সর্বশেষ সংবাদ-
Решения для обеспечения доступности сайта Lev Casino и партнерские возможностиসাজিদ এন্টারপ্রাইজের পক্ষ থেকে জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে সংবর্ধনাОбзор LEV Gambling Enterprise: разработка, игры, безопасность и опыт игроковPinco yüklə onlayn kazino oynamaq – əsl uduşların portalıশ্যামনগরে বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যুসৌদি আরবের সাথে মিল রেখে সাতক্ষীরার ২৫ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ উল আযহাসাতক্ষীরায় অসহায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ সম্মানি বিতরনআশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং : মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানাম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী: উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদDigital Fairness in the Age of Big Tech

আশাশুনিতে দুই ভাইয়ের বিরোধে শিশু নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বসত ঘরের চাল উঠানো নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধের জেরে ছুড়ে মারা ইটের আঘাতে আহত শিশু তৈয়বুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

নিহত শিশু তৈয়বুর রহমান সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার পূর্ব নাকনা গ্রামের আব্দুল গণি পাড়ের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার পূর্ব নাকনা গ্রামের আব্দুল গণি পাড় ও আব্দুল খলিল পাড় নামে দুই ভাইয়ের মধ্যে ঘরের চাল উঠানোকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডা হয়। এসময় খলিল ও তার দুই ছেলে মহাসিন ও ইয়াসিন ক্ষিপ্ত হয়ে গণি পাড়কে লক্ষ্য করে ইট ছুড়ে মারে। কিন্তু সেই ইট ঘরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গনি পাড়ের শিশু পুত্র তৈয়বুরের মাথায় গিয়ে লাগে। এতে ১০ বছরের শিশু তৈবুর গুরুতর আহত হলে তাকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবণতি হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করে। এরপর সেখানেও তার অবস্থার অবণতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পরামর্শ দেন।

ফলে শুক্রবার সকালে শিশুটিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে খুলনা সার্জিক্যাল হাসপাতালে নেওয়ার পথেই সে মারা যায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শান্তিনিকেতনে এক মঞ্চে শেখ হাসিনা-মোদি-মমতা

পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উপলক্ষে এক কাতারে দাঁড়ালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে যোগ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার আগে তিনি রবীন্দ্র চেয়ারে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এর আগে শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে কলকাতার স্থানীয় সময় ৯টা ২৫-এ নেতাজি সুভাস চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান শেখ হাসিনা।

সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে বীরভূমে শান্তিনিকেতনে পৌঁছালে বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক সবুজ কলি সেন তাকে অভ্যর্থনা জানান।

এই সমাবর্তন ঘিরে শান্তিনিকেতনের আম্রকুঞ্জে বিশ্বভারতীকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র ভবনে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, যিনি বিশ্বভারতীর আচার্য।

এদিকে শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লিতে নির্মিত বাংলাদেশ ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন দুই প্রধানমন্ত্রী। এ ভবনে নির্মিত হয়েছে আধুনিক থিয়েটার, প্রদর্শনী কক্ষ, বিশাল লাইব্রেরি। এই লাইব্রেরিতে রয়েছে সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাস এবং বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক সম্পর্কিত গ্রন্থ।

এ ছাড়া ভবনের প্রবেশদ্বারের দুই প্রান্তে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মুর‌্যাল স্থাপন করা হয়েছে। উদ্বোধন শেষে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এখান থেকে শেখ হাসিনা কলকাতা ফিরে এসে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি পরিদর্শন করবেন।

সন্ধ্যায় হোটেল তাজ বেঙ্গলে কলকাতা চেম্বার নেতারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

শনিবার প্রধানমন্ত্রী আসানসোলে যাবেন। সেখানে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ সমাবর্তনে শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন। পরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কক্সবাজারে বন্দুকযুদ্ধে এমপি বদির ‘বেয়াই’ নিহত

ন্যাশনাল ডেস্ক: কক্সবাজারের রামুতে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বেয়াই আকতার কামাল (৪১) নিহত হয়েছেন।

পুলিশ জানায়, কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও পুলিশের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।

শুক্রবার ভোরে উপজেলার খুনিয়াপালংয়ের দুই নম্বর ব্রিজ এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী সিকদার।

নিহত কামাল এমপি বদির বড় বোন শামসুনাহারের দেবর এবং টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

ওসি লিয়াকত আলী সিকদার জানান, ভোরে ইয়াবার লেনদেনকে কেন্দ্র করে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কামালের মরদেহ খুঁজে পায়। ঘটনাস্থল থেকে তিন হাজার পিস ইয়াবা, দেশীয় তৈরি এলজি ও চার রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে চুরির সময় চোর আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ল্যাপটপ ও মোবাইল চুরির সময় এক চোরকে হাতে নাতে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা। আটককৃত চোর কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা এলাকার মেহেদী হাসান(২৫)।
২৪ মে ইফতারের পর চোর মেহেদী কলেজের আবাসিক এলাকায় প্রবেশ করে একটি ল্যাপটপ ও ২টি মোবাইল চুরির করার চেষ্টা করে। এসময় শিক্ষার্থীরা তাকে হাতে নাতে আটক করে। পরে ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়িতে হস্তান্তর করেন।
কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, মেডিকেল কলেজে চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায়ই এখানে কিছু কিছু চুরি হচ্ছে। এতদিন পর আমরা মেহেদীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি।
ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছাত্ররা আটক করে ফাঁড়িতে দিয়েছিলো। পরবর্তীতে আমরা থানায় পাঠিয়ে দিয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রলীগের কেন্দ্র থেকে জেলা সর্বত্র সংস্কার চান শেখ হাসিনা, কমিটি চূড়ান্তের পথে

রাজনীতির সংবাদ: ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনে শেষ হলেও কমিটি ঘোষণা হয়নি। কাউন্সিল অধিবেশনে ছাত্রলীগের গঠনতান্ত্রিক সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনার ওপর নেতৃত্ব বাছাইয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়। ওই সময় দুই-একদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নতুন কমিটি ঘোষণা করবেন বলা হলেও দুই সপ্তাহ পেরিয়ে তা ঘোষিত হয়নি। কমিটি গঠনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সতর্কতা অবলম্বনই এই বিলম্বের কারণ। কমিটির প্রস্তাবিত প্রতিটি নেতা সম্পর্কে গোয়েন্দা প্রতিবেদন বিশ্লেষণের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে খোঁজখবর নিয়েছেন শেখ হাসিনা।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিচ্ছন্ন ইমেজ ও ব্যাকগ্রাউন্ডের নেতাদেরই ছাত্রলীগের কমিটিতে স্থান দিতে চান প্রধানমন্ত্রী। এরই মধ্যে ব্যাপক যাচাই-বাছাইয়ের পর কমিটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পছন্দের প্রাথীদের নামও চূড়ান্ত করেছেন তিনি। ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে যে কোনো সময় নতুন কমিটির ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী একটি সূত্র।

সূত্র জানায়, কেবল কেন্দ্রীয় কমিটি নয়, সারাদেশের ছাত্রলীগে ব্যাপক সংস্কার আনতে চান শেখ হাসিনা। তাই কেন্দ্রীয় কমিটির পদ প্রত্যাশী নেতাদের পাশাপাশি সারাদেশের সব জেলা কমিটির বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছেন তিনি। কেন্দ্রের মতো অনেক জেলা ইউনিটেই অনুপ্রবেশকারী, চাঁদাবাজ, মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের নেতা বনে যাওয়ার অভিযোগকে ব্যাপক গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রধান। তার নির্দেশে কেন্দ্রীয় কমিটির পদ প্রত্যাশীদের পাশাপাশি জেলা কমিটি ও অন্যান্য ইউনিটের ছাত্রলীগ নেতাদের ব্যাকগ্রাউন্ডও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সর্বত্র সংস্কার আনতে চান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, অধিকতর যোগ্য প্রার্থীকে খুঁজে বের কারতেই তিনি ছাত্রলীগের কমিটি গঠনে সময় নিচ্ছেন। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সব কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও কমিটির পদপ্রত্যাশীদের ডাটা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। ছাত্রলীগ নিয়ে তিনি এবার অন্য কারও ওপর আর ভরসা রাখতেও চাচ্ছেন না। কারণ সামনে জাতীয় নির্বাচন, এতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বড় ধরনের ভূমিকা পালন করতে হবে। সার্বিক দিক চিন্তা করেই নেতৃত্ব বাছাইয়ের কাজটি প্রায় চূড়ান্ত করে এনেছেন তিনি। ভারত সফর শেষে ফিরে কমিটি ঘোষণা করতে পারেন তিনি।

সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সাংগঠনিক পদে নেতা নির্বাচন ছাড়াও ঢাকা বিশবিদ্যালয় ও ঢাকা মহানগরের আংশিক কমিটি করে দিতে পারেন তিনি নিজেই। এছাড়া ঢাকা ও এর আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটেও যোগ্য ও দক্ষ ছাত্রনেতাদের নেতার নাম দিয়ে দিতে পারেন নতুন নির্বাচিত সভাপতি-সম্পাদকের কাছে। তারা পরবর্তীতে এসব ইউনিটে কমিটি গঠন করবেন। মেয়াদপূর্তি না হলেও সাংগঠনিক গুরুত্ব বিবেচনায় অনেক জেলায় আসতে পারে নতুন কমিটি।

ছাত্রলীগের কমিটি গঠনে পদপ্রত্যাশীদের যাচাইবাছাইয়ে সম্পৃক্ত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয় একনেতা বলেন, প্রায় সপ্তাহখানেক আগেই আমরা যাচাইবাছাই শেষে ক্লিন ইমেজের সাতজন ছাত্রনেতার নামের তালিকা প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছি। এদের থেকেই প্রধানমন্ত্রী যোগ্যদের বেছে নিবেন। প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণায় বিলম্ব করার মূল কারণ হলো, ছাত্রলীগে যেন আর অনুপ্রবেশকারী না ঢোকে। ছাত্রলীগকে কেউ যেন বিপথে নিয়ে যেতে না পারে।

কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনে প্রধানমন্ত্রী বয়সসীমা ২৮ বছরের মধ্যে রাখার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দি্চ্ছেন। পাশাপাশি তিনি দুটি খতিয়ে দেখছেন। প্রথমত, সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে কি না, অভিযোগগুলো অদৌ সত্য কি না। দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা কার ব্যাপারে কত উৎসাহী? বেশ ক’জন নেতা আছেন যারা তাদের পছন্দের ছেলেমেয়েদের কমিটিতে রাখতে চান। ওই কমিটি যেন নিজেদের পকেট কমিটি হিসেবে কাজ করে। এসব বিবেচনায় ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে এবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সব সিন্ডিকেট অকার্যকর করতে চান। ছাত্রলীগের দুই-তিনজন শীর্ষনেতার গতিবিধি নজরদারিতে রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ছাত্রলীগের কমিটি বিলম্ব হওয়ার কারণ ছাত্রলীগকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত নানামুখী সমস্যার পর্যবেক্ষণ ও নীরিক্ষণ শেষে তার সুষ্ঠু সমাধান বের করা। বিভিন্ন জেলায় শীর্ষ পদে অনুপ্রবেশ ঘটেছে। রয়েছে মাদক ব্যবসায়ী। ঢাকা মহানগরের কয়েকটি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ পদধারী মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ঢাকার একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকও এ তালিকায়। এসব বিষয় ভাবিয়ে তুলেছে আওয়ামী লীগের শীর্ষ মহলকে। এজন্য দলের নেতারা এর সমাধানের পুরো দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে। রাষ্ট্রীয় ও দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি আপাতত যেটুকু সময় বের করতে পারেন তখনই ছাত্রলীগের বিভিন্ন বিষয়ে সমাধান খোঁজেন শেখ হাসিনা।

সূত্র জানায়, ছাত্রলীগ নেতাদের কার্যক্রমের কয়েকটি ভয়াবহ চিত্র ও তথ্য-উপাত্ত গোয়েন্দারা প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছেন। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছাত্রলীগকে পরিকল্পিতভাবে জঙ্গি সংগঠনে পরিণত করার টার্গেট ছিল অনুপ্রবেশকারীদের। ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদের পাশাপাশি সারাদেশের বিভিন্ন জেলা ইউনিটে শিবির, ছাত্রদল, শান্তি কমিটির সন্তান-স্বজনসহ স্বাধীনতাবিরোধী মতাদর্শের ছাত্রদের ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি অওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠকে আলোচনাকালে বলেছেন, ‘ছাত্রলীগকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু আমি বেঁচে থাকতে সেটা হতে দেবো না।’

জানা গেছে, ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব নির্বাচনে পদ প্রত্যাশী সবাইকে প্রধানমন্ত্রী ডেকে কথা বলবেন না। তবে যাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসাবেন সেই ২৫-৩০ জনের সঙ্গে তিনি কথা বলতে পারেন। তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও কর্মপন্থা বলে দিবেন।

সর্বশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে বিলম্বের বিষয়ে আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী জিজ্ঞেস করলে জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি ৩২৩ জন পদ প্রত্যাশীর অতীত, পারিবারিক পরিচয়সহ জীবনবৃত্তান্ত এবং সাংগঠনিক ও গোয়েন্দা সংস্থার ৫ স্তরের রিপোর্ট মিলিয়ে দেখছেন। এজন্য সময় লাগছে।

সূত্রমতে, বিগত দুটি কমিটির প্রথম সারির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ জমা পড়েছে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। দেশ-বিদেশে তাদের জাঁকজমকপূর্ণ রাজসিক জীবনযাপনে আয়ের উৎস খোঁজা হচ্ছে। অনেকের আন্তর্জাতিক কানেকশন রয়েছে। এসব বিষয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষ মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে। আর এ কারণেই কেন্দ্রীয় কমিটর প্রধান সাংগঠনিক পদ নেতা নির্বাচন চূড়ান্ত হওয়ার পরও কমিটি ঘোষণার আগে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় কলারোয়ায় মাদক ভাগাভাগি নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে ইউনুস আলী দালাল (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শ্যুটার গান, ২ রাউন্ড গুলি ও ৭০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, শুক্রবার ভোর রাত দুইটার দিকে উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
নিহত ইউনুস আলী দালাল উপজেলার দক্ষিণ ভাদিয়ালি গ্রামের আব্দুল্লাহ দালালের ছেলে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, “ভোর রাত দুইটার দিকে সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর-বড়ালি পাকা রাস্তার পাশে সীমান্ত এলাকায় দুইদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি হচ্ছে বলে তারা খবর পান। তাৎক্ষণিক পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে ৫ রাউন্ড ফাঁকা শর্টগানের গুলি ছোড়ে। এতে দুইপক্ষই ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়। পরে বিলের মধ্যে তল্লাসী চালিয়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইউনুসকে পাওয়া যায়। এরপর তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিকুল ইসলাম তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ওয়ান শ্যুটার গান, দুই রাউন্ড গুলি ও ৭০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করে। ”
তিনি আরও জানান, নিহত ইউনুস আলী দালাল একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপে ‘গোল্ডেন বল’ জিতেছিলেন যারা

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপ, বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর বলতে হবে এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতাকে। এখন পর্যন্ত মাঠে গড়িয়েছে ২০টি আসর। প্রায় সব আসরেই কেউ না কেউ পায়ের জাদুতে মাতিয়ে রেখেছিলেন পুরো ফুটবল বিশ্বকে। প্রতি আসর শেষেই বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলার নির্বাচন করা হলেও প্রথম  ১১টি আসরে ছিল না কোনো পুরস্কার। ১৯৮২ বিশ্বকাপ থেকে অ্যাডিডাস ও ফরাসি ফুটবল পত্রিকা ‘ফ্রান্স ফুটবল’র উদ্যোগে ফিফা  শুরু করে এই পুরস্কারের প্রচলন।

শুধু যে বিশ্বকাপজয়ী দলের খেলোয়াড়ই টুর্নামেন্ট সেরা হবেন তেমনটা নয়। বরং রানার্সআপ কিংবা অন্যান্য দলের খেলোয়াড়রাও জিতেছেন এই পুরস্কার। শেষ তিন আসরে যারা জিতেছেন গোল্ডেন বল তাঁদের দল কিন্তু জিততে পারেনি বিশ্বকাপ।

গোল্ডেন বলের প্রচলন শুরু হয়েছিল যে আসরে, সেই আসরে সেরা খেলোয়াড়ের সম্মান পেয়েছিলেন পাওলো রসি। মাঠে গড়ানো শেষ বিশ্বকাপের আসর ছিল ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপ। সেই প্রতিযোগিতায় আর্জেন্টিনাকে একা ফাইনালে নিয়েছিলেন দলটির অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে গেলেও গোল্ডেন বল উঠেছিল মেসির হাতেই।

শুধু যে ডিফেন্ডার, মিডফিল্ডার কিংবা ফরোয়ার্ডরাই জিতেছেন গোল্ডেন বল, তেমনটা কিন্তু নয়। ২০০২ বিশ্বকাপে কিন্তু সেরা গোল্ডেন বল জিতেছিলেন পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে অসাধারণ গোলকিপিং করা অলিভার কান। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে একমাত্র গোলরক্ষক হিসেবে এই জার্মান জিতেছেন সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।

বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল বিজয়ীরা:

১৯৮২ বিশ্বকাপ : পাওলো রসি (ইতালি)

১৯৮৬ বিশ্বকাপ : দিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা)

১৯৯০ বিশ্বকাপ : সালভাতোরে স্কিলাচি (ইতালি)

১৯৯৪ বিশ্বকাপ : রোমারিও (ব্রাজিল)

১৯৯৮ বিশ্বকাপ : রোনালদো (ব্রাজিল)

২০০২ বিশ্বকাপ : অলিভার কান (জার্মানি)

২০০৬ বিশ্বকাপ : জিনেদিন জিদান (ফ্রান্স)

২০১০ বিশ্বকাপ : দিয়েগো ফোরলান (উরুগুয়ে)

২০১৪ বিশ্বকাপ : লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯ তম জন্মবার্ষিকী

সাহিত্য ডেস্ক: আজ ১১ জ্যৈষ্ঠ। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী। দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, সংগঠন নানা অনুষ্ঠানের আয়োজনের মধ্যদিয়ে দিনটি পালন করবে।

জাতীয় পর্যায়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক যোগে আজ কবির স্মৃতিধন্য ত্রিশাল, ঢাকা, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আজ কবির স্মৃতি বিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশালে বিকেল সাড়ে তিনটায় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কবির জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন।

সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে কবির সমাধিতে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি পালন শুরু হবে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো হবে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তাঁরা কবির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

দ্রোহ, প্রেম, সাম্য, মানবতা ও শোষিত বঞ্চিত মানুষের মুক্তির বার্তা নিয়ে এসেছিলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মূলত তিনি বিদ্রোহী। কবির প্রেমিক রূপটিও প্রবাদপ্রতিম।

কবি বলেছেন, ‘আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন খুঁজি তারে আমি আয়নায়।’ পৃথিবীতে এমন ক’জন আছেন যিনি প্রেমের টানে রক্তের সর্ম্পকে অস্বীকার করে পথে বেরিয়ে পড়তে পারেন।

বাংলা ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুরিয়া থানার চুরুলিয়া গ্রামে কবি কাজী নজরুল ইসলাম জন্মেছিলেন। তাঁর ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন।

বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীত জগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। তার কবিতা, গান ও সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল।

কাজী নজরুল ইসলাম অসাম্প্রদায়িক ও শোষণমুক্ত দেশ ও সমাজ গড়ার মানসে সাহিত্যে বিভিন্ন শাখায় লেখালেখি করেন। এ সব ক্ষেত্রে তিনি সংগ্রামী ও পথিকৃৎ লেখক। তাঁর লেখনি জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। তাঁর কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে স্বপরিবারে সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলাদেশে তাঁর বসবাসের ব্যবস্থা করেন। ধানমন্ডিতে কবির বসবাসের জন্য একটি বাড়ি প্রদান করেন তিনি। সেই বাড়িটিই এখন নজরুল ইনিস্টিটিউট।

নজরুল বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, নজরুল ইতিহাস ও সময় সচেতন মানুষ ছিলেন যার প্রভাব তাঁর লেখায় স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়। তিনি বলেন, তুরস্কে কামাল পাশার নেতৃত্বে প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা, রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব আর ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের তরঙ্গকে নজরুল তাঁর সাহিত্যে বিপুলভাবে ধারণ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest