সোমবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর দারুস সালাম থানা এলাকার পাইকপাড়া সি টাইপ সরকারি কোয়ার্টারের ১৩৪ নম্বর ভবনের চারতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহকারী হিসাবরক্ষক জেসমিন আক্তার ও তার দুই মেয়ের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পাঁচদিন পেরিয়ে গেলেও মা ও দুই মেয়ের মৃত্যুর ‘ক্লু’ উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। যার ফলে এই মৃত্যুকে ঘিরে বেড়েই চলেছে ‘রহস্য’।
মৃত্যুর ঘটনার পর জেসমিনের কর্মস্থলে তার টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে একটি চিরকুটে লেখা সুইসাইডাল নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। চিরকুটটিতে লেখা ছিল- ‘আমি বেঁচে থাকার রাস্তা খুঁজে পাচ্ছি না। আমার সব দিক থেকে অনেক অন্ধকার নেমে এসেছে। তাই এ সিদ্ধান্ত নিতে হলো। আমার মৃত্যুর জন্য নির্মম দুর্ভাগ্য দায়ী।’
চিরকুটটি উদ্ধারের পর দুই শিশুসন্তানসহ মায়ের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য আরও বেড়েছে।
এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগে দারুস সালাম জোনের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম জানান, জেসমিনের অফিসে তার ড্রয়ার থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। তার লেখা ওই চিরকুটের অর্থ খোঁজার চেষ্টা চলছে। তিনি জানান, এটি জেসমিনের লেখা কিনা সেটি নিশ্চিত হতে তা পরীক্ষার জন্য সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা করা হয়নি। তবে পুলিশ বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে বলে জানিয়েছেন দারুস সালাম থানার ওসি সেলিমুজ্জামান।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ঘটনার কোনো ক্লু খুঁজে পাওয়া যায়নি। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা এখনো নিশ্চিত না হওয়ায় কাউকে আটক করা হয়নি।
ওসি সেলিমুজ্জামান বলেন, মৃতদের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি। সেটি হাতে পেলেই জানা যাবে এটি হত্যাকাণ্ড নাকি আত্মহত্যা। তবে সার্বিক বিষয় মাথায় রেখেই আমরা তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।
ঘটনার দিন ওই বাসায় ছিলেন মৃত জেসমিন আক্তারের খালাতো বোন রেহেনা পারভীন যুথি, ভাগিনা রওশন জামিল ও তার স্ত্রী রোমানা পারভীন।
মৃত জেসমিনের স্বজনরা দাবি করেছেন নিজের চাকরি ও সংসার নিয়ে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত থাকার কারণেই জেসমিন আক্তার (৩৫) নিজের দুই মেয়েকে খুন করে আত্মহত্যা করেছেন।
এ ব্যাপারে দারুস সালাম থানার ওসি সেলিমুজ্জামান বলেন, মা ও দুই মেয়ের লাশ যখন উদ্ধার করা হয় তখন জেসমিনের বডির পাশে হলুদ রঙের কাঠের বাঁটযুক্ত একটি রক্ত মাখা ছুরি পড়েছিল। আমরা যখন জেসমিনের স্বামীর কাছে জানতে চেয়েছি ছুরিটি বাসায় ব্যবহৃত কিনা তিনি তার কোনো উত্তর দিতে পারেননি।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় জেসমিনের পরিবারের অনেকেই বাসায় ছিলেন। কিন্তু এত বড় একটি ঘটনা তারা আঁচ করতে না পারায় রীতিমত রহস্যের জন্ম দিয়েছে। তাই জেসমিনের পরিবারের সদস্যদের ওপর নজরদারি অব্যাহত আছে।
মৃতদের ময়নাতদন্ত শেষে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সেলিম রেজা বলেছেন, মৃত মা ও দুই মেয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের মারাত্মক জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। যা দেখে মনে হয়েছে ছুরিকাঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তাদের সবার মৃত্যু হয়েছে।
বিশেষ প্রতিনিধি: সরকারের সাফল্য ও উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে আজ শনিবার একাধিক উঠান ও পথসভায় বক্তব্য রাখেন ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি।তিনি আজ সকালে নলাতার মাগুরালী গ্রাম,খানজিয়া স্কুল মাঠ,ভাড়াসিমলার শুইলপুর স্কুল মাঠ,তারালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ,বি.টি.জি.আর. স্কুল মাঠ,পাইকাড়া গ্রাম,কাশিবাটি স্কুল মাঠ,কাজলা জি.বি.দাখিল মাদ্রাসা মাঠ সহ একাধিক স্থানে জনসংযোগ ও শিক্ষার্থীদের সাথে মত-বিনিময় করেন।
এক অর্নাস পড়ুয়া শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে তিনি কারিগরি শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।তিনি আরও বলেন,তোমাদের বাড়ির পাশে নার্সিং কলেজ হয়েছে,সেখানে তোমরা পড়তে পারবে এবং সহজে চাকরি পাবে।তাছাড়া তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন।মা-বোনদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন,আপনারা বছরে শুরুতে বিনামূল্যে বই পাচ্ছেন, বয়স্ক ভাতা,বিধবা ভাতা,প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন,সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ,বাইপাস,প্যারামেডিকেল কলেজ পেয়েছেন।৩০ টি কাম সাইক্লোন শেল্টার হয়েছে,আশাশুনি,দেবহাটা ও কালিগঞ্জে একটি করে কলেজ ও একটি করে মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি হয়েছে।এছাড়া প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ও পর্যাপ্ত ব্রীজ-কালভার্ট তৈরি হয়েছে।এক কথায় উন্নয়নের মহা-সড়কে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। আর এ সবই বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য হয়েছে।
আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় পুলিশের সন্ত্রাস, নাশকতা ও মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে জামায়াতের এক কর্মীসহ ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বিভিন্ন অভিযোগে তাদেও বিরুদ্ধে এ সময় ৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার দুপুর পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।
আটককৃতদেও মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১০ জন, কলারোয়া থানা ৫ জন, তালা থানা ৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ৫ জন, শ্যামনগর থানা ৮ জন, আশাশুনি থানা ৪ জন, দেবহাটা থানা ২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর সফলভাবে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে স্পেস এক্স। ফ্লোরিডার স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় অরল্যান্ডোতে কেনেডি স্পেস সেন্টার তথা নাসা’র ব্লক-৫ এ এই পরীক্ষা চালানো হয়। এখান থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আগামী সপ্তাহে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটকে মহাকাশে পাঠানো হতে পারে। শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি টুইট বার্তায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেণকারী প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স এই তথ্য জানিয়েছে।
টুইট বার্তায় বলা হয়েছে , ‘শুক্রবারের স্ট্যাটিক ফায়ার টেস্ট নামের ওই পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ যান ফ্যালকন-৯ এ ত্রুটি ধরা পড়েনি। এটি সম্পূর্ণ কার্যকর। এখন এই পরীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য স্পেস এক্সের সদর দফতর লস অ্যাঞ্জেলসে পাঠানো হয়েছে। তথ্য পর্যালোচনা শেষে শিগগিরই উৎক্ষেপণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।’
এ বিষয়ে জানতে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সময় শনিবার দুপুরে স্পেস এক্সকে একটা অ্যানালাইসিস রিপোর্ট দেবে। রিপোর্ট ইতিবাচক হলে ওরা আমাদের উৎক্ষেপণের দিনক্ষণ জানিয়ে দেবে। তবে স্যাটেলাইটের পরীক্ষামূক উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে।’
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর প্রকল্প পরিচালক মেজবাহ উজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের কথা জানিয়েছেন। তবে তা সফল হয়েছে কিনা তা এখনই বলা যাবে না। তারা প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছেন।
এরকম পরীক্ষা এর আগে আরও একাধিকবার হয়েছে বলে জানা গেছে। চূড়ান্তভাবে উৎক্ষেপণের আগে এরকম টেস্ট আরও হবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ক্রনিক ক্লান্তির সমস্যায় যদি আপনিও ভুগে থাকেন, তাহলে বিষয়টিকে হলকা ভাবে নেবেন না। এক্ষেত্রে বিশেষ কিছু খাবারকে রোজের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতেই হবে। নিয়মিত কিছু খাবার খেলে ক্লান্তি তো দূর হয়ই, সেই সঙ্গে শরীরের ক্ষমতা এতটাই বেড়ে যায় যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারবে না। ক্লান্তি দূর করতে নিয়মিত কী কী খাবার খাওয়া জরুরি আসুন জেনে নিই …
বাদাম : ক্লান্তি দূর করতে বাস্তবিকই বাদামের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এর মধ্যে থাকা প্রোটিন এবং ফাইবার এনার্জির ঘাটতি দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। বাদামের পটাশিয়াম এবং সোডিয়ামও এক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে থাকে।
তরমুজ : এই ফলটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শরীরে পানির ঘাটতি দূর হয়। ফলে ক্লান্তি দূর হতে সময় লাগে না। আসলে দেহে পানির ঘাটতি দেখা দিলে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলি ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্লান্তি ঘারে চেপে বসে। এই কারণেই তো নিয়মিত তরমুজ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
কলা : পটাশিয়ামে ভরপুর এই ফলটি সকাল বিকাল খেলে ক্লান্তি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। আসলে পটাশিয়াম শর্করাকে ভেঙে এনার্জির যোগান ঠিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে কলায় উপস্থিত ভিটামিন বি, সি, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট দেহে পুষ্টির ঘাটতি হতে দেয় না। ফলে একাধিক রোগের প্রকোপ থেকেও শরীর রক্ষা পায়।
গ্রিন টি : অফিস থেকে ফেরা মাত্র ধোঁয়া ওঠা এক পেয়লা গ্রিন টি ক্লান্তি দূর করতে দারুন কাজে আসতে পারে কিন্তু! আসলে এতে উপস্থিত পনিফেনলস, স্ট্রেস কমায়, সেই সঙ্গে শরীরে বিশেষ কিছু উপাদানের ঘাটতি মিটিয়ে শরীর এবং মস্তিষ্কের ক্লান্তি দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। গ্রিন টিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ আরও এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং হজম শক্তির উন্নতিতেও সাহায্য় করে থাকে। তবে দিনে ২-৩ বার এই পানীয়টি খেতেই হবে। না হলে কিন্তু তেমন একটা সুফল পাবেন না।
দই : প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট হল এনার্জির ঘাটতি দূর করার সবথেকে জরুরি দুটি উপাদান। আর এই উপাদান দুটি প্রচুর মাত্রায় রয়েছে দইয়ে। সেই সঙ্গে এই দুগ্ধজাত দ্রব্যে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়া হজমের সমস্যা দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। দিনে মাত্র ১ কাপ করে দই খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই ক্লান্তি চিরতরে ছুটিতে চলে যাবে।
কুমড়ো বীজ : ক্লান্তির সঙ্গে সফলভাবে লড়াই করতে এই প্রাকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। ভিটামিন বি১, বি২, বি৫ এবং বি৬ সমৃদ্ধ এই প্রাকৃতিক খাবারটি খেলে শরীরে প্রাটিনের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রণ এবং কপারের চাহিদাও পূরণ করে। এই সবকটি উপাদানটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে জোরদার করার পাশাপাশি শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়তেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
সালমান খানকে বলা হয় বক্স অফিসের রাজা। মুক্তির কয়েক দিনের মধ্যে ছবির আয় ১৫০ কোটি পেরিয়ে যায়। এরপর ৩০০ কোটির ক্লাবে। বেশি দূর যেতে হবে না, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ তার সর্বশেষ উদাহরণ। আগামী ১৫ জুন মুক্তি পাচ্ছে সালমানের ‘রেস থ্রি’।
অ্যাকশন ঘরাণার এ ছবির সহ-প্রযোজক সালমান। তার সঙ্গে আছেন রমেশ তুরানি। গত এপ্রিল মাস থেকেই ছবিটি বিশ্ব ব্যাপী (চীন ব্যাতীত) পরিবেশনের জন্য একাধিক কোম্পানি তাদের কাছে ধর্না দিচ্ছেন।
ছবিটি পরিবেশনের স্বত্ন ক্রয়ে করতে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে আছে ফক্স স্টার স্টুডিও, রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট, ইয়াশ রাজ ফিল্মস ও ইরোস ইন্টারন্যাশনাল। সূত্রের ঊদ্ধৃতি দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, সালমান ও রমেশ তুরানিকে বেশ লোভনীয় প্রস্তাবটিই দিয়েছে ইরোস। অঙ্কটা ১৯০ কোটি রুপির কাছাকাছি!
‘রেস থ্রি’ ছবিতে খলনায়কের ভূমিকায় দেখা যাবে সালমানকে। এছাড়াও অভিনয় করেছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, ডেইজি শাহ, অনিল কাপুর ও ববি দেওল।
কঠোর অনুশীলনেই পাওয়া যায় কাঙ্ক্ষিত শরীর। তবে শুধু অনুশীলনই নয়, আকর্ষণীয় শরীর গঠনের জন্য অনুশীলনের পাশাপাশি যেমন প্রয়োজন উপযুক্ত খাদ্য, তেমনি বিশ্রামেরও প্রয়োজন রয়েছে। মাংসপেশি গঠনের জন্য সহজ কিছু নিয়ম, সেই সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস ও বিশ্রাম নিয়ে আলোচনা করা হলো এবারের সংখ্যায়।
স্ট্রেচ
যেকোনো ধরনের স্ট্রেচিং করতে হবে। তবে স্ট্রেচ করার সময় একটা ফোম ব্যবহার করা উচিত। এতে স্ট্রেচিংয়ের সময়টা যেমন স্বস্তিতে কাটবে তেমনি ছোটখাটো ইনজুরি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
পুরো শরীরকে কাজে লাগানো
সবচেয়ে ভালো ফল পেতে একই ব্যায়ামে শরীরের সব অংশকে কাজে লাগাতে হবে। অথবা একই অনুশীলনে শরীরের ওপরের অংশ এবং অন্য অনুশীলনে নিচের অংশের অংশগ্রহণ হলে ভালো হয়।
ফুয়েল আপ
কোন খাবারে কত ক্যালরি আছে শুরুতেই সে সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। কেননা শরীর গঠনের জন্য খাবারটা সবচেয়ে বেশি জরুরি। আর জরুরি ক্যালরি সম্পৃক্ত খাবার গ্রহণ। খাবারের ক্যালরি সম্পর্কে ধারণা নিয়ে আগের চেয়ে প্রতিদিন খাবারে যেন আরো ৫০০ ক্যালরি যোগ হয় সেদিকে মনোযোগী হতে হবে।
সীমিত কার্ডিও
ট্রেডমিলে সপ্তাহে দুই দিন জগিং করা যেতে পারে। তবে প্রতিটি সেশন আধাঘণ্টা করে হলে ভালো। আবার মাঝে মাঝে মাঠেও দৌড়ানো যেতে পারে। প্রতি এক মিনিট দৌড়ের পর দুই মিনিট জগিং। এভাবে ৩০ মিনিট করে প্রতি সপ্তাহে তিনবার করতে হবে।
ঘুম
সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম সবচেয়ে ভালো। সপ্তাহে এক বা দুই দিন হয়তো এর ব্যতিক্রম হতে পারে। এমনটা হলেও দ্রুত তা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।
পরিবর্তন
মাঝে মাঝে অনুশীলনে পরিবর্তন আনতে হবে। প্রতি চার থেকে ছয় সপ্তাহ অন্তর পরিবর্তন আনলে ভালো হয়। এটা যেমন অনুশীলনে হতে পারে, তেমনি হতে পারে অনুশীলনের পরিমাণে, এমনকি বিশ্রামের সময়েও।
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…