পাকিস্তানের সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনই ২৬/১১-এর মুম্বাই হামলা ঘটিয়েছিল। যা প্রতিহত করা যেত। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর হওয়া জঙ্গি হামলা প্রসঙ্গে শনিবার এভাবেই পাকিস্তানের ভূমিকা স্বীকার করে নিলেন পাকিস্তানের বহিষ্কৃত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ।
এদিন মৌলানা মাসুদ আজহার এবং হাফিজ সৈয়দের নাম না করে শরিফ বলেন, পাকিস্তানে রয়েছে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন। তারা রাষ্ট্র বিরোধী। তার প্রশ্ন, পাক সরকার কি কখনও তাদের বলতে পারে মুম্বই গিয়ে দেড়শো জন মানুষকে হত্যা করতে। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। তবুও শি জিনপিং এবং ভ্লাদিমির পুতিন এই অভিযোগ করেছেন। সেই মামলার বিচার এখনও কেন শেষ হচ্ছে না সেই প্রশ্ন তোলেন শরিফ।
তিনি আরও বলেন, বহু প্রাণহানি, আত্মত্যাগের পরও বিশ্বের কাছে সন্ত্রাসবাদ বন্ধে পাকিস্তান সরকারের ভূমিকায় বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পাকিস্তান সারা বিশ্বের থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। অথচ আফগানিস্তানের বার্তা বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে। সে ব্যাপারে পাকিস্তানকে ভাবতে হবে।
ভারত সরকার দীর্ঘ দিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, মানুদ আজহার এবং হাফিজ সাইদের নেতৃত্বে ২৬/১১-এর মুম্বই হামলা ঘটিয়েছিল লস্কর জঙ্গিরা। পাকিস্তান এতদিন তা না মানলেও অবশেষে তাদের দেশেরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর এই স্বীকারোক্তিতে জাতিসংঘে ভারতের অভিযোগ প্রমাণিত হল বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

শনিবার বিকাল ৪ টায় ১৯৭১-এ হরিণখোলা-গোয়ালপোতার গণহত্যায় শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা -১(তালা-কলারোয়া) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা নারী মৈত্রী সংসদের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসরিন খান লিপি, সাতক্ষীরা গণজাগরণ মঞ্চের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম, তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কামান্ডার মফিজউদ্দীন, জাসদ (আম্বিয়া) এর জেলা সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ইদ্রিস আলী, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য কাজী নজরুল ইসলাম হিল্লোল প্রমুখ।
