সর্বশেষ সংবাদ-
হাওয়ালখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ম্যানেজিং কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের নিয়ে পিআইবির তিনদিনব্যাপি প্রশিক্ষণ শুরুনিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ কর্মীদের প্রতিহত করতে সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের মোটর সাইকেল শোডাউনসাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের জেলা কমিটি গঠনএবার সাতক্ষীরায় ২লক্ষ ৫৩ হাজার ৭২৩ জন শিশুকে এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবেতালায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধনসরকারের পুরো সিন্ডিকেট মাদকের সাথে জড়িত– সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতিআশাশুনিতে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জন গ্রেফতার : সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাদৈ‌নিক পত্রদূ‌ত সম্পাদক স. ম আলাউদ্দী‌নের ৩১তম হত্যা দিব‌স উপলক্ষে আলোচনাসভাশ্যামনগরে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

বজ্রপাতে প্রাণ গেল তিন ভাইয়ের

ন্যাশনাল ডেস্ক: সিলেটে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন ভাই মারা গেছেন। শনিবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় শহরতলীর মিরেরগাঁও এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল হক।

নিহতরা হলেন- মিরেরগাঁও গ্রামের বাবুল মিয়া, আমিন মিয়া ও ইমন মিয়া।

ওসি জানান, বিকালে তিন ভাই বাড়ির পাশের হাওরে মাছ ধরতে যান। এসময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে গুরুতর আহত হন তারা। স্থানীয়রা তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

চলতি বছর বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গত দুই মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে দুই শতাধিক লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

গত বছর বজ্রপাতে মৃত্যু হয় প্রায় ৩৭৯ জনের! আর ২০১০ সালের পর গত সাত বছরে মৃতের সংখ্যা দুই হাজারেরও বেশি। ২০১০ সালের পর দেশে বজ্রপাত বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। ২০১৬ সালে পরপর দুদিনে বজ্রপাতে ৮১ জনের প্রাণহানি ঘটে। এরপরই বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি বজ্রপাত থেকে সুরক্ষা পেতে স্থানীয় ধারণাকে ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে সারা দেশে ১০ লাখ তালগাছ রোপণের এক অভিনব কর্মসূচি নিয়েছে সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে বোমা ফাটাল আল-জাজিরা! তদন্তের ঘোষণা আইসিসির

স্পোর্টস ডেস্ক: একের পর এক ইস্যুতে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটারদের শাস্তি দেওয়া হলেও ফিক্সিং ভুত ছাড়ছে না ক্রিকেটকে। এবার আল জাজিরার একটি প্রামণ্যচিত্রে উঠে এসেছে শীর্ষস্তরের ক্রিকেট খেলা নিয়ে কিছু দুর্নীতির অভিযোগ। এই প্রামাণ্যচিত্র দেখার পর অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। আল-জাজিরা টিভিতে এ প্রামাণ্যচিত্রটি প্রচার হবার কথা।

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কিছু টেস্ট ক্রিকেট দলকে জড়িত করে ওই দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে বলে ওই প্রামাণ্যচিত্রে আনা অভিযোগে বলা হয়। টিভি চ্যানেলটি বলছে, তাদের প্রামাণ্যচিত্রে তথ্য প্রমাণ থাকবে যে – ম্যাচ পাতানোতে সহায়তার জন্য গল শহরের মাঠের পিচে কিছু পরিবর্তন আনতে রাজী হয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার একজন গ্রাউন্ডসম্যান ।

অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদপত্র বলছে, আল-জাজিরার ওই প্রামাণ্যচিত্রে দেখানো হবে যে, কীভাবে জুয়াড়িরা শ্রীলঙ্কায় ক্রিকেট ম্যাচে স্পট ফিক্সিংয়ের চেষ্টা করেছিল। ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচের সময় তিনি এ কাজ করেছিলেন, যাতে অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিন দিনের মধ্যে খুব বাজেভাবে হেরে গিয়েছিল।

রিপোর্টে বলা হয়, ২০১৬ সালে গলে সফররত অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মধ্যেকার দ্বিতীয় টেস্টের সময় ওই গ্রাউন্ডসম্যানকে পিচের অবস্থা বদলে দেবার জন্য ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া ওই একই মাঠে ইংল্যান্ড ও ভারতের খেলাগুলোকেও এ জন্য টার্গেট করা হয়েছিল।

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা দ্রুতই এ ব্যাপারে একটি বিবৃতি দেবে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়ছে, এই কথিত ষড়যন্ত্রের তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এর আগে ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের লর্ডস মাঠে এক টেস্ট ম্যাচে স্পট ফিক্সিংএর জন্য ৩ পাকিস্তানি ক্রিকেটারের কারাদণ্ড হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গভীর রাতে রণতরীতে চীনের মহড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পরাশক্তিদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজের সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে চীন। এবার দেশটি নিজেদের তৈরি বিমানবাহী রণতরীতে গভীর রাতে মহড়া চালিয়েছে।

চীনা গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে,চীনের প্রথম বিমানবাহী রণতরী লিয়াওনিংয়ে রাতের বেলায় বিমান অবতরণ ও উড্ডয়নের মহড়া চালিয়েছে দেশটির বিমানবাহিনী। এ ঘটনাকে চীনের সামরিক শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিরাট বড় পদক্ষেপ বলে দাবি করেছে চীন।

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এ বিষয়ে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে যে, পিপল’স লিবারেশন আর্মির কয়েকটি বিমান লিয়াওনিং জাহাজের ওপর অবতরণ করছে এবং সেখান থেকে উড়ে যাচ্ছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের বেলায় যুদ্ধজাহাজে বিমান অবতরণ ও উড্ডয়নের ক্ষেত্রে পাইলটদের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ থাকে। রাতের বেলায় সিগনাল বাতি আলাদা করা এবং পাইলটদের পক্ষে জাহাজ থেকে বিমান ওড়ানোর সক্ষমতা বুঝতে পারা কঠিন কাজ।

৬০ হাজার টন ওজনের লিয়াওনিং জাহাজটি ঘণ্টায় ৩৭ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে এবং একসঙ্গে ৩৬টি বিমান বহন করতে পারে।

এটি হচ্ছে চীনের একমাত্র বিমানবাহী জাহাজ। এর আগে গত এপ্রিল মাসে চীন আরও একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ যুক্ত করেছে তবে সেটিকে পরিপূর্ণভাবে কর্মক্ষম করে তুলতে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঘোড়া ও বেঁটে ঘোড়ার ফটোশুট !

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: ঘোড়া Equus ferus এর এখনও বিদ্যমান উপজাতির দুটির মধ্যে অন্যতম। এটি Equidae শ্রেণীকরণ সূত্র পরিবারের অন্তর্গত একটি অদ্ভুতদর্শন বক্রপদ খুড়ত্তয়ালা স্তন্যপায়ী প্রাণী। ঘোড়া বিগত ৪৫ থেকে ৫৫ লক্ষ বছর ধরে Hyracotherium ছোট বহু বক্রপদ জীব থেকে অভিব্যক্ত বর্তমানের বৃহৎ একক বক্রপদ প্রাণী। ৪০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ মানুষ, ঘোড়াকে ঘরে পোষা শুরু করে এবং তাদের পোষ মানান ৩০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে বহুলভাবে শুরু হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ঘোড়ার উপজাতির মধ্যে ক্যাবালাসকে পোষ মানান হয়, যদিও এদের কিছু পোষ্য দল বুনো ঘোড়ার মত খোলা জায়গায় বা জঙ্গলে বাস করে। ঘোড়া বা ঘোটক দ্রুতগামী চতুষ্পদ জন্তু যার পিঠে চড়া যায়। দ্রুতগামী বলে এর নাম তুরগ, তুরঙ্গম।

পৃথিবীর প্রায় সব অঞ্চলেই ঘোড়া দেখা যায়। খ্রিষ্টপূর্ব তিন হাজার বছর পূর্বে মানুষ ঘোড়া পোষা শুরু করেন। ঘোড়ার পিঠে চড়ে এক জায়গা থেকে অন্যত্র যাওয়া ছাড়াও মালামাল পরিবহনেও ঘোড়ার ব্যবহার রয়েছে। এখনকার দিনে নেহায়েত দুর্গম এলাকা না হলে মালামাল টানার জন্য ঘোড়ার ব্যবহার দেখা যায় না বললেই চলে।

কিন্তু বিনোদনের অন্যতম একটি মাধ্যম হিসেবে দারুণ জনপ্রিয় ঘোড় দৌড়। তাই ঘোড়ার কদর ঠিকই রয়ে গেছে। দ্রুত বেগে দৌড়ানোর কারণে অনেক ঘোড়া রেকর্ড বুকে জায়গা করে নিতে পারে। তবে এবার গিনেস বুকে এক জোড়া ঘোড়া নাম উঠেছে ভিন্ন একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য – সবচেয়ে বড় ঘোড়া এবং সবচেয়ে বেঁটে ঘোড়া!

২০১২ সালে সব থেকে বড় ঘোড়ার রেকর্ড গড়েছে ‘বিগ জেক’ নামের একটি ঘোড়া। সাধারণত ‘সিরে ঘোড়ারা’ আকারে বড় হলেও বিগ জেক সিরে প্রজাতির ঘোড়া না হয়েও সবচেয়ে বড় ঘোড়ার রেকর্ড গড়েছে। অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে বেঁটে ঘোড়ার স্বীকৃতি লাভ করেছে ‘থুমবেলিনা’। বিগ জেকের সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র এই থুমবেলিনা। বিগ জেকের উচ্চতা যেখানে ২১০ সেন্টিমিটার যেখানে থুমবেলিনার উচ্চতা মাত্র ১৭.৫ সেন্টিমিটার!

বিশ্বের সবচেয়ে উচ্চতার ঘোড়া বিগ জেক আর সবচেয়ে বেঁটে ঘোড়া থুমবেলিনাকে নিয়ে বিশেষ একটি ফটোশুটের আয়োজন করা হয়েছিল। তাদের পাশাপাশি রেখে যখন ছবি তোলা হয় তখন দারুণ এক দৃশ্যের অবতারণা ঘটেছিল।

শক্তিশালী এবং ভারি প্রজাতির বেলজিয়ান ঘোড়ার একটি প্রজাতি বিগ জেক। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে জিলবার্ট পরিবারে বেড়ে উঠেছে বিগ জেক। বর্তমানে বিগ জেকের বয়স ১৭ বছর। জন্মের সময়ই বিগ জেক বেশ বড়সড় হয়েছিল। জন্মের সময়ই তার ওজন হয়েছিল ২৪০ পাউন্ড। তার বয়স যখন ৭/৮ বছর তখনই মনে হচ্ছিল এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঘোড়ার রেকর্ড গড়বে।

বিগ জেকের মালিক গিলবার্ট জানান, ২০১০ সালে তারা গিনেস কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন। এরপর ২০১২ সালে গিনেস কর্তৃপক্ষ বিগ জেককে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জীবিত ঘোড়ার স্বীকৃতি দেয়। বেলজিয়ান ঘোড়ার উচ্চতা গড়ে ১৬ থেকে ১৭ হাত হলেও বিগ জেকের উচ্চতা ২০ হাত! বিগ জেকের উচ্চতা ২১০ সেন্টিমিটার বা ৮২.৫ সেন্টিমিটার।

গাড় বাদামী রঙের থুমবেলিনার জন্ম ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির একটি ঘোড়ার খামারে। জন্মের সময় এটি এতোটাই ছোট হয়েছিল যে অনেকেই একটি ছাগলের বাচ্চা মনে করে ভুল করে বসছিল। জন্মের সময় এটি মাত্র ৬ ইঞ্চি ছিল।

থুমবেলিনার মালিক মিচেল গোয়েসিলিং বলেন, বাচ্চা অবস্থায়ও মনে হয়নি যে এটি সবচেয়ে বেঁটে ঘোড়ার রেকর্ড গড়বে। এটির ছোটখাটো গড়নের কারণে স্বাস্থ্যগত দিক এবং পুষ্টির বিষয়টি নিয়ে বেশ চিন্তায় থাকতেন মনিব। কিন্তু তাদের সেই পুঁচকে ঘোড়ার সুবাদেই যে তারা রেকর্ড বুকে জায়গা করে নিয়েছেন তাতেই তারা বেশ উচ্ছ্বসিত।

অস্বাভাবিক শারীরিক গঠনের কারণে অন্য ঘোড়াদের সাথে স্বাভাবিকভাবে মিশতে পারে না বিগ জেক কিংবা থুমবেলিনা। থুমবেলিনার তো এমনই অবস্থা যে তাকে থাকতে হয় ‘ডগ হাউজে’।-সিএনএন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিস্তা নিয়ে এখনই প্রকাশ্যে আলোচনা করতে চাই না : মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তার জলবণ্টন সুষ্ঠুভাবে সমাধান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহায়তা একান্ত প্রয়োজন বলে আগেই জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেছিল, মমতার সঙ্গে হাসিনার বৈঠকের মূল কারণ ছিল সেটাই। কিন্তু বৈঠকের পর উভয়েই এ বিষয়ে চুপ। তিস্তা নিয়ে কেউই মুখ খুললেন না। স্রেফ জানালেন এটা একান্তই সৌজন্য সাক্ষাৎ। উভয়ের মধ্যেই বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।

শনিবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের মমতা বলেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই ভালো। কলকাতায় ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’ হবে। অরবিন্দ ভবনেই মূলত এটার একটা জায়গা নেওয়া হচ্ছে। সেখানেই তৈরি হবে বঙ্গবন্ধু ভবন।

শেখ হাসিনাকে ডি. লিট ডিগ্রি দেওয়া প্রসঙ্গে মমতা বলেন, তাকে ডি. লিট ডিগ্রি দিতে পেরে আমরা গর্বিত। আজকের মিটিং খুব ভালো হয়েছে। সবকিছু পজেটিভ এটাই বলতে চাই, এর বাইরে কিছু বলতে চাই না।

ব্যবসায়িক সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর জন্য মিটিং হয়েছে। দুই দেশের অর্থাৎ দুই বাঙলার মানুষজন সুখে থাকতে পারে সে বিষয়ে আলাপ হয়েছে।

তিস্তা নিয়ে মমতা বলেন, এ বিষয়ে এখনই কিছু আলোচনা করতে চাই না প্রকাশ্যে। কিন্তু শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এই বৈঠকে তিস্তা জল বণ্টন নিয়ে আলোচনা হওয়ার যেমন সম্ভাবনা ছিল, তেমনই পদ্মার ইলিশের রপ্তানি বিষয়ক আলোচনাও হবে, মনে করা হয়েছিল। দুই বাংলার মধ্যে কোন পথে সমাধান সূত্র মিলতে পারে তা নিয়েও নানা জল্পনাও শুরু হয়েছিল, তবে বৈঠক শেষে কেউই এ ব্যাপারে মুখ খুললেন না।

প্রায় ৪০ মিনিট ধরে কলকাতার হোটেল তাজবেঙ্গলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার আগে মমতার আতিথেয়তায় প্রশসাংয় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তারপর কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডিলিট সম্মানে ভূষিত করে। তারপর সকলেরই চোখ ছিল মমতার সঙ্গে তাঁর বৈঠকে।

দু দিনের সরকারি সফরে শুক্রবার (২৫ মে) কলকাতা গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের অংশগ্রহণ করেন এবং শনিবার পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলের কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার (ডি.লিট) উপাধিতে ভূষিত করা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এ উপাধি তিনি দুই বাংলার বাঙালিদের উৎসর্গ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

ন্যাশনাল ডেস্ক: দুইদিনের সরকারি সফর শেষে কলকাতা থেকে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৬ মে) রাত ১০টা ৩৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরন করেছে।

এর আগে স্থানীয় সময় শনিবার (২৬ মে) রাত ৯টা ২০ মিনিটে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে বিশেষ ফ্লাইটটি। শুক্রবার (২৫ মে) সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে কলকাতার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী।

পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বভারতীর শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধন ছাড়াও সেখানকার সমাবর্তনে যোগ দেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরপর সেখান থেকে যান রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে; যেখানে জন্ম নিয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। সেখানে তার নামে প্রতিষ্ঠিত ‘কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে’র বিশেষ সমাবর্তনেও যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

সেখানে তাকে সম্মানসূচক ‘ডি.লিট’ ডিগ্রি দেওয়া হয়েছে। এরপর কলকাতায় ফিরে নগরীর ভবানীপুরে ‘নেতাজী ভবন’ পরিদর্শনে যান শেখ হাসিনা।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ ভাগ হয়েছে। কিন্তু নজরুল-রবীন্দ্রনাথ ভাগ হননি, তারা আমাদের সবার। মানুষের কল্যাণের জন্য কবি নজরুল নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। লেখার কারণে জেল খেটেছেন। আমারও আমাদের অধিকার আদায় করতে অনেক সংগ্রাম করেছি, মুক্তিযুদ্ধ করেছি, অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি আমাদের চেতনায় ছিলেন। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেও অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে হয়েছে। জীবনের অনেক সময় জেলে কাটিয়েছেন তিনি। কবি নজরুল ও বঙ্গবন্ধুর মধ্যে চেতনার মিল ছিল।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরায় আসাদুজ্জামান বাবু’র ইজাজত চেয়ে দোয়া অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে আসাদুজ্জামান বাবু’র ভোমরা ইউনিয়নে মুসুল্লিদের কাছে (ইজাজত)চেয়ে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে ভোমরা ইউনিয়নের পদ্ম শাখরা দক্ষিন পাড়া ও বৈচনা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে এ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল গফুর, সাধারণ সম্পাদকসহ প্রতিটি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ। এসময় আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নের সরকার। স্বাধীণতার পরে আওয়ামীলীগ সরকার যে কয়বার ক্ষমতায় এসেছে, দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভেসেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে। পৃথিবীর ৫৭তম দেশ হিসাবে মহাআকাশে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইট-১। যা আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। আগামীতেও এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলকে গরিব, দুখী অসহায় মানুষের প্রতীক নৌকায় ভরসা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তাঁতীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ তাঁতীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে ইফতার মাহফিল অুনষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার শহরের কামালনগরস্থ তুফান কনভেনশন সেন্টারে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্রু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, ত্রাণ ও পূনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক এড. আজহারুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ওসমান গনি(পিপি), দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সদস্য মীর মোশারফ হোসেন মন্টু, জেলা পরিষদ সদস্য আল ফেরদৌস আলফা, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান সাদিক, জেলা তাঁতীলীগের যুগ্ম আহবায়ক তোহিদ হাসান, আসাদুজ্জামান আসাদ, কাজী মারুফ, যুবলীগ নেতা সাগর প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলে। দেশ ও দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। যা ইতোমধ্যে আমরা উপভোগ করছি। এখন প্রত্যান্ত অঞ্চলেও বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে। যার জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পক্ষেই সম্ভব। বক্তারা আরো বলেন, তাঁতীলীগ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একটি অন্যতম সহযোগী সংগঠন। জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে আন্দোলন সংগ্রামে তাঁতীলীগের ভূমিকাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আগামীতেও বাংলাদেশের এই উন্নয়নের স্রোতধারা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কে বিজয়ী করতে তাঁতীলীগের সকল নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন জেলা তাঁতীলীগের সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান তুহিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest