সর্বশেষ সংবাদ-
ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমের

সিরিয়াতে হামলার নির্দেশ ট্রাম্পের

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির সেনাবাহিনীকে সিরিয়াতে হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন । সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বিদ্রোহী অধ্যুষিত এলাকায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ হামলার সূচনা হলো। রয়টার্স জানিয়েছে, সিরিয়াতে বিকট শব্দে  বিস্ফোরণ হওয়ার কথা জানতে পেরেছে তারা। হোয়াইট হাউসে ধারণ করা ভিডিওচিত্রে ট্রাম্প নিজেই সিরিয়াতে হামলা চালানোর খবর জানিয়েছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে হামলা শুরু হতে যাচ্ছে এবং হামলা ততদিন পর্যন্ত চলবে যতদিন না পর্যন্ত আসাদ বাহিনী রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার বন্ধ না করবে। তার ভাষ্য, ‘কিছুক্ষণ আগে আমি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাসার আল আসাদের রাসায়নিক হামলার সঙ্গে জড়িত স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালাবার আদেশ দিয়েছি।’ রাসায়নিক হামলার জন্য আসাদকে দায়ী করে ট্রাম্প বলেছেন, ‘এগুলো কোনও মানুষের কাজ নয়, একটি অসুরের করা অপরাধ। রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, বিস্তার এবং ব্যবহারের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে বাধা দেওয়াই আজকে রাতে আমাদের নেওয়া সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য।’

রয়টার্স লিখেছে, ট্রাম্প যখন বক্তব্যব রাখছিলেন তখন সিরিয়াতে বিস্ফোরণের শব্দ শুরু হয়ে গেছে। শনিবার ভোরে সিরিয়ার দামেস্কে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ হওয়ার কথা রয়টার্সকে তাদের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানিয়েছে, রাজধানীর পূর্ব দিকে ধোয়ার কুণ্ডলীও দেখা গেছে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বাসার আল আসাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র রাশিয়া। রাসায়নিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা করা হতে পারে সিরিয়ায়, এমন বক্তব্যের জবাবে রাশিয়া বলেছিল, সিরিয়াতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে রাশিয়া সেই ক্ষেপণাস্ত্রকে বিস্ফোরিত তো করে দেবেই, একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের স্থানেও পাল্টা হামলা চালাবে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বুধবার এক টুইটার বার্তায় লিখেছিলেন, ‘মিসাইল আসছে, তৈরি থেকো রাশিয়া।’ উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে আসাদ বাহিনীর রাসায়নিক হামলায় ৬০ জনের মৃত্যুর খবর জানা গিয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নাচ- গান ও বাঙালিয়ানায় জেলা প্রশাসনের পহেলা বৈশাখ

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় বর্ণিল আয়োজনে ব্যাপক উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে নানা উৎসবে পালিত হয়েছে বাঙালী জাতির পুরাতন ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহনের ১৪২৫ পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষের দিনটি বাঙালী জাতির জন্য সবচেয়ে আনন্দময়, সবচেয়ে রঙিন উৎসব। এই দিনটি ঘিরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গ্রহণ করা হয়েছে পাঁচ দিন ব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি। এ উপলক্ষে শনিবার সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। এ শোভাযাত্রা বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাঙালিয়ানা সাজ ও হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য নিয়ে বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়। মঙ্গল শোভা যাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানে মিলিত হয়। বৈশাখী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)মো. জাকির হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বির হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল হান্নান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তহমিনা খাতুন, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ^াস সুদেব কুমার, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জি.এম আজিজুর রহমান, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ জিয়াউল হক, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ আল-মামুন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, এন.এস. আই’র সহকারী পরিচালক আনিসুজ্জামান, জেলা তথ্য অফিসার মোজাম্মেল হক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, ফারহা দীবা খান সাথী, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা শেখ আবু জাফর মো. আসিফ ইকবাল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিদায় ১৪২৪, নববর্ষের প্রথম প্রভাতের অপেক্ষা

বিদায় নিলো ১৪২৪। শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) চৈত্রের শেষ সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে কালের মহাতরঙ্গে মিলিয়ে গেলো বাংলা সনটি। রাত পোহানোর পর আজ শনিবার ভোরে নতুন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হবে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫। পুরনো বছরের সব হতাশা, গ্লানি আর জরাজীর্ণতা পেছনে ফেলে আগামীর পানে চোখ থাকবে সবার। বোনা হবে নতুন নতুন স্বপ্ন। নব প্রত্যাশার ডানা মেলে ঝলমলিয়ে উঠবে নতুন আলো। বিদায়ী বাংলা বর্ষের বিরহকে ছাপিয়ে সবার মনে ছড়িয়ে যাবে নববর্ষের রঙ। আনন্দ-উল্লাসে আবাহন করা হবে ১৪২৫ বঙ্গাব্দকে।

প্রতি বছরের মতো এবারও পহেলা বৈশাখকে বরণ করে নেওয়া হবে ধুমধাম আয়োজনে। নতুন বছরকে বর্ণিলভাবে বরণ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের হাটেবাজারে, মাঠেঘাটে, পাড়ায়-পাড়ায় চলে বর্ষবিদায়ের অনুষ্ঠান। একইসঙ্গে গত কয়েকদিন ধরে চলছে বর্ষবরণের প্রস্তুতি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও স্থাপনাকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে নতুন সাজে। সব মিলিয়ে ধুম পড়েছে উৎসব আয়োজনে।

নতুন বছরের অভ্যর্থনার আনন্দে নানা সুখ-দুঃখের সঙ্গী পুরনো বছরটিকে বিদায়লগ্নে ভুলে যায় না বাঙালিরা। বাংলায় নতুন বছরকে স্বাগতম জানানো হয় যেমন উৎসব করে, পুরানো বছরকে বিদায় দেওয়া হয় তেমনই গুরুত্ব দিয়ে। চৈত্র মাসের বিদায়ের মধ্য দিয়েই এখন দেশজুড়ে চলছে বর্ষবিদায়ের আয়োজন।

পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া উপলক্ষে নতুন পোশাক কেনার ধুম পড়েছে, ব্যস্ততা বেড়েছে বুটিকগুলোতে। বিপণি বিতান ও মার্কেটে চলছে কেনাবেচা। নানান ডিজাইনের পোশাক বিক্রি ও কেনায় ব্যস্ত দোকানি ও ক্রেতারা। বৈশাখী উৎসবের আগাম প্রস্তুতি চলছে জোরেশোরে।

আজ ৩০ চৈত্র বিদায়ী বাংলা সনের শেষ দিনে উদযাপন করা হচ্ছে ‘চৈত্র সংক্রান্তি’। একসময় চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ হিন্দুদের শাস্ত্রীয় অনুষ্ঠান হিসেবেই সীমাবদ্ধ ছিল। আজ  তা সম্প্রদায় ছাপিয়ে হয়ে উঠেছে জাতীয় ও সামাজিক উৎসব। আদিবাসীরাও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান করে থাকে। সব মিলিয়ে বর্ষবিদায়ের আয়োজন চিরায়ত বাংলার অসাম্প্রদায়িক বাঙালির কাছে পরিণত হয়েছে বিশেষ লোকজ উৎসবে।

শহরের মতো গ্রামবাংলায়ও পালন হচ্ছে চৈত্র সংক্রান্তি উৎসব। দেশজুড়ে শহর-গ্রামে চলছে মেলা। এসব আয়োজনে উঁকি দেয় হাজারও খুশির আভা। চৈত্র মাসের শেষে চৈত্রসংক্রান্তির অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পুরনো বছরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানোর প্রয়াসই বাঙালিদের স্বকীয়তা। এবার বর্ষবরণে প্রস্তুত সারাদেশ। চারপাশে আনন্দমুখর পরিবেশ।

প্রসঙ্গ হালখাতা

চৈত্র সংক্রান্তিকেই ঘিরেই মূলত শুরু হয় হালখাতা। এটি হলো বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া। এই দিনে নতুনভাবে ব্যবসা শুরুর উপলক্ষ পান তারা। গ্রাম, শহর বা বাণিজ্যিক এলাকা; সবখানেই পুরনো বছরের হিসাব বই বন্ধ করে খোলা হয় নতুন হিসাবের বই। ব্যবসায়ীরা হালখাতার দিনে ক্রেতাদের নিমন্ত্রণ পাঠান। অতিথি এলেই গোলাপজল ছিটিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দোকানে দোকানে চলে মিষ্টি খাওয়ার ধুম। অতিথি-অভ্যাগতদের মিষ্টিমুখ করানো হয় যত্ন নিয়ে। রসে ডুবুডুবু মিষ্টির সঙ্গে থাকে মুচমুচে ভাজা কালিজিরা ছিটানো হালকা গেরুয়া রঙের নিমকি। এই প্রথা এখনও বেশ প্রচলিত।

বাংলাদেশে হালখাতার প্রচলন কবে থেকে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা দুষ্কর। তবে হালখাতা শব্দটির সঙ্গে মুসলিম শাসনের অনুষঙ্গ জড়িয়ে আছে। ‘হাল’ আর ‘খাতা’ দুটোই আরবি-ফারসি। এর অর্থ নতুন খাতা। ষোড়শ শতাব্দীতে এই শব্দ বাংলায় প্রচলিত হয়েছে বলে গবেষকরা অনুমান করেন।

আগে অগ্রহায়ণ মাসে বাংলা নতুন বছরের গণনা শুরু হতো। পরবর্তী সময়ে বাদশাহ আকবর খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য ও বাংলা মুলুকে ফসল কাটার মৌসুমের কথা মাথায় রেখে বৈশাখী মাস থেকে ফসলি সন চালু করেন। এর অংশ হিসেবে পয়লা বৈশাখ থেকে নতুন বছরের হিসাব রাখা শুরু হয়। বাংলার জমিদারদের ‘পুণ্যাহ’ অনুষ্ঠান অনুযায়ী খাজনার হিসাব করার রেওয়াজ সম্ভবত বাংলার বণিক ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করেছিল। তাই জনশ্রুতি রয়েছে, জমিদারি আমলেই হালখাতার ব্যবহার তুঙ্গে উঠেছিল বাংলাদেশে।

হালখাতা আজও পয়লা বৈশাখে খোলা হয়। সুতা দিয়ে বাঁধা লাল খেরো খাতা এর প্রধান উপকরণ। এতে ব্যবসায়ীরা তাদের লেনদেন, বাকি-বকেয়া সবকিছুর হিসাব-নিকাশ লিখে রাখেন। মুসলিম ব্যবসায়ী হলে হালখাতায় ‘এলাহী ভরসা’ অথবা হিন্দু ব্যবসায়ী হলে ‘গণেশায় নমঃ’ লেখা থাকে।

নতুন বছরের প্রথম দিনটিতে যারা ব্যবসায়ীদের নিয়মিত গ্রাহক, পৃষ্ঠপোষক ও শুভার্থী, তাদের চিঠি দিয়ে বা লোক মারফত আমন্ত্রণ জানিয়ে জলযোগে আপ্যায়ন করা হয়। এই দিনে কেনাবেচার চেয়ে সামাজিকতা ও সৌজন্য বিনিময় হয় বেশি। তবে সৌজন্যমূলক হলেও অনেকে বকেয়া শোধ করে দেন। যদিও সেই রমরমা দিন এখন আর নেই। তবুও ডিজিটাল ঝাপটা সামলে হালখাতা টিকে আছে। হয়তো টিকেও থাকবে ঐতিহ্য হিসেবে।

লোকজ ঐতিহ্য

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানান আয়োজনে চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপন করছে। এর মধ্যে রয়েছে ঘুড়ি উৎসবে রকমারি সব ঘুড়ির প্রদর্শনী, গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় লাঠি খেলা, পুঁথি পাঠ, পুতুলনাট্য, পালাগান, গম্ভীরা ও গ্রামীণ মেলা, গান, আবৃত্তি, সঙযাত্রা, রায়বেশে নাচের মতো লোকসংস্কৃতি। মুড়ি-মুড়কি বিতরণ তো হচ্ছেই।

বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণকে ঘিরে মাটির তৈরি খেলনা, ফল, ঘোড়া, হাতিসহ বিভিন্ন সামগ্রী তৈরির পর তাতে লেগেছে রঙ। নববর্ষকে ঘিরে রঙের তুলিতে মাটির সামগ্রী রাঙানোর সমারোহে প্রাণ পেয়েছে মৃৎশিল্প।

এসো হে বৈশাখ…

উৎসব-আনন্দে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ বরণ করে বৈশাখী উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে যাবে বাঙালিদের জীবনে। নতুন বছর সারাদেশে সবার জন্য শুভ হোক, মঙ্গল বয়ে আনুক। নতুন ভবিষ্যৎ গড়ার প্রেরণা নিয়ে আসুক নববর্ষ। সেই প্রার্থনায় এখন অপেক্ষা নতুন বছরের প্রথম প্রভাতের। পুরনো বছরকে বিদায় দিয়ে আসুন গাই রবিঠাকুরের গান, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো…’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জম্মু ও কাশ্মীরে শিশু গণধর্ষণ ও হত্যা: বিক্ষোভে উত্তাল ভারত

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে আট বছরের এক শিশুকে গণধর্ষণ ও হত্যা করার ঘটনায় ভারতজুড়ে চলছে বিক্ষোভ। রাজধানী দিল্লিতে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের বিক্ষোভে যোগ দেন খোদ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। শিশু ধর্ষণের ঘটনায় এ বিক্ষোভের কয়েক ঘণ্টার মাথায় আরেক ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা কুলদীপ সিং সেঙ্গারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে গতকাল শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট জানান, জম্মু ও কাশ্মীরে শিশু ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত করবেন তাঁরা।

২০১২ সালে দিল্লিতে চলন্ত বাসে এক তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়ে মারা যাওয়ায় দেশজুড়ে বিক্ষোভের যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, এবারও তেমনটা লক্ষ করা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

গত বৃহস্পতিবার দিল্লির ইন্ডিয়া গেটে বিক্ষোভে যোগ দেওয়া কংগ্রেস নেতা রাহুল জম্মু ও কাশ্মীরে শিশু ধর্ষণের ঘটনাকে ‘কল্পনাতীত নৃশংসতা’ অ্যাখা দেন। তিনি বলেন, ‘ভারতে নারীদের সঙ্গে যা হচ্ছে, সেটা কোনোভাবেই চলতে দেওয়া যায় না।’

রাহুলের সঙ্গে ছিলেন বোন প্রিয়াঙ্কা ও ভগ্নিপতি রবার্ট ভদ্র। এ সময় বিশৃঙ্খল জনতার প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আপনাদের জানা উচিত, কেন আপনারা এখানে এক হয়েছেন। যদি আচরণ ঠিক করতে না পারেন, তাহলে বাড়ি যান।’ জনতার উদ্দেশে স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেন, ‘কেউ ধাক্কাধাক্কি করবেন না।’

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া এলাকার জঙ্গলে গত ১৭ জানুয়ারি আট বছরের শিশু আসিফা বানুর মৃতদেহ পাওয়া যায়। সে যাযাবর মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্য। জম্মু ও কাশ্মীর মুসলিমপ্রধান অঞ্চল হলেও কাঠুয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রাধান্য রয়েছে। স্থানীয় এক হিন্দু কিশোর আসিফাকে অপহরণের পর সেখানকার একটি মন্দিরে লুকিয়ে রাখে। ঘুমের ওষুধ দিয়ে আচ্ছন্ন করে রাখা অবস্থায় তাকে গণধর্ষণ করা হয়। অবশেষে শ্বাসরুদ্ধ করে, মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করে ফেলে দেওয়া হয় জঙ্গলে। এ ঘটনায় অপহরণকারী কিশোর, অবসরপ্রাপ্ত এক সরকারি কর্মকর্তা ও চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু তাদের গ্রেপ্তার ও চার্জশিট দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রচণ্ড প্রতিরোধ গড়ে তোলে হিন্দু সম্প্রদায়। বিষয়টি সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার জন্ম দেয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কোনো মন্তব্য করেননি।

কাঠুয়ার ঘটনাটি শেষ পর্যন্ত আঞ্চলিক থেকে জাতীয় ইস্যু হয়ে উঠেছে। এতে সাধারণ জনতার পাশাপাশি রাজনীতিকরা, এমনকি বলিউড ও ক্রিকেট তারকারাও আওয়াজ তুলছেন।

আনুশকা শর্মা টুইট করেন, ‘যে জগতে আমরা বাস করি, সেখানে কী ঘটছে? এসব লোকজনকে অবশ্যই কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে।’

ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর ভারতের বিদ্যমান ব্যবস্থার প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে টুইট বার্তায় বলেন, ‘আসুন মি. সিস্টেম, অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার মতো জোর যে আপনার আছে, সেটা আমাদের দেখিয়ে দিন। আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি।’

আসিফা ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টায় গ্রেপ্তার হন বিজেপির আইন প্রণেতা কুলদীপ সিং। উত্তর প্রদেশে উন্নাও জেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে আসিফা ধর্ষণের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত করার কথা জানিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের একদল আইনজীবী প্রধান বিচারপতি ও দুই বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদন জানালে বেঞ্চ গতকাল এ সিদ্ধান্ত নেন। আসিফা ধর্ষণের ঘটনায় চার্জশিট দাখিলে কাঠুয়ায় যেসব আইনজীবী বাধা সৃষ্টি করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করা হবে বলে জানান আদালত। সূত্র : এএফপি, বিবিসি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে জেলা পুলিশ সুপারের শুভেচ্ছা

আজ পহেলা বৈশাখ, ১৪২৫। বাংলা নববর্ষের এই আনন্দঘন দিনে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। বাংলা নববর্ষ চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্যে লালিত এক অনন্য দিন। বাংলা নববর্ষের এই দিনটি বাঙ্গালি জাতিকে এক মহামিলনে রুপান্তরিত করে। নববর্ষের উৎসবেই বাঙ্গালি খুঁজে পায় তার ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং গৌরবগাঁথা সংস্কৃতি। এদিনটি বাঙ্গালি জীবনকে প্রবলভাবে আপ্লুত করে এবং পুরাতনকে পেছনে ফেলে সামনে চলার অফুরন্ত অনুপ্রেরণা যোগায়। আমাদের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষি, ব্যবসা, উৎসব-পার্বণসহ পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে বাংলা সনের ব্যবহার ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাঙ্গালি জীবনে বাংলা নববর্ষের আবেদন তাই সার্বজনীন। অতীতের সকল বিভেদ ভুলে এবারের বাংলা নববর্ষ সকলের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরো সুসংহত করুক- এই কামনা করি। আমাদের সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে মাদক ও জঙ্গীবাদমুক্ত সোনার বাংলা গড়ব এটাই হোক এবারের নববর্ষের শপথ। বাংলা নববর্ষ সকলের জন্য শুভ ও কল্যাণকর হোক- এই কামনায় সকলকে আবারো বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।

 

শুভেচ্ছান্তে-

(মোঃ সাজ্জাদুর রহমান)

পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা।

পহেলা বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সৌদিতে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবের রিয়াদে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আট বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এছাড়া পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের সৌদির হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় রিয়াদ বিমানবন্দর সংলগ্ন নূরানী ইউসিভার্সিটিতে কর্মরত অবস্থায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী থানার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের আবুল হোসেনের ছেলে রবিন (২২), গাজীপুরের কালীগঞ্জের হিমেল (২৮), রূপগঞ্জের মজিদ (৫০), ঢাকার যাত্রাবাড়ীর সোলেমান, কিশোরগঞ্জের ইকবাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সেলিম ও সিলেটের জোবায়ের।

এর মধ্যে নরসিংদীর ডাঙ্গা ইউনিয়নের মাঝের চরের পাভেল (২২) ও ঢাকার খোরশেদ (৫০) গুরুত্বর আহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ইভটিজিং রোধে সোচ্চার ইউএনও; ৮ মাসে ১৮ জনের দন্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলাকে ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ মুক্ত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম আর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা পারভীন। তিনি কলারোয়াতে যোগদানের পর হতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে উপজেলার প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীসহ স্থানীয় মেয়েরা যাতে ইভটিজিংএর শিকার না হন সেজন্য গণসচেতনতার পাশাপাশি নানান উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। যোগদানের গত ৮মাসে ১৮জন বখাটেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড, আর্থিক জরিমানা দিয়েছেন তিনি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংযোগ সড়ক, স্কুল গেইটে ও শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়ার রাস্তায় কোন ছেলে কোন মেয়েকে উত্যক্ত করার খবর পেলেই ছুটে যান সেখানে, তাৎক্ষনিক ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে সত্যতা যাছাই-বাছাই করে রায় ঘোষনা করছেন। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ইতোমধ্যে তিনি বেশ কয়েকটি রায়ের মাধ্যমে ইভটিজারদের কারাদন্ড ও আর্থিক জরিমানাও করেছেন। বন্ধ করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন বাল্যবিবাহ রোধেও। ফলে প্রশংসিত হচ্ছেন সর্বমহলে।

ইউএনও মনিরা পারভীন জানান- ‘অফিসিয়াল মোবাইল ও অফিসিয়াল ফোন নাম্বার উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও শিক্ষার্থীদের নিকট দেয়া হয়েছে। যে কেউ ফোন বা মেসেজ করে যেকোন অপরাধের সনির্দিষ্ট তথ্য পাঠালে তরিৎ গতিতে আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।’
যে কোন মূল্যে কলারোয়া উপজেলাকে ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ মুক্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

ইউএনও’র দপ্তরে সেবা নিতে আসা পৌরসদরের মুরারিকাটি গ্রামের বাসিন্দা কলারোয়া গার্লস পাইলট হাইস্কুলের নবম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থীর মা সাবিনা খাতুন জানান- ‘তার মেয়েকে স্কুলে যাওয়া আসার পথে এলাকার কয়েকটা বখাটে যুবক অশ্লীল প্রস্তাব ও কথাবার্তার মাধ্যমে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করতো। আমি বিষয়টি গত শনিবার ইউএনও স্যারকে জানালে তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যেমে বখাটেকে কারাদন্ড প্রদান করেন। তার মেয়ে এখন নির্ভয়ে স্কুলে যাওয়া আসা করতে পারছেন। আমরা ইউএনও স্যারের এই মহতী উদ্যোগে খুবই খুশী।’

ইউএনও অফিস সূত্রে জানা যায়- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীন কলারোয়াতে যোগদান করেন গত বছরের ২৮ আগষ্ট। যোগদানের পর থেকে গত ৮ মাসে তিনি ১৮ জন বখাটেকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা প্রদান করেছেন। এছাড়া উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বাল্যবিবাহ বন্ধের পাশাপাশি তিনি সেই সমস্ত ছাত্রীদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করেছেন।’
তবে বিষয়টি নিয়ে এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন যে- উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা ব্যক্তি হিসেবে ইউএনও’কে আরো বেশি গণসচেতনার দিকে মনোনিবেশ করা উচিৎ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য নিয়ে ঝাউডাঙ্গায় এমপি রবি’র উঠান বৈঠক

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য নিয়ে জনগণের দোড় গোড়ায় নারীদের নিয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সদরের ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ০২নং ওয়ার্ডের পাথরঘাটা গ্রামে হাসান তারেকের -বাড়ির উঠানে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য তুলে ধরে উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জয়লাভ করে গণতন্ত্র রক্ষা করেছিলেন বলেই আজ বাংলাদেশ বিশে^র দরবারে আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। আর ২০১৪ সালের নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা জয়ী হয়েছিলেন বলেই আজকের এই উন্নয়ন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা বিজয়ী হতে পারলেই দেশের এই উন্নয়নের গতি আরো ত্বরান্বিত হবে। আগামী সংসদ নির্বাচনে বাংলার জনগণ এ সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নৌকায় ভোট দেবে। আওয়ামীলীগ সরকার গঠনের পর থেকে বছরে সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, শিক্ষার হার ও মান উন্নয়ন, শিশু ও নারীসহ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, সড়ক, রেল, নৌ-যোগাযোগ ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষির বিকাশ, ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই রূপকল্পে দেয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সাফল্য অর্জন করেছেন। শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে জঙ্গি দমন, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ প্রতিটি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে দেশের জনগণ আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে। ২০১৪ সালে সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসেছিল বলেই আজকে স্বপ্নের পদ্মা সেতুসহ দেশের বিভিন্ন সেক্টরে উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।’ এসময় বিভিন্ন এলাকার মানুষ বর্তমান সরকারের উন্নয়নের প্রশংসা করেন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, নির্বাহী সদস্য অতিরিক্ত পিপি এড. আব্দুল লতিফ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা জ্যোৎন্সা আরা, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন, জেলা পরিষদের সদস্য ওবায়দুর রহমান লাল্টু, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রমজান আলী বিশ^াস, ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান, সরদার আব্দুল মজিদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলেখা দাস, দপ্তর সম্পাদক তহমিনা ইসলাম,প্রমুখ। এসময় স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest