইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৯. খিদে বাড়ায়- হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়।

১০. পজিটিভ ফুড- বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খোলপেটুয়ার বেঁড়িবাধ ভেঙে আশাশুনির বিছট গ্রাম প্লাবিত

আসাদুজ্জামান: খোলপেটুয়া নদীর প্রবল জোয়ারের তোড়ে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বিছট গ্রামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেঁড়িবাধ ভেঙ্গে বিছট গ্রামসহ এর আশপাশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে শতাধিক মৎস্য ঘের। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে অর্ধ শতাধিক পরিবার। বৃহস্পবিার দুপুরে সাতক্ষীরা পাউবো বিভাগ-২ এর আওতাধীন ৭/২ নং পোল্ডারে বিছট গ্রামের সরদার বাড়ির সামনে প্রায় দেড়’শ ফুট এলাকা জুড়ে বেঁড়িবাধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। দ্রুত বেড়িবাঁধটি সংস্কার করা না গেলে পরবর্তী জোয়ারে আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবে।
স্থানীয় এলাকার জিলা পরিষদের সদস্য মোঃ আব্দুল হাকিম জানান, আগে থেকেই বাঁধটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। বিষয়টি পাউবো কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানোর পরও তারা তেমন গুরুত্ব দেয়নি। বেশ কিছুদিন আগে বাঁধটি সংষ্কারের জন্য একজন ঠিকাদার নিয়োগ করা হলেও মূল ঠিকাদার এখানে কাজ করতে আসেনি। একাধিক হাত বদল হয়ে তৃতীয় একজন বাঁধ সংষ্কারের কাজ করতে আসলেও তেমন গুরুত্ব দেননি ওই ব্যক্তি। কাজ ফেলে তিনি কয়েকদিন আগে এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঠিকাদার যথাসময়ে কাজ শুরু করলে আজ এই অবস্থার সৃষ্টি হতো না। অমাবস্যার করানে নদীতে জোয়ার বৃদ্ধি পাওয়ায় দুপুরের প্রবল জোয়ারের চপে হঠাৎ করেই বাঁধটি নদী গর্ভে ধ্বসে পড়ে। প্রায় দেড়’শ ফুট এলাকা দিয়ে নদীর পানি প্রবল বেগে লোকালয়ে ঢুকছে। ইতিমধ্যে বিছট গ্রামের এক তৃতীয়ংশ পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে শতাধিক মৎস্য ঘের। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে অর্ধ শতাধিক পরিবার। তিনি আরো জানান, বেড়িবাঁধটি দ্রুত সংস্কার করা না গেলে পরবর্তী জোয়ারে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়বে।
আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আলমগীর আলম জানান, প্রায় ৬ মাস ধরে বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও বাঁধ সংস্কারে পানি উন্নয়ন বোর্ড কোন উদ্যোগ নেননি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলাতির কারণেই আনুলিয়া ইউনিয়নবাসীর আজ এই দুর্দশা। তিনি জানান, এখনই বাঁধটি সংস্কার করতে না পারলে পরবর্তী জোয়ারে আনুলিয়া, নয়াখালী, বল্লভপুর, বাসুদেপুর, কাকবসিয়াসহ নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়বে। তিনি আরো জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কেউ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেননি।
এ ব্যাপারে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাফফারা তাসনীন জানান, সংশ্লিষ্টদের দ্রুত রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। তিনি আরো জানান, বাধ সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস.ও মশিউল আবেদীন জানান, ভাঙনকবলিত এলাকা সংস্কারে রিং বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে। জোয়ারের জন্য একটু সমস্যা হচ্ছে। আশা করি দ্রুত কাজ শেষ হয়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সুমনা ফাউন্ডেশনের ঈদ বস্ত্র বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সুমনা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অসহায় ও দুঃস্থ্যদের মাঝে ঈদ -উল ফিতর উপলক্ষে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কাটিয়াস্থ রেজিষ্ট্রি অফিসের সামনে সুমনা ফাউন্ডশনের নিজস্ব র্কাযালয়ে এ ঈদ বস্ত্র বিতরণ করা হয়। সুমনা ফাউন্ডশনের পরিচালক এ এস এম মাকছুদ খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে দুঃস্থ্যদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মিসেস রিফাত আমিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান, সমাজসেবক মনোয়ারা খান, মওদুদ খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এসময় প্রধান অতিথি ঈদের খুশিকে সকলের মধ্যে ভাগাভাগি করতে সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সকলের প্রতি উদ্যাত্ত আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সব মোবাইল অপারেটরের কল রেট এক হচ্ছে

মোবাইল ফোন কল চার্জে অননেট (একই নেটওয়ার্ক) ও অফনেট (এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্ক) বৈষম্য থাকছে না। দেশে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) বা নম্বর এক রেখে অপারেটর বদলের সেবা চালু হওয়ার আগে এই বিভাজন তুলে দেওয়া হবে। গতকাল বুধবার এ তথ্য জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মোবাইল অপারেটরদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অফনেট-অননেট রেখে এমএনপি চালু হলে গ্রাহকের অজ্ঞাতে চার্জ বসবে। গ্রাহক বুঝতে পারবেন না তিনি অননেটে না অফনেটে কল করছেন। কারণ ০১৫ দিয়ে শুরু নম্বরটি টেলিটকের না হয়ে রবিরও হতে পারে। তারা আরো বলছেন, পৃথিবীর কোনো দেশে এখন মোবাইল ফোন সেবায় অফনেট-অননেট নেই। সর্বশেষ ছিল শ্রীলঙ্কায়, সেখানেও এই বিভাজন তুলে দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে বিটিআরসি নির্ধারিত সর্বনিম্ন চার্জ অননেট প্রতি মিনিট ২৫ পয়সা, অফনেট ৬০ পয়সা। সর্বোচ্চ চার্জ হচ্ছে প্রতি মিনিট দুই টাকা। অর্থাৎ অপারেটরদের ২৫ পয়সা থেকে দুই টাকার মধ্যে কল চার্জ নির্ধারণ করতে হচ্ছে। গ্রাহকরা অপারেটভেদে অননেটে প্রতি মিনিট ৩০ পয়সা থেকে ৩৯ পয়সায় এবং অফনেটে ৯১ পয়সা থেকে এক টাকা ৪০ পয়সায় কল করার সুযোগ পাচ্ছে। এই পার্থক্য সামনে থাকবে না।

জানা যায়, বর্তমানে গ্রামীণফোনের যেহেতু গ্রাহক বেশি, তাদের ৯০ শতাংশ কল অননেটেই বা জিপি টু জিপিতেই হয়ে থাকে। রবি ও বাংলালিংকের গ্রাহকদের ৭০ শতাংশ অননেটে এবং ৩০ শতাংশ অফনেটে কল করে থাকে। এ ক্ষেত্রে টেলিটকের অবস্থা হতাশাজনক। টেলিকট থেকে টেলিটকে কল যায় মাত্র ১০ শতাংশ, বাকিগুলো যায় অন্য অপারেটরে।

রবির জিএম (পলিসি, রেগুলেটরি স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড রিসার্চ) মোহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন, ‘সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং গ্রাহক ভোগান্তি নিরসনে আমরা এমএনপি সেবা চালুর আগেই অফনেট ও অননেট ভয়েস কলের ক্ষেত্রে একক সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণ করতে সরকারকে অনুরোধ করছি।’ তিনি জানান, বর্তমানে অননেট ও অফনেট ব্যবস্থার ফলে প্রতিযোগিতায় বিরূপ প্রভাব ফেলছে, পিছিয়ে পড়ছে অন্য অপারেটররা।

এ বিষয়ে বিটিআরসির একজন কর্মকর্তার বক্তব্য, বাংলাদেশের গ্রাহকরা ভালো নেটওয়ার্কের চাইতে কম খরচে কথা বলার সুযোগ পেতেই বেশি আগ্রহী। টেলিটকের একজন গ্রাহক যখন জানছেন, তাঁর আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের বেশির ভাগ টেলিটক ব্যবহার করছে না, তখন তিনি খরচ কমাতে সেই মোবাইল অপারেটরের সেবা নেবেন যাদের গ্রাহক বেশি। এর ফলে একচেটিয়া কারবারের কাছে গ্রাহকরা একসময় জিম্মি হয়ে পড়বে।

জানতে চাইলে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গতকাল বিকেলে বলেন, অফসেট ও অননেট বলে কিছু থাকবে না। এ বৈষম্য এমএনপি চালুর আগেই বিলুপ্ত করে নতুন নির্দেশনা জারি করা হবে। মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা ৩১ জুলাইয়েই এমএনপি চালু করতে চাই।

গত নভেম্বরে এমএনপি সেবা দেওয়ার লাইসেন্স পায় বাংলাদেশ ও স্লোভেনিয়ার যৌথ কনসোর্টিয়াম ইনফোজিলিয়ান বিডি টেলিটেক। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাবরুর হোসেন বলেন, ‘আমরা সেবা দেওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। একটি মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে পরীক্ষামূলক কাজও শুরু হয়েছে। আশা করছি ৩১ জুলাইয়েই এ সেবা শুরু করতে পারব।’

বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, এ সেবার সুবিধার্থে শুধু মোবাইল অপারেটর নয়, ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডাব্লিউ) ও ইন্টারকানেকশন একচেঞ্জগুলোকেও (আইসিএক্স) কারিগরি সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। এ বিষয়ে সম্প্রতি বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অপারেশন বিভাগের সঙ্গে সব পক্ষের প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক হয়। কিন্তু আইজিডাব্লিউ ও আইসিএক্স অপারেটররা এ বিষয়ে তাঁদের সক্ষমতা অর্জন সম্ভব না বলেই জানান। বিষয়টি সম্পর্কে গতকাল মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, এ দেশে ব্যবসা করতে হলে সরকারের নির্দেশনা আইজিডাব্লিউ ও আইসিএক্স অপারেটরদেরকেও মানতে হবে।

শর্ত দেওয়া হয়েছিল, লাইসেন্স গ্রহণের পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের মোবাইল গ্রাহকের কমপক্ষে ১ শতাংশ, এক বছরের মধ্যে ৫ শতাংশ এবং পাঁচ বছরের মধ্যে ১০ শতাংশকে এ সেবার আওতায় নিয়ে আসার সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। এতে একজন সেবাগ্রহীতা প্রতিবারের জন্য ৩০ টাকার বিনিময়ে অপারেটর বদল করতে পারবেন। কিন্তু মোবাইল ফোন অপারেটরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের দ্রুত সহযোগিতার অভাবে নির্ধারিত সময়ে এ সেবা চালু হয়নি। পরে এর সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

জানা যায়, এমএনপি সেবা শুরুর আগে বর্তমান পরিস্থিতিও বেশির ভাগ মোবাইল অপারেটরের জন্য স্বস্তির নয়। গত আট বছরে পাঁচ মোবাইল ফোন অপারেটরের লোকশানের পরিমাণ আট হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। এর মধ্যে রবির ৫৫৬ কোটি টাকা, এয়ারটেলের চার হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা, বাংলালিংকের এক হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা, টেলিটকের ৯৯ কোটি টাকা এবং সিটিসেলের ৭২৪ কোটি টাকা লোকশান হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সবচেয়ে মারকুটে দল জার্মানি, দ্বিতীয় আর্জেন্টিনা: পরিসংখ্যান

রাশিয়া বিশ্বকাপের উন্মাদনায় কাঁপছে পুরো ফুটবল মহল। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই শুরু হচ্ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। এরই মধ্যে সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে তর্ক-বিতর্ক। তবে সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের পরেই।

কিন্তু তার আগে পরিসংখ্যান বলছে অন্য কথা। বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে মারকুটে দল হিসেবে উঠে এসেছে জার্মানির নাম!‌ সবচেয়ে বেশি ফাউল, সবচেয়ে বেশিবার লাল ও হলুদ কার্ড দেখা এবং ম্যাচের মধ্যে বিপক্ষ এবং রেফারির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় সকলকে পিছনে ফেলেছে জার্মান দল।

জার্মানি প্রথম বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত ১২২টি হলুদ কার্ড দেখেছে। ম্যাচের মধ্যে দু’‌বার হলুদ কার্ড দেখে মাঠের বাইরে যাওয়ার ঘটনা জার্মানরা ঘটিয়েছেন দু’‌বার। বাকি পাঁচবার একই ম্যাচে একটি হলুদের পরে আর একটি লাল কার্ড দেখেছেন তারা।

যে পদ্ধতিতে এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে তাতে একটি হলুদ কার্ডের জন্য দলকে দেওয়া হয়েছে ৫ পয়েন্ট, একই ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের জন্য দেওয়া হয়েছে ৭ পয়েন্ট এবং একটি লাল কার্ডের জন্য দেওয়া হয়েছে ১০ পয়েন্ট। এই পয়েন্ট সিস্টেমে ৬৪৭ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে জার্মানি।

অন্যদিকে, ১৭ পয়েন্ট কম পেয়ে (‌৬৩০)‌ দুই নম্বরে আছে আর্জেন্টিনা। তিন নম্বরে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে ব্রাজিল। ৫৩০ পয়েন্ট তাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাইপারটেনশন ডেকে আনে মৃত্যু, মুক্তির কয়েকটি উপায়

স্বাস্থ্য কথা: চিন্তা তো সবার বন্ধু। তাই চিন্তাকে বাদ দিয়ে জীবনের অর্থ গোল। সেই কারণেই বিশ্বজুড়ে দূষণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে টেনশন। দূষণ তো ক্ষতির মাত্রা বাড়াচ্ছে বই কমাচ্ছে না। চিন্তাও ঠিক তাই। মানবমনে বেশ শক্তপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারলেই এড়ানো যেতে পারে টেনশন। তার আগে জানুন আপনি হাইপারটেনশনের সমস্যায় ভুগলে উপরি পাওনা হিসেবে কী কী রোগে আক্রান্ত হতে পারেন:

বিঘ্নিত ঘুম
ভেতরে টেনশন থাকলে ঘুম ঠিক ভাবে হয় না। অর্থাৎ পর্যাপ্ত ঘুম ব্যাহত হয়। ঘুমের মধ্যে হঠাৎ মনে হয় শ্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছে বা অনেক সময় বেশি মাত্রায় শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়। যার ফলে ঘুম ঠিকমতো হয় না, সারাদিন চোখ জ্বালা করা, ঘুম পাওয়া, খিটখিটে মেজাজ থেকেই যায়।

হার্টের সমস্যা বাড়ে
হাইপারটেনশনের সঙ্গে হার্টের সমস্যার যোগ নিবিড়। ঘুম কম হওয়া থেকে যাবতীয় সমস্যার সৃষ্টি। কোলেস্টেরল বাড়ে, ধমনীর আশেপাশে ব্লকেজ তৈরি হওয়ায় রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। যার থেকে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

মৃত্যু ডেকে আনে
বর্তমানে মৃত্যুর অন্যতম কারণ হাইপারটেনশন। কাজের চাপ, পারিবারিক নানা সমস্যা, একাকিত্ব থেকেই হাইপারটেনশন শুরু হয়। দিনের পর দিন অনিদ্রা, সুগার, হাই ব্লাড প্রেসার সহজেই মৃত্যুকে ডেকে আনে। ৫০ থেকে ৫৩ বছর বয়সের মধ্যে এই সমস্যা খুব প্রকট।

হাইপারটেনশন এড়াবেন কীভাবে

নিজেকে ব্যস্ত রাখুন
নানা কাজের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। অফিসের কাজের বাইরেও বই পড়া, গান শোনা, লেখালেখি, বেড়াতে যাওয়া ইত্যাদি চালিয়ে যান। নানা কাজের মধ্যে থাকলে দেখবেন বাজে চিন্তা খানিক কম হয়। আসলে জীবনে ভালো খারাপ দুই থাকে। কেন হল না অথবা কবে হবে এই নিয়ে অযথা চিন্তা না করাই ভালো। সময়ে সবই হয়।

পোষ্যদের সঙ্গে সময় কাটান
বাড়িতে একা থাকেন বা একা না থাকলেও খুব বেশি মিশতে ভালোবাসেন না। কথা বলার লোক নেই। এরকম পরিস্থিতিতে একাকিত্ব আসবে স্বাভাবিক। সেখান থেকে নানা সমস্যা। তাই পোষ্য ভালোবাসলে তাদের বাড়িতে রাখুন। তাদের সঙ্গে খানিক সময় কাটান। দেখবেন ভালো আছেন। রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

পর্যাপ্ত ঘুম
ঘুম ভালো হওয়া জরুরি। তাই অভ্যাস থাকলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বই পড়ুন, পছন্দের গান শুনুন, খুব ইচ্ছে হলে পছন্দের সিনেমা দেখুন কিন্তু স্মোকিং, মদ্যপান বা টিভি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

অযথা চিন্তা করবেন না
যেটুকু বিষয় নিয়ে চিন্তা প্রয়োজন সেটুকুই করুন। তার বাইরে অযথা চিন্তা করবেন না। খুব বেশি চিন্তা করলে শরীর খারাপ হবে, এর বেশি কিছুই হবে না।

সুষম খাবার খান
সুষম এবং পর্যাপ্ত খাবার খান। নিয়ম করে প্রতিদিন ২ কিলোমিটার হাঁটুন। প্রচুর পানি পান করুন। তাহলে সুগার, প্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। টেনশন কম হবে। আর বাজে চিন্তা একেবারেই থাকবে না।

গবেষণা বলছে
যাঁরা গরমের দেশে থাকেন তাঁদের রক্তচাপ আবহাওয়ার সঙ্গে ওঠা নামা করে। ফলে শারীরিক সমস্যা বাড়ে। হাইপারটেনশনের প্রবণতা থেকে যায়। তুলনায় শীতের দেশে এই সমস্যা অনেক কম। ফলে সেদেশে উচ্চরক্তচাপে ভোগা লোকজনের সংখ্যাও কম। গরমের দেশের বাসিন্দা হলে এক্ষেত্রে আপনার হাতে কিছুই নেই। সাবধানবানী অবলম্বন করে চলতে পারেন কেবল।

হাইপারটেনশন থেকে আরও যা হয়
হার্টের সমস্যা তো ছিলই। বর্তমান গবেষণায় উঠে এসেছে হাইপারটেনশন থেকে কিডনিরও গুরুতর সমস্যা হয়। তাই কোনও রকম বেগতিক বুঝলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাণিতিক হিসাব বলছে চ্যাম্পিয়ন হবে ব্রাজিল

খেলার খবর: রাত পোহালেই শুরু হয়ে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাযজ্ঞ। এক মাসের এই আসর ঘিরে আরও আগে থেকেই শুরু হয়েছে নানান হিসাব নিকাশ। ফেবারিটদের তালিকায় কারা আছে; কোন দল এবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, গোল্ডেন বুট উঠবে কার হাতে- ইত্যাদি পরিসংখ্যানের হিসাব চলছে। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার ভক্ত বেশি। তবে গ্রেসনোট এর গাণিতিক হিসাবে যে চ্যাম্পিয়নের নাম উঠে এসেছে তাতে মেসিভক্তদের অখুশি হওয়ারই কথা।

গ্রেসনোট বিশ্বের অন্যতম তথ্য-উপাত্ত সরবরাহকারী একটি প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে চলা রাশিয়া বিশ্বকাপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন কারা হবে- সে বিষয়ে সম্প্রতি একটি গাণিতিক হিসাব করেছে তারা। প্রায় ১০ লাখ সম্ভাবনার হিসাব মিলিয়ে প্রাপ্ত তালিকায় সম্ভাব্য শিরোপাজয়ী হিসেবে নাম উঠে এসেছে পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের। নেইমারদের পর এবারের বিশ্বকাপ জয়ের বেশি সম্ভাবনা স্পেনের। গতবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি আছে তৃতীয় স্থানে। আর্জেন্টিনা আছে চার নম্বরে।

এই হিসাবে দলগুলোর সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্সকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, গত বিশ্বকাপের পর ব্রাজিল মাত্র চারটি ম্যাচ হেরেছে। ২০১৬ সালের পর মাত্র একটি। গত ১২টি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা ৭ দলের বাইরের কারও এবারের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ৮১ শতাংশ। গ্রেসনোটের হিসাবে, পেরু বা কলম্বিয়া সেই বিস্ময় উপহার দিতে পারে। বিশ্বকাপে নতুন কোনো দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা ৪৭ শতাংশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest