সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭

জলাবদ্ধতা নিরসনে দাঁতভাঙা বিল পরিদর্শনে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান বাবু

নিজস্ব প্রতিবেদক: দাঁতভাঙা বিলসহ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা, আলীপুর, ঘোনা, বৈকারী ও কুশখালী ইউনিয়নের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরেজমিনে বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে শুক্রবার দাঁতভাঙা বিল পরিদর্শন করলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় তার সাথে ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুজ্জামান।
উল্লেখ্য, পানি নিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় সদর উপজেলার ভোমরা, আলীপুর, ঘোনা, বৈকারী ও কুশখালী ইউনিয়নের হাজার হাজার বিঘা জমির ফসল বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘোনা দাঁতভাঙা বিলের খালে একটি স্লুইস গেট নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় কৃষকরা। এ বিলের পানি নিষ্কাশনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে করণীয় নির্ধারণ করতে সরেজমিনে পরিদর্শনে যান উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুসহ সাতক্ষীরা জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুজ্জামান, ঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য গণেশ চন্দ্র ও মহিবুল্লাহসহ আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদালতকে বলবেন আমি গুরুতর অসুস্থ: খালেদা

কারাবন্দি খালেদা জিয়া তার জামিন শুনানির বিষয়ে আইনজীবীদের পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, তার অসুস্থতার কথা যেন আদালতে বলা হয়। শনিবার বিকালে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদার সঙ্গে দেখা করে এসে এমন নির্দেশনা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

এতিমখানা দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজা নিয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এই কারাগারেই আছেন বিএনপিপ্রধান। এই মামলায় মঙ্গলবার তার জামিন প্রশ্নে আপিল বিভাগে শুনানির দিন রয়েছে।

এ বিষয়ে কথা বলতে শনিবার বিকাল ৪টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে যান তার পাঁচজন আইনজীবী। এরা হলেন- অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুর রেজ্জাক খান, এজে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন।

বিকাল ৫টা ১০ মিনিটে কারাগার থেকে বেরিয়ে তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

রেজ্জাক খান বলেন, ‘ম্যাডাম বলেছেন, ‘আমি অত্যন্ত গুরুতর অসুস্থ- এটা কোর্টকে জানাবেন’। জেলে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে থাকার কারণে দিন দিন তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে। মেডিকেল গ্রাউন্ডে জামিন দিয়েছে হাই কোর্ট- এটা সর্বোচ্চ আদালতে উপস্থাপনের জন্য আমাদের তিনি বলেছেন।’

মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হওয়ার পর মামলার নথি নিম্ন আদালত থেকে এনে তা দেখে গত ১২ মার্চ খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেয় হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ।

দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে গেলে সর্বোচ্চ আদালত গত ১৪ মার্চ জামিন স্থগিত করে নিয়মিত লিভ টু আপিল করতে বলে।

এরপর ১৯ মার্চ দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের অনুমতি দিয়ে আপিল বিভাগ খালেদার জামিন আগামী ৮ মে পর্যন্ত স্থগিত করে।

জামিন প্রশ্নে আপিল শুনানির জন্য রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদককে দুই সপ্তাহের মধ্যে সার সংক্ষেপ জমা দিতে আর আসামিপক্ষকে পরের দুই সপ্তাহের মধ্যে সার সংক্ষেপ দিতে বলা হয়।

কারাগারের বাইরে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘হাই কোর্ট বিস্তারিত শুনানি করে ম্যাডামকে জামিন দিয়েছেন। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে এবং আমার ৫০ বছরের ক্রিমিনাল প্র্যাকটিসে পাঁচ বছর সাজার পর হাই কোর্ট বিভাগ যখন জামিন দেয় উচ্চ আদালত সেই জামিন কখনো স্থগিত করেননি। এখানে শুধু স্থগিতই করেননি, এখানে তারা পূর্ণাঙ্গ শুনানির জন্য দীর্ঘ সময় দিয়ে তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছেন।’

‘আমরা আশা করি, বিশ্বাস করি, দেশে যদি আইনের শাসন বিন্দুমাত্র থাকে তাহলে অবশ্যই ৮ তারিখে ম্যাডাম জামিন পাবেন।’

আরেক আইনজীবী জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘আমরা ম্যাডামকে দেখতে এসেছিলাম আইনজীবী হিসেবে যেহেতু আমরা মামলা করি সেই কারণে। ম্যাডাম খুবই অসুস্থ। তার যে বাম হাত তিনি নাড়াতে পারেন না, তা শক্ত হয়ে গেছে এবং ঘাড়েও তার সমস্যা আছে। অর্থাৎ এই রকম একটি স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় বন্দি থাকা অবস্থায় যেরকম অবস্থা হয় তাই ম্যাডামের হয়েছে। ম্যাডামের বয়সও চিন্তা করতে হবে, তার বয়স ৭৩ বছরের উপরে।’

‘আমরা আগেও বলেছি, এখনও বলছি ম্যাডামের যে চিকিৎসা দরকার তা জেলখানায় সম্ভব নয়। ম্যাডামের চিকিৎসা ইউনাইটেড হাসপাতালে হওয়া দরকার।’

তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন জেল কর্তৃপক্ষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখেছে তার চিকিৎসার জন্য। কিন্তু এখন পর্যন্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। দেশের তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, দেশের বৃহৎ গণতান্ত্রিক দলের প্রধান, তিনি আজকে জেলখানায় আছেন, কী মামলায় আছেন তা আপনারা জানেন। একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলায় তিনি আজকে বিনা চিকিৎসায় জেলখানায় কষ্ট পাচ্ছেন। এটা খুবই দুঃখজনক।’

এর আগে শুক্রবার খালেদা জিয়ার কয়েক স্বজন কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসলামি কর্ম-কৌশল ঢেলে সাজাতে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দফা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমানে মুসলমানদের ভুলভাবে চরমপন্থার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে। এর আগে মুসলিমরা কখনও এত বেশি সংঘাত, অভ্যন্তরীণ গোলযোগ, বিভাজন ও অস্থিরতার মুখোমুখি হয়নি। এই অবস্থা চলতে পারে না। এ অবস্থার অবসানে তিনি ইসলামি কর্ম-কৌশল ঢেলে সাজাতে তার পাঁচ দফা চিন্তা-ভাবনা উপস্থান করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দু দিনব্যাপী ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার ৪৫তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সভার (সিএফএম) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন।

ইতিহাসের বিশেষ সন্ধিক্ষণে ঢাকায় ইসলামি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন একটা সময় অতিক্রম করছি যখন প্রযুক্তি প্রবাহ ত্বরান্বিত হচ্ছে এবং যুব সমাজের কলেবর বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পাচ্ছে অসমতা, অসহিষ্ণুতা ও সামাজিক অবিচার এবং জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব।

তিনি বলেন, এসবের সমন্বিত প্রভাবে আমাদের ইসলামি চিন্তা-চেতনার মৌলিক ভিত্তি আজ হুমকির সম্মুখীন। এমন অবস্থা আগে কখনও আমরা প্রত্যক্ষ করিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন সময় এসেছে আমাদের চিন্তা-চেতনা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনার। সময় এসেছে টেকসই শান্তি, সংহতি ও সমৃদ্ধির আলোকে আমাদের ভবিষৎকে নতুন আঙ্গিকে ঢেলে সাজানোর।

শেখ হাসিনা বলেন, ইসলামি বিশ্বের রূপকল্প এমন হতে হবে যাতে আমরা আমাদের সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পারি। নিজেরাই সব দ্বন্দ্ব-সংঘাতের সমাধান করতে পারি। দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের পথ আমাদের নিজেদেরই খুঁজে বের করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন ফলাফল-কেন্দ্রিক নতুন কৌশল-সম্বলিত একটি রূপান্তরিত ওআইসি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর এক পঞ্চমাংশ জনশক্তি, এক তৃতীয়াংশের বেশি কৌশলগত সম্পদ এবং সম্ভাবনাময় কয়েকটি উদীয়মান শক্তিশালী অর্থনীতির দেশসহ অপার সম্ভাবনা ও সম্পদশালী মুসলিম বিশ্বের পিছিয়ে পড়ে বা অমর্যাদাকর অবস্থায় থাকার কোনো কারণ নেই।

তিনি বলেন, উন্নয়ন আমাদের অধিকার, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আমাদের নাগালের মধ্যে এবং সামাজিক অগ্রগতির উপায় আমাদের হাতে। আমাদের এখন প্রয়োজন যৌথ ইসলামি কর্ম-কৌশল ঢেলে সাজানো। তিনি এ প্রসঙ্গে তার পাঁচ দফা চিন্তা-ভাবনা তুলে ধরেন-

এক
ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের ওপর সবাইকে আস্থাশীল হতে হবে। সাম্প্রদায়িক মানসিকতা বর্জন করতে হবে এবং ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করা বা সমাজে বিভাজন সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

দুই
শান্তিপূর্ণ উপায়ে সব বিবাদের সমাধান করতে হবে। আমাদের নিন্দুকদের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না দিয়ে নিজেদের সমস্যা নিজেদেরই সমাধান করতে হবে। ওআইসিতে আমাদের বিরোধ মীমাংসার প্রক্রিয়াসমূহকে শক্তিশালী করতে হবে এবং আমাদের নিজস্ব শক্তি ও সম্পদসমূহের আরও উৎকর্ষ সাধন করতে হবে।

তিন
আমাদের আত্মসচেতন আলোকিত জীবনযাপন করতে হবে। মৌলিক বিশ্বাসকে অটুট রেখে আজকের আধুনিক সমাজের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে জীবনযাপন করতে হবে। তাহলেই ইসলাম-সম্পর্কিত ভীতি দূর হবে। আমাদের মুল্যবোধভিত্তিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের লালন করে আলোকিত বিশ্ব ব্যবস্থার পথ দেখাতে হবে।

চার
দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূরীকরণ এবং জরুরি মানবিক দূরবস্থা মোকাবেলার জন্য ইসলামি সম্মেলন সংস্থার বলিষ্ঠ কর্মসূচিসহ দ্রুত কার্যকর উন্নয়নমূলক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা আবশ্যক। ওআইসি-২০২৫ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

সর্বশেষ
ইসলামের শাশ্বত মূল্যবোধ যেমন শান্তি, সংযম, ভ্রাতৃত্ব, সমতা, ন্যায়বিচার ও সমবেদনা থেকে আমাদের সর্বদা অনুপ্রেরণা ও শক্তি আহরণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বলেন, তার সুদূরপ্রসারী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ইসলামী সম্মেলন সংস্থায় যোগদান করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা প্রশাসক চালালেন গাড়ি, ড্রাইভার বসলো পেছনে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ তার ড্রাইভারের অবসরে যাওয়ার দিন। সবকিছু ঠিকঠাক চলছে। এই ড্রাইভারের বদলি ড্রাইভারও প্রস্তুত। এসব নিয়ে একজন জেলা প্রশাসক পর্যায়ের কর্মকর্তার ভাবাভাবির কিছু থাকে না সাধারণত। তবে ভারতের কর্নাটকের কুরুর জেলার কালেক্টর টি. অন্বাঝগান অন্য ধাঁতের মানুষ।

যে ড্রাইভার তাকে সেবা দিয়ে গেছে আগেরদিন পর্যন্ত তার বিদায়ের দিনটিকে তিনি স্মরণীয় করে রাখতে চাইলেন। তাই দীর্ঘদিন যে লোকটি তার মতো কালেক্টরদের আনা-নেওয়া করেছে ড্রাইভিং সিটে বসে, সেই ড্রাইভিং সিটে গিয়ে তিনি নিজে বসলেন। এ ঘটনা চালক পরামাসিবমের জন্য ছিল চরম অপ্রত্যাশিত এবং একই সঙ্গে পরম আনন্দেরও।

কালেক্টর টি. অন্বাঝগান সেদিন ডিউটি শেষে অফিস থেকে বের হয়ে এলেন পরামাসিবমের সঙ্গে। এরপর বাইরে দাঁড়ানো গাড়ির দরোজা খুলে ধরলেন- কাজটি এতদিন পরামাসিবম করে এসেছেন তার জন্য। আজ কালেক্টর সাহেব নিজে তার চালকের জন্য একই কাজ করলেন। অভূতপূর্ব এই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করে ফেলেন সহকর্মীরা।

ওদিকে, পরামাসিবম এমন অভাবিত ঘটনায় চরম অপ্রস্তু বোধ করছিলেন। কিন্তু কালেক্টর সাহেব নাছোরবান্দা। তিনি তার চালককে পেছনের সিটে বসতে সাহায্য করলেন এরপর নিজে গিয়ে বসলেন ড্রাইভিং সিটে। এসময় সেখানে ছিলেন চালকের স্ত্রীও- কালেক্টর সাহেব ড্রাইভিং সিটে বসার আগে তাকেও দরোজা খুলে ভেতরে বসান।

রাস্তায় অনেকেই এ দৃশ্য দেখে বিষম খাওয়ার যোগার। যারা কলেক্টর সাহেবকে চেনে এবং চেনে তার ড্রাইভারকেও- সবাই তাজ্জব।

তবে তিনি নিখাঁদ পেশাদার ড্রাইভারের মতোই গাড়ি চালিয়ে তার ‘সেদিনকার বসকে’ বাসায় পৌঁছে দিলেন অন্বাঝগান। পরামাসিবমের বাসস্থান অফিস থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরের গান্ধিগ্রাম পর্যন্ত গড়ি চালিয়ে নিয়ে যান তিনি। এরপর ড্রাইভার তাকে নিজের বাসায় চায়ে আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা সাদরে গ্রহণ করেন।

ঘটনা প্রসঙ্গে ভাগ্যবান ড্রাইভার পরামাসিবম বলেন, আমি পুরো হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। কখনো ভাবিনি যে এমন ঘটনা আমার সঙ্গে ঘটবে। আমি আমার বসের কাছে কৃতজ্ঞ। গর্ববোধ করছি যে নিজের রাজ্যের কিছু সেবা করতে পেরেছি আমার কাজের মাধ্যমে।

ভারতীয় মিডিয়াগুলো জানায়, টি. অন্বাঝগান শুধু তার চালককে নিজে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি-ই পৌঁছে দেননি, আগের দিন অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল অফিসে এক পার্টি দেন পরামাসিবমের বিদায় উপলক্ষ্যে।

এ ঘটনায় প্রশংসায় ভাসছেন টি. অন্বাঝগান। তিনি মাত্রই গত মার্চে করুর জেলা কালেক্টরের দায়িত্ব নেন।

ড্রাইভারকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া প্রসঙ্গে বলেন, যদি একজন কালেক্টর দিনে ১৬ ঘণ্টা কাজ করে থাকে তবে তার ড্রাইভার কাজ করে ১৮ ঘণ্টা। তাকে সবসময় অ্যালার্ট থাকতে হয়- পথে আমাদের জীবন তার জিম্মায় থাকে। সে তার বসের আগে কাজে আসে (তাকে অফিসে নিতে তার বাসায় আসে) এবং প্রায়ই দেরিতে নিজের ঘরে ফেরে। গত তেত্রিশ বছর আমাদের যে সেবা তিনি দিয়েছেন তার জন্য তাকে সম্মানিত করতে চাই। সারা জীবন তিনি আমাদের (কালেক্টর সাহেবদের) বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন। আজ আমাদের পর্ব এসেছে তাকে সম্মানের সঙ্গে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার।

পরামাসিবম ৩৩ বছর চাকরিশেষে গত ৩০ এপ্রিল অবসরে যান। দীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি ৮ জন কালেক্টরকে সেবা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এ ধরনের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। গত জানুয়ারিতে মুংগেরের জেলা প্রশাসক উদয় কুমার সিং ৩২ বছর ধরে চাকরি করা ড্রাইভার সম্পত রামকে স্মরণীয় বিদায় দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন। বছর দুয়েক আগে নভেম্বর মাসে মহারাষ্ট্রের আকোলা জেলার কালেক্টর জি. শ্রীকান্তও তার চালক দিগন্বর থাককে এভাবে বিদায় দিয়েছিলেন। ৩৫ বছরের চাকরির শেষ দিনটিতে শ্রীকান্ত নিজে গাড়ি চালিয়ে দিগন্বরকে তার ঘরে পৌঁছে দেন।

এসময় তাদের বহকারী সাদা গাড়িটি ছিল গোলাপ ফুল দিয়ে সাজানো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক মঞ্চে নচিকেতা ও শাওন

কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এর স্মরণে শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় গান গাইলেন হুমায়ূন পত্নী মেহের আফরোজ শাওন। আর তার সাথে ছিলেন কলকাতার জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী নচিকেতা।

সুরমঞ্জরী নিবেদিত হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে কলকাতার রবীন্দ্র সদনে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬ টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘দুই বাংলার গান’। এমন অনুষ্ঠানে আজ স্টেজ মাতালেন নচিকেতা ও শাওন।

মেহের আফরোজ শাওন বলেন, ‘নচিকেতা আমার শৈশব কৈশোরের প্রেম। ক্লাস সেভেন এইটে যখন পড়তাম তখন থেকে তার গান গান শুনতাম। তার প্রায় সব গানই মুখস্ত করেছিলাম তখন। কখনো ভাবিনি তার সাথে একই স্টেজে গান গাইবো। আজ যেনো সে স্বপ্ন পূরণ হলো।’

উল্লেখ্য, ছোটবেলা থেকেই গানের সাথে জড়িত শাওন। অভিনয়, নির্মাণের সাথে থাকলেও পাশাপাশি গানেই নিয়োজিত রাখতেন নিজেকে। সর্বশেষ কিছুদিন আগে শাহরিয়াজ নাজিম জয়ের ‘পাপ কাহিনী’ ছবির ‘আহারে’ শিরেনামে একটি গানে প্লে-ব্যাক করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে ফের ১০ স্থানে মুসলিমদের নামাজে বাধা

ফের খোলাস্থানে নামাজ পড়াতে বাধা প্রদান করা হল ভারতের গুরুগ্রামে৷ গতকাল শুক্রবার ১০ টি স্থানে খোলা জায়গায় মুসলিমদের নামাজ পাঠে বাধা দেওয়ার খবর ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

খবর অনুযায়ী, গুরুগ্রাম এবং তার চারপাশের মোট ১০ টি স্থানে এই ঘটনা ঘটে৷ দুই সপ্তাহ আগেই গুরুগ্রামে সেক্টর ৫৩-তে খোলাস্থানে নামাজ পড়াতে বাধা দেয় হিন্দু গ্রামবাসীরা৷ প্রতি শুক্রবার প্রায় ৭০০ মুসলিম এই স্থানে নামাজ পড়ে৷

নেহেরু যুব সংগঠন ওয়েলফেয়ার সোসাইটি চ্যারিটেবল ট্রাস্টের প্রধান ওয়াজিদ খান জানান, বৃহস্পতিবার পুলিশ প্রধানের সঙ্গে হওয়া মিটিংয়ে স্থির হয় তিন স্থানে মুসলিমরা নমাজ পড়বে৷ এই স্থানগুলি হল, সেক্টর ৫৩ প্লট, সিকন্দরপুর এবং অতুল কাটারিয়া চৌক৷ এই সব স্থানে নামাজ পড়ার কারণে যানজটের অভিযোগ ছিল৷

এদিকে, হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা সাইবার পার্কের কাছে ৩ স্থানে মুসলিমদের নামাজ পড়াতে বাধা দেন, সেখানে পুলিশও মোতায়েন করা হয় বলে জানা যায়৷ গুরুগ্রামের পুলিশের পিআরও রবীন্দর কুমার জানান, সব থানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে বিশেষ বিশেষ স্থানগুলিতে পুলিশ মোতায়েন করে রাখা হয়৷ তবে এখনও পর্যন্ত পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি৷

অন্যদিকে, গুরুগ্রামের ডেপুটি কমিশনার বিনয় প্রতাপ সিং জানান, সব স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে৷ পাশাপাশি তিনি আরও জানান, নমাজে যদি কেউ বাধা দিতে চায়, সেই প্রচেষ্টাকে রুখবে প্রশাসন৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে চিকিৎসা নিতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়ে আইরিশ তরুণীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: হতাশায় ভুগছিলেন আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনের বাসিন্দা লিগা স্ক্রোমান। চিকিৎসার জন্য তিনি এসেছিলেন ভারতের কেরালার থিরুভাল্লাম আশ্রমে। অরণ্য ঘেরা আশ্রমের মধ্যে চিকিৎসার পাশাপাশি খুঁজেছিলেন শান্তি। কিন্তু ধর্ষণের শিকার হয়ে নির্মম মৃত্যু হয়েছে তার।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম দ্যা সান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত এপ্রিলের ২১ তারিখে বনের একটি গাছে তার ক্ষত-বিক্ষত শরীর ঝুলে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর পর জানা যায়, ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন লিজা।

পশ্চিমের নারী হলেও ৩৩ বছরের লিজা আয়ুর্বেদের প্রতি বেশ দুর্বল ছিলেন। এ কারণেই মনের অসুখের চিকিৎসায় বেছে নিয়েছিলেন ভারতের কেরালার থিরুভাল্লাম আশ্রমকে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আশ্রমের আসার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যান লিজা। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তদন্তে নামলে বনের ভেতর লিজার রক্তাক্ত মরদেহের সন্ধান পায়।

এই ঘটনায় পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বলেও বলে ভারতীয় বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম এক প্রতিবেদনে জানায়।

জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ পরে সংবাদ মাধ্যমকে জানায়, ধর্ষণের উদ্দেশ্যে লিজাকে তারা নেশাদ্রব্য খাওয়ায়। কিন্তু তারপরেও অর্ধচেতন অবস্থায় লিজা তাদের ধর্ষণে বাধা দিলে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় ধর্ষকরা।

লাটভিয়ার নাগরিক স্ক্রোমান বেশ কয়েক ধরেই আয়ারল্যান্ডে বসবাস করতেন। মানসিক অবসাদের কারণে চিকিৎসার জন্য যে তিনি ভারতে গিয়েছেন তা বোনকে বলেও যান। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পর লিজার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে দূতাবাসকে জানায় তার বোন। এমনকি ভারতেও চলে আসে সে।

মিররকে লিগার বোন লিজা জানায়, এর আগেও ভারতে একাধিকবার গিয়েছিল লিজা। কেরালার প্রতি তার প্রচণ্ড আকর্ষণ ছিল। তবে বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটলেও শুধুমাত্র দু’জন অপরাধীর জন্য কেরালাকে তার পরিবার ঘৃণা করতে পারবেন না বলেও জানান লিজা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশ লিজার মরদেহ হস্তান্তরের পর শেষকৃত্যানুষ্ঠান কেরালার থিরুভাল্লাম আশ্রমেই অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, অভিযুক্ত দুই ধর্ষক এখন বিচারের অপেক্ষায় কারাগারে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: গ্লোবাল সামিট অব উইমেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হওয়ায় বঙ্গবন্ধু কন্যা মাদার অব হিউম্যানিটি, দেশরতœ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকাল ৫টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম রেজার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদেকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আসিফ শাহবাজ খান, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাইন আলম সাদ্দাম, সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি শাওন। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী শাহেদ পারভেজ ইমনের পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান শোভন , সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আলিফ খান, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিউট ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক শামীম গাজী সহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ আনন্দ র‌্যালীতে অংশ গ্রহন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest